Tag: 2026 bengal assembly polls

  • Suvendu Adhikari: মমতার ভবানীপুরকে ছিনিয়ে নিতে তৈরি বিজেপির রণনীতি, জয় নিয়ে কতটা আশাবাদী শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মমতার ভবানীপুরকে ছিনিয়ে নিতে তৈরি বিজেপির রণনীতি, জয় নিয়ে কতটা আশাবাদী শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার পাখির চোখ ভবানীপুর (Bhawanipur Assembly)। মমতার গড়ে থাবা বাসতে একাধিক কৌশল ঠিক করেছে বিজেপি। রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্কে মমতাকে নিজের কেন্দ্রে ব্যস্ত এবং চাপে রেখে বাজিমাত করতে চাইছে বিজেপি। নির্বাচনী প্রচার এবং ব্যস্ততা থেকে ভবানীপুর কেন্দ্রিক আকর্ষণের ভরকেন্দ্র করতে বিজেপি বিরাট কৌশল স্থির করেছে। বিরাট পরিকল্পনার সেনা নায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    হিন্দুত্বেই আস্থা বিজেপির (Suvendu Adhikari)

    মমতা এবং তৃণমূলকে হারাতে বিজেপি ৬ মাস আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কলকাতা শহরের মধ্যে এখনো কোনও আসনে জয়ী হতে না পারলেও সভাসমিতি, মিটিং, মিছিল করে জোরদার প্রচার চালাচ্ছে রাজ্য বিজেপি। তবে সংগঠন নিয়ে বিজেপি এখন দারুণ আশাবাদী। দোলের সময়ে সমস্ত শাসক-বিরোধী দলের নেতারা নিজের নিজের কেন্দ্রে দোল যাত্রা, বসন্ত উৎসব এবং হোলি উদযাপন নিয়ে ব্যস্ত। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য নন্দীগ্রাম থেকে সোজাসুজি দোল উৎসব পালনে ভবানীপুরে (Bhawanipur Assembly) অংশ গ্রহণ করেন। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সাফ কথা, সেকুলার আর ধর্ম নিরপেক্ষাদের জায়গা নেই। হিন্দুত্বকে রক্ষা করতে হবে।

    লোকসভা ভোটের অঙ্কে শতাংশের বিচারে পিছিয়ে তৃণমূল

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে ২০০০ ভোটের ব্যবধানে মমতাকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পরবর্তীতে দলের মুখ আর নেতৃত্ব বাঁচাতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে আসন ছেড়ে পদত্যাগ করতে বলেন। এরপর নিজে ভবানীপুরে প্রার্থী হয়ে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে তৃতীয় বারের জন্য আসনে বসেন মমতা বন্দ্যোপধ্যায়। তবে গত পুরসভা নির্বাচন এবং লোকসভা ভোটের অঙ্কে শতাংশের বিচারে বিজেপি এখানে বেশ এগিয়ে। ফলে মমতার পায়ের মাটি যে নরম হয়ে গিয়েছে তা সঠিক ভাবে আঁচ করতে পেড়েছে বিজেপি। এই সম্ভাবনাকে তির করে শুভেন্দু দল অনুমতি দিলে এই কেন্দ্র থেকে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। বিজেপি তলে তলে এই আসনে মমতাকে হারাতে বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছে।

    এসএইআরে ৪৭ হাজার নাম বাদ!

