Tag: AIIMS

AIIMS

  • Suvendu Adhikari: স্বাস্থ্যখাতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ কেন্দ্রের, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: স্বাস্থ্যখাতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ কেন্দ্রের, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই এল বড় সুখবর। পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করল কেন্দ্রীয় সরকার। একটি নির্দিষ্ট প্রকল্পের প্রথম কিস্তির অর্থ ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসে পৌঁছেছে। নবগঠিত বিজেপি সরকারের আশা, এতদিন ধরে বকেয়া থাকা বাকি অর্থও দ্রুত পাওয়া যাবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডার সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।”

    ২,১০৩ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে (Suvendu Adhikari)

    শনিবার নবান্নের সভাঘরে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) এই সুখবরটি দেন। তিনি বলেন, “আজ পশ্চিমবঙ্গবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন। ‘ন্যাশনাল হেলথ মিশন’ (NHM)-এর আওতায় ভারত সরকার চলতি অর্থবর্ষের জন্য আমাদের ২,১০৩ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি বাবদ এক-চতুর্থাংশ অর্থাৎ ৫০০ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তহবিলে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।”

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পূর্বতন সরকারের সময় ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের বরাদ্দ অর্থ রাজ্য নেয়নি। আমি সেই বকেয়া অর্থ ছাড়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছি। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষের ‘ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট’ (খরচের শংসাপত্র) তাঁরা পাননি। আগামী ৩০ মে-র মধ্যে রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব ও অর্থসচিব তা পাঠিয়ে দিলে, গত দুই অর্থবর্ষের বকেয়া টাকাও দ্রুত মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।”

    যৌথ উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিষেবার

    পাশাপাশি, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পেও কেন্দ্রের তরফে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৯৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)। ফলত, সব মিলিয়ে স্বাস্থ্যখাতে ৩,০০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ মঞ্জুর করেছে কেন্দ্র, যার মধ্যে ৫০০ কোটি টাকা ইতিমধ্যে হস্তান্তরিত হয়েছে। এছাড়া, পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের (15th Finance Commission) তহবিলও শীঘ্রই আসতে চলেছে এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে।

    উল্লেখ্য, কেন্দ্রের কাছ থেকে বকেয়া অর্থ আদায় নিয়ে বিগত সরকারের আমলে দীর্ঘ টানাপোড়েন চলেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব বারবার অভিযোগ তুলেছিল যে, রাজ্যের বিজেপি নেতাদের পরামর্শেই কেন্দ্র টাকা আটকে রেখেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই, কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। খুব শীঘ্রই রাজ্যবাসী এর সুফল পেতে শুরু করবেন।”

    উত্তরবঙ্গে এইমস গড়ার প্রস্তাব

    রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো আরও উন্নত করতে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় একটি করে মেডিকেল কলেজ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari) জানান, বর্তমানে আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং পশ্চিম বর্ধমান—এই চার প্রশাসনিক জেলায় কোনও মেডিকেল কলেজ নেই। এই জেলাগুলিতে মেডিকেল কলেজ গড়ার জন্য জমি চিহ্নিত করে কেন্দ্রের কাছে দ্রুত প্রস্তাব পাঠাবে নতুন সরকার। এর পাশাপাশি, উত্তরবঙ্গে একটি এইমস (AIIMS) গড়ে তোলার জন্যও প্রস্তাব পাঠানো হবে। সেই সঙ্গে চিকিৎসকদের অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের (In-house Training) জন্য কেন্দ্রের তিনটি বিশেষ প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসবে। শুভেন্দু জানান, বাংলার নবনির্মাণে, বিশেষ করে স্বাস্থ্যক্ষেত্রের উন্নয়নে অর্থ কোনও বাধা হবে না বলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা তাঁকে আশ্বাস দিয়েছেন।

  • Covid Vaccine: করোনা-পরবর্তীকালে বাড়ছে আকস্মিক মৃত্যু! ভ্যাকসিনের যোগ নেই, জানাল কেন্দ্র

