Tag: Allahabad HC

Allahabad HC

  • Allahabad HC: শরিয়ত আইন নয়, পকসো ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনই প্রাধান্য পাবে, রায় ইলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Allahabad HC: শরিয়ত আইন নয়, পকসো ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনই প্রাধান্য পাবে, রায় ইলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরিয়ত আইন বা মুসলিম ব্যক্তিগত আইন কখনওই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন (Prohibition of Child Marriage Act, 2006) এবং পকসো আইন (Protection of Children from Sexual Offences Act, 2012)-কে অগ্রাহ্য করতে পারে না। শিশু সুরক্ষা সংক্রান্ত আইনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্প্রতি এক মামলায় এই রায় দিয়েছে ইলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad HC)। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশে বিয়ের ন্যূনতম বয়স সবার জন্য একই। মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৮ বছর এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে ২১ বছর। বিচারপতি জেজে মুনির এবং আচল সচদেব-এর ডিভিশন বেঞ্চ ১ জুলাই ২০২৬ এই রায় দেয়। একইসঙ্গে উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরের কাকোর থানায় দায়ের হওয়া একটি এফআইআর খারিজের আবেদনও আদালত খারিজ করে দেয়।

    কোন মামলার প্রেক্ষাপটে এই রায়

    মামলার সূত্রপাত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ। অভিযোগ, বুলন্দশহরের সুনপেদা বক্সুয়া গ্রামে ১৬ বছরের এক মুসলিম কিশোরীর বিয়ের খবর পেয়ে পুলিশ ও চাইল্ডলাইন কর্মীরা সেখানে পৌঁছে বাল্যবিবাহ (Child Marriage Acts) রুখতে উদ্যোগ নেন। কিশোরীকে অস্থায়ীভাবে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি (CWC)-র সামনে পেশ করার প্রস্তুতি চলছিল। কিন্তু অভিযুক্তরা ওই কিশোরীকে জোর করে ছিনিয়ে নিয়ে যান এবং সরকারি কর্মীদের হুমকি ও বাধা দেন বলে অভিযোগ। পরে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। আবেদনকারীদের দাবি ছিল, মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী কোনও মেয়ে বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছলে, অর্থাৎ সাধারণভাবে ১৫ বছর বয়সের পর, তার বিয়ে বৈধ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, মুসলিম পার্সোনাল ল (শরিয়ত) অ্যাপ্লিকেশন অ্যাক্ট, ১৯৩৭ এবং ইন্ডিয়ান মেজরিটি অ্যাক্ট, ১৮৭৫-এ সেই অবস্থান স্বীকৃত রয়েছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন তাদের ব্যক্তিগত আইনের ওপর প্রাধান্য পায় না।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    অভিযুক্তদের এই যুক্তি সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে হাইকোর্ট জানায়, ব্যক্তিগত আইন কোনওভাবেই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন বা পকসো আইনের বিধানকে খর্ব করতে পারে না। আদালত পর্যবেক্ষণ করে, ১৮ বছরের কম বয়সি কোনও ব্যক্তির সঙ্গে যৌন সম্পর্ক পকসো আইনে অপরাধ। ফলে অপ্রাপ্তবয়স্কদের বিয়ে অনুমোদন করলে তা কার্যত পকসো আইনের লঙ্ঘনকে স্বীকৃতি দেওয়ার সামিল হবে। রায়ে বিচারপতি জেজে মুনির বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের ক্ষেত্রে বিয়ের বৈধ বয়স নির্ধারণ করেছে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন। ধর্মের ভিত্তিতে এর কোনও ব্যতিক্রম হতে পারে না। শরিয়ত আইনে বয়ঃসন্ধিকে বিয়ের উপযুক্ত বয়স হিসেবে ধরা হলেও, তা বর্তমান আইনি কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

