Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Matchmaking to employees: বিয়ে করলে বাড়ে বেতন এবার কর্মীদের জীবনসঙ্গীও খুঁজে দেবে সংস্থা

    Matchmaking to employees: বিয়ে করলে বাড়ে বেতন এবার কর্মীদের জীবনসঙ্গীও খুঁজে দেবে সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংস্থার স্বার্থে কর্মীরা যাতে মন দিয়ে কাজ করেন এবং অল্পদিনেই কাজ ছেড়ে চলে না যান , তাই  অভিনব উদ্যোগ নিল তামিলনাড়ুর এক তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা। বিয়ে হলে কর্মীদের বেতন বাড়িয়ে দেওয়ার রীতি আগে থেকেই ছিল  মাদুরাই ভিত্তিক শ্রী মুকাম্বিকা ইনফোসলিউশনসে। এবার পছন্দমতো জীবনসঙ্গী খুঁজে দেওয়ার দায়িত্ব নিল সংস্থা। একই সঙ্গে  ছয় মাস অন্তর কর্মীদের বেতনও বাড়িয়ে দেওয়া হবে। স্বাভাবিকভাবেই সংস্থার এই সিদ্ধান্তে খুশি কর্মীদের একাংশ।

    ওই সংস্থায় কর্মীদের স্থায়িত্ব খুব বেশিদিনের হয় না। পাঁচ বছরের কম সময় চাকরি করেই ছেড়ে দেন অনেকে। কাজ শিখে যাওয়ার পরই উচ্চ বেতনের আশায় অন্য জায়গায় চলে যান কর্মীরা। তাই কর্মীদের আনুগত্য ধরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে অনুমান। ওই সংস্থার মোট কর্মী সংখ্যা ৭৫০জন। এর মধ্যে মাত্র ৪০ শতাংশ কর্মী পাঁচ বছরের বেশি সময় ওখানে কাজ করেছেন।

    শিবকাশিতে ২০০৬ সালে সংস্থার কাজ শুরু হয়। পরে মাদুরাইতে সরে যায় অফিস। এখন ওই সংস্থার মাসিক আয় ১০০কোটি টাকা। বিয়ে করলে কর্মীদের বেতন বাড়িয়ে দেওয়ার রীতি আগেই ছিল এই সংস্থায় তবে এবার সঙ্গীও খুঁজে দেওয়া হবে। সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা তথা সিইও এমপি সেলভাগনেশ জানিয়েছেন, কর্মীদের তিনি নিজের ভাই-বোনের মতো দেখেন।  অনেক কর্মীই গ্রাম থেকে এসেছেন। কারও বাবা-মায়ের অনেক বয়স হয়ে গিয়েছে, সন্তানের জন্য পাত্র-পাত্রী খোঁজার মতো অবস্থা নয়। তাই সংস্থার পক্ষ থেকে অ্যালায়েন্স মেকার নামে একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পাত্র-পাত্রী খুঁজে দেওয়া হবে।

     

  • Graceful Nirmala: বক্তাকে জল এগিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী, নির্মলার ভাইরাল ছবিকে ঘিরে প্রশংসা নেটিজেনদের

    Graceful Nirmala: বক্তাকে জল এগিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী, নির্মলার ভাইরাল ছবিকে ঘিরে প্রশংসা নেটিজেনদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বক্তৃতা দিচ্ছেন ন্যাশনাল সিকিউরিটিজ ডিপোজিটরি লিমিটেডের (এনএসডিএল) অধিকর্তা পদ্মজা চুন্দুরু। মঞ্চে বসে  কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বক্তৃতার মাঝে হঠাতই গলা শুকিয়ে গেল পদ্মজার। জল চাইতেই উঠে গেলেন অর্থমন্ত্রী। নিজের পদ বা গাম্ভীর্য ভুলে মানবিকতার খাতিরে জলের বোতল এগিয়ে দিলেন পদ্মজার হাতে। অভিভূত এনএসডিএল অধিকর্তা তথা কক্ষে উপবিষ্ট সকল দর্শক-শ্রোতারা। এই ছবি ভাইরাল হতেই প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরাও।  

    [tw]


    [/tw]

    সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত অনুষ্ঠানটির ভিডিওতে, পদ্মজা চুন্দুরুকে কথা বলতে দেখা যায় যার মধ্যে তিনি বিরতি দেন এবং জলের জন্য অঙ্গভঙ্গি করেন। তারপরে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে মঞ্চ জুড়ে হাঁটতে দেখা যায় এবং শ্রীমতী চুন্দুরুকে একটি জলের বোতল অফার করতে দেখা যায়। শ্রীমতী চুন্দুরু ধন্যবাদ জানান অর্থমন্ত্রীকে। দর্শকদের করতালিতে ভরে যায় গোটা জায়গাটা।শনিবার এনএসডিএল-এর রজত জয়ন্তী উদযাপনের জন্য মুম্বাইয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এই ঘটনা ঘটে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন শনিবার হিন্দি এবং অন্যান্য আঞ্চলিক ভাষায় শিক্ষার্থীদের জন্য NSDL-এর বিনিয়োগকারী সচেতনতা কর্মসূচি ‘মার্কেট কা একলব্য’ চালু করেছেন। নির্মলা বলেন, “এই কর্মসূচীর মাধ্যমে, আপনি এমন অনেকের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হবেন যাদের আর্থিক সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে৷ এটিই সঠিক সময় যখন মানুষের বাজার সম্পর্কে জানার প্রবণতা থাকে। এই কাজে মানুষকে সাহায্য করবে  NSDL।” 

  • Shah Rukh look alike: আইপিএলে কেকেআর নয় গুজরাতকে সমর্থন করছেন শাহরুখ? হতবাক দর্শকেরা

    Shah Rukh look alike: আইপিএলে কেকেআর নয় গুজরাতকে সমর্থন করছেন শাহরুখ? হতবাক দর্শকেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলিউড ইন্ডাস্ট্রির বাদশা শাহরুখ খান। ইন্ডিয়ান ক্রিকেট প্রিমিয়ার লিগ (IPl)-এ তাঁর দল কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR)। কিন্তু একি!গুজরাত টাইটানসের সঙ্গে ম্যাচে কলকাতার বদলে কিং খান গলা ফাটাচ্ছেন গুজরাতের হয়ে। অবাক, কেকেআর অনুরাগী থেকে শুরু করে শাহরুখ ভক্তরা। তাহলে কী দলবদল! না আসলে ইনি হলেন গুজরাত সমর্থক হুবহু শাহরুখের মতো দেখতে ইব্রাহিম কাদরি।

    বিশ্বজুড়ে বলিউড বাদশাহর কোটি কোটি অনুরাগী। তাঁর  মতো দেখতে আর কাউকে আপনি কল্পনা করতে পারেন? হ্যাঁ,শাহরুখের মতো দেখতে এক ব্যক্তি এখন অন্তর্জালে ভাইরাল। তাঁর নাম ইব্রাহিম কাদরি। হঠাৎ দেখলে আপনিও ভেবে বসবেন ইনি বুঝি কিং খান। 

    শাহরুখ খানের মতো দেখতে বলে ইব্রাহিমও বেশ জনপ্রিয়। তিনিও মাঝেমধ্যে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইব্রাহিম জানান, নিজের চেহারার প্রতি কখনওই খুব বেশি মনোযোগ দেননি। কিন্তু তাঁর চেহারা প্রায়ই পরিবার ও বন্ধুবান্ধবদের নজর কাড়ত।  সবাই তাঁকে কিং খানের সঙ্গে তুলনা করত। ছেলের চেহারার সঙ্গে সুপারস্টারের অদ্ভুত মিল রয়েছে বলে ইব্রাহিমের বাবা-মাও গর্ব বোধ করেন বলে জানান তিনি। 

    গল্পে গল্পে ইব্রাহিম বলেন, “একবার’রইস’ সিনেমা দেখার পর শাহরুখ-ভক্তরা আমার পিছু নিয়েছিল,সেলফি তুলেছিল। ওরা আমাকে শাহরুখ ভেবে ভুল করে। তাঁরা ভেবেছিলেন সত্যিকারের শাহরুখ সিনেমার প্রিমিয়ারে উপস্থিত হয়েছেন!” এরপর থেকেই নাকি নিজেকে শাহরুখের মতো সাজাতে থাকেন ইব্রাহিম। তাঁর ভেতরেও বাদশাহ-ভাব জন্ম নেয়। ইনস্টাগ্রামে বেশ ভক্ত জুটিয়েছেন তিনি। তাঁর ফলোয়ার এক লাখের বেশি। প্রায় ছবি ও ভিডিও আপলোড করেন তিনি। সেখানে শাহরুখ-ভক্তরা তাঁকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন।

