Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • PFI: ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় পিএফআই! কী বলছে এনআইএ-এর চার্জশিট?

    PFI: ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় পিএফআই! কী বলছে এনআইএ-এর চার্জশিট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশকে ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে চায় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। এই ধরনের ভাবধারায় বিশ্বাসী সংগঠনের কাজকর্ম মেনে নেওয়া যায় না। তারা নানা ধরনের অশান্তির ঘটনায় যুক্ত ছিল। সংগঠনটি শরিয়তি শাসন ব্যবস্থা কায়েমের পক্ষে। এই ভাবধারা প্রচারের জন্য তারা অর্থ সংগ্রহ করে। এমনই বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ-র (NIA) পেশ করা চার্জশিটে।

    পিএফআই-এর কিলার স্কোয়াড

    ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র (Islamic Country) বানানোর লক্ষ্যেই ‘কিলার স্কোয়াড’ বা ‘সার্ভিস টিম’ তৈরি করছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। ২০৪৭ সালের মধ্যেই ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসাবে দেখতে চায় পিএফআই। বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ২০২২ সালের ২৬ জুলাই দক্ষিণ কর্ণাটকের সুলিয়া জেলায় প্রভীন নেত্রু নামে এক বিজেপি কর্মী খুন হন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পিএফআই-এর প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে বলে দাবি এনআইএ-র। এনআইএ-র চার্জশিটে বলা হয়েছে, ‘পিএফআই-এর কর্মীরা সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ এবং টার্গেট কিলিং-এর জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাদেরকে পরিচালনা করত এই মুসলিম কট্টরপন্থী সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব।’ এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশ জুড়ে।এনআইএ-র চার্জশিটে আরও বলা হয়েছে, পিএফআই-র একটি মিটিং হয় বেঙ্গালুরুর সুলিয়া শহর এবং বেলারি গ্রামে। সেই মিটিং-এ জেলা সেবা দলের প্রধান মুস্তফা পাচার নির্দেশ হিন্দু ধর্মের কোনও নেতাকে টার্গেট করা হয়। সেই লক্ষ্যেই খুন হন প্রভীন নেত্রু।

    আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ভিত্তিহীন, দাবি ভারতের, সংবাদ সংস্থার সমালোচনা সুনাকেরও

    এনআইএ জানায়, মোট চারজনকে টার্গেট করে পিএফআই। এই তালিকায় নাম ছিল বিজেপির যুব মোর্চার সদস্য প্রভীন নেত্রু। গতবছরের ২৬ জুলাই অস্ত্র নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। তাঁকে হত্যা করা হয় শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য। জানা যাচ্ছে, মোট ২০ জন পিএফআই সদস্যের নাম রয়েছে ওই চার্জশিটে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, মুস্তফা পাচার, মাসুদ কেএ, কোদাজি মহম্মদ শরিফ, আবু বক্কর সিদ্দিকী, উমর ফারুখ। এর পিছনে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মদত রয়েছে বলে ইতিপূর্বে একাধিক মামলায় জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Joshimath Disaster: প্রবল তুষারপাত, ফের ভূমিধসের আশঙ্কা! আস্তে আস্তে বসছে জোশীমঠ

    Joshimath Disaster: প্রবল তুষারপাত, ফের ভূমিধসের আশঙ্কা! আস্তে আস্তে বসছে জোশীমঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিধসের পর এবার তুষারপাত। জোশীমঠকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক অব্যাহত (Joshimath Sinking)। ভূমিধসের কারণে এলাকার প্রচুর বাড়িতে ফাটল। ‘বিপজ্জনক’ চিহ্নিত করে সেইসব বাড়ি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। গত কয়েক দিনে নতুন করে আর ফাটল ধরেনি সেখানকার কোনও বাড়িতে। কিন্তু সম্প্রতি হিমালয়ের কোলে থাকা এই শহরে শুরু হয়েছে প্রবল তুষারপাত এবং বৃষ্টি। আর এতেই নয়া বিপদের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। 

    নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা

    প্রশাসনের তরফে শহরের বিপদগ্রস্ত এলাকাগুলি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন দেওয়া হলেও, এখনও সেখানকার প্রায় ৬০০টি বাড়িতে বাসিন্দারা রয়ে গিয়েছেন। এই সব বাড়িগুলিতে অল্প ফাটল ধরায় তাদের কেউ অন্যত্র যেতে চাননি। কিন্তু জোশীমঠবাসীর আশঙ্কা, তুষারপাত ও বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফাটল আরও চওড়া হতে পারে। নতুন করে ভূমিধসও নামতে পারে এলাকায়। তাই আর কোনও অস্থায়ী আশ্রয় শিবির বা মাথা গোঁজার ঠাঁই নয়, এ বার গাড়োয়াল হিমালয়ের ‘ডুবন্ত’ জনপদ জোশীমঠের সকল বাসিন্দাকে পাকাপাকি সরানোর বন্দোবস্ত করতে চাইছে প্রশাসন। চলছে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা। খোঁজ চলছে বসবাসযোগ্য উপযুক্ত জমিরও। চামোলির জেলাশাসক হিমাংশু খুরানা জানিয়েছেন, “আমরা এই পুনর্বাসনের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে পরামর্শ চেয়েছি। আমরা যাতে এই প্রক্রিয়া ভালভাবে চালিয়ে যেতে পারি সেটাই এখন আমাদের প্রথম লক্ষ্য।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের উদ্দেশ্য হল স্থানীয়দের পরামর্শ নিয়ে স্থায়ী বন্দোবস্ত করা।”

    আরও পড়ুন: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের

    ভয় ধরাচ্ছে স্যাটেলাইট চিত্র

    সম্প্রতি জোশীমঠের যে স্যাটেলাইট ছবি ধরা পড়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে উত্তরাখণ্ডের পূর্বাংশ ধীরে ধীরে বসে গেছে। একটি গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, এই চারবছরে বেশ অনেকটাই জমি বসে গেছে। প্রতি বছরে সর্বাধিক ১০ সেন্টিমিটার করে জমি তলিয়ে গেছে। গবেষণায় আরও জানা গেছে, উত্তরাখণ্ডের পূর্বাংশ তুলনায় বেশি বসে যাচ্ছে। জোশীমঠের পরিস্থিতি নিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি সম্প্রতি  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জোশীমঠের বসবাসের ৭০ শতাংশ জায়গা সুরক্ষিত রয়েছে। ভূমিধসের কবলে পড়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের যত দ্রুত সম্ভব স্থায়ী বন্দোবস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kharagpur IIT: ‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির

    Kharagpur IIT: ‘‘আপনার ছেলে হলে…’’, ছাত্র-মৃত্যু মামলায় খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টরকে তিরস্কার বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খড়্গপুর আইআইটি’র ছাত্রের রহস্যমৃত্যুতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ নিয়ে ডিরেক্টরের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। এক জন মেধাবী ছাত্রের মৃত্যুকে কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দিতে চাইছেন না, শুক্রবার এমনই পর্যবেক্ষণ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। 

    আদালতের নির্দেশ মতো আগামী ২৪ জানুয়ারি খড়্গপুর আইআইটির ডিরেক্টর ভি কে তিওয়ারির আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই দিন তিনি টোকিও যাচ্ছেন তাই হাজিরা দিতে পারবেন না বলে জানান তিওয়ারি। বিষয়টি আদালতের নজরে নিয়ে আসা হয়। এর পরই বৃহস্পতিবার তিওয়ারির হাজিরার দিন নির্ধারিত করা হয়। শুক্রবার হাই কোর্টে হাজিরা দেন ডিরেক্টর। এদিন বিচারপতি মান্থা তাঁকে ভর্ৎসনা করে বলেন,‘‘আদালতের নির্দেশের পরও তাঁরা (আইআইটি কর্তৃপক্ষ) উদাসীন। এটা উচিত নয়। কোনটা বেশি জরুরি? আদালতের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া নাকি টোকিও যাওয়া? আপনার বাড়িতে ছেলে মেয়ে নেই ? তাদের সঙ্গে এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে কেমন লাগবে ?’’

    আদালতে সওয়াল-জবাব

    বিচারপতি মান্থা আরও বলেন, “প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে বহু মেধাবী ছাত্ররা আইআইটি-তে পড়তে আসে, তাঁরা সুযোগ পেলে দেশ এবং দুনিয়ার উপকারে লাগবে। তাঁরা এভাবে বাধাপ্রাপ্ত হলে বিরাট ক্ষতি হবে।  র‍্যাগিং একটা জঘন্যতম ঘটনা। এটা না আটকানো গেলে ভবিষ্যতে অনেক বড় সমস্যা হবে।” আইআইটি-র ডিরেক্টরের আইনজীবী অনিন্দ্য মিত্র জানান, ওই ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় কর্তৃপক্ষ অনুসন্ধান করছে। এর জন্য অনুসন্ধান কমিটি গড়া (ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি) হয়েছে। এর পর ডিসিপ্লিনারি কমিটি রিপোর্ট দেয়। তার ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গড়া হয়েছে। এ কথা শোনার পর ডিরেক্টর তিওয়ারিকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতি আরও বলেন,  “এখানে মামলাকারিরা গুয়াহাটির প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকেন, সেখান থেকে আসার অর্থ পর্যন্ত নেই। আর আপনি বিষয়টাকে  হালকা ভাবে নিচ্ছেন। আদালতের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না?”

