Category: গ্যাজেট

Get updated Gadget related news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Aeps Scam: ওটিপি বা পিন ছাড়াই ফাঁকা হচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট! জেনে নিন সাইবার অপরাধীদের নতুন হাতিয়ার ‘এইপিএস স্ক্যাম’ সম্পর্কে

    Aeps Scam: ওটিপি বা পিন ছাড়াই ফাঁকা হচ্ছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট! জেনে নিন সাইবার অপরাধীদের নতুন হাতিয়ার ‘এইপিএস স্ক্যাম’ সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল লেনদেনের যুগে আর্থিক প্রতারণার নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বন করছে সাইবার অপরাধীরা। এতদিন পর্যন্ত ব্যাঙ্ক জালিয়াতির ক্ষেত্রে গ্রাহকদের ফোনে ওটিপি (OTP) পাঠানো বা ইউপিআই পিন (UPI PIN) হাতিয়ে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যেতো। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে এমন এক মারাত্মক প্রযুক্তিনির্ভর জালিয়াতির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে কোনও ওটিপি বা গোপন পিন ছাড়াই গ্রাহকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে মুহূর্তের মধ্যে সমস্ত অর্থ উধাও হয়ে যাচ্ছে। এই নতুন প্রতারণাচক্রের নাম এইপিএস স্ক্যাম’  (Aeps Scam) বা আধার এনাবল্ড পেমেন্ট সিস্টেম জালিয়াতি ।

    আধার এনাবল্ড পেমেন্ট সিস্টেম কী (Aeps Scam)?

    আধার এনাবল্ড পেমেন্ট সিস্টেম (Aeps Scam) হলো ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া (NPCI) দ্বারা প্রবর্তিত একটি বিশেষ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে কোনও গ্রাহক ডেবিট কার্ড বা পিন ছাড়াই শুধুমাত্র নিজের আধার নম্বর এবং আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে মাইক্রো-এটিএম বা বিজনেস করেসপন্ডেন্টের মাধ্যমে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে বা জমা করতে পারেন। গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা পৌঁছে দিতে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত জনপ্রিয় (UPI PIN)।

    ওটিপি ছাড়া কীভাবে টাকা চুরি করছে জালিয়াতরা?

    সাইবার অপরাধীরা (Aeps Scam) এই ব্যবস্থার একটি বিশেষ ফাঁক বা লুপহোলকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্টকে নজরে রাখছে। কীভাবে চলে চোরাকারবার? এর কার্যপদ্ধতি কেমন আসুন একবার দেখে নিই-

    • আঙুলের ছাপ চুরি (Biometric Cloning): জালিয়াতরা বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি পোর্টাল, রেজিস্ট্রি অফিস বা ল্যান্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইট থেকে সাধারণ মানুষের আধার নম্বর এবং আঙুলের ছাপের প্রতিলিপি সংগ্রহ করে।
    • সিলিকন থাম্ব ইমপ্রেশন: সংগৃহীত আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে অপরাধীরা কৃত্রিম সিলিকন বুড়ো আঙুল বা ‘সিলিকন থাম্ব ক্লোন’ তৈরি করে।
    • টাকা তুলে নেওয়া: এই ক্লোন করা আঙুলের ছাপ এবং আধার নম্বর ব্যবহার করে এইপিএস (Aeps Scam) পয়েন্ট থেকে গ্রাহকের অজান্তেই টাকা তুলে নেওয়া হয়। যেহেতু এই প্রক্রিয়ায় কোনও ওটিপি বা পিনের প্রয়োজন হয় না, তাই গ্রাহক কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রতারণা সম্পন্ন হয়ে যায়।

    এই জালিয়াতি থেকে বাঁচার উপায় কী?

    সাইবার বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের অদৃশ্য চুরি থেকে নিজের কষ্টার্জিত অর্থ সুরক্ষিত রাখতে কয়েকটি অত্যন্ত জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন। এগুলি হল-

    আধার বায়োমেট্রিক লক করুন (Lock Aadhaar Biometrics)

    এটি এই জালিয়াতি রুখবার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। ‘mAadhaar’ অ্যাপ অথবা ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (UIDAI)-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে গ্রাহকরা সাময়িকভাবে নিজেদের বায়োমেট্রিক ডেটা লক করে রাখতে পারেন। এর ফলে আপনার আঙুলের ছাপ চুরি হলেও কেউ টাকা তুলতে পারবে না। প্রয়োজনে লেনদেনের সময় তা আবার আনলক করা যায়।

    এসএমএস অ্যালার্ট সচল রাখা

    ব্যাঙ্কের প্রতিটি লেনদেনের মেসেজ যাতে ফোনে আসে, তা নিশ্চিত করুন। অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কাটার কোনও বার্তা পাওয়া মাত্রই দ্রুত ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

    সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিক না করা

    কোনও অচেনা উৎস থেকে আসা লিঙ্ক বা সরকারি সহায়তার প্রলোভন দেখানো পোর্টালে নিজের আধার সংক্রান্ত তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।

  • NPCI: এবার সন্তানদেরও দেওয়া যাবে ডিজিটাল পকেটমানি! এসে গেল এনপিসিআই-এর নতুন ‘ইউপিআই সার্কেল’ ফিচার, জেনে নিন পদ্ধতি

    NPCI: এবার সন্তানদেরও দেওয়া যাবে ডিজিটাল পকেটমানি! এসে গেল এনপিসিআই-এর নতুন ‘ইউপিআই সার্কেল’ ফিচার, জেনে নিন পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুদি দোকান থেকে শুরু করে অনলাইন শপিং—ভারতের সর্বত্রই এখন ক্যাশলেস বা নগদহীন লেনদেনের জয়জয়কার। এই ডিজিটাল বিপ্লবে এবার যুক্ত হতে চলেছে বাড়ির ছোট সদস্যরাও। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI) একটি অত্যন্ত অভিনব ফিচার নিয়ে এসেছে, যার মাধ্যমে অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানদের সহজেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে টাকা পাঠাতে পারবেন।

    দুশ্চিন্তা দূর করতেই এই বিশেষ ফিচার (NPCI)

    ন্যাশনাল পেমেন্ট কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার (NPCI) নতুন সংযোজন—’ইউপিআই সার্কেল’ (UPI Circle)। অনেক বাবা-মা সন্তানদের ডিজিটাল পেমেন্টের সুবিধা দিতে চাইলেও, নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ বা অত্যন্ত সংবেদনশীল ইউপিআই পিন (UPI PIN) শেয়ার করার বিষয়ে দ্বিধাবোধ করেন। অভিভাবকদের এই দুশ্চিন্তা দূর করতেই এই বিশেষ ফিচারটি ডিজাইন করা হয়েছে, যা পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষার সঙ্গে সঙ্গে খরচের ওপর সম্পূর্ণ নজরদারি রাখার সুযোগ দেবে।

    ‘ইউপিআই সার্কেল’ আসলে কী?