    ধর্মীয় আইন পকসো-র ওপরে নয়

    আদালত আরও জানায়, পিসিএমএ (PCMA) এবং পকসো (POCSO)—দুই আইনই জনস্বাস্থ্য, শিশু সুরক্ষা এবং জাতীয় নীতির ভিত্তিতে প্রণীত বিশেষ আইন। তাই কোনও ব্যক্তিগত আইন, প্রথা বা ধর্মীয় রীতিনীতি এই আইনগুলির প্রয়োগে বাধা হতে পারে না। পরবর্তী সময়ে প্রণীত এবং সর্বজনীনভাবে প্রযোজ্য আইন হিসেবে পিসিএমএ-ই কার্যকর হবে। একইসঙ্গে আদালত জানায়, পুলিশ ও চাইল্ডলাইন কর্মীরা আইন অনুযায়ী বাল্যবিবাহ রুখতে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের কাজে বাধা, হামলা ও সরকারি কর্তব্যে বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে প্রাথমিকভাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধের উপাদান রয়েছে। তাই তদন্ত বন্ধ করার কোনও কারণ নেই। আদালত তদন্তের ওপর জারি থাকা অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করে দেয়।

    ব্যক্তিগত আইনের ঊর্ধ্বে নাবালকদের সুরক্ষা

    আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, বিভিন্ন হাইকোর্টে এ বিষয়ে ভিন্নমত থাকলেও ইলাহাবাদ হাইকোর্টের এই রায় শিশু অধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। আদালত স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, ধর্ম বা ব্যক্তিগত আইনের ঊর্ধ্বে রয়েছে নাবালকদের সুরক্ষা এবং দেশের শিশু সুরক্ষা আইন। বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, নাবালিকাদের নিরাপত্তা ও বাল্যবিবাহ রোধে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে প্রশাসনকে। অনেক ক্ষেত্রেই পরিবার নাবালিকা মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিচ্ছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নাবালিকারা নিজেরাই পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করছে বলে অভিযোগ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব ঘটনা পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় না। সন্তান প্রসবের সময় হাসপাতালে বিষয়টি ধরা পড়ে। আদালত জানায়, বাল্যবিবাহের খবর পাওয়া মাত্রই তা আটকাতে হবে। পাশাপাশি বিয়ের পরও যদি কোনও নাবালিকার ঘটনা সামনে আসে, তাহলে সংশ্লিষ্ট স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পকসো ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। তদন্তে কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না।

    বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইন

    ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনটির নানা ধারা ২০০৬ সালে সংশোধন করা হলেও এখনও কিছু ফাঁক রয়ে গিয়েছে বলে আগে বহুবার জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সেই ফাঁকগুলি মেরামতের পাশাপাশি আইন প্রযুক্তকারীদের সঠিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও বলেছে শীর্ষ আদালত। বলা হয়েছে, বাল্যবিবাহের মূল কারণগুলি চিহ্নিত করে তার সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে। ২০০৬ সালের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের ‘মূল ভাবনা’র কথাও সময় বিশেষে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালতের তরফে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের সুরক্ষার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে অপরাধীর শাস্তি শেষ পন্থা হিসেবে অবলম্বন করতে হবে। এমনকী অপ্রাপ্তবয়স্কদের পছন্দের জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার ইচ্ছাও এই আইনের পথে অন্তরায় হতে পারে না। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের পথ রোধ করতে পারে না ব্যক্তি অধিকারের আইন। বাল্যবিবাহের পাশাপাশি নাবালিকাদের বাগ্‌দান বন্ধ করা প্রয়োজনীয়তার কথাও বলে আদালত।

  • Sambhal Masjid: বড় জয় হিন্দুপক্ষের, সম্ভল মসজিদের দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ লেখার অনুমতি হাইকোর্টের

    Sambhal Masjid: বড় জয় হিন্দুপক্ষের, সম্ভল মসজিদের দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ লেখার অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভল জামা মসজিদের (Sambhal Masjid) দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ উল্লেখ করার অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। মুসলিম কমিটি ওই কাঠামোটি সাদা রং করা নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। তার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় মসজিদের দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ শব্দটি লিখে দেওয়ার।

    ‘বিতর্কিত কাঠামোলেখার নির্দেশ (Allahabad High Court)

