Tag: AIMIM

AIMIM

  • Vande Mataram:  তেলঙ্গানা বিধানসভায় ‘বন্দে মাতরম্’ চলাকালীন এআইএমআইএম বিধায়কদের ওয়াকআউট

    Vande Mataram: তেলঙ্গানা বিধানসভায় ‘বন্দে মাতরম্’ চলাকালীন এআইএমআইএম বিধায়কদের ওয়াকআউট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গানার বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার বিধানসভার অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্’ বাজানোর সময় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন (All India Majlis-e-Ittehadul Muslimeen বা AIMIM)-এর বিধায়করা ওয়াকআউট করেন।

    জাতীয় গানের প্রতি সরাসরি অসম্মান

    ১৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া তেলঙ্গানা বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের সূচনায় ‘বন্দে মাতরম্’ বাজানো হয়। সেই সময় কংগ্রেস, ভারত রাষ্ট্রীয় সমিতি (BRS) এবং ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র বিধায়করা দাঁড়িয়ে জাতীয় গানের প্রতি সম্মান জানান। তবে অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন-এর বিধায়করা সেই সময় বিধানসভা কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঞ্জয় কুমার। তিনি সামাজিক মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, “বন্দে মাতরম্ গাওয়ার সময় অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইতেহাদুল মুসলিমিন-এর বিধায়কদের বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যাওয়া লজ্জাজনক। এটি শুধু প্রতিবাদ নয়, জাতীয় গান ও দেশের আত্মার প্রতি সরাসরি অসম্মান। কেন তারা ভারতের প্রতীকগুলির প্রতি অ্যালার্জিক—আজ তা স্পষ্ট হয়ে গেল।”

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশিকা

    এর একদিন আগেই তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ রেবানাথ রেড্ডি হায়দ্রাবাদে এক অনুষ্ঠানে সংখ্যালঘু কল্যাণ দফতরের আয়োজিত রমজানের ইফতার অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ওই অনুষ্ঠানে এআইএমআইএম সভাপতি ও হায়দ্রাবাদের সাংসদ আসাউদ্দিন ওয়েসি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা এবং সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৮ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি নির্দেশিকা জারি করে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম্’-এর ছয় স্তবকের ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ বাজানো বা গাওয়া যেতে পারে। পাশাপাশি ‘বন্দে মাতরম্’ এবং জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’ একসঙ্গে পরিবেশিত হলে আগে ‘বন্দে মাতরম্’ বাজাতে হবে এবং সেই সময় উপস্থিত সবাইকে সম্মানের সঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।

     

     

     

     

  • BJP: তেলঙ্গনার করিমনগর পুরসভার মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদে বিজেপি

    BJP: তেলঙ্গনার করিমনগর পুরসভার মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেলঙ্গনার (Telangana) করিমনগরে মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদ দখল করল বিজেপি (BJP)। ভোট হয়েছিল ১১ ফেব্রুয়ারি। ৩৪ জন কর্পোরেটরের সমর্থনে মেয়র নির্বাচিত হন বিজেপির কর্পোরেটর কোলাগানি শ্রীনিবাস। ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সুনীল রাও। এর আগে নবনির্বাচিত পরিচালন পর্ষদের সদস্যরা করিমনগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ করেন। নির্বাচন আধিকারিক আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। বিশেষ আধিকারিক আরডিও মহেশ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বন্দি সঞ্জয়, মানাকোন্ডুর বিধায়ক এবং এক্স-অফিসিও সদস্য সত্যনারায়ণ।

    কে কত আসন পেয়েছে (BJP)

    মোট আসন সংখ্যা ৬৬। এর মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৩০টি আসন, আর কংগ্রেস (আইএনসি) ১৪টি। বিআরএস ৯টি, নির্দল প্রার্থী ৮টি, এআইএমআইএম ৩টি এবং অল ইন্ডিয়া ফরওয়ার্ড ব্লক ২টি আসন পেয়েছে। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস, বিআরএস, এমআইএম, এআইএফবি সদস্য ও নির্দল প্রার্থীরা যে কোনও প্রকারে কর্পোরেশনের রাশ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত মেয়র পদ দখলের চেষ্টাও চালিয়ে যান। ৬৬ আসনের করিমনগর কর্পোরেশনে বিজেপি সর্বাধিক ৩০টি আসন পেলেও তারা সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করে চেয়ার দখল করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় ছিল (Telangana)।

