Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Udaipur killing: উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে  খুনিদের আইসিস যোগ! জড়িত নয় পাকিস্তান, জানাল পাক বিদেশমন্ত্রক

    Udaipur killing: উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে খুনিদের আইসিস যোগ! জড়িত নয় পাকিস্তান, জানাল পাক বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেশায় দর্জি উদয়পুরের কানহাইয়া লাল তেলিকে হত্যার (Udaipur Murder Case)ঘটনায় এবার  সরাসরি পাক-যোগের প্রমাণ পেল তদন্তকারী অফিসারেরা। একই সঙ্গে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হল, সাম্প্রদায়িক হিংসা নয়, উদয়পুর হত্যাকাণ্ডের পেছনে রয়েছে জঙ্গিযোগ ৷ মিলছে ISIS যোগের প্রমাণ। পুলিশ সূত্রে খবর, ইসলামিক স্টেটের স্লিপার সেলের উদয়পুর শাখার প্রধান ছিল ধৃত মহম্মদ রিয়াজ। জয়পুরের ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও তার যোগ রয়েছে। রিয়াজের ‘লোন উলফ’ হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না তদন্তকারী সংস্থা।

    এই ঘটনায় দুই আততায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ৷ আরও তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটকে রাখা হয়েছে। অভিযুক্ত গাউস মহম্মদ ২০১৪-১৫ সালে ৪৫ দিনের জন্য পাকিস্তানের করাচিতে যায়। সে দাওয়াত-ই- ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে জানিয়েছেন রাজস্থান পুলিশের ডিজিপি। সেখানে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নেয় গাউস৷ কয়েকদিন আরব এবং নেপালেও জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিয়েছে সে ৷  জানা গিয়েছে হত্যাকারীরা খুনের আগে এবং পরে পাকিস্তানের এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। পাকিস্তানের অন্তত আটটি  মোবাইল নম্বরের সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগ রাখত। পুলিশ সূত্রে খবর, গাউস মহম্মদ ২০১৩ এবং২০১৯ সালে সৌদি আরব যায়।  তবে সেখানে সে অস্ত্র প্রশিক্ষণ কিংবা ধর্মীয় কোনও প্রশিক্ষণ নিয়েছিল কিনা তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

    তবে খুনিদের সঙ্গে কোনওভাবেই পাকিস্তানের যোগাযোগ নেই বলে জানিয়েছেন পাক বিদেশমন্ত্রকের এক আধিকারিক। এই ধরনের ঘৃণ্য কাজ পাকিস্তান কখনও সমর্থন করে না। ভারত কেন বিশ্বের যেকোনও প্রান্তে এই ধরনের নৃশংস অপরাধ দণ্ডনীয়। ওই আধিকারিকের দাবি, ওই খুনিদের সঙ্গে পাকিস্তানের কোনও সম্পর্ক নেই। এটা ভারতের মিথ্যে রটনা বলেও দাবি করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: দোষীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে, উদয়পুরকাণ্ডে সচিন পাইলট

    তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের চরম মৌলবাদী সংগঠন দাওয়াত-ই-ইসলামির (Dawat-i-Islami) মাধ্যমে আইসিসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত আরেক ধৃত রিয়াজ। ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনটি ভারতেও জাল বিছিয়েছে বলে খবর। তাদের স্লিপার সেল (Sleeper Cell) অর্থাৎ আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনটির গোপন শাখার উদয়পুরের প্রধান ছিল রিয়াজ। গত পাঁচ বছর ধরে সঙ্গী মহম্মদ গাউসকে নিয়ে ধর্মীয় উসকানিমূলক প্রচার চালিয়ে যাচ্ছিল রিয়াজ। তদন্তকারীদের ভাবাচ্ছে রিয়াজের ফেসবুক প্রোফাইলের ছবিও। সেখানে সে আঙুলের মাধ্যমে একটি বিশেষ ভঙ্গি করে রয়েছে যা সাধারণত ইসলামিক স্টেট জঙ্গি সংগঠনের চিহ্ন। তাদের আরও এক সঙ্গীর হদিশ মিলেছে। রাজস্থানের টঙ্ক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মুজেবকে। যার সঙ্গে সরাসরি আইসিসের যোগের প্রমাণ মিলেছে। জেরায় ধৃতরা আরও জানিয়েছে, শুধু উদয়পুরের কানহাইয়া লাল-ই নয়, তাদের হিটলিস্টে ছিল জয়পুরের এক ব্যবসায়ী। এমনকী, জয়পুরে হামলা চালানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের।

