Category: Uncategorized

  • Suvendu Adhikari: “সাম্প্রদায়িক উস্কানির পিছনে মমতা”, কালিয়াচকের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ শুভেন্দু অধিকারীর

    Suvendu Adhikari: “সাম্প্রদায়িক উস্কানির পিছনে মমতা”, কালিয়াচকের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ শুভেন্দু অধিকারীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026) আধিকারিকদের ঘেরাও এবং হেনস্থার ঘটনায় সরব হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই ঘটনার জন্য তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করে তীব্র সমালোচনা করেছেন। রাজ্যে এসআইআর নিয়ে তৃণমূলের তরফে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আগেও উত্তেজক ভাষণ দিয়ে হিংসার বাতাবরণ তৈরি করেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। অপর দিকে কালিয়াচকের ঘটনা অমিত মালব্যের শেয়ার করা ভিডিওতে দাবি করা হয়েছে যে, যখন বিচারবিভাগের আধিকারিকদের ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল, তখন নেপথ্যে থেকে তৃণমূলের একজন মন্ত্রী ও স্থানীয় নেতৃত্ব ইন্ধন জোগাচ্ছিলেন। মালব্যের মতে, এটি কোনও স্বতঃস্ফূর্ত জনবিক্ষোভ ছিল না, বরং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। অভিযুক্ত মন্ত্রীর নাম এবং ছবি প্রকাশ করেছেন একটি বার্তায়।

    উস্কানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি, মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন জনসভা থেকে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষকে প্ররোচিত করছেন। তাঁর মতে, মুখ্যমন্ত্রীর সেই সব বক্তব্যের কারণেই কালিয়াচকের মতো জায়গায় সরকারি আধিকারিকদের ওপর হামলা চালানোর সাহস পাচ্ছে দুষ্কৃতীরা।

    আইন-শৃঙ্খলার অবনতি

    বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেছেন যে, রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। তাঁর ভাষায়, “মুখ্যমন্ত্রী পুলিশকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখেছেন,” যার ফলে নির্বাচন কমিশনের কাজ পরিচালনা করা দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালিয়াচকের ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং এর নেপথ্যে কোনও গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তিনি ইতিমধ্যেই এনআইএ তদন্তের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন।

    নির্বাচন কমিশনকে বার্তা

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছেন যেন রাজ্যে আরও কঠোরভাবে আদর্শ আচরণবিধি (Model Code of Conduct) প্রয়োগ করা হয় এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে এলাকা দখলমুক্ত করা হয়। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কালিয়াচকের ঘটনা কেবল একটি বিচ্ছিন্ন বিশৃঙ্খলা নয়, বরং এটি রাজনৈতিক মদতপুষ্ট একটি পরিকল্পিত বাধা। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনের ওপর ভরসা না করে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপই একমাত্র পথ।” মালদার কালিয়াচকে নির্বাচন কমিশনের (West Bengal Elections 2026)  আধিকারিকদের পণবন্দি করে রাখার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর প্রত্যক্ষ ভূমিকা রয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও (যার সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদমাধ্যম) পোস্ট করে তিনি রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

    নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ

    বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ভোটার তালিকায় কারচুপি এবং বেআইনি ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতেই আধিকারিকদের ওপর ভয় দেখানো ও মানসিক চাপ সৃষ্টির এই কৌশল নেওয়া হয়েছে। অমিত মালব্য প্রশ্ন তুলেছেন যে, যখন আধিকারিকদের কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখা হল, তখন স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন কেন নিষ্ক্রিয় ছিল? তাঁর মতে মন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া পুলিশের এই নীরবতা সম্ভব নয়।

    গণতন্ত্রের ওপর আঘাত

    এই ঘটনাকে গণতন্ত্রের লজ্জা হিসেবে অভিহিত করে বিজেপি দাবি করেছে যে, রাজ্যে অবাধ নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য শাসক দল পেশিশক্তি ব্যবহার করছে। কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন নির্বাচন কমিশন প্রশাসনিক (West Bengal Elections 2026) স্তরে কড়াকড়ি শুরু করেছে, অন্যদিকে অমিত মালব্যের এই অভিযোগ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। শাসক দলের পক্ষ থেকে অবশ্য এই ভিডিওটিকে ‘বিভ্রান্তিকর’ এবং ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • Ramakrishna 6134: “অহংকার যদি থাকে, কিছুদিনের মধ্যে আর থাকবে না, তাঁর কাছে বসলে জীবের অহংকার পলায়ন করে অহংকার চূর্ণ হয়”

