Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Weather Update: চতুর্থীতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস! নবমীতে কি ভাসবে কলকাতা?

    Weather Update: চতুর্থীতে হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস! নবমীতে কি ভাসবে কলকাতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর আমেজে মেতে উঠেছে বাংলা। উত্তর-দক্ষিণ দুই বঙ্গ থেকেই মঙ্গলবার বিদায় নিয়েছে বর্ষা (Weather Update)। গগনে গগনে মেঘেদের ছুটি। তবু যেন যেতে যেতেও ফিরে চাওয়া। পুজোয় দক্ষিণবঙ্গে অষ্টমীর দিন রবিবার পর্যন্ত রোদ ঝলমলে পরিষ্কার আকাশ থাকলেও নবমীর দিন থেকে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের পরোক্ষ প্রভাব পড়বে বাংলায়, জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। সোম ও মঙ্গলবার নবমী ও দশমীর দিন কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনা ও দুই মেদিনীপুরে আংশিক মেঘলা আকাশ, কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    তৈরি হচ্ছে ঘূর্ণাবর্ত

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানাল, পুজোর মধ্যেই সপ্তমীর দিন বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হবে। মধ্য বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণাবর্ত ক্রমশ উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোবে। শক্তিশালী হয়ে এই ঘূর্নাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই নিম্নচাপ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অন্ধ্র ওড়িশা উপকূলের দিকে যাওয়ার সম্ভাবনা। এর গতিপথ কোন দিকে হয় সেদিকে নজর রাখবেন আবহবিদদের। এই নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে উপকূলের জেলাগুলিতে।

    বর্ষা বিদায়, তবু বৃষ্টি 

    মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ কলকাতার কিছু এলাকার পাশাপাশি নদিয়া এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি জায়গায় দু’এক পশলা বৃষ্টি হয়েছে। বুধবার হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া অফিস। তবে আপাতত বুধবার সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার রয়েছে। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে।

    আরও পড়ুন: অপহরণ করে কোটি টাকা তোলা দাবি তৃণমূল নেতার, ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ, আতঙ্কে অসহায় ব্যবসায়ী

    উত্তরবঙ্গে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি জেলায়। আগামী ২৪ ঘণ্টা পর থেকে বৃষ্টির পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে উত্তরবঙ্গে। ধীরে ধীরে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমবে এবং বৃষ্টিও কমে যাবে উত্তরবঙ্গে। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকা ছাড়া বাকি অংশে শুষ্ক আবহাওয়া।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • ICC ODI World Cup 2023: অবাক বিশ্বকাপ! শুধু আফগান বা ডাচ নয়, ২২ গজের বিশ্বযুদ্ধে অঘটন ঘটেছে বারবার

    ICC ODI World Cup 2023: অবাক বিশ্বকাপ! শুধু আফগান বা ডাচ নয়, ২২ গজের বিশ্বযুদ্ধে অঘটন ঘটেছে বারবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেদারল্যান্ডসের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকার পরাজয় ভাবা যাচ্ছে না। রশিদ খানদের বিরুদ্ধে হার ভুলে যেতে চাইবেন ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারেরা। তবে, বিশ্বকাপের (ICC ODI World Cup 2023) ইতিহাসে একাধিক বার এরকম অঘটন ঘটেছে। ক্রিকেটবিশ্বের তথাকথিত ছোট দলগুলি হারিয়ে দিয়েছে হট-ফেভারিটদের।

    ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৯৮৩

    বিশ্বকাপের ইতিহাসে সব থেকে বড় অঘটন ঘটিয়েছিলেন কপিল দেবরা। বিশ্বকাপের ফাইনালে দু’বারের বিশ্বজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত। সেই সময়ে ভারত যে ফাইনাল খেলবে তাই ভাবতে পারেননি ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। সেখানে খেতাব জয়। ১৮৩ রান করেছিল ভারত। সেই রান তাড়া করে  ১৪০ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিলরা হয়ে উঠেছিলেন স্বপ্নের সওদাগর।