  • Maharashtra political crisis: দল বাঁচাতে কংগ্রেস-এনসিপি জোট ছাড়ার ইঙ্গিত উদ্ধবের

    Maharashtra political crisis: দল বাঁচাতে কংগ্রেস-এনসিপি জোট ছাড়ার ইঙ্গিত উদ্ধবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একনাথ শিন্ডের সঙ্গে সমঝোতার বার্তা দিলেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhab Thackrey)। শিবসেনার (Shibsena) মুখপাত্র প্রবীণ নেতা সঞ্জয় রাউত (Sanjay Raut) জানান, মহা বিকাশ আগাড়ি অর্থাত্‍ শিবসেনা কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গে জোট (Alliance) ত্যাগ করতে প্রস্তুত। তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গুয়াহাটি থেকে বিধায়কদের মুম্বই (Mumbai) ফিরে আসতে হবে।

    মন্ত্রী একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর প্রধান দাবিই হল, কংগ্রেস এবং এনসিপি-র সঙ্গে জোট ভেঙে বেরিয়ে আসতে হবে উদ্ধবকে। তাঁরা চান উদ্ধবই মুখ্যমন্ত্রী থাকুন। ফিরুক পুরনো জোটে। অর্থাত্‍ বিজেপির সমর্থনে সরকার চালান উদ্ধব। সম্পর্ক ছিন্ন করুন কংগ্রেস এবং এনসিপি-র সঙ্গে। তবে, শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরের ইস্তফার আশ্বাসে তাঁর ভরসা নেই বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিবসেনার বিদ্রোহী শিবিরের নেতা একনাথ শিন্ডে। বৃহস্পতিবার গুয়াহাটির হোটেল থেকে তিনি জানিয়েছেন, আগে কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গ ত্যাগ করার ঘোষণা করে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছাড়তে হবে উদ্ধবকে। তার পরেই সমঝোতার প্রশ্ন।

    [tw]


    [/tw]

    এরপরই শিবসেনার তরফে সঞ্জয় রাউত জানান, একনাথকে শিন্ডের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহীদের মুম্বই ফেরার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। জানিয়েছেন আগামী ২৪ ঘণ্টায় বিদ্রোহীরা মুম্বই ফিরে তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসুক। জোট ছাড়তে উদ্ধব বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবেন না। কিন্তু গুয়াহাটি (Guwahati) বসে এই নিয়ে কোনও আলোচনা হবে না। আলোচনা করতে হলে মুম্বই এসে করতে হবে, বলে দাবি উদ্ধবের।

    তবে এর পাল্টা হিসেবে শিন্ডে জানিয়ে দেন, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে  সমস্ত ধরনের সমঝোতার দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। শিন্ডে বলেন, “৪০ জন বিধায়ক আমাদের সঙ্গে আছেন। কে বলছে আমরা ফিরে যাব? আমাদের ফিরে যাওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই। গাড়ি অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। আমরা সবকিছুই চেষ্টা করেছি কিন্তু কিছুই হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেব কী করা যায়। সবার মতামত চাওয়া হবে তারপর আমরা এগোব। এটা আমার সিদ্ধান্ত নয়, সবার সিদ্ধান্ত।”

    আরও পড়ুন: দেশে সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! অভিযুক্ত ওয়াধওয়ান ভাতৃদ্বয়

    শিবসেনার জোট ছাড়া প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খড়্গে বলেন, “অনৈতিক ও অসাংবিধানিক ভাবে মহারাষ্ট্রে সরকার ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপি। রাজ্যের এই পরিস্থিতির জন্য বিজেপি দায়ী। তারা পিছন থেকে এই কাজ করাচ্ছে। এভাবেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও করাবে বিজেপি।” এনসিপি নেতা জয়ন্ত পাতিল বলেন,”শিবসেনার তরফে সরকারিভাবে এমন কোনও কথা এখনও জানানো হয়নি। তারা সরকারিভাবে কিছু জানালে তবেই ভাবনা-চিন্তা করা হবে।” এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল বলেন,”যে কোনও দল নিজেদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে জোট ছাড়লে শিবসেনা তা এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারকে জানাত। এখনও সেরকম কোনও খবর নেই।”