    Covid Vaccine: করোনা-পরবর্তীকালে বাড়ছে আকস্মিক মৃত্যু! ভ্যাকসিনের যোগ নেই, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং এইমসের বিশদ গবেষণা থেকে এটা স্পষ্ট যে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন (Covid Vaccine) এবং কোভিড-১৯ পরবর্তীকালে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে আকস্মিক মৃত্যুর কোনও যোগসূত্র নেই। দেশে ৪০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে হঠাৎ করে হৃদরোগে আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় এই গবেষণাটি করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, কোভিড ভ্যাকসিন এবং অল্পবয়স্কদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই। জাতীয় সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে জীবনযাপন এবং আগে থেকে থাকা শারীরিক অসুস্থতাই এই আকস্মিক মৃত্যুর প্রধান কারণ।

    কেন এই মৃত্যু

    ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জানিয়েছেন যে, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR) এবং অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (AIIMS)-এর যৌথভাবে পরিচালিত বিস্তৃত গবেষণায় এটি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে কোভিড-১৯ টিকা (Covid Vaccine) গ্রহণ এবং টিকা পরবর্তী প্রাপ্তবয়স্কদের হঠাৎ মৃত্যুর মধ্যে কোনও প্রত্যক্ষ যোগসূত্র নেই। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইসিএমআর ও ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল (NCDC)-এর গবেষণাগুলি প্রমাণ করে যে ভারতে ব্যবহৃত কোভিড টিকাগুলি নিরাপদ ও কার্যকর। খুবই বিরল কিছু ক্ষেত্রে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও, হঠাৎ হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যু একাধিক কারণে হতে পারে—যেমন জিনগত কারণ, জীবনধারা, পূর্ববর্তী স্বাস্থ্য সমস্যা এবং কোভিড-পরবর্তী জটিলতা।

    দুটি পৃথক গবেষণা

    এই বিষয়ে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করতে দুটি পৃথক গবেষণা পরিচালিত হয়েছে—একটি পূর্বের তথ্য বিশ্লেষণ করে এবং অন্যটি চলমান রিয়েল-টাইম ভিত্তিতে। প্রথম গবেষণার ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের মধ্যে টিকাকরণ (Covid Vaccine) হঠাৎ মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ায় না। এইমস, নয়াদিল্লি কর্তৃক পরিচালিত দ্বিতীয় গবেষণাটি এখনও চলছে। প্রাথমিক বিশ্লেষণে জানা গিয়েছে, এই বয়সের মানুষের হঠাৎ মৃত্যুর প্রধান কারণ হৃদ্‌রোগ বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে যে বিজ্ঞানীরা বারবার বলছেন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন এবং আকস্মিক মৃত্যুর মধ্যে যোগসূত্র সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “চূড়ান্ত প্রমাণ ছাড়া এমন দাবি অথবা ভাবনা জনসাধারণের মধ্যে ভ্যাকসিন সম্পর্কে অনাস্থা তৈরি করতে পারে। যা অতিমারীর সময় লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন বাঁচানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে ভ্যাকসিন নেওয়ার পাশাপাশি জীবনযাত্রার সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করা এবং সময়মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো বেশি জরুরি।

  • PM Modi: “আমাদের সরকার স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে”, বললেন মোদি

    PM Modi: “আমাদের সরকার স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের সরকার দেশের স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে।” বুধবার বিহারের (Bihar) এক জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    মোদি সরকারের লক্ষ্য (PM Modi)

    তিনি বলেন, “আমাদের প্রথম লক্ষ্য হল রোগ প্রতিরোধ করা। দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো সঠিক রোগ নির্ণয় করা। তৃতীয় লক্ষ্য হল সাশ্রয়ী ও বিনামূল্যে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা। আমাদের চতুর্থ লক্ষ্য হল ছোট শহরগুলিতেও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা। পঞ্চম লক্ষ্য হল স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা।” এদিন প্রধানমন্ত্রী বিহারের দ্বারভাঙায় এইমসের (AIIMS) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সেখানেই তিনি বলেন, “আমার সরকার দেশে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে, যা রোগ প্রতিরোধ থেকে শুরু করে চিকিৎসা পর্যন্ত বিস্তৃত।”