    মেয়র পদ নিয়ে লড়াই

    এই প্রেক্ষিতে হায়দরাবাদের উপকণ্ঠের একটি রিসর্টে পৃথক শিবির করার কথাও জানা গিয়েছে। মেয়র পদ নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংখ্যার লড়াই চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বিজেপি মেয়রের চেয়ার দখল করে (BJP)। করিমনগরে মেয়র পদ নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বন্দি সঞ্জয় কৌশলগত ভূমিকা নেন। কংগ্রেসের মেয়র প্রার্থী পান ২১টি ভোট। বিআরএস নিরপেক্ষ থাকে। এক্স হ্যান্ডেলে বন্দি সঞ্জয় লিখেছেন, “এটি শুধু একটি রাজনৈতিক বিজয় নয়, এটি আবেগের মুহূর্ত। বহু বছর ধরে নীরবে লালিত এক স্বপ্ন যেন আজ বাস্তবায়িত হয়েছে। যে ওয়ার্ডে মজলিস পার্টির কার্যালয় রয়েছে, সেই ওয়ার্ডেই আমাদের কর্মীরা গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করেছেন। সেই দৃশ্য আমার স্মৃতিতে চিরকাল থাকবে। এটি সাহসের কথা বলে, পরিবর্তনের কথা বলে (Telangana)।”

    বিজেপি জয়ী

    তিনি বলেন, “করিমনগরের মাটিতে গণতন্ত্র দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এটি সম্ভব হয়েছে জনগণের সহযোগিতায়।” তিনি এও বলেন, “প্রতিবেশী দলগুলির সঙ্গে কাবাডি কাপের খেলায় বিজেপি জয়ী হয়েছে (BJP)।” কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে তিনি একাধিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তোলেন। বলেন, “সব কিছু প্রকাশ করা সম্ভব নয়।” করিমনগর পুরসভায় গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, “নির্বাচন পর্যন্তই রাজনীতি। এরপর রাজনীতি পাশে সরিয়ে রাখা উচিত। আমরা করিমনগরের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিলাম। উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা করব। বিজেপি মেয়র থাকার কারণে রাজ্য সরকার যদি অর্থ না দেয়, তবুও আমরা পিছিয়ে আসব না (Telangana)।”

    বিজেপিকে বঞ্চিত করতে ষড়যন্ত্র?

    তাঁর প্রশ্ন, বিআরএস, এমআইএম ও কংগ্রেস জোট বেঁধে কী লাভ করেছে? তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পরেও এই তিন দল মিলে মেয়র নির্বাচনে তাদের হারানোর ষড়যন্ত্র করেছিল (BJP)। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি গারু… মন্ত্রী, বিআরএস এবং এমআইএমকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপিকে মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদ থেকে বঞ্চিত করতে কোনও ষড়যন্ত্রই আপনি বাদ দেননি। কিন্তু বন্দি সঞ্জয়ের রাজনৈতিক কৌশল ও বিজেপি কর্মীদের লড়াকু মনোভাবের সামনে সব ষড়যন্ত্র ভেস্তে গিয়েছে। যেমন ক্রিকেটে পাকিস্তানের বড় জয়, তেমনি করিমনগর পুরসভা নির্বাচনের কাবাডি খেলায় সবাইকে হারিয়ে কাপ জিতেছে বিজেপি।” দলের এই ফলকে করিমনগরে বিজেপির সাংগঠনিক ও নির্বাচনী ভিত্তি সম্প্রসারণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। তেলঙ্গনার রাজনৈতিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত এই শহর ও জেলায় (Telangana) বিজেপির তৃণমূল স্তরে শক্তি সংহতকরণের প্রতিফলন ঘটেছে (BJP)।

     

  • Haj Committee: হজ কমিটি দুর্নীতির আখড়া, অভিযোগ সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসিরও

    Haj Committee: হজ কমিটি দুর্নীতির আখড়া, অভিযোগ সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসিরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে হজ কমিটির (Haj Committee) নামে মারাত্মক অভিযোগ করলেন এআইএমআইএম সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি (Asaduddin Owaisi)। হজ কমিটি দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। অভিযোগ হায়দ্রাবাদের সাংসদের। তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।

    ব্যবস্থাপনাতেও দুর্নীতির অভিযোগ (Asaduddin Owaisi)