    আরও পড়ুন: সিবিআই জিজ্ঞাসাবাদের পর এবারে তৃণমূলের যুবনেতা কুন্তলের জোড়া ফ্ল্যাটে ইডির হানা!

    গত ১৪ অক্টোবর খড়্গপুর আইআইটির হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার করা হয় অসমের বাসিন্দা ফয়জান আহমেদের ঝুলন্ত দেহ। বিটেক মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন তিনি। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, আত্মহত্যা নয়, তাঁকে খুন করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন ওই ছাত্র। শুক্রবার ডিরেক্টর যে রিপোর্ট জমা দেন তার ভিত্তিতে নিজেদের বক্তব্য জানাতে মৃত ছাত্রের পরিবারকে সুযোগ দেয় আদালত। এই মামলায় পুলিশকে বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, ‘‘আপনাদের রিপোর্ট দিতে কত দেরি হবে? ১৫-২০ দিন সময় দেওয়া যাবে না, অনেক দেরি হয়ে যাবে। দয়া করে কোনও পক্ষ নেবেন না। আগামী দিনে কেস ডায়েরি নিয়ে আসবেন। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mandal: নতুন বছরেও জেলে কেষ্ট! গরুপাচার মামলায় ফের জামিন খারিজ অনুব্রত, সায়গলের

    Anubrata Mandal: নতুন বছরেও জেলে কেষ্ট! গরুপাচার মামলায় ফের জামিন খারিজ অনুব্রত, সায়গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুব্রতকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিল আদালত। ওই দিনই গরুপাচারকাণ্ডে আবার শুনানি হবে। চোদ্দ দিন পর বৃহস্পতিবার আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালতে অনুব্রতকে পেশ করা হয়। এই মামলায় জামিনের জন্য কলকাতা হাই কোর্টে আগেই আবেদন করেছিলেন অনুব্রত। উচ্চ আদালত তৃণমূল নেতার জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। খারিজ হয়ে গিয়েছে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের জামিনের আবেদনও। ভার্চুয়াল শুনানিতে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী সায়গলের আইনজীবীর আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। সেই সঙ্গে সিবিআইকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।

    সিবিআইয়ের দাবি

    আদালতে সিবিআই দাবি করে, বীরভূম কোঅপারেটিভ ব্যাঙ্কে ২৩১টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে ২০০টি অ্যাকাউন্ট একজনের সই দিয়ে খোলা হয়েছিল বলে সিবিআইয়ের দাবি। এ ছাড়াও আদালতে বাফারিং অ্যাকাউন্টের কথাও তুলে ধরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। অর্থাৎ, এই ভুয়ো অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে আর্থিক লেনদেনের হদিস পেয়েছে সিবিআই। আদালতে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, সম্প্রতি ১৭৭টি সমবায় ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট সিজ করা হয়। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি অ্য়াকাউন্টের টাকা আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্টে ঘুরে জমা পড়েছে দুটি চালকল সংস্থার অ্যাকাউন্টে, যে ২টি চালকলের সঙ্গে অনুব্রতর যোগ রয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: ড্রেস কোড না মেনে বোরখা পরে হিন্দু কলেজে! ঢুকতেই দিলেন না কর্তৃপক্ষ

