Author: subhra-katwa

  • Ramakrishna 408: মাস্টার এসে শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন ও প্রণাম করলেন

    Ramakrishna 408: মাস্টার এসে শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন ও প্রণাম করলেন

    দক্ষিণেশ্বরের কালীবাড়িতে বসে কাঁদতেন ঠাকুর। কোনও অন্তরঙ্গ ভক্তকে দেখবেন বলে ব্যাকুল হতেন। রাত্রে ঘুম হত না। মাকে বলতেন— “মা, ওর বড় ভক্তি। ওকে টেনে নাও মা। একবার এখানে এনে দাও। সে যদি নিজে না আসতে পারে, তবে মা, আমায় সেখানে নিয়ে চলো। আমি গিয়ে দেখে আসি।”

    এই কারণেই বলরামের বাড়িতে ছুটে ছুটে আসতেন। লোককে বলতেন— “বলরামের এখানে জগন্নাথের সেবা হয়। খুব শুদ্ধ। যখন আসেন, অমনি বলরামকে পাঠান— ‘নরেন্দ্রকে, ভবনাথকে, রাখালকে নিমন্ত্রণ করে নিয়ে এসো। এদের খাওয়ালে নারায়ণকে খাওয়ানো হয়। এরা সাধারণ কেউ নয়—এরা ঈশ্বরস্বরূপ। তাদের খাওয়ালে তোমার বড় উপকার হবে।”

    বলরামের আলয়ে শ্রীযুক্ত গিরিশ ঘোষের সঙ্গে প্রথম বসে আলাপ।
    এইখানে রথের সময় কীর্তন, আনন্দ; এইখানে কতবার প্রেমের দরবারে আনন্দের মেলা হয়েছে।

    ‘মাস্টার’ নিকটবর্তী একটি বিদ্যালয়ে পড়ান। শুনেছি, তিনি আজ সকাল দশটার সময় শ্রীরামকৃষ্ণ বলরামের বাটিতে আসবেন। অধ্যাপনার মাঝখানে কিছু অবসর পেয়ে, বেলা প্রায় দুই প্রহর পার হলে তিনি সেখানে এসে উপস্থিত হন।

    এসে শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন ও প্রণাম করলেন। তখন ঠাকুর আহার করার জন্য বৈঠকখানায় একটু বিশ্রাম নিচ্ছেন। মাঝে মাঝে থলি থেকে কিছু মসলা, কাবাব বা চিনি ইত্যাদি খাচ্ছেন। অল্পবয়স্ক ভক্তরা চারদিকে ঘিরে বসে আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (হাসতে হাসতে):
    “হে, তুমি যে এখন এলে! স্কুল নেই?”

    মাস্টার:
    “স্কুল থেকে আসছি, এখন বিশেষ কাজ নেই।”

    ভক্ত (হাসতে হাসতে):
    “মহাশয় স্কুল পালিয়ে এসেছেন!”

    (সকলের হাস্য)

    মাস্টার (হাসি):
    “হায়! কে যেন টেনে আনলে!”

  • Suvendu Adhikari: খেজুরিতে জোড়া মৃত্যু, খুনের অভিযোগ শুভেন্দুর, সোমবার বনধের ডাক

    Suvendu Adhikari: খেজুরিতে জোড়া মৃত্যু, খুনের অভিযোগ শুভেন্দুর, সোমবার বনধের ডাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি থানার ভাঙনমারি গ্রামে দু’জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতদের পরিবার দাবি করছে, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, পরিকল্পিত খুন। যদিও পুলিশ এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনও স্পষ্ট বিবৃতি দেয়নি। মৃতদের মধ্যে একজন হলেন সুজিত দাস, অপরজন সুধীর পাইক। সুজিতের বাবা শশাঙ্ক শেখর দাস অভিযোগ করেছেন, “এটা বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনা নয়। আমার ছেলেকে ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে (Khejuri)। এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।” একই অভিযোগ তুলেছেন সুধীর পাইকের পরিবারের সদস্যরাও। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ গোপন করছে।

    সুসংগঠিত খুন দাবি শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহরম উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ভাঙনমারিতে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। শনিবার সকালে সেই অনুষ্ঠানস্থলের কাছেই সুজিত ও সুধীরের দেহ উদ্ধার হয়। তাঁদের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পরিবারের দাবি। ঘটনার পর এলাকা পরিদর্শনে যান স্থানীয় বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক, পরে পৌঁছান বিরোধী দলনেতা ও নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি দাবি করেন, “এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং সুসংগঠিত খুন। এই ঘটনার তদন্ত নিরপেক্ষভাবে করতে হবে।” তাঁর আরও দাবি, “ময়নাতদন্ত রাজ্য সরকারি হাসপাতালে হলেও কোনও আপত্তি নেই, তবে সেখানে কেন্দ্রীয় হাসপাতালের একজন চিকিৎসক উপস্থিত থাকতে হবে। পরিবারের সদস্যদেরও ময়নাতদন্তের সময় থাকতে দিতে হবে।”

    অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাঁদের হত্যা করা হয় দাবি বিজেপির