    Ramakrishna 6134: “অহংকার যদি থাকে, কিছুদিনের মধ্যে আর থাকবে না, তাঁর কাছে বসলে জীবের অহংকার পলায়ন করে অহংকার চূর্ণ হয়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর
    মাস্টার ও ডাক্তার সংবাদ

    ডাক্তার—হাঁ, তা বটে।

    ডাক্তার গাড়িতে উঠিলেন, দু-চারিটি রোগী দেখিয়া পরমহংসদেবকে দেখিতে যাইবেন। পথে আবার মাস্টারের সঙ্গে কথা হইতে লাগিল। ‘চক্রবর্তীর অহংকার’ ডাক্তার এই কথা তুলিলেন।

    মাস্টার — পরমহংসদেবের (Ramakrishna) কাছে তাঁর যাওয়া-আসা আছে। অহংকার যদি থাকে, কিছুদিনের মধ্যে আর থাকবে না। তাঁর কাছে বসলে জীবের অহংকার পলায়ন করে অহংকার চূর্ণ হয়। ওখানে অহংকার নাই কি না, তাই। নিরহংকারের নিকট আসলে অহংকার পালিয়ে খায়। দেখুন, বিদ্যাসাগর মহাশয় অত বড়লোক, কত বিনয় আর নম্রতা দেখিয়েছেন। পরমহংসদেব তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন, বাদুড়বাগানের বাড়িতে। যখন বিদায় লন, রাত তখন ৯টা। বিদ্যাসাগর লাইব্রেরীঘর থেকে বরাবর সঙ্গে সঙ্গে, নিজে এক-একবার বাতি ধরে, এসে গাড়িতে তুলে দিলেন; আর বিদায়ের (Kathamrita) সময় হাতজোড় করে রহিলেন।

    ডাক্তার — আচ্ছা, এঁর বিষয় বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কি মত?

    মাস্টার — সেদিন খুব ভক্তি করেছিলেন। তবে কথা কয়ে দেখেছি, বৈষ্ণবেরা যাকে ভাব-টাব বলে, সে বড় ভালবাসেন না। আপনার মতের মতো।

    ডাক্তার — হাতজোড় করা, পায়ে মাথা দেওয়া, আমি ও-সব ভালবাসি না। মাথাও যা, পাও তা। তবে যার পা অন্য জ্ঞান আছে, সে করুক।

    মাস্টার — আপনি ভাব-টাব ভালবাসেন না। পরমহংসদেব (Ramakrishna) আপনাকে ‘গম্ভীরাত্মা’ মাঝে মাঝে বলেন, বোধ হয় মনে আছে। তিই কাল আপনাকে বলেছিলেন যে, ডোবাতে হাতি নামলে জল তোলপাড় হয়, কিন্তু সায়ের দীঘি বড়, তাতে হাতি নামলে জল নড়েও না। গম্ভীরাত্মার ভিতর ভাবহস্তী নামলে তার কিছু করতে পারে না। তিনি বলেন, আপনি ‘গম্ভীরাত্মা’।

    ডাক্তার — I don’t deserve the Compliment, ভাব আর কি? feelings; ভক্তি, আর অন্যান্য feelings — বেশি হলে কেউ চাপতে পারে, কেউ পারে না (Kathamrita)।

    মাস্টার — Explanation কেউ দিতে পারে একরকম করে — কেউ পারে না; কিন্তু মহাশয়, ভাবভক্তি জিনিসটা অপূর্ব সামগ্রী। Stebbing on Darwinism আপনার library-তে দেখলাম। Stebbing বলেন, Human mind যার দ্বারাই হউক — evolution দ্বারাই হোক বা ঈশ্বর আলাদা বসে সৃষ্টিই করুন — equally wonderful. তিনি একটি বেশ উপমা দিয়েছেন — theory of light. Whether you know the undulatory theory of light or not, light in either case is equally wonderful.

  • Suvendu Adhikari: রামনবমীর আগেই নন্দীগ্রামে রাম মূর্তি ভাঙচুর! তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের দিকে তির শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রামনবমীর আগেই নন্দীগ্রামে রাম মূর্তি ভাঙচুর! তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের দিকে তির শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে (Nandigram) একটি মন্দিরে রামচন্দ্রের মূর্তি ভাঙচুরকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এই ঘটনায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সরাসরি শাসক দল এবং প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। ঘটনাকে তৃণমূল আশ্রিত জেহাদিদের অপকর্ম বলে উল্লেখ করেছেন। স্থানীয় মন্দিরে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীদের আক্রমণে রামচন্দ্রের মূর্তিকে অপমান করা হয়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া (Suvendu Adhikari)

