Tag: Ahmedabad

Ahmedabad

  • PM-Kisan Scheme: ৩০ অক্টোবর কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে পিএম-কিষানের ২৪তম কিস্তির টাকা, বরাদ্দ ১৮,৬৮০ কোটি

    PM-Kisan Scheme: ৩০ অক্টোবর কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে পিএম-কিষানের ২৪তম কিস্তির টাকা, বরাদ্দ ১৮,৬৮০ কোটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের জন্য বড় ঘোষণা। আগামী ৩০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (PM-Kisan) প্রকল্পের ২৪তম কিস্তির টাকা প্রকাশ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গুজরাটের বনসকাঁঠা জেলার ভিলডি শহরে আয়োজিত একটি জাতীয় স্তরের অনুষ্ঠানে এই অর্থ বিতরণ করা হবে। বুধবার এই কথা জানিয়েছেন গুজরাটের কৃষিমন্ত্রী জিতু ভাঘানি। কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের আওতায় দেশের ৯.৩৪ কোটিরও বেশি কৃষক পরিবারের জন্য মোট ১৮,৬৮০ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

    ১,০৫১ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সাহায্য

    প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (PM-Kisan) প্রকল্পে গুজরাটের ৫২.৩৩ লক্ষেরও বেশি কৃষক পরিবার পাবে ১,০৫১ কোটি টাকার বেশি আর্থিক সাহায্য। এই উপলক্ষে আয়োজিত ‘পিএম কিষান উৎসব দিবস’-এর প্রস্তুতি খতিয়ে দেখেন রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, পিএম-কিষান প্রকল্পের অধীনে যোগ্য কৃষক পরিবারগুলিকে বছরে ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। তিনটি সমান কিস্তিতে সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠানো হয়। এখনও পর্যন্ত প্রকল্পের আগের ২৩টি কিস্তিতে দেশজুড়ে ৪.৪৭ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। গুজরাতে উপভোক্তাদের দেওয়া হয়েছে ২৪,১৩৭ কোটি টাকার বেশি।

    বায়ো-সিএনজি প্ল্যান্টেরও শিলান্যাস

    কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ৩০ অক্টোবর গুজরাটে একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী। বনস ডেয়ারির উদ্যোগে থারাদ ও রাধনপুরে তৈরি হতে চলা দুটি কমপ্রেসড বায়োগ্যাস (CBG) প্ল্যান্টের শিলান্যাস করবেন তিনি। থারাদের প্ল্যান্টে প্রতিদিন ৭৫ টন গোবর প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতা থাকবে। অন্যদিকে, রাধনপুরের প্ল্যান্টে দৈনিক ১০০ টন গোবর প্রক্রিয়াকরণ করা যাবে। এই দুটি প্ল্যান্ট চালু হলে ‘বনস মডেল’-এর অধীনে বায়ো-সিএনজি প্ল্যান্টের সংখ্যা বেড়ে হবে ছয়। সব মিলিয়ে এই প্ল্যান্টগুলিতে প্রতিদিন ৫১৫ টন গোবর প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে। গোবর থেকে উৎপাদিত বায়ো-সিএনজি ভর্তুকিযুক্ত দামে বিক্রি করা হয়। বর্তমানে বনসকাঁঠানা ডেয়ারি প্রতিদিন প্রায় ৬,১০০ কেজি বায়ো-সিএনজি সরবরাহ করছে। ছয়টি প্ল্যান্টের মাধ্যমে বছরে আনুমানিক ৩৩,৪০০ থেকে ৩৪,৬০০ টন কার্বন নির্গমন কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    উদ্বোধন হবে গবেষণা কেন্দ্র ও আলু প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের

    ৩০ অক্টোবর ৩২৮.৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি ‘ভারত বোভাইন ব্রিডিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ (BBBRC)-এরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি বনস ডেয়ারির নতুন আলু প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের সম্প্রসারিত অংশ এবং তাদের আল্ট্রা-হাই টেম্পারেচার (UHT) ইউনিটের স্বয়ংক্রিয় স্টোরেজ ও রিট্রিভাল সিস্টেমের উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর। এই উপলক্ষে গুজরাট জুড়ে ৩৪টি জেলা স্তরের এবং ২,১০০-রও বেশি ক্লাস্টার স্তরের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। মূল অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার দেখানো হবে বিভিন্ন জায়গায়। কৃষি ও উদ্যানপালন দফতরের একাধিক সরকারি প্রকল্পের অনুমোদনপত্রও উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

    ৩১ অক্টোবর জাতীয় ঐক্য দিবসের অনুষ্ঠানে মোদি

    ৩০ ও ৩১ অক্টোবর দু’দিনের গুজরাট সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ৩১ অক্টোবর নর্মদা জেলার একতা নগরে জাতীয় ঐক্য দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। ভারতের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ১৫১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

  • Bharat Taxi: ড্রাইভারদের মালিকানায় নয়া রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’ চালু, জানুন বিশদে

    Bharat Taxi: ড্রাইভারদের মালিকানায় নয়া রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম ‘ভারত ট্যাক্সি’ চালু, জানুন বিশদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের দ্রুত বিকাশমান মোবিলিটি সেক্টরে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করল কেন্দ্রীয় সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ ২৭ জুন গুজরাটের (Gujarat) গান্ধীনগরের মহাত্মা মন্দিরে উদ্বোধন করলেন ‘ভারত ট্যাক্সি’র (Bharat Taxi)। এটি সমবায় ভিত্তিক একটি রাইড-হেলিং প্ল্যাটফর্ম। সরকারের দাবি, এটি দেশের প্রথম বৃহৎ সমবায়ভিত্তিক ক্যাব পরিষেবা, যেখানে ড্রাইভাররাই হবেন প্ল্যাটফর্মের অংশীদার এবং মালিক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, রাজ্যের একাধিক মন্ত্রী, বিভিন্ন সমবায় সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং ৪ হাজারেরও বেশি চালক। প্রাথমিকভাবে গুজরাটের ১৪টি বড় শহরে পরিষেবা চালু হয়েছে।

