Category: বিনোদন

Get updates on Entertainment News Celebrities, Hollywood, Bollywood, Tollywood Movies, Web series, OTT from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Asha Bhosle: আশা ভোঁসলের ৯৩তম জন্মবার্ষিকীতে প্রকাশ্যে এল তাঁর শেষ ছবির গান

    Asha Bhosle: আশা ভোঁসলের ৯৩তম জন্মবার্ষিকীতে প্রকাশ্যে এল তাঁর শেষ ছবির গান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আশা ভোঁসলের ৯৩তম জন্মবার্ষিকীতে প্রকাশ্যে এল তাঁর শেষ ছবির গান ‘এই মেরি জিন্দেগি’। ২০২৩ সালের শেষ দিকে গানটি রেকর্ড করেছিলেন কিংবদন্তি গায়িকা। হরিশ ব্যাস পরিচালিত বাবা-ছেলের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কাহিনি ‘ওম কা হরি’ ছবিতে গানটি (Final Film Song) ব্যবহার করা হয়েছে। ছবিতে (Asha Bhosle) অভিনয় করেছেন রঘুবীর যাদব, অংশুমান ঝা এবং সোনি রাজদান। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর হলে মুক্তি পাওয়ার কথা ছবিটির।

    আশা ভোঁসলের মৃত্যুর কয়েক মাস পর ছবির নির্মাতারা ইউটিউবে গানটি প্রকাশ করেছেন। প্রকাশিত গানের সঙ্গে থাকা ভিডিওতে স্টুডিয়োতে গান রেকর্ড করার সময় আশার বেশ কিছু মুহূর্ত ধরা পড়েছে। পাশাপাশি ছবির নির্মাতাদের এবং অভিনেতা অংশুমান ঝার সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের কিছু দৃশ্যও রয়েছে। ফলে এটি শুধুমাত্র গান প্রকাশের ভিডিও নয়, বরং আশার শেষ ছবির গান তৈরির নেপথ্যের কিছু মুহূর্তও তুলে ধরেছে।

    ‘এই মেরি জিন্দেগি’ (Asha Bhosle)

    ‘এই মেরি জিন্দেগি’ গানটির সুর করেছেন রাজীব সারং। কথা লিখেছেন প্রদীপ শর্মা খুসরো। গানটি প্রকাশের পর শ্রোতাদের মধ্যেও আবেগের সঞ্চার হয়েছে। ভিডিওতে আশা ভোঁসলেকে বলতে শোনা যায়, কীভাবে তিনি গানটি রেকর্ড করতে রাজি হয়েছিলেন।

    আশা ভোঁসলের কথায়, “ওঁরা যখন আমাকে ফোন করে বলেছিলেন যে গানটি পাঠাচ্ছেন, তখন আমি গানটি শুনেই হ্যাঁ বলে দিয়েছিলাম। আর কিছু জানতে চাইনি। গানটি আমার এতটাই ভালো লেগেছিল।”

    গানটি প্রকাশের পর সোশ্যাল মিডিয়ায়ও আশার অনুরাগীরা আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। এক অনুরাগী লিখেছেন, “স্বর্গ থেকে আরও একটি রত্ন! জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আপনি যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন।” অন্য এক জন লিখেছেন, “সবসময়ই কানে মধু ঢালে। তাঁকে খুব মনে পড়ছে।” আরও অনেকে হার্টের চিহ্ন এবং প্রিয় গায়িকাকে স্মরণ করে নানা বার্তা দিয়েছেন (Asha Bhosle)।

    আশা ভোঁসলে ২০২৬ সালের ১২ এপ্রিল ৯২ বছর বয়সে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে মারা যান। হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে মৃত্যু হয় তাঁর।

    ‘ওম কা হরি’

    ‘এই মেরি জিন্দেগি’ এখন হরিশ ব্যাস পরিচালিত ‘ওম কা হরি’ ছবির অংশ হয়ে উঠেছে। ছবিতে নামভূমিকায় রয়েছেন অংশুমান ঝা এবং রঘুবীর যাদব। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন সোনি রাজদান, সমতা সুদীক্ষা এবং আয়েশা কাপুর। ফার্স্ট রে ফিল্মস প্রযোজিত ছবিটির কেন্দ্রে রয়েছে বাবা ও ছেলের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

    আশার শেষ ছবির গান হিসেবে ‘এই মেরি জিন্দেগি’ প্রকাশ পাওয়ায় গানটি তাঁর দীর্ঘ সংগীতজীবনের একটি বিশেষ স্মারক হয়ে রইল (Final Film Song)। ১৮ সেপ্টেম্বর ছবিটি হলে মুক্তি পেলে বড় পর্দায় তাঁর কণ্ঠের এই শেষ উপহার শোনার সুযোগ পাবেন দর্শকরা (Asha Bhosle)।

     

  • Uttam Kumar Tollygunge Tribute: জন্মশতবর্ষে মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে তারকার মেলা টালিগঞ্জে! শুভেন্দুর আবেদনে উত্তম কুমারকে প্রথম মাল্যদান রঞ্জিত মল্লিকের

    Uttam Kumar Tollygunge Tribute: জন্মশতবর্ষে মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে তারকার মেলা টালিগঞ্জে! শুভেন্দুর আবেদনে উত্তম কুমারকে প্রথম মাল্যদান রঞ্জিত মল্লিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষে বৃহস্পতিবার আবেগ ও স্মৃতিতে ভাসল কলকাতা। টালিগঞ্জে মহানায়কের মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে এদিন টালিগঞ্জে কার্যত বসেছিল চাঁদের হাট। বাংলা চলচ্চিত্র জগতের একের পর এক তারকা, পরিচালক, শিল্পী ও কলাকুশলীর উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।

    রঞ্জিত মল্লিক, প্রসেনজিৎ, ঋতুপর্ণা, দেব, জিৎ থেকে শুরু করে পরিচালক গৌতম ঘোষ—মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির ছিলেন টলিউডের বহু পরিচিত মুখ। উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী, অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ-সহ আরও অনেকে। উত্তম কুমারের সঙ্গে কাজ করা প্রবীণ শিল্পীদের পাশাপাশি বর্তমান প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের উপস্থিতিও এদিনের অনুষ্ঠানে বিশেষ মাত্রা যোগ করে।

    রঞ্জিত মল্লিকের হাতেই প্রথম মাল্যদান

    বাংলা চলচ্চিত্র জগতের প্রবীণ অভিনেতা এবং উত্তম কুমারের সহকর্মী হিসেবে রঞ্জিত মল্লিকের হাতেই প্রথম মাল্যদানের আবেদন করেন শুভেন্দু। সেই মতো নিজের সহকর্মী ও বাংলার মহানায়ক উত্তম কুমারের মূর্তিতে প্রথমে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান রঞ্জিত মল্লিক। এরপর মুখ্যমন্ত্রী নিজে মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানান। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাব রঞ্জিত মল্লিককে। প্রথা অনুযায়ী আমাকে বলা হয়েছিল মালা দিতে কিন্তু আমার মনে হয় ওঁর হাত দিয়েই সূচনা হওয়া উচিত।’এরপর অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষের মতো একটি বিশেষ বছরে তাঁকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