    মুসলিম কমিটি আপত্তি তোলার পর ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানিয়ে দেয়, তারা এই আপত্তির বিষয়ে উত্তর দেওয়ার জন্য সময় চায়। এর পরেই হিন্দু পক্ষের দাবির ভিত্তিতে হাইকোর্ট মসজিদটির দেওয়ালে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ লেখার নির্দেশ দেয়। ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানিয়েছে, মসজিদের (Sambhal Masjid) রং করার বিষয়ে অন্য পক্ষ তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। তারা এও জানিয়েছে, মসজিদের দেওয়াল রং করার বিষয়ে মুসলিম পক্ষের চাপ সম্পর্কে তারা প্রশ্ন তুলেছে। এর পরেই আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১০ মার্চ।

    হিন্দু পক্ষের দাবি

    এই মসজিদটিকে (Sambhal Masjid) ঘিরে বিতর্ক রয়েছে। হিন্দু পক্ষের দাবি, শাহি জামে মসজিদটি ঐতিহাসিক হরিহর মন্দির ধ্বংস করার পরে নির্মিত হয়েছিল। অনেকের বিশ্বাস, মন্দিরটি এই জায়গায়ই অবস্থিত ছিল। গত বছরের ২৪ নভেম্বর আদালতের নির্দেশে মসজিদে একটি সমীক্ষা হয়। সেই সমীক্ষার পরেই দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ বাঁধে। তাতে চারজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার জেরেই শুরু হয় তদন্ত। হাইকোর্টে এই মামলার শুনানির সময় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ টিম মসজিদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট জমা দেয়। এর আগে আদালত এএসআইকে মসজিদ (Sambhal Masjid) পরিদর্শন করতে এবং তার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছিল।

    প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বর (Allahabad High Court) মাসে উত্তরপ্রদেশের সম্ভল জেলায় ১৯৭৮ সাল থেকে বন্ধ থাকা একটি প্রাচীন মন্দিরের দ্বার খোলা হয়। গোষ্ঠী সংঘর্ষের কারণে মন্দিরটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দ্বার খোলার পর মন্দিরটিতে সকালে আরতিও অনুষ্ঠিত হয়। মন্দিরে ভগবান হনুমানের একটি মূর্তি এবং একটি শিবলিঙ্গ প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।

    মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শাহি জামা মসজিদের (Sambhal Masjid) একদম কাছেই রয়েছে এই মন্দিরটি। প্রশাসন যখন অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযানে নামে সেই সময় এই মন্দিরটি আবিষ্কার করে। স্থানীয়দের দাবি, ১৯৭৮ সালে গোষ্ঠী সংঘর্ষের পর এলাকা ছেড়ে পালান স্থানীয় হিন্দুরা। সেই কারণেই বন্ধ ছিল মন্দিরটি (Allahabad High Court)।

  • Anti Conversion Law: ধর্মান্তরণে জড়িত থাকলেই ব্যবস্থা, রায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Anti Conversion Law: ধর্মান্তরণে জড়িত থাকলেই ব্যবস্থা, রায় এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের (Anti Conversion Law) ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad HC)। রায়ে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক ধর্মান্তরণের ক্ষেত্রে যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, তাঁর খাতাব কিংবা ধর্মীয় পরিচয় যাই হোক না কেন, ‘উত্তরপ্রদেশ প্রোহিবিশন অফ আনলফুল কনভার্সান অফ রিলিজিয়াস অ্যাক্ট, ২০২১’ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণে ব্যবস্থা (Anti Conversion Law)

    আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, জোরপূর্বক ধর্মান্তকরণের ক্ষেত্রে যদি কোনও ফাদার, মওলানা, কর্মকান্দি বা অন্য কোনও খেতাবধারী জড়িত থাকেন, তবে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মওলানা মহম্মদ শানে আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এক যুবতীকে জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করেছিলেন এবং একজন মুসলিম পুরুষের সঙ্গে তাঁর বিবাহ দিয়েছিলেন। পরে গ্রেফতার করা হয় আলমকে। জামিনের আবেদন করেন মওলানা। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই এলাহাবাদ হাইকোর্টের এই নির্দেশ। একই সঙ্গে বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের বেঞ্চ তাঁর জামিনের আবেদনও খারিজ করে দিয়েছে (Anti Conversion Law)।

