Tag: AAP

AAP

  • Delhi Schools: বায়ুদূষণে নাজেহাল দিল্লী,কেজরিওয়ালকে স্কুল বন্ধের পরামর্শ দিলেন বিজেপি

    Delhi Schools: বায়ুদূষণে নাজেহাল দিল্লী,কেজরিওয়ালকে স্কুল বন্ধের পরামর্শ দিলেন বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগত কয়েকবছর ধরেই দিল্লীতে বায়ু দূষণের জন্য সমস্যা বেড়েই চলেছে। প্রতিবছরই এই সময় পাঞ্জাব হরিয়ানায় ক্রমাগত খড় পোড়ানোর জেরেই কালো চাদরের মতো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় রাজধানী দিল্লী ও নয়ডা।সকাল আটটায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে দিল্লীর আনন্দবিহারের মান ছিল ৪৫৮ যা গুরুতর বলে গন্য করা হয়। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে আগামী দু’দিন দিল্লীর বায়ুর গুনমান আরও খারাপ হতে চলেছে।
    এই নিয়ে বিষয়টিতে লেগেছে রাজনৈতিক রঙ। দিল্লীর এই পরিস্থিতির জন্য দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির চিফ অরবিন্দ কেজরীওয়ালকে (Arvind Kejriwal)  নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী তথা বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ ভুপেন্দ্র যাদব। দেশের রাজধানীকে ১৯৫২ সালের লন্ডনের গ্যাস চেম্বারের সাথে তুলনা করেছেন।
    গত শীত পর্যন্ত বিজেপি শাসিত হরিয়ানা ও কংগ্রেস শাসিত পাঞ্জাবকে দূষণের জন্য দুষেছিলেন কেজরীওয়াল। কিন্তু বর্তমানে আপ নেতৃত্বাধীন পাঞ্জাবে ২০২১ সালের তুলনায় আগুনে খড় পোড়ানোর ঘটনা ১৯ শতাংশ বেড়েছে। 

    [tw]


    [/tw] 

    দিল্লীর বিজেপি সভাপতি আদেশ গুপ্তা বায়ুদূষণের  জন্য দিল্লীর প্রতিটি স্কুলকে বন্ধের পাশাপাশি অনলাইনে স্কুল করার আবেদন জানিয়েছেন। এই নিয়ে তিনি দিল্লীর লেফটেন্যান্ট গর্ভনর বিনয় কুমার সাক্সেনাকে চিঠি লিখেছেন। তিনি আপ সরকারকে পাঞ্জাবে খড় পোড়ানোকে নিয়ন্ত্রণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। 

    [tw]


    [/tw] 
    এদিকে, দিল্লীর পরিবেশ মন্ত্রী(Delhi Environment Minister) গোপাই রাই (Gopal Rai) দিল্লীবাসীকে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হতে মানা করেছে। তিনি সকলকে ওয়ার্ক ফর্ম হোমের পরামর্শ দিয়েছেন। আর যদি বাইরে বেরতেই হয় সেক্ষেত্রে নিজস্ব গাড়ির পরিবর্তে গণপরিবহন ব্যবহার করার আর্জি জানিয়েছেন। তিনি আরও জানান, রাজনীতির মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধ সম্ভব নয়। রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে সমাজের এই সমস্যা গুলোর সমাধান করা উচিত।

    [tw]


    [/tw]

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • AAP Minister Resign: হিন্দু দেবতাদের না মানার নিদান দিয়ে চাপে পড়ে কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা মন্ত্রী রাজেন্দ্র পালের