    জিম্বাবোয়ে বনাম অস্ট্রেলিয়া, ১৯৮৩

    সেটা ছিল জিম্বাবোয়ের প্রথম বিশ্বকাপ। প্রথম ম্যাচেই সামনে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া। যে দলে রয়েছেন ডেনিস লিলি এবং জেফ থমসনের মতো ক্রিকেটার। তরুণ অ্যালান বর্ডারও তখন দলে। সেই ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবোয়ে এক সময় ৯৪ রানে ৫ উইকেট হারায়। সেখান থেকে অধিনায়ক ডানকান ফ্লেচারের ব্যাটে ভর করে ২৩৯ রান তোলে জিম্বাবোয়ে। অস্ট্রেলিয়া ২২৬ রান করে আটকে যায়।

    কেনিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ১৯৯৬

    অসাধারণ বোলিংয়ে সে বার ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে দেয় কেনিয়া। প্রথমে ব্যাট করে কেনিয়া মাত্র ১৬৬ রান করে। মাত্র ৯৩ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল ব্রায়ান লারার দল। 

    জিম্বাবোয়ে বনাম ভারত, ১৯৯৯

    বিশ্বকাপের মঞ্চে জিম্বাবোয়ের কাছে হার মানতে হয়েছিল ভারতকে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২৫২ রান তোলে জিম্বাবোয়ে। ২৪৯ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত। হেনরি ওলঙ্গা ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন।

    আরও পড়ুন: বিক্রি হয়েছে ১৫০ কোটি টাকার জার্সি! বিশ্বকাপ লক্ষ্মী আনছে ভারতের ‘কোষাগারে’

    বাংলাদেশ বনাম ভারত, ২০০৭

    বাংলাদেশের কাছে হেরে ২০০৭-এর বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় ভারত। সে এক অঘটনের বিশ্বকাপ ছিল। শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং বারমুডার সঙ্গে এক গ্রুপে ছিল ভারত। প্রথম ম্যাচেই ভারত হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। ১৯১ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল রাহুল দ্রাবিড়ের ভারত। 

    আয়ারল্যান্ড বনাম পাকিস্তান, ২০০৭

    ক্রিকেট বিশ্বে আয়ারল্যান্ড নিজেদের পরিচয় তৈরি করেছিল ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে। পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৩২ রানে শেষ হয়ে গিয়েছিল। আইরিশ পেসারদের সামলাতে পারেননি পাক ব্যাটারেরা। বৃষ্টির জন্য সেই রানের লক্ষ্য কমে হয় ১২৭ রান। ৩ উইকেট হাতে নিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় আয়ারল্যান্ড। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South Africa vs Netherlands: ধর্মশালায় ডাচ রূপকথা! দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩৮ রানে হারাল নেদারল্যান্ডস

    South Africa vs Netherlands: ধর্মশালায় ডাচ রূপকথা! দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩৮ রানে হারাল নেদারল্যান্ডস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেইশের বিশ্বকাপে আরও একটা অঘটন। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩৮ রানে হারাল নেদারল্যান্ডস। খাতায় কলমে দক্ষিণ আফ্রিকা নেদারল্যান্ডসের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও ধর্মশালায় ডাচ রূপকথার দেখা মিলল। শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়াকে বলে বলে হারালেও এই ম্যাচে হঠাতই মুখ থুবড়ে পড়ল প্রোটিয়াসদের ব্যাটিং। এর আগে ইংল্যান্ডকে হারায় আফগানিস্তান।

    এদিন টস জিতে ডাচদের ব্যাটিং করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৫ রান তোলে নেদারল্যান্ডস। যদিও এই ম্যাচ ৫০ ওভারের হয়নি। বৃষ্টির জন্য বেশ কিছুক্ষণ ম্যাচ বন্ধ থাকে এদিন। সেই কারণে ওভার কমিয়ে ৪৩ করা হয়। এই ৪৩ ওভারেই ২৪৫ রান করেন ডাচরা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন স্কট এডওয়ার্ডস। মাত্র ৬৯ বলে ৭৮ রান করেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দুর্দান্ত বল করেন লুঙ্গি এনগিদি, মার্কো জানসেন এবং রাবাডা। এই তিন বোলারই ২টি করে উইকেট নেন।

