Category: জীবিকা

Get updated Profession related and Career news from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Railway Recruitment 2026: রেলে চাকরির বড় সুযোগ! স্টেশন মাস্টার পদে ১,২৬৫ জন নিয়োগ, আবেদন শেষ ২৫ নভেম্বর

    Railway Recruitment 2026: রেলে চাকরির বড় সুযোগ! স্টেশন মাস্টার পদে ১,২৬৫ জন নিয়োগ, আবেদন শেষ ২৫ নভেম্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেলে চাকরি করতে ইচ্ছুক স্নাতক চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুযোগ। স্টেশন মাস্টার পদে মোট ১,২৬৫টি শূন্যপদে নিয়োগের ঘোষণা করা হয়েছে। সেন্ট্রালাইজড এমপ্লয়মেন্ট নোটিফিকেশন (CEN) নম্বর ০৮/২০২৬-এর অধীনে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে। প্রকাশিত নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন ২০২৬ সালের ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত। দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের (RRB) অধীনে এই নিয়োগ করা হবে। রেলে স্থায়ী চাকরির সুযোগ খুঁজছেন, এমন প্রার্থীদের জন্য এই নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে আবেদন করার আগে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া সমস্ত শর্ত ও যোগ্যতার মাপকাঠি ভালো করে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    কোন আরআরবি-তে কত শূন্যপদ?

    প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডে স্টেশন মাস্টার পদের শূন্যপদের সংখ্যা নিম্নরূপ—
    – আরআরবি মুম্বই: ১৭৭টি পদ
    – আরআরবি জম্মু-শ্রীনগর: ১২২টি পদ
    – আরআরবি চেন্নাই: ১১৯টি পদ
    সব মিলিয়ে এই নিয়োগ অভিযানে মোট ১,২৬৫টি শূন্যপদ রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    কারা আবেদন করতে পারবেন?

    স্টেশন মাস্টার পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের স্নাতক হতে হবে। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি বয়সসীমা, সংরক্ষণ সংক্রান্ত নিয়ম এবং অন্যান্য যোগ্যতার শর্ত পূরণ করতে হবে। এই সমস্ত বিষয়ে বিস্তারিত জানতে সরকারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি খতিয়ে দেখা জরুরি। নিয়োগের নির্বাচন পদ্ধতি, পরীক্ষার ধরন এবং অন্যান্য শর্ত সম্পর্কেও বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে।

    কীভাবে করবেন আবেদন?

    আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন সংক্রান্ত তথ্য এবং বিজ্ঞপ্তি দেখতে নিচের ওয়েবসাইটগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে—
    – সরকারি আরআরবি ওয়েবসাইট: rrb.indianrailways.gov.in
    – অনলাইন আবেদন পোর্টাল: rrbapply.gov.in
    – নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: CEN 08/2026-এর স্টেশন মাস্টার নিয়োগ

    আবেদনের পদ্ধতি অনলাইন

    অনলাইনে আবেদন করার আগে সরকারি বিজ্ঞপ্তি থেকে শূন্যপদের সংখ্যা, বয়সসীমা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পরীক্ষার পদ্ধতি এবং আবেদনের শেষ তারিখ যাচাই করে নিন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত সমস্ত শর্ত পূরণ করলেই আবেদন করা উচিত।

  • Kolkata Police Recruitment: কলকাতা পুলিশে ৫,৮৯৩ পদে নিয়োগে রাজ্যের অনুমোদন, শীঘ্রই প্রকাশিত হতে পারে বিজ্ঞপ্তি

    Kolkata Police Recruitment: কলকাতা পুলিশে ৫,৮৯৩ পদে নিয়োগে রাজ্যের অনুমোদন, শীঘ্রই প্রকাশিত হতে পারে বিজ্ঞপ্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা পুলিশে (Kolkata Police Recruitment) একসঙ্গে প্রায় ৫,৯০০ শূন্যপদে নিয়োগের প্রশাসনিক অনুমোদন দিল রাজ্য সরকার (West Bengal Govt)। দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা থাকা মোট ৫,৮৯৩টি পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করার সবুজ সংকেত মিলেছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের (WBPRB) মাধ্যমে সম্পূর্ণ মেধা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এই নিয়োগ সম্পন্ন হবে। নবান্ন সূত্রে খবর, গত ২৭ অক্টোবর এই সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা পুলিশের প্রশাসনিক কাজকর্ম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর একাধিক পদে নিয়োগের প্রস্তাব পাঠিয়েছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। সেই প্রস্তাব পর্যালোচনার পর অর্থ দফতর এবং রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়ায় নিয়োগের ক্ষেত্রে আর কোনও প্রশাসনিক বাধা রইল না।