  • Presidential Election: দিল্লি পৌঁছলেন দ্রৌপদী, শুক্রবার মনোনয়নপত্র জমা দেবেন

    Presidential Election: দিল্লি পৌঁছলেন দ্রৌপদী, শুক্রবার মনোনয়নপত্র জমা দেবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা এনডিএ-র (NDA) রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) বৃহস্পতিবার ভুবনেশ্বর থেকে রাজধানী দিল্লিতে পৌঁছেছেন। তাঁকে দিল্লি (Delhi) বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বিজেপি নেতারা। শুক্রবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা (File Nomination) দেবেন তিনি। তাঁর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)  এবং বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার। থাকবেন  বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও।

    [tw]


    [/tw]

    এদিন ভুবনেশ্বরের এমসিএল গেস্ট হাউস থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হন দ্রৌপদী। এই প্রথম কোনও দলিত আদিবাসী মহিলা দেশের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলেন। ফলে তাঁকে নিয়ে দেশের আদিবাসী সমাজ রীতিমতো উল্লসিত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার উপস্থিতিতে দলের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠকে দ্রৌপদীর নাম রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হয়। এখবর শুনে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি দ্রৌপদী এবং তাঁর পরিবারের লোকেরা। তাই বুধবার সকালেই দ্রৌপদী চলে যান গ্রামের মন্দিরে। নিজের হাতে ঝাঁট দিয়ে পরিষ্কার করলেন ঠাকুরদালান। তারপর মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম। সেখান থেকেই শুরু রাইসিনা হিলের দৌড়।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু! ‘ঘরের মেয়ে’ কে সমর্থন নবীনের

    বছর চৌষট্টির দ্রৌপদী মুর্মু দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ। রাজনৈতিক জীবন অন্তত আড়াই দশকের। দল থেকে আইনসভা, সর্বত্র বিভিন্ন পদে নানা দায়িত্ব সামলেছেন দ্রৌপদী মুর্মু। ২০০০ ও ২০০৪ সালে ওড়িশার রাইরংপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির হয়ে জিতে বিধায়ক হন দ্রৌপদী মুর্মু। ওড়িশার বিজেপি-বিজেডি জোট সরকারে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন তিনি। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৩ অবধি ওড়িশার সেচ ও বিদ্যুৎ দফতরে জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করেন দ্রৌপদী মুর্মু। তারপর ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ অবধি ছিলেন সাম্মানিক সহকারী শিক্ষক।১৯৯৭ সালে পুরভোটে জিতে কাউন্সিলর হন দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সঙ্গে রাইরংপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারপার্সনের দায়িত্বও পান তিনি।  দ্রৌপদী মুর্মু ২০১৫ থেকে ২০২১ অবধি ঝাড়খণ্ডের  রাজ্যপাল ছিলেন। রাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করলেই তিনি হয়ে যাবেন ভারতের প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি।

  • Udaipur Tailor Killing: উদয়পুর-হত্যাকাণ্ডে জঙ্গি যোগ! তদন্ত শুরু করল এনআইএ

    Udaipur Tailor Killing: উদয়পুর-হত্যাকাণ্ডে জঙ্গি যোগ! তদন্ত শুরু করল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজস্থানের উদয়পুরে (Udaipur) কানহাইয়া লাল তেলির (Kanhaiya Lal Teli) নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার গেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার (National Investigation Agency)কাছে। বুধবার এনআইএ -কে  তদন্তের নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (HMO India)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকর তরফে জানানো হয়, এই ঘটনায় কোনও সংগঠন বা আন্তর্জাতিক জঙ্গি-গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, সাসপেন্ডেড বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বক্তব্য সমর্থন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন পেশায় দরজি রাজস্থানের (Rajasthan) যুবক কানহাইয়া লাল তেলি। মঙ্গলবার দুপুরে উদয়পুরের ওই দর্জির দোকানে ঢুকে তাঁকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়। এই ঘটনায় বুধবারও উদয়পুর–সহ রাজস্থানে উত্তেজনা রয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সন্দেহ এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকতে পারে জঙ্গি সংগঠন। ইতিমধ্যেই খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুই যুবককে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের পিছনে জঙ্গি যোগ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে এনআইএ। পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত করছে সিটও। উদয়পুর হত্যাকাণ্ডে বুধবার আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হল । 

    আরও পড়ুন: “রাজস্থান সরকারের তোষণের রাজনীতিই সাম্প্রদায়িক উসকানির মূলে”, শিরোশ্ছেদ প্রসঙ্গে বসুন্ধরা রাজে