    ইব্রাহিম জানিয়েছেন লোকজন প্রায়শই তাঁকে শাহরুখের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন এবং তাঁর সঙ্গে ছবি তুলতে ছুটে আসেন। ইব্রাহিম বলেন, “সম্প্রতি আমি স্টেডিয়ামে গুজরাট লায়ন্সের বিপক্ষে কেকেআরের খেলা দেখতে গিয়েছিলাম; সবাই তাঁদের ক্যামেরা বের করে আমার দিকে হাত নাড়তে থাকে। লোকজন হাততালি দিতে থাকে এবং আমাকে নিয়ে শাহরুখের বিখ্যাত সিনেমার ডায়লগ বলতে শুরু করে। আমি দেখেছি মানুষ শাহরুখকে কতটা ভালোবাসে।” ইব্রাহিমের মতে, এটা বিশেষ একটা অনুভূতি। তবে খ্যাতির বিড়ম্বনাও চোখের সামনে দেখেছেন ইব্রাহিম। তিনি বলেন, “মাঠে গিয়ে আমি এটাও বুঝতে পেরেছি যে শাহরুখকে সম্ভবত প্রতিদিনই কিসের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। স্টেডিয়ামে কেউ একজন আমাকে এত শক্ত করে ধরেছিলেন যে আমার টি-শার্ট ছিঁড়ে যায়!পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল যে আমাকে নিরাপদে স্টেডিয়াম থেকে বের করে আনতে পুলিশকে ফোন করতে হয়েছিল। তবে আমাকে উদ্ধার করার পরে,পুলিশই জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘এসআরকে স্যার, এক সেলফি?’তখন অবাক হয়েছিলাম আমি।” 

    শাহরুখের মতো দেখতে হলেও ইব্রাহিম চান নিজের আলাদা পরিচয় বানাতে। তিনি নিজেও শাহরুখ অনুরাগী। কিং খানকে সামনে থেকে দেখতে পেলে স্বপ্ন সফল হবে বলে জানান ইব্রাহিম।

  • Beat-Heat: রাস্তায় ফ্রিজ,খুললেই মিলছে ঠান্ডা জল, গরমে মানবিকতার ছবি শহরে

    Beat-Heat: রাস্তায় ফ্রিজ,খুললেই মিলছে ঠান্ডা জল, গরমে মানবিকতার ছবি শহরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠফাটা রোদে রাস্তায় বেরিয়ে জলের জন্য হাহাকার করছেন অনেকে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জলের সংকট দেখা গিয়েছে।   এই পরিস্থিতিতে বাড়ির ফ্রিজ রাস্তায় রেখে পথচারীদের সেবা করছেন কলকাতার তরুণ তুর্কি মোহাম্মদ তৌসিফ রহমান আর মুদর পাথারেয়া।

    আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ২৯ বছরের তৌসিফ প্রায় এক মাস ধরে নিজের বাড়ির ফ্রিজ রাস্তায় রেখে দিয়েছেন। প্রতিদিন ফ্রিজে ৩০টির বেশি জলের বোতল রেখে দিচ্ছেন তিনি। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দিচ্ছেন মুদর। তবে এই ভাবনা কিন্তু মুদরের মেয়ের। যিনি ভিন দেশ থেকে তাঁর বাবাকে জানিয়েছেন, কাতারে নাকি একরকম চিন্তা ভাবনা বাস্তবায়িত হয়েছে। মজার ব্যাপার হল,সারা দিন যখন জল শেষ হচ্ছে,তখন সাধারণ মানুষ নিজেরাই গিয়ে জল ভরে দিচ্ছেন। যে কোনও পথচারী নিজের পিপাসা মেটানোর তাগিদে এখানে এসে ঠান্ডা জল পান করতে পারেন। তার জন্য অর্থ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

    [fb]https://www.facebook.com/La.Kolkata.Tales/photos/a.103020028208928/524916896019237/?type=3[/fb]

    এই গরমে ঠান্ডা জলের হাহাকার সর্বত্র। জুস, লস্যি থেকে নরম পানীয়,বিক্র হচ্ছে সব জায়গায়। ঠান্ডা জলের বোতলেরও বিক্রি বেড়েছে বেশ কিছুটা। সেখান থেকে সাধারণের জন্য এরকম অসাধারণ ভাবনা তৌসিফকে সবার কাছে প্রিয় করে দিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, শহরের প্রতি,  ভালবাসা, মানুষের জন্য কিছু করার তাগিদেই তাঁর এই প্রয়াস।