    কোন কোন পদে নিয়োগ

    অনুমোদিত শূন্যপদগুলির মধ্যে রয়েছে ৬৪৮টি সার্জেন্ট এবং ৪২৫টি সাব-ইনস্পেক্টর পদ। সাব-ইনস্পেক্টর পদগুলির মধ্যে ৭০টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। পাশাপাশি ৪,৩১৯টি কনস্টেবল পদেও নিয়োগ করা হবে। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীদের জন্য রয়েছে ৪৩০টি পদ। তবে কবে থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি কবে প্রকাশিত হবে, সে বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানানো হয়নি। নির্দেশিকায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, খুব শীঘ্রই এই সংক্রান্ত বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হতে পারে। রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর কর্মসংস্থান ও সরকারি নিয়োগকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছে নতুন সরকার। সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা নিয়োগ প্রক্রিয়া ফের চালু করা—একাধিক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেছে প্রশাসন। এর আগে বিভিন্ন সরকারি দফতরে ১৪ হাজার ৪৫৪টি পদে নিয়োগের প্রস্তাবেও মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিলেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় কলকাতা পুলিশের এই নিয়োগকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এক লক্ষ সরকারি চাকরি

    কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারি চাকরি নিয়ে রাজ্যের যুবক-যুবতীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, পূর্ববর্তী সরকারের আমলে নিয়োগে অনিয়ম এবং ওবিসি তালিকা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বহু নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে গিয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই আইনি ও প্রশাসনিক সমস্যা কাটিয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ইতিমধ্যেই ১২ হাজার কনস্টেবল নিয়োগের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (PSC) দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা পরীক্ষাগুলিও ফের চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও আশ্বাস দিয়েছেন, চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই ধাপে ধাপে এক লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা হবে। যোগ্য প্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।

  • International Labour Day 2026: আজ মে দিবস, কেন ১ মে-ই শ্রমিকদের লড়াইয়ের প্রতীক? জানুন অজানা ইতিহাস

    International Labour Day 2026: আজ মে দিবস, কেন ১ মে-ই শ্রমিকদের লড়াইয়ের প্রতীক? জানুন অজানা ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ১ মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস (International Labour Day)। এই দিন ‘মে দিবস’ (May Day) নামেও পরিচিত। শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং কাজের নির্দিষ্ট সময়সীমার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের ইতিহাস বহন করে এই দিন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে এই দিনটি। কিন্তু কোন ইতিহাস লুকিয়ে এই বিশেষ দিনটির পিছনে? আসুন জেনে নিই।

    সহজ কথায়…

    সহজ ভাষায় বলতে গেলে কাজের ফাঁকে শ্রমিকদের একটু বিশ্রামের দিন এই শ্রমিক দিবস। কাজ তো করতেই হবে। কিন্তু সারাদিন ধরে কাজ করা তো সম্ভব নয়। তাই কাজ যেমন জরুরি, ঠিক ততটাই জরুরি পর্যাপ্ত বিশ্রামের সময় পাওয়া। এই সহজ কথাটাই নতুন করে মনে করার দিন ১ মে। আর্ন্তজাতিক শ্রমিক দিবস। আর এরই সঙ্গে বিশ্বজুড়ে শ্রমিকদের ঐতিহাসিক সংগ্রামের কথা মনে করিয়ে দিতেই দিনটি পালিত হয়ে থাকে।

    আর্ন্তজাতিক শ্রমিক দিবসের ইতিহাস

    মে দিবসের সূচনা ১৮৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। শ্রমিকরা আরও ভালো কাজের পরিবেশ, সংক্ষিপ্ত কাজের সময় এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকারের জন্য লড়াই করেছিলেন। ১৮৮২ সালে সেন্ট্রাল লেবার ইউনিয়নের আয়োজনে নিউইয়র্ক সিটিতে প্রথম শ্রমিক দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সে সময় শ্রমিকদের দৈনিক ১২-১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে হত। এর বিরুদ্ধে ৮ ঘণ্টা কাজের দাবিতে হাজার হাজার শ্রমিক রাস্তায় নামেন। ১৮৮৬ সালের ১ মে শুরু হয় ঐতিহাসিক ধর্মঘট। ৪ মে হে মার্কেট অ্যাফেয়ার-এ বোমা বিস্ফোরণ ও পুলিশের গুলিচালনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়। ভিড় থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে কেউ একজন বোমা ছোড়ে। তার পরে পুলিশ শ্রমিকদের উপর গুলি চালাতে শুরু করে। ফলে প্রায় ১০-১২ জন শ্রমিক ও পুলিশ নিহত হন। এই ঘটনাই শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ১৮৮৯ সালে সেকন্ড ইন্টারন্যাশনাল ঘোষণা করে, প্রতি বছর ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হবে। হে মার্কেটে আন্দোলনের বলিদান হওয়া শ্রমিকদের আত্মত্যাগকে মনে রেখে এই দিনটি পালন করা হয়।

