Author: subhra-katwa

  • Russian Soldier: নরখাদক রুশ সেনা! হত্যা করে খাচ্ছে সহকর্মীদেরই! বিস্ফোরক দাবি ইউক্রেনের

    Russian Soldier: নরখাদক রুশ সেনা! হত্যা করে খাচ্ছে সহকর্মীদেরই! বিস্ফোরক দাবি ইউক্রেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চলছে ৩ বছর ধরে। সম্প্রতি ইউক্রেন (Ukraine) এক বিস্ফোরক দাবি করেছে, রাশিয়ার সেনাবাহিনীতে নরখাদকদের অন্তর্ভুক্ত করে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে (Russian Soldier)। এমনকি কিছু সৈনিক সহযোদ্ধাকে হত্যা করে তাদের দেহ ভক্ষণ করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    ভয়ঙ্কর তথ্য প্রকাশ করল ইউক্রেনের গোয়েন্দা বিভাগ

    কিয়েভের গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, রুশ সরকার (Russian Soldier) যুদ্ধের জন্য বিপুল সংখ্যক অপরাধী, খুনি, ধর্ষক, ডাকাত এমনকি নরখাদকদের জেল থেকে মুক্তি দিয়ে সামনের সারিতে যুদ্ধ করতে পাঠাচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছে বহু কুখ্যাত অপরাধী, যারা অতীতে হত্যাকাণ্ড ও নরখাদকতার অভিযোগে দণ্ডিত হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ, ডেনিস গোরেন নামের এক অপরাধীকে ২০১২ সালে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে চারজনকে খুন ও অন্তত একজনের দেহ খাওয়ার অভিযোগে আদালত ২২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। নিকোলো ওকোলোবিয়াক নামের আরেক ব্যক্তি দুই মহিলাকে হত্যা করে তাদের মাংস খাওয়ার দায়ে কারাগারে ছিল। এখন তাদের মতো আরও অনেককেই মুক্তি দিয়ে রুশ সেনায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ইউক্রেনের (Ukraine)।

    সহকর্মীদেরও হত্যা করে দেহ খাচ্ছে, দাবি ইউক্রেনের

    ডেইলি মেলের এক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দামিত্রি মালিশেভ নামের এক অপরাধী তিনজনকে খুন করে তাদের হৃদপিণ্ড রান্না করে খেয়েছিলেন। তাকেও বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে (Russian Soldier) পাঠানো হয়েছে। একইভাবে আলেকজান্ডার মাসলেনিকভ নামে একজন ধর্ষক ও খুনিকে ২০২৪ সালে মুক্তি দিয়ে যুদ্ধে নিয়োজিত করা হয়। এইসব অপরাধীদের মানসিকতা যুদ্ধক্ষেত্রেও অপরিবর্তিত রয়েছে বলে দাবি ইউক্রেনের। ইউক্রেনের গোয়েন্দাদের আরও দাবি, অনেক ক্ষেত্রেই তারা নিজেদের সহকর্মীদেরও হত্যা করে দেহ খাচ্ছে। শুধু শত্রু নয়, নিজেদের সেনাদের মাঝেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এই অপরাধীদের নিয়ে।

    চলছে যুদ্ধ

    ইউক্রেনের ভূখণ্ডে রাশিয়া অব্যাহত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ সেনার (Russian Soldier) আক্রমণে প্রায় ৪০০ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া রাশিয়ার দখলে গেছে সীমান্তবর্তী একাধিক এলাকা। ধ্বংস হয়েছে চারটি যুদ্ধবিমান, সাতটি সাঁজোয়া যান, একটি কামান ও তিনটি সামরিক ট্রাক। রুশ সেনার দাবি অনুযায়ী, ইউক্রেনের ৪২৫ জন সেনাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বড় একটি অংশ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Glass Bottles: প্লাস্টিকের তুলনায় কাচের বোতলে ৫০ শতাংশ বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকে, বলছে গবেষণা

    Glass Bottles: প্লাস্টিকের তুলনায় কাচের বোতলে ৫০ শতাংশ বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকে, বলছে গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ফ্রান্সের ফুড সেফটি এজেন্সি একটি সমীক্ষা চালিয়েছে (French Study)। এই সংস্থা জানিয়েছে, প্যাকেজিং সুরক্ষা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের যে ধারণা রয়েছে, বাস্তবে তার সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র উঠে এসেছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, প্লাস্টিকের বোতলে বিক্রি হওয়া জল, সোডা, বিয়ার বা মদের তুলনায় কাঁচের বোতলে (Glass Bottles) বিক্রি হওয়া একই ধরনের পানীয়তে অনেক বেশি পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকে। ওই গবেষণায় জানানো হয়েছে, কাঁচের বোতলে প্রতি লিটারে গড়ে ১০০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গিয়েছে, যা প্লাস্টিক বা ধাতব পাত্রে থাকা পানীয়র তুলনায় প্রায় ৫০ গুণ বেশি (Glass Bottles)।

    গবেষণা দলের সদস্য কী বলছেন এবিষয়ে?

