Tag: AI-generated Content

  • Modi Govt: সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো তথ্য ঠেকাতে কুইক রেসপন্স টিম গড়ছে কেন্দ্র, ২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ

    Modi Govt: সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো তথ্য ঠেকাতে কুইক রেসপন্স টিম গড়ছে কেন্দ্র, ২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভুয়ো, বিভ্রান্তিকর ও বিকৃত তথ্য (Fake News) দ্রুত শনাক্ত করে তার মোকাবিলা করতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রক ও দফতর গড়ছে কুইক রেসপন্স টিম। সরকারি এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নাগরিকদের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করা (Modi Govt) এবং গুজব, মিথ্যা তথ্য ও ভুয়ো খবরের দ্রুত মোকাবিলা করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

    কুইক রেসপন্স টিমের নজর (Modi Govt)

    নতুন ব্যবস্থার আওতায় কোনও মন্ত্রক বা দফতরের নীতি, প্রকল্প, কর্মসূচি, সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশিত সন্দেহজনক পোস্ট ও আলোচনার উপর নজর রাখবে সংশ্লিষ্ট দফতরের সোশাল ও ডিজিটাল মাধ্যমের দল। কোনও পোস্টে তথ্য ভুয়ো, বিভ্রান্তিকর, তথ্যগতভাবে ভুল, বিকৃত, প্রেক্ষিত-বহির্ভূত অথবা জনমনে বিভ্রান্তি তৈরির আশঙ্কা থাকলে তা সংশ্লিষ্ট কুইক রেসপন্স টিমের নজরে আনা হবে। এর পর ওই টিম তথ্য যাচাই করে প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণ করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে জবাব দেওয়ার ব্যবস্থা করবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের নতুন মাধ্যম শাখা থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হবে।

    সরকারের নির্দেশ, এই ধরনের ভুয়ো বা বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলিকে দু’ঘণ্টার মধ্যে প্রতিক্রিয়া জানানোর চেষ্টা করতে হবে। ডিজিটাল মাধ্যমে কোনও ভুল তথ্য অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে বলেই এই দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ, কৃষি এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত দফতর ইতিমধ্যেই তাদের কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

    কুইক রেসপন্স টিমের কাজ

    প্রয়োজনে কুইক রেসপন্স টিম সরকারি তথ্য যাচাই শাখার সঙ্গেও সমন্বয় সাধন করবে। ফলে কোনও তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সরকারের পক্ষ থেকে তার জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও একটি স্তর যুক্ত হবে (Fake News)। অত্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়া তথ্য, ব্যাপক জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়, সংবেদনশীল নীতি, জনসাধারণের সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা, আইনি জটিলতা, পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর জন্য প্রচার কিংবা একাধিক মন্ত্রকের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে হলে তা উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পাঠানো হবে। প্রয়োজনে, সেখান থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    কেন্দ্রের উদ্বেগ

    সোশাল মিডিয়ায় ভুয়ো ও ক্ষতিকর তথ্য ছড়ানো নিয়ে কেন্দ্রের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে বিকৃত ভিডিও, এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি বিষয়বস্তু এবং বিভ্রান্তিকর পোস্ট কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত এবং কার্যকর সরকারি যোগাযোগকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন আধিকারিকরা (Modi Govt)।

    চলতি মাসের গোড়ায়ই তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক সোশাল মিডিয়া সংস্থা মেটার সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে। মেটার বিভিন্ন মাধ্যমে এআই দিয়ে তৈরি ক্ষতিকর বিষয়বস্তু এবং পরিচয় বা সতর্কীকরণ ছাড়াই প্রকাশিত জাল ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়। বিষয়বস্তু যাচাই ও নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আরও বেশি মানবীয় নজরদারি এবং ভারতের বিভিন্ন ভাষা ও স্থানীয় প্রেক্ষাপটকে যথাযথ ভাবে বিবেচনার জন্য আরও শক্তিশালী ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছে কেন্দ্র (Modi Govt)।

    এই কাঠামোর লক্ষ্য

    নয়া এই কাঠামোর লক্ষ্য হল, কোনও ভুয়ো তথ্য ভাইরাল হয়ে যাওয়ার পর সরকারের তরফে প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে শুরু থেকেই তার উপর নজর রাখা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক ও দফতরগুলি নিয়মিতভাবে তথ্য পর্যবেক্ষণ, যাচাই এবং প্রয়োজনীয় জবাব দেওয়ার জন্য পৃথক ব্যবস্থা গড়ে তুলবে। ফলে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া মিখ্যা তথ্যের মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকারের ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও কাজে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে (Fake News)। সরকারের লক্ষ্য হল, বিভ্রান্তিকর তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আগেই সঠিক ও যাচাই করা তথ্য দ্রুততম সময়ে নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া (Modi Govt)।

     

  • Facebook Post: প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ব্লক করায় মেটার ওপর কড়া নজরদারি কেন্দ্রের

