Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Ashwini Vaishnaw: ৬ বছরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত! দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    Ashwini Vaishnaw: ৬ বছরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত! দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু-বছরের মধ্যে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতিতে (Largest Economy) পরিণত হতে চলেছে ভারত। শনিবার নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) সরকারের ৯ বছরের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে এমনই জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। শুধু তাই নয়, তাঁর দাবি, আগামী ৬ বছরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত। তিনি জানান, ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারত দশম স্থান থেকে পঞ্চম স্থানে চলে এসেছে। আগামী দু-বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে এবং আগামী ৬ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। এই সংকল্প নিয়েই দেশ এগিয়ে চলেছে।

    বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়ছে

    দেশবাসীকে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বাধীন সরকারের উপর আস্থা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তথ্য-প্রযুক্তি ও রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।” এদিন মোদি সরকারের ৯ বছরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে এক জাতীয় সম্মেলন হয়। সেই সম্মেলনেই প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারত কিভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে উপরের দিকে উঠে এসেছে, তার ব্যাখ্যা দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি জানান,  বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়াতে সরকারি স্তরে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে ভারত। তা ছাড়াও ভারতের বৃহত্তর জনগোষ্ঠী, ডিজিটাল প্রযুক্তির উপর জোরও দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করছে।

    আরও পড়ুন: হিরোশিমা-সফরের স্মৃতিতে বিহ্বল! ‘মন কি বাত’-এ বীর সাভারকরকে স্মরণ মোদির

    প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্ব

    প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে সারাদেশে নতুন চিন্তাভাবনা, দৃষ্টিভঙ্গী এবং মানসিকতার পরিবর্তন ঘটেছে বলেও জানান তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি বলেন, “আগে দরিদ্রদের শুধু ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে দেখা হতো। ২০১৪ সাল থেকে সমাজের দরিদ্র এবং দুর্বল অংশের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন প্রকল্প আনা হয়েছে এবং তার বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সরকারি প্রকল্পগুলি একেবারে তৃণমূল স্তরে পৌঁছে দেওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং জনগণকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।” তাঁর মতে, বৈচিত্র্যময় অর্থনীতি, ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশের কারণে সারা বিশ্বে ভারত এখন একটি শক্তিশালী বিনিয়োগ গন্তব্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Parliament Building: স্বদেশের ছোঁয়া! নয়া সংসদ ভবনের ভিডিয়োয় ভয়েস ওভার শাহরুখের

    New Parliament Building: স্বদেশের ছোঁয়া! নয়া সংসদ ভবনের ভিডিয়োয় ভয়েস ওভার শাহরুখের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন সংসদ ভবনে (New Parliament Building) স্বদেশের ছোঁয়া। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনুরোধে নয়া সংসদ ভবনের ভার্চুয়াল সফর শাহরুখ খানের। দিলেন ভয়েস ওভার। তাঁর ট্যুইটারে, শাহরুখ খান নয়া সংসদ ভবনের একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে তাঁর ভয়েসওভারের মাধ্যমে গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন জায়গাটির। ১.৪৮ মিনিটের ওই ভিডিয়োতে,শাহরুখ নতুন সংসদের গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন এবং নতুন ভবনের অভ্যন্তরীণ খুঁটিনাটি তুলে ধরেছেন। তাঁর ছবি স্বদেশের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকও দিয়েছেন ভিডিয়োতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শাহরুখের এই ভিডিয়োর জবাবে লেখেন, “অত্যন্ত সুন্দর ব্যাখ্যা”।

    প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ

    জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)-র অনুরোধেই সংসদ ভবনের ভিডিয়োয় ভয়েস ওভার বা কণ্ঠ দিয়েছেন শাহরুখ খান। শুধু শাহরুখই নন, একই সঙ্গে অপর আরেকটি ভিডিয়োয় কণ্ঠ দিয়েছেন অক্ষয় কুমারও। শনিবার রাতেই দুই বলিউড তারকা নতুন সংসদ ভবনের ভিডিয়ো শেয়ার করেন, যেখানে তাঁরা কণ্ঠ দিয়েছেন। তাঁদের এই ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। 