    জবাবে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০৭ রানে অলআউট হয়ে যায়। প্রোটিয়াদের প্রথম উইকেটটি তুলে নেন অ্যাকারম্যান। ৯.১ ওভারের মাথায় দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটে দক্ষিণ আফ্রিকার। এবার বাভুমাকে তুলে নেন ভ্যান ডের মেরওয়ে। এখানেই থেমে থাকেননি ডাচ বোলাররা। এডেন মার্করামকে তুলে নেন মিকেরেন। পরপর উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ৫০ রানের মাথায় ৪ উইকেট পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC ODI World Cup 2023: বিক্রি হয়েছে  ১৫০ কোটি টাকার জার্সি! বিশ্বকাপ লক্ষ্মী আনছে ভারতের ‘কোষাগারে’

    ICC ODI World Cup 2023: বিক্রি হয়েছে  ১৫০ কোটি টাকার জার্সি! বিশ্বকাপ লক্ষ্মী আনছে ভারতের ‘কোষাগারে’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ জ্বরে ভুগছে দেশ। বাইশ গজের বিশ্বযুদ্ধে (ICC ODI World Cup 2023) এখনও পর্যন্ত অপরাজিত ভারত। জয়ের হ্যাটট্রিক করেছেন রোহিতরা। মাঠের বাইরে দাপট দেখাচ্ছেন ভারতীয় সমর্থকেরা। দেদার বিকোচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট দলের জার্সি। গত শনিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে আমদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ১ লক্ষ ৩২ হাজার সমর্থকের ৯৯ শতাংশের বেশি দর্শকের গায়ে দেখা গিয়েছে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের জার্সি। 

    বিশ্বকাপে বাজিমাত

    আইপিএলকে ইতিমধ্যেই টেক্কা দিয়েছে বিশ্বকাপ। ভারতের  মাত্র ৩টি ম্যাচেই ১৫০ কোটি টাকার জার্সি বিক্রি হয়েছে। এটা শুধু অনলাইনে নথিভুক্ত জার্সি বিক্রির সংখ্যা। এর পাশাপাশি দোকান থেকে জার্সি বিক্রি হয়। সেই হিসাব পাওয়া মুশকিল। সবচেয়ে বেশি জার্সি বিক্রি হয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে। গত বছর আইপিএলে সব দল মিলিয়ে যত টাকার জার্সি বিক্রি হয়েছিল ইতিমধ্যেই তাকে ছাপিয়ে গিয়েছে বিশ্বকাপ। সম্প্রতি ভারতীয় দলের নতুন জার্সি এসেছে। সমর্থকেরা চাইছেন নতুন জার্সি পরেই রোহিত, কোহলিদের সমর্থন করতে। 

    বিশ্বকাপের ফলে লক্ষ্মীলাভ

    ভারত বরাবরই  ক্রিকেট ক্রেজি নেশন। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ (ICC ODI World Cup 2023) ক্রিকেট হওয়ায় দেশের কোষাগারে লক্ষ্মীলাভ হচ্ছে। হিসেবের এই অঙ্কটা কষেছে ব্যাঙ্ক অফ বরোদা। ব্যাঙ্কের অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন,দুর্গাপুজো, দিওয়ালির উত্‍সবের মরসুমে ক্রিকেট বিশ্বকাপ হওয়ায় দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাবটা বেশ খানিকটা পড়বে। অন্যদিকে এবারে আবার টিভি-কে পিছনে ফেলে ছুটছে ডিজিটাল মাধ্যমে। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে বাড়ছে মানুষের ঝোঁক। এতদিন মানুষ বাড়ি থাকলে টিভিতে খেলা দেখত। কিন্তু কাজে-কর্মে দিনের বড় অংশ বাইরে থাকায় সেই সময়টা খেলা দেখতে পেতেন না। এখন বাইরে থাকলেও মোবাইলে খেলা দেখার সুযোগ এসে গেছে। ফলে টিভি এবং লাইভ স্ট্রিমিং মিলিয়ে স্পনসরশিপ থেকে বেশি আয় করছে ক্রিকেট বোর্ড। এই খাতেই বাজারে প্রায় বারো হাজার কোটি টাকা চলে আসছে বলে খবর। 

    আরও পড়ুন: বদলার ম্যাচ! এশিয়া কাপের হিসেব বিশ্বকাপে বুঝে নিতে তৈরি ভারত, সাকিব কি প্রস্তুত?

