Tag: AirPort

AirPort

  • New Airports in West Bengal: উড়ান প্রকল্পে রাজ্যে আরও চার নতুন বিমানবন্দর, কেন্দ্রকে কলকাতা-লন্ডন সরাসরি বিমানের অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর

    New Airports in West Bengal: উড়ান প্রকল্পে রাজ্যে আরও চার নতুন বিমানবন্দর, কেন্দ্রকে কলকাতা-লন্ডন সরাসরি বিমানের অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও বিস্তৃত করতে কেন্দ্রের উড়ান প্রকল্পে চারটি নতুন বিমানবন্দর (New Airports in West Bengal) তৈরি করতে উদ্যোগী হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সোমবার নবান্ন সভাঘরে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক, এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া এবং রাজ্যের পরিবহণ দফতরের মধ্যে এই মর্মে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় বিমানমন্ত্রী কিনজারাপ্পু রামমোহন নায়ডু জানান, দু’বছরের মধ্যে এই চার এয়ারপোর্ট — পুরুলিয়ার ছড়রা, বালুরঘাট এবং বায়ুসেনার অধীনে কলাইকুন্ডা ও হাসিমারা থেকে প্যাসেঞ্জার ফ্লাইট যাতায়াত শুরু হবে। নায়ডুর কাছে কলকাতা–লন্ডন এবং ইউরোপের অন্যান্য শহরে সরাসরি উড়ান চালুর অনুরোধ জানান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    রাজ্যের চার প্রান্তে চার বন্দর

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, গত কয়েক বছরে এ রাজ্যে এয়ারপোর্টের সংখ্যা বাড়েনি। নতুন সরকার আসার পরে দ্রুত গতিতে সেই কাজ এগোচ্ছে। শুভেন্দু জানান, আলিপুরদুয়ারের হাসিমারা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডায় রানওয়ে আছে। সেখান থেকে বায়ুসেনার বিমান নিয়মিত ওঠানামা করে। মুখ্যমন্ত্রী জানান ওখান থেকে বোয়িং এবং এয়ারবাস-এর বিমান স্বচ্ছন্দে ওঠানামা করতে পারে। শুধু টার্মিনাল বিল্ডিং এবং অন্যান্য পরিকাঠামো তৈরির জন্য হাসিমারা ও কলাইকুন্ডায় ২৫ এবং ৩৭ একর জমি হস্তান্তর করেছে রাজ্য। সেনা প্রয়োজনীয় অনুমতি দিয়েছে। বালুরঘাটে এখন ছোট বিমান ওঠানামা করতে পারে। সেখানে পরিকাঠামো বাড়ানো হবে। পুরুলিয়ায় ছড়রায় শূন্য থেকে নতুন বিমানবন্দর তৈরি হবে।

    সাধারণের জন্য সরাসরি লন্ডন

    একটা সময়ে কলকাতা থেকে ইউরোপের একাধিক শহরে সরাসরি বিমান যোগাযোগ ছিল। রাজ্যের বক্তব্য, কলকাতাকে পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান বিমান যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী করতে আন্তর্জাতিক রুট বাড়ানো প্রয়োজন। কলকাতা থেকে সরাসরি ইউরোপের অন্যান্য শহরেরও ফ্লাইট নেই। কলকাতা থেকে ডোমেস্টিক ফ্লাইটের সংখ্যাও কম। এদিন শুভেন্দু রামমোহন নায়ডুর হাতে একটি আবেদনপত্র তুলে দিয়ে লন্ডন এবং ইউরোপে সরাসরি ফ্লাইট চালুর আবেদন জানান। নায়ডু বলেন, ‘আমি মুখ্যমন্ত্রীর অনুরোধ মতো ইউরোপে ডাইরেক্ট ফ্লাইটের জন্য বিভিন্ন এয়ারলাইন্সকে অনুরোধ করব।’

