Category: গ্যাজেট

Get updated Gadget related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • UPI Payment: ইন্টারনেট ছাড়াই ইউপিআই পেমেন্ট! কীভাবে, কত টাকা পর্যন্ত হবে লেনদেন?

    UPI Payment: ইন্টারনেট ছাড়াই ইউপিআই পেমেন্ট! কীভাবে, কত টাকা পর্যন্ত হবে লেনদেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফোনে নেট নেই! মেট্রোয় রয়েছেন চিন্তা নেই যে কোনও জায়গায় যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট নেই, সেখানেও সহজেই টাকা পাঠানো বা কোনও পেমেন্ট করা যাবে ইউপিআই-এর মাধ্যমে (UPI Payment)। ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) একটি নতুন এনএফসি (Near Field Communication)-ভিত্তিক ইউপিআই পেমেন্ট এই প্রযুক্তি নিয়ে আসতে চলেছে, বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, এই ব্যবস্থা ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট পরিকাঠামোর একটি বড় ঘাটতি পূরণ করবে। যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই, সেখানেও ইউপিআই পরিষেবা পৌঁছে দেবে।

    কীভাবে সম্ভব?

    বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর পিছনে থাকছে নিয়ার-ফিল্ড কমিউনিকেশন (NFC) প্রযুক্তি। এটি একটি কম রেঞ্জের ওয়্যারলেস টেকনোলজি। কাছাকাছি দূরত্বে ব্লুটুথের চেয়ে দ্রুত এবং আরও সুরক্ষিতভাবে কাজ করে। তবে এভাবে সর্বোচ্চ ২,০০০ টাকাই পেমেন্ট করা যাবে। গ্রাহকদের প্রথমে অনলাইনে ইউপিআই লাইট (UPI Lite) নামক একটি অন-ডিভাইস ডিজিটাল ওয়ালেটে টাকা লোড করতে হবে। এরপর তাঁরা ইউপিআই পিন প্রবেশ ছাড়াই, ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই সেই ব্যালেন্স ব্যবহার করতে পারবেন। মনে করা হচ্ছে, এই ব্যবস্থা ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট পরিকাঠামোর একটি বড় ঘাটতি পূরণ করবে। যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই, সেখানেও ইউপিআই পরিষেবা পৌঁছে দেবে।

    অফলাইন ডিজিটাল পেমেন্ট

    অফলাইন ডিজিটাল পেমেন্ট যদিও একেবারে নতুন কিছু নয়। *99# এবং UPI 123Pay এর মতো পরিষেবা আছে। তাতে ইন্টারনেট কানেকশান ছাড়াই, ইউএসএসডি কোড বা সাধারণ ফোন কলের মাধ্যমে টাকা পাঠানো যায়। কিন্তু তা বেশ জটিল ব্যাপার। পার্থক্যটা এখানেই। এই প্রচলিত অফলাইন পদ্ধতিগুলিতেও কোনও না কোনও নেটওয়ার্কের প্রয়োজন হয়। যেমন ধরুন ইউএসএসডি কোডের জন্য জিএসএম সিগন্যাল অথবা ভয়েস কলের জন্য ফোন লাইন। নতুন এনএফসি-বেসড ইউপিআই ফিচারের জন্য হয়তো সেটারও প্রয়োজন হবে না। আপনার ডিভাইসে এনএফসি সাপোর্ট করলেই, কোনও মোবাইল নেটওয়ার্ক ছাড়াই কম রেঞ্জের ওয়্যারলেস কানেকশানের মাধ্যমে পেমেন্ট করা যেতে পারে।

    কোথায় কাজে আসতে পারে?

    এই প্রযুক্তিটি এমন সব জায়গায় কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ নেই বা সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সমস্যা রয়েছে। যেমন- বিমান, ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশন, গ্রামীণ এলাকা এবং বড় বড় ভবন যেখানে সেলুলার নেটওয়ার্কের ওপর অত্যধিক চাপ থাকে। এই ধরনের পরিবেশে প্রচলিত ইউপিআই লেনদেন প্রায়শই ব্যর্থ হয়, কারণ সেগুলোর ক্ষেত্রে পেমেন্টকারী এবং মার্চেন্ট – উভয়কেই অনলাইনে থাকার প্রয়োজন হয়। আপাতত, এনপিসিআই -এর পক্ষ থেকে এই নতুন ফিচারের নির্দেশিকা বা গাইডলাইন নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। অফলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থার জন্য আরবিআই-এর বর্তমান নির্দেশিকাগুলোতে বিভিন্ন ধরনের লেনদেন সীমা নির্ধারিত রয়েছে।

  • IRCTC New Website: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! খুলল আইআরসিটিসি-র নতুন ওয়েবসাইট, টিকিট বুকিং হবে রকেটের গতিতে

    IRCTC New Website: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! খুলল আইআরসিটিসি-র নতুন ওয়েবসাইট, টিকিট বুকিং হবে রকেটের গতিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলে যেতে চলেছে প্রতিদিন ট্রেনে যাতায়াত করা কোটি কোটি যাত্রীদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতা। এবার সম্পূর্ণ নতুন ও আধুনিক ওয়েবসাইট (IRCTC New Website) চালু করল ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন (IRCTC)। সহজ পেমেন্ট ব্যবস্থা এবং আকর্ষণীয় ইউজার ইন্টারফেস (UI), সাধারণ মানুষের ট্রেনের টিকিট কাটার ঝক্কি কমাতে বড় উদ্যোগ IRCTC-র।

    নতুন ওয়েবসাইটে কী কী সুবিধা?

    • রকেটের গতিতে তৎকাল বুকিং: নতুন ওয়েবসাইটের (IRCTC New Website) সার্ভার ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। ফলে তৎকাল টিকিট কাটার সময়ে অতিরিক্ত ট্রাফিকের কারণে সাইট হ্যাং হওয়া বা স্লো হয়ে যাওয়ার সমস্যা প্রায় ৪০ শতাংশ কমে যাবে।
    • এক ক্লিকেই পেমেন্ট (One-Click Checkout): পেমেন্ট গেটওয়েটিকে আরও উন্নত করা হয়েছে। এখন যাত্রীরা তাঁদের কার্ডের তথ্য সুরক্ষিতভাবে সেভ করে রাখতে পারবেন বা ইউপিআই (UPI) লিঙ্ক করতে পারবেন। যার ফলে মাত্র এক ক্লিকেই পেমেন্ট সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
    • সহজ ও আধুনিক ডিজাইন: পুরনো হিজিবিজি ডিজাইন বদলে সম্পূর্ণ পরিষ্কার ও আধুনিক লুক দেওয়া হয়েছে ওয়েবসাইটটিকে। কম্পিউটার, ল্যাপটপ কিংবা মোবাইল- সব কিছুতেই এটি সমানভাবে ও সহজে কাজ করবে।
    • এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ছোঁয়া: এতে একটি নতুন সার্চ টুল যুক্ত করা হয়েছে যা যাত্রীদের ভ্রমণের ইতিহাস দেখে নিজে থেকেই স্টেশনের নাম সাজেস্ট করবে। এছাড়া ওয়েটিং লিস্টের টিকিট কনফার্ম হওয়ার সম্ভাবনা কতটা, তাও আগে থেকে অনুমান করে জানাবে।
    • রিফান্ডের লাইভ ট্র্যাকিং: টিকিট বাতিল করলে সেই টাকা ফেরত পাওয়ার প্রক্রিয়া ট্র্যাক করার জন্য একটি আলাদা ড্যাশবোর্ড তৈরি করা হয়েছে। টাকা কতদূর প্রসেস হলো, তা যাত্রীরা লাইভ দেখতে পাবেন।