    এছাড়াও দেশের দশটা শহরে খেলা হচ্ছে। মানুষ মাঠেও যাচ্ছেন। প্লেনে এক শহর থেকে অন্য শহরে গিয়ে অনেকেই খেলা দেখছেন। ফলে ম্যাচ ও ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। হোটেল বিলের জিএসটি বা রেস্তোরাঁ থেকে কর বাবদ আয় হচ্ছে। সবটা মিলিয়ে সরকারি কোষাগার ভরে উঠছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্বকাপ ঘরের মাঠে হওয়ায়, প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা রোল করবে ভারতীয় অর্থনীতিতে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট! সিদ্ধান্ত নিতে বলল আইনসভাকে

    Same Sex Marriage: সমলিঙ্গ বিবাহে স্বীকৃতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট! সিদ্ধান্ত নিতে বলল আইনসভাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে বৈধতা পেল না সমলিঙ্গ বিবাহ (Same Sex Marriage)। এই ক্ষেত্রে আইন প্রনয়নের যাবতীয় দায় সংসদের দিকে ঠেলল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। তবে, সমকামী দম্পতিদের লিভ ইন সম্পর্কে আইনি রক্ষাকবচ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়েছে। শুনানি শেষে সমলিঙ্গ সম্পর্ককে স্বীকতি দিলেও সমলিঙ্গে বিবাহে এখনই সম্মতি দিল না সুপ্রিম কোর্ট। সম্পূর্ণটাই ছাড়া হল কেন্দ্রীয় সরকারের উপর। পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছে, আদালত এ নিয়ে আইন তৈরি করতে পারে না। কিন্তু আইনের ব্যাখ্যা দিতে পারে। 

    কেন্দ্রকে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ

    পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের একাধিক সদস্য প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের সঙ্গে একমত হননি। তাই ভিন্নমতের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, ‘সমলিঙ্গে বিবাহে এখনই আইনি স্বীকৃতি নয়।’ অর্থাৎ ভালোবেসে সমকামে নিজের মনের মানুষের সঙ্গে সহবাস করা গেলেও বিয়ে এখনই সম্ভব নয়। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, সমলিঙ্গ সম্পর্কের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য কেন্দ্রের একটি কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। তার মাধ্যমে ওই সম্প্রদায়ের অধিকার সুরক্ষিত করা হবে।

    কী কী বললেন প্রধান বিচারপতি

    প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, ‘‘বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠানটি কোনও অনড়, অটল বিষয় নয়। বিবাহে বিবর্তন আসে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘ব্যক্তিগত স্তরে যে কোনও কাজকে আইনের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত নয়। বিবাহ বর্তমানে যে স্বীকৃতি পেয়েছে, আইন না থাকলে তা সম্ভব হত না।’’ সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্য সদস্যেরা হলেন, বিচারপতি সঞ্জয় কিষাণ কউল, বিচারপতি এস রবীন্দ্র ভট্ট, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি এস নরসিং।

    আরও পড়ুন:এমাসেও দুবাই যাওয়ার কথা ছিল বাকিবুরের! উদ্ধার হওয়া খাতায় কী পেল ইডি?

    কেন্দ্রের অভিমত

    সুপ্রিম কোর্টে রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি কউল বলেন, ‘‘বিশেষ বিবাহ আইনে সমলিঙ্গ মিলনকে অন্তর্ভুক্ত করার সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ওই আইন পরিবর্তন করতে হলে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।’’ কেন্দ্র সরকারের পাশাপাশি, এ বিষয়ে সাতটি রাজ্যের সরকারও তাদের মতামত জানিয়েছে। কেন্দ্রের পাশাপাশি, অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং রাজস্থান সরকার সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি বৈধতার দাবির বিরোধিতা করেছে। কেন্দ্রের তরফে সমলিঙ্গে বিয়ের আইনি স্বীকৃতির বিরোধিতা করে জানানো হয়, এটা নেহাতই ‘শহুরে অভিজাত সমাজের ভাবনা’। পাশাপাশি, এমন ‘স্পর্শকাতর বিষয়ে’ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভার সংসদের হাতে তুলে দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Bangladesh: বদলার ম্যাচ! এশিয়া কাপের হিসেব বিশ্বকাপে বুঝে নিতে তৈরি ভারত, সাকিব কি প্রস্তুত?