    হজ কমিটির (Haj Committee) বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা অনেক দীর্ঘ। অভিযোগ হজ কমিটির বাবুরা হজ যাত্রীদের প্রাইভেট ট্যুর অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে আর্থিক তছরূপের সঙ্গে লিপ্ত। শুধু তাই নয়, হজ কমিটির আধিকারিকদের বিরুদ্ধে নানা সময়ে হজযাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবক সেজে বিনামূল্যে হজ যাত্রা করার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি হজ যাত্রার আগে হজ যাত্রীদের থাকা খাওয়ার জন্য বরাদ্দ অর্থ তছরুপ করার অভিযোগ রয়েছে হজ কমিটির বিরুদ্ধে। হজ কমিটি কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু মন্ত্রকের অধীনে রয়েছে। একদা এই কমিটির হাতে অনেক ক্ষমতা ছিল। মোদি সরকারের আমলে দুর্নীতি হচ্ছে আঁচ করতে পেরে সরকার এই কমিটির ডানা ছেঁটেছে। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যের হজ কমিটি রয়েছে। তারাও একই পথের পথিক বলে অভিযোগ। বিশেষ করে হজ করতে গিয়ে সেখানেও নানান সমস্যায় পড়েন ভারতীয় মুসলিমরা। দুর্নীতির ঘুঘুর বাসা অনেক গভীরে, অভিযোগ হজ যাত্রীদের।

    কংগ্রেস নেতার অভিযোগ (Haj Committee)

    প্রসঙ্গত, গতবছর কংগ্রেস নেতা এবং প্রাক্তন সংখ্যালঘু বিভাগের মন্ত্রী আরিফ নাসিম খান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হজ যাত্রার ব্যবস্থাপনায় বিরাট দুর্নীতি হচ্ছে, এই অভিযোগ জানিয়ে চিঠি লেখেন। এমনকি হজ যাত্রীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ জানান। সূত্রের খবর, প্রাইভেট ট্যুর অপারেটরদের সঙ্গে হজ কমিটির (Haj Committee) অবৈধ আঁতাত থাকে। প্রাইভেট ট্যুর অপারেটররা হজ যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ। সেই টাকার একটা অংশ হজ কমিটির বাবুদের পকেটে যায় বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠেছে। সংসদে এই একই বিষয়ে উপস্থাপন করেছেন আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তিনি (Asaduddin Owaisi) সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এ বিষয়ে তদন্তের দাবি করেছেন।

    আরও পড়ুন: জামাত, ছাত্র শিবিরের মোকাবিলা জঙ্গি সংগঠনের মতোই, কড়া বার্তা শেখ হাসিনার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramdev: ওবিসি নিয়ে বাবা রামদেবের বিতর্কিত মন্তব্য ভাইরাল, কী ব্যাখ্যা দিলেন তিনি?

    Ramdev: ওবিসি নিয়ে বাবা রামদেবের বিতর্কিত মন্তব্য ভাইরাল, কী ব্যাখ্যা দিলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওবিসি সম্প্রদায়কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে ভাইরাল হলেন যোগগুরু বাবা রামদেব (Ramdev)। বিরূপ প্রভাব পড়েছে বুঝতে পেরেই মন্তব্যের বিশ্লেষণ করলেন তিনি। বাবা রামদেব বলেন, “ওবিসি নয়, এআইএমআইএম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসির কথা বলেছি”। অপর দিকে যাঁরা ভিডিও বিনিময় করছেন, তাঁদের উদ্দেশে বলেন সম্পূর্ণ ভিডিও বিনিময় করতে। এই নিয়ে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী বলেছেন রামদেব (Ramdev)?

    কয়েক দিন আগে হরিদ্বারে বাবা রামদেব (Ramdev) একটি অনুষ্ঠানে ওবিসি নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। সমাজের পিছিয়ে পড়া বর্গের মানুষের বিরুদ্ধে ৩০ সেকেন্ডের একটি কথা সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতার ‘মাধ্যম’ যাচাই করেনি। এরপর এই কথা প্রসঙ্গে শনিবার ভুবনেশ্বরে সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “ওবিসি নয় ওয়াইসি। ওঁরা আসলে উল্টো মাথার মানুষ। সব সময় বিরোধিতা করা একটা স্বভাব। ওঁদের পূর্ব পুরুষেরা দেশদ্রোহী। ওঁকে আমাদের গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়। ওবিসি নিয়ে আমার তেমন কোনও বিরোধী বক্তব্য নেই।” প্রসঙ্গ ক্রমে তিনি ওয়াইসিকে আক্রমণ করে আরও বলেন, “মিমের নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ধর্মের নামে ভারতকে ভাগ করার চেষ্টা করে থাকেন। সস্তার রাজনীতি করতে এবং নিজের জনপ্রিয়তা আরও বৃদ্ধি করতে এই ধরনের কাজ করে থাকেন।” এই প্রসঙ্গে যাঁরা বক্তব্যের ভিডিও প্রকাশ করেছেন, তাঁদেরকে সম্পূর্ণ ভিডিও প্রকাশের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। একই ভাবে বলেন, “যাঁরা ভিডিও বিনিময় করছেন, তাঁদের অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত।”