    আরও পড়ুন: সর্বধর্ম প্রার্থনা, নতুন সংসদ ভবনের উদ্বোধন! ট্যুইট বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    গত ২৬ মে প্রধানমন্ত্রী নতুন সংসদ ভবনের (New Parliament Building) এক ঝলক ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন। সেই ভিডিয়োয় কোনও ভয়েস ওভার বা বাকগ্রাউন্ড মিউজিক ছিল না। সেই ভিডিয়োতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী লিখেছিলেন, “আমার একটা বিশেষ অনুরোধ রয়েছে-এই ভিডিয়োটিতে আপনারা নিজেদের কণ্ঠ দিয়ে শেয়ার করুন, নিজেদের চিন্তাভাবনা তুলে ধরুন। আমি সেগুলির মধ্যে থেকে রি-টুইট করব।”

    স্বদেশের ছোঁয়া

    প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ ফেলতে পারেননি কিং খান। ভিডিয়োয় শাহরুখ খানকে বলতে শোনা যায়, “নতুন সংসদ ভবন আমাদের আশা-প্রত্যাশার নতুন ঠিকানা। ১৪০ কোটি ভারতীয়দের এক পরিবারে পরিণত করেছে যে সংবিধান, তাকে তুলে ধরার দায়িত্ব রয়েছে যাদের কাঁধে, তাদের জন্য নতুন নীড় এটি। আশা করি এই নতুন বাড়ি এত বড় হোক যে দেশের প্রতিটি কোণের, প্রতিটি শহর ও গ্রামের সমস্ত মানুষের জন্য় জায়গা থাকুক।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NITI Aayog Meet: “রাজ্যের কোষাগার শূন্য, ধার করে খয়রাতি নয়”! রাজ্যগুলিকে সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    NITI Aayog Meet: “রাজ্যের কোষাগার শূন্য, ধার করে খয়রাতি নয়”! রাজ্যগুলিকে সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে রাজ্যের কোষাগারের যাতে দেউলিয়া দশা না হয়, তা নিয়ে নীতি আয়োগের (NITI Aayog Meet) পরিচালন পরিষদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সতর্ক করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীদের তিনি বলেছেন, আর্থিক শৃঙ্খলা জরুরি। এখন ধার করে খয়রাতি করা যেতে পারে। কিন্তু ভবিষ্যতে তার ঠেলা সামলাতে হবে। তাই যে কোনও ঘোষণা করার আগে, কোনও পরিকল্পনার আগে বা কোনও কাজ করার আগে তা মাথায় রাখতে হবে।

    খয়রাতি নয়

    শনিবারের বৈঠকের পরে নীতি আয়োগের (NITI Aayog Meet) সিইও বি আর সুব্রমণ্যম বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নির্দিষ্ট কোনও প্রকল্পের কথা বলেননি। তবে ইঙ্গিত করেছেন। তিনি সার্বিক ভাবে নিজের মতামত জানিয়েছেন। বিদেশি রাষ্ট্রগুলিতে খয়রাতি করতে গিয়ে কী অবস্থা হয়েছে, তার উদাহরণ দিয়েছেন।’’ 

    ভিক্সিট ভারত@ ২০৪৭

    ১১ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ছাড়াই শনিবার নীতি আয়োগের (Niti Aayog) বৈঠক হয়। নীতি আয়োগের অষ্টম গভর্নিং কাউন্সিলের এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) মূলত কেন্দ্র, রাজ্য এবং প্রশাসনিক অঞ্চলগুলিকে টিম ইন্ডিয়া হিসাবে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানালেন। একইসঙ্গে ভিক্সিট ভারত@ ২০৪৭-এর স্বপ্ন পূরণ করার আহ্বান জানালেন তিনি। এদিন দিল্লির প্রগতি ময়দানে নিউ কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয় নীতি আয়োগের বৈঠক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন সহ অন্যান্য গভর্নিং কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। যার মধ্যে মোট ১৯টি রাজ্য ও ৬টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধি যোগদান করেছিলেন।