    দালাল চক্র রুখতে কড়া নিরাপত্তা

    কেবল গতি বাড়ানোই নয়, নতুন ওয়েবসাইটে (IRCTC New Website) সাইবার নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। উন্নত ‘বট-ডিটেকশন’ প্রযুক্তি ব্যবহার করার ফলে সফটওয়্যার বা রোবট ব্যবহার করে কালোবাজারি কঠিন হবে। এর ফলে সাধারণ যাত্রীরা ন্যায্যভাবে টিকিট বুকিং করার সুযোগ পাবেন।

    পড়ুয়াদের বিশেষ ভূমিকা

    সবচেয়ে নজরকাড়া বিষয় হলো, এই নতুন ও আধুনিক ডিজাইনের ওয়েবসাইট তৈরির পিছনে দেশের তরুণ পড়ুয়াদের এক বড় ভূমিকা রয়েছে। IRCTC-এর এই নতুন ওয়েবসাইট তৈরির প্রজেক্টে শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হয়েছিল। তাঁদেরই আধুনিক চিন্তাভাবনা ও পরামর্শ মেনে ওয়েবসাইটের নতুন রঙের থিম (Color Theme) এবং ইউজার ইন্টারফেস (UI) আকর্ষণীয় ও সহজ করে তোলা সম্ভব হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    বিটা ভার্সন: আরও উন্নতির আশ্বাস

    আইআরসিটিসি (IRCTC) কর্তৃপক্ষের মতে, সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে বেসরকারি ই-কমার্স সাইটের মতোই আধুনিক ও বিশ্বস্ত করে তোলাই ছিল তাঁদের মূল লক্ষ্য। বর্তমানে এই ওয়েবসাইটের ‘বিটা ভার্সন’ (Beta Version) চালু করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও পড়ুয়ারা এটি ব্যবহার করে যে ফিডব্যাক বা মতামত দেবেন, তার উপর ভিত্তি করেই এটিকে আরও নিখুঁত ও উন্নত করা হবে। ব্যবহারকারীদের সেইসব অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখেই খুব শীঘ্রই সাইটটির চূড়ান্ত বা ফাইনাল সংস্করণটি (Final Version) প্রকাশ করা হবে, যা গ্রাহকদের আরও উন্নতমানের রেল পরিষেবা দেবে। নতুন এই ওয়েবসাইটটি ইতিমধ্যেই লাইভ করে দেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ এখন থেকেই এটি ব্যবহার করতে পারছেন।

  • Union Govt Summon Meta:  ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতন নিয়ে বিজ্ঞাপন! মেটাকে তলব কেন্দ্রের

    Union Govt Summon Meta: ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতন নিয়ে বিজ্ঞাপন! মেটাকে তলব কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট প্রচারের অভিযোগে এবার মার্ক জুকারবার্গের সংস্থা মেটা-র বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্রীয় সরকার (Union Govt Summon Meta)। ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ইনস্টাগ্রাম। সেখানে দেখানো হচ্ছে শিশুদের যৌন নিগ্রহের বিজ্ঞাপন। অভিযোগ, এই বিজ্ঞাপন থেকে টেলিগ্রামের মাধ্যমে অশ্লীল ভিডিও সংগ্রহ করছেন আগ্রহী ব্যক্তিরা। তার জন্য দিতে হচ্ছে মাত্র ৯৯ টাকা। সম্প্রতি, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘বিবিসি’-র প্রকাশিত এক রিপোর্টে এই বিস্ফোরক অভিযোগ সামনে এসেছে। তারপরই বিষয়টা নিয়ে পদক্ষেপ করে কেন্দ্র। মূল সংস্থা ‘মেটা’-কে জবাবদিহির জন্য তলব করেছে কেন্দ্রের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।

    ইনস্টার-র বিরুদ্ধে অভিযোগ

    কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বিষয়টাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্রে খবর, মেটার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে কীভাবে এমন বিজ্ঞাপন ইনস্টাগ্রামে চলতে পারে? কিংবা এই ধরনের কনটেন্ট রুখতে তারা কী ব্যবস্থা নিচ্ছে? ‘বিবিসি’-র রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতে ইনস্টাগ্রামে এমন কিছু বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছে যেখানে শিশুদের যৌন নির্যাতনের ভিডিও প্রচার করা হচ্ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই বিজ্ঞাপনগুলিতে অত্যন্ত আপত্তিকর শিরোনামও ব্যবহার করা হয়েছিল। যেগুলি টেলিগ্রাম চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত। মাত্র ৯৯ টাকায় ভিডিও কেনার সুযোগও দেওয়া হচ্ছিল। বিবিসি এ বিষয়ে ইনস্টাগ্রামকে জানায়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, ওই পোস্টগুলি তাদের ‘কমিউনিটি গাইডলাইন’ লঙ্ঘন করেনি।

    ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার

    বিবিসির গোপন অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে, একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রথমে সাধারণ প্রাপ্তবয়স্কদের কনটেন্ট দেখানো হলেও ধীরে ধীরে ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম শিশুদের জড়িত যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন দেখাতে শুরু করে। এমনকি ব্যবহারকারী এ ধরনের কনটেন্ট খুঁজে না দেখলেও প্ল্যাটফর্ম থেকে ক্রমশ আরও আপত্তিকর কনটেন্টের সুপারিশ করা হচ্ছিল। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মোট ৩০টি আলাদা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে শিশু যৌন নির্যাতনমূলক কনটেন্টের প্রচার করা হচ্ছিল। এছাড়া প্রাপ্তবয়স্কদের পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত প্রায় ২০টি বিজ্ঞাপনও শনাক্ত করা হয়েছে। কিছু বিজ্ঞাপনে নাবালক ছেলে ও মেয়েদের যৌন নির্যাতনের দৃশ্য এবং প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে নাবালিকাদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিওর ইঙ্গিত ছিল। এসব বিজ্ঞাপন থেকে সরাসরি টেলিগ্রাম চ্যানেলে যাওয়ার লিঙ্কও দেওয়া হয়েছিল।