    এছাড়াও তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, “হিন্দু হওয়ার কারণেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের হত্যা করেছে। কাউকে ছাড়া হবে না।” শুভেন্দু ঘোষনা করেছেন, শনিবার দুপুর ১২টা থেকে ২টো পর্যন্ত খেজুরিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়া সোমবার হিন্দু সংগঠনগুলির ডাকে খেজুরিতে বন্‌ধ পালিত হবে। খেজুরির জনকা থেকে বিদ্যাপীঠ মোড় পর্যন্ত মিছিলে তিনি নিজেই নেতৃত্ব দেবেন। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, সুজিত ও সুধীর ওই রাতে অনুষ্ঠান দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানেই অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাঁদের হত্যা করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খেজুরি জুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

  • North Korea: কিমের দেশে কঠোর নিয়ম, উত্তর কোরিয়া ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শোনালেন পর্যটক

    North Korea: কিমের দেশে কঠোর নিয়ম, উত্তর কোরিয়া ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শোনালেন পর্যটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেমোক্রেটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়া, সংক্ষেপে যাকে বলা হয় উত্তর কোরিয়া (North Korea), এদেশের শাসকের নাম কিম জং উন। তাঁর নামের সঙ্গে গোটা বিশ্ব পরিচিত। আধুনিক পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম কঠোর শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান উত্তর কোরিয়ায়। করোনা মহামারির সময় থেকে সে দেশে পর্যটন পুরোপুরি বন্ধ ছিল। সেই নিষেধাজ্ঞা সম্প্রতি উঠে যায়, পরে ফের একবার তা চালু হয়েছে।

    কঠোর নির্দেশ ছিল পর্যটকদের ওপর

    উত্তর কোরিয়া সফরকারী একটি পর্যটক দলের অংশ ছিলেন ভুবানী ধরন (Bhubani Dharan)। জানা গেছে, ওই দলে মোট ২২ জন সদস্য ছিলেন এবং তাঁরা চলতি বছরের মার্চ মাসে উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশ করেন। ৩ মার্চ সেখানে তাঁরা যান, ৬ মার্চ সে দেশ থেকে ফেরত আসেন। তাঁদের দলটি ফিরে আসার পরে আবার একবার কিম জং উনের দেশে পর্যটনের দরজা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

    উত্তর কোরিয়া এমন একটি দেশ, যেখানে প্রবেশের সময়ই পর্যটকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। যেমন:

    সর্বদা কিম জং উন-এর নাম সম্মানের সঙ্গে উল্লেখ করতে হবে।

    তাঁকে সম্বোধন করার সময় ‘ক্যাপ্টেন’ বা ‘মার্শাল’ উপাধি যোগ করতে হবে।

    সরকারের পক্ষ থেকে দুইজন গাইড বরাদ্দ করা হয়, যারা সব সময় পর্যটকদের সঙ্গে থাকেন এবং নির্দেশনা দেন।

    একা কোথাও যাওয়া যাবে না।

    কোনও কুৎসিত বা অস্বস্তিকর জিনিসের ছবি তোলা যাবে না।

    সেনা সদস্য বা কঠোর পরিশ্রমরত কোনো ব্যক্তির ছবি তোলা যাবে না।

    ‘উত্তর কোরিয়া’ শব্দ ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। পরিবর্তে উচ্চারণ করতে হবে ‘DPRK’ — অর্থাৎ ডেমোক্রেটিক পিপলস রিপাবলিক অফ কোরিয়া।

    কী জানালেন ভুবানী ধরণ?

    নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ভারতীয় পর্যটক (North Korea) ভুবানী ধরন জানান, তিনি উত্তর কোরিয়ায় চারদিন ও তিন রাত কাটিয়েছেন। এই সময়ে তাঁর মনে কাজ করছিল কৌতূহল, উত্তেজনা এবং একধরনের নার্ভাসনেস। তিনি বলেন, উত্তর কোরিয়া পৌঁছানো তাঁদের পক্ষে সহজ ছিল না। তাঁদের গন্তব্য যে শহরে ছিল, সেই রাচন (Rason)-এ কোনও বিমানবন্দর নেই। ফলে তাঁদের প্রথমে পৌঁছাতে হয় চিনের ইয়ানজি শহরে। সেখানে নিরাপত্তা পরীক্ষার পরে তারা উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত পার হওয়ার জন্য একটি বাসে ওঠেন। উত্তর কোরিয়া সীমান্ত পার হওয়ার মুহূর্তে পর্যটকদের উপর শুরু হয় কড়া নজরদারি। তাঁদের সঙ্গে ছিল সরকারের মনোনীত দুই গাইড, যাঁরা প্রতিটি পদক্ষেপে নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। সীমান্তে উত্তর কোরিয়ার সেনাবাহিনী তাঁদের জিনিসপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি করে। প্রতিটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের তালিকা পর্যটকদের নিজেই তৈরি করতে বলা হয়।