    বিশেষ দল তৈরির কথা

    নীতি আয়োগের পরিচালন পরিষদের বৈঠকে এ বার প্রধান বিষয় ছিল ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত’ তথা স্বাধীনতার শতবর্ষে উন্নত দেশগুলির তালিকায় ভারতকে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী আজ বলেছেন, ‘‘এ কোনও ব্যক্তি বা কিছু লোকের আকাঙ্ক্ষা নয়। গোটা দেশের আকাঙ্ক্ষা। এ জন্য জাতীয় স্তরে পরিকল্পনার থেকেও রাজ্য ও জেলা স্তরে পরিকল্পনা তৈরি জরুরি বলে যুক্তি দিয়েছেন মোদি। প্রতিটি রাজ্যে এই পরিকল্পনা তৈরির জন্য একটি বিশেষ দল তৈরি করতে বলেছেন। জানিয়েছেন, নীতি আয়োগ এ বিষয়ে রাজ্যগুলিকে সাহায্য করবে। তাতে রাজ্যের ভার লাঘব হবে। রাজ্যের পরিকল্পনার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই জাতীয় স্তরে রূপরেখা তৈরি হবে। কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে প্রতিটি রাজ্যে নীতিআয়োগের ধাঁচের প্রতিষ্ঠান তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্যগুলির ক্ষতি! নীতি আয়োগের বৈঠকে গরহাজির ৮ অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী

    এদিন প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ উপলক্ষে শ্রী অন্ন যোজনার প্রকল্পের উপর জোর দেওয়ার বার্তা দেন। পাশাপাশি জল সংরক্ষণের জন্য অমৃত সরোবর প্রোগ্রামের উপর জোর দেন তিনি। পাশাপাশি পরিকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজ্যগুলিকে গতিশক্তি পোটালে সক্রিয় হওয়া এবং স্থানীয় এলাকা থেকে সামাজিক পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর জোর দেওয়ার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • 9 Years Of PM Modi: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বন্দে ভারত! ৯ বছরে মোদি সরকারের সাফল্যের নানা ছবি

    9 Years Of PM Modi: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে বন্দে ভারত! ৯ বছরে মোদি সরকারের সাফল্যের নানা ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড ভ্যাকসিন থেকে সেমি হাই স্পিড বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, উজ্জ্বলা যোজনা, সুকন্যা সমৃদ্ধি যোজনা,বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও, আবাস যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প মোদি সরকারের ৯ বছর পূর্তিতে উঠে এল মোদি সরকারের সাফল্যের নানা ছবি। ২৬ মে মোদি (9 Years Of PM Modi) সরকারের ৯ বছর পূর্ণ হয়েছে। বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব শুক্রবার গত ৯ বছরে দেশের সমৃদ্ধির এক খতিয়ান তুলে ধরেছেন। তাতেই উঠে এসেছে সফলতার গল্প। এই সাফল্যই আাগামী বছর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রচারের হাতিয়ার।

    মেগা প্রচারের পরিকল্পনা 

    ২৬ মে ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদি (9 Years Of PM Modi) । এই ৯ বছরের যাত্রাকে স্মরণীয় করে রাখতে, বিজেপি একটি মেগা প্রচারের পরিকল্পনা করেছে। এতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের খতিয়ান জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। ৩১ মে রাজস্থানের আজমীরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভা দিয়ে এই অনুষ্ঠান শুরু হবে। পাশাপাশি চালু করা হবে ‘কন্টাক্ট টু সাপোর্ট’ কর্মসূচিও। ৩১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চলা এই বিশেষ অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৫১টি বড় জনসভা করা হতে পারে। যেখানে প্রায় ৮টি সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি ছাড়াও অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা, যোগী আদিত্যনাথ, স্মৃতি ইরানি, হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সহ অন্যান্য নেতারাও সমাবেশে ভাষণ দেবেন।  বিজেপি হিন্দি, ইংরেজি ছাড়াও রাজ্যগুলির জন্য আঞ্চলিক ভাষায় প্রচারের পরিকল্পনা করেছে।

    ভিডিও সিরিজ চালানোর প্রস্তুতি

    এই প্রচারের সময় একটি বিশেষ ভিডিও সিরিজ চালানোর প্রস্তুতিও নিয়েছে বিজেপি। ৪টি ভিডিও সিরিজে মোদি সরকারের ৯ বছরের সাফল্যকে তুলে ধরা হবে। তার মধ্যে যেমন রয়েছে ‘উজ্জ্বলা যোজনা’, তেমনই রয়েছে স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বন্দে ভারত ট্রেনের যাত্রা। সেই সঙ্গে কোভিড ভ্যাকসিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে মোদির নেতৃত্বে ভারত যে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্বকে পথ দেখিয়েছে সেই সাফল্যের খতিয়ানও তুলে ধরা হবে।

    আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবনের অন্দরসজ্জা কেমন? ভিডিও শেয়ার করে ঝলক দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

    একই সঙ্গে কোভিড কালে ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে রেশন বিতরণ, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার মাধ্যমে বিশ্বের বৃহত্তম জনস্বাস্থ্য পরিচর্যা কর্মসূচির খতিয়ানও এই সময়ের মধ্যে সাধারণের সামনে পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে বিজেপির। এই সময় দেশে ৭৪টি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করা হয়েছে।

    জলপথ, রেলপথ, বিমান পরিষেবা

    ৫৪হাজার কিমি জাতীয় সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি ১১১ টি জলপথ এবং ১৫টি শহরে মেট্রো রেল চালু করা হয়েছে সেই সঙ্গে ১৭টি বন্দে ভারত ট্রেন চালু করেছে কেন্দ্র সরকার। আগামী দিনে দেশের সব বড় শহরকে বন্দে ভারতের মাধ্যমে জোড়ার পরিকল্পনা রয়েছে মোদি সরকারের। ইতিহাস এবং সংস্কৃতিকে সম্মান দিয়ে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ, রাণসীতে কাশী বিশ্বনাথ করিডোর, উজ্জয়িনে মহাকাল লোক প্রকল্প-এর মত সাফল্যও দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীর প্রাণসংশয়! উড়ো ফোন দিল্লি পুলিশের কন্ট্রোল রুমে

    Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীর প্রাণসংশয়! উড়ো ফোন দিল্লি পুলিশের কন্ট্রোল রুমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের কন্ট্রোল রুমে ফোন বাজল। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত ১০.২০ মিনিট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) প্রাণসংশয়। ফোন করে এমনই দাবি করেছিলেন এক ব্যক্তি। কাল ব্যয় করেনি পুলিশ! টেলিফোন নম্বর ট্র্যাক করা হয়।  ওই ব্যক্তির লোকেশন অনুযায়ী অবস্থান দেখে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে। 

    উড়ো ফোন

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি মত্ত অবস্থায় ওই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ পুলিশ কন্ট্রোল রুমে (পিসিআর) একটি ফোন আসে। সেখানে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে দাবি করা হয়, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (Narendra Modi) মেরে ফেলা হবে। এ কথা শুনেই তৎপর হয় পুলিশ। ফোন নম্বর ট্র্যাক করে দেখা যায় ফোনটি এসেছিল করোলবাগ এলাকা থেকে। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সেখানে পৌঁছে ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে থানায় তুলে আনে। সেই সময় তিনি মত্ত অবস্থায় ছিলেন।

    হতাশা থেকেই তামাশা! 

    পুলিশ জানিয়েছে, তারা জানতে পেরেছে ওই ব্যক্তির নাম হেমন্ত কুমার। এই ব্যক্তি কারোলবাগের রায়গড়পুরার বাসিন্দা। দিল্লির ডেপুটি পুলিশ কমিশনার প্রণব তায়াল বলেন, ‘তাঁকে পুলিশ স্টেশনে আনা হয়েছে ও যৌথভাবে জেরা করা হচ্ছে।’ পুলিশ জানতে পেরেছে যে, গত ৬ বছর ধরে বেকারত্বে ভুগছেন অভিযুক্ত হেমন্ত কুমার। এছাড়াও তাঁর মদ্য পানের অভ্যাস রয়েছে। তাঁর বয়স ৪৮। বৃহস্পতিবার মদ্যপান করে তিনি পুলিশকে ফোন করে প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) প্রাণসংশয়ের কথা বলেন।

    আরও পড়ুন: সোমবার অশান্ত মণিপুরে তিন দিনের সফরে যাচ্ছেন অমিত শাহ

    প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সম্প্রতি বেশ কিছু ফাঁক ফোকড়ের ছবি উঠে এসেছে। পাঞ্জাবের পর সদ্য কর্ণাটকে বিধানসভা ভোটের প্রচারে গিয়ে একাধিকবার নিরাপত্তার ফাঁকে পড়েন মোদি (Narendra Modi)। কখনও ব্যারিকেড ভেঙে তাঁর দিকে ছুটে আসেন কেউ, আবার কখনও মোদির দিকে উড়ে আসে মোবাইল। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে পুলিশ কন্ট্রোল রুমে এই ব্যক্তির ফোন আসার ঘটনায় বেশ চাঞ্চল্য ছড়ায় রাজধানীতে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: গিল-মোহিতের দাপটে পর পর দুবার আইপিএল ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