    গবেষণা শুরু হওয়ার সময় গবেষকরা ধারণা করেছিলেন যে কাঁচের বোতল তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হবে। গবেষণা দলের সদস্য ইসলাইন শাইব বলেন, আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম কাচের বোতল (Glass Bottles) বেশি নিরাপদ হবে, কিন্তু দেখা গেল বিষয়টি ঠিক তার উল্টো। গবেষণায় দেখা যায়, প্লাস্টিকের বোতলে প্রতি লিটারে গড়ে ১.৬টি কণা পাওয়া যায়, আর কাঁচের বোতলে পাওয়া যায় গড়ে ৪.৫টি কণা।

    কীভাবে কমানো যাবে এই দূষণ?

    সব ধরনের পানীয় যেমন, বিয়ার, লেমনেড, এই জাতীয় বোতলজাত পানীয়তে প্রতি লিটারে ৩০ থেকে ৬০টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, এসব পানীয়তে উচ্চমাত্রার মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ রয়েছে। গবেষকরা আরও বলেন, অনেক সময় এই ড্রিংকস বোতলগুলো (Glass Bottles) ক্যাপ দিয়ে সিল করা থাকে, তবুও এর ভেতরে দূষণ প্রবেশ করে। তবে তাঁরা এটাও জানিয়েছেন, মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ কমানোর কিছু কার্যকর উপায় রয়েছে (French Study), যেমন বোতলের ভেতরের অংশ শুকনো করে, জল বা অ্যালকোহল দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করলে প্রায় ৬০ শতাংশ দূষণ কমানো সম্ভব। গবেষকরা মনে করেন, পানীয় প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো এই পদ্ধতিগুলি গ্রহণ করলে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ অনেকাংশে কমানো যেতে পারে (French Study)।

  • USA: ইরানে আক্রমণ মার্কিন সেনার! হামলা ৩ পরমাণু কেন্দ্রে, এবার ফিরবে শান্তি, বললেন ট্রাম্প

    USA: ইরানে আক্রমণ মার্কিন সেনার! হামলা ৩ পরমাণু কেন্দ্রে, এবার ফিরবে শান্তি, বললেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Trump) ঘোষণা করেন যে, তাঁরা ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে ও ইজরায়েলের পক্ষে এই যুদ্ধে যোগ দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA)। প্রসঙ্গত, শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন যে, ইজরায়েলের পক্ষ থেকে যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এই যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যোগ দেবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে তিনি দুই সপ্তাহ সময় নেবেন। কিন্তু ঠিক দু’দিনের মাথাতেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালাল।

    কোন তিন পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালাল মার্কিন বিমান বাহিনী?

    ইরানের ফোর্ডো, নাটানজ ও এসফাহান, এই তিনটি পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলার পর সব বিমান বর্তমানে নিরাপদে ইরানের আকাশসীমার বাইরে অবস্থান করছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই একটি পোস্টে লিখেছেন, মহান মার্কিন যোদ্ধাদের অভিনন্দন। বিশ্বে আর কোনও সামরিক বাহিনী এটি করতে পারত না, যা তারা করে দেখিয়েছে। এখন শান্তির সময়। তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল এবং সমগ্র বিশ্বের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। ইরানকে এখন এই যুদ্ধ শেষ করতেই হবে।

    কী বললেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু?

    এই হামলার পর ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেন, “রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প এবং আমি প্রায়ই বলি, শক্তির মাধ্যমে শান্তি আসে। প্রথমে শক্তি, তারপর শান্তি।” প্রসঙ্গত, ইরানে এই হামলা চালানোর পরই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানেই তিনি বলেন, “ইজরায়েলের সঙ্গে বিরোধ শেষ না করলে ইরানের ওপর আরও হামলা চালানো হবে।”
    সাংবাদিকদের তিনি (Trump) বলেন, “হয় শান্তি আসবে, নয়তো এভাবেই যুদ্ধ চলবে।” মার্কিন রাষ্ট্রপতি (USA) বলেন, “এই হামলার উদ্দেশ্য হল ইরানের পারমাণবিক উৎপাদন এবং পরমাণু বোমার হুমকিকে চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া।”

  • Swiss National Bank: গত এক দশকে সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ কমেছে ১৮ শতাংশ

    Swiss National Bank: গত এক দশকে সুইস ব্যাংকে ভারতীয়দের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ কমেছে ১৮ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত এক দশকে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকে (Swiss National Bank) ভারতীয় গ্রাহকদের গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ২০১৫ সালে সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকে ভারতীয়দের আমানতের পরিমাণ ছিল ৪২৫ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। এটি একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন।

    করোনার সময় বেড়ে গিয়েছিল আমানতের পরিমাণ (Swiss National Bank)