    ভারতে মে দিবসের ইতিহাস

    ভারতে প্রথম মে দিবস পালিত হয় ১৯২৩ সালে চেন্নাই (তৎকালীন মাদ্রাজ) শহরে। শ্রমিক নেতা এম সিংগারাভেলার এই উদযাপনের সূচনা করেন। তিনিই প্রথম ভারতে শ্রমিক আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে লাল পতাকা উত্তোলন করেন। ভারতে শিল্প, নির্মাণ, পরিবহণ, কৃষি ও অসংগঠিত ক্ষেত্রের কোটি কোটি শ্রমিকের জন্য এই দিন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তির যুগে গিগ ইকোনমি, চুক্তিভিত্তিক চাকরি এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তার কারণে শ্রমিক অধিকার নিয়ে নতুন করে আলোচনা জরুরি হয়ে উঠেছে।

    এই দিনটির তাৎপর্য

    বিশ্বব্যাপী ৮০টিরও বেশি দেশে শ্রমিক দিবস পালিত হয়, প্রতিটি দেশ তার নিজস্ব অনন্য উপায়ে দিবসটি পালন করে। অনেক দেশে, শ্রমিক দিবস একটি জাতীয় সরকারী ছুটির দিন (National Holiday) হিসাবে পালন করা হয়, যার ফলে শ্রমিকরা তাদের কাজের থেকে প্রাপ্য বিরতি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে।

    কেন এখনও প্রাসঙ্গিক মে দিবস?

    বর্তমানে শ্রমিকদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে—

    • চুক্তিভিত্তিক কাজের বৃদ্ধি
    • সামাজিক সুরক্ষার অভাব
    • কর্মক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সমস্যা
    • নারী শ্রমিকদের সমান মজুরি ও সুযোগের প্রশ্ন

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র অতীতের সংগ্রাম স্মরণ নয়, বর্তমান ও ভবিষ্যতের কর্মপরিবেশ আরও মানবিক করার প্রতিশ্রুতিও বহন করে মে দিবস।

    সচেতনতা বৃদ্ধি

    প্রতি বছর বিভিন্ন দেশ আলাদা থিম নিয়ে মে দিবস পালন করে। ২০২৬ সালে মূল ফোকাস রাখা হয়েছে শ্রমিক কল্যাণ, ডিজিটাল অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান নিরাপত্তা এবং সামাজিক সুরক্ষা-র উপর। শ্রমিক দিবসের দিন অনেক জায়গাতেই প্যারেড বা সমাবেশ হয়, যেখানে শ্রমিক এবং শ্রমিক ইউনিয়নগুলি তাঁদের দাবিতে সরব হতে এবং তাদের সাফল্য উদযাপন করতে একত্রিত হয়। এই অনুষ্ঠানগুলি আসলে শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে এবং ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ ও উন্নত কাজের পরিবেশের পক্ষে প্রচারের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম হিসাবে কাজ করে। মে দিবস শুধুমাত্র একটি ছুটির দিন নয়, বরং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের প্রতীক। বিশ্বজুড়ে কর্মপরিবেশ বদলালেও শ্রমিকদের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার প্রশ্ন আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক।

  • India: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে ইউপিআইয়ের ব্যবহার, লেনদেনের পরিমাণ জানেন?

    India: ভারতে ক্রমেই বাড়ছে ইউপিআইয়ের ব্যবহার, লেনদেনের পরিমাণ জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় দেখা গেল একটি ট্রান্সফর্মেটিভ বছর। ২০২৫ সালে ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেসের  (UPI) মাধ্যমে মোট ২২৮.৫ বিলিয়ন টাকা লেনদেন হয়েছে। এটি গত বছরের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে ‘ওয়ার্ল্ডলাইনে’র একটি প্রতিবেদনে। জানা গিয়েছে, মোট লেনদেনের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৯৯.৭৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা দৈনন্দিন লেনদেনের ক্ষেত্রে ইউপিআইকে ভারতের প্রধান পেমেন্ট পদ্ধতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    ডিজিটাল পেমেন্টই ভরসা (India)

    ‘ওয়ার্ল্ডলাইনে’র বার্ষিক রিপোর্ট “ইন্ডিয়া ডিজিটাল পেমেন্টস রিপোর্ট-ইয়ার ২০২৫ ইন রিভিউ থেকে। প্রতিবেদনটিতে দেখা গিয়েছে, ভারত একটি মাইক্রো-ট্রানজ্যাকশন অর্থনীতিতে রূপান্তরিত হচ্ছে, যেখানে ছোট অঙ্কের নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহৃত হচ্ছে—পাড়ার দোকান থেকে শুরু করে পরিবহণ ও দৈনন্দিন পরিষেবা পর্যন্ত, সব ক্ষেত্রেই। জানা গিয়েছে, ইউপিআই (UPI) লেনদেনের গড় মূল্য (ATS) কমে গিয়েছে, যা দৈনন্দিন ছোটখাটো কেনাকাটায় এর ব্যবহার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। মোট এটিএস ৯ শতাংশ কমে ১,৩১৪ টাকায় নেমেছে, আর ব্যবসায়ী পেমেন্টের এটিএস কমে হয়েছে ৫৯২ টাকা।

