Tag: Airlines

Airlines

  • New Airlines: ছাড়পত্র পেল আরও ৩ নয়া উড়ান সংস্থা, গতি বাড়ছে ভারতের!

    New Airlines: ছাড়পত্র পেল আরও ৩ নয়া উড়ান সংস্থা, গতি বাড়ছে ভারতের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহণ বাজারে নতুন করে প্রতিযোগিতা বাড়তে চলেছে। কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের কাছ (India Clears) থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি)  পেয়েছে দুটি নয়া বিমান সংস্থা। একটি হল আল হিন্দ এয়ার (Al Hind Air) এবং অন্যটি ফ্লাইএক্সপ্রেস (FlyExpress)। উত্তরপ্রদেশভিত্তিক আরও একটি সংস্থা শঙ্খ এয়ার (Shankh Air), যার কাছে ইতিমধ্যেই এনওসি রয়েছে (New Airlines), তারা ২০২৬ সালে বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বর্তমানে হাতে গোণা কয়েকটি বড় সংস্থার দখলে থাকা এই খাতে প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে।

    অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহণ (New Airlines)

    এই অনুমোদনগুলি এমন একটা সময়ে এল, যখন সরকার বিশ্বের দ্রুততম হারে বেড়ে ওঠা অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহণ বাজারগুলির একটিতে অংশগ্রহণের পরিধি বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমানে দেশে মাত্র ন’টি নির্ধারিত অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থা সক্রিয় রয়েছে। গত অক্টোবর মাসে আঞ্চলিক বিমান সংস্থা ফ্লাই বিগ (Fly Big) নির্ধারিত উড়ান স্থগিত করার পর সেই সংখ্যা আরও কমে যায়। আল হিন্দ এয়ারের উদ্যোক্তা কেরলভিত্তিক আলহিন্দ গ্রুপ, আর ফ্লাইএক্সপ্রেস যুক্ত হচ্ছে এমন একাধিক সম্ভাব্য নতুন সংস্থার তালিকায়, যারা এমন একটি বাজারে প্রবেশ করতে চাইছে যেখানে পরিসর (স্কেল) ও ভাড়ার নিয়ন্ত্রণ এখনও মূলত কয়েকটি সংস্থার হাতেই কেন্দ্রীভূত। ইতিমধ্যেই ছাড়পত্র পাওয়া শঙ্খ এয়ার আগামী বছর থেকেই বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করতে পারে বলে অনুমান।

    দ্বৈত আধিপত্য

    এই শিল্পখাতে কার্যত দ্বৈত আধিপত্য গড়ে ওঠা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় নয়া সংস্থার প্রবেশের দাবি আরও জরুরি হয়ে উঠেছে। ইন্ডিগো এবং এয়ার ইন্ডিয়া গ্রুপ, যার মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসও অন্তর্ভুক্ত, এক সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ বিমানবাজারের ৯০ শতাংশেরও বেশি নিয়ন্ত্রণ করছে। শুধু ইন্ডিগোই দখল করে রেখেছে ৬৫ শতাংশেরও বেশি বাজার। এই উদ্বেগগুলি চলতি মাসের শুরুতেই আরও তীব্র হয়ে ওঠে, যখন ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সে বড় ধরনের অপারেশনাল বিপর্যয় দেখা দেয়। এর প্রভাব গোটা নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত সম্প্রসারিত বাজারে একটিমাত্র এয়ারলাইনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার ঝুঁকি প্রকাশ্যে চলে আসে (New Airlines)।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    সিভিল অ্যাভিয়েশন মন্ত্রী কে রামমোহন নায়ডু একটি পোস্টে অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে মন্ত্রক শঙ্খ এয়ার, আল হিন্দ এয়ার এবং ফ্লাইএক্সপ্রেসের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেছেন। উল্লেখ্য যে, যদিও শঙ্খ এয়ার ইতিমধ্যেই তাদের ছাড়পত্র পেয়েছে, অন্য দুটি ক্যারিয়ার এই সপ্তাহে তাদের এনওসি পেয়েছে। তিনি জানান, ভারতীয় বিমান চলাচল যে গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে তা বিবেচনা করে আরও বিমান সংস্থাকে উৎসাহিত করা আমাদের একটি ধারাবাহিক নীতি। তিনি ইউডিএএনের মতো সরকারি প্রকল্পের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যার লক্ষ্য আঞ্চলিক যোগাযোগ আরও উন্নত করা এবং একই সঙ্গে ছোট ক্যারিয়ারগুলিকে পা রাখতে সাহায্য করা। ইউডিএএন প্রকল্পের আওতায় স্টার এয়ার, ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার ও ফ্লাই৯১-এর মতো সংস্থাগুলি কম পরিষেবাপ্রাপ্ত রুটে তাদের পরিষেবা সম্প্রসারিত করেছে। এর মাধ্যমে ছোট শহরগুলিকে জাতীয় বিমান পরিবহণ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মন্ত্রী বলেন, এই খাতে আরও বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা এখনও রয়ে গিয়েছে (India Clears)।