    ব্যাংক কর্তৃপক্ষ যে তথ্য সামনে এনেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, করোনাকালীন সময়ে ভারতীয় গ্রাহকদের আমানতের পরিমাণ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সেই সময় তা পৌঁছে যায় সর্বোচ্চ ৬০২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। তবে মহামারির পর থেকেই আমানতের পরিমাণ ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে শুরু করে। সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (Swiss National Bank) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারতীয়দের আমানতের পরিমাণ ছিল ৩০৯ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা ২০২৪ সালে ৩৭ মিলিয়ন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। যদিও ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালে সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে, সামগ্রিকভাবে বিগত ১০ বছরে টাকা জমানোর প্রবণতা নিম্নমুখী বলেই পরিসংখ্যান জানাচ্ছে।

    অন্যান্য দেশের নাগরিকদের আমানতও হ্রাস পেয়েছে বিগত এক দশকে

    তবে শুধু ভারত নয়, সুইস ব্যাংকের (Swiss National Bank) তথ্য অনুযায়ী, অন্যান্য বেশ কয়েকটি প্রধান অর্থনৈতিক দেশের নাগরিকদের মধ্যেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তাঁরা আগের চেয়ে অনেক কম টাকা জমা রাখছেন সুইস ব্যাংকে (Swiss National Bank Deposits)। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ২০১৫ সালে ব্রিটেনের নাগরিকদের আমানতের পরিমাণ ছিল ৪৪ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৩১ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ। একসময় চিনা আমানতের পরিমাণ ছিল ৫.০১ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৩ বিলিয়নে। একইসঙ্গে দেখা যাচ্ছে, ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যেও সুইস ব্যাংকে টাকা জমা রাখার প্রবণতা কমেছে। ২০১৫ সালে পাকিস্তানের আমানতের পরিমাণ ছিল ৯৪৭ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা ২০২৪ সালে কমে হয়েছে মাত্র ২৪১ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ—অর্থাৎ প্রায় ৭৫ শতাংশ হ্রাস। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের আমানতের পরিমাণ ছিল ৪৮ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১২.৬ মিলিয়নে। প্রায় ৭৩ শতাংশ হ্রাস। সৌদি আরবের ক্ষেত্রেও একই চিত্র। ১০ বছর আগে সৌদি নাগরিকদের আমানতের পরিমাণ ছিল ৮.৩ বিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ৪.৮ বিলিয়নে।

  • Ramakrishna 387: পাকা খেলোয়াড়ের কিছু ভয় নাই

    Ramakrishna 387: পাকা খেলোয়াড়ের কিছু ভয় নাই

    ঠাকুর ঘরে প্রবেশ করিলেন। ভক্তদের গায়ে আবির দিলেন। সকলেই প্রণাম করিতে লাগলেন। অপরাহ্ণ হইল। ভক্তরা এদিক-ওদিক বেড়াতে লাগিলেন। ঠাকুর মাস্টারের সঙ্গে চুপিচুপি কথা কইতেছেন। কাছে কেহ নাই। ভক্তদের কথা কহিতেছেন। বলছেন, আচ্ছা সবাই বলে বেশ ধ্যান হয়। পল্টুর ধ্যান হয় না কেন?

    নরেন্দ্রকে তোমার কি রকম মনে হয়? বেশ সরল তবে সংসারের অনেক তাল পড়েছে। তাই একটু চাপা ও থাকবে না।

    ঠাকুর মাঝে মাঝে বারান্দায় উঠিয়া যাইতেছেন (Kathamrita)। নরেন্দ্র একজন বেদান্তবাদীর সঙ্গে বিচার করছেন। ক্রমে ভক্তেরা আবার ঘরে আসিল। মহিমাচরণকে স্তব পাঠ করিতে বলিলেন। তিনি মহান নির্বাণ তন্ত্র হইতে স্তব বলিতেছেন।

    (গৃহস্থের প্রতি অভয়) (Kathamrita)

    আরও দুই একটি স্তবের পর মহিমাচরণ শংকরাচার্যের স্তব বলিতেছেন। তাহাতে সংসার কূপের, সংসার গহনের কথা আছে। মহিমাচরণ সংসারী ভক্ত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মহিমার প্রতি) (Ramakrishna)- সংসার কূপ, সংসার গহন কেন বল? ও প্রথম প্রথম বলতে হয় তাকে ধরলে আর ভয় কি তখন-

    এই সংসার মজার কুটি
    আমি খাই দাই আর মজা লুটি
    জনক রাজা মহাতেজা
    তার কিসে ছিল ত্রুটি!
    সে যে এদিক-ওদিক দুদিক রেখেছিল দুধের বাটি

    কি ভয়! তাঁকে ধর। কাঁটাবন হলেই বা। জুতো পায়ে দিয়ে কাঁটাবনে চলে যাও। কিসের ভয় যে বুড়ি ছোঁয়, সে কি আর চোর হয়।