    বেসরকারি অ্যাপের সমালোচনায় শাহ (Bharat Taxi)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, এটি শুধু একটি নতুন ট্যাক্সি পরিষেবা নয়, বরং এমন একটি অর্থনৈতিক মডেল যেখানে চালকেরাই প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশীদার হবেন। তাঁর অভিযোগ, বর্তমানে অধিকাংশ বেসরকারি রাইড-হেলিং সংস্থা চড়া হারে কমিশন কেটে নেয়, পেমেন্টে দেরি করে এবং অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগের ভিত্তিতে চালকদের পর্যাপ্ত শুনানি ছাড়াই অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দেয়। ফলে চালকদের দরকষাকষির ক্ষমতা কমে যায়। শাহ বলেন, “অন্য অ্যাপগুলি চালকদের শোষণ করেছে। আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি, ভারত ট্যাক্সিতে এমনটা হবে না।” তিনি জানান, তিনি ‘ড্রাইভার’ শব্দের বদলে ‘সারথি’ শব্দটি ব্যবহার করতেই পছন্দ করেন। কারণ এই পেশার সঙ্গে সম্মান, নিরাপত্তা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা জড়িত।

    কীভাবে কাজ করবে ভারত ট্যাক্সি?

    ‘ভারত ট্যাক্সি’ তৈরি হয়েছে সাহকার ট্যাক্সি কো-অপারেটিভ লিমিটেডের মাধ্যমে। এই প্রকল্পে সহযোগিতা করেছে দেশের শীর্ষ সমবায় সংস্থা আমূল, আইএফএফসিও (IFFCO) এবং নাবার্ড (NABARD)। এই প্ল্যাটফর্মের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল জিরো কমিশন মডেল। অর্থাৎ, যাত্রার ভাড়া থেকে কোনও কমিশন কাটা হবে না। ফলে আয়ের বড় অংশ সরাসরি চালকদের কাছেই থাকবে। সরকারের দাবি, এই মডেলটি আমূলের সফল সমবায় কাঠামো থেকে প্রাণিত। যেমন দুধ উৎপাদকরা আমূলের অংশীদার, তেমনই ভারত ট্যাক্সিতে চালকরাও প্রতিষ্ঠানের মালিকানা পাবেন। শাহ জানান, ইতিমধ্যেই প্রায় ৭ লাখ চালক এই সমবায় কাঠামোর শেয়ারহোল্ডার হয়েছেন।

    ১৪টি শহরে পরিষেবা শুরু

    প্রথম পর্যায়ে আমেদাবাদ, সুরাট, ভাদোদরা, রাজকোট, ভাবনগর, জামনগর-সহ গুজরাটের (Gujarat) ১৪টি শহরে পরিষেবা চালু হয়েছে।দুচাকা, অটো-রিকশা এবং চার চাকার গাড়ি—সব ধরনের পরিষেবাই এই প্ল্যাটফর্মে থাকবে। আগামী এক মাসের মধ্যে গোটা গুজরাটে পরিষেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই আহমেদাবাদ বিমানবন্দর এবং একাধিক পুরসভা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মউ (MoU) সই করেছে ভারত ট্যাক্সি, যা পরিষেবার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের (Bharat Taxi)।

    ইতিমধ্যেই ৭ লাখ গ্রাহক

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলকভাবে পরিষেবা শুরু হওয়ার পর থেকে প্ল্যাটফর্মে ১.৫ লাখেরও বেশি চালক এবং প্রায় ৭ লাখ গ্রাহক নথিভুক্ত হয়েছেন। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩,৫০০টি ট্রিপ দেওয়া হচ্ছে। যদিও এই সংখ্যা এখনও দেশের বড় রাইড-হেলিং সংস্থাগুলির তুলনায় অনেক কম, তবুও সরকারের দাবি, সমবায় মডেলের কার্যকারিতা ইতিমধ্যেই প্রমাণিত হচ্ছে।

    কম ভাড়া নিয়ে প্রতিযোগিতা

    শাহের অভিযোগ, বেসরকারি সংস্থাগুলি ইচ্ছাকৃতভাবে সাময়িকভাবে ভাড়া কমিয়ে ভারত ট্যাক্সিকে বাজার থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, “বড় কর্পোরেট সংস্থাগুলি প্রথমে কম দামে প্রতিযোগীদের দুর্বল করে দেয়। পরে বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। তবে ভারত ট্যাক্সি বাজারে টিকে থাকবে, এবং সফল হবেই।”

    কেন প্রয়োজন হল ভারত ট্যাক্সির?

    ভারতে অ্যাপ-ভিত্তিক ট্যাক্সি পরিষেবা জনপ্রিয় হলেও, দীর্ঘদিন ধরেই চালকদের মধ্যে কমিশনের হার, সার্জ প্রাইসিং, আয়ের অনিশ্চয়তা, অ্যালগরিদম-নির্ভর অ্যাকাউন্ট সাসপেনশন-সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। সরকারের মতে, সমবায় মডেলের মাধ্যমে চালকদের আয়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ এবং লাভের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে গিগ-ওয়ার্কারদের আর্থিক নিরাপত্তাও বাড়বে।

    আমূলের মডেলেই প্রাণিত সরকার

    বক্তব্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বারবার আমূলের সাফল্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “একসময় অনেকেই বিশ্বাস করেননি যে কৃষকদের মালিকানাধীন একটি সমবায় সংস্থা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারবে। অথচ আজ আমূল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ দুগ্ধ সমবায় সংস্থা। সরকারের আশা, একইভাবে ভারত ট্যাক্সিও ভবিষ্যতে দেশের পরিবহণ খাতে সফল সমবায় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে (Bharat Taxi)।”

    সামনে কী চ্যালেঞ্জ?