    অশ্লীল কন্টেন্ট বিক্রি

    রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়, বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য বিবিসি কর্তৃপক্ষ ইনস্টাগ্রাম-এ একটি টেস্ট অ্যাকাউন্ট খোলে। যেখানে কয়েক দিনের মধ্যেই অশ্লীল কন্টেন্ট-এর সাজেশন আসতে শুরু করে। এমনকী অশ্লীল কন্টেন্ট বিক্রি করা হচ্ছে, এমন ধরনের টেলিগ্রাম চ্যানেল-এর লিঙ্ক দিয়েও বিজ্ঞাপন আসে। বিবিসি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই টেস্ট অ্যাকাউন্ট-এর মাধ্যমে তিরিশের কাছাকাছি অশ্লীল কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপন শনাক্ত করা গিয়েছে। যেখানে শিশুদের যৌন নিগ্রহমূলক ভিডিও-র প্রচারও করা হয়েছে। যৌন নিগ্রহমূলক কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপনের অভিযোগ সামনে আসতেই মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা বেশ কিছু বিজ্ঞাপন বন্ধ করেছেন। যে অ্যাকাউন্টগুলি থেকে এমন ধরনের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল, সেগুলিকেও তাঁরা সাসপেন্ড করেছেন। পাশাপাশি, অতিরিক্ত কিছু বিজ্ঞাপনও সরানো হয়েছে। অশ্লীল বিজ্ঞাপনের ইউআরএল-ও ব্লক করে দেওয়া হয়েছে।

    কনটেন্ট সরাল মেটা!

    এক বিবৃতিতে মেটা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শিশুদের শোষণ একটি জঘন্য অপরাধ। তাঁরা নিজেদের অ্যাপগুলিতে এর বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন। তাঁদের সংস্থার মাধ্যমে শিশুদের উপরে নিগ্রহমূলক কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপন ইচ্ছাকৃত ভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার দাবি ‘সম্পূর্ণ ভুল’। সংস্থার এক আধিকারিকের কথায়, ‘কোনও ব্যবস্থাই নিখঁুত নয়। আমাদের রিভিউ প্রক্রিয়ায় সমস্ত পলিসি লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়েনি।’ মেটা কর্তৃপক্ষের দাবি, তাঁরা যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত অশ্লীল কন্টেন্ট-এর বিজ্ঞাপন ইনস্টাগ্রাম থেকে সরিয়ে দিতে চলেছেন। যে কাজ জোরকদমে শুরু হয়ে গিয়েছে

    মন্ত্রকের হাতে সব তথ্য

    মেটার এক মুখপাত্র স্বীকার করেছেন, কোনও পর্যালোচনা ব্যবস্থা শতভাগ নিখুঁত নয় এবং কিছু ক্ষেত্রে নিয়মভঙ্গকারী কনটেন্ট নজর এড়িয়ে যেতে পারে। তবে সংস্থার দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং সক্রিয় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এ ধরনের কনটেন্ট চিহ্নিত ও অপসারণের কাজ জোরদার করা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিবিসি তাদের অনুসন্ধানে চিহ্নিত সমস্ত বিজ্ঞাপন ও টেলিগ্রাম চ্যানেলের তথ্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছে। টেলিগ্রামকে দুটি চ্যানেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হলে, তার মধ্যে একটি পরে সরিয়ে দেওয়া হয়।

    ‘অটোমেটেড টুলস’ এর ব্যবহার

    অন্য দিকে, টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তাঁরা শিশুদের উপরে যৌন নিগ্রহমূলক ঘটনার কন্টেন্ট ‘অটোমেটেড টুলস’ ব্যবহার করে নিয়মিত সরিয়ে দেন। ২০২৬ সালেই তাঁরা এমন ধরনের কন্টেন্ট ছড়ানোর অভিযোগে ২.৭৪ লক্ষ গ্রুপ বন্ধ করে দিয়েছেন। আগামী দিনেও তাঁরা এমন ধরনের পদক্ষেপ করতে থাকবেন। উল্লেখ্য, চলতি সপ্তাহে এটি দ্বিতীয়বার মেটাকে তলব করল কেন্দ্র। এর আগে হোয়াটসঅ্যাপে প্রস্তাবিত ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মেটাকে ডেকেছিল মন্ত্রক। সরকারের আশঙ্কা, এই ফিচারের অপব্যবহার করে পরিচয় জালিয়াতি ও ভুয়ো পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনা বাড়তে পারে। সেই কারণে সরকারের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত নতুন ফিচার চালু না করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

  • Username Feature: হোয়াটসঅ্যাপের পর টেলিগ্রাম, সিগন্যালকেও নোটিস কেন্দ্রের, ইউজারনেম ফিচার বন্ধ করবে জোহোর আরাট্টাই

    Username Feature: হোয়াটসঅ্যাপের পর টেলিগ্রাম, সিগন্যালকেও নোটিস কেন্দ্রের, ইউজারনেম ফিচার বন্ধ করবে জোহোর আরাট্টাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপের প্রস্তাবিত ইউজারনেম (Username) ফিচার নিয়ে আপত্তি জানানোর পর এবার একই বিষয়ে জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রাম ও সিগন্যালকেও নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) দুই সংস্থার কাছে জানতে চেয়েছে, ফোন নম্বর গোপন রেখে ইউজারনেমের মাধ্যমে যোগাযোগের সুবিধা কীভাবে প্রতারণা, ফিশিং, ডিজিটাল অ্যারেস্ট কেলেঙ্কারি এবং ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে অপরাধের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, সেই উদ্বেগ মোকাবিলায় তারা কী ব্যবস্থা নিয়েছে।