    উত্তম কুমারের ব্যাপ্তি বাংলা ছাড়িয়ে দেশ-বিদেশে

    মহানায়ককে স্মরণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি শ্রদ্ধা জানানোর আগেই প্রধানমন্ত্রী উত্তম কুমারকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, মহানায়কের জনপ্রিয়তা ও সাংস্কৃতিক প্রভাব বাংলা কিংবা ভারতের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়, তা ছড়িয়ে রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। শুভেন্দু বলেন, ‘মহানায়ক সম্পর্কে আমি পোস্ট করার আগে, একদম সকালে মহানায়ককে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।’

    ‘গোটা দেশের জন্য অত্যন্ত গর্বের দিন’, মহানায়ককে শ্রদ্ধা মুখ্যমন্ত্রীর

    জন্মশতবর্ষে উত্তম কুমারকে স্মরণ করে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আজ শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের জন্যই অত্যন্ত গর্বের দিন। বাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া মহানায়কের শিল্পসৃষ্টি এখনও কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে অমলিন হয়ে রয়েছে।’’ উত্তম কুমারের জনপ্রিয়তা ও অবদান নিয়ে নতুন করে মূল্যায়নের প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বাঙালির সাংস্কৃতিক স্মৃতিতে অমর হয়ে রয়েছেন উত্তম কুমার। সমস্ত বাঙালি গর্বিত।’’

    মহানায়কের জন্মশতবর্ষ বিশেষভাবে উদ্‌যাপন

    উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে রাজ্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যেমন শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পালন করা হয়েছে, তেমনই মহানায়কের জন্মশতবর্ষও বিশেষভাবে উদ্‌যাপন করা হচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘আমরা যেমন শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকীকে গুরুত্ব দিয়েছি, মহানায়কের ক্ষেত্রেও তাই। আগামিকাল উত্তমকুমার নামাঙ্কিত প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। তার ভূমি পুজো আছে, আমরা অনুষ্ঠান করব। অনেকগুলো প্রোগ্রাম নিয়েছি,  চারদিন ব্যাপী প্রোগ্রাম আছে।’

    একাধিক উদ্যোগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    জন্মশতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজ্য সরকারের তরফে একাধিক উদ্যোগের কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ৩ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর চার দিনের অনুষ্ঠানেই আয়োজন সীমাবদ্ধ থাকছে না। বছরভর মহানায়ককে কেন্দ্র করে নানা কর্মসূচি চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তম মঞ্চের সংস্কার, মহানায়কের বিভিন্ন মূর্তি সাজানো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে উত্তম কুমারের জীবন ও কর্মকে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

    আহিরীটোলা থেকে টালিগঞ্জ, জন্মদিনে শ্রদ্ধার্ঘ্য

    উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। জন্মদিনের সকালে তাঁর জন্মস্থান আহিরীটোলা এবং দীর্ঘ কর্মজীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা টালিগঞ্জে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বিজলী সিনেমা হলের সামনেও মহানায়ককে স্মরণ করে বিশেষ আয়োজন রয়েছে। তাঁর জনপ্রিয় ছবির দৃশ্য ও চরিত্রকে সামনে রেখে সাজানো হচ্ছে এলাকা। পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরবে পাঁচটি বিশেষ এলইডি ভ্যান। সেখানে প্রদর্শিত হবে উত্তম কুমারের অভিনীত জনপ্রিয় ছবির নানা দৃশ্য এবং তাঁর দীর্ঘ অভিনয় জীবনের স্মরণীয় মুহূর্ত।

    নন্দন থেকে বিড়লা তারামণ্ডল, ‘ট্রিবিউট ওয়াক’

    জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের অন্যতম আকর্ষণ ‘ট্রিবিউট ওয়াক’। নন্দন চত্বর থেকে শুরু হয়ে এসএসকেএম, অ্যাকাডেমি, সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল এবং বিড়লা তারামণ্ডল হয়ে গগনেন্দ্র প্রদর্শনশালা পর্যন্ত এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। রবীন্দ্রসদন প্রাঙ্গণ ও সংলগ্ন এলাকাতেও এদিন বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। বাংলা চলচ্চিত্র জগতের তারকা ও কলাকুশলীদের পাশাপাশি লোকশিল্পী এবং উত্তম কুমারের সঙ্গে কাজ করা অভিনেতা, অভিনেত্রী ও প্রযুক্তিবিদরাও এই আয়োজনে অংশ নেবেন। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি মহানায়কের পরিবারের সদস্যরাও এই পদযাত্রায় পা মেলাবেন বলে জানা গিয়েছে।

    প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, কেক-পায়েস, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    সন্ধ্যায় একতারা মুক্তমঞ্চে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। থাকবে কেক কাটা ও পায়েস খাওয়ার আয়োজনও। এরপর শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মহানায়ক উত্তম কুমারের জীবন ও কর্মকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ প্রদর্শনীরও উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিনয়জীবনের বিভিন্ন দিক, জনপ্রিয় ছবি এবং বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর অবদান তুলে ধরা হবে সেই প্রদর্শনীতে।

    নিউ টাউনে তৈরি হবে ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’

    জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের অন্যতম বড় ঘোষণা নিউ টাউনে প্রস্তাবিত ‘উত্তমকুমার ফিল্ম সেন্টার’। আধুনিক চলচ্চিত্র পরিকাঠামোকে সামনে রেখে এই কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তাবিত ফিল্ম সেন্টারে প্রায় এক হাজার আসনের অডিটোরিয়াম, ওপেন-এয়ার থিয়েটার-সহ একাধিক আধুনিক পরিকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। মহানায়কের নামে এই কেন্দ্র ভবিষ্যতে বাংলা চলচ্চিত্রের গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক পরিসর হয়ে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    নন্দন থেকে রাধা স্টুডিও, পর্দায় ফিরবেন মহানায়ক

    চার দিনের জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনে বিশেষ চলচ্চিত্র উৎসবেরও আয়োজন করা হয়েছে। নন্দন-১, নন্দন-২ এবং রাধা স্টুডিওতে প্রদর্শিত হবে উত্তম কুমারের একাধিক জনপ্রিয় ও নির্বাচিত ছবি। সত্যজিৎ রায়ের কালজয়ী ‘নায়ক’ দিয়ে এই বিশেষ চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর সূচনা হওয়ার কথা। পাশাপাশি নন্দন, রাধা স্টুডিও-সহ বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে মহানায়কের আরও একাধিক ছবি দেখানো হবে। বিজলী সিনেমা হলের সামনেও উত্তম কুমারের ছবি দিয়ে তৈরি বিশেষ কাটআউট বসানো হবে। সিনেমা, গান, নৃত্য, আলোচনা এবং প্রদর্শনীর মাধ্যমে মহানায়কের শিল্পজীবনকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