    উদয়পুরে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে রয়েছে হত্যাকাণ্ডের ভিডিও এবং দুই অভিযুক্ত মহম্মদ রিয়াজ আখতার ও মহম্মদ গোশের ভিডিও বার্তা। সেখানে তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) ও বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মাকেও হত্যার হুমকি দেয়। রাজস্থান পুলিশের তরফে ওই ভিডিওটি সাধারণ মানুষকে দেখতে বারণ করা হয়েছে। পুলিশের তরফে বলা হয়, “এই ভিডিওটি খুনিরা আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য করেছে। এতে উত্তেজনা ছড়াতে পারে। এটি দেখতে খুব ভয়ঙ্কর, ভিডিওটি দেখবেন না।” রাজস্থানের এডিজি  আইন – শৃঙ্খলা হাওয়া সিং ঝুমারিয়াও গণমাধ্যমে ভিডিওটি প্রচার না করার জন্য অনুরোধ করেন। 

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে শিরোশ্ছেদ হিন্দু দর্জির, উত্তাল রাজস্থান, বন্ধ ইন্টারনেট

     মঙ্গলবারই রাজস্থান পুলিশের তরফে বলা হয়েছিল, কানহাইয়াকে যেভাবে খুন করা হয়েছে, তাতে অনুমান করা হচ্ছে, এই ঘটনা ব্যক্তি বিশেষের নয়, বরং এর সঙ্গে কোনও সংগঠন জড়িত রয়েছে। জঙ্গি যোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই ঘটনায় আইসিস যোগ থাকতে পারে বলে অনুমান এনআইএ-র। আইসিসের মতোই খুনের ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয় খুনিরা। এই ঘটনায় জড়িতদের সঙ্গে পাকিস্তানের (Pakistan) চরমপন্থী সংগঠন দাওয়াত-ই-ইসলামির যোগ রয়েছে বলেও খবর। অশান্তি এড়াতে গোটা রাজ্যে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। উদয়পুর শহরের একটা বড় অংশে কারফিউ জারি রয়েছে। একমাসের জন্য রাজস্থানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

  • Presidential Election: রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু! ‘ঘরের মেয়ে’ কে সমর্থন নবীনের

    Presidential Election: রাষ্ট্রপতি পদে এগিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু! ‘ঘরের মেয়ে’ কে সমর্থন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আগামী ১৮ জুলাই দেশের ১৬ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Election)। রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি (BJP) প্রার্থী ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu)। অন্যদিকে বিরোধীদের পছন্দ অটলবিহারী বাজপেয়ী জমানার প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী যশবন্ত সিনহাকে (Yashwant Sinha)। ২১ জুলাই ভোটগণনা। শেষ পর্যন্ত কে হবেন ভারতের রাষ্ট্রপতি, তার জন্য অপেক্ষা করত হবে গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত।  তবে, সংখ্যাতত্বের হিসেবে বা রাজনৈতিক মহলের মতে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের পথে অনেকটাই এগিয়ে দ্রৌপদী মুর্মু। 

    [tw]


    [/tw]

    রাষ্ট্রপতি ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করতে বিজেপির প্রয়োজন ছিল ১২ হাজারের কাছাকাছি ভোট। রাষ্ট্রপতি পদে ওড়িশার ভূমিকন্যা তথা জনজাতি সমাজের প্রতিনিধি দ্রৌপদী মুর্মুকে দাঁড় করিয়ে সে রাজ্যের শাসক দল বিজেডির (BJD) ৩২ হাজার ভোট নিশ্চিত করে ফেলে বিজেপি। বুধবার দুপুরে ওড়িশার (Odisha) মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক (Naveen Patnaik) ট্যুইট করে দলীয় সাংসদ, বিধায়কদের নির্দেশ দেন, পার্টি লাইনের উর্ধ্বে উঠে ওড়িশার কন্যা দ্রৌপদী মুর্মুকে রাষ্ট্রপতি পদে সমর্থন করতে। নবীন পট্টনায়েকের মন্ত্রিসভায় একটা সময় সদস্য ছিলেন তৎকালীন বিজেপি নেত্রী দ্রৌপদী। নবীন বলেন, ওড়িশা থেকে এই প্রথম কেউ রাষ্ট্রপতি হতে চলেছেন। তাই রাজ্যে বিজেপি প্রধান বিরোধী দল হলেও, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ঘরের মেয়ের দিকেই সমর্থনের হাত বাড়িয়ে দেবে বিজু জনতা দল।

    অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগন মোহন রেড্ডিও জানিয়েছেন তাঁর দল ওয়াইএসআর কংগ্রেস দ্রৌপদীকেই সমর্থন করবে। এরপর এবার বিজু জনতা দল। এনডিএ-র বাইরে থাকা দুই রাজ্যের দুই শাসক দলের সমর্থন পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নিশ্চিত জয়ের পথে এগিয়ে গেলেন দ্রৌপদী মুর্মু। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৪৯ শতাংশ ভোট আছে এনডিএ-র কাছে।  ফলে দ্রৌপদীর জয় নিশ্চিত করতে আরও অন্তত দু  শতাংস এনডিএ-র বাইরের দলের সমর্থন প্রয়োজন ছিল দ্রৌপদী-র। এবার এনডিএ-র বাইরের দুই দলের সমর্থন পেয়ে আরও ৫ শতাংশ ভোট নিশ্চিত করলেন দ্রৌপদী মুর্মু।  

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষে দেশের প্রথম নাগরিক সাঁওতালি কন্যা?

    কংগ্রেসের শরিক ঝাড়খণ্ডের শাসক দল জেএমএম-ও রাজ্যের জনজাতি সমাজের কথা মাথায় রেখে দ্রৌপদীকে সমর্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দ্রৌপদীর সমর্থনে সরব হয়েছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পিএস তামাং-ও।  বাজপেয়ী মন্ত্রিসভায় নীতীশ কুমারের প্রাক্তন সতীর্থ ছিলেন বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহা। কিন্তু তাঁর দল জেডিইউ এনডিএ পদপ্রার্থীকেই সমর্থন করবে বলে জানিয়েছেন নীতীশ।  টিআরএস, আম আদমি পার্টি, অকালি দল, বিএসপি এখনও জানায়নি তারা আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে কাকে সমর্থন করছে। তবে এই দলগুলির অবস্থান যা-ই হোক সংখ্যাতত্বের হিসেবে এখনই রাইসিনা হিলসের দৌড়ে অ্যাডভান্টেজ দ্রৌপদী মুর্মু।

  • India-China: দেশের উপর নজরদারি! প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে চিনা যুদ্ধবিমান

    India-China: দেশের উপর নজরদারি! প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে চিনা যুদ্ধবিমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের সামরিক তোড়জোড় নিয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সীমান্তে। ভারতের সঙ্গে চিনের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা নিয়ে দুই দেশের কমান্ডার পর্যায়ে ক্রমাগত আলোচনা চলছে। তার পরেও প্রায়শই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার (LAC) কাছ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে চিনা যুদ্ধবিমান। এভাবেই ভারতীয় সেনা ও দেশের নিরাপত্তার উপর নজরদারি চালাচ্ছে চিন বলে অনুমান প্রতিরক্ষামন্ত্রকের। সেনা সূত্রে খবর, চিনা বাহিনী বহুবার পূর্ব লাদাখে (Eastern Ladakh) মোতায়েন ভারতীয় সেনাদের উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছে।

    বায়ুসেনা (IAF) সূত্রে খবর, গত তিন থেকে চার সপ্তাহে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবার চিনের বিমান ওড়ানোর ঘটনা বেড়েছে। বায়ুসেনা পরিস্থিতির প্রতি নজর রাখছে। এই ঘটনা কোনওভাবেই তারা বাড়তে দেবে না বলে বায়ুসেনা সূত্রে জানানো হয়েছে। বেশ কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন যে, এই এলাকায় ভারতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেমন রয়েছে তা দেখার উদ্দেশ্যেই এটা করা হচ্ছে।

    সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, “জে-১১ সহ চিনা ফাইটার জেটগুলি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছাকাছি উড়ে চলেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই অঞ্চলে ১০ কিলোমিটার কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার (সিবিএম) লাইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এই উস্কানিগুলির একটি শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া হিসাবে, ভারতীয় বিমান বাহিনী মিগ-২৯ এবং মিরাজ ২০০০ সহ সবচেয়ে শক্তিশালী যুদ্ধ বিমানগুলিকে উন্নত ঘাঁটিতে স্থানান্তরিত করেছে যেখান থেকে তারা কয়েক মিনিটের মধ্যে চিনা কার্যকলাপের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।”

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়ি করিডরের কাছে চিন! ডোকলাম সীমান্তে গ্রাম বানাচ্ছে বেজিং