    সায়গল প্রসঙ্গ

    বীরভূমের ডিসট্রিক্ট সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে যে সমস্ত ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিস মিলেছে, সে বিষয়ে অনুব্রতের দেহরক্ষী সায়গলকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। বৃহস্পতিবার আসানসোলের সিবিআই আদালতে সায়গলের মামলার ভার্চুয়াল শুনানি ছিল। সায়গল এখন তিহাড় জেলে। এদিন বিচারক সায়গলের জামিনের আবেদনও খারিজ করে দেন। তার পরেই সিবিআই জানায়, কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কে পাওয়া ভুয়ো অ্যাকাউন্টগুলির সঙ্গে অনুব্রতের দেহরক্ষীর যোগ রয়েছে বলে মনে করছে তারা। সিবিআইয়ের অভিযোগ, সায়গলের প্রভাবেই ব্যাঙ্কে মোট ২৩১টি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের জন্য তিহাড় জেলে গিয়ে সায়গলকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের আবেদনে সাড়া দেন বিচারক। তিনি জানান, ভুয়ো অ্যাকাউন্ট নিয়ে সায়গলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে কোনও সময়ে তিহাড়ে হাজির হতে পারবেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যপালকে ‘ম্যানেজ’ করতে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: রাজ্যপালকে ‘ম্যানেজ’ করতে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাজ্যপাল থাকাকালীন মাননীয় জগদীপ ধনখড় (Ex Governor Jagdeep Dhankar) আইন-সংবিধানকে ভঙ্গ করার জন্য রাজ্য সরকারকে (state government) চেপে ধরেছিলেন। তাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনৈতিক কাজে সমস্যা হয়েছিল’। তাই ‘এবার তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথম দিন থেকে রাজ্যপালকে ম্যানেজের জন্য মরিয়া।’ এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য় করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। 

    রাজ্যপালের উপর আস্থা প্রকাশ

    বুধবার একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘বর্তমান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস একজন শিক্ষাবিদ এবং পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে তাঁর স্বচ্ছ ধারণা রয়েছে। তবে তাঁর কাজ এবং চলার পথ ভিন্ন হতে পারে, সে ব্যাপারে আমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না। তবে মুখ্যমন্ত্রী যে ওনাকে প্রথম দিন থেকে ম্যানেজ করতে মরিয়া চেষ্টা করে যাচ্ছেন তা স্পষ্ট।” শুভেন্দুর দাবি, ‘‘কিছুদিন আগে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেদিনের বৈঠকে রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীকে জানান যে, সিকিউরিটি কমিশন নোটিফিকেশন, লোকায়ুকত বিল ও অন্যান্য বেশ কিছু বিষয়ে ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না। রাজ্যপাল মুখ্যমন্ত্রীকে এও বলেন, আপনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে সরানোর জন্য যে বিল আনতে চাইছেন, তাতেও আমি ছাড়পত্র দিতে পারব না। কারণ এক্ষেত্রে ইউজিসি এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার প্রসঙ্গ জড়িয়ে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যপালের কাছে আত্মসমর্পণ করে বলেন, আমি লোকায়ুত প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। আগের রাজ্যপালের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল, তাই আমি ওনাকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে সরাতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আপনার সঙ্গে আমার কোনও বিরোধ নেই, তাই আচার্য পদ পরিবর্তন বিল নিয়ে আমি আর আপনাকে কিছু বলব না।’’

    আরও পড়ুন: সাগরদিঘিতে উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা কমিশনের, কবে?

    শুভেন্দু  প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা বর্তমানে দেশের উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের প্রশংসাও করে বলেন, ‘‘উনি থাকাকালীন রাজভবনকে একটা উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন।’’বর্তমান রাজ্যপালের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে বিরোধী দলনেতা জানান, ‘‘রাজ্যপালের সঙ্গে যে সমস্ত উপাচার্যরা বৈঠক করেছেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই যোগ্যতা অনুযায়ী উপাচার্য হননি। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে টাকা দিয়ে উপাচার্য পদে অনেকেই নিয়োগ পেয়েছেন। সমস্ত  উপাচার্যদের নিয়োগ বেআইনিভাবে হয়েছে। সুযোগ পেলে রাজ্যপালকে আমি একথা জানাব। ওনাকে তৃণমূল সম্পর্কে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করব। রাজ্যপালের উপর বিশ্বাস আছে যে, তিনি বেআইনি কাজে মুখ্যমন্ত্রীকে সঙ্গ দেবেন না, যদি সেটা হয়, তাহলে সংবিধানের রীতি মেনে যেখানে অভিযোগ জানানোর জানাব।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mamata Banerjee: ইউটিউব দেখেই মেঘালয়ের তিনটে ভাষা শিখে নেবেন! কী বললেন মমতা?