    মূর্তি ভাঙার ঘটনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং জনসভায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, “রাজ্যের তুষ্টিকরণ রাজনীতির কারণেই দুষ্কৃতীরা এ ধরনের দুঃসাহস দেখাচ্ছে।” আগামী ২৭ মার্চ রাম নবমী তাই এলাকায় হিন্দুদের আতঙ্কিত করার গভীর ষড়যন্ত্র করছে বলে তৃণমূলকে নিশানা করেন শুভেন্দু।

    প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “বারবার অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও পুলিশ প্রকৃত অপরাধীদের ধরতে গড়িমসি করছে। হুঁশিয়ারি দিচ্ছি  দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে বিজেপি। জেহাদিরা রামের মূর্তি ভেঙেছে, যেটা রাম নবমীর জন্য তৈরি করা হচ্ছিল। রাজ্য সরকার হিন্দুদের বিরুদ্ধে। হিন্দু উৎসবের আগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে কিছু সমাজবিরোধী সব সময় এই ধরনের কাজ করে। এমনকি মুসলিমরাও আমাদের মিছিলে থাকেন, তাঁরা এসব করেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্কের জন্য কিছু গুন্ডা তৈরি করেছেন, তারাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।”

    শাসক দলের অবস্থান

    নন্দীগ্রামের (Nandigram) তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, এটি একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। সম্প্রীতি নষ্ট করার যেকোনও প্রচেষ্টাকে কঠোরভাবে দমনের কথা জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বর্তমানে এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। দোষীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, নন্দীগ্রামের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক প্রতীকের অবমাননার ঘটনাগুলো রাজনৈতিক মেরুকরণকে আরও তীব্র করে তুলছে।

  • Calcutta High Court: আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কেন কার্যকর হচ্ছে না? ৭ দিনের মধ্যে রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প কেন কার্যকর হচ্ছে না? ৭ দিনের মধ্যে রাজ্যের জবাব তলব হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat Scheme) কেন কার্যকর করা হচ্ছে না, তা নিয়ে রাজ্য সরকারের কাছে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চাইল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপির তরফ থেকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে জনসাধারণকে বঞ্চনার কথা বলে মমতা সরকারকে কাঠগড়ায় নিয়ে গিয়েছে বিজেপি। এবার মামলা দায়ের হয়েছে উচ্চ আদালতে।

    কেন বঞ্চনা?

    দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ (Ayushman Bharat Scheme) প্রকল্প নিয়ে টানাপড়েন চলছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তাদের নিজস্ব ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্প ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিচ্ছে। তবে বিরোধী পক্ষ এবং মামলাকারীর (Calcutta High Court) দাবি, আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পটি জাতীয় স্তরের সুবিধা প্রদান করে, যা থেকে রাজ্যের মানুষ বঞ্চিত হচ্ছেন। দেশের যে কোনও নাগরিককে স্বাস্থ্যখাতে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সুবিধার কথা যেখানে প্রকল্পে রয়েছে সেখানে এমন স্কিমে বঞ্চনা কেন তাই প্রশ্ন।

    মমতা সরকারের কঙ্কালসার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। মামলাকারীর পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয় যে, আয়ুষ্মান ভারত কার্ড থাকলে ভারতের যেকোনো প্রান্তের তালিকাভুক্ত হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব, যা অনেক ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে সম্ভব হয় না। উভয় পক্ষের প্রাথমিক বক্তব্য শোনার পর আদালত এই বিষয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছে। যদিও বিজেপির দাবি, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কথা সর্বত্র প্রচার হলে মমতা সরকারের কঙ্কালসার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কথা আরও প্রচারতি হবে তাই তৃণমূল সরকার জনগণের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চনা করতে হচ্ছে।

    গত ডিসেম্বরে মামলা করেছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য মামলা করে বলেছিলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও সোশাল ওয়েলফেয়ার প্রজেক্টই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকর করতে দেওয়া হচ্ছে না ৷ এগুলি বাস্তবায়িত হলে প্রান্তিক মানুষ, অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকরা উপকৃত হবেন ৷ এই সরকার শ্রমিক বিরোধী৷ তাই আয়ুষ্মান ভারতের মতো জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত করা নিয়ে মামলা করতে হচ্ছে ।”

    মামলার মূল বিষয়সমূহ

    শমীকের আইনজীবী বলেন, “এটা ভারত সরকারের একটা জনকল্যাণমুখী প্রকল্প (Ayushman Bharat Scheme) ৷ দেশের অন্যান্য রাজ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেখানকার মানুষ সুবিধা পেলেও, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ৷ রাজ্য সরকার গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে একটি মউ স্বাক্ষর করেছিল ৷ কিন্তু, ২০১৯ সালে সেটা প্রত্যাহার করে নেয় ৷ ফলে এ রাজ্যের মানুষ আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে ৷”