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ট্যাক্সির সাফল্য নির্ভর করবে গ্রাহক আকর্ষণ, পরিষেবার মান, প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো (Gujarat) এবং প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রতিযোগিতার ওপর। তবে ড্রাইভারদের মালিকানা, জিরো কমিশন নীতি এবং সমবায় কাঠামো যদি ঠিকঠাকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তাহলে এটি ভারতের গিগ ইকোনমিতে পারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করতে (Bharat Taxi)।

     

  • BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    BJP: “আগামী ৪০–৫০ বছর বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না”, গুজরাটে গিয়ে এ কী বলে ফেললেন ইউসূফ পাঠান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে (BJP) ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না।” এমনই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ইউসুফ পাঠান (Yusuf Pathan)।  রবিবার তিনি জানান, জনসমর্থন এবং উন্নয়নমুখী শাসনব্যবস্থার কারণে আগামী ৪০ থেকে ৫০ বছর গুজরাটে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) ক্ষমতায় থাকতে পারে। ভাদোদরায় চলা স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন পাঠান। তার পরেই এহেন মন্তব্য করেন তৃণমূলের রাজ্যসভার এই সাংসদ। উল্লেখ্য, এই ভোটগ্রহণ গুজরাটজুড়ে শহর ও গ্রামীণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বৃহৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ।

    পাঠানের মুখে বিজেপি প্রশস্তি! (BJP)

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পাঠান বলেন, “আগামী ৪০–৫০ বছর গুজরাটে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না। বাস্তবতা হল, যে দল শক্তিশালী, মানুষের জন্য কাজ করে এবং মানুষের পছন্দের দল—সেই দলই ক্ষমতায় থাকে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচনী সাফল্য শেষ পর্যন্ত জনগণের আস্থা এবং গ্রাউন্ড লেবেলে কাজের ওপর নির্ভর করে।” গুজরাটে ভোটের ধারা নিয়ে তিনি বলেন, “উন্নয়ন এখনও রাজ্যের ভোটারদের প্রধান বিষয়। এখানকার মানুষ বিজেপিকে পছন্দ করে এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে ভোট দেন। তাই দলটি ক্ষমতায় থাকবে।” পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তুলনা টেনে তৃণমূলের এই সাংসদ বলেন, “যেমন পশ্চিমবঙ্গে মানুষ টিএমসিকে পছন্দ করেন। কারণ দলটি মানুষের কথা বলে এবং মানুষের জন্যই কাজ করে।”

    বঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াই

    ভোটদানের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রসঙ্গে পাঠান বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে কিছু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ায় শতাংশ কম মনে হতে পারে। যদি সেই ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে ভোটদানের হার এখনও ৮০ থেকে ৮১ শতাংশ থাকবে (BJP)। এটা কেবল হিসেবের বিষয় (Yusuf Pathan)।” উল্লেখ্য যে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হয়েছে। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের সামনে বিজেপি ধারাবাহিক চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলা ও ভোটার গোষ্ঠীতে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়েছে। ২০১৯ সালের পর থেকে নির্বাচনী প্রবণতায় রাজ্যটি আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যেখানে বিজেপি উল্লেখযোগ্যভাবে ভোট শেয়ার ও বিধানসভায় উপস্থিতি বাড়িয়েছে। দু’পক্ষের রাজনৈতিক ভাষণও আরও তীব্র হয়েছে, যা একতরফা পরিস্থিতির বদলে ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক লড়াইকে নির্দেশ করে।

    মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন

    এদিকে, গুজরাটে কর্পোরেশন, পুরসভা, জেলা পঞ্চায়েত এবং তালুকা পঞ্চায়েত-সহ স্থানীয় শাসনের একাধিক স্তরে ভোটগ্রহণ চলছে (BJP)। প্রায় ১০,০০০ আসনে এই নির্বাচন হচ্ছে, অংশ নিচ্ছেন ৪ কোটিরও বেশি ভোটার। সকাল ৭টা থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত ইভিএমে ভোটগ্রহণ চলবে। গণনা হবে ২৮ এপ্রিল। আমেদাবাদ, সুরাট, রাজকোট এবং ভাদোদরার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়েছে। একই উৎসাহে ভোট হচ্ছে গ্রামীণ জেলাগুলিতেও (Yusuf Pathan)। নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে। হাজার হাজার ভোটকেন্দ্রে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, বিপুল পুলিশ মোতায়েন, কুইক রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল নজরদারি চালু করা হয়েছে (BJP)। গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল ভোটারদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ভোটদানকে পবিত্র নাগরিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন এবং সর্বোচ্চ ভোটদানের হার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রত্যেকটি ভোট গ্রাম, তালুকা, জেলা ও শহরের উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। মানুষ এগিয়ে আসুন এবং একে গণতন্ত্রের উৎসবে পরিণত করুন (BJP)।”