    ইউজারনেম ফিচার নিয়ে টেলিগ্রামকে নোটিস

    সরকারি সূত্রের খবর, টেলিগ্রামকে পাঠানো নোটিসে বিশেষভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাদের বিদ্যমান ইউজারনেম ফিচার চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলির মতে, ফোন নম্বরের পরিবর্তে ইউজারনেম ব্যবহার করলে অপরাধীদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। বিশেষ করে বিদেশি নম্বর বা বিভ্রান্তিকর পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণার ঘটনা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর আগে ১ জুলাই মেটা-র মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপকে বিস্তারিত নোটিস পাঠানো হয়। সেখানে জানানো হয়, ভারতে ইউজারনেম ফিচার চালুর আগে সরকারের সঙ্গে আলোচনা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই পরিষেবা চালু করা যাবে না। তথ্যপ্রযুক্তি আইন এবং ২০২১ সালের আইটি বিধি অনুযায়ী, উল্লেখযোগ্য সামাজিক মাধ্যম মধ্যস্থতাকারী (Significant Social Media Intermediary) হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপের দায়িত্ব রয়েছে ভুয়ো পরিচয়, প্রতারণা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার। পাশাপাশি পরিচয় চুরি ও প্রতারণা সংক্রান্ত আইনি বিধানগুলিও নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপের দাবি, নতুন ফিচারে একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অপরিচিত অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগে সীমাবদ্ধতা, বিদেশি বা অচেনা ব্যবহারকারীর বার্তার ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কবার্তা-সহ বিভিন্ন সুরক্ষা ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে সংস্থার বক্তব্য।

    সরকারের কড়া নজরে হোয়াটসঅ্যাপ

    ভারত বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে ৫০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। সেই তুলনায় টেলিগ্রামের ব্যবহারকারী সংখ্যা অনেক কম হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বিতর্কের কারণে সংস্থাটি সরকারের কড়া নজরে রয়েছে। গত মাসে ভুয়ো ও ফাঁস হওয়া নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়া এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে টেলিগ্রাম ও তার ওয়েব পরিষেবা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হলে পরিষেবা পুনরায় চালু হয়। এদিকে দেশীয় প্রযুক্তি সংস্থা জোহোর মেসেজিং অ্যাপ স্বেচ্ছায় তাদের ইউজারনেম-ভিত্তিক অ্যাকাউন্ট ফিচার বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আরাটাই-এর চিফ সায়েন্টিস্ট শ্রীধর সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, পরিবর্তিত নিয়ন্ত্রক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ব্যবহারকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সংস্থা ভবিষ্যতেও নিরাপদ ও গোপনীয় যোগাযোগ পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    সাইবার অপরাধ দমনে সক্রিয় সরকার

    টেলিগ্রাম, সিগন্যাল এবং অন্যান্য মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের ওপর সরকারের এই বাড়তি নজরদারি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষার পাশাপাশি সাইবার অপরাধ, পরিচয় জালিয়াতি ও অনলাইন প্রতারণা রোধকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্র। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিস্তারিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। সরকারের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যকর তদন্তের ক্ষেত্রে কোনওরকম আপস করা হবে না।

  • Whatsapp Username: মেটা-কে নোটিস কেন্দ্রের! ভারতে এখনই চালু করা যাবে না হোয়াটসঅ্যাপ-এর ইউজারনেম ফিচার

    Whatsapp Username: মেটা-কে নোটিস কেন্দ্রের! ভারতে এখনই চালু করা যাবে না হোয়াটসঅ্যাপ-এর ইউজারনেম ফিচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোয়াটসঅ্যাপ-এ ইউজারনেম (Whatsapp Username) ফিচার এখনই ভারতে চালু করা যাবে না৷ এই মর্মে মেটা-কে নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় সরকার৷ হোয়াটসঅ্যাপ-এ নতুন ইউজারনেম ফিচার চালু করার কথা জানিয়েছিল মেটা৷ ভারতেও এই ফিচার চালু হওয়ার কথা ছিল৷ সূত্রের খবর, হোয়াটসঅ্যাপ-এর এই নতুন ফিচারের কথা সামনে আসতেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে মেটা-কে বিষয়টি নিয়ে নোটিস দেওয়া হয়েছে৷ সরকারের সাথে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটি চালু না করার জন্য মেটাকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সাথে, আগামী ৩ দিনের মধ্যে এই ফিচারের যাবতীয় খুঁটিনাটি ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা জমা দেওয়ার জন্য মেটাকে নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কেন এই নির্দেশ

    সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই ফিচারটির সুবিধা নিয়ে অপরাধীরা সহজেই ছদ্মবেশ ধারণ করতে পারে। এর ফলে অনলাইন জালিয়াতি, ফিশিং এবং বিপজ্জনক ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’এর মতো কেলেঙ্কারি মারাত্মকভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন সরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা নামী ব্যক্তিত্বের আসল ইউজারনেমের নকল তৈরি করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং পরিচয় জালিয়াতি করা আরও সহজ হয়ে উঠবে। কেন্দ্রীয় সরকারের আশঙ্কা, হোয়াটসঅ্যাপ-এর ব্যবহার নম্বরের বদলে ইউজারনেম ভিত্তিক হয়ে গেলে টেলিগ্রাম অ্যাপ ঘিরে যে ধরনের নিরাপত্তার ফাঁক বা ঝুঁকির অভিযোগ উঠেছিল, সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে৷ ইউজারনেম ফিচার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারকে তিন দিনের মধ্যে জানানোর জন্যও মেটা-কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ-এ ইউজারনেম ফিচার চালু না করার জন্যও মেটা-কে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র৷

    হোয়াটসঅ্যাপ-এ ইউজারনেম ফিচার

    ২০২৬ সালের ২৯শে জুন প্রকাশ্যে আসা এই ফিচারের মূল আকর্ষণ হলো, এবার থেকে নিজের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর গোপন রেখেই শুধু একটি স্বতন্ত্র ‘ইউজারনেম’ ব্যবহার করে চ্যাট করা যাবে। ব্যবহারকারীরা নিজেদের পছন্দমতো ইউজারনেম বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। ইউজারনেম ফিচার চালু হলে ফোন নম্বরের গোপনীয়তা রক্ষা হবে বলেও দাবি করেছিল মেটা৷ এতদিন ফোন নম্বরের উপর নির্ভর করেই হোয়াটসঅ্যাপে একজনের সঙ্গে অন্যজন ব্যবহারকারী যোগাযোগ করতে পারতেন৷ হোয়াটসঅ্যাপে যে কোনও ব্যবহারকারী যে কারও মোবাইল নম্বর দেখতে পারতেন৷ কিন্তু ইউজারনেম ফিচার চালু হলে আর সেই সুযোগ থাকবে না৷ একজন ব্যবহারকারী চাইলে তবেই অন্য আর একজন ব্যবহারকারীর সঙ্গে নিজের মোবাইল নম্বর শেয়ার করতে পারবেন৷ নতুন নিয়মে একজন ব্যবহারকারী একটি ইউনিক ইউজারনেম বেছে নিতে পারবেন৷ সেই ইউজারনেম দিয়েই অন্যরা হোয়াটসঅ্যাপ-এ তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন৷ ইউজারনেম-এর দৈর্ঘ্য ৩ থেকে ৩৫ ক্যারেক্টার-এর মধ্যে হতে হবে৷ যা প্রথম দেখায় দারুণ মনে হলেও এর আড়ালে লুকিয়ে থাকা বড়সড় নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়েই তৈরি হয়েছে মূল বিতর্ক।