  • Edible Oil:  ২৮ এপ্রিলের পরে দামি হবে রান্নার তেল! কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি ব্যবসায়ীদের

    Edible Oil: ২৮ এপ্রিলের পরে দামি হবে রান্নার তেল! কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ দাবি ব্যবসায়ীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবহণের পরে রান্নাঘরেও তেলের ছ্যাঁকা লাগার সম্ভাবনা। শুধু দামবৃদ্ধিই নয়, ভোজ্য তেলের দাম লাগামছাড়া হয়ে যেতে পারে। কারণ, চলতি মাস থেকেই ভারতকে পাম তেল রফতানি বন্ধ করে দিচ্ছে ইন্দোনেশিয়া। দেশের অভ্যন্তরীণ প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদন কম হওয়ায় আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্ট কালের জন্য তেল রফতানিতে নিষেদ্ধাজ্ঞা আরোপ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে তারা। প্রসঙ্গত, ভারতে প্রয়োজনীয় পাম তেলের বড় অংশই ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা হয়। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার যাতে পদক্ষেপ করে সেই দাবিও তুলেছে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি।

    বণিক সংগঠন সলফেন্ট এক্সট্র্যাকটর্স অ্যাসোসিয়েশনের এগ্‌জিকিউটিভ ডিরেক্টর বিভি মেটা বলেন, ‘‘ইউক্রেনে যুদ্ধ চলায় এমনিতেই সূর্যমুখী তেলের জোগান ধাক্কা খেয়েছে। এখন পাম তেলের জোগান কমে গেলে সার্বিক ভাবে দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে। ইন্দোনেশিয়ার সিদ্ধান্ত ভারতের বাজারে বড় প্রভাব ফেলবে।’’ তিনি জানিয়েছেন, ভারতে প্রতি মাসে ১৮ লাখ টন ভোজ্য তেল লাগে। এর মধ্যে ছয় থেকে সাত লাখ টন পাম তেল আসে ইন্দোনেশিয়া থেকে। মালয়েশিয়া, তাইল্যান্ড এবং পাপুয়া নিউ গিনি থেকে বাকিটা আসে। ফলে ইন্দোনেশিয়া থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে তার মারাত্মক প্রভাব পড়বে ভারতে। এই পরিস্থিতিতে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে ভারত সরকারের কথা বলা উচিত বলেও মন্তব্য করেছেন মেটা।

    মার্চের শেষেই আন্তর্জাতিক আর্থিক উপদেষ্টা সংস্থা ক্রিসিলের সমীক্ষায় দাবি করা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে ভারতে অশোধিত সূর্যমুখী তেলের আমদানি চলতি অর্থবর্ষে ২৫ শতাংশ কমতে পারে। প্রয়োজনের এই তেলের ৯০ শতাংশই ইউক্রেন এবং রাশিয়া থেকে কেনে ভারত। জোগানের ঘাটতি তার দামকে আরও ঠেলে তুলবে বলে আশঙ্কা করা হয়।

    ভারতে ভোজ্য তেলের মধ্যে সব থেকে বেশি ব্যবহৃত পাম তেলের দাম অবশ্য আগে থেকে অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল। এর সঙ্গে সূর্যমুখী তেলের জোগান কমে যাওয়ায় ভোজ্য তেলের মূল্যবৃদ্ধির সমস্যা তৈরি হয়। এখন পাম তেলের অভাব সেই সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেবে।

  • Quad Summit: চিনকে ঠেকাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    Quad Summit: চিনকে ঠেকাতে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাপট কমাতে তৈরি হয়েছে আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং ভারত-এই চারটি দেশের জোট কোয়াড (QUAD)। টোকিওয় জোটের শীর্ষ সম্মেলনে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের আধিপত্য ঠেকাতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন রাষ্ট্রনেতারা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিনের সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চার দেশের নেতারা।

    জাপানের  প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানেজ কোয়াড শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলনে চার নেতা ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন, জলবায়ু সংকট, করোনাভাইরাস, তথ্যপ্রযুক্তি নিয়েও আলোচনা করেন।