    ভারতের পেমেন্ট ব্যবস্থায় আধিপত্য

    ইউপিআই এখনও ভারতের পেমেন্ট ব্যবস্থায় আধিপত্য বজায় রেখেছে, যেখানে ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি (P2P) এবং ব্যক্তি-থেকে-ব্যবসায়ী (P2M) উভয় ক্ষেত্রেই বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে। P2M লেনদেন ৩৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৩.৮২ বিলিয়নে পৌঁছেছে (India)। ব্যবসায়ীদের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য পরিকাঠামোও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউপিআই কিউআর কোডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩১.৩৮ মিলিয়নে, এবং পিওএস টার্মিনালের সংখ্যা ১১.৪৮ মিলিয়নে পৌঁছেছে। যদিও দৈনন্দিন পেমেন্টে ইউপিআই প্রাধান্য পাচ্ছে, তবুও বড় অঙ্কের এবং অনলাইন কেনাকাটায় কার্ডের ব্যবহার বাড়ছে। ক্রেডিট কার্ড লেনদেন ২৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫.৬৯ বিলিয়নে পৌঁছেছে, আর ডেবিট কার্ড ব্যবহার কমেছে ২৩ শতাংশ, যা ছোট লেনদেনের ক্ষেত্রে ইউপিআইতে স্থানান্তরের ইঙ্গিত দেয় (UPI)।

    ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের পরিমাণ

    অনলাইন ক্রেডিট কার্ডে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৪.৫৩ ট্রিলিয়ন টাকা, যা ই-কমার্স এবং উচ্চমূল্যের কেনাকাটায় কার্ডের গুরুত্বকে আরও জোরদার করেছে। পুনরাবৃত্ত ডিজিটাল পেমেন্টও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ব্যবস্থায় ভারতের লেনদেন ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩.০৫ বিলিয়নে পৌঁছেছে। এর মোট মূল্য ১৪.৮৪ ট্রিলিয়ন টাকা, যা আদতে নির্দেশ করে ৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি (India)। এই প্ল্যাটফর্মে শিক্ষা ফি, বিমা, ইএমআই এবং সাবস্ক্রিপশন পরিষেবার মতো ক্ষেত্রে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে, যা “সেট অ্যান্ড ফরগেট” পেমেন্ট মডেলের উত্থান নির্দেশ করে। ওয়ার্ল্ডলাইন ইন্ডিয়ার সিইও রমেশ নরসিংহন বলেন, “ভারতের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা এখন একটি নতুন পরিণত পর্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে ব্যাপকতার সঙ্গে কাঠামোগত উন্নয়ন ঘটছে। ইউপিআই, কার্ড এবং পুনরাবৃত্ত পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে স্পষ্ট ভূমিকা তৈরি হচ্ছে, যা দ্রুত সম্প্রসারিত পরিকাঠামোর দ্বারা সমর্থিত।”

  • Oracle Lay Off: ওরাকেলে কর্মীছাঁটাই! বিশ্বজুড়ে কাজ হারালেন ৩০ হাজার কর্মী, ভারতে ১২ হাজার

    Oracle Lay Off: ওরাকেলে কর্মীছাঁটাই! বিশ্বজুড়ে কাজ হারালেন ৩০ হাজার কর্মী, ভারতে ১২ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃত্রিম মেধাই ভরসা! ওরাকেলে (Oracle) গণছাঁটাই! রাতারাতি ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করল মার্কিন টেক জায়ান্ট সংস্থা ওরাকেল। বিশ্বজুড়ে এই ছাঁটাই পক্রিয়া চলেছে। বাদ যায়নি ভারতও। এ-দেশে বহু কর্মী চাকরি হারিয়েছেন বলে খবর। ভারত থেকে ছাঁটাই হয়েছেন প্রায় ১২ হাজার কর্মী। মঙ্গলবার সকালে ই-মেল-এর মাধ্যমে কর্মীদের ছাঁটাই নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     মোট কর্মীর ১৮ শতাংশ কাজ হারালেন