    উত্তমের সহশিল্পীদের বিশেষ সম্মান

    জন্মশতবর্ষে উত্তম কুমারের সঙ্গে কাজ করা প্রবীণ শিল্পীদেরও বিশেষভাবে সম্মান জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছেন সবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, লিলি চক্রবর্তী, বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিক, দীপঙ্কর দে, শকুন্তলা বড়ুয়া এবং মিঠুন চক্রবর্তী-সহ একাধিক বিশিষ্ট শিল্পী।এছাড়াও ইন্ডিয়া পোস্টের উদ্যোগে মহানায়ককে উৎসর্গ করে প্রকাশ করা হবে বিশেষ স্মারক খাম ও ডাকটিকিট।

    ‘নায়িকাদের চোখে উত্তমকুমার’ থেকে ‘অভিনেতা উত্তমকুমার’

    ৬ সেপ্টেম্বর শিশির মঞ্চে হবে দুটি বিশেষ আলোচনা সভা। একটি ‘নায়িকাদের চোখে উত্তমকুমার’, অন্যটি ‘অভিনেতা উত্তমকুমার’। মহানায়কের সমসাময়িক শিল্পীদের পাশাপাশি বর্তমান প্রজন্মের অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও এই আলোচনায় অংশ নেবেন। চার দিনের এই বিশেষ উদ্‌যাপনের শেষ হবে রবীন্দ্রসদনে। সেখানে আয়োজিত হবে বিশেষ সঙ্গীত ও নৃত্যানুষ্ঠান।

  • Uttam Kumar Birth Centenary: জন্মশতবর্ষে মহানায়ক উত্তম কুমারকে শ্রদ্ধা মোদি-শুভেন্দুর, আবেগঘন বার্তায় স্মরণ কিংবদন্তি অভিনেতাকে

    Uttam Kumar Birth Centenary: জন্মশতবর্ষে মহানায়ক উত্তম কুমারকে শ্রদ্ধা মোদি-শুভেন্দুর, আবেগঘন বার্তায় স্মরণ কিংবদন্তি অভিনেতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তিনি এক অনন্য অধ্যায়। কোটি কোটি বাঙালির কাছে আজও তিনি শুধু একজন অভিনেতা নন, তিনি চিরকালের ‘মহানায়ক’। ১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর কলকাতার ভবানীপুরে জন্ম নেওয়া অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় পরবর্তীকালে উত্তম কুমার নামে রুপোলি পর্দায় এমন এক জাদু সৃষ্টি করেছিলেন, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সমান উজ্জ্বল। তাঁর জন্মের ১০০ বছর পূর্তিতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

    জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বিশেষ ভিডিও পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর

    মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সমাজমাধ্যমে একটি বিশেষ ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ভিডিওতে মহানায়কের জীবনের নানা মুহূর্ত, চলচ্চিত্রের বিভিন্ন স্থিরচিত্রের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নিজের কণ্ঠে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার প্রিয় দেশবাসী, ৩ সেপ্টেম্বর আমরা মহানায়ক উত্তম কুমারজির জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করব। বন্ধুরা, উত্তম কুমারজি ছিলেন একজন বহুমুখী অভিনেতা, যিনি তাঁর অভিনয়ের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন। চলচ্চিত্র প্রেমীদের বিশ্বাস যে, সত্যজিৎ রায়জি ‘নায়ক – দ্য হিরো’ চলচ্চিত্রের পুরো চিত্রনাট্য মহানায়ক উত্তম কুমারজি-কে মনে রেখেই লিখেছিলেন। শ্রীমান সত্যজিৎ রায় একবার বলেছিলেন যে, উত্তম কুমারের মধ্যে সংযম ও নীতিবোধের পাশাপাশি এক অদ্ভুত আবেগ ছিল। চরিত্রগুলোকে জীবন্ত করে তুলতে তিনি অত্যন্ত পরিশ্রম করতেন।”

    ‘কখনও হাল না ছাড়া’— উত্তমের জীবন থেকে শিক্ষার কথা মোদির

    শুধু অভিনয় প্রতিভাই নয়, উত্তম কুমারের ব্যক্তিত্ব এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতার কথাও নিজের বক্তব্যে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মহানায়কের জীবন নতুন প্রজন্মের কাছেও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

    মোদির কথায়, “উত্তম কুমারজি শুধু তাঁর সহজ-স্বাভাবিক অভিনয়ের জন্যই পরিচিত ছিলেন না, বরং তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজের জন্যও পরিচিত ছিলেন। তাঁর জীবন আমাদের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাও দেয় — তা হল কখনও হাল না ছাড়া। তাঁর শুরুর দিকের চলচ্চিত্রগুলো খুব একটা সফল হয়নি, কিন্তু তিনি নিজের কাজে মনোযোগ বজায় রেখেছিলেন। আর সেই উৎসর্গই তাঁকে এত উচ্চতায় পৌঁছাতে সাহায্য করেছিল।”

    ব্যক্তিগত স্মৃতি ভাগ করলেন মোদি

    প্রধানমন্ত্রী তাঁর কলকাতা সফরের একটি ব্যক্তিগত স্মৃতিও ভাগ করে নেন। তিনি বলেন, “বন্ধুরা, আমার মনে আছে যখন আমি কলকাতায় রোড শো করছিলাম, তখন আমি উত্তম কুমারজির বাড়ির সামনে দিয়েও গিয়েছিলাম। সেখানে একজন ব্যক্তি আমাকে তাঁর একটি ছবি উপহার দিয়েছিলেন। আমি আরও একবার মহানায়ক উত্তম কুমারজির প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করছি। তিনি সর্বদাই আমাদের সবার হৃদয়ে রাজত্ব করবেন। মহানায়ক উত্তম কুমার চিরদিন মানুষের হৃদয়ে রাজ করবেন।”

    ভিডিওটির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী যে ক্যাপশনটি পোস্ট করেন, সেখানে লেখা হয়— “মহানায়ক উত্তম কুমার… এক কিংবদন্তি যাঁর কালজয়ী পরিবেশনা প্রজন্মান্তরের মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে চলেছে। তাঁর জন্মশতবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি। গত রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানে আমি তাঁর সম্পর্কে যা বলেছিলাম, তাও শেয়ার করছি।”

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শ্রদ্ধার্ঘ্য

    মহানায়ক উত্তম কুমারের শতবর্ষ জন্মজয়ন্তীতে সমাজমাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। নিজের পোস্টে তিনি মহানায়কের অভিনয় প্রতিভা, ব্যক্তিত্ব এবং বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর অবিস্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করেন। মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “তাঁর অনন্য অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও চিরস্মরণীয় উপস্থিতি বাংলা তথা ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাঙালির হৃদয়ে তিনি চিরকাল মহানায়ক হয়েই বেঁচে থাকবেন।”