    দ্বারভাঙায় এইমসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    দ্বারভাঙায় ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও প্রায় ১২ হাজার ১০০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধনের পর জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি দেশের স্বাস্থ্যসেবায় তাঁর সরকারের দৃষ্টিভঙ্গী ও অগ্রাধিকারের বিষয়গুলির উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, তাঁর সরকার সব সময় জাতির সেবা এবং জনগণের কল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ দ্বারভাঙায় একটি এইমস প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এখানে এইমস নির্মাণের ফলে বিহারের স্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। এই সেবাকেন্দ্র মিথিলা, কোশি এবং তিরহুত অঞ্চলগুলোর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ এবং আশেপাশের এলাকার মানুষকেও পরিষেবা দেবে। নেপাল থেকেও রোগীরা এখানে এসে চিকিৎসা পরিষেবা নিতে পারবেন। দ্বারভাঙায় এইমস নির্মাণ বহু নতুন কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি করবে।”

    আরও পড়ুন: ৩০০-র বেশি হিন্দু ও তাঁদের মন্দিরে হামলা গত ২২ মাসে, তালিকা প্রকাশ ভিএইচপি’র

    তিনি (PM Modi) বলেন, “আগে পরিস্থিতি খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল। তখন খুব কম হাসপাতাল এবং ডাক্তার ছিল। ওষুধের দাম ছিল অনেক বেশি। আগের সরকারগুলি শুধু প্রতিশ্রুতি এবং দাবির মধ্যে আটকে ছিল, গরিব মানুষের প্রয়োজন নিয়ে তাদের কোনও সঠিক চিন্তা ছিল না। কিন্তু নীতীশ বিহারের (Bihar) দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এই সমস্যাগুলির সমাধানে সঠিক মনোযোগ দেওয়া হয়েছে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ। 

  • AIIMS Study: যোগের বলে মুক্তি মিলবে আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা থেকে, বলছে এইমসের সমীক্ষা

    AIIMS Study: যোগের বলে মুক্তি মিলবে আর্থ্রাইটিসের যন্ত্রণা থেকে, বলছে এইমসের সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যোগ বলে রোগ আরোগ্য। বাক্যটি যে নেহাৎ কথার কথা নয়, তা জানা গেল এইমসের সাম্প্রতিক এক গবেষণাও (AIIMS Study)। জানা গিয়েছে, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের প্রদাহ ও ব্যথা (Arthritis Pain) কমাতেও দারুণ কাজ করে যোগ ব্যায়াম। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস হল একটি ক্রনিক অটোইমিউন রোগ। এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে হয় প্রদাহ, গাঁটে গাঁটে হয় ব্যথা। ফুসফুস, হার্ট এবং মস্তিষ্কেও প্রভাব পড়ে এই ব্যথার। যার জেরে রোগী ক্রমেই অথর্ব হয়ে পড়েন।

    যোগ বলে রোগ আরোগ্য (AIIMS Study)

    এইমসের চিকিৎসকদের করা গবেষণা বলছে, এর থেকে মুক্তি দিতে পারে যোগ ব্যায়াম। শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে এটি কাজ করে দারুণভাবে। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, যাঁরা নিয়মিত যোগব্যায়াম করেন, তাঁরা দিব্যি সুস্থ রয়েছেন। অথর্ব বেদে যোগের গুণগান গাওয়া হলেও, সিংহভাগ ভারতীয়ই চর্চা করতেন না যোগের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই প্রথম যোগের গুণাগুন তুলে ধরেন সারা বিশ্বের কাছে। তার পর থেকে ফি বছর ২১ জুন দিনটি পালিত হয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে। সেই যোগেরই নয়া কার্যকারিতার কথা জানা গেল এইমসের সমীক্ষায় (AIIMS Study)।

    এইমসের গবেষণা

    সমীক্ষাটি করেছে এইমসের ল্যাব ফর মলিকিউলার রিপ্রোডাকশন অ্যান্ড জেনেটিক্স, দ্য অ্যানাটমি ডিপার্টমেন্ট এবং রিউম্যাটোলজি ডিপার্টমেন্ট। তাদের সাহায্য করেছিল ডিএসটি। সেই সমীক্ষায়ই জানা গিয়েছে, কীভাবে রিউমাটেড আর্থ্রাইটিসের রোগীদের কোষ এবং মলিকিউলার লেভেলে কাজ করে যোগ। কেবল যন্ত্রণামুক্তিই নয়, তার চেয়েও বেশি কিছু কাজ করে যোগ। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং সেলুলার ড্যামেজ কন্ট্রোল করে যোগ যে প্রদাহও হ্রাস করে, তা-ও জানা গিয়েছে ওই সমীক্ষায়। প্রো এবং অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি সাইটকিনসের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করে যোগ।