    ‘ইউপিআই সার্কেল’ হল এমন একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে একজন প্রাথমিক ইউপিআই অ্যাকাউন্টধারী (Primary User) অন্য কোনও বিশ্বস্ত ব্যক্তি বা সেকেন্ডারি ইউজারকে (Secondary User) তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেন করার অনুমতি দিতে পারেন। এই সেকেন্ডারি ইউজার হতে পারেন আপনার সন্তান, জীবনসঙ্গী কিংবা বয়োজ্যেষ্ঠ বাবা-মা। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, প্রাথমিক ব্যবহারকারীকে তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর কিংবা ইউপিআই পিন কারো সঙ্গে শেয়ার করতে হয় না। উল্টে, সন্তান বা পরিবারের সদস্য কত টাকা পর্যন্ত খরচ করতে পারবে, তার একটি নির্দিষ্ট সীমা (Spending Limit) নির্ধারণ করে দেওয়া যায়। ফলে খরচের ওপর অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণ থাকে ষোলআনা।

    কীভাবে কাজ করে এই ফিচার?

    ইউপিআই (NPCI) সার্কেল ব্যবহার করার জন্য প্রাথমিক ব্যবহারকারীকে প্রথমে তাঁর ইউপিআই অ্যাপে গিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে ‘সেকেন্ডারি ইউজার’ হিসেবে যুক্ত করতে হবে। এরপর ওই সেকেন্ডারি ইউজার সীমিত আকারে পেমেন্ট করার অধিকার পাবেন। এই ফিচারটি মূলত দুটি ভিন্ন মোড বা পদ্ধতিতে কাজ করে:

    ১. ম্যানুয়াল অ্যাপ্রুভাল মোড (অনুমোদন সাপেক্ষ পদ্ধতি)

    এই পদ্ধতিতে সেকেন্ডারি ইউজার (যেমন আপনার সন্তান) কোনও পেমেন্ট বা লেনদেন শুরু করলেই, তা সম্পন্ন হওয়ার আগে প্রাথমিক ব্যবহারকারীর (অভিভাবক) অনুমতির প্রয়োজন হবে। সন্তান লেনদেনের অনুরোধ পাঠালে তৎক্ষণাৎ অভিভাবকের ফোনে একটি নোটিফিকেশন আসবে। অভিভাবক সেই পেমেন্ট অনুমোদন করলেই টাকা কাটবে, অন্যথায় নয়। যে সমস্ত অভিভাবকরা সন্তানের প্রতিটি খরচের নিখুঁত হিসাব রাখতে চান, তাঁদের জন্য এই মোডটি অত্যন্ত কার্যকরী।

    ২. অটোমেটিক অ্যাপ্রুভাল মোড (স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি)

    এই পদ্ধতিতে অভিভাবকরা আগে থেকেই একটি নির্দিষ্ট খরচের সীমা বা লিমিট সেট করে দিতে পারেন। সেকেন্ডারি ইউজারের খরচের পরিমাণ যদি সেই নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকে, তবে লেনদেনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সফল হবে; প্রতিবার আলাদা করে অভিভাবকের অনুমতির (NPCI) প্রয়োজন পড়বে না।

    উদাহরণস্বরূপ

    অভিভাবক যদি সন্তানের জন্য মাসে সর্বাধিক ২,০০০ টাকা খরচের সীমা বা লিমিট নির্ধারণ করে দেন, তবে সন্তান সেই সীমার মধ্যে ছোটখাটো প্রয়োজনীয় পেমেন্ট নিজেই করে নিতে পারবে।

    সংক্ষেপে বলতে গেলে, ‘ইউপিআই সার্কেল’-এর সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো—এর মাধ্যমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ডিজিটাল লেনদেনের স্বাধীনতা পাচ্ছে, তেমনই খরচের রাশ এবং সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকছে অভিভাবকদের হাতেই।

  • UIDAI: বন্ধ হচ্ছে ‘এম আধার’ অ্যাপ, ডেটা সুরক্ষায় নতুন ‘আধার’ অ্যাপ আনছে ইউআইডিএআই

    UIDAI: বন্ধ হচ্ছে ‘এম আধার’ অ্যাপ, ডেটা সুরক্ষায় নতুন ‘আধার’ অ্যাপ আনছে ইউআইডিএআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি যদি স্মার্টফোনে নিয়মিত ‘এম আধার’ অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন, তবে এই খবরটি আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় আধার পরিচয় কর্তৃপক্ষ বা ইউআইডিএআই (UIDAI) জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই বন্ধ হতে চলেছে বর্তমানের জনপ্রিয় ‘এম আধার’ অ্যাপটি। এর পরিবর্তে ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আরও নিরাপদ এবং প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত একটি নতুন ‘আধার’ অ্যাপ চালু করা হচ্ছে।

    কেন এই পরিবর্তন (UIDAI)?