     

     

     

     

  • WhatsApp Username Feature: গোপনীয়তায় গুরুত্ব! হোয়াটসঅ্যাপে ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে বিতর্ক, প্রতারণার আশঙ্কায় উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

    WhatsApp Username Feature: গোপনীয়তায় গুরুত্ব! হোয়াটসঅ্যাপে ‘ইউজারনেম’ ফিচার নিয়ে বিতর্ক, প্রতারণার আশঙ্কায় উদ্বেগ বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনপ্রিয় ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপ ধাপে ধাপে বিশ্বজুড়ে তাদের বহু প্রতীক্ষিত ‘ইউজারনেম’ (Username) ফিচার চালু করছে। মেটা-অধীন এই সংস্থার দাবি, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আর নিজের মোবাইল নম্বর শেয়ার না করেও অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন। তবে ফিচারটি আনুষ্ঠানিকভাবে সবার জন্য চালু হওয়ার আগেই এটি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিশেষ করে ভারতে প্রতারণা, পরিচয় জালিয়াতি এবং গোপনীয়তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞেরা।

    দ্রুত ইউজারনেম সংরক্ষণ

    হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, প্রত্যেক ব্যবহারকারী একটি স্বতন্ত্র ইউজারনেম বেছে নিতে পারবেন। প্রয়োজনে সেই ইউজারনেম পরিবর্তন বা সম্পূর্ণ মুছেও ফেলা যাবে। সংস্থার দাবি, বর্তমানে তাদের প্ল্যাটফর্মে তিনশো কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী রয়েছে। ফলে পছন্দের ইউজারনেম অন্য কেউ নিয়ে নেওয়ার আগে দ্রুত সেটি সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সংস্থার নতুন সিইও কুনাল শাহও ইতিমধ্যেই নিজের ইউজারনেম সংরক্ষণ করেছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন। এক্স (সাবেক টুইটার)-এ তিনি লেখেন, “সঠিক সময়টাই সবকিছু। ফিচারটি সবার জন্য চালু হওয়ার আগেই আমি আমার ইউজারনেম নিশ্চিত করেছি। আপনিও দ্রুত নিজেরটি সংরক্ষণ করুন।”

    সুবিধার পাশাপাশি বাড়ছে উদ্বেগ

    হোয়াটসঅ্যাপের দাবি, এই ফিচারের মূল লক্ষ্য ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরের গোপনীয়তা আরও শক্তিশালী করা। তবে সমালোচকদের মতে, এই সুবিধাই আবার প্রতারকদের জন্য নতুন অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে জনপরিচিত ব্যক্তিদের নামের সঙ্গে মিল রেখে ভুয়ো ইউজারনেম তৈরি করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা, ভুয়ো বিনিয়োগ প্রকল্পে যুক্ত করা কিংবা প্রতারণামূলক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আমন্ত্রণ জানানোর আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

    অনকুর ওয়ারিকুর কড়া সতর্কবার্তা

    উদ্যোক্তা ও জনপ্রিয় মোটিভেশনাল স্পিকার অনকুর ওয়ারিকু এই ফিচার নিয়ে সরব হয়েছেন। এক্স-এ তিনি লিখেছেন, ভারতে যদি যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অপব্যবহার রোধের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকে, তাহলে এই ফিচার বড় ধরনের সমস্যার কারণ হতে পারে। তিনি বলেন, “ভারতের মতো দেশে সঠিক অ্যান্টি-অ্যাবিউজ সিস্টেম ছাড়া এই ফিচার বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। প্রতারকরা খুব সহজেই জনপরিচিত ব্যক্তিদের মতো দেখতে ইউজারনেম তৈরি করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করতে পারবে।” ওয়ারিকু আরও দাবি করেন, অতীতে তাঁর মুখ ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দিয়ে তৈরি ভুয়ো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে বিনিয়োগ সংক্রান্ত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে টানার ঘটনা ঘটেছে। সেই কারণে তিনি মেটার বিরুদ্ধে আইনি লড়াইও করেছেন। তাঁর কথায়, “আমি নিজে দেখেছি এই ধরনের প্রতারণা কত বড় আকার ধারণ করেছে এবং আমাদের দেশে কত সহজে তা পরিচালিত হয়। তাই একজন জনপরিচিত ব্যক্তি হিসেবে এই ফিচার নিয়ে আমার উদ্বেগকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।”

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

    ওয়ারিকুর পোস্টের পর বহু ব্যবহারকারী একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, আদৌ হোয়াটসঅ্যাপে ইউজারনেম ফিচারের প্রয়োজন ছিল কি না। একজন ব্যবহারকারী লেখেন, “হোয়াটসঅ্যাপ তো শুধুই একটি মেসেজিং অ্যাপ হওয়ার কথা ছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়। অপ্রয়োজনীয় ফিচার যোগ করতে গিয়ে অ্যাপটির মূল চরিত্রই বদলে যাচ্ছে।” আরেকজনের মতে, “গোপনীয়তার কথা বলে এই ফিচার আনা হলেও বাস্তবে যদি সত্যিই ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার কথা ভাবা হতো, তাহলে এমন ব্যবস্থা করা উচিত ছিল যাতে শুধুমাত্র কনট্যাক্ট লিস্টে থাকা ব্যক্তিরাই কল বা মেসেজ করতে পারেন।”

    হোয়াটসঅ্যাপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    সমালোচনার জবাবে হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, পরিচয় জালিয়াতি রোধে বিশিষ্ট জনপরিচিত ব্যক্তিদের জন্য বিশেষভাবে ইউজারনেম সংরক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হবে। পাশাপাশি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট এবং প্রতারণা রুখতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করার কথাও সংস্থা জানিয়েছে। তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, শুধুমাত্র পরিচিত ব্যক্তিদের ইউজারনেম সংরক্ষণ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। একই রকম বানান, অতিরিক্ত অক্ষর বা বিশেষ চিহ্ন ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ইউজারনেম তৈরি করা এখনও সম্ভব হতে পারে। তাই শক্তিশালী যাচাইকরণ ব্যবস্থা, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং প্রতারণামূলক অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করার কার্যকর প্রযুক্তি প্রয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি।