    বিজেপির কৌশলে রয়েছে দুটি দিক। প্রথমত মমতার নিজের কেন্দ্র সুরক্ষিত নয়। এখানেই মমতার হারের সম্ভাবনা অনেক বেশি। অপর দিকে রয়েছে মমতাকে ভবানীপুরের চাপে ব্যস্ত রাখা এবং প্রচারের সময়কে কমিয়ে দেওয়া। ফলে দল এবং দলনেত্রীর মনবল কমিয়ে দিয়ে বিজেপির জয়কে রাজ্যে সুনিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা। অপরদিকে রাজ্যে এসআইআর-এর কারণে তালিকায় অনেক নাম বাদ পড়েছে। জানা গিয়েছে ভবানীপুরে (Bhawanipur Assembly) ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও আরও ১৪ হাজার নাম বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ১৫৯২০১। বিজেপি এই ভোটের সমীকরণকে কাজে লাগাবে বলে জানা গিয়েছে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এই কেন্দ্রের তৃণমূলের বিরুদ্ধে সকল সম্ভাবনাকে সামনে রেখে জনমনে মমতার প্রতি বিদ্বেষকে ভোটের অঙ্কে প্রতিফলন ঘটানো। মানসিকভাবে দলের ভাবমূর্তি দুর্বল করে দিলে বিজেপির পক্ষে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই আরও সহজ হবে।

    বিজেপি প্রার্থী তথাগত রায় ১৭৬ ভোটে এগিয়ে ছিলেন

    আগমী বিধানসভায় বিজেপি ভবানীপুর বিধানসভা (Bhawanipur Assembly) কেন্দ্রের দখল চায় বিজেপি। তাই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবার এই কেন্দ্রে ওয়ার রুম গঠন করেছেন। স্থানীয় দলীয় সূত্রে খবর এই অফিস থেকে গোটা বিধানসভাকে পরিচালনা করা হবে। কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের ৮/১ বি চক্রবেড়িয়া রোডে একটি বাড়ির নিচ তালায় হয়েছে এই ‘ওয়ার রুম’। কলকাতা পুরসভার মোট আটটি ওয়ার্ড নিয়ে তৈরি হয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র। ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৭ এবং ৮২ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে ভবানীপুর বিধানসভা। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে লাগাতার ওই বিধানসভা কেন্দ্রের ছ’টি ওয়ার্ডে ভাল ভোট পেয়েছে বিজেপি। এমনকি, বেশ কিছু ক্ষেত্রে শাসকদল তৃণমূলকে পিছনে ফেলে বিজেপি বড় ব্যবধানে এগিয়ে ৬৩, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডগুলিতে। এমনকি ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী তথাগত রায় তৃণমূল সংসদ সুব্রত বক্সীকে ১৭৬ ভোটে পিছনে ফেলে দিয়েছিলেন। সেই পরিসংখ্যানে ভর করেই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রচুর নাম বাতিল

    পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেখা গিয়েছে এই বিধানসভার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। আর এই ওয়ার্ডের উপর ভিত্তি করে বারবার তৃণমূল জয়ী হয়। কিন্তু এবার ভোটার লিস্টে নিবিড় সংশোধনে অনেক নাম বাদ গিয়েছে। ফলে বাকি ওয়ার্ড গুলিতে ঠিক করে স্বচ্ছতার সঙ্গে ভোট হলে বিজেপির ফলাফল নিশ্চিত ভালো হবে। ধীরে ধীরে হিন্দু ভোট আরও এক জায়গায় জড়ো হচ্ছে। ফলে লাগাতার তৃণমূলের তোষণ, দুর্নীতি, নারী নির্যাতন মানুষের চোখ কান খুলে দিচ্ছে। ফলে তৃণমূলকে হারিয়ে বিজেপি জয়কে নিশ্চিত দেখছে।

    বিজেপি যেমন ভাবনীপুরকে (Bhawanipur Assembly) পাখির চোখ করেছে ঠিক একই ভাবে মমতাও নিজের জমি ছাড়তে নারাজ। তৃণমূলের তরফে ব্যাপক আকারে বৈঠকের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে উল্লেখ যোগ্য ভাবে মমতার ভোট কমেছে। এই কমে যাওয়া ভোটের আগামী দিনে হারের মুখ দেখাতে পারে এমন একটা সম্ভাবনার কথা ভেবে মমতাও বসন্ত উৎসবের একটি সভা থেকে বলেন, “আমি ১০০ শতাংশ জয়ী হবো।” এই জয় কি কর্মীদের মন রাখার জন্য বলেছেন? বিজেপির দাবি অবশ্য এমনটাই। তবে শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হয় তাই এখন সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