    AAP Minister Resign: হিন্দু দেবতাদের না মানার নিদান দিয়ে চাপে পড়ে কেজরিওয়ালের মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা মন্ত্রী রাজেন্দ্র পালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু দেবদেবীর আর পুজো নয়, আম আদমি পার্টি (AAP)-এর এই শপথের এই ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়েছিল। গত বুধবার নয়াদিল্লির আম্বেডকর ভবনে এক সংগঠনের ধর্মান্তকরণের অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন AAP মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতম (Rajendra Pal Gautam)। সেখানেই তিনি শপথবাক্য পাঠ করেন। এরপরেই বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে, অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতমকে বলতে শোনা যায়, “আমার ব্রহ্মা, বিষ্ণু, মহেশ্বরের উপর কোনও আস্থা নেই। আমি এই দেবতাদের পুজো করি না। রাম বা কৃষ্ণের উপরেও আমার কোনও আস্থা নেই। তাঁদের অবতার বলে চালানো হচ্ছে। এঁদের পুজো আমি করি না।এছাড়াও ওই ধর্মান্তকরণ সভায় মন্ত্রীকে ১০০ এরও বেশি মানুষকে হিন্দু ধর্ম থেকে বৌদ্ধ ধর্মে রূপান্তরিত করার জন্য শপথ পাঠ করাতে দেখা যায়। এই ভিডিয়ো ভাইরাল হতেই বিপাকে পড়েন কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী। এই ঘটনার পর থেকেই সুর চড়াতে শুরু করে বিজেপি।

    [tw]


    [/tw]

    বিজেপির(BJP)তরফ থেকে বলা হয়, এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ-দুই ধর্মেরই অপমান করেছেন রাজেন্দ্র। সেই সঙ্গে হিন্দু বিদ্বেষ উসকে দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।এর প্রত্যুতরে মন্ত্রী বলেন, আমি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। সেই নিয়ে কারওর অসুবিধা হচ্ছে কেন? সংবিধানে সমস্ত ধর্মপালন করার স্বাধীনতা রয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    সরকারি ভাবে এই ঘটনা নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি আম আদমি পার্টি। তবে সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এই গোটা ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ। তবে মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দিয়ে বিজেপিকেই দুষেছেন রাজেন্দ্র। তিনি বলেছেন, দেশের কয়েক কোটি মানুষ এই শপথ নেন। কিন্তু এই নিয়ে বিজেপি অযথা অশান্তি তৈরি করছে। আমাকে ও আমার দলকে অপমান করার চেষ্টা করছে। প্রাক্তণ মন্ত্রী টুইটারে তিনি লেখেন, আজকের দিনে মহর্ষি হিসেবে বাল্মকীর আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল আর আজকের দিনেই মান্যবর কাশীরাম সাহেবের মৃত্যুবার্ষিকী। আজকের এই পুণ্যতিথিতে আমি অনেক বন্ধন থেকে মুক্ত হলাম। আজ আমার নবজন্ম হল। এখন থেকে আমি শুধুমাত্র সমাজের হিতের জন্য কাজ করব

    [tw]


    [/tw]

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Arvind Kejriwal: “অপরাধীর মতো পালাচ্ছেন”, ইডির সমন এড়ানোয় কেজরিওয়ালকে তোপ বিজেপির

    Arvind Kejriwal: “অপরাধীর মতো পালাচ্ছেন”, ইডির সমন এড়ানোয় কেজরিওয়ালকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ইডির ডাকে সাড়া দিলেন না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। আজ, ৩ জানুয়ারি তাঁকে ইডির দফতরে দেখা করতে বলে সমন পাঠানো হয় ২২ ডিসেম্বর। ৩ জানুয়ারি, বুধবার সকালেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ইডির দফতরে আসছেন না তিনি। ইডির দফতরে আসতে না পারার কারণও দর্শিয়েছেন আপ সুপ্রিমো। তবে দলের তরফে বলা হয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে কেজরিওয়ালকে সমন পাঠানো হচ্ছে গ্রেফতার করার জন্য। আপের দাবি, ‘ওরা (বিজেপি) চায় না, উনি (কেজরিওয়াল) নির্বাচনে প্রচার করুন। কেজিরওয়ালকে থামাতেই এই নোটিশ।’