    বেশ কিছুদিন থেকেই ওরাকলে (Oracle Lay Off) ছাঁটাই নিয়ে জল্পনা চলছিল। জানা গিয়েছে, ভোর ৫টা-৬টা নাগাদ কর্মীদের কাছে ছাঁটাই সংক্রান্ত ই-মেল পাঠানো হয়। যে নোটিশ সঙ্গে সঙ্গে কার্যকরী হচ্ছে বলেও কর্মীদের জানানো হয়েছে। ভারতের ১২ হাজার সহ বিশ্বজুড়ে ছাঁটাই প্রক্রিয়ায় মোট ৩০ হাজার জন কাজ হারিয়েছেন। যা ওরাকেলের মোট কর্মীর ১৮ শতাংশ। সংস্থার পক্ষ থেকে এক ই-মেলে ছাঁটাই কর্মীদের জানানো হয়েছে, “এই পরিবর্তনগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে, সংস্থার কার্যক্রমকে সুবিন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; যার ফলস্বরূপ—দুর্ভাগ্যবশত—আপনি বর্তমানে যে পদে কর্মরত আছেন, সেই পদটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।”

    কোন কোন শর্তে কাজ হারাচ্ছেন কর্মীরা

    সংস্থার পক্ষ থেকে ভারতে চাকরিরতদের প্রতি পূর্ণ বছরের জন্য ১৫ দিনের বেতনের পাশাপাশি—চাকরি অবসানের তারিখ পর্যন্ত এক মাসের বকেয়া বেতন, জমা থাকা ছুটির মূল্য (leave encashment), যোগ্যতা সাপেক্ষে গ্র্যাচুইটি এবং এক মাসের নোটিশ পিরিয়ডের বেতন প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কোম্পানি ‘টপ-আপ’ হিসেবে অতিরিক্ত দু’মাসের বেতন দেবারও প্রস্তাব দিয়েছে। তবে, এই ‘সেভারেন্স প্যাকেজ’ বা ক্ষতিপূরণ সুবিধা কেবল সেইসব কর্মীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য, যাঁরা স্বেচ্ছায় এবং পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে কোম্পানি থেকে পদত্যাগ করবেন।

    গণছাঁটাই কেন?

    চলতি অর্থবর্ষে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাটির আয় ব্যাপক হারে বেড়েছে। তাহলে গণছাঁটাই কেন? প্রাথমিক ভাবে ৩০ হাজার কর্মীর ছাঁটাইয়ের কথা জানা গেলেও ওরাকেল চাকরি হারানো কর্মীর সংখ্যা নিশ্চিত করেনি। সংবাদসংস্থা এএনআই দাবি করেছে, সবচেয়ে বেশি করে প্রভাব পড়েছে ভারত ও মেক্সিকোয়। এভাবে রাতারাতি ৩০ হাজার কর্মীকে ছাঁটাইয়ের নেপথ্যে রয়েছে এআই বা কৃত্রিম মেধার উপর সংস্থার ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা।

    কৃত্রিম মেধাই সংস্থার ভবিষ্যৎ

    কৃত্রিম মেধাই সংস্থার ভবিষ্যৎ। সেকথা মাথায় রেখে ডেটা সেন্টার নির্মাণে ওরাকেল সম্প্রতি ১৫৬ বিলিয়ান ডলার বিনিয়োগ করেছে। মূলত ওপেনএআই-এর জন্য বিনিয়োগ। এই বিপুল খরচের অন্যতম কারণ ডেটা সেন্টারের জন্য ৩ মিলিয়ান বিশেষ ধরনের চিপস কেনা। প্রাথমিক বিনিয়োগ ছাড়াও এর জন্য বছরে ৬.৯ বিলিয়ান থেকে ৫০ বিলিয়ান অবধি খরচ হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের বক্তব্য, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের কারণেই কোম্পানিটি কর্মী ছাঁটাই-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচের পথে হাঁটল।

  • New Tax and Salary Laws: ভারতীয় কর আইনে ব্যাপক সংস্কার, জেনে নিন কী কী বদলে যাচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে

    New Tax and Salary Laws: ভারতীয় কর আইনে ব্যাপক সংস্কার, জেনে নিন কী কী বদলে যাচ্ছে ১ এপ্রিল থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ এপ্রিল থেকে ভারতের শ্রম ও কর আইনগুলিতে গুচ্ছের (Financial Life) বড় সংস্কার পুরোপুরি কার্যকর হবে। এতে বেতনের কাঠামো থেকে শুরু করে চাকরি (New Tax and Salary Laws) ছাড়ার পর পাওনা টাকার নিষ্পত্তির সময়সীমা—সব কিছুই বদলে যাবে। একবার দেখে নেওয়া যাক, কী কী পরিবর্তন হয়েছে।

    বেসিক বেতন ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়ে রাখা (New Tax and Salary Laws)

    দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় কোম্পানিগুলি বেসিক বেতন ইচ্ছাকৃতভাবে কম রেখে আসছে। এতে ইপিএফ এবং গ্র্যাচুইটির অবদান কমত, বেশি থাকত হাতে পাওয়া বেতন। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই প্রথারই ইতি হবে চলতি মাসের শেষ দিন। ২০১৯ সালের ‘কোড অন ওয়েজেস’ অনুযায়ী, যা ২১ নভেম্বর ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে, এখন ‘বেতনে’র একটি অভিন্ন সংজ্ঞা চালু করা হয়েছে। এর ফলে বেসিক পে + ডিএ + রিটেনিং অ্যালাওয়েন্স = মোট সিটিসির অন্তত ৫০ শতাংশ হতে হবে। প্রাইভেট সেক্টরে সাধারণত ডিএ দেওয়ার চল না থাকায় এবার কোম্পানিগুলিকে বাড়াতে হবে বেসিক বেতন। ৫০ শতাংশের বেশি অ্যালাউন্স থাকলে অতিরিক্ত অংশ বেতনের মধ্যেই গণ্য হবে।

    নয়া নিয়ম সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক

    এই নিয়ম ভারতের সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক। তা সে ছোট স্টার্টআপ হোক কিংবা বড় কর্পোরেটই হোক না কেন। জানা গিয়েছে, নয়া নিয়ম লাগু হলে খানিক কমতে পারে মাসিক হাতে পাওয়া বেতনের পরিমাণ। যদিও ইপিএফে অবদান বাড়বে, বাড়বে গ্র্যাচুইটির পরিমাণও। ফলে দীর্ঘমেয়াদে অবসরকালীন সঞ্চয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। তবে কোম্পানিগুলির খরচ বেড়ে যেতে পারে ৫ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত। বিশেষ করে এর প্রভাব সব চেয়ে বেশি (Financial Life) পড়তে পারে আইটি, বিপিও, রিটেল এবং হসপিটালিটি খাতে। আগে চাকরি ছাড়ার পর বেতন ইত্যাদি বকেয়া টাকা মিলত ৩০ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে। এখন ওই টাকা দিয়ে দিতে হবে দুই কর্মদিবসের মধ্যে। কর্মীদের পাওনা দিতে দেরি হলে, তা হবে আইনি অপরাধ। যদিও এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে গ্র্যাচুইটি এবং ইপিএফ ট্রান্সফার করাকে।

    মান্ধাতা আমলের আয়কর আইন বাতিল

    ৬০ বছরের পুরানো আয়কর আইন (১৯৬১) বাতিল হয়ে গিয়ে ২০২৫ সালের নয়া আইন কার্যকর হবে। জানা গিয়েছে, সাধারণ করদাতার জন্য আইন সহজ করতে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে ট্যাক্স রেট, সহজ করা হয়েছে আইনের ভাষাও, ধারা কমে ৮১৯ থেকে হয়েছে ৫৩৬, অধ্যায় কমে (New Tax and Salary Laws) হয়েছে ৪৭ থেকে ২৩। পরিবর্তন হয়েছে আরও। অ্যাসেসমেন্ট ইয়ার বাদ দিয়ে চালু করা হচ্ছে ‘ট্যাক্স ইয়ার’। উদাহরণস্বরূপ, ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ হবে ট্যাক্স ইয়ার ২০২৬-২৭।

    কমানো হয়েছে টিসিএস

    বিদেশে খরচে কমানো হয়েছে টিসিএস। আগে ৭ লাখের নীচে হলে দিতে হত ৫ শতাংশ, ৭ লাখের গন্ডি পার হলেই দিতে হত ২০ শতাংশ। এটাই এখন হয়েছে ২ শতাংশ, কোনও থ্রেশহোল্ড নেই। এটি প্রযোজ্য হবে বিদেশ ভ্রমণ এবং শিক্ষা ও চিকিৎসা রেমিট্যান্স। যদিও কমবে আপফ্রন্ট খরচ। আগে সোভারিন গোল্ড বন্ড (SGB) বিনিয়োগে ম্যাচুরিটিতে লাভ্যাংশ ছিল সম্পূর্ণ করমুক্ত। এখন, কেবল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে সরাসরি কেনা হলে, তা হবে করমুক্ত। কর দিতে হবে স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে কেনা হলে। দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষেত্রে করের হার হবে ১২.৫০ শতাংশ। স্বল্প মেয়াদি ক্ষেত্রে এটি আয় হিসেবে যোগ হবে (Financial Life)। বাড়ানো হয়েছে রিটার্ন সংশোধনের সময়ও। আগে ছিল ৯ মাস, এখন হচ্ছে ১২ মাস। যদিও ৯ মাসের পর সংশোধন করলে ফি গুণতে হবে (New Tax and Salary Laws)।