    আরও পড়ুন: শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভাঙছে চিন, নিশ্চিহ্ন করছে উইঘুরদের, নীরব মুসলিম দুনিয়া

    রোগীর শরীরে বাড়িয়ে দেয় এনডর্ফিনের স্তর, হ্রাস করে কর্টিসল এবং সিআরপির মাত্রা। মেলাটনিন রিদমও বজায় রাখে যোগ। প্রদাহ চক্রকে ভেঙে এটা করে যোগ। গড়ে তোলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও। মলিকিউলার লেভেলে যোগ টেলোমের্স এনজাইম এবং জিনের অ্যাক্টিভিটি বাড়িয়ে দেয়। এই জিন কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ডিএনএ এবং কোষ চক্র রেগুলেশন করতে। এগুলোই রোধ করে কোষের বয়স বেড়ে যাওয়াকে। যার জেরে রোগী থাকেন চনমনে। রিউমাটোলজি বিভাগের প্রধান উমা কুমার বলেন, “যোগ যে কেবল রোগীর (Arthritis Pain) জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করে তাই নয়, রোগীদের মধ্যে থাকা চাপ এবং উদ্বেগও কমায় (AIIMS Study)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • AIIMS: খুশির খবর, কল্যাণীর বহু প্রতীক্ষিত এইমস-এর উদ্বোধন করলেন মোদি

    AIIMS: খুশির খবর, কল্যাণীর বহু প্রতীক্ষিত এইমস-এর উদ্বোধন করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে চালু হল নদিয়ার কল্যাণী এইমস (AIIMS) হাসপাতাল। পূর্ব ভারতের লক্ষ লক্ষ মানুষের চিকিৎসা পরিষেবার অন্যতম প্রতিষ্ঠান হতে চলেছে এই হাসপাতাল। রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাটের রাজকোট থেকে পশ্চিমবঙ্গের কল্যাণী সহ দেশের মোট পাঁচটি অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স (এইমস) হাসপাতাল জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করলেন। কল্যাণী এইমস হাসপাতালে আজ থেকেই শুরু হয়ে গেল ইনডোর পরিষেবা। প্রধানমন্ত্রী এদিন কল্যাণী ছাড়াও রাজকোট, মঙ্গলাগিরি, ভাতিন্ডা এবং রাইবেরেলি এইমস হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কী বললেন? (AIIMS)

     কল্যাণী এইমস (AIIMS) হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ ও জলপথ পরিবহণ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার, জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক, সংখ্যালঘু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা প্রমুখ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল তাঁর ভাষণে স্বাস্থ্য এবং আয়ুষ মন্ত্রকের সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, এ পর্যন্ত সারা দেশ জুড়ে ২৩টি এইমস হাসপাতাল গড়ে তোলা হয়েছে। এই হাসপাতাল থেকে দেশের কোটি কোটি মানুষ পরিষেবা পাচ্ছেন। নতুন পাঁচটি হাসপাতাল থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাবেন।

    রোগীর পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস কেন্দ্রীয় সরকারের আত্মনির্ভর ভারত, আয়ুষ্মান ভারত, দীক্ষিত ভারতের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করেন। ১৭৫৪ কোটি টাকা খরচ করে ১৭৯.৮২ একর জমির ওপর ৯৬০ শয্যার কল্যাণী এইমস (AIIMS) হাসপাতাল গড়ে উঠেছে। ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারি থেকে এই হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা চালু হয়। বর্তমানে ৪৫০টি শয্যার পরিষেবা চালু হচ্ছে। চিকিৎসার পাশাপাশি এখানে মেডিক্যাল ও নার্সিং পড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। জানা গিয়েছে, আউটডোর বিভাগে পূর্ব ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার মানুষ এই হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে আসেন। রোগীর পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, ইনডোর পরিষেবা চালু হওয়ার ফলে আর বাইরে যেতে হবে না। কল্যাণীর এই হাসপাতাল থেরে মিলবে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suhani Bhatnagar: মাত্র ১৯ বছরে প্রয়াত ‘দঙ্গল’ খ্যাত অভিনেত্রী সুহানি ভাটনাগর

