Tag: akhand bharat

akhand bharat

  • Nepal Polls: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বলেন্দ্র

    Nepal Polls: নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে বলেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র তথা র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া, পেশায় টেকনোলজিস্ট বলেন্দ্র শাহ এখন নেপালের রাজনীতিতে একটি বড় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (RSP) বহু নির্বাচনী এলাকায় প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছে, যার ফলে ৩৫ বছর বয়সী শাহ নেপালের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    বলেন্দ্রর উত্থান (Nepal Polls)

    নেপালে বর্তমানে ভোট গণনা চলছে। গত বৃহস্পতিবার সেখানে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা ছিল জেন জেড আন্দোলনের পর প্রথম নির্বাচন। সেই বিক্ষোভে বহু মানুষ নিহত হয়। ব্যাপক আন্দোলনের জেরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। ভেঙ্গে দেওয়া হয় সংসদ। এই নির্বাচনে পুরনো রাজনৈতিক শক্তিগুলিও রয়েছে, যেমন ওলির কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফাইড মার্কসিস্ট–লেনিনিস্ট) এবং পুষ্প কমল দহলের সিপিএন (মাওবাদী কেন্দ্র)। সমালোচকদের মতে, এই দলগুলি প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতীক, যা ধীরে ধীরে জনসমর্থন হারাচ্ছে। ৩৫ বছর বয়সী বলেন্দ্র ‘ব্যালেন’ শাহ নিজেকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে তরুণ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে উপস্থাপন করেছেন।

    কাঠমান্ডুর প্রথম নির্দল মেয়র

    একসময়ের র‍্যাপার শাহ রাজনীতিতে পরিচিতি পান যখন তিনি কাঠমান্ডুর প্রথম নির্দল (ইন্ডিপেনডেন্ট) মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি ভারতের কর্নাটকের বিশ্বেশ্বরাইয়া টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। নেপালের রাজনীতিতে তিনি উঠে এসেছেন তরুণদের আইকন হিসেবে। তবে ভারতের সম্পর্কে তাঁর কিছু আগের মন্তব্য সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। ২০২৩ সালে তিনি নেপালে ভারতীয় সিনেমা নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানান। তাঁর অভিযোগ, একটি বলিউড চলচ্চিত্রে হিন্দু দেবী সীতাকে ‘ভারতের মেয়ে’ বলা হয়েছে। শাহ এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, “বহু ঐতিহ্য অনুযায়ী সীতার জন্মস্থান বর্তমান নেপাল বা নেপাল–বিহার সীমান্তের কাছাকাছি।”

    ‘গ্রেটার নেপাল’

    একই বছরে তিনি তাঁর কার্যালয়ে ‘গ্রেটার নেপালে’র একটি মানচিত্র প্রদর্শন করে বিতর্ক তৈরি করেন, যেখানে ভারতের কিছু ভূখণ্ডও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তিনি একে ভারতের নতুন সংসদ ভবনে থাকা ‘অখণ্ড ভারত’ মানচিত্রের প্রতীকী জবাব হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এই বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি এমন কিছু বলিনি যার জন্য আমায় ক্ষমা চাইতে হবে। ভারত তাদের সংসদের মানচিত্রকে সাংস্কৃতিক মানচিত্র বলেছে, তাই আমরা ঐতিহাসিক ‘গ্রেটার নেপাল’ মানচিত্র প্রদর্শন করেছি। এতে কারও আপত্তি থাকার কথা নয়।” ২০২৫ সালে তিনি আবারও সমালোচনার মুখে পড়েন, যখন তিনি একটি পোস্ট করেন যাতে ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চিনের বিরুদ্ধে অশালীন শব্দ ব্যবহার করা হয়। পরে সমালোচনার মুখে তিনি সেই পোস্ট মুছে ফেলেন। তবে গত মাসে তিনি তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার থেকে চিন-সম্পৃক্ত দামাক ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রকল্প বাদ দেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ওলির শক্ত ঘাঁটি ঝাপা-৫ এলাকায় অবস্থিত এই প্রকল্পটি চিনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (BRI) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত। এই পদক্ষেপকে ভারতের প্রতি আশ্বাস হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা নিয়ে।