    প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, পূর্ব লাদাখে (Eastern Ladakh) সীমান্তের ওপারে চিনের হোটান বায়ুসেনা ঘাঁটিতে তৎপরতা নজরে এসেছে। সেখানে ২৫টি অত্যাধুনিক জে-১১ ও জে-২০ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে লালফৌজ। আগে ওই এয়ারবেসে মিগ-২১-এর মতো বিমান রাখত চিন। কিন্তু এবার আধুনিক ও জটিল যুদ্ধে সক্ষম জে-১১ এর মতো বিমান মোতায়েন চিন্তার বিষয়। তবে ভারতও ছেড়ে কথা বলবে না বলে সেনা সূত্রে জানানো হয়েছে। সীমান্তের কাছে চিনা যুদ্ধবিমান দেখতে পেলেই তার যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য তৈরি থাকে ভারতীয় বায়ুসেনা। আঘাত হলে তার প্রত্যুত্তর দেওয়া হবে বলে দাবি বায়ুসেনার।

  • Modi on Agnipath: রাজনীতির রঙে থমকে যায় ভাল কাজ ! অগ্নিপথ-বিরোধিতা প্রসঙ্গে মোদি

    Modi on Agnipath: রাজনীতির রঙে থমকে যায় ভাল কাজ ! অগ্নিপথ-বিরোধিতা প্রসঙ্গে মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির রং ভাল কাজকেও নষ্ট করে দেয়। দেশের অগ্রগতিতে অনেক সমস্যা তৈরি হয়। অগ্নিপথ প্রকল্প নিয়ে সারা দেশে বিরোধিতার প্রেক্ষিতে রবিবার একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এ আমাদের দেশের দুর্ভাগ্য যে ভাল উদ্দেশ্য নিয়ে করা অনেক কিছুই রাজনীতির রঙে দেখা হয়।”

    [tw]


    [/tw]

    অগ্নিপথ (Agnipath)-বিক্ষোভের জেরে দেশ (India)-জুড়ে চলছে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ (Protest)। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে ট্রেন (Train)। জাতীয় সড়কেও অবরোধ চলছে। সেই অগ্নিপথ আন্দোলনের আবহে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বেশ কিছুটা ক্ষোভের সুর শোনা গিয়েছে তাঁর গলায়। দিল্লিতে প্রগতি ময়দানের মূল টানেল উদ্বোধনের পরে রবিবার প্রধানমন্ত্রী মোদি তাঁর ভাষণে অগ্নিপথের কথা উল্লেখ না করেই আক্ষেপের সুরে বলেন, “দেশের ভালর জন্য যা করা হয়, তাতেই রাজনীতির রঙ লেগে যায়! ১০০ টাকা দিলে খবর হয়, কিন্তু ২০০ টাকা সঞ্চয়ের কথা বললে সমালোচনা হয়। দেশের নাগরিকদের ভালোর জন্য সরকার নানা প্রকল্পের পরিকল্পনা করে। তাতে রাজনীতির রং লেগে গেলে আসল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।”

    আরও পড়ুন: মায়ের জন্মদিনে মাতৃপূজায় মোদি

    এদিন নয়াদিল্লিতে প্রগতি ময়দান ইন্টিগ্রেটেড ট্রানজিট করিডোর প্রকল্পের মূল টানেল এবং আন্ডারপাস উদ্বোধন করেন মোদি। দিল্লি-এনসিআর-এর সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁর সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলির বিশদ বিবরণ দিয়ে, মোদি বলেন,”গত আট বছরে মেট্রো পরিষেবা ১৯৩ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ৪০০ কিলোমিটার হয়েছে। কয়েক দশক আগে ভারতীয় ঐতিহ্য প্রদর্শনের জন্য তৈরি হওয়া প্রগতি ময়দানের খুব বেশি ‘প্রগতি’ হয়নি। কাগজে কলমে উন্নয়নের একটি পরিকল্পনা ছিল। তখনকার সরকার সংবাদপত্রের শিরোনামে এটিকে নিয়ে আসার জন্য এমনিই ঘোষণা করে দিয়েছিল এবং তারপরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল।”

  • Agnipath Scheme: আরও বাড়ল বয়সের ঊর্ধ্বসীমা! ১০ শতাংশ সংরক্ষণ কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীতে

    Agnipath Scheme: আরও বাড়ল বয়সের ঊর্ধ্বসীমা! ১০ শতাংশ সংরক্ষণ কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:অগ্নিপথ প্রকল্প’ (Agnipath Scheme) ঘোষণার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিয়ম শিথিল করল কেন্দ্র। অগ্নিবীরদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং অসম রাইফেলসে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকেও অগ্নিবীরদের (Agniveers) জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বাড়ছে নিয়োগের ঊর্ধ্বসীমাও।

    [tw]


    [/tw]

    শনিবার কেন্দ্রের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রথম ব্যাচের অগ্নিবীরদের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা আরও ৫ বছর বাড়ানো হল। গত দুবছর করোনা মহামারীর কারণে সেনায় নিয়োগ বন্ধ ছিল। তাই প্রথম বছরে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় দেওয়া হয়েছে। প্রথমে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ছিল ২১ বছর, পরে তা ২৩ বছর করা হয়। এ বার আরও বাড়ল নিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা। তবে এটা শুধু প্রথম ব্যাচের অগ্নিবীরদের জন্য। তা ছাড়াও, অগ্নিবীররা অবসরের পর কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং অসম রাইফেলসে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ পাবেন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, সিআরপিএফে ‘অগ্নিবীর’দের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তার পর দিনই সামনে এল এই ঘোষণা। এর ফলে চার দিন ধরে চলা বিক্ষোভের প্রশমন হবে বলে আশা করছে ওয়কিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: পরিস্থিতি এমন হবে বুঝিনি! একথা কেন বললেন নৌসেনা প্রধান?

    এখন আধাসামরিক বাহিনীর পাঁচটি শাখায় ৭৩ হাজারের বেশি পদ খালি রয়েছে। এগুলি হল বিএসএফ, কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স বা সিআরপিএফ, ইন্দো তিব্বত বর্ডার পুলিশ (আইটিবিএফ), সশস্ত্র সীমা বল বা এসএসবি এবং সিআইএসএফ। পাশাপাশি, ৭৩,২১৯টি পদ খালি রয়েছে সিএপিএফ এবং অসম রাইফেলসে।

    [tw]


    [/tw]

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে কাজের ক্ষেত্রেও অগ্নিবীরদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণের কথা জানানো হয় এদিন। সম্প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেছেন, “নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের উর্ধ্বসীমা শিথিলকরণের মাধ্যমে আমরা যুবকদের প্রতি যত্নশীল মনোভাব পোষণ করেছি। তাঁদের জন্য সংরক্ষণের কথাও ভাবা হচ্ছে।” 

  • Biggest-ever loan fraud: দেশে সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! অভিযুক্ত ওয়াধওয়ান ভাতৃদ্বয়

    Biggest-ever loan fraud: দেশে সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতি! অভিযুক্ত ওয়াধওয়ান ভাতৃদ্বয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার দেশে বড়সড় ব্যাঙ্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা সামনে এল। জানা গিয়েছে, এই কেলেঙ্কারিতে ১৭টি ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ৩৪ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI) দেওয়ান হাউজিং ফাইন্যান্স লিমিটেডের (DHFL) প্রাক্তন চেয়ারম্যান কপিল ওয়াধওয়ান  (Kapil Wadhawan ), পরিচালক ধীরাজ ওয়াধওয়ান (Dheeraj Wadhawan) এবং ছয়টি রিয়েলটি সেক্টর (সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছে। এটিই এখন পর্যন্ত সিবিআইয়ের নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় ব্যাঙ্ক জালিয়াতির (biggest-ever loan fraud) মামলা। এর আগে, এবিজি শিপইয়ার্ডে (ABG Shipyard loan fraud) ২৩ হাজার কোটি টাকার মামলাটি ছিল সবচেয়ে বড় জালিয়াতির মামলা।

    আরও পড়ুন: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    তাদের বিরুদ্ধে ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার ( UBI) নেতৃত্বাধীন ১৭টি ব্যাঙ্কের কনসোর্টিয়ামকে (consortium) ৩৪ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, চলতি বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার কাছ থেকে পাওয়া একটি অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই পদক্ষেপ নেয়। ওই মামলায় ওয়াধওয়ান ভাইরা স্ক্যানারে রয়েছেন। মামলা দায়েরের পর সিবিআই-এর ৫০ জনেরও বেশি অফিসারের একটি দল সারা দেশের  ১১টি জায়গায় তল্লাশি চালায়। ওই জায়গাগুলি অভিযুক্তদের সঙ্গে জড়িত। তাই ওখানে তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলবে বলে আশাবাদী সিবিআইের অফিসারেরা। ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার অভিযোগ, সংস্থাটি ২০১০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন ব্যবস্থায় ব্যাঙ্কগুলির একটি কনসোর্টিয়ামের কাছ থেকে ৪২,৮৭১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। কিন্তু ২০১৯ সালের মে মাস থেকে ঋণ খেলাপি হতে শুরু করে। 