    ভবানীপুরের অরুণ থেকে বাংলা সিনেমার চিরন্তন মহানায়ক

    ১৯২৬ সালের এই দিনে কলকাতার ভবানীপুরের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম হয়েছিল অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায়ের। পরবর্তীকালে ‘উত্তম কুমার’ নামেই তিনি হয়ে ওঠেন বাংলা সিনেমার সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী অভিনেতাদের অন্যতম। তাঁর স্বাভাবিক অভিনয়, সংযত অভিব্যক্তি, পর্দার ব্যক্তিত্ব এবং দর্শকের সঙ্গে গভীর আবেগের সংযোগ তাঁকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।

    বাংলা চলচ্চিত্রের সোনালি যুগের প্রতীক উত্তম কুমার আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। তাঁর অভিনীত অসংখ্য কালজয়ী চরিত্র এখনও বাঙালির সংস্কৃতি, আবেগ এবং স্মৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। জন্মশতবর্ষে প্রধানমন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী— সকলের শ্রদ্ধার্ঘ্য যেন আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিল, মহানায়ক কেবল রুপোলি পর্দাতেই নন, মানুষের হৃদয়েও আজীবন অমর।

  • Uttam Kumar Birth Centenary: উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষে চার দিনের বর্ণাঢ্য উদ্‌যাপন, সম্মান জানানো হবে বরেণ্য শিল্পীদের

    Uttam Kumar Birth Centenary: উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষে চার দিনের বর্ণাঢ্য উদ্‌যাপন, সম্মান জানানো হবে বরেণ্য শিল্পীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ (Uttam Kumar Birth Centenary) উপলক্ষে চার দিন ধরে বিশেষ উদ্‌যাপনের আয়োজন করা হচ্ছে। আজ, ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নন্দনকে (Nandan) কেন্দ্র করে চলবে এই বিশেষ অনুষ্ঠান। রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ, আইএনসিএ এবং টালিগঞ্জের চলচ্চিত্র শিল্পের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উঠে আসবে মহানায়কের দীর্ঘ অভিনয়জীবন এবং বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর অনন্য অবদানের নানা দিক।

    কী বলছেন প্রসেনজিৎ (Uttam Kumar Birth Centenary)

    নন্দনে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শুধু স্মৃতিচারণ নয়, আগামী প্রজন্মের কাছেও উত্তমকুমারের কাজ ও অবদানকে পৌঁছে দেওয়াই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।” তাঁর কথায়, আগামী একশো বছর পরেও যেন নতুন প্রজন্ম একই আবেগ ও শ্রদ্ধার সঙ্গে মহানায়কের জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ।

    রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী বলেন, “উত্তমকুমার কেবল একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি সময়ের প্রতীক, বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ব্র্যান্ড এবং আবেগের অন্য নাম।” মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগেই এই চার দিনের বিশেষ উদ্‌যাপনের আয়োজন করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

    মহানায়কের সহ-অভিনেতাদের বিশেষ সম্মাননা

    চার দিনের এই আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ মহানায়ক উত্তমকুমারের সঙ্গে অভিনয় করা বরেণ্য শিল্পীদের বিশেষ সম্মাননা। এই তালিকায় রয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, লিলি চক্রবর্তী, বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দে, রঞ্জিত মল্লিক, কল্যাণী মণ্ডল, প্রভাত রায়, রত্না ঘোষাল এবং বীরেশ চট্টোপাধ্যায়ের মতো বিশিষ্ট শিল্পীরা। উত্তমকুমার অভিনীত একাধিক জনপ্রিয় ছবিও প্রদর্শিত হবে এই আয়োজনের অংশ হিসেবে। প্রসেনজিৎ জানান, নন্দনের পাশাপাশি রাধা স্টুডিওতেও মহানায়ক অভিনীত নির্বাচিত কয়েকটি ছবি দেখানো হবে।

    শিশির মঞ্চে বিশেষ আলোচনা

    আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিশির মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে দু’টি বিশেষ আলোচনা সভা। একটি আলোচনার বিষয় ‘নায়িকাদের চোখে উত্তমকুমার’। অন্য আলোচনায় পরিচালকদের অংশগ্রহণে উঠে আসবে ‘অভিনেতা উত্তমকুমার’কে ঘিরে নানা স্মৃতি ও বিশ্লেষণ। উত্তমকুমারের অভিনয়, ব্যক্তিত্ব, সহ-অভিনেতাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর প্রভাব—এই সমস্ত বিষয়ই আলোচনায় উঠে আসবে বলে জানা গিয়েছে।

    সত্যজিৎ রায়ের বক্তৃতার রেকর্ডিং ঘিরে তথ্যচিত্র

    মহানায়ককে স্মরণ করে আয়োজিত এক সভায় সত্যজিৎ রায়ের দেওয়া বক্তৃতার রেকর্ডিংকে কেন্দ্র করে সন্দীপ রায়ের তৈরি একটি তথ্যচিত্রও প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রসেনজিৎ জানান, “জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের প্রথম ও শেষ দিনে এই তথ্যচিত্রটি প্রদর্শনের চেষ্টা করা হবে।”

    স্মৃতিচারণে যুক্ত হবেন বর্ষীয়ান সাংবাদিকরাও

    উত্তমকুমারের কর্মজীবনের বহু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন তৎকালীন সাংবাদিকদের একাংশ। তাঁদেরও এই বিশেষ উদ্‌যাপনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে (Uttam Kumar Birth Centenary)। অভিনেতা-বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ জানান, এমন বহু সাংবাদিক রয়েছেন, যাঁরা উত্তমকুমারকে কাছ থেকে দেখেছেন, চিনেছেন এবং তাঁর কর্মজীবনের নানা ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন। তাঁদের অভিজ্ঞতাও এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

    রবীন্দ্র সদনে মহানায়কের ছবির গানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    উদ্‌যাপনের শেষ দিন, আগামী ৬ সেপ্টেম্বর রবীন্দ্র সদনে আয়োজন করা হয়েছে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। বাংলা চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত জগতের শিল্পীরা মহানায়ক উত্তমকুমারের জনপ্রিয় ছবির গান পরিবেশন করবেন। ফলে তাঁর অভিনয়জীবনের পাশাপাশি বাংলা চলচ্চিত্রের সঙ্গীতজগতেও তাঁর প্রভাব ও জনপ্রিয়তার স্মৃতিচারণ হবে এই অনুষ্ঠানে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন অভিনেতা জিৎ। তাঁর কথায়, “আমাদেরই জগতের একজনকে এভাবে সম্মান জানানো হচ্ছে দেখে খুব ভালো লাগছে। আগামী প্রজন্মকে এই উদ্যোগ দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করবে।”

    বর্ণাঢ্য আয়োজন

    অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত বলেন, “খুব অল্প সময়ের নোটিশে হলেও মহানায়ককে ঘিরে এই বিশেষ আয়োজনকে সফল করতে ইন্ডাস্ট্রির সকলেই একজোট হয়েছেন। এই উদযাপন কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, বরং গোটা বাংলা চলচ্চিত্র জগতের।”