    সর্বশেষ তথ্য

    ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল এভিয়েশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতের নির্ধারিত এয়ারলাইন্সগুলির মধ্যে রয়েছে ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, রাষ্ট্রায়ত্ত অ্যালায়েন্স এয়ার, আকাসা এয়ার, স্পাইসজেট, স্টার এয়ার, ফ্লাই৯১ এবং ইন্ডিয়া ওয়ান এয়ার (New Airlines)। তবে নতুন এয়ারলাইন্সের আগমন অতীতের ব্যর্থতার প্রেক্ষাপটেও ঘটছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জেট এয়ারওয়েজ ও গো ফার্স্টের মতো সংস্থাগুলি ঋণের চাপ ও পরিচালনাগত সমস্যায় জর্জরিত হয়ে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে, যা এই খাতের অস্থিরতা স্পষ্টভাবে তফশিলিভুক্ত ক্যারিয়ারগুলির মধ্যে বর্তমানে ইন্ডিগো, এয়ার ইন্ডিয়া, এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস, রাষ্ট্রায়ত্ত অ্যালায়েন্স এয়ার, আকাসা এয়ার, স্পাইসজেট, স্টার এয়ার, ফ্লাই৯১ এবং ইন্ডিয়াওয়ান এয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

    অতীতের ব্যর্থতার পটভূমিতেও (India Clears) নতুন বিমান সংস্থাগুলির আগমন ঘটে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, জেট এয়ারওয়েজ এবং গো ফার্স্টের মতো ক্যারিয়ারগুলি ঋণ এবং পরিচালনগত চ্যালেঞ্জের কারণে তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়, যা এই খাতের অস্থিরতার বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরে (New Airlines)।

  • Bomb Threats in Airlines: ৪৮ ঘণ্টায় ১০ বার! পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কেন্দ্র

    Bomb Threats in Airlines: ৪৮ ঘণ্টায় ১০ বার! পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক, উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরপর বিমানে বোমাতঙ্ক! ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে বোমাতঙ্ক (Bomb Threats in Airlines) ছড়াল ১০টি বিমানে। যার জেরে বুধবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডেকেছে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক (Civil Aviation Ministry)। তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যুরো অফ সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি। কে বা কারা বিমানে বোমাতঙ্ক ছড়াল, তা এখনও জানা যায়নি। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই বসছে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক।

    বোমা হামলার হুমকি (Bomb Threats in Airlines)

    মঙ্গলবার সাতটি ভারতীয় বিমানে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়। হুমকি পেয়ে কানাডায় জরুরি অবতরণ করে আমেরিকাগামী একটি বিমান। দিল্লি থেকে শিকাগোগামী একটি বিমানকেও হুমকির কারণে জরুরি অবতরণ করানো হয় কানাডায়। এদিনই দুপুরে জয়পুর থেকে বেঙ্গালুরুগামী একটি বিমানেও বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়। বিমানটিকে জরুরি অবতরণ করানো হয় নবনির্মিত অযোধ্যা বিমানবন্দরে। সৌদি আরবের দামাম থেকে লখনউ আসছিল ইন্ডিগোর একটি বিমান। বোমাতঙ্কের জেরে জয়পুরে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি। জরুরি অবতরণ করানো হয় দ্বারভাঙা-মুম্বইগামী এবং শিলিগুড়ি-বেঙ্গালুরুগামী দুটি বিমানকেও।

    জরুরি অবতরণ (Civil Aviation Ministry) 

    মঙ্গলের আগে সোমবারও বোমা হামলার হুমকি (Bomb Threats in Airlines) পেয়েছিলেন তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানের কর্তারা। প্রতিটি ক্ষেত্রেই বিমানগুলিকে জরুরি অবতরণ করিয়ে খানাতল্লাশি করানো হয়। তবে কোনও ক্ষেত্রেই কিছুই মেলেনি। অতীতেও বেশ কয়েকবার বিমানে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকি দেওয়া হয়েছে হাসপাতাল এবং ট্রেনেও। তবে প্রায় সব ক্ষেত্রেই সেই সব হুমকিই ভুয়ো বলে চিহ্নিত হয়েছে। সোম-মঙ্গলের হুমকিকে হালকাভাবে নিতে রাজি নয় বিমান নিরাপত্তা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: মানববন্ধনে মন্ত্রীর গাড়ি, সুজিতের গাড়িতে চড়থাপ্পড় উত্তেজিত জনতার