    ওবিসি সমাজের বক্তব্য

    রামদেব (Ramdev) বাবার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ওবিসি সমাজ তীব্রভাবে সমালোচনা করে। রামদেব সমাজের কাছে ভণ্ডামি করেছেন বলে অভিযোগ তোলা হয়। সেই সঙ্গে তাঁর পতঞ্জলির পণ্যসামগ্রী বয়কট করার কথাও বলা হয়। যোগগুরু যাতে সামজের পিছিয়ে থাকা মানুষ হিসেবে ওবিসি সমাজের প্রতি শুভাকাঙ্খী হন, সেই বার্তা দিয়ে সতর্ক করার কথাও বলা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: লখনউ থেকে ৬ দিন হেঁটে অযোধ্যায় পৌঁছে রাম মন্দির দর্শন ৩৫০ মুসলিমের

    Ram Temple: লখনউ থেকে ৬ দিন হেঁটে অযোধ্যায় পৌঁছে রাম মন্দির দর্শন ৩৫০ মুসলিমের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লখনউ থেকে ৬ দিনের পদযাত্রা করে অযোধ্যায় পৌঁছে বালক রামের দর্শন করলেন ৩৫০ জন মুসলিম। তাঁরা রাম মন্দিরে (Ram Temple) পৌঁছে প্রার্থনা করলেন প্রভু রামলালার কাছে। রাষ্ট্রবাদী মুসলিম সংগঠন মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চের (এমআরএম) পক্ষ থেকে এই যাত্রার সূচনা করা হয়েছিল। তাঁদের কাছে এই যাত্রা ছিল দেশের সম্প্রীতি, অখণ্ডতা এবং একতার প্রতীক। একইভাবে, মুম্বই থেকে শবনম শেখ নামের এক মুসলমান ছাত্রী ১৪০০ কিমি পায়ে হেঁটে অযোধ্যায় পৌঁছান। তিনিও দেন রাম নামের বার্তা।

    কী জানাল মুসলিম সংগঠন (Ram Temple)?

    গত ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ram Temple) উদ্বোধন এবং প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গোটা দেশ এখন রাম নামে মেতে উঠেছে। হিন্দু রাম ভক্তদের পাশপাশি মুসলমান রাম ভক্তরাও বালক রামের দর্শনের জন্য অযোধ্যা যাচ্ছেন। আরএসএসের রাষ্ট্রবাদী মুসলিম সংগঠন এমআরএম-এর পক্ষ থেকে মিডিয়া ইনচার্জ শাহিদ সঈদ বলেছেন, “রাষ্ট্রবাদী মুসলমান সংগঠনের পক্ষ থেকে ৩৫০ জন মুসলমান রাম ভক্ত গত জানুয়ারির ২৫ তারিখ থেকে পায়ে হেঁটে লখনউ থেকে অযোধ্যায় যাত্রা সম্পূর্ণ করেছেন। মুখে রাম নাম ‘জয় শ্রী রাম’ নিয়ে এই প্রচণ্ড ঠান্ডার মধ্যে প্রায় ১৫০ কিমি হেঁটে রাম মন্দিরে পৌঁছান তাঁরা। এই দীর্ঘ যাত্রায় প্রতি ২৫ কিমি রাস্তা অতিক্রম করার পর একবার করে বিশ্রাম নিয়েছেন তাঁরা। অত্যন্ত পরিশ্রম করে এই ভগবান রামলালার মন্দির দর্শন এক অনন্য কৃতিত্ব। মুসলমান রাম ভক্তদের এই যাত্রা ছিল সম্প্রীতির যাত্রা। কোনও ধর্ম অপর ধর্মকে হিংসার কথা বলে না। শ্রীরাম হলেন দেশের একাত্মা, একতা, সার্বভৌম এবং সৌহার্দ্য সম্পর্কের প্রতীক।” অপরদিকে মিম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়েইসিকে কটাক্ষও করেন তিনি। তাঁর মতে, মুসলিমদের মধ্যে যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে, তার জন্য দায়ী এই আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মতো নেতারা।

    মুসলিম মহিলা ভক্ত কী বললেন?