    নজর নিরাপত্তার দিকে

    হোয়াটসঅ্যাপের ইউজারনেম ফিচার নিঃসন্দেহে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত নম্বর গোপন রাখার ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি পরিচয় জালিয়াতি, ভুয়ো অ্যাকাউন্ট এবং অনলাইন প্রতারণার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। এখন দেখার বিষয়, ধাপে ধাপে বিশ্বব্যাপী এই ফিচার চালুর সঙ্গে সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ কতটা কার্যকরভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে পারে এবং ব্যবহারকারীদের আস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হয়।

  • Aeps Scam: ওটিপি বা পিন ছাড়াই ফাঁকা হচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট! জেনে নিন সাইবার অপরাধীদের নতুন হাতিয়ার ‘এইপিএস স্ক্যাম’ সম্পর্কে

    Aeps Scam: ওটিপি বা পিন ছাড়াই ফাঁকা হচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট! জেনে নিন সাইবার অপরাধীদের নতুন হাতিয়ার ‘এইপিএস স্ক্যাম’ সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল লেনদেনের যুগে আর্থিক প্রতারণার নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বন করছে সাইবার অপরাধীরা। এতদিন পর্যন্ত ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ফোনে ওটিপি (OTP) পাঠানো বা ইউপিআই পিন (UPI PIN) হাতিয়ে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যেতো। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে এমন এক মারাত্মক প্রযুক্তিনির্ভর জালিয়াতির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে কোনও ওটিপি বা গোপন পিন ছাড়াই গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে মুহূর্তের মধ্যে সমস্ত অর্থ উধাও হয়ে যাচ্ছে। এই নতুন প্রতারণাচক্রের নাম এইপিএস স্ক্যাম’  (Aeps Scam) বা আধার এনাবল্ড পেমেন্ট সিস্টেম জালিয়াতি ।

    আধার এনাবল্ড পেমেন্ট সিস্টেম কী (Aeps Scam)?

    আধার এনাবল্ড পেমেন্ট সিস্টেম (Aeps Scam) হলো ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (NPCI) দ্বারা প্রবর্তিত একটি বিশেষ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে কোনও গ্রাহক ডেবিট কার্ড বা পিন ছাড়াই শুধুমাত্র নিজের আধার নম্বর এবং আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে মাইক্রো-এটিএম বা বিজনেস করেসপন্ডেন্টের মাধ্যমে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে বা জমা করতে পারেন। গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পৌঁছে দিতে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত জনপ্রিয় (UPI PIN)।

    ওটিপি ছাড়া কীভাবে টাকা চুরি করছে জালিয়াতরা?

    সাইবার অপরাধীরা (Aeps Scam) এই ব্যবস্থার একটি বিশেষ ফাঁক বা লুপহোলকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্টকে নজরে রাখছে। কীভাবে চলে চোরাকারবার? এর কার্যপদ্ধতি কেমন আসুন একবার দেখে নিই-

    • আঙুলের ছাপ চুরি (Biometric Cloning): জালিয়াতরা বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি পোর্টাল, রেজিস্ট্রি অফিস বা ল্যান্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইট থেকে সাধারণ মানুষের আধার নম্বর এবং আঙুলের ছাপের প্রতিলিপি সংগ্রহ করে।
    • সিলিকন থাম্ব ইমপ্রেশন: সংগৃহীত আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে অপরাধীরা কৃত্রিম সিলিকন বুড়ো আঙুল বা ‘সিলিকন থাম্ব ক্লোন’ তৈরি করে।
    • টাকা তুলে নেওয়া: এই ক্লোন করা আঙুলের ছাপ এবং আধার নম্বর ব্যবহার করে এইপিএস (Aeps Scam) পয়েন্ট থেকে গ্রাহকের অজান্তেই টাকা তুলে নেওয়া হয়। যেহেতু এই প্রক্রিয়ায় কোনও ওটিপি বা পিনের প্রয়োজন হয় না, তাই গ্রাহক কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রতারণা সম্পন্ন হয়ে যায়।

    এই জালিয়াতি থেকে বাঁচার উপায় কী?

    সাইবার বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের অদৃশ্য চুরি থেকে নিজের কষ্টার্জিত অর্থ সুরক্ষিত রাখতে কয়েকটি অত্যন্ত জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন। এগুলি হল-

    আধার বায়োমেট্রিক লক করুন (Lock Aadhaar Biometrics)

    এটি এই জালিয়াতি রুখবার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। ‘mAadhaar’ অ্যাপ অথবা ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (UIDAI)-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে গ্রাহকরা সাময়িকভাবে নিজেদের বায়োমেট্রিক ডেটা লক করে রাখতে পারেন। এর ফলে আপনার আঙুলের ছাপ চুরি হলেও কেউ টাকা তুলতে পারবে না। প্রয়োজনে লেনদেনের সময় তা আবার আনলক করা যায়।

    এসএমএস অ্যালার্ট সচল রাখা

    ব্যাঙ্কের প্রতিটি লেনদেনের মেসেজ যাতে ফোনে আসে, তা নিশ্চিত করুন। অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কাটার কোনও বার্তা পাওয়া মাত্রই দ্রুত ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

    সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক না করা

    কোনও অচেনা উৎস থেকে আসা লিঙ্ক বা সরকারি সহায়তার প্রলোভন দেখানো পোর্টালে নিজের আধার সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

  • NPCI: এবার সন্তানদেরও দেওয়া যাবে ডিজিটাল পকেটমানি! এসে গেল এনপিসিআই-এর নতুন ‘ইউপিআই সার্কেল’ ফিচার, জেনে নিন পদ্ধতি

    NPCI: এবার সন্তানদেরও দেওয়া যাবে ডিজিটাল পকেটমানি! এসে গেল এনপিসিআই-এর নতুন ‘ইউপিআই সার্কেল’ ফিচার, জেনে নিন পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুদি দোকান থেকে শুরু করে অনলাইন শপিং—ভারতের সর্বত্রই এখন ক্যাশলেস বা নগদহীন লেনদেনের জয়জয়কার। এই ডিজিটাল বিপ্লবে এবার যুক্ত হতে চলেছে বাড়ির ছোট সদস্যরাও। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) একটি অত্যন্ত অভিনব ফিচার নিয়ে এসেছে, যার মাধ্যমে অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানদের সহজেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে টাকা পাঠাতে পারবেন।

    দুশ্চিন্তা দূর করতেই এই বিশেষ ফিচার (NPCI)

    ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (NPCI) নতুন সংযোজন—’ইউপিআই সার্কেল’ (UPI Circle)। অনেক বাবা-মা সন্তানদের ডিজিটাল পেমেন্টের সুবিধা দিতে চাইলেও, নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ বা অত্যন্ত সংবেদনশীল ইউপিআই পিন (UPI PIN) শেয়ার করার বিষয়ে দ্বিধাবোধ করেন। অভিভাবকদের এই দুশ্চিন্তা দূর করতেই এই বিশেষ ফিচারটি ডিজাইন করা হয়েছে, যা পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষার সঙ্গে সঙ্গে খরচের ওপর সম্পূর্ণ নজরদারি রাখার সুযোগ দেবে।

    ‘ইউপিআই সার্কেল’ আসলে কী?