    আরও পড়ুন: চিন নিয়ে একমত চার নেতা, রাশিয়া প্রসঙ্গে বিভেদ কোয়াড সম্মেলনে

    মঙ্গলবার বৈঠক চলাকালীনই চিন এবং রাশিয়া (Russia-China Fighter Plane) যৌথভাবে বোমারু বিমান ওড়ায় জাপান সাগর এবং পূর্ব চিন সাগরের উপর দিয়ে। একথা জানিয়ে জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ফুমিও কিশিদা অভিযোগ করেছেন, বেজিং এবং মস্কোর (Russia) তরফে উসকনিমূলক কার্যকলাপ চালানো হচ্ছে। এই ধরনের কাজ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বরদাস্ত করা হবে না। ওই অঞ্চলে সামরিক তৎপরতা, নৌ মহড়া এবং মাছ ধরার জাহাজের অনধিকার প্রবেশসহ চিনের নানা কর্মকান্ডে আঞ্চলিক অস্থিরতা বাড়ছে। ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিন যেভাবে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া হয় কোয়াড সম্মেলনে। এই অঞ্চলে যদি শান্তি বিঘ্নিত করার বা অবস্থান বদলের কোনওরকম চেষ্টা চিন করে তাহলে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে বলেও জানান রাষ্ট্রনেতারা। জানানো হয়, এ অঞ্চলে জবরদস্তিমূলক কর্মকাণ্ড রুখতে ইন্দো-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ ফর মেরিটাইম ডোমেন অ্যাওয়ারনেস (আইপিএমডিএ)-এর আওতায় সামুদ্রিক নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। এই প্রকল্পের আওতায় এই অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ,চোরাচালান, অবৈধ মাছ ধরা মোকাবিলায় একযোগে কাজ করবে কোয়াড গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “কোয়াড সদস্যদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সমন্বয় ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শান্তি,সমৃদ্ধি ও স্থায়িত্বকে নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা নিচ্ছে। কোয়াড এখন আরও প্রভাবশালী।”

     

     

  • Navjot Singh Sidhu: অনিচ্ছাকৃত খুনের দায়ে এক বছরের জেল সিধুর

    Navjot Singh Sidhu: অনিচ্ছাকৃত খুনের দায়ে এক বছরের জেল সিধুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের শীর্ষ আদালতে ধাক্কা খেলেন পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি নভজোৎ সিং সিধু (Navjot Singh Sidhu)। তিন দশকের বেশি পুরনো একটি অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলায় প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটারকে বৃহস্পতিবার এক বছর জেলের সাজা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সময়টা ভাল যাচ্ছে না সিধুর। ভোটে হেরেছিলেন কয়েক মাস আগেই। এবার ৩৪ বছরের পুরনো  পথ-হিংসা মামলায় (1988 road rage case) কারাবাসের সাজা শোনাল আদালত। সুপ্রিম কোর্টের রায় ঘোষণার পরেই সিধু ট্যুইটারে লিখেছেন, ‘আমি আদালতের কাছে আত্মসমর্পণ করব।’

    [tw]


    [/tw]

    ১৯৮৮ সালের ২৭ ডিসেম্বর পঞ্জাবের রাস্তায় এক ব্যক্তিকে মারধরের অভিযোগ ওঠে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন সদস্যের বিরুদ্ধে। গাড়ি পার্কিংকে কেন্দ্র করে ঝামেলার সূত্রপাত। অভিযোগ, পঞ্জাবের পাতিয়ালার রাস্তায় গুরনাম সিং নামের এক ৬৫ বছরের বৃদ্ধকে গাড়ি থেকে জোর করে টেনে বার করে মারধর করেন সিধু ও তাঁর বন্ধু রুপিন্দ্র সিং সান্ধু। প্রথমে বিষয়টি শুরু হয়েছিল বচসা দিয়ে পরে তা হাতাহাতিতে পৌঁছে যায়। ওই ঘটনার কয়েক দিন পরে মারা যান গুরনাম। সিধুর মারেই মাথায় আঘাত পেয়ে গুরনাম সিংয়ের মৃত্যু হয় বলে জানানো হয়েছিল অভিযোগে।

    ওই মামলায় নিম্ন আদালতে ছাড়া পেয়ে গেলেও ২০০৬-এ পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টের রায়ে অনিচ্ছাকৃত খুনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন সিধু। হাইকোর্টের রায়ে তাঁর তিন বছরের কারাদণ্ড হয়। কিন্তু,পরের বছর সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন ক্রিকেটার ।এর আগে ২০১৮ সালের ১৫ মে এই মামলায় ৩ বছরের সাজা কমিয়ে ১০০০ টাকার জরিমানা দিয়েই সিধুকে রেহাই দিয়েছিল কোর্ট। অভিযোগকারীদের অনুরোধে সম্প্রতি এই মামলায় সিধুকে অব্যাহতি দেওয়ার আদেশের পর্যালোচনা করার অনুমতি দেয় আদালত। এবার পালাবদল। সেই সাজাই বদলে গেল কারাবাসে। সিধুকে এক বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন, বিচারক এএম খানউইলকার এবং এসকে কওউল (Justices AM Khanwilkar and SK Kaul)। সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি মিলল না সিধুর। 