    ভোটদানের আহ্বান বিধায়কেরও

    বিজেপি বিধায়ক তথা মন্ত্রী সঞ্জয়সিংহ মহিদা নাডিয়াদে ভোট দিয়ে নাগরিকদের ভোটদানের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আমি সকলকে অনুরোধ করছি সামনে এসে ভোট দিন (Yusuf Pathan)।” প্রসঙ্গত, এই স্থানীয় সংস্থা নির্বাচনকে গুজরাটের তৃণমূল স্তরের রাজনৈতিক প্রবণতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে বিজেপি বহু দশক ধরে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে। বিরোধী দলের নেতা হয়েও ইউসুফ পাঠানের এই মন্তব্য নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত রাজনৈতিক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। দু’দিন পরেই ভোট গণনা। সেই ফল শহর ও গ্রামীণ উভয় এলাকার ভোটারদেরই পছন্দ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেবে (BJP)।

     

  • Gujarat ATS: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! আরএসএস কর্মীদের টার্গেট, গুজরাটে বড় চক্রান্ত ভেস্তে দিল এটিএস

    Gujarat ATS: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে জঙ্গি নেটওয়ার্ক! আরএসএস কর্মীদের টার্গেট, গুজরাটে বড় চক্রান্ত ভেস্তে দিল এটিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে গুজরাট এটিএস ( Gujarat Anti-Terrorist Squad)। ধৃতরা হল—ইরফান কালেখান পাঠান (২২), পাটন জেলার সিদ্ধপুরের বাসিন্দা এবং মুরশিদ জাহিদ আখতার শেখ (২১), মুম্বইয়ের সাকিনাকা এলাকার বাসিন্দা। তদন্তকারীদের দাবি, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এরা চরমপন্থী মতাদর্শ ছড়াচ্ছিল এবং যুবকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিল। আরএসএস স্বয়ংসেবকদের টার্গেট করে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এই দুই যুবককে।

    ডিজিটাল নজরদারিতে বড় সাফল্য

    এটিএস জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে সন্দেহজনক কার্যকলাপের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছিল। সেই সময় ইরফান পাঠানের কার্যকলাপ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তার মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষায় হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে আইএসআইএস-ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, পাঠান ও তার সহযোগীরা ‘গাজওয়া-এ-হিন্দ’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি বিস্তৃত জঙ্গি নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা করছিল। বিভিন্ন রাজ্য থেকে যুবকদের নিয়োগ করে অস্ত্র চালনা ও বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তদের ডিভাইস থেকে উদ্ধার হওয়া কথোপকথনে রাজনৈতিক নেতা এবং আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের টার্গেট করার পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলেছে।

    বিদেশি যোগাযোগ ও অর্থের খোঁজ

    এটিএসের দাবি, পাঠান পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে অস্ত্র পাচারের জন্য আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করছিল। সম্ভাব্য অর্থের উৎস ও বিদেশি সাহায্যের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে মুরশিদ শেখের নাম সামনে আসে। গুজরাট এটিএস ও মহারাষ্ট্র পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে মুম্বই থেকে আটক করা হয়। তার মোবাইল থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও কথোপকথন উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ষড়যন্ত্র (ধারা ৬১) এবং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা (ধারা ১৪৮)। আদালত দু’জনকেই ১১ দিনের এটিএস হেফাজতে পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত আরও ব্যক্তিদের খোঁজে তদন্ত চলছে।

  • T-20 World Cup 2026: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না মধুর প্রতিশোধ! আমেদাবাদে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

    T-20 World Cup 2026: ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি না মধুর প্রতিশোধ! আমেদাবাদে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যের বিজয়রথ ছুটছে। সুপার এইট তো হল, এবার লক্ষ্য সেমিফাইনাল! ভারতীয় দল আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) চারটি ম্যাচের চারটিতেই জিতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সুপার এইটে উঠেছে। সেমিফাইনালের লক্ষ্যে সুপার এইটে প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছেন সূর্যরা। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। দু’বছর আগে বার্বাডোজে বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। রোহিত শর্মার নেতৃত্বাধীন ভারত প্রোটিয়াদের হারিয়েই বিশ্বকাপ জিতেছিল। প্রোটিয়াদের সামনে মধুর প্রতিশোধের সুযোগ।

    লড়াই যেন আরও কঠিন

    গ্ৰুপ লিগে তুলনামূলক সহজ প্রতিপক্ষ পেয়েছিল ভারত (India vs South Africa)। এবার লড়াই যেন আরও কঠিন। একমাত্র পাকিস্তান ছাড়া সে ভাবে কোনও দলই দাগ কাটতে পারেনি। এ বার লড়াই আলাদা। সুপার এইটে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে চলেছে জিম্বাবোয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সূর্যকুমার যাদবের লক্ষ্য থাকবে তিন প্রতিপক্ষকে জয় করে তার অপ্রতিরোধ্য রথকে সেমিফাইনালে নিয়ে যাওয়া। তবে, এটা এত সহজ হবে না। তিনটি দলই শক্তিশালী, এবং এটি একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচটিকে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে মনে করা হচ্ছে। জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজও শক্তিশালী চ্যালেঞ্জ খাড়া করে দেবে৷

    নেট রান-রেট গুরুত্বপূর্ণ

    টিম ইন্ডিয়া এই রাউন্ডে তাদের তিনটি ম্যাচের তিনটিতেই জয়লাভ করে, তাহলে তারা সরাসরি সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ পাবে। ভারত তিনটি ম্যাচের মধ্যে দুটি জিতলেও সেমিফাইনালে উঠতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে গ্রুপের বাকি দলগুলির থেকে নেট রান রেট ভাল রাখতে হবে। শেষ চারে যাওয়ার জন্য প্রতিটি দলকে কমপক্ষে দুটি ম্যাচ জিততে হবে। সেক্ষেত্রে নেট রান রেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। ভারতীয় দল এখন পর্যন্ত তিনটি ম্যাচই জিতেছে এবং এই গ্রুপে তাদের নেট রান রেটই সেরা। ভারতের নেট রান রেট ২.৫ এর উপরে, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুই পয়েন্টেরও কম।