    এক্স হ্যান্ডেলের মাধ্যমেই বোমাতঙ্ক ছড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক তদন্তকারী অফিসার। তিনি বলেন, “আমরা বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করেছি। সেগুলি বন্ধ করা হয়েছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলি থেকেই বোমা হামলার হুমকি (Bomb Threats in Airlines) দেওয়া হয়েছিল।” তিনি জানান, লন্ডন-সহ কয়েকটি দেশ থেকে এই বার্তা পাঠানো হয়েছে। প্রবীণ এক নিরাপত্তা আধিকারিক বলেন, “যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা আপোশ করতে পারি না। আমরা হুমকি পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্স (Civil Aviation Ministry) ও নিরাপত্তা আধিকারিকদের ইনফর্ম করি, পরবর্তী পদক্ষেপ করতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Airlines Updates: ওয়েব চেক-ইনে অতিরিক্ত টাকা আর নয়, নয়া সিদ্ধান্ত অসামরিক বিমান মন্ত্রকের

    Airlines Updates: ওয়েব চেক-ইনে অতিরিক্ত টাকা আর নয়, নয়া সিদ্ধান্ত অসামরিক বিমান মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাত্রীদের স্বার্থে সক্রিয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। এবার থেকে বিমানবন্দরে ওয়েব চেক-ইন করার জন্য অতিরিক্ত টাকা গুনতে হবে না যাত্রীদের। বৃহস্পতিবার বিমান পরিবহণ মন্ত্রক (Ministry) থেকে এয়ারলাইন্সগুলিকে এই অনুরোধ করা হয়েছে। এর আগে এই পরিষেবার জন্য প্রত্যেক যাত্রীর কাছ থেকে ২০০ টাকা ফি নিত এয়ারলাইন্স (Airlines) কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: শপথ নিলেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী, জানেন কি দীনেশ গুণবর্ধনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক

    বিমানের জ্বালানির দাম বৃদ্ধির কারণে একধাক্কায় বিমানের টিকিটের দাম বেড়ে গিয়েছিল। তবে সম্প্রতি দাম কমেছে জ্বালানির। ফলে বিমানে যাতায়াতে খরচ কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার অসামরিক বিমান মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, চেক-ইন কাউন্টারে বোর্ডিং পাস দেওয়ার সময় অতিরিক্ত কোনও চার্জ বসানো যাবে না। বর্তমানে ভারতের সর্ববৃহৎ এয়ারলাইন ইন্ডিগো চেক-ইন কাউন্টারে বোর্ডিং পাস ইস্যু করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চার্জ নেয়। এদিন মন্ত্রকের তরফে ট্যুইটে জানানো হয়েছে, ‘কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান মন্ত্রকের নজরে এসেছে যে, কিছু এয়ারলাইন যাত্রীদের বোর্ডিং পাস দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত টাকা চার্জ করছে।’

    আরও পড়ুন: ১৩টি বিয়ে করলেন অন্ধ্রপ্রদেশের যুবক! এরপর যা হল…

    ট্যুইটে আরও জানানো হয়,এয়ারক্রাফ্ট নিয়ম, ১৯৩৭ অনুযায়ী এই চার্জ নেওয়া যায় না। উল্লেখ্য, বিমানে কোনও জায়গায় যাত্রা করার আগে টিকিট করার পরে ওয়েব চেক-ইন করাতে হয় যাত্রীদের। কিন্তু সেই ওয়েব চেক-ইন করা না থাকলে কিছু এয়ারলাইন অতিরিক্ত ২০০ টাকা চার্জ করছে।কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান মন্ত্রকের তরফে এদিন জানানো হয়েছে, ওয়েব চেক ইন করা না থাকলে বিমান বন্দরের মধ্যে চেক-ইন কাউন্টারে বোর্ডিং পাস ইস্যু করার ক্ষেত্রে কোনও চার্জ নেওয়া যাবে না। তবে, এই সুবিধা কেবল অর্ন্তদেশীয় বিমান পরিষেবায় মিলবে বলে সরকারি তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের এই নির্দেশে খুশির হাওয়া বিমান যাত্রীদের মধ্যে। এই নির্দেশে বিমান সংস্থাগুলি সতর্ক হতে পারে, বলে আশা করছেন সাধারণ যাত্রীরা। 

LinkedIn
Share