    ইডির সমন এড়ালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এনিয়ে তৃতীয়বার ইডির সমন এড়ালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে তাঁকে তলব করা হয়েছিল প্রথমে ২ নভেম্বর ও পরে ২১ ডিসেম্বর। দু’ বারই ইডির সমন এড়িয়েছেন তিনি। প্রথমবার কেজরিওয়াল গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারের কাজে। আর দ্বিতীয়বার কারণ হিসেবে তাঁর দলের তরফে জানানো হয়েছিল, যোগাভ্যাস অনুশীলনের জন্য। ওই দু’বারই আপের তরফে বলা হয়েছিল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ডেকে পাঠানো হচ্ছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে (Arvind Kejriwal)।

    কেজরিওয়ালকে ইডি যে সমন পাঠাচ্ছে, তা আইনত বৈধ নয় বলেও দাবি আপের। এদিনও ইডিকে অনুপস্থিতির কারণ দর্শাতে গিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁকে পাঠানো ইডির সমন বেআইনি। তদন্তে সব রকমের সাহায্য করতে প্রস্তুত তিনি। যে কোনও আইনত বৈধ সমনেরও জবাব দিতে রাজি তিনি। তবে তার আগে সরাতে হবে বেআইনি সমনগুলি।

    বিজেপির নিশানায় কেজরি

    বারংবার ইডির সমন এড়ানোয় কেজরিওয়ালকে নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম পার্টির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “আজ, আবারও অরবিন্দ কেজরিওয়াল তৃতীয় সমন এড়িয়ে গিয়েছেন। তিনি একজন অপরাধীর মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এ নিয়ে তৃতীয়বার ইডির সমন এড়ালেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এ থেকে প্রমাণ হয়, তিনি কিছু লুকোচ্ছেন। তাই তিনি (Arvind Kejriwal) অপরাধীর মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আদালত মণীশ সিসোদিয়া ও সঞ্জয় সিংহকে জামিন দেয়নি। আদালত এটা প্রতিষ্ঠা করেছে যে, অর্থ তছরুপের ঘটনা ঘটেছে। তারা একই ভিক্টিম কার্ড খেলছে।” প্রসঙ্গত, দিল্লির আবগারি কেলেঙ্কারির সূত্রে ইডি সমন পাঠিয়েছে কেজিরিওয়ালকে।

     

    আরও পড়ুুন: ‘অব কি বার চারশো পার’, নয়া স্লোগান বিজেপির

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Meenakshi Lekhi: দিল্লি জলবোর্ডে ব্যাপক দুর্নীতি! টাকার অঙ্ক শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    Meenakshi Lekhi: দিল্লি জলবোর্ডে ব্যাপক দুর্নীতি! টাকার অঙ্ক শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাজ্যে উন্নয়নের নামে দুর্নীতি করছে আপ।” শনিবার এই ভাষায়ই দিল্লির আপ সরকারকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির মীনাক্ষি লেখি (Meenakshi Lekhi)। এদিন এক সাংবাদিক বৈঠকে দিল্লির সরকারকে একহাত নেন মীনাক্ষি।

    জল বোর্ডে দুর্নীতির অভিযোগ

    জল বোর্ডের প্রসঙ্গ টেনে এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “দিল্লি জল বোর্ড ও ব্যাঙ্কের আর্থিক বিবৃতির মধ্যে ১৬৬ কোটি টাকার পার্থক্য রয়েছে। ওরা দাবি করছে যে ওরা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা করেছে। কিন্তু তাদের বক্তব্যের সঙ্গে ব্যাঙ্কের স্টেটমেন্টের মিল নেই। দিল্লি জল বোর্ড বিভিন্ন ক্ষেত্রে মোট ৩ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে। ২০১৭-’১৮ আর্থিক বর্ষ থেকে ’২২-’২৩ অর্থবর্ষের মধ্যে ওরা যা কাজ করেছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে না। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি হল, হায় তোবা, হায় আল্লা। কেজরিওয়াল নে কিঁয়া এক নয়া ঘোটলা।”