    ৩ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে নন্দন-সহ কলকাতার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে যে বর্ণাঢ্য আয়োজন হতে চলেছে, তা বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্য বহন করবে বলেই (Nandan) মনে করছে টলিপাড়া। শুধু মহানায়কের স্মৃতিচারণ নয়, তাঁর শিল্পসৃষ্টিকে আগামী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা (Uttam Kumar Birth Centenary) নেবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

     

  • PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইয়ের (Teejan Bai) প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ভারত (PM Modi)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ, রবিবার রায়পুরের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পাণ্ডবাণী শিল্পকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন তীজন বাই। ছত্তীসগঢ়ের এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পকে দেশ-বিদেশের দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল অনন্য।

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক বার্তায় তিনি বলেন, “প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইজির প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর অসাধারণ পরিবেশনার মাধ্যমে ছত্তীসগঢ়ের এই লোকশিল্প বিশ্বজুড়ে স্বতন্ত্র পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁর প্রয়াণ শিল্প ও সংস্কৃতির জগতে অপূরণীয় ক্ষতি। এই শোকের মুহূর্তে তাঁর পরিবার ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। ওঁ শান্তি!” ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই বলেন, “তীজন বাইয়ের অবদান রাজ্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ সম্মান এনে দিয়েছে। তাঁর সাফল্য ছত্তীসগঢ়ের সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে আরও উজ্জ্বল করেছে এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে।” রাজ্যের মন্ত্রী কেদার কাশ্যপ শোকপ্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, তাঁর প্রয়াণ শুধু ছত্তীসগঢ় নয়, গোটা দেশের জন্যই বড় ক্ষতি। তিনি রাজ্যের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে দেশের অন্যতম সম্মানিত সাংস্কৃতিক দূত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।

    কী এই পাণ্ডবাণী শিল্প?

    শতাব্দীপ্রাচীন পাণ্ডবাণী মহাভারতের বিভিন্ন পর্ব অবলম্বনে গড়ে ওঠা একটি মৌখিক কাহিনি পরিবেশনার ধারা। তীজন বাই তাঁর শক্তিশালী কণ্ঠ, আবেগঘন বর্ণনা ও মঞ্চে অসাধারণ উপস্থিতির মাধ্যমে এই শিল্পকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করে তোলেন। কয়েক দশকের দীর্ঘ কর্মজীবনে (PM Modi) তিনি পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত হন। তাঁর (Teejan Bai) প্রয়াণে ভারত এক অসামান্য লোকশিল্পীকে হারালেও, পাণ্ডবাণীকে সংরক্ষণ ও জনপ্রিয় করে তোলার তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মের কাছে হয়ে (PM Modi) থাকবে চিরস্মরণীয়।

     

  • Rahul Arunoday Banerjee: অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়র রহস্যমৃত্যু, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Rahul Arunoday Banerjee: অভিনেতা রাহুল অরুণোদয়র রহস্যমৃত্যু, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Arunoday Banerjee) আকস্মিক ও মর্মান্তিক প্রয়াণের পর আড়াই মাস কেটে গেলেও এখনও মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠছে, যার উত্তর মেলেনি।। অভিনেতার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে এবার রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হলো। আজ এক বিশেষ প্রশাসনিক ঘোষণায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই মৃত্যুরহস্যের তদন্তভার রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি (CID)-র হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা ও পরিবারের আর্জি (Rahul Arunoday Banerjee)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “অভিনেতার (Rahul Arunoday Banerjee) আকস্মিক চলে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এর পেছনে কোনও গভীর রহস্য বা প্ররোচনা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। নিরপেক্ষ এবং পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” উল্লেখ্য, অভিনেতার পরিবার এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের পক্ষ থেকেও এই মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবি জানানো হয়েছিল। সেই আর্জিকে গুরুত্ব দিয়েই রাজ্য সরকার সিআইডি-কে দ্রুত তদন্তভার গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে।

    তদন্তের অভিমুখ

    প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও, এখন থেকে সিআইডি-র বিশেষ দল এই মামলার সমস্ত নথিপত্র, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট (Rahul Arunoday Banerjee) এবং পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখবে। বিনোদন জগতের অত্যন্ত পরিচিত এবং প্রতিভাবান এই অভিনেতার মৃত্যুর নেপথ্যে কোনও মানসিক চাপ, প্ররোচনা নাকি অন্য কোনও কারণ জড়িত ছিল—তা সুনির্দিষ্টভাবে জানার অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর পরিবার এবং অগণিত অনুরাগী। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, সত্য অনুসন্ধানে কোনও খামতি রাখা হবে না।

  • BJP: স্বরূপ গ্রেফতার হতেই টলিপাড়া নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন লকেট-রুদ্রনীল, ক্ষোভ উগরে দিলেন মানুষও

    BJP: স্বরূপ গ্রেফতার হতেই টলিপাড়া নিয়ে হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন লকেট-রুদ্রনীল, ক্ষোভ উগরে দিলেন মানুষও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল গোহারা হারতেই নির্বিষ হয়ে পড়েছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই টলিউডের একছত্রাধিপতি ঘাসফুল নেতা স্বরূপ বিশ্বাস (Biswas Brothers)। সেই স্বরূপ গ্রেফতার হতেই ক্ষোভের জ্বলন্ত লাভা উগরে দিল টলিউড নামক ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি (BJP)! দাদা মন্ত্রী হওয়ার সুবাদে ব-কলমে টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়া চলত স্বরূপের অঙ্গুলিহেলনে। তৃণমূলের আশীর্বাদধন্য এহেন স্বরূপ গ্রেফতার হতেই তাঁর স্বরূপ প্রকাশ করে দিলেন টলিউডের কলাকুশলীরা। তাঁর বিরুদ্ধে মহিলাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং তোলাবাজির অভিযোগে রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টা, অস্ত্র আইনেও মামলা দায়ের হয়েছে। এদিন ছোট বিশ্বাসকে নিশানা করলেন বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায়রা।

    স্বরূপকে নিশানা লকেটের (BJP)