    রাজ্য সরকার হলফ নামা দেবে

    এখন আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারকে হলফনামা (Calcutta High Court) জমা দিয়ে জানাতে হবে, এই প্রকল্প কেন এখনো রাজ্যে চালু করা হয়নি। মামলাকারীর দাবি অনুযায়ী, কয়েক কোটি মানুষ এই কেন্দ্রীয় বিমা প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। রাজ্যের জবাব পাওয়ার পর আদালত এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গিয়েছে।

    রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই আইনি লড়াইয়ে কী অবস্থান নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলের। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য পরিষেবার স্বার্থে এই আইনি পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের প্রকল্পকে (Ayushman Bharat Scheme) বাস্তবায়ন না করে আদালতে আইনজীবী দাঁড় করাবেন বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

  • Ramakrishna 596: “পাথরের কাছে থেকে থেকে পাথর হয়ে গেছে, তেমনি সাধুর কাছে থাকতে থাকতে সাধু হয়ে যায়”

    Ramakrishna 596: “পাথরের কাছে থেকে থেকে পাথর হয়ে গেছে, তেমনি সাধুর কাছে থাকতে থাকতে সাধু হয়ে যায়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    নবম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর

    শ্যামপুকুর বাটীতে ডাক্তার সরকার, নরেন্দ্র, শশী, শরৎ, মাস্টার, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    পূর্বকথা—উন্মাদাবস্থায় কুঠির পেছেনে যেন গায়ে হোমাগ্নি জ্বলন।
    পণ্ডিত পদ্মলোচনের বিশ্বাস ও তাঁহার মৃত্যু
     

    আর দেখেছেন, ঈশ্বরকে (Ramakrishna) এত কাছে দেখেছেন যে তাঁর সঙ্গে সর্বদা কথা কচ্ছেন। ছোট ছেলেটির মতো বলছেন, ‘মা, বড় লাগছে!’

    “আর কি অব্‌জর্‌ভেশন (দর্শন)! মিউজিয়াম-এ (যাদুঘরে) ফসিল (জানোয়ার পাথর) হয়ে গেছে দেখেছিলেন। অমনি সাধুসঙ্গের উপমা হয়ে গেল! পাথরের কাছে থেকে থেকে পাথর হয়ে গেছে, তেমনি সাধুর কাছে থাকতে থাকতে সাধু হয়ে যায়।”

    ডাক্তার—ঈশানবাবু কাল অবতার অবতার (Ramakrishna) করছিলেন। অবতার আবার কি! — মানুষকে ঈশ্বর বলা!

    মণি — ওঁদের যা যা বিশ্বাস, তা আর ইন্টারফিয়ার (তাতে হস্তক্ষেপ) করে কি হবে?

    ডাক্তার — হাঁ, কাজ কি!

    মণি — আর ও-কথাটিতে (Ramakrishna) কেমন হাসিয়াছেন! — ‘একজন দেখে গেল, একটা বাড়ি পড়ে গেছে কিন্তু খপরের কাগজে ওটি লিখা নাই। অতএব ও-বিশ্বাস করা যাবে না।’

    ডাক্তার চুপ করিয়া আছেন—কেননা ঠাকুর বলিয়াছিলেন (Kathamrita), ‘তোমার সাইয়েন্স-এ অবতারের কথা নাই, অতএব অবতার নাই!’

    বেলা দ্বিপ্রহর হইল। ডাক্তার মণিকে লইয়া গাড়িতে উঠিলেন। অন্যান্য রোগী দেখিয়া অবশেষে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণকে দেখিতে যাইবেন।

    ডাক্তার সেদিন গিরিশের নিমন্ত্রণে ‘বুদ্ধলীলা’ অভিনয় দেখিতে গিয়াছিলেন। তিনি গাড়িতে বসিয়া মণিকে বলিতেছেন (Kathamrita), “বুদ্ধকে দয়ার অবতার বললে ভাল হত—বিষ্ণুর অবতার কেন বললে?”

    ডাক্তার মণিকে হেদুয়ার চৌমাথায় নামাইয়া দিলেন।

  • The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলচ্চিত্র জগত এবং আইনি লড়াইয়ের আঙিনায় আবারও চর্চার কেন্দ্রে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2)। সিনেমার মুক্তির উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ করেছে কোর্ট। সম্প্রতি কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court) এই সিনেমার প্রদর্শনী বা মুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও, সিনেমার মূল ভিত্তি অর্থাৎ যে পরিসংখ্যানের ওপর দাঁড়িয়ে এই ছবি নির্মিত, তা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। ছবি নির্মাতাদের দাবি, “আদালত সিনেমাটি আটকাতে পারলেও বাস্তব তথ্য এবং পরিসংখ্যানকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও স্থগিতাদেশ (The Kerala Story-2)