    IPL 2023: গিল-মোহিতের দাপটে পর পর দুবার আইপিএল ফাইনালে গুজরাট টাইটান্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে শেষ ধাপে পৌঁছে গেল গুজরাট টাইটান্স। রবিবার আইপিএল (IPL 2023) ফাইনালে মোতেরায় হার্দিক বাহিনীর সামনে চেন্নাই সুপার কিংস। প্লে-অফে প্রথম কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। শেষ হাসি হেসেছিল ধোনি ব্রিগেড। তবে শুক্রবার মোতেরায় দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডয়ান্সকে ৬২ রানে হারিয়ে সহজেই ফাইনালের টিকিট পাকা করে নেয় গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের নায়ক শুভমান গিল। ৬০ বলে তাঁর সংগ্রহ ঝোড়ো ১২৯ রান। ৭টি চার ও ১০টি ছক্কাও হাঁকিয়েছেন তিনি। বলা ভালো, গিলের দুর্ধর্ষ ব্যাটিংয়ের সামনে উড়ে গেল মুম্বই।

    ম্যাচের হালচাল

    বৃষ্টির কারণে শুক্রবার মোতেরায় গুজরাট-মুম্বই ম্যাচ শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের আধ ঘণ্টা পরে। পরিবেশ ও পরিস্থিতি বুঝে টসে জিতে আগে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। তিনি ভেবেছিলেন, রান তাড়া করতে সুবিধা হবে। কিন্তু শুভমান গিলের সেঞ্চুরিতে ভর করে গুজরাট ৩ উইকেটে ২২৩ রান তোলায় কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়ে মুম্বই। গিল ছাড়া গুজরাটের হয়ে ভালো ব্যাট করেছেন সাই সুদর্শন (৪৩)। তবে মন্থর ব্যাটিংয়ের কারণে রিটায়ার্ড আউট হন। যা আইপিএলে ঘটল দ্বিতীয়বার। চাওলার বলে ঋদ্ধিমান ১৮ রানে আউট হওয়ার পর ঝড় তোলেন গিল। তবে দু’বার জীবনও পেয়েছেন তিনি। একবার তাঁর ক্যাচ ফেলেন টিম ডেভিড। আর একবার ফিরতি ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন গ্রিন। ৩২ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করেন গিল। তারপর সেঞ্চুরিতে পৌঁছতে তাঁর লাগে মাত্র ১৭টি বল। যা থেকেই স্পষ্ট, গিল কতটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন।

    আরও পড়ুন: একা হাতেই গুঁড়িয়ে দিলেন লখনউকে! কে এই আকাশ মাধওয়াল?

    দিনটা সত্যিই মুম্বইয়ের ছিল না। তা না হলে টসে জিতেও এভাবে হারতে হয়! সহ খেলোয়াড় জর্ডনের সঙ্গে সংঘর্ষে চোটে আঘাত পান কিষান। তিনি আর ব্যাট করতে পারেননি। ফলে রোহিতের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ওয়াধেরা। কিন্তু দু’জনেই ব্যর্থ। পাওয়ার প্লেতে চালিয়ে খেলে তিলক ভার্মা ১৪ বলে করেন ৪৩। গ্রিন চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেও, পরে ফের ব্যাট করতে নামে। সূর্যকুমারের সঙ্গে বড় জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু ৩০ রানে লিটলের বলে বোল্ড হন গ্রিন। তবে সূর্য যতক্ষণ ছিলেন, ততক্ষণ আশা বেঁচে ছিল মুম্বইয়ের। কিন্তু চাপের মুখে চালিয়ে খেলতে গিয়ে মোহিত শর্মার বলে ৬১ রানে বোল্ড হন সূর্য। গুজরাটের জয় কার্যত নিশিচত হয়ে যায়। ১৮.১ ওভারে ১৭১ রানেই গুটিয়ে যায় মুম্বই। ১০ রানে মোহিতের সংগ্রহ মোট ৫টি উইকেট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘নবজোয়ার’-এ পুলিশের খরচ মেটাচ্ছে কে? হাইকোর্টে মামলা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘নবজোয়ার’-এ পুলিশের খরচ মেটাচ্ছে কে? হাইকোর্টে মামলা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচিতে যে পুলিশ মোতায়েন করা হচ্ছে, তার খরচ কারা দিচ্ছে? কেনই বা দলীয় ভোটে রাজ্য পুলিশকে (Police) ব্যবহার করা হচ্ছে? এ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    শুভেন্দুর প্রশ্ন