    জনক রাজা দুখানা তলোয়ার ঘোরাত (Ramakrishna)। একখানা জ্ঞানের, একখানা কর্মের। পাকা খেলোয়াড়ের কিছু ভয় নাই। এরুপ ঈশ্বরীয় কথা চলিতেছে। ঠাকুর ছোটখাটটিতে বসে আছেন। খাটের পাশে মাস্টার বসে আছেন।

  • Daily Horoscope 22 June 2025: ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 22 June 2025: ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কোনও ভয় আপনাকে হতবুদ্ধি করে ফেলতে পারে।

    ২) আবেগের বশে কাজ করলে বিপদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ২) মাত্রাছাড়া রাগ আপনার ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে বিরোধে মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ২) আপনার রসিকতা অপরের বিপদ ডেকে আনতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    তুলা

    ১) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ২) ইচ্ছাপূরণ হওয়ার দিন।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ২) বাড়তি খরচের জন্য সংসারে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) শরীর খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন ব্যাকুল থাকবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Rath Yatra: মালদায় ৬০০ বছরেরও বেশি পুরনো রথের মেলার অনুমতি দিল না মমতা-পুলিশ

    Rath Yatra: মালদায় ৬০০ বছরেরও বেশি পুরনো রথের মেলার অনুমতি দিল না মমতা-পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৬০০ বছরেরও বেশি পুরনো রথের মেলার অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ উঠল মমতা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, মালদার কালিয়াচকের জালালপুরে মন মহাপ্রভু মন্দির সংলগ্ন এলাকায় প্রতিবছর আয়োজিত হয় এই ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা (Rath Yatra)। চলতি বছর মেলার উদ্যোক্তাদের কালিয়াচক থানা থেকে জানানো হয়েছে, মেলা করা যাবে না। রথের মেলা বন্ধ হতেই মমতা সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই বলছেন, মমতা জমানায় কেন বারবার কোপের মুখে পড়তে হচ্ছে হিন্দু উৎসবকে? এর কারণ কি তোষামোদের রাজনীতি? মুসলিম-তোষণ, মুসলিমদের কোনও পরবে কোনও বাধা নেই। হিন্দুদের উৎসব হলেই আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন হওয়ার আশঙ্কা কেন থাকে প্রশাসনের?

    প্রশাসনের সিদ্ধান্তে ক্ষুদ্ধ উদ্যোক্তারা (Malda News)

    এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন উদ্যোক্তারা। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা দাবি করেছেন, আইন-শৃঙ্খলার অজুহাতে মেলার অনুমতি দিচ্ছে না প্রশাসন। তবে এখানেই থেমে থাকবেন না বলেও জানান তাঁরা। উদ্যোক্তারা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানা গেছে। স্থানীয় গবেষকদের মতে, কালিয়াচকের জালালপুরে মন মহাপ্রভু মন্দিরের এই রথের মেলা চলতি বছরে ৬২৯ বছরে পা দিতে চলেছে। প্রতি বছর রথ যাত্রার (Rath Yatra) দিন থেকেই শুরু হয় এই মেলা। রথের দড়িতে টান পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই জমে ওঠে মেলা। সেই সময় দোকানপাট, মিষ্টির দোকান, নাগরদোলা সহ নানা কিছুর সমাহারে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

    পুলিশের যুক্তি

    তবে এবারই প্রথম, যখন এই মেলার অনুমতি দিল না পুলিশ (Malda News)। উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, প্রতিবছরের মতো এবারও তাঁরা পুলিশের কাছে লিখিতভাবে অনুমতির জন্য আবেদন করেন। পুলিশ রথযাত্রার (Rath Yatra) অনুমতি দিলেও মেলার অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, রথের মেলাকে ঘিরে অসামাজিক কার্যকলাপ হতে পারে। এমনকি, অতীতে মেলাকে কেন্দ্র করে খুনের ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি তাদের। তাই আইন-শৃঙ্খলার কারণ দেখিয়েই মেলার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

    অযৌক্তিক কথা বলছে পুলিশ! দাবি উদ্যোক্তাদের

    এই অবস্থানে ক্ষুব্ধ উদ্যোক্তারা। তাঁদের অভিযোগ, কয়েক শতাব্দী পুরনো ঐতিহ্যবাহী মেলার (Rath Yatra) বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, তাঁরা আরও বলেন, পুলিশের কাজ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করা—সেই কাজে ব্যর্থ হলে মেলাকে দায়ী করা যায় না। তাঁদের প্রশ্ন, হাসপাতালেও তো প্রতারণা হয়, তবে কি হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হবে? উদ্যোক্তারা আরও জানান, এই মেলা শুধুই ধর্মীয় উৎসব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্থানীয় অর্থনীতি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বহু মানুষ মেলায় অংশগ্রহণ করেন। এলাকার বহু মানুষের জীবিকা এই মেলার উপর নির্ভরশীল। তাই মেলার অনুমতি আদায়ে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