    ইউআইডিএআই (UIDAI)-এর মতে, বর্তমান ‘এম আধার’ অ্যাপটি কার্যকর হলেও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। বিশেষ করে হোটেল, হাসপাতাল বা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরে পরিচয়পত্র হিসেবে এটি দেখানোর সময় অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর সম্পূর্ণ আধার তথ্য প্রকাশ পেয়ে যেতো, যা সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ। এই ত্রুটি দূর করতেই নতুন অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে, যা দেশের ‘ডিজিটাল পার্সোনাল ডেটা প্রোটেকশন’ (DPDP) আইনের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংগতিপূর্ণ। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য শেয়ার করার সুযোগ পাবেন। যেমন, কোথাও শুধু বয়স যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে, সম্পূর্ণ আধার (Aadhaar) নম্বর বা ঠিকানা গোপন রেখে কেবল বয়সটুকুই প্রদর্শন করা সম্ভব হবে।

    নতুন ‘আধার’ অ্যাপের মূল বৈশিষ্ট্য ও উন্নত ফিচারসমূহ:

    ডিজিটাল পরিচয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সুরক্ষিত করতে নতুন অ্যাপটিতে (Aadhaar) বেশ কিছু আধুনিক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে:

    ফেস অথেন্টিকেশন (Face Authentication)

    পাসওয়ার্ড বা ওটিপি (OTP)-এর ওপর নির্ভরতা কমিয়ে, কেবল ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরার সাহায্যে মুখমণ্ডল স্ক্যান করেই পরিচয় নিশ্চিত করা যাবে।

    সুরক্ষিত কিউআর কোড (QR Code Identification)

    কোনও প্রকার সংবেদনশীল ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান না করেই, কেবল কিউআর কোড স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আধার তথ্য যাচাই করা সম্ভব হবে।

    তথ্য শেয়ারিংয়ে নিয়ন্ত্রণ (Selective Information Sharing)

     ব্যবহারকারী ঠিক কোন তথ্যটি শেয়ার করতে চান, তা নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। পুরো আধার কার্ডের পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী শুধু বয়স কিংবা ঠিকানা আলাদাভাবে প্রদর্শন করা যাবে।

    বহুস্তরীয় বায়োমেট্রিক লক (Biometric Locking System)

    ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস লক এবং আইরিস (চোখের মণি) লকের মতো ত্রিমাত্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীর প্রোফাইল থাকবে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

    অতিরিক্ত সুবিধা

    নতুন এই অ্যাপে একক ডিভাইসের মাধ্যমেই পরিবারের সর্বোচ্চ পাঁচজন সদস্যের আধার প্রোফাইল যুক্ত এবং পরিচালনা করা যাবে।

    অ্যাপ ডাউনলোড ও প্রোফাইল সক্রিয় করার নির্দেশিকা

    প্রতারণা এড়াতে ইউআইডিএআই (UIDAI) ব্যবহারকারীদের শুধুমাত্র অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্ম থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড (Aadhaar) করার পরামর্শ দিয়েছে।

    • ১>ডাউনলোড: গুগল প্লে স্টোর (Google Play Store) বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে (Apple App Store) গিয়ে “Aadhaar” লিখে সার্চ করতে হবে। ডাউনলোডের আগে অ্যাপটিতে UIDAI-এর অফিশিয়াল ‘Pehchaan’ লোগোটি অবশ্যই যাচাই করে নিন।
    • ২>ভাষা নির্বাচন: অ্যাপটি চালু করার পর লভ্য ১৩টি ভাষার মধ্য থেকে পছন্দের ভাষাটি বেছে নিতে হবে।
    • ৩>ওটিপি যাচাইকরণ: আধারের সঙ্গে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরটি প্রদান করার পর একটি ওটিপি (OTP) আসবে, যা দিয়ে অ্যাকাউন্ট যাচাই করতে হবে। সুরক্ষার স্বার্থে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর ফেস স্ক্যানও চাইতে পারে।
    • ৪>পিন ও আধার যুক্তকরণ: নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি পিন (PIN) নম্বর সেট করতে হবে এবং এরপর নিজের ১২ সংখ্যার আধার নম্বরটি যুক্ত করলেই প্রোফাইলটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাবে।

    গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য

    পুরনো ‘mAadhaar’ অ্যাপের কোনও ডেটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন অ্যাপে স্থানান্তরিত হবে না। ফলত, পূর্বে সংরক্ষিত আধারের পিডিএফ (PDF), কিউআর কোড কিংবা পরিবারের সদস্যদের প্রোফাইলগুলো ব্যবহারকারীকে নতুন অ্যাপে পুনরায় নতুন করে যুক্ত করতে হবে। প্রশাসন ও সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন আধার (Aadhaar) অ্যাপটি দেশের নাগরিকদের ডিজিটাল পরিচয় সুরক্ষিত রাখতে এবং আধুনিক সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলা করতে একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ।

  • SIM-binding: ভারতে ‘সিম-বাইন্ডিং’ নিয়ম আনছে হোয়াটসঅ্যাপ, বদলে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পদ্ধতি

    SIM-binding: ভারতে ‘সিম-বাইন্ডিং’ নিয়ম আনছে হোয়াটসঅ্যাপ, বদলে যেতে পারে আপনার অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সাইবার জালিয়াতি ও অনলাইন প্রতারণা রুখতে হোয়াটসঅ্যাপ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ফিচার নিয়ে আসতে চলেছে, যার নাম ‘সিম-বাইন্ডিং’ (SIM-binding)। এই নতুন নিয়মের ফলে ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন আসতে পারে।

    ‘সিম-বাইন্ডিং’ আসলে কী (SIM-binding)?

    বর্তমানে যে কোনও ডিভাইসে (SIM-binding) হোয়াটসঅ্যাপ লগ-ইন করার জন্য শুধুমাত্র একটি ওটিপি (OTP)-র প্রয়োজন হয়। কিন্তু ‘সিম-বাইন্ডিং’ প্রযুক্তি চালু হলে, হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি সংশ্লিষ্ট ডিভাইসে থাকা ফিজিক্যাল সিম কার্ড বা ই-সিম (e-SIM)-এর সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে যাবে। অর্থাৎ যে ফোনে আপনার সিম কার্ডটি রয়েছে, শুধুমাত্র সেই ফোনেই হোয়াটসঅ্যাপ সক্রিয় রাখা সম্ভব হবে।

    কেন এই নতুন নিয়ম আনা হচ্ছে?