    Suhani Bhatnagar: মাত্র ১৯ বছরে প্রয়াত ‘দঙ্গল’ খ্যাত অভিনেত্রী সুহানি ভাটনাগর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ১৯ বছরে প্রয়াত ‘দঙ্গল’ খ্যাত অভিনেত্রী সুহানি ভাটনাগর (Suhani Bhatnagar)। শনিবার এই খবরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় দেশজুড়ে। অনেকেই ভাবেন ভুল চিকিৎসার কারণে এই মৃত্যু। এমন প্রশ্ন তৈরি হয়। তবে এর উত্তর মিলেছে সুহানির বাবা সুমিত ভাটনাগরের কথায়।

    বিরল রোগে আক্রান্ত ছিলেন সুহানি

    এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সামনে সুমিত জানিয়েছেন, ডার্মাটোমায়োসাইটিস নামের রোগের চিকিৎসা চলছিল ১৯ বছরের অভিনেত্রীর (Suhani Bhatnagar)। এটি এক ধরনের বিরল রোগ। যা ত্বক, মাসল, ফুসফুস-সহ শরীরের একাধিক অঙ্গকে প্রভাবিত করতে পারে বলেই জানা গিয়েছে। সুমিত জানান, মাস দুয়েক আগে সুহানির দুই হাত ফুলতে শুরু করেছিল। সেই সময় তাঁকে স্টেরয়েড দেওয়া হয়েছিল। কারণ তাঁর ক্ষেত্রে নাকি এটিই একমাত্র ওষুধ ছিল।

    স্টেরয়েডের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় সুহানির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়

    সুহানির (Suhani Bhatnagar) পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্টেরয়েডের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ায় সুহানির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভীষণভাবে প্রভাবিত হয়েছিল। তাঁর ফুসফুস দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে জলও জমে গিয়েছিল। সেই কারণেই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। গত ১০ দিন ধরে এইমসে ভর্তি ছিলেন ১৯ বছরের তরুণী। শুক্রবার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। হরিয়ানার মেয়ে সুহানি। সেখানেই তাঁর শেষকৃত্য হয়।

    ‘দঙ্গল’ সিনেমা প্রয়াত অভিনেত্রীকে প্রচারের আলোয় নিয়ে আসে

    আমির খানের ‘দঙ্গল’ সিনেমায় কুস্তিগীর ববিতা ফোগাটের ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সুহানি। সেই সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৪। প্রথম ছবিতেই মেলে  সাফল্য। এর আগে একাধিক বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছিলেন সুহানি। তবে ‘দঙ্গল’-এর পর খ্যাতি পান তিনি। ‘দঙ্গল’-এর সাফল্যের পর একাধিক কাজের অফার পেয়েছিলেন সুহানি (Suhani Bhatnagar)। কিন্তু সেই সময় পড়াশোনায় মন দেন তিনি। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, আগে নিজের পড়াশোনা ভালোভাবে শেষ করতে চান। তার পর আবার অভিনয় জগতে ফিরতে চান। কিন্তু তা আর হল না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    Nadia: এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেফতার এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কল্যাণী এইমসে সরকারি চাকরি দেওয়ার নাম করে শ’দুয়েক লোকের সঙ্গে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত প্রতারকের নাম বলরাম দাস। বাড়ি নদিয়ার রানাঘাটের (Nadia) আনুলিয়ায়। আজ মঙ্গলবার তাকে রানাঘাট আদালতে তোলা হয় এরপর ধৃত প্রতারককে আট দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা দেওয়া হয়েছিল

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে হাঁসখালি (Nadia) থানার পাখিউড়া গ্রামের বাসিন্দা অভিজিৎ বিশ্বাস থানায় এসে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “আমি ছাড়াও এলাকায় আরও অনেক মানুষ এইমসে চাকরির জন্য টাকা দিয়েছিলেন। অভিজিৎ দাস এবং রাজু গুপ্ত নামক দুই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দেওয়ার কথা বলেন। এই দুই ব্যক্তির নম্বর থানায় জানানো হয়েছে। তাদের জেরা করলে বলরাম সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। রামনগর বড়চুপরিয়া ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা তৃণমূল নেতা যামিনী মুন্ডারি সকলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।”