    ঐতিহ্যবাহী রথের মেলা

    প্রসঙ্গত, কালিয়াচকের এই রথযাত্রা (Rath Yatra) ও মেলা অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী এবং প্রাচীন। গবেষকদের দাবি, বেণীমাধবের পঞ্জিকাতেও এই রথযাত্রার উল্লেখ রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এটি ‘জালালপুর রথযাত্রা’ নামেই পরিচিত। শুধু মালদা নয়, প্রতিবছর আশপাশের জেলা থেকেও বহু মানুষ এই রথ ও মেলা উপলক্ষে এখানে ভিড় জমান। মেলাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উৎসবের জন্য নিজস্ব জমিও রয়েছে এবং তা দেবোত্তর সম্পত্তির অন্তর্ভুক্ত। তবু এবছর সেই মেলার অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। আর তা নিয়েই তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

    রথযাত্রা উৎসব কমিটির সম্পাদক কী বলছেন?

    রথযাত্রা উৎসব কমিটির সম্পাদক গৌতম মণ্ডল জানান, প্রতি বছর ৯ দিন ধরে রথযাত্রা উৎসব পালিত হয় এবং এতে বিপুল জনসমাগম হয়। তবে এবারে পুলিশ অনুমতি দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তাঁর। তাই বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি। এখনও পর্যন্ত অনুমতি মেলেনি। গৌতম মণ্ডলের আশঙ্কা, যদি উৎসব বন্ধ হয়ে যায়, তবে দেবোত্তর জমি দখল করে সেখানে জমি মাফিয়ারা প্লট তৈরি করে বিক্রি করতে পারে।

    কী বলছে বিজেপি?

    উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি পুলিশ অনুমতি না দেয়, তাহলে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন এবং প্রয়োজনে আন্দোলনেও নামবেন। পুলিশের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে গেরুয়া শিবির। মালদা দক্ষিণ বিজেপির সাংগঠনিক সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, পুলিশ শাসকদলের তাঁবেদারি করছে। তাঁর দাবি, দেবোত্তর জমির উপর এই রথযাত্রা উৎসব হয়, তা দখল করতে জমি মাফিয়াদের সাহায্য করছে পুলিশ।

  • DGCA: কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ! কেন্দ্রের নির্দেশে তিন শীর্ষকর্তাকে সরাল এয়ার ইন্ডিয়া

    DGCA: কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ! কেন্দ্রের নির্দেশে তিন শীর্ষকর্তাকে সরাল এয়ার ইন্ডিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের নির্দেশে সংস্থার তিন শীর্ষকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরাল এয়ার ইন্ডিয়া। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ নিয়ন্ত্রক সংস্থা, অর্থাৎ ডিজিসিএ (DGCA)-র নির্দেশে এই পদক্ষেপ করল টাটার মালিকানাধীন বিমান সংস্থা। প্রসঙ্গত, এই তিন আধিকারিক এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) বিমান কর্মীদের বিভিন্ন সূচি নির্ধারণের (Roster Management) দায়িত্বে ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিগত কয়েকদিন ধরেই তাঁরা কর্তব্যে গাফিলতি করেছেন। ডিজিসিএ-র বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই তিন শীর্ষকর্তার বিরুদ্ধে কাজের নিয়ম না মানার অভিযোগ রয়েছে। তারা বারবার একই ভুল করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

    কর্তব্যে গাফিলতি

    কোনও কোনও কর্মীর ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, বাধ্যতামূলক লাইসেন্স ছাড়াই তাঁদের বিমানে ডিউটি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, কিছু কর্মীকে টানা ডিউটি করানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় বিশ্রামের সুযোগও দেওয়া হয়নি। এই অভিযোগ পাওয়ার পরই ডিজিসিএ তিনজন দায়িত্বপ্রাপ্ত শীর্ষ আধিকারিককে চিহ্নিত করে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে (DGCA)।

    তিন শীর্ষ আধিকারিকের পরিচয় (DGCA)

    বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিজিসিএ যে তিনজন শীর্ষকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়েছে, তাঁরা হলেন, এয়ার ইন্ডিয়ার ডিভিশনাল ভাইস প্রেসিডেন্ট চুরা সিং, ডিরেক্টর অফ অপারেশনস (ক্রু সিডিউলিং) পিঙ্কি মিত্তল এবং ক্রু সিডিউলিং-এর চিফ ম্যানেজার পায়েল অরোরা। আগেই ডিজিসিএ-র (DGCA) বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘‘এয়ার ইন্ডিয়া স্বেচ্ছায় জানিয়েছে, বিমানকর্মীদের সূচি নির্ধারণ, নিয়মানুবর্তিতা এবং অভ্যন্তরীণ জবাবদিহিতে গাফিলতি হয়েছে। এই গাফিলতির সঙ্গে যে আধিকারিকরা সরাসরি যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হয়নি, এটা উদ্বেগের।’’

    অভ্যন্তরীণ তদন্তের নির্দেশ (DGCA)