    প্রতারণা রোধ (Whatsapp)

    ওটিপি চুরির মাধ্যমে অন্যের হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) অ্যাকাউন্ট হাতিয়ে নেওয়ার যে প্রবণতা বা স্ক্যাম (Scam) ইদানীং বেড়েছে, এই ফিচারের ফলে তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে। সিম কার্ডটি ডিভাইসে না থাকলে অ্যাকাউন্ট সক্রিয় করা যাবে না।

    ভুয়ো অ্যাকাউন্টে লাগাম

    অনেক ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল নম্বর ব্যবহার করে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট চালানো হয়। সিম-বাইন্ডিং প্রক্রিয়াটি বাধ্যতামূলক হলে এই ধরণের স্প্যাম অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

    নিরাপত্তার অতিরিক্ত স্তর

    এটি মূলত টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশনের মতোই কাজ করবে, যা ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত চ্যাট ও তথ্যের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।

    ব্যবহারকারীদের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে?

    ডিভাইস পরিবর্তন

    আপনি যখন নতুন কোনও ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ (Whatsapp) ব্যবহার করতে চাইবেন, তখন পুরনো ফোন থেকে সিম কার্ডটি বের করে নতুন ফোনে লাগানো বাধ্যতামূলক হবে।

    মাল্টি-ডিভাইস ফিচার

    হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp) বর্তমান ‘লিঙ্কড ডিভাইস’ (Linked Devices) ফিচারের ওপর এর প্রভাব কেমন হবে, তা নিয়ে প্রযুক্তি মহলে আলোচনা চলছে। তবে প্রাথমিক অ্যাকাউন্টটি সুরক্ষিত করতে এই বাইন্ডিং প্রক্রিয়াটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে টেলিকম সংস্থাগুলোকে সিম কার্ড সংক্রান্ত জালিয়াতি রুখতে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের এই পদক্ষেপ সেই ডিজিটাল সুরক্ষা উদ্যোগেরই একটি অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    India: চিনা ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রস্তুতি শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে চিনা সিসিটিভি নির্মাণকারী সংস্থা যেমন (হিকাভিশন), ডাহুয়া (Dahua), এবং টিপি-লিঙ্কের (TP-Link) তৈরি ইন্টারনেট-যুক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার (Hikvision TP Link) বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত (India)।

    নয়া সার্টিফিকেশন নীতি (India)

    এই পদক্ষেপটি নেওয়ার কারণ আগামী মাস থেকে কার্যকর হবে স্ট্যাডার্ডডাইজেশন টেস্টিং অ্যান্ড কোয়ালিটি সার্টিফিকেশন (STQC) নিয়মের অধীনে নয়া সার্টিফিকেশন নীতি। এই নিয়ম অনুযায়ী, ভারতে সিসিটিভি পণ্য বিক্রি করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে আগেই নিতে হবে অনুমোদন। এই নিয়ম ভারতে সিসিটিভি এবং ভিডিও নজরদারি পণ্য বিক্রি করে এমন সব ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে শিল্পখাতের আধিকারিকদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি সরকারের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার লক্ষ্য হল কানেকটেড ডিভাইসেসের নিরাপত্তা মান আরও কঠোর করা।

    চিনকে রামধাক্কা

    জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সংস্থাগুলির পণ্য এবং চিনের তৈরি চিপসেট ব্যবহার করা ডিভাইসগুলিকে সার্টিফিকেশন দিতে অস্বীকার করছে। ফলে এসটিকিউসি ক্লিয়ারেন্স না থাকলে এসব পণ্য কার্যত ভারতীয় বাজারে নিষিদ্ধই হয়ে যাবে। এই নিষেধাজ্ঞা চিনা ব্র্যান্ডগুলির পক্ষে রামধাক্কা হতে চলেছে। কারণ একসময় তারা ভারতের সিসিটিভি বাজারে প্রভাবশালী ছিল। গত বছর পর্যন্তও এই ব্র্যান্ডগুলি বাজারের মোট বিক্রয়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ দখল করে রেখেছিল। তবে এখন পরিস্থিতি বদলেছে। দেশীয় নির্মাতারা বাজারের এই বিরাট শূন্যস্থান পূরণ করতে এগিয়ে এসেছেন। ভারতের ব্র্যান্ডগুলি হল সিপি প্লাস, কুবো, প্রমা, ম্যাট্রিক্স, পরশ। এরাই দ্রুত বাজার বিস্তার করেছে।

    আত্মনির্ভর ভারত

    এই সব কোম্পানি তাদের সাপ্লাই চেন পরিবর্তন করে চিনের পরিবর্তে তাইওয়ানিজ চিপসেটস ব্যবহার করছে, স্থানীয়ভাবে তৈরি করছে নিজেদের ফার্মওয়েভও (India)। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের মতে, ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ভারতীয় কোম্পানিগুলি বাজারের ৮০ শতাংশেরও বেশি দখল করেছে। এদিকে, প্রিমিয়াম সেগমেন্টে এখনও বহুজাতিক কোম্পানি যেমন, বস এবং হানিওয়েল শক্ত অবস্থানে রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় সিসিটিভি নির্মাতারা (Hikvision TP Link)।

    সরকারকে ধন্যবাদ বিভিন্ন ভারতীয় সংস্থার

    কুবো (Qubo) সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছে, তারা “নন-কমপ্লেন্ট, ইন্টারনেট-কানেকটেড সিসিটিভি সিস্টেমস”–এর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করছে। কুবোর প্রতিষ্ঠাতা নিখিল রাজপাল বলেন, “এই পদক্ষেপ জাতীয় ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা জোরদার করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এটি ভারতীয় ব্র্যান্ড ও উৎপাদনের প্রতি একটি শক্তিশালী আস্থা প্রকাশ।” প্রশ্ন হল, নয়া নিয়মগুলি কী? জানা গিয়েছে, নতুন এই নিয়মগুলি এসেছে বৈদ্যুতিন ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের এসেনশিয়াল রিকোয়ারমেন্টস (ER) নীতিমালা থেকে। এটি চালু হয়েছিল ২০২৪ এর এপ্রিল মাস থেকে (India)।

    নয়া নিয়ম

    এই নিয়ম অনুযায়ী— নির্মাতাদের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের উৎস দেশ জানাতে হবে, দিতে হবে সিস্টেম অন চিপের তথ্য, ডিভাইসগুলিকে এমনভাবে পরীক্ষা করতে হবে যাতে কোনওরকম নিরাপত্তাজনিত খামতি (security vulnerability) না থাকে। এতে করে কেউ আর অবৈধভাবে রিমোট অ্যাক্সেস নিতে পারে। কোম্পানিগুলিকে এই নিয়ম মানার জন্য ২ বছরের সময় দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য (Hikvision TP Link), এ পর্যন্ত ৫০০–এরও বেশি সিসিটিভি মডেল নতুন নিয়ম অনুযায়ী সার্টিফাই হয়েছে (India)।

  • SIM-Binding Rule: মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার পদ্ধতিতে বদল! ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে ‘সিম-বাইন্ডিং’, কী এটা?