    কাঁটে কে টক্কর

    প্রোটিয়াদের সামনে বদলার চ্যালেঞ্জ, আর ভারতের সামনে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির সুযোগ। সেই কারণেই রবিবারের এই ম্যাচে যে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, তা একবায়ে বলা যায়। গ্রুপ পর্বে দুই দলকেই দুর্দান্ত ছন্দে দেখা গিয়েছে। ভারত চার ম্যাচের চারটিতেই জয় পেয়েছে। পর পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়া, পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসকে হারিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকাও সমান দাপট দেখিয়ে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, কানাডা ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ‘সুপার–৮’–এ পৌঁছেছে। এর আগে আমেদাবাদের মাটিতেই নিজের তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে প্রোটিয়ারা। ফলত, পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন মহারাজরা। অন্যদিকে একমাত্র নেদারল্যান্ডস ম্যাচ বাদ দিয়ে কোনও ম্যাচেই ‘কালো মাটি’র পিচ পায়নি ভারত।

    পরিসংখ্যানে কে কতটা এগিয়ে

    তবে পরিসংখ্যানের নিরিখে প্রোটিয়াদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে ভারত। টি-২০ বিশ্বকাপে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে মোট ৭ ম্যাচে ৫ বার জিতেছে ভারত, ২ বার দক্ষিণ আফ্রিকা। এই প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর ১৮৬, সর্বনিম্ন ১১৮। অন্যদিকে, ভারতের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বোচ্চ ১৭২, সর্বনিম্ন ১১৬ রান। এদিকে সামগ্রিকভাবে টি-২০ ক্রিকেটে দুই দলের মধ্যে ৩১টি ম্যাচ হয়েছে। সেখানে ভারত জিতেছে ১৮টি, দক্ষিণ আফ্রিকা ১২টি, আর একটি ম্যাচের ফল হয়নি।

    স্পিন মন্ত্রেই সাফল্যের রসায়ন

    এই পিচে স্পিনের সাহায্য নিতে দেখা যেতে পারে দুই অধিনায়ককে। এমনিতেও স্পিন মন্ত্রে ভর করেই ভারতের তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মাকে আউট করে চলেছেন বিপক্ষের খেলোয়াড়রা। তিন ম্যাচ খেলে ফেললেও অভিষেকের রানের খাতা খোলেনি। তাঁকে নিয়ে চিন্তায় থাকবে ভারতীয় শিবির। শুক্রবার তাঁর সঙ্গে অনেকক্ষন আলোচনা করতে দেখা গেল কোচ গৌতম গম্ভীরকে। বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল যতই বলুন, অভিষেককে নিয়ে দল চিন্তিত নয়,ভারতীয় দলকে দেখে সেটা মনে হওয়ার উপায় নেই। স্পিনের বিরুদ্ধেই আগামিকাল শুরু করবে দুই দল। একদিকে ভারতের হাতে রয়েছেন বরুন চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেলের মতো তারকারা। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছেন কেশব মহারাজ, ট্রিস্টান স্টাব্সরা। ফলত, যতই রানের আশা করা যায়, ততই স্পিন জুজু যেন আঁকড়ে বসছে দুই দলকে।

    ভারতের চিন্তা অভিষেক

    অভিষেক শর্মা টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। মাত্র সপ্তাহ দুয়েক আগেও ফর্মের ভিত্তিতে অভিষেকের সঙ্গে কিষানকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। স্যামসন ও অভিষেক— দু’জনই ২০২৪ সালে দারুণ ফর্মে ছিলেন। কিন্তু ২০২৫-এর শেষে স্যামসন বেঞ্চে চলে যান, আর অভিষেক বিশ্বের শীর্ষ র‌্যাঙ্কিং ব্যাটসম্যান হন। যদিও শুভমান গিলকে জায়গা দিতে স্যামসনকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু অভিষেককে বিশ্রাম দেওয়ার মতো কারণ তখন ছিল না। ভারতের সহকারী কোচ মর্নে মর্কেল (Morne Morkel) অবশ্য জানিয়েছেন, অভিষেকের জায়গায় স্যামসনকে আনার কোনও পরিকল্পনা আপাতত নেই। তিনি বলেন, ‘অভিষেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় এবং ও খুব তাড়াতাড়িই ভালো খেলবে।’ শুধু অভিষেক নয়, ভারতের বড় চিন্তা ফিল্ডিংও। টানা ক্যাচ মিস করে চলেছে দল। ইতিমধ্যেই ভারত ফেলেছে মোট ৯ ক্যাচ। নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধেই ৩টি। যদি গ্ৰুপ পর্যায়ের মতো সুপার এইটেও ক্যাচ ফেলতে শুরু করে দল, কপালে দুর্ভোগ অপেক্ষা করবে ভারতের জন্য।

    দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতের সম্ভাব্য একাদশ

    অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান (উইকেটকিপার), তিলক বর্মা, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), অক্ষর প্যাটেল (সহ-অধিনায়ক), শিবম দুবে, হার্দিক পান্ডিয়া, রিঙ্কু সিং, অর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী এবং জশপ্রীত বুমরা।

  • India: এবার শত্রুদেশের উপগ্রহের ওপর নজরদারি করতে পারবে ভারত, জানুন কীভাবে?