    ধর্ম পরিবর্তনের স্বাধীনতা

    এর আগে অন্য একটি মামলায় এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানিয়েছিল, ধর্ম পরিবর্তন করার স্বাধীনতা সবারই রয়েছে। কিন্তু সেই ধর্ম পরিবর্তন হতে হবে সমাজের আপত্তি ছাড়া এবং আইনিভাবে।কীভাবে ধাপে ধাপে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে, শুনানিতে তারও একটি রূপরেখা তৈরি করে দিয়েছিলেন বিচারপতি প্রশান্ত কুমার। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ধর্ম পরিবর্তনে সমাজে যাতে আপত্তি না ওঠে, সেটা দেখাও কর্তব্য। এজন্য হলফনামা দাখিলের পরে ধর্ম পরিবর্তনের ইচ্ছের কথা এলাকায় বহুল প্রচারিত কোনও সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানাতে হবে। এতে কোনও জায়গা থেকে আপত্তি না উঠলে তার পরে বিষয়টি গেটেজ নোটিফিকেশন করে চূড়ান্ত করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: অন্যায় করলেও সাত খুন মাফ! সিভিকদের বোনাস বৃদ্ধি করে মন জয়ের চেষ্টা

    আলমের কাজ ধর্মান্তর বিরোধী আইন লঙ্ঘন করেছে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Anti Conversion Law)। যাঁকে ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে বলে আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁকে ভুল বোঝানো, ধর্ম পরিবর্তনে জোর করা, প্রতারণা করা, আনডিউ ইনফ্লুয়েন্স, জবরদস্তি কিংবা প্রলোভন দেখানো হয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই আইনের ২ (১) নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, রিলিজিয়ান কনভার্টার হবেন তিনিই, যিনিই এই ধরনের নিষিদ্ধ উপায়ে ধর্ম পরিবর্তন করাবেন। আদালত (Allahabad HC) দেখেছে, আইনের এই সংজ্ঞায় অনায়াসেই সংজ্ঞায়িত করা যায় আলমকে। এই আইনের বলেই তাঁকে দায়ী করা যায় (Anti Conversion Law)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Muslim Marriage: প্রথম স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব না নিতে পারলে দ্বিতীয় বিয়ে কেন? প্রশ্ন তুলল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    Muslim Marriage: প্রথম স্ত্রী-সন্তানের দায়িত্ব না নিতে পারলে দ্বিতীয় বিয়ে কেন? প্রশ্ন তুলল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোনও মুসলিম পুরুষ মনে করলেই দ্বিতীয়বার বিয়ে করতে পারেন না। কারণ কোরানে বলা হয়েছে যে কোনও ব্যক্তি যদি স্ত্রী-সন্তানদের লালনপালন না করেন তাহলে সে দ্বিতীয়বার বিয়ের জন্য যোগ্য নন। সম্প্রতি একটি মামলার শুনানিতে এই মত জানায় এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। আদালতের তরফে বলা হয়, কোরানে ৪ নম্বর সুরার ৩ নম্বর আয়াতের ধর্মীয় আদেশ অনুসারে বিবাহিত স্ত্রীর সঙ্গে মুসলিম পুরুষদের ন্যায়সঙ্গত আচরণই করতে হবে। একজন মুসলিম পুরুষ যদি তাঁর স্ত্রী ও সন্তানদের লালন-পালন করতে সক্ষম না হন, তাহলে পবিত্র কোরানের উপরোক্ত আদেশ অনুসারে সে অন্য কোনও নারীকে বিয়েও করতে পারবেন না। 

    আরও পড়ুন: বাক-স্বাধীনতা মানে প্রধানমন্ত্রীকে কু-মন্তব্য করা নয়, স্পষ্ট এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    সম্প্রতি এক মুসলিম ব্যক্তি তাঁর প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। প্রথমে তিনি দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকলেও পরে এক বাড়িতেই দুই স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু ওই ব্যক্তির আর্থিক অনটন দেখা দেওয়ায় তিনি প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং তাঁর সন্তানদের ঠিকমতো দেখাশোনা করছেন না বলে অভিযোগ ওঠে। এই অভিযোগে পারিবারিক আদালতের দ্বারস্থ হয় ওই ব্যক্তির প্রথম স্ত্রী। তিনি বিবাহবিচ্ছেদের দাবি জানান। একই সঙ্গে তাঁর সন্তানদের ভরণপোষণের ভার স্বামীকে নিতে হবে বলে দাবি করেন।  এই দাবির বিরোধিতা করে প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে পারিবারিক আদালতে মামলা করেন স্বামী। মামলায় বলেন, খোরপোষ দেওয়ার মতো আর্থিক সঙ্গতি তাঁর নেই। পারিবারিক আদালত তাঁর এই আবেদন মঞ্জুর করেনি। তারাও প্রশ্ন তোলে, আর্থিক সঙ্গতি না থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় বিয়ে তিনি করলেন কেন?