    পদ্ম-নেত্রী লকেট বলেন, “স্বরূপ বিশ্বাস, অরূপ বিশ্বাস দু’জনে মিলে যেভাবে ইন্ডাস্ট্রিকে বরবাদ করে দিয়েছেন, ১২ বছর আগের থেকে, আজ ২০২৬…শেষ করে দিয়েছেন। ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন। শুধু স্বরূপ বিশ্বাস একা নন। স্বরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে আরও অনেক লোক আছেন। যাঁরা তাঁকে পাত্তা দিতেন। তাঁর সঙ্গে হ্যাঁ-তে হ্যাঁ মেলাতেন, না-তে না মেলাতেন। এর জন্য প্রচুর টেকনিসিয়ান, প্রচুর আর্টিস্টের পেটের ভাত চলে গিয়েছে। আমার মনে হয়, তাঁদেরও শাস্তি হওয়া উচিত। তাঁর বড় ভাই তো ওয়েট করে আছেন, বড় রাঘববোয়াল যারা আছেন, একজন বড় ভাই রয়েছেন। আমরা অপেক্ষায় আছি, কখন সেই রাঘববোয়াল অ্যারেস্ট হন। লজ্জার কথা! আমরা টালিগঞ্জে এরকম কখনও দেখিনি…এই পরিস্থিতি হতে পারে। যা দৃশ্য দেখেছি, তা আমাদের জন্য…একজন শিল্পী হিসাবে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এ জিনিস আপনারা যা দেখে নিয়েছেন, দেখে নিয়েছেন…আগামিদিনে অন্তত এই জিনিস আর আপনারা দেখবেন না।”

    আক্রমণ শানালেন সুকান্তও

    প্রাক্তন মন্ত্রীর ‘গুণধর’ ভাইটিকে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির (BJP) প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “ওঁর বিরুদ্ধে তো বহু অভিযোগ। এর আগেও অভিযোগ ছিল। এতদিন পুলিশ সাহস করত না। কে কাজ পাবেন কোন গিল্ড থেকে, সেটা এই ভদ্রলোক ঠিক করে দিতেন। আপনি তাঁর বিরোধিতা করলে কাজ পাবেন না। আপনার বাড়িতে উনুনে হাঁড়ি চড়বে না। সেই ব্যবস্থা এই দুই ভাই মিলে করতেন। স্বরূপ আর অরূপ। দাদার নাম নিয়ে ভাই মস্তানি করতেন। এখন সব বিচার হবে। কেউ ছাড় পাবেন না। প্রত্যেকটি অন্যায়ের হিসেব আমরা করব।” বৃহস্পতিবার রাতে (Biswas Brothers) নিউ আলিপুর থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন স্বরূপ। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন এক মহিলা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সাহাপুর কলোনির বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় ফেডারেশনের প্রাক্তন সভাপতি স্বরূপকে। তারপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা।

    ধুয়ে দিলেন রুদ্রনীলও 

    স্বরূপকে নিশানা করেছেন হাওড়ার শিবপুরের পদ্ম-বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষও। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও প্রশাসনিক প্রশ্রয়ের সংস্কৃতিই এক সময় দুর্বল করেছিল রাজ্যে আইনের শাসনকে। আর তাই প্রভাবশালী মহলের একাংশ নিজেদের ধরাছোঁয়ার বাইরে বলে ভাবতে শুরু করেছিল। শুক্রবার হাওড়ার ডুমুরজলা ক্রীড়াঙ্গণে পরিবেশ দিবসের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন রুদ্রনীল। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানেই (BJP) খুলে দেন স্বরূপের মুখোশ। রুদ্রনীল বলেন, “চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি জগতের দুষ্কৃতী ছিলেন স্বরূপ বিশ্বাস৷ তাঁর বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ রয়েছে৷ প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও স্বরূপ বিশ্বাস এই ইন্ডাস্ট্রিটাকে নষ্ট করেছেন৷ ক্ষতি করে দিয়েছেন সিনেমা জগতের৷ আগে বছরে ১০০টা সিনেমা হত৷ এখন ৩০টা অর্থাৎ, ৭০ শতাংশ সিনেমা কমে গিয়েছে৷ তাই কাজ হারিয়েছেন টেকনিশিয়ান, আর্টিস্ট থেকে সবাই।” তিনি বলেন, “সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক, উত্তম কুমারদের এই গৌরবান্বিত জায়গা ওঁরা কলুষিত করেছেন৷” স্বরূপের গ্রেফতারি যে (Biswas Brothers) রাজনৈতিক উদ্দেশে নয়, এদিন তা দ্ব্যর্থহীনভাবে জানিয়ে দিয়েছেন শিবপুরের বিধায়ক। বলেন, “সাধারণ মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত হয়েছে, এবং আইন নিজের পথেই চলেছে।”

    জনরোষ আছড়ে পড়ল সুরুচি সংঘে

    স্বরূপ গ্রেফতার হতেই জনরোষ আছড়ে পড়ে বিশ্বাস ব্রাদার্সের খাসতালুক হিসেবে পরিচিত সুরুচি সংঘে। নিউ আলিপুরের এই ক্লাবে ছড়ি ঘোরাতেন অরূপ-স্বরূপ। তাই ক্লাবটিতে ভাঙচুর চালায় উন্মত্ত জনতা। তালা ভেঙে হুড়মুড়িয়ে তারা ঢুকে পড়ে ক্লাবঘরের ভেতরে (BJP)। তার পরেই চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড়। দেখা যায়, ক্লাবের ওপর তলায় রয়েছে আস্ত একটি কিং সাইজ বেড, বিলাসবহুল শৌচালয়, এসি এবং দামি ফ্যান। মজুত ছিল প্রচুর সরকারি ‘প্রাণধারা’ জলের বোতল ও ত্রাণের শাড়ি। বিজেপি নেত্রী প্রিয়া সরকার বলেন, “সংসার করতে হলে যেমনটা হয় আর কি! ক্লাবের ভেতরে ঢুকেও আমরা সেই ছবি দেখতে পেয়েছি। প্রচুর জামা-কাপড়, শাড়ি, ওই এলাকার ভোটার তালিকা। বিভিন্ন নথিপত্র থেকে শুরু করে সিডিও পাওয়া গিয়েছে।” তাঁর দাবি, “কেউ ক্লাব ভাঙচুর করেননি (BJP)।”

     

  • Tollywood Federation: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ জমানার অবসান, বাতিল ফেডারেশন-গিল্ড, এখন থেকে দিল্লির কনফেডারেশনের আওতায় টলিপাড়া

    Tollywood Federation: ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ জমানার অবসান, বাতিল ফেডারেশন-গিল্ড, এখন থেকে দিল্লির কনফেডারেশনের আওতায় টলিপাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তৃণমূলের বিসর্জনের পর এবার টলিউড ফেডারেশনের (Tollywood Federation) ভবিষ্যৎ নিয়েই উঠল বড়সড় প্রশ্ন। মমতা জমানায় ফেডারেশনের রাশ ছিল বিশ্বাস ব্রাদার্সের হাতে। এই বিশ্বাস ব্রাদার্সের একজন অরূপকে ছাব্বিশের ভোটে পরাস্ত করেন পদ্ম-প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। অরূপ-বিদেয় হওয়ার পর বাকি ছিলেন স্বরূপ। বুধবার টলিউডে স্বরূপের কর্তৃত্বে দাঁড়ি টেনে দিলেন পাপিয়া। টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োয় দাঁড়িয়ে বললেন, “ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সাহায্যে দিল্লির ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স কনফেডারেশনের আওতাভুক্ত হবেন (Tollywood Restructured) টলিউডের সমস্ত কলাকুশলী। লক্ষ্য, দুর্নীতিমুক্ত ইন্ডাস্ট্রি।” বিজেপি বিধায়কের এই মন্তব্যেই স্পষ্ট, টলিউডে আর ফেডারেশনের অস্তিত্ব রইল না। থাকবে না ২৬টি গিল্ডও।