  • RSS In Bengal: শিকড়ে ফিরতে চাইছে মানুষ, বাংলায় আরএসএসের সম্প্রসারণ, জোর হিন্দু ঐক্যে

    RSS In Bengal: শিকড়ে ফিরতে চাইছে মানুষ, বাংলায় আরএসএসের সম্প্রসারণ, জোর হিন্দু ঐক্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বাড়ছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা আরএসএস-এর (RSS In Bengal) প্রভাব। গত এক বছরে বাংলায় আরএসএস-এর শাখা বেড়েছে ৫৮৩টি। সংঘের সদ্য সমাপ্ত ২ দিনের সম্বন্বয় বৈঠকে বলা হয়েছে গত ১৩ বছরে রাজ্যে আরএসএস-এর শাখা বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় পৌনে ৩ হাজার। মমতা সরকারের তোষণ নীতির ফলে মানুষ অস্থির হয়ে উঠেছে। নিজ অস্তিত্ব বজায় রাখতেই মানুষ ঝুঁকছে সংঘের দিকে।

    আরএসএস-এর প্রভাব বৃদ্ধি

    ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে চমকপ্রদ তথ্য সামনে এনেছে খোদ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের রাজ্য শাখা। রাজ্যে আরএসএসের (RSS In Bengal) গ্রাসরুট স্তরের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সংগঠনটি ৫০০ নতুন শাখা প্রতিষ্ঠা করেছে। বিশেষত, মধ্য বাংলা প্রান্ত শাখার সংখ্যা ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ১,৩২০ থেকে ২০২৫ সালে বেড়ে ১,৮২৩-এ পৌঁছেছে। পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত বাড়ছে আরএসএস পরিচালিত স্কুলের সংখ্যাও। এই মুহূর্তে এরাজ্যে ৩৩৬টি স্কুল পরিচালনা করছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ। বঙ্গবাসীর মধ্যে আরএসএস কর্মসূচির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। এর ফলে সংগঠনের বিস্তৃতি সম্ভব হয়েছে।

    বাংলায় আরএসএস-এর শাখা

    আরএসএসের (RSS In Bengal) পশ্চিমবঙ্গের তিনটি অঞ্চলভিত্তিক প্রান্ত রয়েছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি নিয়ে উত্তর বাংলা প্রান্ত, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, এবং পুরুলিয়া নিয়ে মধ্য বাংলা প্রান্ত, দক্ষিণ বঙ্গের জেলাগুলি নিয়ে দক্ষিণ বাংলা প্রান্ত গঠিত হয়েছে। উত্তর বাংলা প্রান্তে ২০২৩ সালে শাখা, মিলন (সাপ্তাহিক জমায়েত) এবং মণ্ডলী (আলোচনা ফোরাম) মিলিয়ে মোট সংখ্যা ছিল ১,০৩৪, যা ২০২৫ সালে ১,১৫৩-এ পৌঁছেছে। একইভাবে, দক্ষিণ বাংলা প্রান্তেও ২০২৩ সালে ১,২০৬ থেকে বেড়ে ২০২৫ সালে ১,৫৬৪ হয়েছে।

    আরএসএস-প্রধানের ভরসা

    রাজ্যে (RSS In Bengal) সংগঠনের প্রসারের কথা স্বীকার করে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর ১১ দিনের পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় বর্ধমানে একটি জনসভা করেন। এই জনসভায় হাজার হাজার স্বয়ংসেবক অংশ নেন। সেখানেই তিনি শত্রুর সঙ্গে বন্ধুত্ব করার কথা বলেছিলেন। তাঁর কথায়, সংঘ সকলকে আহ্বান জানায়। ভয় পেয়ে পিছিয়ে না গিয়ে শত্রুকে বুঝিয়ে মিত্র বানানোর কথা বলেন। সংঘকে বুঝতে গেলে সংঘে যোগ দিতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “মন সায় দিলে আসবেন। কোনও টাকা-পয়সা লাগবে না। এখানে স্বার্থ রক্ষা হবে না। এখানে এলে কিছু পাওয়া যাবে না। দূর থেকে দেখলে হবে না। অনুভব করতে হবে। অনুমান করে কিছু হবে না। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সংগঠন এটা। তবুও দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সংগঠনের আরও প্রসার ঘটাতে হবে।”