    শুভেন্দুর প্রশ্ন একটি রাজনৈতিক দলের নিজস্ব ভোটে কীভাবে সরকারি সাহায্য যেতে পারে? পঞ্চায়েতে কাকে প্রার্থী দেখতে চান, জানতে চেয়ে ভোটের আয়োজন করেছে একটি আঞ্চলিক দল। নাম না করে তৃণমূলকে (TMC) নিশানা করেন শুভেন্দু। পুলিশ ব্যবহারের জন্য সরকারি খাতে ওই দল টাকা জমা করেছে কিনা সেই প্রশ্নের জবাব চান বিরোধী দলনেতা। এই নিয়ে ডিজিকে চিঠি দিয়ে উত্তর মেলেনি। এবার তাই হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    মামলার শুনানি

    আগামী ৭ জুন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবাজ্ঞনমের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। হাইকোর্ট সূত্রে খবর, শুভেন্দু অধিকারী জনস্বার্থ মামলাটি দায়ের করেছেন গত ১৯ মে। ডিজিপি কে চিঠি দিয়ে কোনও উত্তর না পাওয়ার ১৮ দিন পরে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। বিরোধী দলনেতার আইনজীবী সূর্যনীল দাস জানান, মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে ৭ জুন মামলাটি প্রধান বিচারপতি টি এস শিবাজ্ঞনম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য আসতে পারে। ওইদিন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে ইটাহার ও মালদহে মিছিলের অনুমতি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলাটিরও শুনানি হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: সুপ্রিম কোর্টেও স্বস্তি পেলেন না অভিষেক! জেরা করতে পারবে সিবিআই

    গত ২৫ এপ্রিল কোচবিহার থেকে শুরু হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচি। ভোটাভুটি শুরুর দিনেই গণ্ডগোল দেখা যায় সেখানে। ব্যালট বক্স চুরি থেকে হাতাহাতি কোনওটাই বাদ যায়নি। উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ সর্বত্রই অশান্তির ছবি চোখে পড়েছে।  সেই সময় শক্ত হাতে পরিস্থিতির সামাল দেয় পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Parliament Building: রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে নয়া সংসদ ভবন উদ্বোধনের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    New Parliament Building: রাষ্ট্রপতিকে দিয়ে নয়া সংসদ ভবন উদ্বোধনের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে দিয়ে নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধন করানোর আবেদন শুক্রবার খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত। নয়া সংসদ ভবনের (New Parliament Building) উদ্বোধনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (President Draupadi Murmu) কেন আমন্ত্রণ করা হল না, এই প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলা এদিন খারিজ করে দিল শীর্ষ আদালত।

    সুপ্রিম নির্দেশ

    এদিন  বিচারপতি জেকে মাহেশ্বরী এবং পিএস নরসিংহ মামলার আবেদনকারী আইনজীবী জয়া সুকিনকে বলে, ‘‘কেন এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট তা বুঝতে পারছে না! সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ মেনে এই আবেদনের শুনানি হতে পারে না।’’ দেশের রাষ্ট্রপতিকে এই ভবন উদ্বোধন করতে আমন্ত্রণ না করে কেন দেশের প্রধামমন্ত্রীকে দিয়ে এই উদ্বোধন করানো হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, যে আর্জি নিয়ে মামলাকারী এসেছেন তার ভিত্তি নেই। কোর্টের সময় নষ্ট করার জন্য কোর্ট যে তাঁকে জরিমানা করেনি, এই বিষয়েও সতর্ক করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। কোর্ট জানিয়েছে, আর্টিক্যাল ৩২ এর মধ্যে নাক গলাতে যাচ্ছে না কোর্ট। তখনই আইনজীবী তাঁর মামলা তুলে নেওয়ার আর্জি জানান। সেই আর্জি খারিজ করে দেয় কোর্ট। কোর্ট বলে, মামলা তুলে নিলে, সেই মামলা যাবে হাইকোর্টে। ফলে সেটা যুক্তিযুক্ত হবে না। আর তার জেরেই এই মামলা খারিজ করে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট।  