    ‘ইউপিআই সার্কেল’ হল এমন একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে একজন প্রাথমিক ইউপিআই অ্যাকাউন্টধারী (Primary User) অন্য কোনও বিশ্বস্ত ব্যক্তি বা সেকেন্ডারি ইউজারকে (Secondary User) তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন করার অনুমতি দিতে পারেন। এই সেকেন্ডারি ইউজার হতে পারেন আপনার সন্তান, জীবনসঙ্গী কিংবা বয়োজ্যেষ্ঠ বাবা-মা। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, প্রাথমিক ব্যবহারকারীকে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর কিংবা ইউপিআই পিন কারো সঙ্গে শেয়ার করতে হয় না। উল্টে, সন্তান বা পরিবারের সদস্য কত টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবে, তার একটি নির্দিষ্ট সীমা (Spending Limit) নির্ধারণ করে দেওয়া যায়। ফলে খরচের ওপর অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণ থাকে ষোলআনা।

    কীভাবে কাজ করে এই ফিচার?

    ইউপিআই (NPCI) সার্কেল ব্যবহার করার জন্য প্রাথমিক ব্যবহারকারীকে প্রথমে তাঁর ইউপিআই অ্যাপে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে ‘সেকেন্ডারি ইউজার’ হিসেবে যুক্ত করতে হবে। এরপর ওই সেকেন্ডারি ইউজার সীমিত আকারে পেমেন্ট করার অধিকার পাবেন। এই ফিচারটি মূলত দুটি ভিন্ন মোড বা পদ্ধতিতে কাজ করে:

    ১. ম্যানুয়াল অ্যাপ্রুভাল মোড (অনুমোদন সাপেক্ষ পদ্ধতি)

    এই পদ্ধতিতে সেকেন্ডারি ইউজার (যেমন আপনার সন্তান) কোনও পেমেন্ট বা লেনদেন শুরু করলেই, তা সম্পন্ন হওয়ার আগে প্রাথমিক ব্যবহারকারীর (অভিভাবক) অনুমতির প্রয়োজন হবে। সন্তান লেনদেনের অনুরোধ পাঠালে তৎক্ষণাৎ অভিভাবকের ফোনে একটি নোটিফিকেশন আসবে। অভিভাবক সেই পেমেন্ট অনুমোদন করলেই টাকা কাটবে, অন্যথায় নয়। যে সমস্ত অভিভাবকরা সন্তানের প্রতিটি খরচের নিখুঁত হিসাব রাখতে চান, তাঁদের জন্য এই মোডটি অত্যন্ত কার্যকরী।

    ২. অটোমেটিক অ্যাপ্রুভাল মোড (স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি)

    এই পদ্ধতিতে অভিভাবকরা আগে থেকেই একটি নির্দিষ্ট খরচের সীমা বা লিমিট সেট করে দিতে পারেন। সেকেন্ডারি ইউজারের খরচের পরিমাণ যদি সেই নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকে, তবে লেনদেনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সফল হবে; প্রতিবার আলাদা করে অভিভাবকের অনুমতির (NPCI) প্রয়োজন পড়বে না।

    উদাহরণস্বরূপ

    অভিভাবক যদি সন্তানের জন্য মাসে সর্বাধিক ২,০০০ টাকা খরচের সীমা বা লিমিট নির্ধারণ করে দেন, তবে সন্তান সেই সীমার মধ্যে ছোটখাটো প্রয়োজনীয় পেমেন্ট নিজেই করে নিতে পারবে।

    সংক্ষেপে বলতে গেলে, ‘ইউপিআই সার্কেল’-এর সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো—এর মাধ্যমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ডিজিটাল লেনদেনের স্বাধীনতা পাচ্ছে, তেমনই খরচের রাশ এবং সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকছে অভিভাবকদের হাতেই।

  • UIDAI: বন্ধ হচ্ছে ‘এম আধার’ অ্যাপ, ডেটা সুরক্ষায় নতুন ‘আধার’ অ্যাপ আনছে ইউআইডিএআই

    UIDAI: বন্ধ হচ্ছে ‘এম আধার’ অ্যাপ, ডেটা সুরক্ষায় নতুন ‘আধার’ অ্যাপ আনছে ইউআইডিএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি যদি স্মার্টফোনে নিয়মিত ‘এম আধার’ অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন, তবে এই খবরটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় আধার পরিচয় কর্তৃপক্ষ বা ইউআইডিএআই (UIDAI) জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই বন্ধ হতে চলেছে বর্তমানের জনপ্রিয় ‘এম আধার’ অ্যাপটি। এর পরিবর্তে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আরও নিরাপদ এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত একটি নতুন ‘আধার’ অ্যাপ চালু করা হচ্ছে।

    কেন এই পরিবর্তন (UIDAI)?

    ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর মতে, বর্তমান ‘এম আধার’ অ্যাপটি কার্যকর হলেও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। বিশেষ করে হোটেল, হাসপাতাল বা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরে পরিচয়পত্র হিসেবে এটি দেখানোর সময় অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর সম্পূর্ণ আধার তথ্য প্রকাশ পেয়ে যেতো, যা সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। এই ত্রুটি দূর করতেই নতুন অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে, যা দেশের ‘ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন’ (DPDP) আইনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য শেয়ার করার সুযোগ পাবেন। যেমন, কোথাও শুধু বয়স যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে, সম্পূর্ণ আধার (Aadhaar) নম্বর বা ঠিকানা গোপন রেখে কেবল বয়সটুকুই প্রদর্শন করা সম্ভব হবে।

    নতুন ‘আধার’ অ্যাপের মূল বৈশিষ্ট্য ও উন্নত ফিচারসমূহ:

    ডিজিটাল পরিচয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সুরক্ষিত করতে নতুন অ্যাপটিতে (Aadhaar) বেশ কিছু আধুনিক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে:

    ফেস অথেন্টিকেশন (Face Authentication)