    কর্তৃপক্ষের নির্দেশ, খুব শীঘ্রই তাঁদের বিরুদ্ধে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করতে হবে এবং ১০ দিনের মধ্যে সেই তদন্তের রিপোর্ট ডিজিসিএ-কে জমা দিতে হবে। প্রসঙ্গত, অল্প কিছু দিন আগে আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বোয়িং ড্রিমলাইনার দুর্ঘটনায় পড়ে, যাতে ২৭১ জনের মৃত্যু হয়। রানওয়ে ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি একটি ভবনে ধাক্কা খায়। এই ঘটনার পর এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং বেশ কিছু উড়ান বাতিল করা হয়। এবার ওই সংস্থার তিন শীর্ষ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘উদ্বেগজনক আইনশৃঙ্খলা, মোতায়েন করুন আধাসেনা’’, শাহকে সুকান্তর চিঠি

    Sukanta Majumdar: ‘‘উদ্বেগজনক আইনশৃঙ্খলা, মোতায়েন করুন আধাসেনা’’, শাহকে সুকান্তর চিঠি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পশ্চিমবঙ্গে যে সমস্ত স্পর্শকাতর অঞ্চল রয়েছে, সেগুলিতে আধাসেনা মোতায়েনের আর্জি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বজবজে সুকান্ত মজুমদারের দিকে জুতো ছোড়া হয়। এরপর শুক্রবার কলকাতায় পুলিশ প্রশাসনের বাধার সম্মুখীন হতে হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি‌কে। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে ওই চিঠিতে উল্লেখ করেছেন সুকান্ত মজুমদার এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

    কী লেখা হল চিঠিতে?

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ডায়মন্ডহারবারে তাঁর (Sukanta Majumdar) সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনা এবং শুক্রবার কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন সহ অন্যান্য কর্মসূচির সময় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ তিনি চিঠিতে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, পুলিশের শীর্ষকর্তারা তাঁদের কর্তব্যে গাফিলতি করছেন। শুক্রবার নেতাজি ভবনের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ তাঁকে অন্যায়ভাবে আটকানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করেছেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। পরবর্তীকালে, চিকিৎসক রজত শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাওয়ার পথেও তাঁকে বেআইনিভাবে আটকানো হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় সেটিও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি। সূত্রের খবর, চিঠির একেবারে শেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। এর পাশাপাশি, জনপ্রতিনিধি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধাসেনা মোতায়েনের কথা বলেছেন তিনি।

    জেলা প্রশাসন কর্তব্যে গাফিলতি করছে, অভিযোগ সুকান্তের

    বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, জেলা প্রশাসন কর্তব্যে গাফিলতি করছে এবং নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এছাড়াও, যে সমস্ত আধিকারিক কর্তব্যে গাফিলতি করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, চিকিৎসক রজত শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar) হেফাজতে নেওয়ার পরে লালবাজার নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর সন্ধ্যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি‌কে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপরেই রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন ও মমতা সরকারকে তোপ দাগেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    তোপ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে

    লালবাজার থেকে ছাড় পেয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘আমাদের যেভাবে হেনস্তা করা হয়েছে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। গণতন্ত্র আরও একবার ভূলুণ্ঠিত হল রাস্তায়।’’ তিনি বলেন, ‘‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর প্রতিবেশী চিকিৎসক রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করিয়েছেন। যে ব্যক্তি তাঁর নিজের প্রতিবেশি হতে পারে না, সে কি জনগণের হতে পারে? আমি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের কাছে এই প্রশ্নটা করতে চাই, একজন সাংসদ যিনি তাঁর প্রতিবেশীর খবর রাখেন না, প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করান। পুলিশ এখনও পর্যন্ত জানাননি আমাকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে? এরপরই কটাক্ষ করে বলেন, পিসির আঁচলের তলায় থেকে হাডুডু খেলতে বলুন। সকাল বেলায় জিমে গিয়ে ব্যায়াম করতে বলুন এবং সাপ্লিমেন্ট খেতে বলুন ওই দিয়ে ওনার চলবে।’’

    পুলিশকে তুলোধনা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    পুলিশের ভূমিকায় চরম ক্ষুব্ধ বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘একজন চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার জন্য যেভাবে আমাকে এবং ওই চিকিৎসককে পুলিশ টেনে হিঁচড়ে গাড়ি তুলে থানায় নিয়ে গেল, গ্রেফতার করল তা তো হিটলারের শাসনকেও হার মানাবে। এর বিরুদ্ধে আমি আদালতে যাব। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও (Amit Shah) চিঠি করব। স্পিকারকে চিঠি লিখব প্রিভিলেজ মোশন আনার জন্য।’’ সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, ‘‘এ ব্যাপারে তিনি পুলিশকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল, তা সত্ত্বেও খোদ পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হল।’’