    আট ঘণ্টা কাজের নীতি (Tollywood Federation)

    পাপিয়া জানান, তিন থেকে চারটি কমিটি থাকবে –  পরিচালক, ক্যামেরা, প্রোডাকশন ম্যানেজার এবং শিল্প নির্দেশনা বিভাগ। বলিউডের মতো এবার টলিউডেও চালু হতে পারে আট ঘণ্টা কাজের নীতি। ফেডারেশনকে তার করে যাওয়া কাজের জন্য জবাবদিহিও করতে হবে। পদ্ম-বিধায়ক কথা বলবেন ওয়েব প্ল্যাটফর্ম এবং চ্যানেল কর্তৃপক্ষগুলির সঙ্গে। তাঁরা সিরিজ কিংবা ধারাবাহিক দেখানোর জন্য কোথা থেকে টাকা পাচ্ছেন, খতিয়ে দেখবেন তিনি। ধারাবাহিক, সিরিজের গল্প এবং বিষয়বস্তু নিয়েও হবে আলোচনা।

    সবাই কাজ পাবেন

    পাপিয়ার আশ্বাস, “সবাই কাজ পাবেন। যোগ্যতার ভিত্তিতে কাজ দেওয়া হবে। মতবিরোধ থাকলেও, কাউকে নিষিদ্ধ করা যাবে না। শুটিং বন্ধ করা যাবে না। কলাকুশলীদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের স্বাস্থ্য পরিষেবার দায়িত্বও নেবে কনফেডারেশন।” নানা অছিলায় কেউ যাতে আর কাটমানি নিতে না পারে, সে দিকেও কড়া নজর রাখা হবে বলে জানান বিধায়ক। পাপিয়া বলেন, “ফেডারেশন এবং গিল্ডের বেশ কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে ভূরি ভূরি অভিযোগ রয়েছে। বেশ কিছু অভিযোগ প্রশাসনের কাছেও (Tollywood Federation) পৌঁছেছে। তবে আমি প্রশাসনের দ্বারস্থ হতে চাই না। বদলে ‘ডি কিউব’- ডিটেক্ট, ডিলিট এবং ডিপোর্ট- ব্যবহার করতে চাই।”

    কাজ হারালেন যাঁরা

    তিনি বলেন, “ম্যানেজার গিল্ডের সম্পাদক এবং সহ-সম্পাদক মহম্মদ হাসান, নিরুপম দে, মেকআপ আর্টিস্ট গিল্ডের বাপি মালাকার, ক্যামেরা গিল্ডের স্বপন মজুমদার এবং সুজিত হাজরা – এই ক’জনের বিরুদ্ধে প্রচুর অভিযোগ। এঁদের আর টলিউডে কাজ করতে দেওয়া হবে না। চাইলে ভিন্‌রাজ্যে, অন্য ইন্ডাস্ট্রিতে অবশ্যই এঁরা কাজ করতে পারবেন, কিন্তু বাংলায় আর (West Bengal) নয়।” পাপিয়া বলেন, “আমাদের সময় পরিচালক ছিলেন ক্যাপ্টেন অফ দ্য শিপ। পরে তাঁরাই যেন হয়ে গেলেন ‘চাকর’! আমি সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনব। ফিরিয়ে আনা হবে সেই সব প্রযোজক, পরিচালক, অভিনেতা, কলাকুশলীকে, যাঁরা এত দিন (Tollywood Federation) ইন্ডাস্ট্রিতে বিশ্বাস ব্রাদার্সে দৌলতে ব্রাত্য ছিলেন।”

  • Anik Dutta: টলিউডে শোকের ছায়া, গরমের দুপুরে ছাদ থেকে পড়ে রহস্যজনক মৃত্যু পরিচালক অনীক দত্তের

    Anik Dutta: টলিউডে শোকের ছায়া, গরমের দুপুরে ছাদ থেকে পড়ে রহস্যজনক মৃত্যু পরিচালক অনীক দত্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টলিউডে ফের শোকের ছায়া। বুধবার দুপুরে আচমকাই ছড়িয়ে পড়ে খবর— গড়িয়াহাটের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন পরিচালক অনীক দত্ত (Anik Dutta)। প্রথমে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানা যায়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কী করে ছাদ থেকে পড়ে গেলেন অনীক, নেহাত দুর্ঘটনা, না কি অন্য কিছু, এখনও স্পষ্ট নয়। ভরদুপুরে তিনি ছাদে উঠেছিলেন কেন, তাও জানা যায়নি। গড়িয়াহাট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পরিচালকের মৃত্যুকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।

    কীভাবে ঘটে দুর্ঘটনা

    বুধবার দুপুরে বহুতলের ছ’তলার ছাদ থেকে পড়ে যান তিনি। বহুতলের গা ঘেঁষে থাকা একটি গাছের ডালও ভেঙে যায়। ছাদ থেকে পড়ার সময় অনীক ওই গাছে ধাক্কা খান বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন অনীকের স্ত্রী। তবে অনীক দুর্ঘটনাবশত পড়ে যান, না কি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ ছিল, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। (Anik Dutta Dies)হাসপাতাল সূত্রে খবর, হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই মারা যান অনীক। তাঁর সারা শরীরে চাপ চাপ রক্ত ছিল। মাথায়, কাঁধে, বুকে আঘাত ছিল তাঁর। তাঁকে এমার্জেন্সিতে নিয়ে যাওয়া হলেও, মারা যান। অনীকের স্ত্রী হাসপাতালে রয়েছেন। মেয়ে আসছেন মুম্বই থেকে। দুপুর ৩টে বেজে গিয়েছে বলে আজ ময়নাতদন্ত হবে না। দেহ সংরক্ষণ করা হবে। ময়নাতদন্ত হবে কাল। দেহ নিয়ে কী হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে মেয়ে এসে পৌঁছনোর পর। গড়িয়াহাট থানার একটি টিমও হাসপাতালে রয়েছে। যে চিকিৎসক প্রথন অনীককে দেখেন, জিজ্ঞাসাবাদ কার হবে তাঁকেও।