  • Ankush Sachdeva: ১৭ বার ফেল, তার পরেই সাফল্যের শীর্ষে আইআইটির প্রাক্তনী

    Ankush Sachdeva: ১৭ বার ফেল, তার পরেই সাফল্যের শীর্ষে আইআইটির প্রাক্তনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইআইটি কানপুরের প্রাক্তনী অঙ্কুশ সচদেবা প্রবাদটির জীবন্ত উদাহরণ, “ধৈর্য তিক্ত হলেও, তার ফল মিষ্টি।”  অঙ্কুশ একেবারে শূন্য থেকে গড়ে তুলেছিলেন ১৭টি স্টার্টআপ, কিন্তু একের পর এক সবকটিই ব্যর্থ হয়। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন, আইআইটি কানপুর থেকে পাশ করা এই তরুণ ইঞ্জিনিয়ার ১৭ বার অ্যাপ ও স্টার্টআপ চালু করেছিলেন, অথচ একটিও তাঁকে সাফল্য এনে দিতে পারেনি (Ankush Sachdeva)। অঙ্কুশের গল্পটি বলিউডে দেখা প্রচলিত আইআইটি সাফল্য কাহিনির মতো নয়। বরং এটি হাল না ছাড়ার এক অনন্য গল্প। তিনি আইআইটি কানপুর থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক। সাধারণত এখান থেকে পাশ করা ছাত্ররা বড় কর্পোরেট সংস্থার ঝাঁ-চকচকে অফিসে কাজ শুরু করেন। কিন্তু অঙ্কুশ বেছে নিয়েছিলেন ভিন্ন পথ, যে পথে তাঁকে টানা ১৭টি ব্যর্থতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

    ইউটিলিটি পরিষেবা (Ankush Sachdeva)

    বছরের পর বছর ধরে ই-কমার্স থেকে শুরু করে ইউটিলিটি পরিষেবা যে সব আইডিয়ায় তিনি মনপ্রাণ ঢেলে দিয়েছিলেন, সেগুলির সবই ভেঙে পড়ে। বাইরের লোকজনের চোখে তিনি ছিলেন এমন এক জেদি মানুষ, যিনি ‘একটা ঠিকঠাক চাকরি’ করতে রাজি নন। কিন্তু অঙ্কুশের কাছে প্রতিটি ব্যর্থতা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ শেখার ধাপ। তিনি শিখেছিলেন নিজেকে ব্যর্থ মনে করতে না। কী কাজ করছে না, তা বাদ দিয়ে তিনি ধীরে ধীরে এমন এক সমস্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, যেটি গোটা টেক দুনিয়ায় প্রায় সবাই উপেক্ষা করেছিল (Ankush Sachdeva)। ২০১৫ সালে আইআইটি কানপুরেরই বন্ধু ফরিদ আহসান ও ভানু সিংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তিনি লক্ষ্য করেন, ছোট শহর ও গ্রামে ইন্টারনেট ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু স্থানীয় ভাষায় কোনও আকর্ষণীয় অ্যাপ নেই। মূলধারার প্ল্যাটফর্মগুলি সেখানে জনপ্রিয় হচ্ছিল না, এমনকি সেগুলির কনটেন্টও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করতে পারছিল না। এটিই ছিল তাঁদের ‘ইউরেকা মুহূর্ত’।

    শেয়ার চ্যাট

    সেখান থেকেই জন্ম নেয় শেয়ার চ্যাট। শুরু হয় হিন্দি ভাষা দিয়ে, পরে তা বিস্তৃত হয় মালয়ালম, গুজরাটি, বাংলা, পাঞ্জাবি-সহ মোট ১৫টি ভারতীয় ভাষায়। এটি কোনও ইংরেজি অ্যাপের অনুবাদ মাত্র নয়, বরং এটি ছিল একেবারে নতুন ধরনের অ্যাপ, যেখানে ছিল হাস্যরস, স্থানীয় খবর এবং মেট্রো শহরের বাইরের ভারতের দৈনন্দিন বাস্তবতা। প্রশ্ন হল, এই শেয়ার চ্যাট কি সফল হয়েছিল? আজ্ঞে, হ্যাঁ। ২০২২ সালের মধ্যে শেয়ার চ্যাটের মূল্যায়ন পৌঁছে যায় প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকায়। এটি হয়ে ওঠে লাখ লাখ মানুষের জন্য ডিজিটাল ‘নুক্কড়’, একটি এমন অনলাইন আড্ডার জায়গা, যাঁরা এতদিন বৈশ্বিক ইন্টারনেট জগতে প্রায় অদৃশ্য ছিলেন।

    ২০২১ সালের মধ্যেই শেয়ার চ্যাটের সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ১৬ কোটি। সংস্থার প্রধান কার্যালয় ভারতের বেঙ্গালুরুতে, বৈষ্ণবী টেক পার্কে অবস্থিত। শেয়ার চ্যাট পরিচালনা করে মহল্লা টেক। সংস্থাটির উপস্থিতি ভারত, আমেরিকা ও ইউরোপে থাকলেও এর মূল প্রযুক্তি কেন্দ্র এখনও বেঙ্গালুরুতেই, যা ভারতের অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি হাব (Ankush Sachdeva)।