    India: এবার শত্রুদেশের উপগ্রহের ওপর নজরদারি করতে পারবে ভারত, জানুন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের (India) দ্রুত বিকাশমান বেসরকারি মহাকাশ খাতে সৃষ্টি হল গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আহমেদাবাদভিত্তিক আজিস্তা ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড তাদের এয়ারোস্পেস শাখার মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ দেশীয় ক্ষমতা (Orbit Spying Capability) প্রদর্শন করল। তারা এক উপগ্রহ থেকে অন্য একটি কক্ষপথে থাকা বস্তুর ছবি তুলতে পেরেছে, যা ভারতের বেসরকারি খাতে এই প্রথম এবং ভারতের স্পেস সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস (SSA) জোরদার করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই ক্ষমতাকে সাধারণভাবে ‘ইন-অরবিট স্নুপিং’ বলা হয়।

    পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ (India)

    নিজেদের ৮০ কিলোগ্রাম ওজনের পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ এএফআর ব্যবহার করে আজিস্তা ৩ ফেব্রুয়ারি পরিকল্পিত দুটি পরীক্ষায় সফলভাবে ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন (ISS)-এর ছবি তোলে। আইএসএস একটি বড় ও তুলনামূলকভাবে সহজে অনুসরণযোগ্য কক্ষপথীয় বস্তু। যদিও এটি লো-আর্থ অরবিটে (LEO) অন্যতম দৃশ্যমান ও সহযোগিতাপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু, তবুও এই সাফল্য ভারতের বেসরকারি মহাকাশ খাতের জন্য এক নতুন ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে। কঠিন পরিস্থিতিতে, দিগন্তের কাছাকাছি অবস্থান ও সূর্যালোকপূর্ণ পরিবেশে, আজিস্তা দুটি স্বতন্ত্র ইমেজিং প্রচেষ্টা চালায়। প্রথমবার আইএসএসের সঙ্গে দূরত্ব ছিল প্রায় ৩০০ কিলোমিটার এবং দ্বিতীয়বার প্রায় ২৪৫ কিলোমিটার। উভয় ক্ষেত্রেই এএফআর উপগ্রহের সেন্সর অত্যন্ত নিখুঁতভাবে দ্রুতগতির আইএসএসকে অনুসরণ করে মোট ১৫টি আলাদা ফ্রেম ধারণ করে, যেখানে ইমেজিং স্যাম্পলিং ছিল প্রায় ২.২ মিটার। সংস্থার দাবি, দুটি প্রচেষ্টাই একশো ভাগ সফল হয়েছে, যা তাদের ট্র্যাকিং অ্যালগরিদম এবং ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল ইমেজিংয়ের নির্ভুলতাই প্রমাণ করে।

    আজিস্তার সাফল্য

    আজিস্তার কাছে এই সাফল্য শুধুমাত্র একটি প্রযুক্তিগত অর্জন নয়, বরং এটি প্রমাণ করে যে ভারতে সম্পূর্ণভাবে উন্নত দেশীয় অ্যালগরিদম, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল সিস্টেম ও স্যাটেলাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে কক্ষপথে থাকা বস্তু শনাক্ত ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব। সফল পরীক্ষার পর আজিস্তার ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রীনিবাস রেড্ডি জানান, এএফআর ইতিমধ্যেই একাধিক গ্রাহককে উন্নত ইমেজিং ও রিমোট সেন্সিং পরিষেবা দিচ্ছে এবং এবার সম্পূর্ণ দেশীয় ব্যবস্থায় নন-আর্থ ইমেজিং (NEI) ক্ষমতা প্রদর্শন করেছে। তাঁর কথায়, “এই প্রযুক্তিগুলিই আমাদের এনইআই এবং এসএসএ পেলোডের মূল ভিত্তি, যা কক্ষপথে থাকা বস্তু নিখুঁতভাবে ট্র্যাক ও চরিত্রায়িত করতে সাহায্য করে (India)।” তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি আয়ত্তে এলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পর্যবেক্ষণেও তা ব্যবহার করা যেতে পারে (Orbit Spying Capability)। স্পেস সিচুয়েশনাল অ্যাওয়ারনেস, অর্থাৎ মহাকাশে থাকা বস্তু শনাক্ত করা, তাদের গতিবিধি অনুসরণ করা ও আচরণ বোঝার ক্ষমতা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কারণ বহু দেশ এখন এমন উপগ্রহ মোতায়েন করছে, যেগুলি অন্য মহাকাশ সম্পদের খুব কাছাকাছি গিয়ে হস্তক্ষেপ, জ্যামিং বা কৌশলগত ম্যানুভার করতে পারে। লো-আর্থ অরবিটে ভিড় ও প্রতিযোগিতা বাড়ায়, পৃথিবীপৃষ্ঠে কী ঘটছে তা পর্যবেক্ষণের মতোই এখন আকাশে কী ঘটছে, সেটিও জানা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