    কোথায় কোথায় পরিদর্শন

    ভুবানী ধরন আরও জানান, উত্তর কোরিয়ায় (North Korea) পৌঁছানোর পর তাঁরা প্রথমে কোনও হোটেলে নয়, বরং একটি মিনারেল ওয়াটার কারখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের দেখানো হয় কীভাবে পানীয় জল তৈরি হয়। তিনি বলেন, পুরো ব্যাপারটি সাজানো মনে হয়েছে, কারণ সেখানে মাত্র দু’জন কর্মী ছিলেন, এবং কেউই তেমনভাবে কাজ করছিলেন না। চারদিনের অবস্থানকালে তাঁদের দলটি বেশ কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করে, যার মধ্যে ছিল একটি জাদুঘর, হরিণ পার্ক, একাধিক স্কুল, কয়েকটি কারখানা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,একটি আদালত কক্ষ। এই সফরে প্রথমবারের মতো ভুবানী ধরন সরাসরি উত্তর কোরিয়ার কোনও নাগরিকের সঙ্গে কথা বলেন, যখন তিনি একটি স্কুলে যান। সেই স্কুলের এক শিশু তাঁকে বলে, “আমি তোমার মতোই ভ্রমণ করতে চাই।”

    কোনও নাগরিক তাঁদের সঙ্গে কথা বলেননি

    ভুবানী ধরন আরও জানিয়েছেন যে উত্তর কোরিয়ায় ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরা পরিবারগুলিকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে হাসতে এবং ছবি তুলতে দেখা গেছে, কিন্তু কেউই পর্যটকদের সঙ্গে কথা বলতেন না। রাতে শহরের পরিবেশ ছিল ভয়ানক রকমের নিরব। তিনি যে শহরে ছিলেন, সেখানে তাঁর হোটেল কক্ষে একটি ছোট জানালা ছিল, যার মাধ্যমে তিনি কেবল বাইরের একটি নির্দিষ্ট অংশ দেখতে পেতেন। তিনি লক্ষ্য করেন, রাতে শহরের রাস্তায় কেউ থাকত না, যেন পুরো শহর নিস্তব্ধ হয়ে যেত। তবে ভোর পাঁচটা বাজতেই মানুষজন আবার কাজে নেমে পড়ত।

    ভারত সম্পর্কে কী জানেন উত্তর কোরিয়ার (North Korea) নাগরিকরা

    ভারতের সম্পর্কে কেউ কিছু জানতে চাইলে উত্তর কোরিয়ার স্থানীয়রা শুধু একটি শব্দ বলতেন — “বাহুবলী”। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, উত্তর কোরিয়ায় আন্তর্জাতিক সিনেমা, বিশেষত ভারতীয় সিনেমাও কোনও না কোনওভাবে পৌঁছে যাচ্ছে। ভুবানী ধরন জানিয়েছেন, তাঁর পুরো ভ্রমণের খরচ হয়েছে প্রায় চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা। তিনি আরও জানান, উত্তর কোরিয়ার একাধিক স্কুলে তিনি এমন ছবি দেখতে পেয়েছেন, যেখানে আমেরিকার সেনাবাহিনীকে ধ্বংস করা হচ্ছে — যা তাদের সেনাবাহিনী এবং রাষ্ট্রের আদর্শ অনুযায়ী শিক্ষাদানের অংশ।

    পর্যটকদের বহির্বিশ্বের সঙ্গে কোনও যোগাযোগের সুযোগ নেই

    উত্তর কোরিয়ায় পর্যটকদের বহির্বিশ্বের সঙ্গে কোনও যোগাযোগের সুযোগ নেই। সেখানে মোবাইল সিগন্যাল নেই, নেই ইন্টারনেট, এমনকি সাধারণ যোগাযোগ মাধ্যমও অপ্রাপ্য। তবে তিনি বলেন, যখন তাঁদের দলটি উত্তর কোরিয়া, চীন এবং রাশিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলে পরিভ্রমণ করছিল, তখন মাত্র কয়েক মুহূর্তের জন্য মোবাইল সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছিল। সেই সময়ই তাঁর মোবাইলে একটি সতর্কবার্তা আসে। এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তর কোরিয়া সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আবার পর্যটন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এই পরিস্থিতি দেখে ভুবানী ধরন কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়েন। তবে সঙ্গে থাকা গাইডরা তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে, “আপনারাই হচ্ছেন সেই শেষ দল, যারা উত্তর কোরিয়া সফরের সুযোগ পেলেন।”

  • Tribal Students: জনজাতি পড়ুয়াদের জন্য বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, কেরিয়ার তৈরিতে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ

    Tribal Students: জনজাতি পড়ুয়াদের জন্য বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, কেরিয়ার তৈরিতে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনজাতি ছাত্রছাত্রীদের (Tribal Students) জন্য বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। কেন্দ্রীয় আদিবাসী উন্নয়ন মন্ত্রক অধীনস্থ সংস্থা ন্যাশনাল এডুকেশন সোসাইটি ফর ট্রাইবাল স্টুডেন্টস (NESTS), টাটা মোটরস লিমিটেড এবং ইউনিসেফ-এর সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তি অনুযায়ী, দেশের একলব্য মডেল রেসিডেনশিয়াল স্কুলে পাঠরত প্রায় ১,৩৮,০০০ জন আদিবাসী ছাত্রছাত্রী উচ্চশিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা এবং ক্যারিয়ার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাওয়ার সুযোগ পাবে।

    কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং দেওয়া হবে (Tribal Students)