  • Tomato Flu: এবার টমেটো ফ্লু, নয়া ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুরা

    Tomato Flu: এবার টমেটো ফ্লু, নয়া ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Covid) এখনও বর্তমান। তার মধ্যেই আর এক অজানা ভাইরাসের হানা। এবার আক্রান্ত পাঁচ বছর বয়সের কম শিশুরা। ইতিমধ্যেই দ্রুত এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে কেরলে। খাদ্যে বিষক্রিয়ার পরে নতুন এই ভাইরাসের সংক্রমণে জর্জরিত কেরল। এখনও পর্যন্ত ৮২ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন মূলত শিশুরাই আক্রান্ত হচ্ছে এই রোগে। তীব্র জ্বর এবং সারা গায়ে ছোট ছোট লাল ফোস্কার মতো ক্ষত এই রোগের প্রধান বৈশিষ্ট্য।  ক্ষুদ্রাকৃতি টমেটোর মতো এই ফোস্কার কারণেই রোগটির নাম ‘টমেটো ফ্লু’ (Tomato Flu)। এটি একটি বিরল ভাইরাল রোগ। কেরলের কোল্লাম জেলায় ইতিমধ্যেই ৮০টি শিশু এই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে বলে খবর। আক্রান্ত শিশুদের প্রত্যেকেরই বয়স ৫ বছরের কম বলে জানিয়েছে কেরলের (Keral) স্বাস্থ্য দফতর। কোল্লাম ছাড়াও পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলাতেও কিছু রোগীর সন্ধান মিলেছে। আরিয়ানকাভু, আঁচল এবং নেদুভাথুর থেকেও সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে।

    এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাতে ভাইরাস ছড়িয়ে না পড়ে তাই কেরল-তামিলনাড়ু (Tamilnadu) সীমানায় জারি করা হয়েছে সতর্কতা। প্রশাসনের তরফে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।  জ্বর বা অন্য অসুস্থতা নিয়ে যাতে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে কেউ যেতে না পারেন, সে বিষয়ে নজর দেওয়া হচ্ছে। জ্বরের উপসর্গের হদিশ মিললেই করা হচ্ছে পরীক্ষা।

     চিকুনগুনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে এই জ্বরের। তীব্র জ্বর,গা ব্যথা ও ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে রোগীর শরীরে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বমি ও পেটের গোলযোগও। তবে এই সব লক্ষণ ছাড়াও রোগীর দেহে দেখা যাচ্ছে টমেটোর মতো ছোট ছোট ফোস্কা। হাতের বা পায়ের তালুতে এই লাল রঙের ফুসকুড়ি বেশি দেখা যাচ্ছে।
     
    রোগটির কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত নন বিশেষজ্ঞরা। তাই নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা পদ্ধতির কথা এখনই নিশ্চিত ভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রাথমিক ভাবে সংক্রমণ আটকাতে পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথাই বলছেন চিকিৎসকরা। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করারও পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। সঙ্গে নিতে হবে যথেষ্ট বিশ্রাম। ফোস্কাগুলি চুলকালে বিপদ আরও বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। যাঁরা সংক্রমণে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের অন্যদের থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর ফোসকাগুলি যাতে গলে না যায়,সেদিকে খেয়াল রাখার কথাও বলছেন চিকিসকেরা।

    এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, তাতে ৫ বছরের বয়সের নীচের শিশুদের এই সংক্রমণটি হচ্ছে। তাই তাদের বেশি সাবধানে রাখার কথা বলা হচ্ছে। যদিও এটি একেবারে নতুন কোনও ভাইরাস নাকি চিকুনগুনিয়া বা ডেঙ্গির প্রভাবে এটি হচ্ছে— তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে চিকিৎসকদের মধ্যে। এখনও পর্যন্ত কেরলের বিভিন্ন অংশে এই ভাইরাস সংক্রমণের কথা জানা গেলেও অন্যত্র এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা।  