    পুলিশের বক্তব্য

    নদিয়া পুলিশ (Nadia) প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে, সম্প্রতি একটি ফেসবুক পেজ খুলে তাতে বিজ্ঞাপন দিয়ে এইমসে সরকারি পদে করণিক নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এরপর বলা হয় অনলাইনে আবেদন এবং পরীক্ষা হবে। তবে এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান নিজে সকলকে চাকরির সুযোগের কথা জানান। এরপর ৪৫২ টাকা দিয়ে লোকজন ফর্ম ফিলাপ করে। এরপর তন্ময় দাস নামক এক এইমসে কর্মরত ব্যক্তি পরিচয় দিয়ে পাশের খবর দেয়। এরপর নানা ডাক্তারি পরীক্ষার কথা বলে সাড়ে ১২ হাজার টাকা নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে বলা হয় ২৮ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে। এরপর অনলাইনে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। ৩ ফেব্রুয়ারি কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়। কিন্তু অনলাইনে যে গেট পাস এবং আইডি পাঠানো হয়েছিল তা এইমসে নিয়ে কাজে যোগদান করতে গেলে কাউকেই আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর সন্দেহ শুরু হয় এবং পরে বোঝা যায় সকলেই প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এরপর হাঁসখালি থানায় অভিযোগ জানানো হয়। এই ঘটনায় বলরাম একজন মিডলম্যন।

    পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় পঞ্চায়েত (Nadia) প্রধান যামিনী মুন্ডারি বলেন, “আমি পাঠিয়েছিলাম, কিন্তু টাকা দিতে বারণ করেছিলাম। ওরা নিজেরাই লোভে পড়ে টাকা দিয়েছে। টাকা দেওয়ার কথা শুনে আমি এইমসে গিয়ে খোঁজ নিয়েছি।” পাশপাশি এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরও দুজনের খোঁজ করা চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • AIIMS: দিল্লি এইমসে ডায়ালিসিস চলা রোগীর শরীরে সফল জোড়া কিডনি প্রতিস্থাপন

    AIIMS: দিল্লি এইমসে ডায়ালিসিস চলা রোগীর শরীরে সফল জোড়া কিডনি প্রতিস্থাপন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোগীর ডায়ালিসিস চলছে। বিকল হয়ে গিয়েছে দুটি কিডনিই। পরিবারের লোকজন যখন বাঁচার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছেন, তখন ভগবানের দূত রূপে হাজির দিল্লি এইমসের (AIIMS) চিকিৎসকরা। ডায়ালিসিস চলাকালীনই ওই রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হল দুটি কিডনিই।

    এইমসের সাফল্য (AIIMS) 

    এইমসের সার্জিক্যাল ডিসিপ্লিনের চিকিৎসক এবং নেফ্রোলজি ডিপার্টমেন্টের যৌথ প্রচেষ্টায় সফল হয়েছে অস্ত্রোপচার। এঁদের সঙ্গে কোলাবরেশন ছিল অর্গান রিট্রিভাল ব্যাঙ্কিং অর্গানাইজেশনের। কিডনিদাতা ৭৮ বছরের এক মহিলা। ডিসেম্বরের ১৯ তারিখে এইমসের ট্রমা সেন্টারে মাথায় একাধিক আঘাত নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন ওই বৃদ্ধা। পরে তাঁর ব্রেন ডেথ হয়। হাসপাতালের (AIIMS) সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক আসুরি কৃষ্ণ বলেন, “ওই বৃদ্ধার পরিবার অঙ্গদানের বিষয়ে সম্মতি দেন।” তিনি বলেন, “চ্যালেঞ্জ ছিল দাতার বয়স। তাঁর একটি কিডনি ডায়ালিসিস চলা কোনও একজন রোগীর শরীরে যথেষ্ট নয়। তাই সিদ্ধান্ত হয়, ওঁর দুটি কিডনিই প্রতিস্থাপন করা হবে একজন রোগীর শরীরে। যাঁর শরীরে কিডনি দুটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে তাঁর বয়স ৫১। তাঁর জরুরি ভিত্তিতে একটা কিডনির প্রয়োজন ছিল। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর অস্ত্রোপচার হয়। রোগীর উন্নতি হওয়ায় এতদিন পরে আমরা বিষয়টি জানাচ্ছি সংবাদ মাধ্যমে।”

    কী বলছেন চিকিৎসক?