    বাংলা সিনেমায় ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা

    বাংলা সিনেমায় ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা এবং তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনার জন্য আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন অনীক দত্ত (Anik Dutta)। বিজ্ঞাপনের জগৎ থেকে চলচ্চিত্র পরিচালনায় আসা অনীক দত্ত ২০১২ সালে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ছবির মাধ্যমে পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেন। মুক্তির পরই ছবিটি দর্শকমহলে বিপুল সাড়া ফেলে। ভৌতিক আবহের আড়ালে সমাজ ও সময়কে ব্যঙ্গ করার অভিনব ভাষা তাঁকে বাংলা ছবির অন্যতম স্বতন্ত্র নির্মাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়। এরপর একে একে তিনি পরিচালনা করেন ‘আশ্চর্য প্রদীপ’, ‘মেঘনাদবধ রহস্য’, ‘বরুণবাবুর বন্ধু’, ‘অপরাজিত’-র মতো একাধিক আলোচিত ছবি। সত্যজিৎ রায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি ‘অপরাজিত’ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল দর্শক ও সমালোচক মহলে। তাঁর ছবিতে বারবার উঠে এসেছে মধ্যবিত্ত বাঙালির মনন, সামাজিক টানাপোড়েন এবং সূক্ষ্ম রসবোধ। কেরিয়ারে মোট আটটি ছবি পরিচালনা করেন অনীক দত্ত। তাঁর শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’, যা ২০২৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল। কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং নিজস্ব ঘরানার জন্য বরাবরই আলাদা মর্যাদা পেয়েছিলেন তিনি। সুদীর্ঘ কেরিয়ারে একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন অনীক। সেই তালিকায় রয়েছে ‘আনন্দলোক পুরস্কার’, ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড’।

  • Vivek Agnihotri: “মমতা আমার বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছিলেন”, কুর্সি খোয়াতেই তৃণমূল নেত্রীকে তোপ বিবেকের

    Vivek Agnihotri: “মমতা আমার বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছিলেন”, কুর্সি খোয়াতেই তৃণমূল নেত্রীকে তোপ বিবেকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘খাসতালুক’ ভবানীপুর কেন্দ্রেই গোহারা হেরেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁকে হারিয়ে মুখের মতো জবাব দিয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুধু ভবানীপুর কেন, রাজ্যের ২০০টিরও বেশি আসনেও তৃণমূল প্রার্থীদের ধরাশায়ী করেছেন পদ্ম-প্রার্থীরা। ভবানীপুরের ফল প্রকাশের পর চলচ্চিত্র নির্মাতা বিবেক অগ্নিহোত্রী (Vivek Agnihotri) একটি নোট শেয়ার করে এই ঘটনাকে বড় পরিবর্তনের মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। গত ৫ মে ইনস্টাগ্রামে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলসে’র পরিচালক একটি দীর্ঘ বিবৃতি পোস্ট করে দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত তাঁর বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়েছিলেন, যার ফলে তাঁর সিনেমা পশ্চিমবঙ্গে দর্শকদের কাছে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছিল।

    অগ্নিহোত্রীর তোপ (Vivek Agnihotri)

    অগ্নিহোত্রীর অভিযোগ, তাঁর ছবি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, যা নয়ের দশকে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নির্বাসনকে কেন্দ্র করে তৈরি, সেটি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গের সিনেমা হল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি আরও দাবি করেন, তাঁকে রাজ্যে ঢুকতেও দেওয়া হয়নি। তিনি লেখেন, “নেভার এগেইন. যাঁরা জানেন না, @মমতাঅফিসিয়াল ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ মুক্তির পর আমায় বাংলায় বাতিল করে দেন। সিনেমা হল থেকে ছবিটি তুলে নেওয়া হয় এবং তিনি বলেন আমাকে বাংলায় ঢুকতে দেওয়া হবে না।” অগ্নিহোত্রী আরও বলেন, “গত বছর তিনি ‘দ্য বেঙ্গলস ফাইলস’ সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গে নিষিদ্ধ করেছিলেন। আমাদের ট্রেলার লঞ্চ বন্ধ করে দেওয়া হয়। আমাদের ওপর হামলা হয়। আমার বিরুদ্ধে বহু এফআইআর দায়ের করা হয়। আমি বাংলায় কার্যত ‘ক্যানসেল’ হয়ে যাই। রাজ্যপালের কাছ থেকে পুরস্কার নিতেও যেতে পারিনি।”

    ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’

    এই দু’টি চলচ্চিত্র, যা অগ্নিহোত্রীর “ফাইলস” ট্রিলজির অংশ, প্রবল রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্কের জন্ম দেয়। অভিযোগ, এগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ঐতিহাসিক ঘটনাকে বিকৃত করে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ণ করে। ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ বিশেষভাবে সমালোচিত হয় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নির্বাসনের চিত্রায়ণের জন্য, আর ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ১৯৪০-এর দশকের সহিংস ঘটনাকে তুলে ধরায় বিতর্কে জড়ায় এবং পশ্চিমবঙ্গে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে (Mamata Banerjee)। অগ্নিহোত্রীর দাবি, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তিনি নির্বাচনের সময় ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ পশ্চিমবঙ্গে দেখানোর ব্যবস্থা করেন। তিনি জানান, গোপনে বিভিন্ন জায়গায় প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। তিনি লেখেন, “আমরা হাল ছাড়িনি। এই নির্বাচনের সময় আমরা নিশ্চিত করেছি যে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ যত বেশি সম্ভব মানুষ দেখতে পারেন (গোপনে)। আমরা লড়াই চালিয়ে গিয়েছি।”

    বাংলার মানুষকে অভিনন্দন

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা ‘হোয়্যার দ্য মাইন্ড ইজ উইদাউট ফিয়ার’ থেকে উদ্ধৃত করে বাংলার মানুষকে অভিনন্দন জানান তিনি। বলেন, তাঁরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অগ্নিহোত্রী লেখেন, “অবশেষে এই অভূতপূর্ব জয়। বাংলার মহান মানুষদের অভিনন্দন (Vivek Agnihotri)। এখন আপনারা নির্ভয়ে মাথা উঁচু করে হাঁটতে পারবেন।” ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সালে মুক্তি পায় ভারতে। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বিবেক অগ্নিহোত্রী এবং এতে অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, পল্লবী জোশী, দর্শন কুমার, অনুপম খের এবং শিমরাত কাউর। ছবিটি ১৯৪৬ সালের ‘ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে’ এবং ‘নোয়াখালি দাঙ্গা’কে কেন্দ্র করে নির্মিত।

    সামনের সারিতে ছিলেন কর্তাভজারা

    প্রসঙ্গত, গত ১৫ বছরে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের রাজত্বে সামনের সারিতে ছিলেন কর্তাভজা (মমতা-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেবতার আসনে বসিয়েছিলেন এঁরা) করিৎকর্মারা। তৃণমূল নেত্রীর কাছের এই ধামাধরাধারীরাই দাপিয়ে বেড়িয়েছেন বঙ্গের সাংস্কৃতিক মঞ্চ। তাই সংখ্যালঘু সম্পর্কিত (সে প্রত্যক্ষই হোক কিংবা পরোক্ষ) কিংবা তৃণমূল বিরোধী কোনও কাজ (সিনেমা, ছবি ইত্যাদি) করলেই তাঁকে কার্যত ব্ল্যাকলিস্টে ফেলে দেওয়া হত (Mamata Banerjee)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিবেক অগ্নিহোত্রী তাঁদেরই একজন (Vivek Agnihotri)।

     

LinkedIn
Share