    আরও পড়ুুন: “৩০০-র বেশি আসনে জিতে ফের প্রধানমন্ত্রী হবেন মোদি”, আত্মবিশ্বাসী শাহ

    দেশের নয়া সংসদভবন (New Parliament Building) উদ্বোধন হতে চলেছে ২৮ মে। কেন্দ্রের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল আগামী রবিবার ঐতিহাসিক ভবনটির (New Parliament Building) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এখনও পর্যন্ত অন্তত ২০টি বিরোধী রাজনৈতিক দল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হচ্ছে বলে যে অভিযোগ বিরোধীরা করছে, তারই প্রেক্ষিতে প্রতিবাদ-স্বরূপ এই বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী দলগুলি। তবে নতুন সংসদ ভবন উদ্বোধনের অনুষ্ঠান বয়কটের এই সিদ্ধান্তকে ‘গণতন্ত্রের অবমাননা’ হিসেবেই দেখছে বিজেপি ও তার বন্ধু দলগুলি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protester: ৮ ডিএ আন্দোলনকারীকে আগাম জামিন কলকাতা হাইকোর্টের! কেন জানেন?

    DA Protester: ৮ ডিএ আন্দোলনকারীকে আগাম জামিন কলকাতা হাইকোর্টের! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ আন্দোলনকারী (DA Protester) সংগ্রামী যৌথমঞ্চের আট নেতাকে আগাম জামিন দিল কলকাতা হাইকোর্ট। তাঁদের বিরুদ্ধে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ তুলে ময়দান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন দেবপ্রসাদ হালদার। তিনি একটা সময়ে ডিএ আন্দোলনে ছিলেন। কিন্তু এখন আর তিনি যৌথমঞ্চে নেই। পুরোটাই ষড়যন্ত্র বলে দাবি আন্দোলনকারীদের। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ সেই মামলায় তাঁদের আগাম জামিন দিয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ, তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে ওই ৮ ডিএ আন্দোলনকারীকে। 

    আন্দোলনকারীদের দাবি

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, যে হেতু তাঁরা সরকারি কর্মচারী, তাই আন্দোলনকারীদের (DA Protester) ক্ষেত্রে কোনও শর্ত দেয়নি আদালত। তবে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে তাঁদের। ডিএ আন্দোলনকারীরা ২ কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে ময়দান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন দেবপ্রসাদ হালদার নামে এক ব্যক্তি। আন্দোলনকারীদের দাবি, অডিট করে দেখা গিয়েছে, এক কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা উঠেছে। সবটাই হিসেবের মধ্যে রয়েছে। ডিএ আন্দোলনকারী ভাস্কর ঘোষ, নির্ঝর কুণ্ডু, রাজীব দত্ত, চন্দন চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপ ঘোষ, ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল, শৈবাল সরকারের নামে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ ওঠে। 

    আরও পড়ুন: ৩২ হাজার চাকরি বাতিল মামলার শুনানি হবে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসেই!

    আগাম জামিন পাওয়া বড় জয়

    আদালতের রায়ে আগাম জামিন পাওয়া বড় জয় বলেই মনে করছেন ডিএ আন্দোলনকারীরা (DA Protester)। এদিন আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়ে ডিএ আন্দোলনকারীদের আইনজীবী জানিয়েছেন,দেবপ্রসাদ হালদার আগে আন্দোলন তুলে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পরামর্শ দেন। কিন্তু সেই পরামর্শ না মানার পর টাকা নয়ছয়ের মিথ্যে অভিযোগ করা হয়। শুনানির পর আদালত এদিন আন্দোলনকারীদের জামিন মঞ্জুর করেছে। গোটা ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। তাদের আন্দোলন ভাঙার জন্য সরকারের তরফে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে দাবি করতে থাকে আন্দোলনকারীরা। কোনওভাবেই তাদের আন্দোলন ভাঙা যাবে না বলে দাবি করে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share