    ন্যাশনাল এডুকেশন সোসাইটি ফর ট্রাইবাল স্টুডেন্টস একটি স্বশাসিত সংস্থা, যা আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের জন্য গুণগতমানসম্পন্ন শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করে। এই সংস্থার আওতায় পরিচালিত হয় একলব্য মডেল রেসিডেনশিয়াল স্কুলসমূহ। জানা গেছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের জন্য NEET এবং JEE-এর মতো সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষার কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি, তাদের কর্মসংস্থানের জন্য বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং দেওয়া হবে (Tribal Students)।

    চুক্তিটি ২০২৫ সালের ৯ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়েছে (Tribal Students)

    এই চুক্তিটি ২০২৫ সালের ৯ জুলাই স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এটি আগামী পাঁচ বছরের জন্য বলবৎ থাকবে। এটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা—ন্যাশনাল এডুকেশন সোসাইটি ফর ট্রাইবাল স্টুডেন্টস (NESTS), টাটা মোটরস লিমিটেড, এবং এক্স-নবোদয়ান ফাউন্ডেশন একত্রে অংশগ্রহণ করেছে। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার লক্ষ্য হল, আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের জন্য টেকসই ও পেশাগত উন্নয়নের পথ তৈরি করা।

    এই প্রকল্পের ফলে আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেকেই উপকৃত হবেন

    এই চুক্তির মাধ্যমে আদিবাসী সম্প্রদায়ের পড়ুয়াদের উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি, যেমন মেডিক্যাল (NEET), ইঞ্জিনিয়ারিং (JEE) ও অন্যান্য পেশাদার কোর্সে ভর্তির জন্য নিখরচায় কোচিং-এর সুযোগও প্রদান করা হবে। এর পাশাপাশি পড়ুয়াদের কর্মজীবনে প্রবেশের আগে প্রয়োজনীয় দক্ষতার প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের উদ্যোগ আদিবাসী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষাগত সচেতনতা, আত্মবিশ্বাস এবং আগামীর জন্য প্রস্তুতির একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে থাকা এই সম্প্রদায়ের ছাত্রছাত্রীরা (Tribal Students) এর মাধ্যমে মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। এই প্রকল্পের ফলে আধুনিক প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এমন অনেক পড়ুয়া উপকৃত হবেন, যাঁরা ভৌগোলিক বা আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে উন্নত শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন। এই চুক্তি শুধু একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয় বরং একটি বৃহৎ সামাজিক পরিবর্তনের সূচনা, যা ভবিষ্যতে আদিবাসী সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এখনও পর্যন্ত অন্ধ্রপ্রদেশের চিন্তাপল্লি এবং মহারাষ্ট্রের চানকপুরে দুটি কোচিং কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও এই কোচিং অনলাইনের মাধ্যমেও প্রদান করা হবে, যাতে দেশের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীরাও এই সুযোগ গ্রহণ করতে পারে (Industry)।

  • Ramakrishna 407: শ্রী রামকৃষ্ণের, বলরামের গৃহে আগমন এবং ভক্তদের সঙ্গে কথোপকথন

    Ramakrishna 407: শ্রী রামকৃষ্ণের, বলরামের গৃহে আগমন এবং ভক্তদের সঙ্গে কথোপকথন

    শ্রীরামকৃষ্ণ- এখানে থাকবেন।

    পরিবার- এসে কিছুদিন থাকব—নহবতে মা আছেন, তাঁর কাছেই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ তখন বলছেন—
    “তুমি যে বল, মরবার কথা—তাই ভয় হয়।”
    আবার পাশে গঙ্গা

    বসু, বলরাম মন্দিরে, গিরিশ মন্দিরে ও দেবেন্দ্র ভবনে ভক্তদের সঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ।

    ১৮৮৫ সালের ১১ই মার্চ

    শ্রীরামকৃষ্ণের বলরামের গৃহে আগমন এবং তাঁর সঙ্গে নরেন্দ্র, গিরিশ, বলরাম, চুনিলাল, লাটু, মাস্টার, নারায়ণ প্রভৃতি ভক্তদের কথোপকথন ও আনন্দময় সময়।

    তিথি: ফাল্গুন কৃষ্ণ দশমী, নক্ষত্র: পূর্বাষাঢ়া,
    তারিখ: ২৯শে ফাল্গুন, বুধবার, ইংরেজি ১১ই মার্চ, ১৮৮৫।

    আজ আনুমানিক বেলা দশটার সময় শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর হতে বলরাম বসুর গৃহে (বলরাম মন্দিরে) আগমন করেন।
    সেখানে শ্রী শ্রী জগন্নাথের প্রসাদ গ্রহণ করেন।
    সঙ্গে ছিলেন লাটু প্রভৃতি ভক্ত।

    ধন্য বলরাম! তোমারই আলোয় আজ ঠাকুরের প্রধান কর্মক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।
    কত নতুন নতুন ভক্তকে আকর্ষণ করে প্রেমের বন্ধনে বেঁধে ফেললেন!
    ভক্তদের সঙ্গে ছিলেন, গান গাইলেন—যেন শ্রীগৌরাঙ্গ শ্রীবাস মন্দিরে প্রেমের হাট বসিয়েছেন।