    SIM-Binding Rule: মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার পদ্ধতিতে বদল! ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে ‘সিম-বাইন্ডিং’, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ মার্চ থেকে ভারতে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপগুলির ব্যবহার পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ দফতর (DoT) নির্দেশ দিয়েছে যে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, সিগন্যাল, স্ন্যাপচ্যাট, শেয়ারচ্যাট, জিওচ্যাট, আরাট্টাই এবং জোশ-সহ বিভিন্ন অ্যাপকে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহারকারীর নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে। গত ২৮ নভেম্বর টেলিযোগাযোগ দফতর (DoT) আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্দেশ জারি করে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে ৯০ দিনের মধ্যে নিয়ম মানার সময়সীমা দেওয়া হয়, যার শেষ দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি। পাশাপাশি ১২০ দিনের মধ্যে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ফলে ১ মার্চ থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর হতে চলেছে।

    কীভাবে কাজ করবে ‘সিম-বাইন্ডিং’

    টেলিকম সাইবার সিকিউরিটি (TCS) রুলস, ২০২৪ সংশোধনী অনুযায়ী জারি হওয়া এই নির্দেশে বলা হয়েছে, কোনও মেসেজিং অ্যাপ তখনই কাজ করবে যখন ব্যবহারকারীর যে সিম (SIM binding) দিয়ে অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করা হয়েছে, সেই সিমটি মোবাইল ফোনে সক্রিয় ও উপস্থিত থাকবে। যদি সিম কার্ড খুলে ফেলা হয়, বদলানো হয় বা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ ওই ডিভাইসে কাজ করা বন্ধ করবে। সঠিক সিম পুনরায় প্রবেশ করিয়ে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা পর্যন্ত পরিষেবা চালু হবে না। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েব বা টেলিগ্রাম ওয়েবের মতো ওয়েব ও ডেস্কটপ সংস্করণগুলিকেও প্রতি ছয় ঘণ্টা অন্তর স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগ-আউট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুনরায় লগ-ইন করতে হলে সক্রিয় সিম-যুক্ত মোবাইল থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করে অথেনটিকেশন সম্পন্ন করতে হবে।

    ‘সিম-বাইন্ডিং’ কেন আনা হচ্ছে

    সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা এবং প্রতারণা কমানো। অনেক ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় বা ভুয়ো নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণা করা হয়। ‘সিম-বাইন্ডিং’ (SIM binding) চালু হলে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সক্রিয় নম্বরের সরাসরি সংযোগ থাকবে। এতে অপরাধ শনাক্ত করা সহজ হবে। কেন্দ্রীয় যোগাযোগমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই নিয়ম নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে প্রযুক্তি শিল্প এবং ডিজিটাল অধিকার বিশেষজ্ঞরা। যাঁরা নিয়মিত ভ্রমণ করেন, সিম বদলান বা একাধিক ডিভাইসে একই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন, তাঁদের অসুবিধা হতে পারে। ছোট ব্যবসা এবং অফিস ব্যবহারকারীদেরও বারবার যাচাই করতে হতে পারে, যা দৈনন্দিন কাজে প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Bharatiya GPT: এআই সামিটে উন্মোচিত ভারতীয় জিপিটি, প্রাচীন জ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেতুবন্ধন

    Bharatiya GPT: এআই সামিটে উন্মোচিত ভারতীয় জিপিটি, প্রাচীন জ্ঞান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সেতুবন্ধন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাটজিপিট-র মতো অ্যাপ নিয়ে আসছে ভারত। তৈরি হচ্ছে দেশীয় জিপিটি। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি বম্বের সঙ্গে জুটি বেঁধে প্রোগ্রামটি তৈরি করা হচ্ছে, যার নাম ‘ভারত জিপিটি’ (Bharat GPT)। দিল্লিতে ভারত মণ্ডপমে আন্তর্জাতিক এআই সামিটে এর উন্মোচন হল। ভারতের প্রাচীন পাণ্ডুলিপির ভাণ্ডার থেকে নির্মিত একটি দেশীয় বৃহৎ ভাষা মডেল (LLM) এটি। এআই সামিটে স্পুটনিক ইন্ডিয়ার ধৈর্য মহেশ্বরী ও ভারতীয় জিপিটি (BharatiyaGPT)–এর প্রতিষ্ঠাতা আর রামকৃষ্ণনের কথোপকথনে উঠে এল ভারতের প্রযুক্তিগত ভবিষ্যৎ নিয়ে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি।

    এক কোটি পাণ্ডুলিপির ভাণ্ডার থেকে এআই

    বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বৃহৎ ভাষা মডেল মূলত পাশ্চাত্য তথ্যভাণ্ডারের উপর নির্ভরশীল। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় উদ্ভাবকদের প্রশ্ন—কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভারতের সহস্রাব্দ প্রাচীন বিজ্ঞান, চিকিৎসা, গণিত, দর্শন ও জীবনবিজ্ঞানের জ্ঞানভাণ্ডার থেকে শিখবে না? এই ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে একটি ভারতকেন্দ্রিক ভাষা মডেলের এক ইকোসিস্টেম। যা ১ কোটিরও বেশি প্রাচীন পাণ্ডুলিপির উপর ভিত্তি করে নির্মিত। চল্লিশেরও বেশি লিপিতে লেখা এই পাণ্ডুলিপিগুলি বিভিন্ন শাস্ত্র ও বিদ্যার অন্তর্গত। উদ্যোগটি কেবল প্রযুক্তিগত নয়—এটি সাংস্কৃতিক, বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক পুনরুদ্ধারেরও প্রয়াস।