     

  • Bharat Taxi: বন্ধ হবে ওলা-উবারের স্বেচ্ছাচার! ক্যাব চালকদের আয় বাড়াতে ‘ভারত ট্যাক্সি’ আনছে মোদি সরকার

    Bharat Taxi: বন্ধ হবে ওলা-উবারের স্বেচ্ছাচার! ক্যাব চালকদের আয় বাড়াতে ‘ভারত ট্যাক্সি’ আনছে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ট্যাক্সি চালকদের রোজগায় বাড়াতে পথে নামল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকার। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ই-গভরনেন্স ডিভিশনের উদ্যোগে শুরু হচ্ছে দেশের প্রথম সমবায় ট্যাক্সি পরিষেবা। নয়া এই পরিষেবার নাম ‘ভারত ট্যাক্সি’ (Bharat Taxi)। সরকারের এই পদক্ষেপে উপকৃত হবেন দিন আনি দিন খাই ট্যাক্সি চালকরা (Ola Uber)।

    বন্ধ হবে ওলা-উবারের আধিপত্য (Bharat Taxi)

    নয়া এই পরিষেবার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল, এই ট্যাক্সি পরিষেবা থেকে যা আয় হবে, তার পুরোটাই পাবেন চালকরা। আর যাত্রীরাও পাবেন সরকারি নজরদারিতে থাকা ট্যাক্সি পরিষেবার সুযোগ। ওলা এবং উবারের মতো অ্যাপ-নির্ভর ক্যাব পরিষেবাগুলি নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই। তা সত্ত্বেও একপ্রকার বাধ্য হয়েই এই সংস্থার নিয়ন্ত্রণে থাকা গাড়ি বুক করতে বাধ্য হন যাত্রীরা। হঠাৎ করে ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া, বুকিং বাতিল করে দেওয়া, চালকদের দুর্ব্যবহারের মতো বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে ওলা, উবারের ক্যাব পরিষেবা নিয়ে। ট্যাক্সি চালক এবং ট্যাক্সি মালিকদের অভিযোগ, তাঁদের রোজগারের একটা বড় অংশই কমিশন বাবদ কেটে নিচ্ছে ওলা, উবারের মতো সংস্থা।

    ভারত ট্যাক্সি প্ল্যাটফর্ম

    এই পরিস্থিতিরই বদল ঘটাতে চায় ভারত ট্যাক্সি প্ল্যাটফর্ম (Bharat Taxi)। বেসরকারি অ্যাপ-নির্ভর ট্যাক্সি পরিষেবা দেওয়া সংস্থাগুলির মতো এখানে চালকদের রাইডের ওপর কোনও কমিশন দিতে হবে না। তার পরিবর্তে চালকরাও হবেন আংশিক-মালিক। অর্থাৎ, তাঁরা একটি সদস্যপদ মডেলে কাজ করবেন, যেখানে চালকদের কেবল দৈনিক, সাপ্তাহিক কিংবা মাসিক একটি সামান্য ফি দিতে হবে। সরকারের বিশ্বাস, এতে চালকরা আরও বেশি আয় করতে পারবেন। ভারত ট্যাক্সির পরীক্ষামূলক ধাপটি দিল্লিতে শুরু হবে নভেম্বর মাসে। এখানে ৬৫০টি গাড়ি ও তাদের মালিক-চালকরা অংশ নেবেন। এই পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে ডিসেম্বর মাসেই এই পরিষেবাটি চালু করা হবে পুরোদমে। কর্তৃপক্ষের মতে, প্রাথমিক জাতীয় পর্যায়ে মোট ৫ হাজার পুরুষ ও মহিলা চালক অংশগ্রহণ করবেন। পরবর্তী এক বছরের মধ্যে এই পরিষেবা ধীরে ধীরে মুম্বই, পুনে, ভোপাল, লখনউ এবং জয়পুর-সহ ২০টি শহরে সম্প্রসারিত হবে।

    ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সরকার বেশ কয়েকটি মহানগরে ভারত ট্যাক্সির যাত্রা সূচনার লক্ষ্য নিয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই প্ল্যাটফর্মে প্রায় ১ লক্ষ চালক যুক্ত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই পরিষেবার সুযোগ (Ola Uber) মিলবে জেলা সদর ও গ্রামীণ এলাকাগুলিতেও। ভারত ট্যাক্সি একটি সমবায় উদ্যোগ হিসেবে পরিচালিত হবে, কোনও বেসরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি হিসেবে নয়। এই প্ল্যাটফর্মটি সহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত হবে, যা ২০২৫ সালের জুন মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ৩০০ কোটি টাকার প্রাথমিক মূলধন নিয়ে (Bharat Taxi)।

     

LinkedIn
Share