    দক্ষিণেশ্বরের কালীবাড়িতে বসে কাঁদতেন ঠাকুর।
    কোনও অন্তরঙ্গ ভক্তকে দেখবেন বলে ব্যাকুল হতেন।
    রাত্রে ঘুম হত না।
    মাকে বলতেন—
    “মা, ওর বড় ভক্তি। ওকে টেনে নাও মা।
    একবার এখানে এনে দাও।
    সে যদি নিজে না আসতে পারে, তবে মা, আমায় সেখানে নিয়ে চলো।
    আমি গিয়ে দেখে আসি।”

    এই কারণেই বলরামের বাড়িতে ছুটে ছুটে আসতেন।
    লোককে বলতেন—
    “বলরামের এখানে জগন্নাথের সেবা হয়। খুব শুদ্ধ।
    যখন আসেন, অমনি বলরামকে পাঠান—
    ‘নরেন্দ্রকে, ভবনাথকে, রাখালকে নিমন্ত্রণ করে নিয়ে এসো।
    এদের খাওয়ালে নারায়ণকে খাওয়ানো হয়।
    এরা সাধারণ কেউ নয়—এরা ঈশ্বরস্বরূপ।
    তাদের খাওয়ালে তোমার বড় উপকার হবে।”

  • Daily Horoscope 12 July 2025: সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 12 July 2025: সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আপনার সাহস ও পরাক্রম বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কোনও সমস্যায় থাকলে ভাইদের কাছ থেকে পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করতে পারবেন।

    ৩) ব্যক্তিগত বিষয়ে সংবেদনশীলতা বজায় রাখুন, তা না-হলে সমস্যা উৎপন্ন হবে।

    বৃষ

    ১) নতুন কাজ শুরুর সুযোগ পেতে পারেন।

    ২) আর্থিক বিষয়ে সহজ ভাবে অগ্রসর হন।

    ৩) ব্যাঙ্ক, ব্যক্তি বা সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করে থাকলে তা আজ সহজেই পেয়ে যাবেন।

    মিথুন

    ১)  দামী বস্তুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করুন।

    ২) নতুন কিছু করার চিন্তাভাবনা করবেন, যা আপনার কাজকে প্রভাবিত করবে।

    ৩) ব্যবসায়ীরা ভালো মুনাফা অর্জন করায় আনন্দিত থাকবেন।

    কর্কট

    ১) অচেনা ব্যক্তির সঙ্গে লেনদেন করবেন না, তা না-হলে তাঁরা বড়সড় লোকসানের কারণ হয়ে দাঁড়াবেন।

    ২) বাজেট তৈরি করে ব্যয় করুন।

    ৩) নিজের কাজের চেয়ে অন্যের কাজে বেশি মনোনিবেশ করবেন, যার ফলে আপনার সমস্যা হতে পারে।

    সিংহ

    ১) ব্যস্ত জীবন কাটান যাঁরা, তাঁরা সঙ্গীর কথা বোঝার চেষ্টা করুন, তা না-হলে বিবাদ উৎপন্ন হতে পারে।

    ২) ব্যবসায়ীদের জন্য দিন ভালো।

    ৩) সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের সমাধান করতে হবে।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে আপনাদের চেষ্টা সফল হবে।

    ২) সমস্যা থাকলে তা আজ দূর হবে।

    ৩) সামাজিক ক্ষেত্রে কাজ করেন যাঁরা, তাঁরা আজ নতুন কোনও কাজ করার সুযোগ পাবেন।

    তুলা

    ১) ব্যবসায় বড় মুনাফা অর্জনের লোভে ছোটখাট লাভ হাতছাড়া করবেন না।

    ২) সন্তানের নতুন চাকরি পাওয়ায় এবার কেরিয়ার সংক্রান্ত সমস্যা দূর হবে।

    ৩) বন্ধু আপনার সাহায্য প্রার্থনা করতে পারে।

    বৃশ্চিক

    ১) পরিবারের সদস্যদের জন্য সময় বের করতে হবে।

    ২) জীবনসঙ্গীর সহযোগিতা ও সান্নিধ্য লাভ করায় একাধিক সমস্যার সমাধান হবে।

    ৩) আইনি কাজে নিয়ম-নীতি মেনে চলুন, তা না-হলে ভুল হতে পারে।

    ধনু

    ১) দাম্পত্য জীবনে সুখ-সমৃদ্ধি বাড়ায় আনন্দিত হবেন।

    ২) বন্ধুদের সঙ্গে স্মরণীয় মুহূর্ত কাটাবেন।

    ৩) যে কোনও কাজে ধৈর্য ধরুন ও সাহসী থাকুন।

    মকর

    ১) স্বাস্থ্য-সমস্যা উপেক্ষা করবেন না, তা না-হলে বড়সড় রোগ দেখা দিতে পারে।

    ২) ব্যবসায়িক বিষয়ে ভালো ফলাফল পাবেন।

    ৩) কারও কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে থাকলে তা শোধ করতে সফল হবেন।

    কুম্ভ

    ১) পড়াশোনায় রুচি বাড়বে।

    ২) কাজের সন্ধানে থাকলে সুসংবাদ পাবেন।

    ৩) আত্মীয়ের স্বাস্থ্যের কারণে চিন্তিত থাকবেন।

    মীন

    ১) ব্যবসায়িক পরিকল্পনা দীর্ঘদিন ধরে আপনাকে চিন্তিত করে থাকলে তা আজ পুনরায় শুরু করতে পারেন।