    এই ছবিটি ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র (The Kerala Story-2) সিক্যুয়েল। প্রথম পর্বের মতো এই ছবিতেও প্রতারণামূলক ধর্মান্তকরণের বিষয়টি অন্বেষণ করা হয়েছে। তবে এবার গল্পের পরিধি কেরালার বাইরে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। ছবির ট্রেলারে দাবি করা হয়েছে যে এটি বাস্তব ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত, আর এই দাবিই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কিছু চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং স্বঘোষিত ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা একে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন।

    বিতর্কিত বিষয়বস্তু এবং নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে — এই যুক্তিতে সিনেমাটির মুক্তি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতের মতে, সিনেমার দৃশ্যায়ন বা সংলাপ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। তবে ছবির নির্মাতারা একে ‘অভিব্যক্তির স্বাধীনতার’ ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।

    সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান

    সিনেমার (The Kerala Story-2) প্রথম পর্বে কেরল থেকে নারীদের ধর্মান্তকরণ এবং আইসিসে (ISIS) যোগদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। দ্বিতীয় পর্বেও একই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যবহারের দাবি করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, যে তথ্যগুলি সংগ্রহ করেছেন তা বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং বাস্তব জীবনের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আদালত ছবির মুক্তি আটকালেও, বাস্তব পরিস্থিতি বা সংখ্যাতত্ত্ব বদলে যাব না।

    আদালত আইন শৃঙ্খলা এবং শ্লীলতা নিয়ে কাজ করবে, কিন্তু সমাজকেও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখতে হবে যে তারা কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত কি না। ২০১১ সালের আদমশুমারি (Census) দেখায় যে কেরলে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ২৬.৫৬ শতাংশ, যা ১৯৫১ সালে ছিল ১৭.৪ শতাংশ। ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ১২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে রাজ্যের সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯ শতাংশ। একই সময়ে হিন্দুদের বৃদ্ধির হার ছিল ২.২৩ শতাংশ এবং খ্রিস্টানদের ১.৩৮ শতাংশ। স্পষ্টতই, বৃদ্ধির হারে একটি বড় অসঙ্গতি রয়েছে। শুধুমাত্র ধর্মান্তকরণই এর একমাত্র কারণ নয়; উচ্চ প্রজনন হার, সামাজিক জন বিন্যাসের ভারসাম্য এবং অন্যান্য কারণকে ভালো করে খুঁজে দেখতে হবে। ফলে ধর্মান্তকরণকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হবে বাস্তব তথ্যের প্রতি চোখ বন্ধ করে থাকা।

    ২০১২ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উম্মেন চান্ডি কেরল বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৭,৭১৩ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে ২,৬৬৭ জন ছিলেন তরুণী। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আন্তঃধর্মীয় বিবাহ জড়িয়ে ছিল।

    দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াই

    সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরণের সিনেমা (The Kerala Story-2) সমাজে মেরুকরণ তৈরি করে এবং একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, সেন্সরশিপ বা আইনি বাধা দিয়ে কঠিন সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা আসলে শৈল্পিক স্বাধীনতা বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াইয়েরই অংশ।

    আপাতত আইনি গেরোয় (Kerala High Court) বন্দি হয়ে থাকলেও, ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে বিতর্ক জনমানসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে। ছবিটির ভবিষ্যৎ কী হবে তা উচ্চতর আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করলেও, এই সিনেমা যে পরিসংখ্যানের লড়াই শুরু করেছে, তা সহজে হারিয়ে যাওয়ার নয়।

  • Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার গোলপার্ক-কাঁকুলিয়ার পর হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা। ফের শাসক-আশ্রিত দুষ্কৃতী তাণ্ডবের সাক্ষী থাকল রাজ্যের দুই সিস্টার-সিটি। আর এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— সমাজ-বিরোধী, খুনে অভিযুক্তের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল নেতাদের? ভোট যত এগিয়ে আসছে, কেন বাড়ছে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য?

    প্রধান অভিযুক্ত তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ

    হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা এলাকায় বুধবার ভোরে চায়ের দোকানের সামনে খুব কাছ থেকে গুলি করে এক প্রোমোটার শফিক খানকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রকাশ্য রাস্তায় এই গুলিচালনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে যে দু’জনকে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে, তাঁরা হলেন হারুন খান ও রোহিত। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হারুন খানের সঙ্গে হাওড়া উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর একাধিক ভিডিও সামনে এনেছে বিজেপি। এমনকী, তৃণমূলের স্থানীয় বিধায়ক গৌতম চৌধুরীকে হারুনের বাইকে চেপে প্রচারেও দেখা গিয়েছে। ঘটনার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, হারুন তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।