    প্রতিহিংসার রাজনীতি করছেন মমতা, অভিযোগ চিকিৎসক রজতশুভ্রের

    প্রসঙ্গত, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার যাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, সেই চিকিৎসক রজত শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অক্সফোর্ড সফরে কেলগ কলেজের অনুষ্ঠানে আরজি করের ঘটনায় প্রতিবাদ জানান। বিজেপির দাবি, তারপর থেকেই তাঁকে নজরে রাখছে রাজ্য প্রশাসন। নানাভাবে হেনস্থার চেষ্টাও করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে তিনি বলেন, ‘‘কেলগ কলেজে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেছিলাম উনি উত্তর দিতে পারেননি। তাই এখানে আসতেই পুলিশ জোর করে থানায় তুলে নিয়ে গেল। এটা প্রতিহিংসা।’’

    আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি চিকিৎসকের

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার সুকান্ত মজুমদার চিকিৎসক রজতশুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে গেলে পুলিশ জানায়, তিনি বাড়িতে নেই। তবে চিকিৎসক জানান, তিনি সুকান্তের অপেক্ষাতেই ছিলেন। এতে শুরু হয় উত্তেজনা। পুলিশ মিথ্যে বলেছে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। এরপর রজতশুভ্র নিজে বাইরে এসে সুকান্তের সঙ্গে কথা বলেন। এরপর দু’জনে একটু এগোতেই ভবানীপুর থানার পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পরিস্থিতি জটিল হতেই দু’জনকেই প্রথমে আটক, পরে গ্রেফতার করা হয়। ক্ষুব্ধ চিকিৎসক এও বলেন, ‘‘আমার দাদু কানাইলাল চট্টোপাধ্যায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। উনি ফাঁসিকে ভয় পাননি। সেই রক্ত আমার শরীরেও বইছে। পুলিশ এভাবে ভয় দেখিয়ে থামাতে পারবে না। আমি এতজন ব্রিটিশ নাগরিক। আমার সঙ্গে পুলিশ যেটা করল, তা আইন বিরুদ্ধ কাজ। আদালতে ওদের জবাবদিহি করতে হবে।’’

  • RSS: যোগাভ্যাসকে আরএসএস-এর শাখায় আবশ্যক করেন সংঘ প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার

    RSS: যোগাভ্যাসকে আরএসএস-এর শাখায় আবশ্যক করেন সংঘ প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৫ সালে। প্রতিষ্ঠা করেন ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার। ভারতীয় যুবকদের সংগটিত করতে, তাঁদের মধ্যে দেশপ্রেম ও জাতীয়তাবাদের আদর্শের বীজ রোপণ করতে তিনি এই সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এর পাশাপাশি দেশের যুবকদের শারীরিক এবং মানসিক বিকাশ এবং শৃঙ্খলাপরায়ণ জীবন যাপনের ক্ষেত্রে তার সঙ্গেই যুক্ত করা হয় যোগাভ্যাসকে, যাতে যুবকদের আধ্যাত্মিক এবং মানসিক উন্নতি হয়। তাই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শাখাতে সূর্য নমস্কার, প্রণায়াম, ধ্যান এবং আরও বিভিন্ন যোগাসন করানো হতে থাকে তখন থেকেই।

    যোগাভ্যাসের কথা বলতেন আরএসএস-এর দ্বিতীয় সরসংঘচালক

    যোগাভ্যাসের (Yoga) মাধ্যমে স্বয়ংসেবকদের মধ্যে গড়ে উঠতে থাকে, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সমাজসেবা, সম্প্রীতি এবং আধ্যাত্মিকতা প্রভৃতি গুণ। জানা যায়, ডাক্তার কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার নিয়মিতভাবে যোগাভ্যাস করতেন এবং তিনি শাখা পদ্ধতিতেও (RSS) যোগাভ্যাসকে রেখেছিলেন। পরবর্তীকালে গুরু গোলওয়ালকর, যিনি সংঘের দ্বিতীয় সরসংঘচালক, তিনিও যোগাভ্যাসকে আরএসএস-এর অংশ হিসেবেই রেখে দেন। গুরুজি গোলওয়ালকর বলতেন, যদি জনগণ যোগাসন করে, তাহলে তাদের স্বাস্থ্য যেমন রক্ষা হয়, সেরকমই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। জনস্বাস্থ্য এই যোগাভ্যাসের মাধ্যমে উন্নত হবে এবং তাদের রোগ নিরাময়ে ওষুধ কেনার খরচও কমবে। সমস্ত দিক থেকেই তারা লাভবান হবে।