    আপকে নিশানা মীনাক্ষির 

    মীনাক্ষি (Meenakshi Lekhi) বলেন, “আম আদমি পার্টি সব দুর্নীতিবাজকে যেখানে খুশি লুট করার স্বাধীনতা দিয়েছে। ফল স্বরূপ দিল্লির জনগণ ক্রমাগত প্রতারিত হচ্ছেন। এবারের এই কেলেঙ্কারিতে জল বোর্ডের বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, জল বোর্ডের উপভোক্তাদের সংখ্যা বেড়েছে। মিটার বেড়েছে, খরচও বেড়েছে। কিন্তু আয় কমে গিয়েছে। এফডিআরও উধাও। তাহলে টাকা গেল কোথায়? যখন শীলা দীক্ষিতের সরকার ছিল, তখন আপ ট্যাঙ্কার মাফিয়া বলে চিৎকার করে ক্ষমতায় এসেছিল। সেই ট্যাঙ্কার মাফিয়া আজও কাজ করছে। কারণ তারা যেখানে জলের পাইপলাইন বসানো হয়নি, সেখানে ট্যাঙ্কার থেকে জল সরবরাহ করার জন্য জনগণের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায় করে। এরকম বেশ কিছু এলাকা আছে যেখানে ট্যাঙ্কার মাফিয়াদের শক্তি বেড়েছে বই কমেনি।” অভিযোগ অস্বীকার করে আপ জানিয়েছে, দিল্লিবাসীর উন্নয়ন থমকে দিতে এসব বলছে বিজেপি (Meenakshi Lekhi)।

    আরও পড়ুুন: কেরলের কংগ্রেস সাংসদের নিশানায় ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী, কী বললেন উন্নিথান?

     

     

  • Liquor Policy Scam: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় আপ নেতা সঞ্জয়ের বাড়িতে হানা ইডি-র

    Liquor Policy Scam: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় আপ নেতা সঞ্জয়ের বাড়িতে হানা ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারিতে (Liquor Policy Scam) আগেই গ্রেফতার হয়েছিলেন আপ নেতা তথা দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসৌদিয়া। ওই একই অভিযোগে বুধবার সাত সকালে আপ নেতা তথা রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহের দিল্লির বাসভবনে হানা দিল ইডি। আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় যে চার্জশিট পেশ করা হয়েছিল, তাতে নাম রয়েছে সঞ্জয়ের। এর আগে সঞ্জয় ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতাকে জেরা করা হয়। তার পর এদিন সকালে সঞ্জয়ের বাড়িতে পৌঁছে যান ইডির আধিকারিকরা।

    বিপুল অর্থ হাতবদল!

    দিল্লির আবগারি নীতিতে ২০২১ সালে বদল আনে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টির সরকার। পরে অবশ্য বাতিল করা হয় সেই নীতি (Liquor Policy Scam)। সিবিআইয়ের দাবি, ২০২১-২২ সালে নয়া ওই নীতিতে আপ সরকার কয়েকজন মদ ব্যবসায়ীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এজন্য হাতবদল হয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। এনিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভিকে সাক্সেনা। তার পরেই তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত শুরু করে ইডিও। জমা দেওয়া হয় চার্জশিট। যে চার্জশিটে নাম রয়েছে সঞ্জয়ের।

    কেজরি-অরোরা বৈঠক

    ইডির চার্জশিট অনুযায়ী, আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি (Liquor Policy Scam) মামলায় অভিযুক্ত দিল্লির ব্যবসায়ী দীনেশ অরোরা মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে তাঁর বাসভবনে গিয়ে দেখা করেছিলেন। সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন সঞ্জয়ও। জেরায় দীনেশ ইডিকে জানিয়েছেন, একটি অনুষ্ঠানে সঞ্জয়ের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল তাঁর। সেই সূত্রেই তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় মনীশের। মনীশ তখন উপমুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি সামলাতেন আবগারি দফতরও। ওই ঘটনায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালকে টানা ন’ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেফতার করা হয় মনীশকে।

    আপের জাতীয় মুখপাত্র রীনা গুপ্তা বলেন, “যেহেতু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আদানিকে নিয়ে সঞ্জয় সিংহ নিরন্তর প্রশ্ন তুলে চলেছেন, তাই তাঁর বাড়িতে চালানো হচ্ছে তল্লাশি অভিযান। এর আগেও একবার হানা দিয়েছিল ইডি। কিছুই পায়নি। আজও কিছু পাবে না। গতকাল কয়েকজন সাংবাদিকের বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। আজ তল্লাশি অভিযান চালানো হল সঞ্জয়ের বাড়িতে।”