  • 2002 Gujarat riots case: জাকিয়া জাফরির কষ্টকে ব্যবহার করেছেন তিস্তা শেতলবাদ! অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    2002 Gujarat riots case: জাকিয়া জাফরির কষ্টকে ব্যবহার করেছেন তিস্তা শেতলবাদ! অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেদাবাদের গুলবার্গ সোসাইটি (Ahmedabad Gulbarg Society) হত্যাকাণ্ডে নিহত কংগ্রেস নেতা এহসান জাফরির স্ত্রী জাকিয়া জাফরির (Zakia Jafri) যন্ত্রণাকে কাজে লাগিয়েছেন তিস্তা শেতলবাদ। নিজেদের স্বার্থে জাকিয়ার বেদনাকে ব্যবহার করেছে তিস্তার এনজিও সংস্থা এমনটাই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

    গুজরাটের হিংসায় বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় সরাসরি নাম জড়িয়েছিল গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। কিন্তু,তাঁকে ক্নিনচিট দিয়েছিল তদন্তকারী দল সিট। তারপর মামলা বন্ধের চূড়ান্ত রিপোর্ট গ্রহণ করেছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট। বিচারপতি এএম খানউইলকর, বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি সিটি রবি কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন ২০২২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে ক্লিনচিটের রায়কেই বহাল রাখল। জাকিয়ার দায়ের করা স্পেশাল লিভ পিটিশনের সপক্ষে এদিন সওয়াল করেন আইনজীবী কপিল সিব্বল। তিনি জানান, সিটের তদন্তে খামতি ছিল। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু, মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতি  এএম খানউইলকর, বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি সিটি রবি কুমারেরর ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মামলা ভিত্তিহীন। শোকাহত জাকিয়ার যন্ত্রণাকে কাজে লাগানো হয়েছে। কোথাও ওই হত্যাকাণ্ডের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছিল এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি, বলে জানান বিচারপতিরা।

    আরও পড়ুন: ‘শিবের মতো বিষপান করেছেন মোদি’, গুজরাট হিংসা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    আদালতের রায়ে বলা হয়, জাকিয়া জাফরি অন্য কারোর নির্দেশে কাজ করেছেন। তিস্তা শেতলাবাদের এনজিও অনেক ভুক্তভোগীদের হলফনামায় স্বাক্ষর করিয়েছিল এবং তাঁদের অনেকেই জানতেনও না যে কিসে স্বাক্ষর করছেন তাঁরা।  এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন বলেন, ‘বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, রাজনৈতিকভাবে অনুপ্রাণিত সাংবাদিক এবং কিছু এনজিও গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে মিথ্যা প্রচার করে। তাদের একটি শক্তিশালী ইকোসিস্টেম ছিল। তাই সবাই সেই মিথ্যাকে সত্য বলে বিশ্বাস করতে শুরু করে।’ শাহ আরও বলেন, ‘আমি তাড়াহুড়ো করে রায়টি পড়েছি (২৪শে জুন)। কিন্তু তাতে স্পষ্টভাবে তিস্তা শেতলবাদের নাম উল্লেখ রয়েছে। তাঁর একটি এনজিও ছিল। সেটি সমস্ত থানায় বিজেপি কর্মীদের নাম জড়িয়ে আবেদন জমা দিয়েছিল৷ মিডিয়ার দ্বারা এত চাপ ছিল যে সব আবেদনগুলি সত্য বলে মেনে নেওয়া হয়েছিল৷ সেই সময়ে ইউপিএ সরকার এই এনজিওকে সাহায্য করেছিল।’অমিত শাহ দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে যাঁরা মিথ্যা প্রচার চালিয়েছিল, তাঁদের উচিত প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা চাওয়া।

     

  • Ajay Devgn & Kiccha Sudeep Twit case : “হিন্দি রাষ্ট্রভাষা নয়…”, সুদীপ-অজয় ভাষা-যুদ্ধে টুইট কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার

    Ajay Devgn & Kiccha Sudeep Twit case : “হিন্দি রাষ্ট্রভাষা নয়…”, সুদীপ-অজয় ভাষা-যুদ্ধে টুইট কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দিই কি রাষ্ট্রীয় ভাষা…এ নিয়ে টুইট বিতর্কে জড়িয়েছেন বলিউড ও দক্ষিণী ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির দুই তারকা অজয় দেবগন ও কিচ্চা সুদীপ। সেই বির্তকে এবার নিজের মতামত দিলেন কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। তিনি কন্নড় অভিনেতা সুদীপকে সমর্থন করে অজয় দেবগনের মতামতকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করলেন। সিদ্দারামাইয়ার টুইট, হিন্দি কখনওই ভারতের রাষ্ট্রীয় ভাষা ছিল না, নেই, হবেও না। তিনি লেখেন, একজন কন্নড় হিসেবে তিনি গর্বিত। ভারতের ভাষা-বৈচিত্র্যকে সম্মান জানানো উচিত প্রত্যেক ভারতবাসীর। সব ভাষারই নিজস্ব ঐতিহ্য রয়েছে।