    Mamata Banerjee: ইউটিউব দেখেই মেঘালয়ের তিনটে ভাষা শিখে নেবেন! কী বললেন মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘালয়ে একাধিকবার প্রচারে গেলেও এখনও শিখে উঠতে পারেননি খাসি, গারো, পাঁর– মেঘালয়ের এই তিন ভাষা। তাই এবার ইউটিউব দেখেই মেঘালয়ের ভাষা শিখতে শুরু করবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মেঘালয়বাসীর কাছে আপাতত সেরকমই অঙ্গীকার করলেন মমতা।

    অন্য ভাষা শিখতে আগ্রহ

    অন্য রাজ্যে প্রচারে গেলে সেখানকার ভাষায় কথা বলটা জনসংযোগের একটা ধাপ। রাজনীতিকরা চেষ্টা করেন ভিন রাজ্যে প্রচারের সময় সেই রাজ্যের ভাষা বলার। পুরো না হলেও নিদেন পক্ষে দু-এক লাইন। মমতা বন্দ্যোপাধায়ের ক্ষেত্রেও তার অন্যথা হয় না। কিন্তু মেঘালয়ে সেই তাল কেটেছে। বুধবার মেঘালয়ের এক জনসভায় মমতা স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি এই পাহাড়ি রাজ্যের ভাষা জানেন না। তাঁর কথায়, ‘পরের বার যখন আসব আপনাদের এলাকায় আপনাদের ভাষা শিখুতে চাই। আমায় শেখান প্লিজ! এর মধ্যে আমি ইউটিউব থেকে শিখতে আরম্ভ করব।’ আপতত ইউটিউব ভরসা হলেও তিনি মেঘালয়ের মানুষের কাছ তাঁদের ভাষা শিখতে পারলেই সবচেয়ে খুশি হবেন। তিনি বলেন, ‘আমি খুশি হব, আপনাদের কাছ থেকে আপনাদের ভাষা শিখলেই।’ 

    আরও পড়ুুন: নথি জাল করে বাবার স্কুলে চাকরি! ভূগোল শিক্ষকের কাণ্ডে সিআইডি ডাকল হাইকোর্ট

    অন্য ভাষা শেখার আগ্রহ মমতার বরাবরের। এমনই দাবি করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বছর কয়েক আগে বাংলায় বাণিজ্য সম্মেলনে সেই কথা নিজেই জানিয়েছিলেন। তিনি নিজে কতগুলি ভাষা জানেন, বিভিন্ন সভায় তার খতিয়ানও দিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। যখন তিনি ভিয়েতনামে গিয়েছিলেন ভিয়েতনামি ভাষা শিখেছিলেন। রাশিয়ার গিয়ে রাশিয়ান ভাষা শিখেছেন। এছাড়া তাঁর জানা ভাষার তালিকায় রয়েছে, গুজরাটি, আসমিজ, মণিপুরী, ওড়িয়া, পঞ্জাবি, মারাঠি, বাংলা, হিন্দি, গোর্খা, নেপালি। এবার সেই তালিকায় ঢুকবে খাসি, গারো, পাঁর ভাষা।  বুধবারই নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে, আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি মেঘালয়ে বিধানসভা ভোট। মঙ্গলবারই সে রাজ্যে ভোটপ্রচারে গিয়েছেন মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার মেঘালয়ের মেদিপাথরের জনসভায় মমতা  জানান মেঘালয় তাঁর মনে। তাই সেখানকার ভাষাও রপ্ত করতে চান তিনি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mohan Bhagwat: নেতাজি জন্ম-জয়ন্তী পালন! কালই রাজ্যে আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: নেতাজি জন্ম-জয়ন্তী পালন! কালই রাজ্যে আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার কলকাতায় আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। থাকবেন আগামী সোমবার পর্যন্ত। ছ’দিনের সফরের বেশিটা জুড়েই থাকবে সাংগঠনিক বৈঠক। তার মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্টদের সঙ্গে কলকাতায় দেখা করবেন ভাগবত। সবটাই একান্তে। রুদ্ধদ্বার। শেষ দিন শহিদ মিনারে প্রকাশ্য কর্মসূচি। এমনই হয়ে থাকে আরএসএস তথা ভাগবতের যে কোনও রাজ্য সফরের কর্মসূচিতে। অতীতে বাংলা তথা কলকাতাতেও হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সঙ্ঘের তরফে ভাগবতের সফরসূচি ঘোষণা করা হয়।