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে দিল্লিতে আটক তৃণমূল নেতারা

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Raghav Chadha Marriage: ইন্ডি জোটের অন্দরে ফের তাল ঠোকাঠুকি! রাঘবের মেগা বিয়েকে ঘিরে আপকে বিঁধল কংগ্রেস

    Raghav Chadha Marriage: ইন্ডি জোটের অন্দরে ফের তাল ঠোকাঠুকি! রাঘবের মেগা বিয়েকে ঘিরে আপকে বিঁধল কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি আম আদমি পার্টির নেতা। অথচ বিয়ে করতে গিয়ে তিনি পরেছেন ১০ লাখি পোশাক! আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডার বিয়ে হয়েছে অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার সঙ্গে (Raghav Chadha Marriage)। এই মেগা বিয়েকে কেন্দ্র করে অশান্তি দেখা দিয়েছে ইন্ডি (INDI) জোটের অন্দরে। রাঘবকে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস। ঘটনাচক্রে এই দুই দলই রয়েছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ইন্ডিতে।

    অশান্তি ইন্ডি জোটে

    ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ধরাশায়ী করতে জোট বেঁধেছে পদ্ম-বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’। এই ‘ইন্ডিয়া’র অন্দরেই নিত্য চলছে তাল ঠোকাঠুকি। জোটে থাকলেও, পঞ্জাবে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়বে বলে আগেই জানিয়ে দিয়েছেন আপ নেতৃত্ব। এখানে যে কোনও আসন সমঝোতা হবে না, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কেজরিওয়ালের দলের তরফে। তার জেরে আপ-কংগ্রেস দু’ পক্ষেই চলছিল আস্তিন গোটানোর কাজ।

    কটাক্ষ-বাণ কংগ্রেসের

    রাঘব-পরিণীতির বিয়েকে (Raghav Chadha Marriage) কেন্দ্র করে হাতে অস্ত্র পেয়ে যায় কংগ্রেস। তার পরেই হাত শিবিরের পক্ষ থেকে নিক্ষেপ করা হয় কটাক্ষ-বাণ। আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবত মানকে নিজের পোস্টে ট্যাগ করে কংগ্রেস বিধায়ক সুখপাল সিং খাইরারের প্রশ্ন, “এঁরা যদি আম আদমি হন, তবে খাস (ভিভিআইপি) কে?”  রাঘবের আয়কর রিটার্নের হিসাবও পোস্ট করেছেন সুখপাল। তিনি লিখেছেন, “একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে এত বিপুল খরচ করার জন্য মানুষের কাছে জবাবদিহি করা উচিত।” তবে সাত পাকে বাঁধা পড়ার জন্য রাঘব-পরিণীতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কংগ্রেস বিধায়ক।

    প্রসঙ্গত, রবিবার রাজস্থানের উদয়পুরের লীলা প্যালেসে বসেছিল রাঘব-পরিণীতির বিয়ের (Raghav Chadha Marriage) আসর। বিলাসবহুল বোটে চেপে বরযাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে গিয়েছিলেন রাঘব। হোটেলের যে লাক্সারি স্যুটে বর-কনে থাকছেন, রাত পিছু তার ভাড়া প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও এই বিয়েতে বিস্তর খরচ হয়েছে বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: উপত্যকায় বড় নাশকতার ছক ফাঁস! কাশ্মীর থেকে গ্রেফতার পাঁচ লস্কর জঙ্গি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • INDIA: ছত্তিশগড়ের সভায় কংগ্রেসকে নিশানা আপ সুপ্রিমোর, ভাঙনের পথে ‘ইন্ডিয়া’?