    উপগ্রহের সংখ্যা

    বর্তমানে ভারতের হাতে যোগাযোগ, ন্যাভিগেশন, পৃথিবী পর্যবেক্ষণ ও কৌশলগত কাজে ব্যবহৃত ৫০টিরও বেশি উপগ্রহ রয়েছে, যাদের সম্মিলিত মূল্য ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এই সম্পদগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে (India) কক্ষপথে থাকা অন্যান্য উপগ্রহ কী করছে, সে সম্পর্কে সময়মতো তথ্য পাওয়া অত্যন্ত জরুরি, বিশেষত ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সময়ে। যদিও ইসরো (ISRO) আগেও এই ধরনের ক্ষমতা দেখিয়েছে, যেমন সাম্প্রতিক এসপিএডিইএক্স (SPADEX) ইন-অরবিট পরীক্ষায় নিখুঁত রেন্ডেভু ও ম্যানুভারিং দেখানো হয়েছে, আজিস্তার উদ্যোগটি বেসরকারি খাতনির্ভর এক নতুন পথ খুলে দিয়েছে। আইএসএসের ছবি ধারণের মাধ্যমে এএফআর এমন একটি ভিত্তিমূলক সক্ষমতা দেখিয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল বা কম সহযোগিতাপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুর নজরদারিতে কাজে লাগতে পারে (Orbit Spying Capability)। আজিস্তার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ব্রিগেডিয়ার আদর্শ ভরদ্বাজ বলেন, “এই প্রদর্শন এমন একটা সময়ে ভারতের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সক্ষমতা এনে দিয়েছে, যখন মহাকাশ প্ল্যাটফর্মগুলি ক্রমেই হস্তক্ষেপের ঝুঁকিতে পড়ছে।” আইএসএসের ছবিগুলিকে তিনি “ভবিষ্যতে কী অর্জন সম্ভব, তার প্রথম প্রমাণ” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, “ভারত এখন এমন এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে, যা মহাকাশে জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় সহায়ক হবে।”

    এএফআর

    এএফআর নিজেই একটি মাইলফলক। মাত্র ৮০ কিলোগ্রাম ওজনের এই উপগ্রহটি তার আকার ও কর্মক্ষমতা শ্রেণিতে (India) ভারতে প্রথম, যা সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি শিল্প দ্বারা নকশা, নির্মাণ ও পরিচালিত। ২০২৩ সালের ১৩ জুন স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটে করে ট্রান্সপোর্টার-৮ মিশনের অংশ হিসেবে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কক্ষপথে ২.৫ বছর পূর্ণ করে এটি এখনও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে এবং আরও ২.৫ বছর মিশন আয়ু বাকি রয়েছে। এসএসএর বাইরে, এএফআর ইতিমধ্যেই নৌবাহিনীর ইমেজিং, নাইট ইমেজিং ও ভিডিও ইমেজিং মোডে বিশ্বজুড়ে বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা গ্রাহকদের পরিষেবা দিচ্ছে। আজিস্তা স্পেস জানিয়েছে, আহমেদাবাদে তাদের আসন্ন ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল পেলোড উৎপাদন কেন্দ্রে এমন পরবর্তী প্রজন্মের দেশীয় পেলোড তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আইএসএসের ছবি ২৫ সেন্টিমিটার রেজোলিউশনে তুলতে পারবে। আইএসএসের ছবি তোলা হয়তো মাত্র একটি সূচনা, কিন্তু এটি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে ভারতের বেসরকারি মহাকাশ শিল্প ধীরে ধীরে এমন এক কৌশলগত ক্ষেত্রে প্রবেশ করছে, যা এতদিন শুধুমাত্র সরকারের দখলে ছিল, নীরবে দেশের কক্ষপথ পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ (India) ও সুরক্ষার ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলছে (Orbit Spying Capability)।

     

  • Commonwealth Games: অলিম্পিক্সের দিকে একধাপ! শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস আমেদাবাদেই, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    Commonwealth Games: অলিম্পিক্সের দিকে একধাপ! শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস আমেদাবাদেই, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে ভারতেই বসছে ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস। আমেদাবাদকে আয়োজক শহর হিসেবে ঘোষণা করেছে কমনওয়েলথ কমিটি। শেষ ২০১০ সালে দিল্লিতে হয়েছিল এই প্রতিযোগিতা। ২০ বছর পর আবার ভারতের মাটিতে ফিরছে কমনওয়েলথ গেমস। কমনওয়েলথের আসরকে অনেকেই অলিম্পিক্সের ওয়ার্মআপ ম্যাচ হিসেবে দেখছে। ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স আয়োজন করতে চায় ভারত। তার আগে মাল্টি-গেমের আন্তর্জাতিক আসর বসিয়ে প্রস্তুতি সারতে চাইছে ভারত।

    সরকারিভাবে স্বীকৃতি

    ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ আয়োজনে ভারতের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল নাইজেরিয়া। আবুজা শহরে এই গেমস করতে চেয়েছিল তারা। কিন্তু ৭৪ সদস্য দেশ শেষ পর্যন্ত ভারতকেই বেছে নিল। কমনওয়েলথ কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০৩৪ সালের প্রতিযোগিতা নাইজেরিয়ায় দেওয়া হতে পারে। তার আগে আমেদাবাদের উপর ভরসা রেখেছে কমিটি। তবে এই নাম ঘোষণা ছিল সময়ের অপেক্ষা। প্রথমে ‘কমনওয়েলথ স্পোর্টস এভালুয়েশন কমিটি’ আমেদাবাদের নামের প্রস্তাব দিয়েছিল। তার পর গত মাসে ‘কমনওয়েলথ স্পোর্টস এগজিকিউটিভ বোর্ড’ আয়োজক হিসাবে ভারতের এই শহরের নাম প্রস্তাব করে। বুধবার গ্লাসগোতে বার্ষিক সাধারণ সভায় তাতে সিলমোহর পড়ে।