    নেতাজি জয়ন্তী পালন

    মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে মূল বক্তা ছিলেন সঙ্ঘের সাংগঠনিক পূর্ব ক্ষেত্রের (পূর্ব ভারত) সঙ্ঘচালক (সভাপতি) অজয়কুমার নন্দী। ছিলেন দক্ষিণবঙ্গের প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায়, কলকাতার প্রচার প্রমুখ শুভ্রজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্যান্যরা।  রাজ্যের প্রচার প্রমুখ বিপ্লব বলেন, ‘‘সঙ্ঘ তো বরাবরই পরিবর্তনের পক্ষে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার জন্যই প্রায় শতবর্ষ বয়স হতে চলা সঙ্ঘ এখনও সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক এবং জীবন্ত। আমরা বিশ্বাস করি, আদর্শ অটুট রেখে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বহিরাঙ্গে বদল আনতে হয়।’’ আগামী বৃহস্পতিবার শহরের কোনও হোটেলে বিশিষ্টদের নিয়ে একান্তে কথা বলবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।  তবে সেখানে কে কে আসবেন তা এখনও প্রকাশ করেনি সঙ্ঘ। তবে অনুমান করা হচ্ছে কলকাতার বাসিন্দা তিন বিখ্যাত ধ্রুপদী শিল্পী অজয় চক্রবর্তী, রাশিদ খান এবং তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার আমন্ত্রণ পেতে পারেন। কারণ, গত কয়েক বছরে ‘সম্পর্ক তৈরি করতে’ এঁদের বাড়িতে গিয়েছিলেন ভাগবত।

    আরও পড়ুন: চলতি বছরের অক্টোবরেই সম্পন্ন হবে রাম মন্দিরের প্রথম তলার নির্মাণ!

    এ বার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিনে কলকাতায় থাকছেন ভাগবত। সেই কারণে ২৩ জানুয়ারি শহিদ মিনারে সঙ্ঘ ‘নেতাজি লহ প্রণাম’ অনুষ্ঠান করবে। থাকবেন ভাগবত। এই কর্মসূচি প্রসঙ্গে অজয়কুমার বলেন, ‘‘নেতাজি জয়ন্তী পালন সঙ্ঘের কাছে নতুন কিছু নয়। স্বয়ংসেবকদের দৈনিক প্রাতঃস্মরণ মন্ত্রেই নেতাজি রয়েছেন। সঙ্ঘস্থান মানে শাখায় জন্মদিন অনুষ্ঠানও হয়।’’ ওই অনুষ্ঠানে মোহন ভাগবতের থাকা প্রসঙ্গে অজয়কুমার জানান, ‘‘এটা ঘটনাচক্র। এক বছর আগে থেকেই সরসঙ্ঘচালক কবে, কোন রাজ্যে যাবেন সেটা ঠিক হয়ে থাকে। এটাই আমাদের ধারা। এমন একটা দিনে তাঁকে কলকাতায় পাওয়া যাচ্ছে দেখেই ওই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Teacher Transfer: শুধু শহর বা শহরতলি নয়, যেখানে প্রয়োজন সেখানেই যেতে হবে শিক্ষকদের! অভিমত হাইকোর্টের

    Teacher Transfer: শুধু শহর বা শহরতলি নয়, যেখানে প্রয়োজন সেখানেই যেতে হবে শিক্ষকদের! অভিমত হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘স্কুলে পড়ুয়া নেই। শিক্ষকরা স্কুলে যাচ্ছেন আর আসছেন। এটা তো চলতে পারে না। কলকাতার শূন্য-ছাত্রের স্কুলের শিক্ষককে হাওড়ার ছাত্র-পূর্ণ স্কুলে যেতেই হবে। এ বার থেকে ওই আইন প্রয়োগ করা হোক।’’ শিক্ষক বদলি মামলায় শুক্রবার মন্তব্য করলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। 

    কী বললেন বিচারপতি

    কলকাতার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বদলি চেয়ে সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের আবেদনের হিড়িক দেখে রীতিমতো অবাক হয়েছিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। এই বিষয়ে সরকারকে নির্দিষ্ট নীতি তৈরি প্রসঙ্গে মতামতও জানতে চেয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এবার শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। প্রয়োজন পড়লে যে কোনও জেলার যে কোনও স্কুলেই যে শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বদলি করা হতে পারে, আদালতের বক্তব্যে তা কার্যত স্পষ্ট। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে এক শিক্ষকের বদলি সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর এজলাসে এই মামলার শুনানি চলাকালীন, তিনি মন্তব্য করেন, “কোনও জঙ্গলের আইন চলতে পারে না। যত শিক্ষক বদলির মামলা আছে, এবার থেকে নির্দিষ্ট আইন প্রয়োগ করেই হবে। যে যাঁর খুশি মতো কাজ করবেন, এটা সম্ভব নয়।” তাঁর নির্দেশ, শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে প্রশাসনের যে নির্দেশিকা রয়েছে, তা মানতে হবে।