    কলকাতার দ্বিতীয় এয়ারপোর্ট

    কলকাতা থেকে প্রধানত ডোমেস্টিক সেক্টরে নিয়মিত যাত্রী বাড়ছে। বর্তমান টার্মিনালের ধারণ ক্ষমতা আর কয়েক বছরের মধ্যে নিঃশেষিত হওয়ার কথা। প্রয়োজন শহরের ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে দ্বিতীয় বিকল্প বিমানবন্দর। শুভেন্দু সোমবার বলেন, ‘আগের বিমানমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে জমি চেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি জানিয়েছিলেন জমি দেওয়া যাবে না। আমরা কল্যাণীতে জমি চিহ্নিত করেছি। সেই জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়ার পাশাপাশি, মাটি পরীক্ষা-সহ সবরকম কাজ চলছে। আশা করছি খুব শিগগিরই সেই জমি তৈরি হয়ে যাবে।’ কল্যাণীতে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর তৈরির জন্য প্রায় ২০০০ একর জমি চিহ্নিত করেছে রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জানান, বাংলায় একাধিক বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর জন্য রাজ্যকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবে কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানবন্দরের জমি নিয়ে জটিলতা কাটাতে ও পরিকাঠামো উন্নয়নে রাজ্যের সঙ্গে কাজ করার বার্তা দেন তিনি। মন্ত্রী জানান, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ে বিমানবন্দর উন্নয়নের কাজ হবে। রানওয়ে সংস্কার, টার্মিনাল বিল্ডিংয়ে নজর দেওয়া হবে। বিমানবন্দরের প্রযুক্তিগত দিক দেখবে কেন্দ্রীয় সরকার।

    উড়ান-২ প্রকল্পে যুক্ত হলো পশ্চিমবঙ্গ

    উড়ান (উড়ে দেশ কা আম নাগরিক)– ২.০ প্রকল্পে যুক্ত হলো পশ্চিমবঙ্গ। বালুরঘাট, হাসিমারা–সহ রাজ্যের ছোট বিমানবন্দর থেকে এই প্রকল্পে ফ্লাইট চালালে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্র। আশা করা হচ্ছে, ওই প্রকল্পের সুবিধে নিয়ে রাজ্যের ছোট বিমানবন্দর থেকে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স ফ্লাইট চালাবে। ২০১৬ সালে চালু হয় কেন্দ্রের উড়ান প্রকল্প। লক্ষ্য ছিল দেশের ছোট শহর ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিমান যোগাযোগ বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে বিমানযাত্রা নিয়ে আসা। পশ্চিমবঙ্গও এই প্রকল্পের আওতায় একাধিক বিমানবন্দর তৈরিতে উদ্যোগী হয়। হাসিমারা ও কলাইকুন্ডায় বিমানবন্দর তৈরির জন্য অতিরিক্ত জমির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আগে কেন্দ্র-রাজ্য টানাপড়েন ছিল। বর্তমান সরকারের দাবি, রাজনৈতিক পালাবদলের পরে ওই দুই জায়গায় প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত জমির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বালুরঘাট ও পুরুলিয়াতেও জমির ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, প্রস্তাবিত বিমানবন্দরগুলিতে উড়ান প্রকল্পের আওতায় ৭২ আসনের বিমান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রস্তাবিত বিমানবন্দরগুলির গুরুত্ব

    প্রস্তাবিত বিমানবন্দরগুলির ফলে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং দক্ষিণবঙ্গের শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে কলকাতা ও দেশের অন্যান্য প্রান্তের যোগাযোগ সহজ হবে। শিল্প, পর্যটন এবং বাণিজ্যের প্রসারেও এই বিমানবন্দরগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করছে নবান্ন। নবান্নের আধিকারিকদের একাংশের মতে, শুধু যাত্রী পরিষেবা নয়, নতুন বিমানবন্দরগুলি পণ্য পরিবহণের ক্ষেত্রেও সম্ভাবনার দরজা খুলবে। কৃষিজাত পণ্য, চা, ফুল, হস্তশিল্প এবং শিল্পপণ্যের দ্রুত পরিবহণে আঞ্চলিক বিমান পরিষেবা কার্যকর হতে পারে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে কলকাতা ও দেশের অন্যান্য বাণিজ্যকেন্দ্রের যোগাযোগ বাড়লে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে। পর্যটনের ক্ষেত্রেও হাসিমারা, পুরুলিয়ার মতো এলাকার গুরুত্ব রয়েছে। ফলে উড়ান প্রকল্পের এই পর্বকে রাজ্যের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিকাঠামো সম্প্রসারণের অংশ হিসেবেই দেখছে প্রশাসন।