    তিনি জানান, ওই রোগীর শরীরের ডান দিকেই প্রতিস্থাপন করা হয়েছে দুটি কিডনি, একটির ওপর আর একটি। অস্ত্রোপচারটি যে খুবই জটিল ছিল, তাও জানান তিনি। বলেন, “একটি নির্দিষ্ট জায়গার মধ্যেই দুটি কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হয়েছে। সচরাচর একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। এক্ষেত্রে করা হয়েছে দুটি, তাও আবার একই জায়গায়। অস্ত্রোপচারের পর রোগীর দ্রুত উন্নতি হচ্ছে। তাঁর দুটি কিডনিই ঠিকঠাক কাজ করছে।”

    আরও পড়ুুন: ‘কাচের ঘরে বসে ঢিল মারার দরকার নেই’, অভিষেককে তোপ শুভেন্দুর

    আসুরি কৃষ্ণ বলেন, “নির্দিষ্ট সম্পদ ব্যবহার করে এই অসাধ্য সাধন হয়েছে। দেশে অঙ্গের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে যে ফারাক রয়েছে, বয়স্ক কোনও দাতার কাছ থেকে সেগুলি পাওয়া গেলে সমস্যা অনেকটাই মেটে। অথচ ওই অঙ্গগুলি ব্রেন ডেথ হওয়া রোগীর শরীরে থাকলে নষ্ট হয়ে যেত।” জানা গিয়েছে, অপারেশনের তিন সপ্তাহের মধ্যেই ওই রোগীকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তার পর থেকে তাঁর ওপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে (AIIMS)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Nepal President: বুকের সংক্রমণ বেশ জটিল! দিল্লি এইমসে ভর্তি নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল

    Nepal President: বুকের সংক্রমণ বেশ জটিল! দিল্লি এইমসে ভর্তি নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুকের সংক্রমণ আরও জটিল আকার ধারণ করায় নেপালের (Nepal) প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেলকে (Ram Chandra Poudel) দিল্লি নিয়ে আসা হল। বুধবার এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে তুলে কাঠমান্ডু থেকে দিল্লির এইমসে আনা হয়েছে তাঁকে। এক মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট (Nepal President) পাউডেলকে দু’বার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তাই উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে দিল্লিতে (Delhi) আনা হল।

    জটিল সংক্রমণ

    সূত্রের খবর, মঙ্গলবার নেপালের টিইউ টিচিং হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন প্রেসিডেন্ট পাউডেল (Nepal President)। কিন্তু সেখানে তাঁর বুকে জটিল সংক্রমণ পাওয়া যায়। তারপরেই তাঁকে দিল্লি নিয়ে আসার তোড়জোড় শুরু হয়। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ দিল্লিতে পৌঁছয় নেপালের প্রেসিডেন্টের বিমান অ্যাম্বুল্যান্স। তার পর সেখান থেকে সোজা এইমস। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর ছেলে চিন্তুন এবং আরও কয়েক জন ঘনিষ্ঠ।

    আপাতত দিল্লিতেই চিকিৎসা

    পয়লা এপ্রিল প্রেসিডেন্ট (Nepal President) প্রথম বুকে ব্যথা অনুভব করেন। তৈরি করা হয় একটি মেডিক্যাল টিম। সেই টিম খতিয়ে দেখে প্রেসিডেন্টের শারীরিক অবস্থা। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অসুস্থ প্রেসিডেন্টকে দেখতে আসেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল, উপপ্রধানমন্ত্রী পূর্ণবাহাদুর খাদকা এবং অন্যান্যরা। কিছু দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। যদিও সমস্যা পিছু ছাড়েনি। গত মঙ্গলবার তাঁকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।

    আরও পড়ুন: ভারতের সবথেকে সুখী রাজ্য মিজোরাম! কেন জানেন?