    India vs Bangladesh: বদলার ম্যাচ! এশিয়া কাপের হিসেব বিশ্বকাপে বুঝে নিতে তৈরি ভারত, সাকিব কি প্রস্তুত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের (ODI World Cup 2023) প্রথম তিন ম্যাচ জিতে দুরন্ত ছন্দে ভারত। অস্ট্রেলিয়া, আফগানিস্তান ম্যাচের পর পাকিস্তান ম্যাচেও সহজ জয় পেয়েছে ভারতীয় দল। ১৯ তারিখ ভারতের সামনে বদলার ম্যাচ। ওই দিন বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে টিম ইন্ডিয়া। গত এশিয়া কাপে বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই একমাত্র ম্যাচ হারতে হয়েছিল ভারতকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলাদেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা তীব্রু বিদ্রুপ ছুঁড়েছিলেন রোহিতদের দিকে। এবার তার জবাব দেওয়ার পালা।

    এগিয়ে ভারত

    বাংলাদেশের বিপক্ষে জিততে পারলে টানা চার ম্যাচ জিতে  সেমি ফাইনালের রাস্তা সুগম হবে ভারতের। ইতিমধ্যেই পুণেতে পৌছে গিয়েছে ভারতীয় দল। প্রথম দিন হালকা অনুশীলন করেছে টিম ইন্ডিয়া। পয়েন্ট তালিকায় ভারত যেখানে শীর্ষে, সেখানে ওপার বাংলার দেশ আপাতত সাত নম্বরে। এমন পরিস্থিতিতে ভারতের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবারের ম্যাচে বাংলাদেশের জন্য জয়টা অত্যন্ত জরুরি। মহাগুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে বাংলাদেশের চিন্তা বাড়াচ্ছে দলের কিংবদন্তি অলরাউন্ডার তথা অধিনায়ক সাকিব আল হাসানের (Shakib Al Hasan) চোট। তাই ভারতের বিরুদ্ধে তিনি আদৌ খেলতে নামবেন কি না, সেই নিয়ে উদ্বেগ রয়েইছে।

    আরও পড়ুন: “বাজে কথা নয়”! পাক টিম ডিরেক্টর মিকি আর্থারের মন্তব্যের সমালোচনায় আক্রমরা

    চিন্তায় ভারত

    নিউ জিল্য়ান্ডের বিরুদ্ধে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন সাকিব। বাম ঊরুতে চোট পান তিনি। তবে তারপর তিনি খেললেও পরেরদিকে সমস্যা হয়। তবে বাংলাদেশের টিম ডিরেক্টর খালেদ মামুদ দলের অনুরাগীদের আশ্বস্ত করলেন। তিনি জানান শাকিব দ্রুতই সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচে মাঠে নামতে মুখিয়ে রয়েছেন। খালেদ মামুদ বলেন, ‘শাকিব আগের থেকে অনেক সুস্থ বোধ করছে। ওর ব্যথাটাও কমেছে। তবে অনুশীলনে না নামলে তো পুরো বিষয়টা বুঝতে পারব না। আমরা আশাবাদী যে ও ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে পারবে। সম্প্রতি সাঁতার কাটার পাশাপাশি জিমে কসরতও করেছে ও। মঙ্গলবার একটি স্ক্যান করা হবে, তারপরেই এই বিষয়ে ছবিটা আরও স্পষ্ট হবে।’ অবশ্য দলের তারকা ক্রিকেটারকে নিয়ে বাড়তি ঝুঁকি নেওয়া হবে না, মেডিক্যাল দলের ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই শাকিব খেলতে পারবেন বলে জানান মামুদ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: বাংলায় পরিবর্তন আনাই লক্ষ্য! ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসে বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: বাংলায় পরিবর্তন আনাই লক্ষ্য! ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসে বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতিমুক্ত বাংলা চান, তার জন্যই দেবী দুর্গার আশীর্বাদ গ্রহণ করতে গুজরাট থেকে ছত্তিসগড় হয়ে কলকাতায় এসেছেন বলে জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার সন্ধ্যায় কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে এসে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন আনতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করব। বাংলা থেকে দুর্নীতি, অন্যায়, অত্যাচার দ্রুত শেষ হোক, এই শক্তি মা আমাদের দিন, এই প্রার্থনা জানাই।”

    কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    শিয়ালদহের কাছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার অর্থাৎ লেবুতলা পার্কে এবারের পুজোর মণ্ডপ তৈরি হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের আদলে। সেই মণ্ডপের উদ্বোধন করতে দ্বিতীয়ার সন্ধ্যায় ঝটিকা সফরে কলকাতায় এসেছিলেন অমিত শাহ। এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন ওই পুজোর প্রধান উদ্যোক্তা বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। ছিলেন মঠ ও মন্দিরের সাধু – সন্তরা। এদিন ফিতে কাটার কিছুক্ষণ  পরেই দিল্লির বিমান ধরার উদ্দেশে রওনা হয়ে যান অমিত শাহ। 

    বঙ্গবাসীকে শুভেচ্ছা 

    শুধুমাত্র মা দুর্গার আশীর্বাদ নেওয়ার জন্যই এদিন বাংলায় এসেছেন বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। “রামমন্দির উদ্বোধনের আগে, আজ উত্তর কলকাতার এই মণ্ডপ গোটা বিশ্বের কাছে রাম জন্মভূমির বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে” দাবি শাহের। তিনি বলেন, “আজ আমি কোনও রাজনীতির কথা বলতে আসিনি। আমি পশ্চিমবঙ্গে আসব, রাজনীতির কথাও বলব, আর এখানে পরিবর্তন আনতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করব। জানুয়ারিতে রাম মন্দিরের উদ্বোধনের আগেই উত্তর কলকাতার মানুষ রাম মন্দিরের উদ্বোধন করে দিয়েছেন। সেজন্য আমি তাঁদের শুভেচ্ছা জানাই। প্যান্ডেলে মায়ের সামনে গিয়ে গোটা দেশের জন্য সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রার্থনা করব।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Weather: রাতের পর থেকেই কমবে জলীয় বাষ্প, শীত শীত ভাব পুজোতেই

    Durga Puja Weather: রাতের পর থেকেই কমবে জলীয় বাষ্প, শীত শীত ভাব পুজোতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর ঢাকে কাঠি পড়েছে। মহালয়ার বিকেল থেকেই চলছে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শনের পালা। দুর্গা পুজো বাঙালির কাছে এক শিল্পও বটে। নানান সাজে সেজেছে কলকাতা। কোথাও ডিজনি ল্যান্ড তো কোথাও চন্দ্রযান। কোথাও রাম মন্দির, কোথাও কেদার নাথ। শহরের বুকেই নানান দর্শন। পুজো মানেই সকাল থেকে রাত-পাঁচটা দিন চুটিয়ে আনন্দের সময়। ৮ থেকে ৮০ সব ভুলে পুজোর গন্ধে মাতোয়ারা থাকে। তাই পুজোর আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা ভাবিয়ে তোলে উৎসবমুখর বাঙালিকে। তবে মৌসম ভবনমের পূর্বাভাসে (Weather Update) সেই চিন্তার ইতি।

    হালকা শীতের আমেজ

    পুজোর সময় আবহাওয়া (Weather Update) থাকবে মনোরম। এমনকি সেইসময় রাতে পাওয়া যাবে হালকা শীতের আমেজ। দিন ও রাতের তাপমাত্রা কমবে।ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী অর্থাৎ ২০ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বঙ্গে আবহাওয়া মনোরম থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। নবমী, দশমী অর্থাৎ ২৩ ও ২৪ অক্টোবর আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। কোনও কোনও জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পুজোর কদিন রাজ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। দখিনা হাওয়ার পরিবর্তে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব থাকবে। ফলে প্যান্ডেল হপিং, খাওয়া দাওয়া, আড্ডায় বড় বাধা নেই। পাঁচ দিন দুর্যোগের সম্ভাবনা নেই। পুজোর শেষের কদিন আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও ভারী বৃষ্টি হবে না।

    আরও পড়ুন: পুজোর মুখে ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গি! একসপ্তাহে শহরে নতুন করে আক্রান্ত ১,৩৬৭

    কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া 

    রাজ্যের কোথাও ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। উত্তরে পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে যদিও। নবরাত্রির দ্বিতীয় দিনের পর থেকে তাও ক্রমশ কমতে শুরু করবে। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী রোদ ঝলমলে আবহাওয়াই থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। পশ্চিমাঞ্চল সহ কোনও কোনও জেলায় এই উইকেন্ডে ভোরের দিকে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব অনুভূত হবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলাতে তৃতীয়া পর্যন্ত জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি কিছুটা থাকবে। ধীরে ধীরে জলীয় বাষ্প  কমবে। শুষ্ক হবে আবহাওয়া। পশ্চিমাঞ্চলের কিছু জেলায় চতুর্থী থেকে ভোরের দিকে সামান্য শিরশিরানি ভাব থাকবে। আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই দক্ষিণবঙ্গের কোথাও।

    উত্তরের জেলায় সামান্য বৃষ্টি

    পার্বত্য এলাকায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তরাই ডুয়ার্স ও সমতলে বৃষ্টির তেমন আর কোনও সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিং,কার্শিয়ং ও কালিম্পং ছাড়া বাকি উত্তরবঙ্গে সোমবার রাতের পর থেকেই জলীয় বাষ্প কমতে শুরু করবে। তৃতীয়া থেকেই ভোরের দিকে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব অল্প অল্প করে অনুভূত হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sreebhumi Puja Pandel: আতঙ্ক ‘শ্রীভূমি’! প্রতিপদেই থিকথিকে ভিড়, যানজটে আটকে বিমানযাত্রী, অসুস্থ রোগী, শিশু ও বয়স্কেরা

    Sreebhumi Puja Pandel: আতঙ্ক ‘শ্রীভূমি’! প্রতিপদেই থিকথিকে ভিড়, যানজটে আটকে বিমানযাত্রী, অসুস্থ রোগী, শিশু ও বয়স্কেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘড়িতে তখন রবিবার সন্ধ্যা ৬টা! যশোর রোড লেকটাউনের মুখ থেকে কোলে শিশু-কন্যাকে নিয়ে নেমে পড়লেন মা। বাস ঢুকবে না ভিআইপি রোডের দিকে। পুলিশ জানাল, রাস্তা বন্ধ। কারণ, শ্রীভূমি! অটোর লাইনে দাঁড়িয়ে শ-দেড়েক মানুষ। রিক্সা নেই! রাস্তায় যেন জনসমুদ্র। প্রতিপদ না সপ্তমীর (Durga Puja 2023) সন্ধ্যা বোঝা দায়! গন্তব্য শ্রীভূমি।

    তীব্র যানজট, দিশেহারা মানুষ

    লেকটাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব (Sreebhumi Sporting Club))। শ্রীভূমির এবারের থিম, ডিজনিল্যান্ড। যা দেখতে ইতিমধ্যে লোকের ভিড় (Traffic jam) বাড়তে শুরু করেছে। আর এই ভিড়ের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যান চলাচলেও। বলা ভাল, লেকটাউনে ব্রিজে ওঠার মুখ একেবারে থমকে গিয়েছে। তাই যাঁরা বিমানবন্দর যাবেন, তাঁদের অন্য পথে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে কলকাতা পুলিশ। মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি হেলায় উড়িয়ে কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণে ছড়িয়ে পড়ছে ‘শ্রীভূমি’আতঙ্ক। লেকটাউন ব্রিজে ওঠার মুখে তীব্র যানজট। খুব ধীরে গাড়ি এগোচ্ছে। বলা যায়, যে পথ যেতে ২০-৩০ মিনিট সময় লাগে, সেটা পৌঁছতে রবিবার সময় লেগেছে ১ ঘণ্টা। শয়ে-শয়ে গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    ঘুরপথে বিমানবন্দরে

    বাইপাস থেকে এয়ারপোর্ট যাওয়ার সহজতম রুট হল লেকটাউন ব্রিজ। কিন্তু, যেরকম যানজট হয়েছে, সেখানে এয়ারপোর্ট পৌঁছতে অনেকটা বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। তাই এয়ারপোর্ট যেতে হলে চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার থেকে নিউ টাউনের রাস্তা ধরার পরামর্শ দিচ্ছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। যদিও সেক্ষেত্রে অনেকটা রাস্তা ঘুরতে হবে। কিন্তু, যানজট এড়াতে এবং সময়ের মধ্যে এয়ারপোর্ট পৌঁছতে আর কোনও উপায় দেখছে না পুলিশ। বিমানবন্দর মুখী বাইপাস, বা হাডকো মোড় থেকে উল্টোডাঙা মেন রোডের দিকে যান চলাচল সন্ধার পর থেকেই কিছুটা ধীর গতিতে চলতে শুরু করছে।