    ভারতীয় জিপিটি-র জন্ম

    কেবল পশ্চিমের ডেটাসেটের অভিযোজন ভারতের বৌদ্ধিক ঐতিহ্যকে ধারণ করতে পারবে না, এই উপলব্ধি থেকে সরাসরি ভারতীয় পাণ্ডুলিপি-সাহিত্যের আশ্রয় নেওয়া হয়। তৈরি হয় ভারতীয় জিপিটি। এর মধ্যে রয়েছে আয়ুর্বেদ নিয়ে ‘লোকস্বস্তি জিপিটি’। যেখানে অষ্টাঙ্গ হৃদয়ম, শুশ্রুত সংহিতার মতো গ্রন্থ থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে। এই মডেল প্রাচীন চিকিৎসাবিজ্ঞান, শল্যচিকিৎসা, স্বাস্থ্যরক্ষা ও জীবনযাপন পদ্ধতি সম্পর্কে বিশদ তথ্য প্রদান করে। ভারতের শাস্ত্রীয় গণিতচর্চাকে নতুন রূপ দিয়েছে ‘গণিত জিপিটি’। বীজগণিত, ত্রিকোণমিতি, সংখ্যা তত্ত্বসহ প্রাচীন গণিতজ্ঞদের আবিষ্কার এখন আধুনিক ভাষায় সহজবোধ্যভাবে উপস্থাপিত হচ্ছে। সাহায্য নেওয়া হয়েছে আর্যভট্ট, লীলাবতী, বীজগণিত-এর। অর্থনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তার ক্ষেত্রে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়েছে অর্থশাস্ত্রকে। এই গ্রন্থে রাষ্ট্রনীতি, অর্থনীতি ও কৌশলগত ব্যবস্থাপনার যে বিশ্লেষণ রয়েছে, তা আধুনিক প্রেক্ষাপটেও প্রাসঙ্গিক করে তুলছে সংশ্লিষ্ট মডেল। আধ্যাত্মিক ও জীবনদর্শনের জন্য তৈরি হয়েছে ‘ভগবত গীতা জিপিটি’। এখানে ব্যবহারকারী কেবল শ্লোক নয়, তার প্রেক্ষাপট, ব্যাখ্যা ও দার্শনিক তাৎপর্যও জানতে পারবেন।

    ভারতের এআই যাত্রার নতুন পরিচয়

    উদ্যোক্তাদের মতে, ভারতের প্রাচীন গ্রন্থগুলি কেবল ধর্মীয় বা ভক্তিমূলক রচনা নয়; এগুলি ছিল সুসংগঠিত, বিশ্লেষণধর্মী ও বৈজ্ঞানিক দলিল। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সেই জ্ঞান এখন গবেষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য হচ্ছে। এআই সামিটে বার্তা ছিল স্পষ্ট—এটি শুধু ভারতের জন্য নয়, বিশ্বের জন্যও এক নতুন দিগন্ত। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এখন আয়ুর্বেদ, গণিত, দর্শন ও রাষ্ট্রনীতির জ্ঞানকে বিচ্ছিন্ন অংশে নয়, এক জীবন্ত ডিজিটাল ভাণ্ডার হিসেবে অন্বেষণ করতে পারবে। প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির এই মেলবন্ধনই হয়তো ভারতের এআই যাত্রার নতুন পরিচয় গড়ে তুলবে।

  • Sanchar Sathi App: সব মোবাইলে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করতে ফোন নির্মাতাদের নির্দেশ কেন্দ্রের, কেন জানেন?

    Sanchar Sathi App: সব মোবাইলে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ প্রি-ইনস্টল করতে ফোন নির্মাতাদের নির্দেশ কেন্দ্রের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাইবার নিরাপত্তায় আরও জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাইবার সুরক্ষা বিষয়ে সরকারি অ্যাপ ‘সঞ্চার সাথী’-কে ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। নতুন মোবাইল গুলিতে এবার থেকে আগেই ইনস্টল করতে হবে ‘সঞ্চার সাথী’ (Sanchar Sathi App)। সিস্টেমকে এমন ভাবে করা হবে যাতে ব্যবহারকারীরা মোবাইল কেনার পরে ওই অ্যাপ ডিলিট করতে না পারে। নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে মোবাইল সংস্থাগুলিকে (Phone App) বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে বিশেষ বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ থাকার কথা নিশ্চিত (Sanchar Sathi App)

    তবে এই বিষয়ে নির্দেশিকা বিষয়ে সরকারের তরফ থেকে এখনও তেমন কোনও নির্দেশিকা আসেনি। তবে একাধিক সংবাদসংস্থা জানিয়েছে, অ্যাপল, স্যামসাং, শাওমি, ভিভো সহ বিভিন্ন সংস্থাকে এই সাইবার সুরক্ষা নিয়ে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। গত ২৮ নভেম্বর এই নির্দেশিকায় মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি ৯০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। নতুন মোবাইলে এখন আগে থেকেই ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ (Sanchar Sathi App) থাকার কথা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

    তবে এই প্রসঙ্গে আরও জানা গিয়েছে নতুন যে সব মোবাইলগুলি এসেছে সেগুলির সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে সঞ্চার সাথী অ্যাপটিকে ইনস্টল (Phone App) করিয়ে দিতে হবে। সাইবার সুরক্ষার জন্য এই অ্যাপ সরকারের নজরদারিকে আরও সক্রিয় করবে বলে আশা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তবে সরকারের তরফে সরাসরি কিছু না বললেও আলাদা আলাদা করে প্রথম পর্যায়ে সকল সংস্থাকে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

    ৫০ হাজার মোবাইল উদ্ধার

    ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপ (Sanchar Sathi App) এই বছরের শুরুতেই লঞ্চ করা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ মন্ত্রকের এই অ্যাপ সাইবার সুরক্ষা মামলায় অত্যন্ত কার্যকারী হবে বলে মনে করেছে কেন্দ্র। শুধু মোবাইল চুরি নয়, এখন থেকে মোবাইল খুঁজে পেতেও সহযোগী হবে এই অ্যাপ। একটি সরকারি হিসেবে জানা গিয়েছে, দেশে সাত লক্ষের বেশি হারানো মোবাইল খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে এই সঞ্চার সাথী অ্যাপ। এর মধ্যে ৫০ হাজার হারানো মোবাইল উদ্ধারে অ্যাপটি বিশেষভাবে সহযোগিতা করেছে। তবে সূত্রের দাবি, বিক্রির আগে কোনও রকম থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করা নির্মাণকারী সংস্থার নিজস্ব অভ্যন্তরীণ নীতিরই পরিপন্থী। এখন আগামী দিনে সরকার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাই এখন দেখার।

    কী কী সুবিধান মিলবে?