    প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হবে ভারতের আমেদাবাদে। দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি সোশ্যাল সাইটে লেখেন, “২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের জন্য ভারত জয়লাভ করায় আমি আনন্দিত! ভারতের জনগণ এবং ক্রীড়া প্রেমীদের অভিনন্দন। আমাদের সম্মিলিত প্রতিশ্রুতি এবং ক্রীড়া মনোভাবের কারণেই ভারত বিশ্ব ক্রীড়া মানচিত্রে দৃঢ়ভাবে স্থান পেয়েছে। বসুধৈব কুটুম্বকমের নীতিমালা অনুসরণ করে, আমরা এই ঐতিহাসিক গেমগুলি অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে উদযাপন করতে আগ্রহী। আমরা বিশ্বকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “আমেদাবাদে ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আয়োজনের জন্য ভারত এই মর্যাদাপূর্ণ বিড জেতায় প্রত্যেক নাগরিককে অভিনন্দন জানাই। ভারতকে বিশ্ব ক্রীড়া কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃষ্টিভঙ্গির এটি একটি প্রমাণ। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে মোদি সরকার বিশ্বমানের ক্রীড়া পরিকাঠামো তৈরি করেছে এবং কার্যকর প্রশাসন ও নিবিড় দলগত কাজের মাধ্যমে দেশের সম্ভাবনাকে তুলে ধরেছে।”

    শতবর্ষে কমনওয়েলথ

    ভারতের পক্ষে গ্লাসগোতে হাজির ছিলেন ভারতীয় অলিম্পিক্স কমিটির প্রেসিডেন্ট পিটি উষা, কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সচিব কুণাল কে, আইওএ সিইও রঘুরাম আইয়ার, গুজরাটের ক্রীড়ামন্ত্রী হর্ষ সাংভি। ভারতের অলিম্পিক্স সংস্থার সভাপতি পিটি ঊষার হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়। পিটি উষা বলেছেন, “‘কমনওয়েলথ সংস্থা আমাদের উপর আস্থা রেখেছে, এটা সম্মানের। ২০৩০ সালের ১০০ বছর পূর্তি হবে গেমসের। সেটা যেমন উদযাপন করা লক্ষ্য, তেমনই ভবিষ্যতের দিকে গেমসকে এগিয়ে দেওয়া লক্ষ্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, ২০২৬ সালের সিডব্লিউজি, যা হবে গ্লাসগোতে, সেখানে মাত্র ১০টা খেলা আয়োজন করা হবে। কিন্তু ভারতে সেটাই বেড়ে দাঁড়াবে অন্তত ১৫-১৭টা খেলা।” কমনওয়েলথ স্পোর্টের সভাপতি ডোনাল্ড রুকারে জানিয়েছেন, তাঁরা আশাবাদী, ২০৩০ সালে আমেদাবাদ খুব ভাল ভাবে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। তিনি বলেন, “ভারতে খেলার সঙ্গে সংস্কৃতির যোগ রয়েছে। ২০৩০ সালে কমনওয়েলথের ১০০ বছর। আমরা আশাবাদী, ভারতের মাটিতে তাদের উন্নত ও বৈচিত্রমূলক সংস্কৃতির পরিচয় আমরা দেখতে পাব। খুব ভাল একটা প্রতিযোগিতার অপেক্ষায় রইলাম।”

    মোদি সরকারের প্রয়াস

    শতবর্ষের কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হবে ভারতের আমেদাবাদে। কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতীয় খেলার দুনিয়ায় অনেক বদল এনেছে বিজেপি সরকার। বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে অলিম্পিক্স খেলাগুলোয়। গত কয়েক বছর ধরেই অলিম্পিক গেমস আয়োজনের স্বপ্ন দেখছে ভারত। সেই পথেই একধাপ এগিয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে। অলিম্পিকের দিকে তাকিয়ে আমেদাবাদে তৈরি হচ্ছে বিশ্বমানের পরিকাঠামো। সবরমতি নদীর তীরে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বিশাল স্টেডিয়াম। কমনওয়েলথ গেমসের আগেই তা পুরোপুরি তৈরি হয়ে যাবে। অলিম্পিক্সের জন্য পরীক্ষানিরীক্ষাও সেরে নিতে পারবে ভারত। আর তাই কমনওয়েলথ গেমসের আয়োজক হতে মরিয়া হয়েছিল ভারত।

    দেশে খুশির জোয়ার

    ভারত সরকারিভাবে কমনওয়েলথ গেমস ২০৩০ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছ, এই ঘোষণার পরেই স্কটল্যান্ডের জেনারেল অ্যাসাম্বলিতে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখা যায়। ২০ জন গরবা নৃত্যশিল্পী এবং ৩০ জন ঢোল বাদক সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অ্যাসাম্বলি হল আলোকিত হয়। ‘নিউ এজ গেমস ফর এ নিউ সেঞ্চুরি’ অর্থাৎ নতুন শতকের জন্য নতুন আঙ্গিকের গেমস, এই স্লোগানকে সামনে রেখে আমেদাবাদকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে, তা সকলকে মুগ্ধ করেছে। বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হিসেবে ভারত এই ক্রীড়াযজ্ঞে নতুন প্রাণশক্তি সঞ্চারিত করেছে, তাকে স্বাগত জানানো হয়েছে। ২০৩০ সালের কমনওয়েলথ গেমস আমেদাবেদে আয়োজনের ফলে বিরাট সংখ্যক অ্যাথলিট, কোচ, কর্মকর্তা, সমর্থক, মিডিয়া কর্মীরা ভারতে আসবেন। এতে দেশের পর্যটন, হসপিটালিটি, বাজার, পরিবহণ খাতে অর্থনৈতিক গতি বৃদ্ধি পাবে। কমনওয়েলথ গেমস কেবল ক্রীড়া উৎসবই নয়, এতে ক্রীড়া বিজ্ঞান, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্রডকাস্টিং, আইটি এবং জনসংযোগ-সহ বহু খাতে কর্মসংস্থানের নতুন দরজা খুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share