    আরএসপির নির্বাচনী ইশতেহার

    এছাড়া আরএসপির নির্বাচনী ইশতেহারে ভারসাম্যপূর্ণ বিদেশনীতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তুলনামূলকভাবে তরুণ ও বাস্তববাদী নেতা হিসেবে—যিনি ভারতের কর্নাটকে পড়াশোনা করেছেন, শাহ অর্থনৈতিক সহযোগিতা, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং দুর্নীতিবিরোধী সংস্কারকে অগ্রাধিকার দিতে পারেন, যা দুই দেশের সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে পারে। যদিও তিনি কিছু বিআরআই সম্পর্কিত প্রকল্পের বিরোধিতা করেছেন এবং নেপালের রাজনৈতিক অভিজাতদের বেইজিং-ঘনিষ্ঠতার সমালোচনা করেছেন, তবুও শাসন অভিজ্ঞতার অভাবের কারণে তাঁর বিদেশনীতি কিছুটা অনির্দেশ্য হতে পারে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সামগ্রিকভাবে, বলেন্দ্র শাহের নেতৃত্বে একটি সরকার নেপালের ঐতিহ্যগত রাজনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে গিয়ে তরুণদের নেতৃত্বে এক নতুন ও পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ধারা সূচিত করতে পারে।

     

  • Mohan Bhagwat: ‘‘অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে’’, মন্তব্য সঙ্ঘ প্রধানের

    Mohan Bhagwat: ‘‘অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে’’, মন্তব্য সঙ্ঘ প্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অখণ্ড ভারতের ভাবনাও আগামী দিনে সত্যি হবে, বুধবার এমনই মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সর সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। সঙ্ঘ প্রধানের দাবি, অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে আগামী দিনেই। প্রসঙ্গত, নাগপুরে এদিন সঙ্ঘ প্রধান হাজির ছিলেন একটি অনুষ্ঠানে। যেখানে তাঁকে অখণ্ড ভারতের বিষয়ে প্রশ্ন করে একজন ছাত্র। সে বিষয়ে উত্তর দিতে গিয়েই সঙ্ঘ প্রধান অখণ্ড ভারত কবে হবে, তার ব্যাখ্যা দেন।

    কী বললেন সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)?

    বুধবার মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘আমি বলতে পারব না সঠিক কবে অখণ্ড ভারতের নির্মাণ হবে, তবে ভবিষ্যতে তা নিশ্চয়ই হবে। যদি কাজে লেগে থাকা হয়, তাহলে আমরা বৃদ্ধ হওয়ার আগেই স্বপ্নপূরণের সাক্ষী থাকতে পারবো। অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হওয়ার অন্যতম যুক্তি হল যে যারা আমাদের থেকে পৃথক হয়েছিল, তারা এখন উপলব্ধি করছে যে সেটা ভুল ছিল এবং তাদের উপলব্ধি এটাও যে আমাদের ভারতের সঙ্গে পুনরায় থাকা উচিত।’’

    গুয়াহাটিতে দিন কয়েক আগেই সর্বত্র ‘ভারত’ ব্যবহার করতে বলেন মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) 

    প্রসঙ্গত দিন কয়েক আগেই সঙ্ঘ প্রধান (Mohan Bhagwat) মন্তব্য করেছিলেন, ইন্ডিয়ার বদলে আমরা সব জায়গায় ভারত ব্যবহার করব। তাঁর এই বক্তব্যকে নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে শেয়ারও করেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। দিল্লিতে বসতে চলেছে জি-২০ এর শীর্ষ সম্মেলন, সেখানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর নামের নিচে লেখা হয়েছে ‘প্রেসিডেন্ট অফ ভারত’। বিশেষজ্ঞ মহল অবশ্য সঙ্ঘ প্রধানের (Mohan Bhagwat) ভাবনাতেই সিলমোহর দিচ্ছে। তাঁদের যুক্তি, ‘‘ভারত এই নামকরণ অতীতে বিভিন্ন হিন্দু পুরাণে যেমন উল্লেখ রয়েছে, তেমনই ভারতবর্ষের ভাষার বৈচিত্রের মধ্যেও এই নামটা বদলায়নি এবং অনেক প্রাচীন যুগ থেকেই ভারত নামটি প্রচলিত রয়েছে।’’ প্রসঙ্গত দেশের সমস্ত দাসত্বের চিহ্ন মুছে ফেলতে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে মোদি সরকারকে। এবার দেখার  ইন্ডিয়া নাম সরকারিভাবে বদলায় কিনা!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share