    ২) কোনও কাজের জন্য জেদ করবেন না।

    ৩) বিলাসিতার বস্তু কেনাকাটায় প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে পারেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Bhangar News: ফের প্রশ্নের মুখে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা, ভাঙড়ে খুন তৃণমূল নেতা

    Bhangar News: ফের প্রশ্নের মুখে রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা, ভাঙড়ে খুন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল জমানায় ভালো নেই সংখ্যালঘুরা। সম্প্রতি বিজেপির রাজ্য় সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, মারছে মুসলমান, মরছেও মুসলমান। এ যেন ফের দেখা গেল ভাঙড়ে (Bhangar News)। খুন হল তৃণমূলের মুসলিম নেতা, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাও মুসলিম সম্প্রদায়ের। বৃহস্পতিবার রাতে দলীয় বৈঠক সেরে বাড়ি ফেরার পথে দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ হারালেন ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের তৃণমূল সভাপতি। ঘটনাটি ঘটে ভাঙড় থানার অন্তর্গত চালতাবেড়িয়া এলাকায়। অভিযোগ, বাড়ির অদূরে দুষ্কৃতীরা গুলি চালায় এবং পরে কুপিয়ে খুন করে তৃণমূল নেতা রেজ্জাক খাঁ-কে।
    এই ঘটনায় তৃণমূলের (Trinamool Leader) পক্ষ থেকে আইএসএফ-কে দায়ী করা হয়েছে।

    শওকত ঘনিষ্ঠ নেতা (Bhangar News)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজয়গঞ্জ বাজার সংলগ্ন এলাকায় রেজ্জাক খাঁ-কে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। এরপর তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয়।গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
    পুলিশ ঘটনার খবর পেয়েই তদন্তে নেমেছে (Bhangar News)। রেজ্জাক খাঁ ছিলেন তৃণমূলের সক্রিয় নেতা এবং ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠ বলেও জানা গিয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা নিয়ে জল্পনা ছড়িয়েছে।
    ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা অভিযুক্তদের গ্রেফতারির দাবিতে রাস্তায় নামেন।

    কী বলছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার

    এদিকে, লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ এই খুনের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পেয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, খুনের আগে রেজ্জাক খাঁ-কে ফোন করে বাইরে ডেকে আনা হয়েছিল।এরপর ওয়ান শটারের মতো আগ্নেয়াস্ত্র থেকে অন্তত চার রাউন্ড গুলি চালানো হয়।পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি পূর্ব পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ (Bhangar News)। রেজ্জাক খাঁ-র মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি বাইক উদ্ধার হয়েছে।
    তদন্তে আরও কেউ জড়িত কি না, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।পুলিশ সূত্রে খবর, এই হামলায় কমপক্ষে পাঁচজন দুষ্কৃতী জড়িত থাকতে পারে।এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং দুষ্কৃতীদের ব্যবহৃত বাইকের নম্বর শনাক্তের চেষ্টা চলছে।কলকাতা পুলিশের নগরপাল মনোজ কুমার ভার্মা জানিয়েছেন, “ঘটনার তদন্ত চলছে, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    শওকত মোল্লা কী বলছেন?

    এই ঘটনায় সরাসরি আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর নাম নেন শওকত মোল্লা।তিনি বলেন, “নওশাদের মদতেই রেজ্জাক খাঁ-কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।দু’টি মিটিং সেরে ফেরার পথে তাঁকে গুলি করে ও পরে কুপিয়ে মারা হয়।ভাঙড়ে আইএসএফের প্রভাব কমে যাওয়াতেই এ ধরনের সন্ত্রাস চালাচ্ছে তারা।সমাজবিরোধীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”

    নওশাদের বক্তব্য

    অন্যদিকে, তৃণমূলের অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করে দেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।তিনি বলেন, “এই ঘটনার সঙ্গে আইএসএফের কোনও কর্মী বা সমর্থক জড়িত নয়।এটি তৃণমূলের অন্দরমহলের গোষ্ঠী কোন্দলের ফল।পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত করুক এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি দিক।”ভাঙড়ের ঘটনা ফের প্রশ্ন তুলল মমতা জমানার ভেঙে পড়া আইনশৃঙ্খলা নিয়ে।

  • Greece: গ্রিসে রাফাল যুদ্ধবিমানের ছবি তুলতে গিয়ে গ্রেফতার চার চিনা নাগরিক, আনা হল গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ

    Greece: গ্রিসে রাফাল যুদ্ধবিমানের ছবি তুলতে গিয়ে গ্রেফতার চার চিনা নাগরিক, আনা হল গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রিসে (Greece) রাফাল যুদ্ধবিমানের ছবি তোলার সময় গ্রেফতার করা হয়েছে চারজন চিনা নাগরিককে (Chinese Nationals), যাঁদের মধ্যে রয়েছেন একজন মহিলা। তাঁদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে সেদেশের প্রশাসন। এই ঘটনার পর গ্রিসের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা দেশের সমস্ত বিমানঘাঁটি এবং বিমান নির্মাণ ও মেরামতি কেন্দ্রগুলোতে উচ্চ পর্যায়ের সতর্কতা জারি করেছে। গ্রিসের পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা দেশের টানাগ্রা শহরের কাছে হেলেনিক অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রি (HAI)-এর সংলগ্ন একটি সেতুর উপর উঠে রাফাল এবং তার অস্ত্রসজ্জার ছবি তুলছিলেন। ওই এলাকাতেই অবস্থিত গ্রিক বায়ুসেনার ১১৪তম কমব্যাট উইং এবং বিমান মেরামতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। গোপনে ছবি তোলার সময় সেনাবাহিনীর নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন।