    চলছে ‘মহাজঙ্গল রাজ’, রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে এক ভিডিও পোস্ট করে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর নবান্নও হাওড়াতেই অবস্থিত। তার পরেও এ ধরনের দুঃসাহসিক অপরাধ ঘটছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার একাধিক জায়গা থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনাও সামনে এসেছে। পাশাপাশি গতকালই রাজ্যের বিভিন্ন জেলার আদালতে বোমা হামলার হুমকিতে আতঙ্ক ছড়ায়। এই পরিস্থিতিকে ‘মহাজঙ্গল রাজ’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির দাবি, সাধারণ মানুষ ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও কড়া পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।

    ভয়ে, আতঙ্কে সিঁটিয়ে স্থানীয়রা

    কাঁকুলিয়ায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ছবিতে দেখা গেছে তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে। সেই ঘটনার পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সোনা পাপ্পুর নাগাল পায়নি পুলিশ। আর বুধবার ভোরে হাওড়ার পিলখানায় গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল প্রোমোটারকে। ৪৮ ঘণ্টা পার করতে চললেও, মূল অভিযুক্ত হারুন ও রোহিত অধরা। কাঁকুলিয়া থেকে হাওড়া, ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর সব ঘটনার নেপথ্যে বারবার উঠে আসছে শাসক-যোগ। যদিও, হারুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।

    হামলা সংবাদমাধ্যমের ওপরও

    যে বিধানসভা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে, সেই হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লর সঙ্গেও অভিযুক্ত হারুন খানের ভাইরাল ছবি সামনে এসেছে। লক্ষ্মীরতন শুক্ল জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না। এদিকে, প্রোমোটার খুনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হন সাংবাদিকরা। রক্তাক্ত হন এবিপি আনন্দের প্রতিনিধি ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী। বেধড়ক মারধরে নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছে তাঁর। এবিপি আনন্দের চিত্রসাংবাদিক উজ্জ্বল ঘোষকেও হেনস্থা করে কয়েক জন দুষ্কৃতী।

    হাওড়ার মূল অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা!

    প্রশ্ন উঠছে, খুনে অভিযুক্ত থেকে শুরু করে দুষ্কৃতী বা সমাজবিরোধীদের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল বিধায়কদের? বিজেপির অভিযোগ, হারুন খান হাওড়া পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব নেতা। বিজেপি-র রাজ্য নেতা উমেশ রাইয়ের দাবি, ‘হারুন খান উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ। বাইকে চেপে তাঁকে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। সেই ছবি ভাইরাল। অন্য অভিযুক্ত রোহিত আর্মস ডিলার। জেলখাটা আসামি। যাঁকে খুন করা হয়েছে সেই সফিক একটা ক্রিমিনাল গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত।’ বিধায়কের মদতে এলাকায় সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘‘তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে’’

    এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অভ্যন্তরেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বর্ষীয়ান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “বাহুবলীদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, না করলে কপালে দুঃখ আছে, আমি বাহুবলীদের উপর ভরসা করি না। এটাকে যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। কড়া ব্যাবস্থা নিতে হবে। বাহুবলীরা যে দিকে যায়, মানুষ তার বিপরীত দিকে যায়। এদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে নাগরিক সমাজ পাশ থেকে সরে যাবে।” তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এহেন মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘এটা ওনার বিলম্বিত বোধদয়, তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে। উনি জানেন উনি আর ভোটে লড়তে পারবেন না ওনার দল থেকে আর কিছু পাওয়ার নেই তাই এইসব মন্তব্য করছেন।’’

    ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে হিংসা!

    দোষীদের গ্রেফতার না করলে ভোট বয়কট করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ কমিশনার আকাশ মাঘারিয়া জানান, প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে দু’জন জিন্সের প্যান্টের ব্যবসা করত। টাকা নিয়ে বিবাদ ছিল। অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট-পরবর্তী হিংসার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি সেই পরিকল্পনা বদলে ভোটের আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে হিংসা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, এভাবেই কি সাধারণ মানুষকে সন্ত্রস্ত করে রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে?