    গ্রাসরুট পর্যায়ে কাজের উপর জোর

    মধ্য বাংলা প্রান্তের প্রচার প্রমুখ জিষ্ণু বসু এই বৃদ্ধির জন্য গ্রাসরুট পর্যায়ে কাজের উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “মধ্য বাংলার শাখা নেটওয়ার্ক মানুষের সঙ্গে ছোট গ্রুপ বৈঠক এবং সমাবেশের মাধ্যমে যুক্ত হতে কাজ করেছে। এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টা ফল দিচ্ছে।” বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে জনগণের ধর্মীয় পরিচয় ও সামাজিক অবস্থান নিয়ে সম্প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিশেষত উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় জনসংখ্যার পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। জিষ্ণু বসু বলেন, “বঙ্গের পরিবর্তিত জনসংখ্যা একটি উদ্বেগজনক বিষয়। আমাদের লক্ষ্য হিন্দুদের রাজনৈতিক এবং সামাজিকভাবে ঐক্যবদ্ধ রাখা।”

    শিকড়ে ফেরার চেষ্টা

    মধ্য বাংলা (RSS In Bengal) প্রান্তের প্রচার প্রধান সুশোভন মুখোপাধ্যায় বলেন, “এখনকার পরিবেশ মানুষকে তাঁদের শিকড়ে ফিরে যেতে এবং হিন্দুত্বকে গ্রহণ করতে উদ্বুদ্ধ করছে। এই কারণেই আরও মানুষ শাখায় যোগ দিচ্ছেন।” বেঙ্গালুরুর প্রতিনিধি সভায়, আরএসএস বাংলাদেশে হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়নের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাস করেছে। সংগঠনটি এই বিষয়ে তার প্রচারণা তীব্র করার পরিকল্পনা নিয়েছে, বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাপটে, যেখানে এই বিষয়টির ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে।

    কেন আরএসএস-এর প্রতি আস্থা

    রাজ্যে আরএসএস-এর (RSS In Bengal) সংখ্যাবৃদ্ধি, ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে সাফল্য এনে দেবে, বলেও মনে করছেন অনেকে। কারণ একথা সর্বজনবিদিত যে, আরএসএস-ই বিজেপিকে পরিচালনা করে। রাজনৈতিক মহলের মতে, দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই আরএসএসের কর্মীরা ভোটের ময়দানে সক্রিয় ছিলেন। শুধু তাই নয়, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রের নির্বাচনে বিজেপির সাফল্যে আরএসএস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় বলেও মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটা বড় অংশ। এবার এই রাজ্যের পালা। সমাজের বিভিন্ন স্তরে সংঘের যে সংগঠনের যে নকশা রয়েছে, তা-ও এই মুহূর্তে দেশে কারও নেই। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে সংঘের ১০০ বছর। শতবর্ষে পা রাখতে চলা সংঘ তাদের অনেকগুলি ঈপ্সিত চাহিদাই মিটিয়ে ফেলতে পেরেছে। তার মধ্যে অন্যতম জম্মু-কাশ্মীর থেকে বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা প্রত্যাহার, তিন তালাক প্রথার বিলোপ। ‘এক দেশ, এক ভোট’-এর প্রস্তাবও পাশ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরের পরিকল্পনাও রয়েছে কেন্দ্রের। ফলে শতবর্ষে সংঘ তাদের চাহিদা মিটিয়ে ফেলতে পেরেছে। তাই সংঘের আদর্শ এবং কার্যক্রমের উপর মানুষের ভরসা বাড়ছে।

LinkedIn
Share