    শুরু হয়েছে তদন্ত (Greece)

    গ্রিসের সামরিক বাহিনী এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে—কেন বিদেশি নাগরিকেরা এমন স্পর্শকাতর এলাকায় গোপনে ছবি তুলছিলেন এবং তাঁদের উদ্দেশ্য ঠিক কী ছিল।ইতিমধ্যে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে, এই চেষ্টার পেছনে চিনের রাফাল সংক্রান্ত গোপন তথ্য সংগ্রহের পরিকল্পনা থাকতে পারে। উল্লেখ্য, ফরাসি সংস্থা দাসো অ্যাভিয়েশন-এর তৈরি রাফাল বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম আধুনিক যুদ্ধবিমান। ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযানে পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিতে হামলায় এই বিমান ব্যবহার করা হয়েছিল (Greece)।

    মোবাইল ফোন ও ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    এর আগে দাসো কর্তৃপক্ষ অভিযোগ করেছিল, চিন উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রাফালের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রচার চালাচ্ছে এবং বিমানটির প্রযুক্তিগত খুঁটিনাটি জানার চেষ্টা করছে (Chinese Nationals)। ফলে এই নতুন ঘটনার সঙ্গে ভারত ও রাফালকে ঘিরে গুপ্তচর কার্যকলাপের যোগ রয়েছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। গ্রিসের পুলিশ জানিয়েছে, আটক চার চিনা নাগরিককে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাঁদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাতে এই ঘটনার পেছনে গভীর কোনও ষড়যন্ত্র বা গুপ্তচরবৃত্তির যোগ আছে কি না, তা বোঝা যায়। একই সঙ্গে তাঁদের বিদেশে যোগাযোগ, চলাফেরার রুট এবং পূর্বের সফর সম্পর্কেও জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে।

  • ssc Scam: ‘দাগি’ বা চিহ্নিত অযোগ্য প্রার্থীদের পাশে কেন বারবার দাঁড়াচ্ছে মমতা সরকার?

    ssc Scam: ‘দাগি’ বা চিহ্নিত অযোগ্য প্রার্থীদের পাশে কেন বারবার দাঁড়াচ্ছে মমতা সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘দাগি’ বা চিহ্নিত অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া (ssc Scam) থেকে অবিলম্বে বাদ দিতে হবে—এই মর্মে সোমবার গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, যদি কোনও অযোগ্য প্রার্থী ইতিমধ্যেই আবেদন করে থাকেন, তবে সেই আবেদন বাতিল করতে হবে। আদালত আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনেই নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। তবে ৩০ মে এসএসসি যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, তার ভিত্তিতেই নিয়োগ এগোতে পারে—এই অংশে আদালত হস্তক্ষেপ করেনি।

    রাজ্য সরকারের জন্য বড় ধাক্কা (ssc Scam)

    এই রায় কার্যত রাজ্য সরকারের জন্য বড় ধাক্কা। কারণ, নতুন নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অযোগ্যদের সরাসরি বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি। কোর্টের রায় সামনে আসতেই অনেক প্রাক্তন চাকরিপ্রার্থী প্রশ্ন তুলেছেন—”যোগ্যদের বঞ্চিত রেখে রাজ্য কেন বারবার অযোগ্যদের পাশেই দাঁড়াতে চাইছে?” প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়। এরপর শিক্ষা দফতর নতুন নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, ২০২5 সালের SSC-র বিজ্ঞপ্তি সুপ্রিম কোর্টের রায়কে অমান্য করছে।

    অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অধিকার নেই

    চিহ্নিত অযোগ্যদের নিয়োগ পরীক্ষায় (ssc Scam) অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, যদিও সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্টভাবে তাদের অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন যোগ্য প্রার্থীরা। তাঁদের দাবি, SSC সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা লঙ্ঘন করেছে এবং অযোগ্যদের সুযোগ দিয়ে যোগ্যদের সঙ্গে চরম অবিচার করা হয়েছে। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য এই মামলায় রায় দেন, SSC-র সিদ্ধান্ত অনুচিত এবং অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের অধিকার নেই। মামলাকারীদের আরও অভিযোগ, প্রায় ৪৪ হাজার শূন্যপদের যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে, সেটি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ এবং ২০১৬ সালের চাকরির নিয়মাবলি অনুসরণ না করেই জারি করা হয়েছে। তাঁরা দাবি করেন, ওই বছরের বাছাই প্রক্রিয়া ২০১৬ সালের নিয়মেই সম্পন্ন হওয়া উচিত এবং আবেদনকারীরাও সে সময়কার প্রার্থী হতে হবে। বয়সের ছাড় সংক্রান্ত নিয়মও মানা হয়নি বলে আদালতে অভিযোগ করেছেন মামলাকারীরা।