    ধর্মীয় সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে শবনম শেখ নামক এক মুসলমান ছাত্রীও রামলালার মন্দিরে (Ram Temple) পৌঁছান। মুম্বই থেকে তিনি প্রায় ১ মাস পদযাত্রা করে রাম মন্দিরে পৌঁছেছেন। প্রথমে হনুমানগড়িতে পুজো দেন। মুখে ছিল তাঁর ‘বন্দেমাতরম’, ‘জয় শ্রী রাম’, ‘এক হি নাড়া এক হি নাম, জয় শ্রী রাম জয় শ্রী রাম’ শ্লোগান। এরপর যান রামলালার দর্শনে। তিনি বলেন, “প্রভু রামের মন্দিরের ৩৫০ জন মুসলমানের উপস্থিতি সারা দেশের মানুষের কাছে বিশেষ বার্তা দিয়েছে।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Hyderabad Killing: “সংবিধান ও ইসলামের বিচারে জঘন্য হত্যা”, হিন্দু যুবক খুনের তীব্র নিন্দা ওয়াইসির

    Hyderabad Killing: “সংবিধান ও ইসলামের বিচারে জঘন্য হত্যা”, হিন্দু যুবক খুনের তীব্র নিন্দা ওয়াইসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দরাবাদে মুসলিম স্ত্রীর ভাইয়ের হাতে হিন্দু দলিত যুবকের হত্যার ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় ও ইসলাম অনুযায়ী ‘জঘন্য অপরাধ’ বলে উল্লেখ করলেন সারা ভারত মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল-মুসলিমিন (AIMIM)-র প্রেসিডেন্ট আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তাঁর মতে, ভাইয়ের অধিকার নেই দলিত ওই যুবককে খুন করার। ঘটনাটিকে তিনি ‘ক্রিমিনাল অ্যাক্ট’ বলে অভিহিত করেছেন।

    ভিনধর্মে বিয়ে করায় নৃশংস ভাবে হিন্দু যুবককে খুন করা হয় হায়দরাবাদে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তোলপাড় হায়দরাবাদ সহ গোটা তেলাঙ্গানা। ভালবেসে মুসলিম সহপাঠীকে বিয়ে করেছিলেন তেলেঙ্গানার সারুরনগর এলাকার হিন্দু দলিত যুবক বিল্লাপুরাম নাগরাজু। বিয়ে হয়েছিল দুই পরিবারের অমতে।

    এলাকার এক মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন বছর ছাব্বিশের বিল্লাপুরাম ও তাঁর বান্ধবী আসরিন সুলতানা। বিয়ের পরে পরেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়ে গা ঢাকা দেন নাগরাজু ও তাঁর স্ত্রী। পাছে হিন্দু স্বামীর কোনও ক্ষতি তাঁর আত্মীয়রা যাতে না করতে পারেন, তাই নাম বদলে সুলতানা হয়ে যান পল্লবী।

    আরও পড়ুন: ভিনধর্মের যুবতীকে বিয়ে, প্রাণ গেল দলিত যুবকের, ধৃত স্ত্রীর ভাই সহ ২

    সম্প্রতি এলাকায় ফেরেন ওই দম্পতি। গাড়ির শোরুমের সেলসম্যানের কাজে যোগ দেন নাগরাজু। এর পরেই রাতের অন্ধকারে বাইকে চড়ে এসে তাঁকে নৃসংশভাবে কুপিয়ে খুন করে দুষ্কৃতীরা। ওই ঘটনায় সুলতানার ভাই সহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    এই ঘটনারই কড়া সমালোচনা করেছেন মিম প্রধান। শুক্রবার সারুরনগরের ঘটনাকে তিনি ‘ক্রিমিনাল অ্যাক্ট’ বলে অভিহিত করেন। শুক্রবার তেলেঙ্গানার এক জনসভা ওয়াইসি বলেন, আমরা সারুরনগরের ঘটনার তীব্র নিন্দা করি। মেয়েটি স্বেচ্ছায় হিন্দু ছেলেটিকে বিয়ে করেছিল। ভাইয়ের কোনও অধিকার নেই বোনের স্বামীকে খুন করার। সংবিধানের বিচারে এটা ক্রিমিনাল অ্যাক্ট। আর ইসলামের বিচারে কদর্য অপরাধ। তিনি বলেন, আমরা খুনিদের পাশে দাঁড়াব না।

    এদিকে, নাগরাজু খুন হওয়ার দু’দিন পরে খুনের ঘটনার রিপোর্ট তলব করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এদিন রাজ্যের মুখ্যসচিব ও তেলাঙ্গানার পুলিশ প্রধানকে চার সপ্তাহের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

LinkedIn
Share