    INDIA: ছত্তিশগড়ের সভায় কংগ্রেসকে নিশানা আপ সুপ্রিমোর, ভাঙনের পথে ‘ইন্ডিয়া’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনির দশা চলছে ‘ইন্ডিয়া’য় (INDIA)? ‘ইন্ডিয়া’র সদস্যদের নিষেধ না শুনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মঞ্চ শেয়ার করেছিলেন এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার। তা নিয়ে সংগঠনের অন্দরেই হয়েছিল গুঞ্জন। এবার ফের কাদা ছোড়াছুড়ি হল কংগ্রেস এবং আপের। ‘ইন্ডিয়া’য় রয়েছে এই দুই রাজনৈতিক দলই। তার জেরেই উঠছে প্রশ্ন, ‘ইন্ডিয়া’র আয়ু আর কতদিন?

    ‘ইন্ডিয়া’

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করতে জোট বেঁধেছে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল। পূর্বতন ‘ইউপিএ’ নাম বদলে নয়া নাম হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’। এই ‘ইন্ডিয়া’য় যেমন আপ রয়েছে, তেমনি রয়েছে কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূলের পাশাপাশি রয়েছে শারদ পাওয়ারের এনসিপি। এই ‘ইন্ডিয়া’র অন্দরেই এবার ফের অশান্তির আগুন। দোরগোড়ায় ছত্তিশগড় বিধানসভার নির্বাচন। নির্বাচনী প্রচারে সে রাজ্যে গিয়েছিলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ছত্তিশগড়ের রাশ রয়েছে কংগ্রেসের হাতে।

    কেজরির নিশানায় কংগ্রেস

    সেখানে রায়পুরের ভরা জনসভায় কেজরিওয়াল বলেন, “আমি (INDIA) একটা রিপোর্ট পড়েছিলাম যেখানে ছত্তিশগড়ের সরকারি স্কুলগুলির বেহাল দশার উল্লেখ করা হয়েছে। সরকার একাধিক স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। এমনও অনেক স্কুল রয়েছে, যেখানে ১০টি ক্লাস রয়েছে, কিন্তু শিক্ষক একজন। অনেক শিক্ষকই ভাল বেতন পান না। তিনি বলেন, দিল্লির সরকারি স্কুলগুলি দেখুন বা দিল্লিতে থাকা আত্মীয়দের জিজ্ঞাসা করুন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম এমন সরকার ক্ষমতায় এসেছে যে শিক্ষা ক্ষেত্রে এত কিছু করেছে। আপ ক্ষমতায় এলে ৩০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিনা পয়সায় দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন কেজরিওয়াল। এদিনের সভায় তাঁর সঙ্গে ছিলেন পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা ভগবন্ত মান।

    আরও পড়ুুন: পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে খেজুরিতে ফের সভা, ঘোষণা করলেন শুভেন্দু

    কেজরিওয়ালের এহেন মন্তব্যে বেজায় চটেছে কংগ্রেস (INDIA)। হাত শিবিরের নেতা পবন খেরা বলেন, “দিল্লির সরকারের সঙ্গে ছত্তিশগড় সরকারের তুলনা টানার কী প্রয়োজন? যদি তুলনা করতেই হয়, তবে পূর্ববর্তী রমন সিং সরকারের সঙ্গে তুলনা করুন। আপনি নিজের পছন্দ মতো কোনও একটি ক্ষেত্র বেছে নিন। তারপর দিল্লিতে কংগ্রেস সরকার আর আপনার সরকারের কাজের মধ্যে তুলনা করা হোক। বিতর্ক করতে আপনি প্রস্তুত?” প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, নানা বিষয়ে একাধিকবার অশান্তি হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’র অন্দরে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    Amit Shah: “২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী”, দাবি অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিরোধীরা যতই জোটের জুজু দেখাক, আর যতই হইচই করুক, ২০২৪ সালে নরেন্দ্র মোদিই ফের প্রধানমন্ত্রী।” বৃহস্পতিবার দিল্লি বিল নিয়ে আলোচনার সময় এই কথাগুলিই বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    ইন্ডিয়া’কে আক্রমণ