    আরও পড়ুন: তাজমহলের রুদ্ধ ২২ দ্বার খোলা হবে না, জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    পারিবারিক আদালতের এই রায়ের বিরুদ্ধে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। হাইকোর্টও ওই ব্যক্তির আর্জি খারিজ করে দিয়ে কোরানের উদ্ধৃতি থেকে রায় দেন। এলাহাবাদ হাইকোর্টের তরফে বলা হয়েছে, মামলাকারী ওই মুসলিম ব্যক্তি প্রথম স্ত্রীর কাছে সত্য গোপন করে দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছিলেন। যা মিথ্যের সমান। পাশাপাশি এই ধরণের আচরণ তাঁর প্রথম স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণেরও সমতুল্য। আদালত এ প্রসঙ্গে জানায়,যদি এই ঘটনার ক্ষেত্রে প্রথম স্ত্রী তাঁর স্বামীর সঙ্গে থাকতে না চান তাহলে তাঁকে বাধ্য করা যাবে না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 
                                                                 

  • Allahabad HC: “কোরান নিয়ে যদি এমন ভুল দেখান,” ‘আদিপুরুষ’ মামলায় আদালতের ভর্ৎসনা নির্মাতাদের

    Allahabad HC: “কোরান নিয়ে যদি এমন ভুল দেখান,” ‘আদিপুরুষ’ মামলায় আদালতের ভর্ৎসনা নির্মাতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কের অন্ত নেই ‘আদিপুরুষ’ (Adipurush) নিয়ে। ছবির ট্রেলর প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। যা চলছে এখনও। এবার এলাহাবাদ হাইকোর্টে (Allahabad HC) ভর্ৎসনার মুখে পড়লেন আদিপুরুষ নির্মাতারা। মঙ্গলবার উচ্চ আদালতের প্রশ্ন ছিল, কেন তাদের দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধর্মের সহনশীলতার মাত্রা পরীক্ষা করানো হচ্ছে? বুধবার আদালতের পর্যবেক্ষণ, “এই উদ্বেগ কোনও একটি ধর্মের বিষয়ে নয়, সকল ধর্মের বিষয়েই আদালত সমান উদ্বিগ্ন।”

    আদালতের ধর্ম 

    মামলার শুনানি হচ্ছে বিচারপতি রাজেশ সিংহ চৌহান ও বিচারপতি শ্রী প্রকাশ সিংহের বেঞ্চে। এদিন বিচারপতি চৌহান বলেন, “কোরান, বাইবেল এবং অন্যান্য পবিত্র গ্রন্থে আপনাদের হাত দেওয়াই উচিত নয়। এটি কোনও একটি ধর্মের বিষয় নয়। কোনও ধর্মকেই খারাপভাবে দেখানো উচিত নয়। আদালতের কোনও ধর্ম নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে বজায় থাকে, সেটাই আমাদের একমাত্র উদ্বেগের বিষয়।” তিনি বলেন, “কোরানের ওপর একটি ছোট তথ্যচিত্র বানানোর সময়ও যদি ভুল জিনিস দেখান, তাহলে দেখবেন কী হয়। তবে আমি আবারও স্পষ্ট করে বলছি, এটি কোনও ধর্মের বিষয় নয়। দৈবক্রমে এই ক্ষেত্রে সমস্যাটি রামায়ণের সঙ্গে সম্পর্কিত। আদালতের কাছে সব ধর্ম সমান।”

    সম্প্রীতি ভাঙার চেষ্টা!