    ‘সঞ্চার সাথী’ (Sanchar Sathi App) অ্যাপে আপনি জানতে পারবেন যে আপনার নামে কতগুলো মোবাইল কানেকশন অ্যাক্টিভ আছে। অ্যাপের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে অভিযোগ করা এবং সেগুলি ব্লক করা খুব সহজ হবে। প্রতারণামূলক ওয়েব লিঙ্কগুলিকে রিপোর্ট করা যায়। ফলে সহজেই সন্দেহজনক জালিয়াতির রিপোর্ট করা যায়। ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের নম্বর যাচাই করা যাবে। এখানে নতুন কেনা ফোন সহজেই যাচাই করা যায়। ভারতীয় নম্বর দেখিয়ে আগত ইন্টারনেটের কলগুলিকে সহজেই রিপোর্ট করা যাবে। তবে সরকারি আধিকারিকদের মতে, সাধারণত এখন ওয়েবসাইটে গিয়ে অভিযোগ করতে হয়, ফলে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। তবে ‘সঞ্চার সাথী’ অ্যাপের মাধ্যমে সেই কাজটা অনেক সহজ এবং দ্রুত হবে বলে বিশ্বাস। এমনকী ব্যবহারকারীদের আইএমইআই নম্বরও মনে রাখার দরকার হবে না। টেলিযোগাযোগ দফতর সূত্রে (Phone App) সাফ কথায় জানা হয়েছে, সমস্ত ভুয়ো হ্যান্ডসেট কেনা থেকে নাগরিকদের রক্ষা এই নয়া অ্যাপ বিশেষ ভাবে সাহায্য করবে। একই ভাবে বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে খুব সহজেই অভিযোগ করতে এবং সঞ্চার সাথী উদ্যোগকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    ৯.৫ লাখের বেশিবার ডাউনলোড

    ‘সঞ্চার সাথী’-র (Sanchar Sathi App) একটি পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৪২.১৪ লাখের বেশি মোবাইল ফোন ব্লক করা হয়েছে। ২৬.১১ লাখেরও বেশি হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া ফোনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। অ্যাপে ১.১৪ কোটিরও বেশি রেজিস্ট্রেশন হয়েছে। গুগল প্লে স্টোর থেকে এক কোটির বেশি ডাউনলোড করা হয়েছে। অ্যাপল স্টোর থেকেও এই অ্যাপ ৯.৫ লাখের বেশিবার ডাউনলোড হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

  • CNAP system: আর স্প্যামকল নয়, ফোনে ভেসে উঠবে কলারের আধার যুক্ত নাম! কেন্দ্র আনল সিএনএপি

    CNAP system: আর স্প্যামকল নয়, ফোনে ভেসে উঠবে কলারের আধার যুক্ত নাম! কেন্দ্র আনল সিএনএপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  যদি আপনার ফোনে হঠাৎ করে কেউ ফোন করে, আর আপনি অপরিচিত নাম দেখাতে শুরু করেন, এমন নাম যা আপনি কখনও সেভ করেননি, তাহলে চিন্তা করবেন না। এটি কোনও ত্রুটি নয়। এটি ভারত সরকারের নতুন সিএনএপি (CNAP system) সিস্টেম, যা দেশের কিছু অংশে পরীক্ষা করা হচ্ছে। কোনও ভয় পাওয়ার কারণ নেই। অপরিচিত নাম বা নম্বর নিয়ে অহেতুক ভয় পাবেন না। ফোন (Calling Name Presentation) করলে আধার যুক্ত নাম প্রদর্শিত করবে।

    আধার নামটি প্রদর্শিত হবে (CNAP system)

    সিএনএপি (CNAP system)-এর অর্থ হল কলিং নেম প্রেজেন্টেশন এবং এটি ট্রু কলার (Truecaller) এর মতো ব্যবস্থা, তবে সরকার স্বীকৃত এবং সরকারের দ্বারা তৈরি। গ্রাহককে এই নিয়ে কোনও অসুবিধায় পড়তে হবে না। এই সিস্টেমের অর্থ হল ক্রাউডসোর্সড ডেটা। তার মানে হল ব্যবহারকারীর অনুমানের উপর নির্ভর না করেই কল করা ব্যক্তির আসল আধার-লিঙ্কযুক্ত নাম দেখা যাবে মোবাইল স্ক্রিনে। কেউ যখন আপনাকে ফোন করে তখন সিস্টেমটিতে কী হয় তা আসুন জেনে নিই। প্রথমে আপনার ফোনে (Calling Name Presentation) সেই মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত আধার নামটি প্রদর্শিত হবে। কিছুক্ষণ পরে, এটি আপনার ফোনের কন্টাক্ট লিস্টে সেভ করা নামটি দেখাবে। এর অর্থ হল প্রথমে যাচাইকৃত সরকারি পরিচয়পত্রটি দেখাবে এবং এরপর ব্যক্তিগত মোবাইলে সেভ করা তথ্যকে দ্বিতীয় স্থানে প্রদর্শন করবে।