    অযোগ্যদের পাশে রাজ্য

    তাঁরা এ-ও বলেন, ২০১৬ সালের নিয়োগে বিস্তর দুর্নীতি হয়েছিল, যার জেরে সুপ্রিম কোর্ট নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল। তাই নতুন প্রক্রিয়াও যেন পুরনো নিয়মনীতির আলোকে চলে—এমনটাই তাঁদের জোর দাবি।সোমবার আদালতে এসএসসি ও রাজ্য তাদের অবস্থান তুলে ধরে জানায়, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে কোথাও সরাসরি উল্লেখ নেই যে অযোগ্য প্রার্থীদের আবেদন করার অধিকার নেই।

    কমিশনের কাছ থেকে এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়, জানান বিচারপতি

    তবে এই যুক্তিতে সন্তুষ্ট হয়নি আদালত। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কমিশনের কাছ থেকে এমন ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়।ফলত, আদালতের নির্দেশ—চিহ্নিত অযোগ্যদের নিয়োগপ্রক্রিয়া থেকে অবিলম্বে বাদ দিতে হবে। এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—রাজ্য সরকার বারবার কেন অযোগ্যদের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে?

    ৩০ মে এসএসসি নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে

    প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন ২৬ হাজারেরও বেশি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। এরপরই চিহ্নিত অযোগ্যদের বাদ দিয়ে নতুন পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত। সেই অনুযায়ী ৩০ মে এসএসসি নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে, যা চ্যালেঞ্জ করে ৯টি পৃথক মামলা হয়। সোমবার সেই মামলার শুনানিতে, রাজ্য ও এসএসসি ফের অযোগ্যদের পক্ষেই সওয়াল করে, যা আদালতের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

  • Operation Baam: শুরু ‘অপারেশন বাম’, বালোচ বিদ্রোহীদের ১৭ হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তান

    Operation Baam: শুরু ‘অপারেশন বাম’, বালোচ বিদ্রোহীদের ১৭ হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালোচ বিদ্রোহী সংগঠন বালোচিস্তান লিবারেশন ফ্রন্ট (বিএলএফ) পাকিস্তানের ভেতরে শুরু করেছে বড়সড় অভিযান—‘অপারেশন বাম’ (Operation Baam)। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে , এই অভিযানের অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত ১৭টি হামলা চালানো হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে বালোচিস্তানের বিভিন্ন সরকারি ভবনে বিস্ফোরণ ঘটে, যা গোটা অঞ্চলকে নাড়িয়ে দেয়।

    ‘অপারেশন বাম’ শব্দের অর্থ কী?

    ‘বাম’ শব্দটি স্থানীয় ভাষায় ‘ভোর’ বোঝায়। এই নামেই অভিযান চালাচ্ছে বিএলএফ, যারা বহুদিন ধরেই স্বাধীন বালোচিস্তানের (Operation Baam) দাবি তুলে আসছে। পাকিস্তানি দৈনিক দ্য ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বালোচিস্তানের তুরবাত এলাকায় এক বাড়িতে গ্রেনেড হামলায় নারী ও শিশু সহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে বাড়িটির পেছনের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুলিশ জানায়, মোটরসাইকেলে করে আসা দুর্বৃত্তরা গ্রেনেড ছুঁড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এছাড়া সিবি এলাকায় একটি পুলিশ চেকপোস্টে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। কেচ জেলার তুরবাতে মকরান ডিভিশনের এক ডিভিশনাল হেডকোয়ার্টারের আধিকারিক মহম্মদ ইউনুসের বাড়িও হামলার শিকার হয়। এসব হামলা থেকে বোঝা যাচ্ছে, বালোচ বিদ্রোহীরা (Operation Baam) আবারও সংগঠিত হচ্ছে।

    হামলার লক্ষ্য পাকিস্তানের সেনা চেকপোস্ট, প্রশাসনিক ভবন

    এএনআই জানিয়েছে, এই হামলাগুলোর লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের সেনা চেকপোস্ট, প্রশাসনিক ভবন ও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো। বিএলএফ মুখপাত্র গওহারাম বালোচ এক বিবৃতিতে জানান, ‘অপারেশন বাম’ বিস্তৃত হবে মাকরান উপকূল থেকে শুরু করে কোহ-ই-সুলেমানের পাহাড়ি অঞ্চল পর্যন্ত।বিদ্রোহীদের একের পর এক হামলায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বালোচিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সেনা হেলিকপ্টার ও ড্রোন ব্যবহার করে বিভিন্ন গ্রামীণ অঞ্চলে নজরদারি চালানো হচ্ছে বলেও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এই অভিযানের জেরে অনেক এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সংযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন ছিল। অনেক জায়গায় স্থানীয় বাসিন্দারা ঘর থেকে বেরোতে পারেননি। আতঙ্কে ব্যবসা-বাণিজ্য, স্কুল-কলেজ, যানবাহন চলাচল—সব কিছুই কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায়।‘অপারেশন বাম’-এর কারণে পাকিস্তান এখন রীতিমতো কোণঠাসা।একের পর এক বিস্ফোরণ ও হামলায় সেনা ও প্রশাসনের উপর চাপ বাড়ছে।

LinkedIn
Share