    আরও পড়ুন: ১১ বছর পর কার্টুনকাণ্ড থেকে নিষ্কৃতি! এটা গণতন্ত্রপ্রিয় নাগরিকেরই জয়, অভিমত অম্বিকেশ মহাপাত্রর

    বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু শুক্রবার তাঁর এজলাসে মামলা চলাকালীন এ নিয়ে অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য চান। জানতে চান, কেন এমন কড়া গাইডলাইন হবে না, যার মাধ্যমে রাজ্য সরকার নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কোথায় বদলি করা হবে। এদিন এজি আদালতে জানান, শিক্ষাদফতর চাইলে তা পারে। এরপরই আদালত জানায়, শিক্ষা দফতর নির্দেশ দেওয়ার সাতদিনের মধ্যে তা পালন করতে হবে। শিক্ষক যদি না পালন করেন তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবে শিক্ষা দফতর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Madhyamik Exam: সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন! পিছিয়ে গেল মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষা

    Madhyamik Exam: সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন! পিছিয়ে গেল মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে বিধানসভায় উপনির্বাচনের জেরে পরিবর্তন করা হল চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার সূচি (Madhyamik Exam 2023)। বৃহস্পতিবার  মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে এক বিবৃতি দিয়ে একথা জানান হয়। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দেওয়া সূচি অনুযায়ী, চলতি বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি, সোমবার হওয়ার কথা ছিল ইতিহাস পরীক্ষা। কিন্তু ওই দিন মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন (By-Election) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই কারণেই ইতিহাস বিষয়ের পরীক্ষাটি ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে না। পরিবর্তে পরীক্ষা হবে ১ মার্চ। 

    একই জায়গায় পরীক্ষা 

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইতিহাস পরীক্ষার তারিখ পাল্টানো হচ্ছে। তবে একই জায়গায় পরীক্ষা নেওয়া হবে। এছাড়াও বাকি অন্যান্য পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোনও বদল হচ্ছে না। প্রসঙ্গত, সদ্য প্রয়াত হন রাজ্যের মন্ত্রী তথা মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির বিধায়ক সুব্রত সাহা। সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের কথা জানায় কমিশন। কিন্তু একই দিনে মাধ্যমিক পরীক্ষা পড়ে যাওয়ায় চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বুধবারই এই বিষয় খতিয়ে দেখা হবে বলে আশ্বস্ত করেছিলেন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। সেই মতো পিছিয়ে দেওয়া হল পরীক্ষা। পর্ষদ সভাপতি বলেন, ‘‘শিক্ষা দফতরকে জানিয়ে এবং জেলা ও পর্ষদের সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেই দিন পরিবর্তন করা হয়েছে।’’ 

    আরও পড়ুন: সিবিএসই বোর্ডের দশম শ্রেণির পরীক্ষায়, বিজ্ঞান বিভাগে ভাল রেজাল্ট করতে কিছু টিপস

    বুধবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট। সেই সঙ্গে ৭ ফেব্রুয়ারি সাগরদিঘিতে বিধানসভা উপনির্বাচন হবে এমনটাই জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এরপরই পর্ষদের তরফে এই সিদ্ধান্ত। পর্ষদের নোটিসে বলা হয়েছে, ‘বৃহত্তর জনস্বার্থে’ উপনির্বাচনের জন্য মাধ্যমিকের ইতিহাস পরীক্ষার দিন বদল করা হল। 

    মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সূচি অনুযায়ী কবে কী পরীক্ষা 

    ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম ভাষা
    ২৪ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ভাষা
    ২৫ ফেব্রুয়ারি ভূগোল 
    ২৮ ফেব্রুয়ারি জীবনবিজ্ঞান 
    ২ মার্চ অঙ্ক
    ৩ মার্চ ভৌতবিজ্ঞান
    ৪ মার্চ ঐচ্ছিক 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Vinesh Phogat: রাজনীতি করবেন না! ধর্না মঞ্চ থেকে বৃন্দা কারাতকে নামিয়ে দিলেন কুস্তিগীররা