    পাসওয়ার্ড বা ওটিপি (OTP)-এর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে, কেবল ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরার সাহায্যে মুখমণ্ডল স্ক্যান করেই পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে।

    সুরক্ষিত কিউআর কোড (QR Code Identification)

    কোনও প্রকার সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান না করেই, কেবল কিউআর কোড স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আধার তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে।

    তথ্য শেয়ারিংয়ে নিয়ন্ত্রণ (Selective Information Sharing)

     ব্যবহারকারী ঠিক কোন তথ্যটি শেয়ার করতে চান, তা নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। পুরো আধার কার্ডের পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী শুধু বয়স কিংবা ঠিকানা আলাদাভাবে প্রদর্শন করা যাবে।

    বহুস্তরীয় বায়োমেট্রিক লক (Biometric Locking System)

    ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস লক এবং আইরিস (চোখের মণি) লকের মতো ত্রিমাত্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থাকবে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

    অতিরিক্ত সুবিধা

    নতুন এই অ্যাপে একক ডিভাইসের মাধ্যমেই পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্যের আধার প্রোফাইল যুক্ত এবং পরিচালনা করা যাবে।

    অ্যাপ ডাউনলোড ও প্রোফাইল সক্রিয় করার নির্দেশিকা

    প্রতারণা এড়াতে ইউআইডিএআই (UIDAI) ব্যবহারকারীদের শুধুমাত্র অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড (Aadhaar) করার পরামর্শ দিয়েছে।

    • ১>ডাউনলোড: গুগল প্লে স্টোর (Google Play Store) বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে (Apple App Store) গিয়ে “Aadhaar” লিখে সার্চ করতে হবে। ডাউনলোডের আগে অ্যাপটিতে UIDAI-এর অফিশিয়াল ‘Pehchaan’ লোগোটি অবশ্যই যাচাই করে নিন।
    • ২>ভাষা নির্বাচন: অ্যাপটি চালু করার পর লভ্য ১৩টি ভাষার মধ্য থেকে পছন্দের ভাষাটি বেছে নিতে হবে।
    • ৩>ওটিপি যাচাইকরণ: আধারের সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরটি প্রদান করার পর একটি ওটিপি (OTP) আসবে, যা দিয়ে অ্যাকাউন্ট যাচাই করতে হবে। সুরক্ষার স্বার্থে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর ফেস স্ক্যানও চাইতে পারে।
    • ৪>পিন ও আধার যুক্তকরণ: নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি পিন (PIN) নম্বর সেট করতে হবে এবং এরপর নিজের ১২ সংখ্যার আধার নম্বরটি যুক্ত করলেই প্রোফাইলটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাবে।

    গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য

    পুরনো ‘mAadhaar’ অ্যাপের কোনও ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন অ্যাপে স্থানান্তরিত হবে না। ফলত, পূর্বে সংরক্ষিত আধারের পিডিএফ (PDF), কিউআর কোড কিংবা পরিবারের সদস্যদের প্রোফাইলগুলো ব্যবহারকারীকে নতুন অ্যাপে পুনরায় নতুন করে যুক্ত করতে হবে। প্রশাসন ও সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন আধার (Aadhaar) অ্যাপটি দেশের নাগরিকদের ডিজিটাল পরিচয় সুরক্ষিত রাখতে এবং আধুনিক সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ।

  • SIM-binding: ভারতে ‘সিম-বাইন্ডিং’ নিয়ম আনছে হোয়াটসঅ্যাপ, বদলে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পদ্ধতি

    SIM-binding: ভারতে ‘সিম-বাইন্ডিং’ নিয়ম আনছে হোয়াটসঅ্যাপ, বদলে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সাইবার জালিয়াতি ও অনলাইন প্রতারণা রুখতে হোয়াটসঅ্যাপ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ফিচার নিয়ে আসতে চলেছে, যার নাম ‘সিম-বাইন্ডিং’ (SIM-binding)। এই নতুন নিয়মের ফলে ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে।

    ‘সিম-বাইন্ডিং’ আসলে কী (SIM-binding)?

    বর্তমানে যে কোনও ডিভাইসে (SIM-binding) হোয়াটসঅ্যাপ লগ-ইন করার জন্য শুধুমাত্র একটি ওটিপি (OTP)-র প্রয়োজন হয়। কিন্তু ‘সিম-বাইন্ডিং’ প্রযুক্তি চালু হলে, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি সংশ্লিষ্ট ডিভাইসে থাকা ফিজিক্যাল সিম কার্ড বা ই-সিম (e-SIM)-এর সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ যে ফোনে আপনার সিম কার্ডটি রয়েছে, শুধুমাত্র সেই ফোনেই হোয়াটসঅ্যাপ সক্রিয় রাখা সম্ভব হবে।

    কেন এই নতুন নিয়ম আনা হচ্ছে?

    প্রতারণা রোধ (Whatsapp)

    ওটিপি চুরির মাধ্যমে অন্যের হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) অ্যাকাউন্ট হাতিয়ে নেওয়ার যে প্রবণতা বা স্ক্যাম (Scam) ইদানীং বেড়েছে, এই ফিচারের ফলে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে। সিম কার্ডটি ডিভাইসে না থাকলে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করা যাবে না।

    ভুয়ো অ্যাকাউন্টে লাগাম

    অনেক ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল নম্বর ব্যবহার করে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট চালানো হয়। সিম-বাইন্ডিং প্রক্রিয়াটি বাধ্যতামূলক হলে এই ধরণের স্প্যাম অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

    নিরাপত্তার অতিরিক্ত স্তর

    এটি মূলত টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের মতোই কাজ করবে, যা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত চ্যাট ও তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

    ব্যবহারকারীদের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে?

    ডিভাইস পরিবর্তন

    আপনি যখন নতুন কোনও ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) ব্যবহার করতে চাইবেন, তখন পুরনো ফোন থেকে সিম কার্ডটি বের করে নতুন ফোনে লাগানো বাধ্যতামূলক হবে।

    মাল্টি-ডিভাইস ফিচার

    হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp) বর্তমান ‘লিঙ্কড ডিভাইস’ (Linked Devices) ফিচারের ওপর এর প্রভাব কেমন হবে, তা নিয়ে প্রযুক্তি মহলে আলোচনা চলছে। তবে প্রাথমিক অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত করতে এই বাইন্ডিং প্রক্রিয়াটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে টেলিকম সংস্থাগুলোকে সিম কার্ড সংক্রান্ত জালিয়াতি রুখতে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের এই পদক্ষেপ সেই ডিজিটাল সুরক্ষা উদ্যোগেরই একটি অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share