  • Ramakrishna 585: “‘নাহং’ ‘নাহং’ ‘নাহং’ আমি কেহ নি, হে ঈশ্বর! তুমি কর্তা; আমি দাস তুমি প্রভু”

    Ramakrishna 585: “‘নাহং’ ‘নাহং’ ‘নাহং’ আমি কেহ নি, হে ঈশ্বর! তুমি কর্তা; আমি দাস তুমি প্রভু”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    সপ্তম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর
    যুগধর্ম কথাপ্রসঙ্গে—জ্ঞানযোগ ও ভক্তিযোগ

    “তিনি সাকার, তিনি নিরাকার। কিরকম জানো? যেন সচ্চিদানন্দ-সমুদ্র। কূল কিনারা নাই। ভক্তিহিমে সেই সমুদ্রের স্থানে স্থানে জল বরফ হয়ে যায়, যেন জল বরফ আকারে জমাট বাঁধে; অর্থাৎ ভক্তের কাছে তিনি সাক্ষাৎ হয়ে কখন কখন সাকাররূপ হয়ে দেখা দেন। আবার জ্ঞানসূর্য উঠলে সে বরফ গলে যায় (Kathamrita)।”

    ডাক্তার—সূর্য উঠলে বরফ গলে জল হয়; আবার জানেন, জল আবার নিরাকার বাষ্প হয়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—অর্থাৎ ‘ব্রহ্ম সত্য, জগৎ মিথ্যা’ এই বিচারের পর সমাধি হলে রূপ-টুপ উড়ে যায়। তখন আর ঈশ্বরকে ব্যক্তি (Person) বলে বোধ হয় না। কি তিনি মুখে বলা যায় না। কে বলবে? যিনি বলবেন তিনিই নাই। তিনি তাঁর ‘আমি’ আর খুঁজে পান না। তখন ব্রহ্ম নির্গুণ (Absolute)। তখন তিনি কেবল বোধে বোধ হন। মন-বুদ্ধি দ্বারা তাঁকে ধরা যায় না। (Unknown and Unknowable)

    “তাই বলে, ভক্তি—চন্দ্র; জ্ঞান—সূর্য। শুনেছি, খুব উত্তরে আর দক্ষিণে সমুদ্র আছে। এত ঠাণ্ডা যে, জল জমে মাঝে মাঝে বরফের চাঁই হয়। জাহাজ চলে না। সেখানে গিয়ে আটকে যায়।”

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—হাঁ, তা যায় বটে, কিন্তু তাতে হানি হয় না, সেই সচ্চিদানন্দ-সাগরের জলই জমাট বেঁধে বরফ হয়েছে। যদি আরও বিচার করতে চাও, যদি ‘ব্রহ্ম সত্য জগৎ মিথ্যা’ এই বিচার কর, তাতেও ক্ষতি নাই। জ্ঞানসূর্যেই বরফ গলে (Kathamrita) যাবে; তবে সেই সচ্চিদানন্দ-সাগরই রইল।

    কাঁচা আমি ও পাকা আমি—ভক্তের আমি—ভক্তের আমি—বালকের আমি

    “জ্ঞানবিচারের শেষে সমাধি হলে, আমি-টামি কিছু থাকে না। কিন্তু সমাধি হওয়া বড় কঠিন। ‘আমি’ কোন মতে যেতে চায় না। আর যেতে চায় না বলে, ফিরে এই সংসারে আসতে হয়।

    “গরু হাম্বা হাম্বা (আমি, আমি) করে তাই এত দুঃখ! সমস্ত দিন লাঙল দিতে হয়—গ্রীষ্ম নাই, বর্ষা নাই। কিম্বা তাকে কসাইয়ে কাটে। তাতেও নিস্তার নাই। চামারে চামড়া করে, জুতা তৈয়ারি করে। অবশেষে নাড়ীভুঁড়ি থেকে তাঁত হয় (Kathamrita)। ধুনুরীর হাতে পড়ে যখন তুঁহু তুঁহু (তুমি তুমি) করে, তখন নিস্তার হয়।

    “যখন জীব বলে, ‘নাহং’ ‘নাহং’ ‘নাহং’ আমি কেহ নি, হে ঈশ্বর! তুমি কর্তা; আমি দাস তুমি প্রভু—তখন নিস্তার; তখনই মুক্তি।”

    ডাক্তার—কিন্তু ধুনুরীর হাতে পড়া চাই। (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যদি একান্ত ‘আমি’ না যাস, থাক শালা ‘দাস আমি’ হয়ে। (সকলের হাস্য)

  • Pakistan: “টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?” পাকিস্তান হকি ফেডারেশন সভপতির পদত্যাগ

    Pakistan: “টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?” পাকিস্তান হকি ফেডারেশন সভপতির পদত্যাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (Pakistan) হকিতে অত্যাশ্চর্য সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফেডারেশনের (Hockey Federation) সভাপতি তারিক হুসেন বুগতি বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ায় সাম্প্রতিক এফআইএইচ প্রোলিগ সফরে ফেডারেশনের পরিচালনার প্রকাশ্যে সমালোচনা করার জন্য জাতীয় দলের অধিনায়ক আম্মাদ শাকিল বাটকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পরপরই তিনি পদত্যাগ করেন। এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে।