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “দিল্লি বিল একবার পাশ হয়ে গেলে আম আদমি পার্টি আর জোটে থাকবে না।” বিরোধী সাংসদদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “দিল্লির কথা ভাবুন, জোটের কথা নয়।” শাহ বলেন, “দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদিই হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। এই বিলের পরে আপনাদের জোট যেভাবেই হোক ভেঙে যাবে। কেজরিওয়াল আপনাদের বিদায় জানাবেন।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “বিরোধীরা কেবল তাদের জোট নিয়ে চিন্তা করে, দেশ নিয়ে নয়। আমার ভাল লেগেছে যে এতদিন পর আলোচনা হচ্ছে। সংসদে ৯টি বিল পাশ হয়েছে। বিরোধীরা অংশ নেননি…তাঁরা দেশের কথা চিন্তা করেন না, কেবলমাত্র তাঁদের জোটের কথা চিন্তা করেন…।”

    আম আদমি পার্টিকে নিশানা

    আম আদমি পার্টিকে নিশানা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাজধানী দিল্লি সম্পর্কিত যে কোনও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের রয়েছে। আর তার জন্যই আমলা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত অর্ডিন্যান্সটি সরকারের তরফে জারি করা হয়েছিল। এ ব্যাপারে সংবিধানকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।” শাহ বলেন, “দিল্লির আপ সরকার দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হোন। ২০১৫ সালে আপ সরকার ক্ষমতায় আসে। দিল্লিবাসীকে পরিষেবা নয়, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করাই তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল। সেই সঙ্গে ভিজিল্যান্স বিভাগকে কবজায় রাখার লক্ষ্যও ছিল।”

    আরও পড়ুুন: “বিরোধীদের প্ররোচনায় পা দেবেন না”, এনডিএর সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে বার্তা মোদির

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “বাংলো তৈরির মতো দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে ভিজিল্যান্সকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেছিল কেজরিওয়াল সরকার। তাই জওহরলাল নেহরু, সর্দার প্যাটেল, বিআর আম্বেদকরের মতো নেতারা দিল্লিকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার বিরুদ্ধে ছিলেন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Jagdeep Dhankhar: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’, আপ সাংসদকে সাসপেন্ড, ধনখড় সতর্ক করলেন ডেরেককেও

    Jagdeep Dhankhar: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’, আপ সাংসদকে সাসপেন্ড, ধনখড় সতর্ক করলেন ডেরেককেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সাংসদ পদের অবমাননা’! তাই পুরো বাদল অধিবেশনের জন্য আম আদমি পার্টির (AAP) রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহকে সাসপেন্ড করলেন চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে আজ, সোমবার বাদল অধিবেশনের তৃতীয় দিনেও উত্তপ্ত ছিল সংসদ। এদিন রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন সঞ্জয়। এর পরেই সাংসদ পদের অবমাননা করায় তাঁকে সাসপেন্ড করেন ধনখড়। ২৬৭ নম্বর ধারায় মণিপুর নিয়ে আলোচনা চেয়ে বিক্ষোভ দেখানোয় রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সতর্ক করে দেন সাংসদ তৃণমূলের ডেরেক ও’ ব্রায়েনকে।

    সাসপেন্ড সঞ্জয়

    এদিন মণিপুর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বিবৃতি চেয়ে রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সঞ্জয় সহ কয়েকজন সাংসদ। এজন্য সঞ্জয়কে একাধিকবার সতর্ক করে দেন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তাঁকে তাঁর আসনে গিয়ে বসতেও অনুরোধ করা হয়। তার পরেও বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সঞ্জয়। এর পর রাজ্যসভার নেতা পীযূষ গয়াল আপ সাংসদকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব দেন। ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে যায় সেই প্রস্তাব। তার পরেই সঞ্জয়কে সাসপেন্ড করা হয়।