    যোগ হল বিশ্বমঞ্চে ভারতের উপহার, প্রস্তাব পাশ হয় আরএসএস-এর প্রতিনিধি সভায়

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS) মনে করে যে, যোগ শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির উন্নতির জন্য কোনও অভ্যাস বা অনুশীলন নয়, এটি হচ্ছে সামাজিক উন্নতির জন্যই প্রয়োজন। যোগের মাধ্যমে দেশ গঠিত হবে। দেখা যায়, আরএসএস-এর বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ বর্গে যোগাসন এবং ধ্যানকে বর্তমানে রাখা হয়। যোগ-এর মাধ্যমে স্বয়ংসেবকরা শৃঙ্খলা, উৎসাহ, শারীরিক সুস্থতা পান, যা তাঁদের সমাজের কাজ করতে আরও উৎসাহিত করে। বর্তমানে যোগাভ্যাস আবশ্যিক করা হয়েছে আরএসএস-এর যে কোনও প্রশিক্ষণ শিবিরে। যে কোনও শাখাতেও যোগাভ্যাস চলে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তুলে বিশ্ব মঞ্চে তুলে ধরেছেন যোগ-এর গুরুত্ব (Yoga)। ২০১৫ সালে আরএসএস-এর অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভাতে প্রস্তাব পাস করা হয় যে যোগ হল বিশ্বমঞ্চে ভারতের উপহার।

    ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা রাষ্ট্রসংঘের

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘের ৬৯তম সাধারণ সভায় ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়, যা ছিল প্রত্যেক ভারতবাসীর জন্য গর্বের মুহূর্ত, কারণ যোগাভ্যাস ভারত থেকে উদ্ভূত। ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় এই প্রস্তাবটি রাখেন। নেপালসহ ১৭৫টি রাষ্ট্র এই প্রস্তাবকে সমর্থন করে। পরবর্তীকালে রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় প্রস্তাবটি গৃহীত হয় ২০১৪ সালের ১১ ডিসেম্বর।

    সংস্কৃতিভেদে বিশ্বজুড়ে চলছে যোগ-এর অনুশীলন

    সারা বিশ্বজুড়ে অজস্র মানুষ বর্তমানে নানারকম সমস্যায় ভুগছেন, শারীরিক সমস্যা, মানসিক সমস্যা। যোগ হল একমাত্র উপায় বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে এই সমস্যাগুলির নিরাময় সম্ভব এবং তা প্রাকৃতিক উপায়ে সম্ভব। তাই বিশ্বব্যাপী এই যোগাভ্যাসের জনপ্রিয়তা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। মানুষ যোগকে গ্রহণ করেছেন তাঁদের সুস্থ থাকার জন্য, মানসিক ও শারীরিক উন্নতির জন্য। যোগ তাই আজ নির্দিষ্ট কোনও গণ্ডির মধ্যে আবদ্ধ নেই। পৃথিবীর যে কোনও সাধারণ মানুষ থেকে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা প্রত্যেকেই আজ যোগাভ্যাস করেন। এর মধ্যে আছেন বড় বড় শিল্পপতি থেকে কূটনীতিকরাও।

    যোগ শব্দের উৎপত্তি কীভাবে, ব্যাখ্যা করেছে আরএসএস

    ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভাতে (RSS) যোগের উপর যে প্রস্তাবনা হয়, সেখানে স্পষ্টভাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ব্যাখ্যা করে যে যোগের মূলগত উৎস এসেছে ‘যুজ’ (Yug) থেকে, যার অর্থ সংযুক্তিকরণ। যোগাসন শুধুমাত্র একটি শারীরিক অনুশীলন নয়। মহর্ষি পতঞ্জলির মতে, এটি হল একটি পবিত্র জীবনযাপনের অনুশীলন, যা মানুষের শরীর, মন, বুদ্ধি এবং আত্মাকে একত্রিত করে। বিভিন্ন হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে, যোগাভ্যাসের নানা পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। বিভিন্ন হিন্দু ধর্মশাস্ত্রে বলা হয়েছে—যোগব্যায়াম অশান্ত মনকে শান্ত করে। যোগ শব্দের অর্থ হলো মনের প্রশান্তি। এই ব্যাখ্যার ফলে এই দর্শনকে অনুসরণ করে নিজেদের জীবনে যোগাভ্যাসকে নিয়মিতভাবে অনুশীলন করে আজ ব্যক্তিজীবন সুন্দর ও শান্তিময় হয়ে উঠেছে।

    ভারতীয় সাধু-সন্ত, যোগ গুরু এবং যোগ প্রশিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়েছে আরএসএস

    আরএসএস বিভিন্ন সময়ে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ভারতীয় সাধু-সন্ত, যোগ গুরু এবং যোগ প্রশিক্ষকদের, যাঁরা বিশ্বমঞ্চে যোগাভ্যাসকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন। একইসঙ্গে আরএসএস ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারতীয় কূটনীতিকদের, যাঁরা রাষ্ট্রসংঘসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালনে অবদান রেখেছেন। অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা কেন্দ্রীয় সরকার তথা প্রতিটি রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে, তারা যেন যোগকে শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং গবেষণার কাজেও অন্তর্ভুক্ত করে, যাতে সমাজের প্রতিটি স্তরে যোগাভ্যাসের প্রসার ঘটানো যায়।

LinkedIn
Share