  • Pokhara Airport: পোখরা বিমানবন্দর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    Pokhara Airport: পোখরা বিমানবন্দর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের দুর্নীতি তদন্ত কমিশন চিনের অর্থে নির্মিত পোখরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগে ৫৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করল দুর্নীতির মামলা (China Nepal)। অভিযুক্তদের মধ্যে পাঁচজন প্রাক্তন মন্ত্রীও রয়েছেন। রবিবার বিশেষ আদালতে দায়ের করা এই মামলা নেপালের পদস্থ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্তাদের বিরুদ্ধে বৃহত্তম দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে (Pokhara Airport)।

    দুর্নীতি তদন্ত কমিশনের বক্তব্য (Pokhara Airport)

    দুর্নীতি তদন্ত কমিশনের সহকারি মুখপাত্র গণেশ বহাদুর অধিকারীর মতে, অভিযুক্তরা বিমানবন্দর তৈরির সময় চিনের দেওয়া সফট লোনের আওতায় প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ করা ৮.৩৬ বিলিয়ন নেপালি রুপি আত্মসাৎ করেছেন। প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ব্যয়, চুক্তি-প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (BRI) অধীনে চিনা প্রতিষ্ঠানের ঋণনির্ভর পরিকাঠামো চাপিয়ে দেওয়ার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

    কাঠগড়ায় যাঁরা

    যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তাঁরা হলেন প্রাক্তন মন্ত্রী রাম শরণ মহাত, ভীম প্রসাদ আচার্য, প্রয়াত পোস্ট বহাদুর বোগাটী, রাম কুমার শ্রেষ্ঠা এবং দীপক চন্দ্র আমাত্য। এছাড়াও নেপাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির ১০ জন প্রাক্তন সচিব ও পদস্থ কর্তা, যাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন ডিরেক্টর জেনারেল ত্রিরত্ন মহারজন, রতীশ চন্দ্র লাল সুমন এবং বর্তমান ডিরেক্টর জেনারেল প্রদীপ অধিকারী, এঁদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    চিনা ঠিকাদারি সংস্থা চায়না সিএএমসি ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড এবং এর নেপালে নিযুক্ত প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে। এটি সরকারি পরিকাঠামো প্রকল্পে বিদেশি কোম্পানিগুলির ভূমিকা নিয়ে সিআইএএর নজরদারি আরও (Pokhara Airport) বিস্তৃত হয়েছে বলেই ইঙ্গিত দেয়।

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে উদ্বোধন করা পোখরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্নপূর্ণা সার্কিটের দ্বার। নেপালের পর্যটন খাতে বড় ধরনের অগ্রগতির অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ভাবা হয়েছিল একে। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় দু’বছর পেরিয়ে যাওয়ার পরেও বিমানবন্দরটি কোনও নির্ধারিত আন্তর্জাতিক (China Nepal) যাত্রিবাহী উড়ান পায়নি। এতেই ওঠে নানা প্রশ্ন। বিশ্লেষকদের মতে, নয়া দুর্নীতির অভিযোগ চিন-সমর্থিত নেপালের প্রকল্পগুলির ওপর নজরদারি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, বিশেষ করে যেসব প্রকল্পের সমালোচনা করা হয়েছে অস্বচ্ছ চুক্তি এবং সন্দেহজনক আর্থিক মডেলের জন্য (Pokhara Airport)।

  • Randhir Jaiswal: “অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ”, চিনা দাবি উড়িয়ে ফের জানিয়ে দিল ভারত

    Randhir Jaiswal: “অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ”, চিনা দাবি উড়িয়ে ফের জানিয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং চিন একে বারবার অস্বীকার করলেও কখনও এই সত্য বদলাতে পারবে না। মঙ্গলবার চিনের সাংহাই বিমানবন্দরে হয়রানি করা হয় এক ভারতীয় মহিলাকে। তিনি আদতে অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা হলেও, কর্মসূত্রে থাকেন ব্রিটেনে। সেখান (Randhir Jaiswal) থেকে জাপানে যাওয়ার পথে সাংহাই বিমানবন্দরে (Shanghai Airport) তাঁকে প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বেজিং। যদিও ফের একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে তাদের অবস্থান। জানিয়ে দিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের দ্বারা বেআইনিভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজ্য।

    রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্য (Randhir Jaiswal)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা চিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের দেওয়া বিবৃতি দেখেছি, যা একজন ভারতীয় নাগরিককে অযৌক্তিকভাবে আটক করার বিষয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই মহিলা অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা। তাঁর বৈধ পাসপোর্ট ছিল এবং তিনি জাপানে যাওয়ার পথে সাংহাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ট্রানজিট করছিলেন।” তিনি বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ – এটি একটি স্বয়ংস্পষ্ট সত্য। চিনের পক্ষ থেকে যতই অস্বীকার করা হোক না কেন, এই অখণ্ড বাস্তবতা পরিবর্তিত হবে না।”

    ভিসা-মুক্ত ট্রানজিটের অনুমতি

    তিনি জানান,  ভারত ওই মহিলাকে আটক করার বিষয়ে চিনের কাছে (Randhir Jaiswal) জোরালোভাবে বিষয়টি উত্থাপন করেছে। জয়সওয়ালের মতে, চিন এখনও পর্যন্ত তাদের এই পদক্ষেপের কোনও কারণ জানায়নি। এটি আন্তর্জাতিক বিমান যাত্রা সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়মের বিরোধী। তিনি মনে করিয়ে দেন, চিনের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী সব দেশের যাত্রীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিসা-মুক্ত ট্রানজিটের অনুমতি দেওয়া হয়, এবং এ ক্ষেত্রেও সেই নিয়ম মানা হয়নি।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাংহাই বিমান বন্দরে ট্রানজিট করার সময় পেমা ওয়াংজম থংডক নামের অরুণাচল প্রদেশের এক মহিলাকে আটকে দেওয়া হয়। তাঁর কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও (Randhir Jaiswal), আটকানো হয় তাঁকে। বিমানবন্দরে যেসব চিনা আধিকারিক ছিলেন, তাঁরা পেমাকে বলেছিলেন, তাঁর কাছে রয়েছে ভারতের পাসপোর্ট, চিনের নয়। কারণ অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ। এর (Shanghai Airport) পরেই কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় ভারত। সাফ জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লির অবস্থান।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ! ভারতীয় মহিলাকে হেনস্থা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ! ভারতীয় মহিলাকে হেনস্থা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) চিনের অংশ। এই দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে ড্রাগনের দেশ। তবে শি জিনপিংয়ের দেশের সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই ছিল, আছে এবং থাকবেও (Shanghai Airport)। তবে ভারত এবং চিনের এই দোটানার মধ্যে পড়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হল অরুণাচল প্রদেশের এই মহিলাকে।

    ১৮ ঘণ্টা আটকে, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের (Arunachal Pradesh)

    আদতে অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা ওই মহিলা বর্তমানে থাকেন ব্রিটেনে। ২১ নভেম্বর সাংহাই পুডং বিমানবন্দরে তাঁকে প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। ওই মহিলার নাম প্রেমা ওয়াংজম থংডক। বিমানবন্দরে থাকা কয়েকজন চিনা আধিকারিক দাবি করেন, তাঁর পাসপোর্টটি ভারতীয়। জন্মস্থান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে অরুণাচল প্রদেশের। ওই আধিকারিকরা জানান, এটি অবৈধ। কারণ ওই প্রদেশ চিনের অংশ। খবরটি দ্রুত পৌঁছে যায় ভারতীয় কর্তাদের কানে। সঙ্গে সঙ্গেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তাঁরা। তীব্র প্রতিবাদ জানান চিনা কর্তৃপক্ষের কাছে। সাংহাইয়ে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেটও স্থানীয়ভাবে বিষয়টি উত্থাপন করে এবং প্রেমাকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য দেয়।

    অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা

    প্রেমা অরুণাচল প্রদেশের পশ্চিম কামেং জেলার রূপা এলাকার বাসিন্দা। গত ১৪ বছর ধরে কর্মসূত্রে ব্রিটেনে বসবাস করছেন তিনি। ঘটনার দিন লন্ডন থেকে জাপানে যাচ্ছিলেন তিনি (Arunachal Pradesh)। এর মধ্যে সাংহাই পুডং বিমানবন্দরে তিন ঘণ্টার ট্রানজিট ছিল। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই মহিলা জানান, নিরাপত্তা তল্লাশির সময় চিনা ইমিগ্রেশনের এক আধিকারিক তাঁকে (Shanghai Airport) আলাদা করে ডেকে নেন। তিনি যখন তাঁকে আটকে রাখার কারণ জানতে চান, তখন ওই আধিকারিক জানান যে তাঁর ভারতীয় পাসপোর্ট ‘অবৈধ’। কারণ অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ। প্রেমা বলেন, “আমি যখন তাঁদের প্রশ্ন করতে চেষ্টা করলাম এবং জানতে চাইলাম সমস্যাটা কী, তাঁরা বললেন, ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অংশ নয়’। তাঁরা আমায় উপহাস করতে শুরু করল। তাঁরা বলতে লাগল, ‘তোমার চিনা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা উচিত। তুমি চিনা, ভারতীয় নও’”। তিনি বলেন, “এর আগে আমি কোনও সমস্যা ছাড়াই সাংহাই হয়ে ট্রানজিট করেছি। আমি অনেকক্ষণ আমার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, পারিনি।” ভারতীয় ওই মহিলা বলেন, “লন্ডন থেকে ১২ ঘণ্টা ভ্রমণ করার পর আমায় ১৮ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে রাখা হয় (Arunachal Pradesh)। তারা আমার পাসপোর্ট নিয়ে নেয় এবং আমায় বের হতে দেয়নি। আমি খাবারও পাইনি। চিনে গুগল নেই, তাই কোনও তথ্যও পেতে পারছিলাম না। তারা আমায় জাপানে যেতে দিতে অস্বীকার করেছিল। যদিও আমার বৈধ জাপানি ভিসা ছিল। তারা জোর করে বলে যে আমায় হয় ব্রিটেনে ফিরে যেতে হবে, নয়তো ভারতে যেতে হবে।”

    ওঁদের আচরণ অত্যন্ত অপমানজনক

    প্রেমা বলেন, “ওঁদের আচরণ ছিল অত্যন্ত অপমানজনক এবং সন্দেহজনক, ইমিগ্রেশন স্টাফদের যেমন, তেমনই আচরণ করেছেন এয়ারলাইন স্টাফরাও। আমি সাংহাই এবং বেজিংয়ের ভারতীয় দূতাবাসে ফোন করি। এক ঘণ্টার মধ্যেই (Shanghai Airport) ভারতীয় কর্তারা বিমানবন্দরে এসে আমায় কিছু খাবার দেন। তাঁদের সঙ্গে সমস্যাগুলি নিয়ে কথা বলেন এবং আমায় দেশ থেকে বের হতে সাহায্য করেন। এটি ছিল দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার একটা লড়াই। কিন্তু আমি এখন খুশি যে এখন আমি সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি (Arunachal Pradesh)।”

    ত্রাতার ভূমিকায় ভারতীয় কর্তারা

    জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরে বেশ কয়েক ঘণ্টা আটকে থাকার পর প্রেমা একটি ফোন এবং তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত তিনি ব্রিটেনে থাকা তাঁর বন্ধুদের ফোন করেন। তাঁরা তাঁকে সাংহাইয়ের ভারতীয় কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করাতে সাহায্য করেন। ভারতীয় কনস্যুলেটের কর্তারা এক ঘণ্টার মধ্যে বিমানবন্দরে পৌঁছন এবং তাঁকে সেই পরিস্থিতি থেকে বের হতে সাহায্য করেন। অরুণাচল প্রদেশের ওই মহিলা বলেন, “আমি কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরে, সেখান থেকে ছ’জন কর্তা এক ঘণ্টার মধ্যেই বিমানবন্দরে এসে আমায় খাবার দেন। তাঁরা চেষ্টা করেছিলেন যেন আমায় জাপানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু চিনা আধিকারিকরা তা কোনওভাবেই মানেনি। তাঁরা জোর করেছিলেন যে আমি যেন শুধু চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের মাধ্যমেই দেশ ছাড়ার টিকিট বুক করি। শেষ পর্যন্ত আমি তাইল্যান্ডে ট্রানজিট-সহ ভারতের ফ্লাইট বুক করি, এবং এখন তাইল্যান্ডেই থেকে কাজ করছি।” প্রেমা বলেন, “অনেক বছর ব্রিটেনে থাকার পরেও আমি আমার ভারতীয় পাসপোর্ট (Shanghai Airport) ছাড়িনি। কারণ আমি আমার দেশকে ভালোবাসি এবং নিজের দেশেই বিদেশি হতে চাই না (Arunachal Pradesh)।”

LinkedIn
Share