    সম্প্রতি একটি দক্ষিণী ছবি নিয়ে সুদীপ বলেন, “সবাই বলছে কন্নড় ইন্ডাস্ট্রিতে সর্বভারতীয় ছবি তৈরি হয়েছে। আমি একটু সংশোধন করতে চাই। হিন্দি আর রাষ্ট্রভাষা নেই। বলিউড আজকাল সর্বভারতীয় ছবি বানাচ্ছে। ওরা সাফল‍্য পাওয়ার জন‍্য তেলুগু, তামিলে ছবির ডাবিং করাচ্ছে। কিন্তু তাও লাভ হচ্ছে না।” এই শুরু। 

    [tw]


    [/tw]

    এমনিতে বলি-বিতর্ক থেকে সাধারণত দূরে থাকা অজয় দেবগন সুদীপের এ কথা মানতে পারেননি। নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে হিন্দিতে অজয় সুদীপের কাছে প্রশ্ন রাখেন, যদি হিন্দি সত্যি রাষ্ট্রীয় ভাযা না হয় তবে সুদীপ কেন নিজের ছবি হিন্দিতে ডাবিং করে রিলিজ করেন।
    অজয় সুদীপকে ট্যাগ করে লেখেন, “কিচ্চা সুদীপ ভাই, যদি হিন্দি আমাদের রাষ্ট্রীয় ভাষা না হয়, তাহলে তুমি কেন তোমার মাতৃভাষায় তৈরি ছবি হিন্দিতে ডাবিং করে রিলিজ করো? হিন্দি আমার মাতৃভাষা, এবং আমাদের রাষ্ট্রীয় ভাষা এবং সেটা থাকবেই। জন গণ মণ।”

    অজয়ের (Ajay Devgn) টুইটে পালটা জবাব দেন সুদীপও, অভিনেতা জানান তিনি যে প্রেক্ষাপটে কথা বলেছেন সেটা আলাদা। অজয় দেবগন হয়তো তাঁকে ভুল বুঝছেন। কোনও রকম তর্ক বির্তক করার ইচ্ছে তাঁর নেই। সামনাসামনি অজয়ের সঙ্গে দেখা হলে তিনি পুরোটা বুঝিয়ে বলবেন। শেষে সুদীপ টুইট করে অজয়ের উদ্দেশে লেখেন, “আমি নিজের দেশের সব ভাষাকে সম্মান করি। আমি চাই এই বিতর্কটা এখানেই শেষ হোক, আমি যেমনটা বলেছি ওই প্রেক্ষাপটটা আলাদা ছিল। অনেক ভালোবাসা এবং শুভেচ্ছা আপনাকে।” সুদীপের এই টুইটের আগেই দুতারকার অভিমত নিয়ে সরগরম নেটপাড়া। কেউ নিয়েছে অজয়ের পক্ষ কেউ আবার সমর্থন জানিয়েছেন সুদীপের মন্তব্যকে।

    সুদীপের শেষ টুইটের কিছু ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই অবশ্য অজয় (Ajay Devgn)নিজের মন্তব্য থেকে সরে এসে লেখেন, “ধন্যবাদ সুদীপ আমার এই ভুলবোঝাটা ঠিক করে দেওয়ার জন্য, আমি সবসময় মনে করি আমরা এক ইন্ডাস্ট্রি। আমারা সব ভাষাকেই সম্মান করি, পাশাপাশি আশা করি অন্যান্য ভাষার লোকেরা আমাদের সম্মান করবে।”

    কিন্তু বৃহস্পতিবার এই প্রেক্ষাপটে কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর টুইট আবার নতুন করে বিতর্ককে উস্কে দিল। বেশ কয়েকদিন আগেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ দেশের প্রধান ভাষা হিসেবে হিন্দির পক্ষে সাওয়াল তোলেন। সেই সময় বিরোধিতা করেন সঙ্গীত পরিচালক এ আর রহমান। 

LinkedIn
Share