    আরও পড়ুন:কলকাতায় রামমন্দির! উদ্বোধনে অমিত শাহ, দুপুর ২টোয় বিমানবন্দরে নামবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    বন্ধ রাস্তা

    ভিআইপি ব্রিজ থেকে কলকাতা স্টেশন রোড এবং ক্যানাল সার্কুলার রোডের মুখে সন্ধ্যার পর থেকেই প্রচণ্ড জ্যাম হতে শুরু করে দিয়েছে। গাড়ি চলাচলের গতি অনেকটাই কমে গিয়েছে। প্রতিপদের রবিবার যা অবস্থা তাতে আগামী, রবিবার অষ্টমীর দিনে ভিড় সামলানো পুলিশের পক্ষে সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবার্তাও যে শ্রীভূমি-আতঙ্ক কাটাতে পারল না, তা রবিবার প্রতিপদে তালগোল পাকানো যান-ব্যবস্থাতেই পরিষ্কার হয়ে গেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MLAs Salary: সই করেননি রাজ্যপাল! মন্ত্রী-বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি বিলের আলোচনায় অংশ নেবে বিজেপি?

    MLAs Salary: সই করেননি রাজ্যপাল! মন্ত্রী-বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধি বিলের আলোচনায় অংশ নেবে বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী ও বিধায়কদের বেতন (MLAs Salary) সংক্রান্ত দুটি বিল পাশ করাতে সোমবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডেকেছে রাজ্য সরকার। আজ, দ্বিতীয়ায় দুটি আইনে সংশোধনী আনার চেষ্টায় রাজ্য। বিজেপি এই বিলের বিরোধিতা করবে বলে আগেই জানিয়েছিল। তারা এই অধিবেশনে থাকবে না ভাবলেও শেষবেলায় সিদ্ধান্ত বদল করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অধিকারী জানিয়েছেন, তাঁরা সোমবার বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনের হাজির থাকবেন। 

    পুজোর মধ্যেই তড়িঘড়ি অধিবেশন

    দুটি বিল সংক্রান্ত নথি রাজভবনে পাঠানো হলেও এখনও পর্যন্ত অনুমোদন মেলেনি রাজ্যপালের। ফলে অধিবেশনে বিল উত্থাপন করা বা টেবিল করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। রবিবার এই অধিবেশন সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু বলেন, ‘আমরা কাল সকাল ১১টায় সবাইকে ডেকেছি। আমরা ভিতরে ঢুকব। জোরালো ভাবে বিলের বিরোধিতা করব।’ গত ৭ সেপ্টেম্বর বিধানসভার অধিবেশনে মন্ত্রী, বিধায়কদের বেতন বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৃদ্ধির প্রস্তাব ছাড়পত্রের জন্য দু’টি বিলে সংশোধনীর প্রয়োজন রয়েছে। তার জন্যই কার্যত পুজোর মধ্যেই তড়িঘড়ি একদিনের অধিবেশন ডাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন:কলকাতায় রামমন্দির! উদ্বোধনে অমিত শাহ, দুপুর ২টোয় বিমানবন্দরে নামবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    কেন বিলের বিরোধিতা

    আজই, পুজো উদ্বোধনের জন্য শহরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাই এই অধিবেশনে না থাকার কথা জানিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু, দলের বিধায়কদের একাংশ চাইছেন, বিলগুলি নিয়ে নিজেদের বিরোধিতা লিপিবদ্ধ রাখতে। সে কারণে তাঁরা শেষ মুহূর্তে অধিবশেন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জনগণকে বার্তা দিতেই তাঁদের এই সিদ্ধান্ত। বিজেপির যুক্তি রাজ্য সরকার চাকরি দিতে ব্যার্থ। কর্মচারীদের মহার্ঘ্য ভাতা দিতে অসমর্থ। আর মন্ত্রী বিধায়কদের বেতন বাড়াতে তৎপর। তাই এই বিল নিয়ে বিরক্ত বিজেপি। তাই, বিজেপি বিধায়কদের বিরোধিতায় বিল আলোচনার সময় উতপ্ত হতে পারে বিধানসভার অধিবেশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share