    Facebook Post: প্রধানমন্ত্রীর পোস্ট ব্লক করায় মেটার ওপর কড়া নজরদারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ফেসবুক পোস্ট (Facebook Post) সাময়িকভাবে ব্লক করার ঘটনায় মেটার ওপর নজরদারি আরও জোরদার করল কেন্দ্রীয় সরকার। ঘটনার ব্যাখ্যা চেয়ে মেটার (Meta Global Team) আন্তর্জাতিক পর্যায়ের শীর্ষ কর্তাদের ভারতে তলব করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহে মেটার ঊর্ধ্বতন কর্তাদের অ্যালগরিদমের পক্ষপাত, বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি, সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া এবং জনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে সংস্থার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হবে। তাঁদের একটি সংসদীয় কমিটির সামনেও হাজির হতে হতে পারে।

    মেটার সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা (Facebook Post)

    ঘটনার সূত্রপাত প্রধানমন্ত্রীর একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে। দেশের যুবসমাজকে উদ্দেশ করে ওই পোস্টে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু কিছু সময়ের জন্য পোস্টটি ফেসবুকে ব্লক করে দেওয়া হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক মেটার এক শীর্ষ আধিকারিককে তলব করে ঘটনার ব্যাখ্যা চায়। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, আসন্ন বৈঠকে মূলত মেটার অ্যালগরিদম কীভাবে কাজ করে, তাতে কোনও ধরনের পক্ষপাত রয়েছে কি না এবং বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কী ধরনের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়, তা খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে জনস্বার্থের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়বস্তুর ক্ষেত্রে সংস্থার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ এবং দায়বদ্ধ, সেটিও পর্যালোচনা করা হবে।

    মেটার আগের বক্তব্য

    এর আগে মেটা জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রীর পোস্টটি সাময়িকভাবে ব্লক হওয়ার পিছনে ছিল একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটি। ঘটনার জন্য সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক ভাবে ক্ষমাও চাওয়া হয়। তবে সরকারি সূত্রের দাবি, মন্ত্রকের কাছে এই ব্যাখ্যা যথেষ্ট মনে হয়নি। পরে মেটা সরকারকে আশ্বস্ত করে জানায়, প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য বিশিষ্ট জনপরিচিত ব্যক্তিদের প্রকাশিত পোস্টে কোনও নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আগে অতিরিক্ত নজরদারি ও পর্যালোচনা করা (Facebook Post) হবে। সূত্রের আরও দাবি, সংস্থাটি লিখিতভাবে সরকারকে জানিয়েছে, সংবেদনশীল বা হাইপ্রোফাইল অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়ার আগে একাধিক স্তরে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে। সেই প্রক্রিয়ায় সংস্থার শীর্ষ আধিকারিকদের নজরদারিও থাকবে। প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা প্রক্রিয়াগত ঘাটতির কারণে যাতে একই ধরনের ঘটনা ফের না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে মেটার তরফে জানানো হয়েছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ!

    এদিকে, ভারতীয় আইন লঙ্ঘন করলে অথবা নিজেদের ঘোষিত নীতি মেনে চলতে ব্যর্থ হলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলির বিরুদ্ধে আইনি ও নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেও কেন্দ্রের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের বক্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলি এখন আর শুধুমাত্র প্রযুক্তি সংস্থায় সীমাবদ্ধ নেই। জনমত গঠন, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর তাদের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। তাই তাদের কাছ থেকে উচ্চমাত্রার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রত্যাশিত। এরই মধ্যে তেলঙ্গানায় মেটাকে ঘিরে আলাদা আইনি প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। মেটা ইন্ডিয়ার প্রধান অরুণ শ্রীনিবাস এবং একাধিক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পরিচালকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে হায়দরাবাদ সাইবার অপরাধ দমন শাখা। প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে বিকৃত ও এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে তৈরি করা বিভিন্ন ছবি ও ভিডিয়ো অনলাইনে ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।

    স্ক্রুটিনির মুখে মেটা!

    অভিযোগ অনুযায়ী, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নিয়ে চলা বিক্ষোভের সময় প্রধানমন্ত্রীর বিকৃত ছবি ও ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মেটাকে নোটিশ পাঠিয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলি কারা পরিচালনা করছিল, তা চিহ্নিত করতে তদন্তও শুরু হয়েছে। পরপর এই ঘটনাগুলির ফলে মেটার ওপর কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রক নজরদারি উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়ে গিয়েছে। বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণের কাঠামো, অ্যালগরিদমের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিষয়বস্তু পরিচালনা—এই তিন ক্ষেত্রেই এখন একসঙ্গে সরকারি কর্তৃপক্ষ, সংসদীয় কমিটি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার স্ক্রুটিনির মুখে পড়েছে সংস্থাটি (Meta Global Team)। আগামী দিনের বৈঠক ও তদন্তের ফলাফল ভারতে বড় সোশ্যাল মিডিয়া সংস্থাগুলির জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণের ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলেই (Facebook Post) ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

LinkedIn
Share