    Vinesh Phogat: রাজনীতি করবেন না! ধর্না মঞ্চ থেকে বৃন্দা কারাতকে নামিয়ে দিলেন কুস্তিগীররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এটা নিয়ে রাজনীতি করবেন না। এটা কুস্তিগীরদের লড়াই। “আমরা যেমন কুস্তির আখড়ায় লড়তে পারি। তেমনই নিজেদের মান-সম্মানের লড়াইটাও লড়তে জানি। আমাদের পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ কিন্তু দয়া করে এটা নিয়ে রাজনীতি করবেন না।” সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বৃন্দা কারাতকে বললেনঅলিম্পিক পদকজয়ী কুস্তিগীর বজরং পুনিয়া (Wrestler Bajrang Punia)। কুস্তি ফেডারেশনের (WFI) প্রেসিডেন্ট ও কয়েকজন কোচের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়ে নয়াদিল্লির (Delhi) যন্তরমন্তরে (Jantar Mantar) ধর্ণা দিচ্ছেন প্রতিবাদী কুস্তিগীররা (wrestlers’ protest)। বৃহস্পতিবার সেখানে গিয়েছিলেন বৃন্দা কারাত। স্টেজে (stage) ওঠায় সেখান থেকে নামিয়ে দেওয়া হল সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বৃন্দা কারাতকে। এমনকী তাঁকে মাইক নিয়ে কোনও কথাও বলতে দেওয়া হয়নি। তাঁকে পরিষ্কার বলা হয় এটা কুস্তিগীরদের প্রতিবাদ মঞ্চ। এখানে রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের কোনও জায়গা নেই।

    একজোট কুস্তিগীররা

    মহিলা কুস্তিগীরদের দিনের পর দিন ধরে যৌন হেনস্তা করেছেন জাতীয় কোচ ও ফেডারেশনের কর্তারা অভিযোগ কুস্তিগীরদের। বুধবার এই অভিযোগ এনে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধরনায় বসেছেন কুস্তিগিররা। সেখানে শামিল হয়েছেন অলিম্পিক পদকজয়ী সাক্ষী মালিক (Sakshee Malikkh), যোগেশ্বর দত্ত (Yogeshwar Dutt),  বজরং পুনিয়ার (Bajrang Punia) মতো কুস্তিগিররাও। যৌন হেনস্তার পাশাপাশি কুস্তিগিরদের উপর মানসিক নির্যাতন চালানোরও অভিযোগ আনা হয়েছে ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট (WFI) ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে। এশিয়ান গেমস ও কমনওয়েলথ গেমসের সোনাজয়ী এই কুস্তিগীর বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। 

    আরও পড়ুন: ১২ রানে কিউইদের হারাল ভারত, ডাবল সেঞ্চুরিতে ম্যাচের তারকা শুভমান

    কথা বললেন ববিতা ফোগাট

    আজ যন্তর মন্তরে কুস্তিগীরদের ধর্নার দ্বিতীয় দিন ছিল। সরকারের তরফে ধর্না মঞ্চে বিক্ষোভেরত কুস্তিগীরদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন একসময়ের সতীর্থ, তিন বারের কমনওয়েলথ পদকজয়ী এবং বর্তমানে বিজেপি নেত্রী ববিতা ফোগাট। দঙ্গল খ্যাত ববিতা বলেছেন, সরকারের তরফে বিক্ষোভকারীদের জন্য বার্তা নিয়ে এসেছেন তিনি। তাঁদের সব দাবি পূরণ করা হবে। তিনি বলেন, “আমি প্রথমে একজন কুস্তিগীর তারপর রাজনীতিবিদ। ওদের ব্যথাটা খুব ভালো বুঝি। দেশের কুস্তিগীররা যে দাবি তুলেছেন তা পূরণ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।” বর্তমান কুস্তি ফেডারেশনকে ভেঙে দিয়ে নতুন করে গড়ার দাবিও তুলেছেন বজরং, অংশু মালিক, ভিনেশরা। ১৮ জানুয়ারি থেকে লখনৌতে জাতীয় কুস্তি শিবির হওয়ার কথা ছিল। বিক্ষোভের কারণে তা আপাতত বন্ধ।

    জবাব তলব

    এদিনই কয়েকজন কুস্তিগীর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রকে গিয়েছেন তাঁদের অভিযোগের বিষয়ে জানাতে। তারপরই কেন্দ্রীয় যুবকল্যাণ ও ক্রীড়া মন্ত্রক ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভারতের কুস্তি ফেডারেশনের জবাবদিহি তলব করেছে। ফেডারেশন সেই নির্দেশ অমান্য করলে কেন্দ্রীয় যুবকল্যাণ ও ক্রীড়ামন্ত্রক ২০১১ সালের ন্যাশনাল স্পোর্টস ডেভেলপমেন্ট কোড অনুযায়ী পদক্ষেপ করবে। ক্রীড়ামন্ত্রক সূত্রে খবর, নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করলেও কুস্তিগীরদের চাপে পদত্যাগ করতে চলেছেন ব্রিজভূষণ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share