    শনাক্তকরণকে আরও নির্ভুল

    এখন প্রশ্ন হল সরকার কেন এমন পদ্ধতির ব্যবহার শুরু করছে? কেন্দ্রীয় সরকার গত মাসে সিএনএপি (CNAP) পোর্টাল অনুমোদন করেছে। এতে টেলিকম অপারেটররা কলার শনাক্তকরণকে আরও নির্ভুল এবং বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে এটিকে কার্যকর করেছে। এর লক্ষ্য হল জটিলতা হ্রাস করা, জালিয়াতি প্রতিরোধ করা এবং অপরিচিত নম্বর থেকে কলের (Calling Name Presentation) উত্তর দেওয়ার সময় মানুষকে আরও আত্মবিশ্বাসী করা। উল্লেখ্য আগে, যদি আপনার স্ক্রিনে কোনও অসংরক্ষিত নম্বর দেখা যেত, তাহলে ট্রুকলার (Truecaller)-এর মতো অ্যাপ ব্যবহার না করলে, সেই নম্বরটিকে জানার কোনও স্পষ্ট উপায় ছিল না। নির্দিষ্ট কলের তথ্যটি প্রায়শই অন্যান্য ব্যবহারকারীদের উপর নির্ভর করতে হতো। তবে সবসময় নির্ভরযোগ্যও ছিল না। সিএনএপি (CNAP system) প্রত্যেক কল করা ব্যক্তির নাম এখন সরাসরি তাদের সিম নিবন্ধনের সঙ্গে যুক্ত করে দিয়েছে। ভারতে এখন কলার আইডি কীভাবে কাজ করে তার মধ্যে এটি একটি লক্ষণীয় পরিবর্তন। তবে গোপনীয়তা, নির্ভুলতা এবং লোকেরা তাদের প্রদর্শিত নাম আপডেট বা পরিবর্তন করতে পারবে কিনা সে সম্পর্কে পরিষেবাটি সম্প্রসারণের বিষয়টিও আলোচনা সাপেক্ষ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আপাতত সিএনএপি (CNAP system) গ্রাহকদের কল ধরার সময় আরও স্বচ্ছ এবং বিশ্বাস যোগ্যতাকে নিশ্চিত করছে। অপরিচিত নম্বর থেকে কল ধরার সময় সেটিকে আরও কার্যকর করা হচ্ছে। টেলিকম অপারেটররা সারা দেশে সিস্টেমটিকে সক্রিয় করার সঙ্গে মোবাইলে ব্যক্তিগত যোগাযোগের নামগুলিকে প্রদর্শিত হওয়ার আগে স্ক্রিনে যাচাইকরেই দেখাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Elon Musk: পক্ষপাতদুষ্ট উইকিপিডিয়া থেকে মুক্তি! এলন মাস্ক আনলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ‘গ্রোকিপিডিয়া’

    Elon Musk: পক্ষপাতদুষ্ট উইকিপিডিয়া থেকে মুক্তি! এলন মাস্ক আনলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত ‘গ্রোকিপিডিয়া’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাইক্রো-ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এক্স (সাবেক ট্যুইটার)-এর এআই চ্যাটবট ‘গ্রোক’ দ্বারা অনুপ্রাণিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন অনলাইন এনসাইক্লোপিডিয়া ‘গ্রোকিপিডিয়া’ বাজারে আনলেন সংস্থার কর্তা বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এলন মাস্ক (Elon Musk)। এই গ্রোকিপিডিয়াকে বহুল-প্রচলিত উইকিপিডিয়ার একটি বিকল্প হতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এলন মাস্ক বলেছেন, ‘‘গ্রোকিপিডিয়া (Grokipedia) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি সত্য-নির্ভর প্ল্যাটফর্ম হবে। উইকিপিডিয়ার মতো পক্ষপাতদুষ্ট নয়।’’

    ৮৮ হাজার ৫০০টি নিবন্ধ উপলব্ধ (Elon Musk)

    এক অভিযোগের প্রেক্ষিতে উইকিপিডিয়ার বিরুদ্ধে এলন মাস্ক (Elon Musk) বলেন, “অনলাইন বিশ্বকোষটি হতাশাজনক ভাবে পক্ষপাতদুষ্ট। যদিও গ্রোকিপিডিয়ার (Grokipedia) বিষয়বস্তু উইকিপিডিয়া এবং ব্রিটানিকার মতো বিশ্বকোষের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমানে আমাদের প্রযুক্তি উক্ত বিষয়বস্তুর একটি অংশকেই ধারণ করে। এই প্ল্যাটফর্মে প্রায় ৮৮ হাজার ৫০০টি নিবন্ধ উপলব্ধ রয়েছে। আগামী দিনে এই পরিসর আরও বাড়বে।

    উইকিপিডিয়া-গ্রোকিপিডিয়ার ফলাফলে পার্থক্য

    সাধারণত, উইকিপিডিয়ায় অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট এবং বামপন্থী, সেকুলারপন্থী মতাদর্শকে এর বিষয়বস্তুতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই পদ্ধতি বিশ্বকোষ হওয়ার নীতির বিরুদ্ধে যায়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, উইকিপিডিয়া অনুসারে, লিঙ্গ হল একজন পুরুষ (বা ছেলে), মহিলা (বা মেয়ে), বা তৃতীয় লিঙ্গ হওয়ার সামাজিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক এবং আচরণগত দিকগুলির পরিসরে মানুষ। অপর দিকে গ্রোকিপিডিয়া (Grokipedia) এটিকে যেমনটি হওয়া উচিত তেমন সংজ্ঞায়িত করে। তাতে বলে এটি জৈবিক লিঙ্গের উপর ভিত্তি করে পুরুষ বা মহিলা হিসাবে বংশবিস্তার এবং সন্তান ধারণের বাস্তব জ্ঞানে সংজ্ঞায়িত। উভয়ের বিশ্লেষণ পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য হল, উইকিপিডিয়া ফলাফল দেখায় মত ও আদর্শ মেনে। অপরে গ্রোকিপিডিয়া ফলাফল দেখায় তথ্যের উপর ভিত্তি করে।

    গ্রোকিপিডিয়ার (Grokipedia) কন্টেন্টগুলি একই বৃহৎ ভাষা মডেল দ্বারা তৈরি করা হয়েছে যা এক্স-এ গ্রোক চ্যাটবট দ্বারা নির্ভর করে তৈরি হয়। লাইভ ব্যবহারকারীর ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে, যা ক্রমাগত আপডেটের অপশনও দেবে। তবে বর্তমান ব্যবহারকারীরা উইকিপিডিয়ার মতো গ্রোকিপিডিয়ার কন্টেন্ট সম্পাদনা করতে পারবেন না। ত্রুটিযুক্ত লেখা নির্বাচন করতে পারবে। ব্যবহারকারীরা ত্রুটি বা ভুল বোতামে ক্লিক করতে পারবেন। সঠিক তথ্য এবং উৎসসূত্র সহ নানা তথ্য প্রদান করা যাবে। কন্টেন্টের পরিবর্তন তাৎক্ষণিক হবে না। তবে বর্তমানে গ্রোকিপিডিয়ার কেবলমাত্র পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।

LinkedIn
Share