    অডিট রিপোর্টে প্রকাশ করা হয়েছে যে ডিএইচএফএল প্রোমোটারদের সাথে সমতা রয়েছে এমন ৬৬ টি সংস্থাকে ২৯,১০০.৩৩ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া অর্থ প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি জমি ও সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

  • Rahul Gandhi: কেউ রানি ভিক্টোরিয়া বা যুবরাজ নয়! সোমবার রাহুলের জেরা প্রসঙ্গে বিজেপি

    Rahul Gandhi: কেউ রানি ভিক্টোরিয়া বা যুবরাজ নয়! সোমবার রাহুলের জেরা প্রসঙ্গে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) মামলায় সোমবার আবারও ইডির (ED) জেরার মুখে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এদিন সকাল সাড়ে ১১ টা নাগাদ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অফিসে পৌঁছন রাহুল। 

    গত সপ্তাহে টানা তিনদিন ৩০ ঘণ্টা রাহুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। গত শুক্রবারই চতুর্থবার জেরার জন্য কংগ্রেস সাংসদকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু মা সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখার করার জন্য তা পিছনোর আর্জি জানিয়ে ইডিকে চিঠি লিখেছিলেন রাহুল। তা মেনে নিয়ে ২০ জুন হাজিরার নির্দেশ দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেইমতোই এদিন ইডির দফতরে পৌঁছন রাহুল। চলে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব।

    এদিকে, রাহুল গান্ধীকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু করেছে কংগ্রেস। দিল্লির যন্তর মন্তরে সত্যাগ্রহ শুরু করেছেন কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে, সলমন খুরশিদ, ভি নারায়ণ স্বামীরা। কংগ্রেসের বিক্ষোভ আটকাতে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইডি দফতরের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। 

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় রাহুলকে ইডির (Enforcement Directorate) জেরা নিয়ে কড়া ভাষায় কংগ্রেসের সমালোচনা করে বিজেপি। দলের মুখপাত্র সম্বিত পাত্র কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন, “এ দেশে না কেউ রানি ভিক্টোরিয়া (Queen Victoria ), না কেউ যুবরাজ চার্লস (Prince Charles)। যে তাঁকে জেরা করা যাবে না। এদেশে আইনের চোখে সবাই সমান। কারও বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে বা উঠলে তদন্তকারী সংস্থা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই পারে।” তাঁর দাবি, জনগণ জানে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় গান্ধী পরিবার এবং রাহুল গান্ধীর ভূমিকার কথা। সুতরাং,এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট মনে করলে গান্ধী পরিবারের যে কোনও সদস্যকে ডেকে জেরা করতেই পারে। এই জেরার অধিকার তাদের রয়েছে। সম্বিত আরও বলেন, “ইডি কথার অর্থ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট, এন্টাইটেলমেন্ট ডিরেক্টরেট নয়। এটা যেন কংগ্রেস বা রাহুল গান্ধী ভুলে না যান।”

    আরও পড়ুন: কেন রাহুল গান্ধীকে জেরা, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা কী?

    এর আগে রাহুলকে তলব নিয়ে কংগ্রেস মুখপাত্র অজয় মাকেন বলেন, “আমার জানা নেই যে কংগ্রেসকে (Congress) যেভাবে দিনের পর দিন হেনস্থা করা হচ্ছে, সেভাবে অন্য কোনও দলকে হেনস্থা করা হয়েছে কি না। আর এই হেনস্থার একমাত্র উদ্দেশ্য হল রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের মুখ বন্ধ করা। এভাবে কোনও একটি রাজনৈতিক দলের মুখ বন্ধ করা যায় না।”

    প্রসঙ্গত, এই মামলায় শুধু রাহুল নয় সনিয়া গান্ধীকেও ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি৷ কিন্তু করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর নির্ধারিত দিনে ইডি অফিসে হাজিরা দিতে পারেননি কংগ্রেস সভানেত্রী৷ এই মুহূর্তে তিনি ভর্তি গঙ্গারাম হাসপাতালে৷ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে ইডি দফতরে তিনি যাবেন বলে জানিয়েছে কংগ্রেস৷

LinkedIn
Share