    ধনখড়-ডেরেক বিতণ্ডা 

    এদিকে, এদিন ধনখড়ের সঙ্গে সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েনের তুমুল বিতণ্ডা হয়। তার জেরে মুলতুবি হয়ে যায় রাজ্যসভার অধিবেশন। এদিন রাজ্যসভায় কী কী নোটিশ এসেছে, তার উল্লেখ করছিলেন রাজ্যসভার চেয়ারম্যান (Jagdeep Dhankhar)। ১৭৬ এর অধীনে যেসব নোটিশ এসেছে, সেই নোটিশ নিয়ে বলার সময় সাংসদদের নাম বলেন ধনখড়।

    আর ২৬৭-র অধীনে যেসব নোটিশ এসেছিল, সেগুলি বলার সময় রাজ্যসভার চেয়ারম্যান কেন সাংসদদের নাম উল্লেখ করলেন না, তা নিয়েই শুরু হয় বিতণ্ডা।

    আরও পড়ুুন: নির্বাচন সংক্রান্ত মামলার পাহাড়, ফের একবার বিরক্তি প্রকাশ প্রধান হাইকোর্টের বিচারপতির

    এর পর রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সাংসদদের নাম বলতে শুরু করেন। তখন ডেরেক ফের ‘কোন দল? কোন দল?’ বলে চেঁচামেচি জুড়ে দেন।  ধনখড় তাঁকে বলেন, “আপনি বসুন। তারপর বলুন কী হয়েছে।” ডেরেক তা করতে অস্বীকার করেন। এরপরেও রাজ্যসভার চেয়ারম্যানকে বলতে শোনা যায়, “ডেরেক ও’ ব্রায়েন আপনি দয়া করে বসুন। আপনি কিন্তু চেয়ারকে চ্যালেঞ্জ করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটা মুরগি খোঁজা হচ্ছে।” মঙ্গলবারই তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং আপ (AAP) নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Aravind Kejriwal) বৈঠককে এই ভাষায়ই কটাক্ষ করেছিলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার ঠিক পরের দিনই ওই বৈঠককে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট-বোমা

    বৈঠকের একটি ছবি প্রকাশ করে ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদিজির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র তৈরি করতে পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্নকে গতকাল অনৈতিকভাবে ব্যবহার করলেন আঞ্চলিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আম আদমি পার্টির নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সব থেকে উদ্বেগের বিষয় হল এই বৈঠকে হাজির ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী।”

    শুভেন্দুর প্রশ্ন একাধিক

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “সমালোচক অথবা নিন্দুকরা হয়তো পাল্টা প্রশ্ন করবেন, দু তিন জন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্য সচিবালয়ে বৈঠক করলে ভুলটা কোথায়? তাঁদের কাছে আমার প্রশ্ন, এটা যদি মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠক হয়, তাহলে তার আলোচ্যসূচি কোথায়? সেখানে কি দিল্লি ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে কোনও সমঝোতাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে? যেমন, দিল্লি সরকার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে তাদের আবগারি নীতি প্রণয়নে সাহায্য করবে? বা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দফতর দিল্লি সরকারের শিক্ষা দফতরকে কীভাবে সৎ ও স্বচ্ছভাবে শিক্ষক নিয়োগ করতে হয়, তার প্রশিক্ষণ দেবে, ইত্যাদি…”

    কেন্দ্রে বিজেপি বিরোধী শক্তিকে একত্রিত করতে কোমর কষে নেমেছেন আপ সুপ্রিমো তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক শেষে মমতা বলেন, “আর তো ৬ মাস, তার আগেও হতে পারে, কোনও মিরাকেল হতে পারে।” কেজরিওয়াল বলেন, “দিদি বলেছেন, রাজ্যসভায় সমর্থন করবেন।” মমতা-কেজরির এই বৈঠক হয় ঘণ্টাখানেক। বৈঠকে আপ নেতা তথা পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন দিল্লির তিন মন্ত্রী আপের সঞ্জয় সিংহ, রাঘব চাড্ডা এবং আতিশি। বৈঠকের পর নবান্নে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকও করেন মমতা-কেজরি।

    আরও পড়ুুন: “কোভিডের চেয়েও মারাত্মক অতিমারির জন্য প্রস্তুত থাকুন”, সাবধানবাণী হু কর্তার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share