    বুধবার পাকিস্তান পুরুষ হকি দল এফআইএইচ প্রো লিগের শেষে অস্ট্রেলিয়া থেকে লাহোরে ফিরে আসার পর বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। সেখানে আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসের মতো শীর্ষ দলগুলির কাছে খুব খারাপ ভাবে পরাজয়ের শিকার হতে হয়। আটটি ম্যাচের সবকটিতেই হারে পাকিস্তান।

    হোটেলে থাকা খাওয়ার জন্য টাকা দেওয়া হয়নি (Pakistan)

    পাকিস্তান (Pakistan) স্পোর্টস বোর্ড পিএসবিকে তহবিলের অব্যবস্থাপনা এবং বিদেশে দলের অপমানজনক অভিজ্ঞতার জন্য দায়ী করে বুগতি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তারিক হুসেন বুগতি। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে হকির জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও এই টাকা পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ডের কাছেই রয়েছে। টাকা ঠিক করে খরচ করা হয়নি। বোর্ডে (Hockey Federation) বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক সমস্যাও রয়েছে। পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ডের আর্থিক ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করতে ব্যর্থ হয়েছে। দলের হোটেলে থাকা খাওয়ার জন্য সঠিক ভাবে টাকা দেওয়া হয়নি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রো লিগ চলাকালীন ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করছি।”

    বিল পরিশোধ না করার কারণে হোটেল থেকে বের করা হয়

    অপর দিকে পাকিস্তান (Pakistan) দলের অধিনায়ক আম্মাদ শাকিল বাট সংবাদিক সম্মেলনে পিএইচএফে ব্যর্থতার কারণ হিসেবে খেলোয়াড়দের মানসিক হয়রানিকে উল্লেখ করেছেন। হকি দলের অধিনায়ক (Hockey Federation) বাট বলেন, “বিল পরিশোধ না করার কারণে হোবার্টের হোটেল থেকে দলকে বের করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। খেলোয়াড়দের লাগেজ নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে বাধ্য করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, তারপরে একটি নিম্নমানের গেস্ট হাউসে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানে থালা-বাসন ধোয়া, টয়লেট পরিষ্কার করা সহ ম্যাচের আগে তুচ্ছ অনেক কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। খেলোয়াড়দের মনোযোগ এবং কর্মক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছিল এই সব ঘটনা। টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?”

  • PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    PM Modi: তারেকের প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ নরেন্দ্র মোদিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালে হাসিনাকে কোটা বিরোধী আন্দোলনের নামে দেশছাড়া করার পর জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশে জয়লাভ করেছেন (Bangladesh) বিএনপির তারেক রহমান। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ১৩টি দেশকে আমন্ত্রণ (Bangladesh)

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস (Bangladesh) এই আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। মোট ১৩টি দেশের নেতাদের এই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভারত ছাড়াও, আমন্ত্রিতদের তালিকায় রয়েছে, চীন, সৌদি আরব, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের যোগদানের কথা রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) ঢাকা সফর করবেন কিনা তা ভারত এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

    কে কত আসন?

    বাংলাদেশ (Bangladesh) জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নেতৃত্বদানকারী রহমান প্রায় দুই দশক পর ক্ষমতায় ফিরতে চলেছেন। মোট ৩০০ সদস্যের সংসদের ২৯৭টি আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টি আসন জিতেছে, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে অনেক বেশি। জামায়াতে ইসলামি ৬৮টি আসন পেয়েছে এবং বিরোধী দলে থাকবে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে দেওয়া হয় নি। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল প্রায় ৫৯%। নির্বাচনের সঙ্গে সঙ্গে শাসন সংস্কারের উপর একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ভোটাররা এটিকে অনুমোদন করেছেন।

    মোদির শুভেচ্ছা বার্তা

    ফলাফল ঘোষণার পরপরই, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) তারেক রহমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং জয়ের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান। এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে মোদি বলেছেন, “তারেক রহমানকে জয়ের জন্য শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই। দুই প্রতিবেশী দেশের (Bangladesh) মধ্যে গভীর ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের উন্নতি আরও প্রয়োজন। ভারত উভয় দেশের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যৌথ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের জন্য একসঙ্গে কাজ করা ভীষণ ভাবে প্রয়োজন।”

    অপর দিকে বিএনপি প্রকাশ্যে মোদির বার্তার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। এক্স-হ্যান্ডলে একটি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির তরফে বলা হয়, “উভয় দেশের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের উদ্বেগের প্রতি সংবেদনশীলতার উপর ভিত্তি করে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য বাংলাদেশ উন্মুখ। উভয় পক্ষ থেকেই এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সব রকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

LinkedIn
Share