    উল্লেখ্য, নেপালের প্রেসিডেন্টের (Nepal President) শারীরিক অবস্থা নিয়ে মঙ্গলবারই নেপালে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক আয়োজিত হয়েছে। সেখানেই জানানো হয়েছে যে, সেদেশের স্বাস্থ্যসচিব এই চিকিৎসা পদ্ধতির তত্ত্বাবধান করবেন। একটি বিশেষ টিমও গঠিত হয়েছে রাষ্ট্রপতির শারীরিক দেখভালের জন্য। তাঁর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসা নিয়ে পরবর্তীতে কোন পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা স্থির করা হবে টিমের রিপোর্ট আসার পরই। তবে, আপাতত দিল্লিতেই তাঁর চিকিৎসা চলবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • H3N2: করোনার পর নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কী বললেন প্রাক্তন এইমস প্রধান?

    H3N2: করোনার পর নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা, কী বললেন প্রাক্তন এইমস প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পর রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে অ্যাডিনো ভাইরাসের প্রকোপ। এবারে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা (H3N2)। কোভিডের মতই দ্রুত হারে বেড়ে চলেছে ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্তের সংখ্যা। আর এই সংক্রমণের পিছনে রয়েছে H3N2 ভাইরাস। এই ভাইরাস কোভিডের মতই ছড়িয়ে পড়ছে। আর এর জেরেই ভাইরাল ফিভারে কাবু হচ্ছে আট থেকে আশি সকলেই। সর্দি-কাশি ও জ্বরের রোগী দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এ নিয়ে দেশের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারাও চিন্তিত। আইসিইউতে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে এবং স্বাস্থ্য কর্তারা পরীক্ষা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। আর এর থেকে নিস্তার পেতে উপায় দিলেন প্রাক্তন এইমস প্রধান ডা. রণদীপ গুলেরিয়া।

    কী বললেন রণদীপ গুলেরিয়া?

    ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারনাল মেডিসিন অ্যান্ড রেসপিরেটরি অ্যান্ড স্লিপ মেডিসিনের চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন এইমস প্রধান ডা. রণদীপ গুলেরিয়া বলেন, “এই H3N2 ভাইরাসটি প্রতি বছর এই নির্দিষ্ট সময়ে রূপ পরিবর্তন করে। এটিও কোভিডের ন্যায় ড্রপলেটের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আমরা ইনফ্লুয়েঞ্জার কেসের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেতে দেখছি। এর উপসর্গ মূলত জ্বর, গলা ব্যথা, গা হাত পায়ে ব্যথা এবং সর্দি। এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস রূপ পরিবর্তন করে অ্যান্টিজেনিক ড্রিফ্ট তৈরি করছে। ভাইরাসের ক্ষতি করার ক্ষমতাও বেড়েছে। আমাদেরও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়েছে। ফলে ভাইরাল ফিভার দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।”

    আরও পড়ুন:ফের শিশুমৃত্যু! অ্যাডিনো সংক্রমণ রুখতে এবার বড়দের পরামর্শ স্বাস্থ্য দফতরের

    H3N2 প্রতিরোধের উপায় কী?

    দিল্লি এইমস-এর প্রাক্তন প্রধান ডা. রণদীপ গুলেরিয়া জানাচ্ছেন, আবহাওয়ার পরিবর্তন ইনফ্লুয়েঞ্জায় (H3N2) আক্রান্ত হওয়ার একটি প্রধান কারণ। এছাড়া কোভিড-পরবর্তী সময়ে জনগণ আর মাস্ক পরছেন না। ফলে সংক্রমণ বাড়ছে। তাই সংক্রমণ ঠেকাতে কোভিডের মতই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. রণদীপ গুলেরিয়া। তিনি বলেন, “আমাদের বারবার হাত ধোওয়া এবং ভিড় এড়িয়ে চলা উচিত।” বয়স্ক এবং যাঁদের ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি, তাঁদের ভ্যাকসিন নেওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন ডা. গুলেরিয়া।

    কতটা ভয়ঙ্কর এই ভাইরাস?

    ভারতে ইনফ্লুয়েঞ্জা (H3N2) বৃদ্ধি আরও আক্রমনাত্মক ও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, জ্বর সেরে গেলেও কাশি তিন সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে জ্বর ও কাশি সাধারণত পাঁচ থেকে সাত দিন স্থায়ী হয়। আর এই ভাইরাসটি প্রথম থেকেই দ্রুত ছড়াচ্ছে। ফলে এখন থেকেই বিভিন্ন সতর্কতা মেনে চলা উচিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share