    ‘আদিপুরুষে’ যেভাবে বিভিন্ন ধর্মীয় চরিত্রদের উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে দেশবাসীর একাংশের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। তার জেরে হয়েছে মামলা। বিচারপতি চৌহান (Allahabad HC) বলেন, “যদি আজ আমরা মুখ বন্ধ করে রাখি তাহলে কী হবে জানেন? এই ঘটনাগুলো দিন দিন বেড়েই চলবে।

    একটি সিনেমায় আমি এমনও দেখেছি, ত্রিশূল হাতে নিয়ে অত্যন্ত হাস্যকরভাবে ছুটে চলেছেন ভগবান শঙ্কর। এখন এগুলো দেখতে হবে? ছবিগুলি ব্যবসাও করছে, নির্মাতারা অর্থ উপার্জন করছেন। এটা হয়েই চলেছে। সম্প্রীতি ভাঙার জন্য কিছু না কিছু করা হচ্ছে। এটা কি রসিকতা?”

    আরও পড়ুুন: সবংয়ে বিজেপির বুথ সভাপতিকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    আদালত জানিয়েছে, যাঁরা ভগবান রাম, লক্ষ্মণ, সীতা ও হনুমানজিকে বিশ্বাস করেন, তাঁরা এই ছবি দেখতে পারবেন না। ছবির নির্মাতাদের হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনেরও কড়া সমালোচনা করেছে হাইকোর্ট (Allahabad HC)। আদালতের কটাক্ষ, “এই ধরনের সংস্কারী লোকজন যদি এমন একটি সিনেমাকে ছাড় দেয়, তবে তারা সত্যিই ধন্য!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Gyanvapi: জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে হিন্দু বিগ্রহে পুজোর অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    Gyanvapi: জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে হিন্দু বিগ্রহে পুজোর অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের অদূরে জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে দেবদেবীর বিগ্রহে পুজোপাঠের অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। এই মর্মে এই দিন মুসলিমদের পক্ষে মামলাকারী অঞ্জুমান মসজিদ কমিটির যাবতীয় আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি জে জে মুনির। প্রসঙ্গত জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে শ্রিঙ্গার গৌরী সহ দেবদেবীর বিগ্রহ পুজো করার আবেদন জানিয়েছিল হিন্দু পক্ষের পাঁচ জন। তাঁরা হলেন, রামপ্রসাদ সিং মহন্ত, শিবপ্রসাদ পান্ডে, লক্ষ্মী দেবী, সীতা সাহু, মঞ্জু ব্যস, রেখা পাঠক। এই আবেদন বারাণসী হাইকোর্টে জানানো হয়েছিল। হিন্দুদের তরফ থেকে করা এই আবেদনকে চ্যালেঞ্জ জানায় মসজিদ কমিটি। সেখানেও পরাস্ত হয় তারা। পরবর্তীকালে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মসজিদ কমিটি কিন্তু বুধবার ৩১ মে তাদের আবেদন খারিজ হয়ে গেল।

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    মামলার খুঁটিনাটি

    ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে পাঁচ জন হিন্দু মহিলা মামলা করেন। তাঁদের দাবি ছিল, জ্ঞানবাপী অজুখানা নামে পরিচিত অংশটিতে বিভিন্ন হিন্দু দেব-দেবীর মূর্তির অস্তিত্ব মূর্তির প্রমাণ মিলেছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে পূজা অর্চনা করতে চান তাঁরা। এবং কার্বন ডেটিং পরীক্ষারও আবেদন জানানো হয়। এই মর্মে গত শুক্রবারই কার্বন ডেটিং এর আবেদন মঞ্জুর করেছে আদালত। হিন্দু পক্ষের যুক্তি ছিল যে জ্ঞানবাপী মসজিদ আসলে বহু পুরনো হিন্দু মন্দির। কিন্তু দ্বাদশ শতকে সুলতানি শাসক মহম্মদ ঘোরির বাহিনী এই মন্দির ভেঙে মসজিদ করেছিল।

    কী বলছেন হিন্দু পক্ষের আইনজীবী?

    এদিন হিন্দুদের পক্ষ থেকে আইনজীবী হরিশংকর জৈন বলেন, ‘‘আমি আশা রাখছি সেই দিন আর খুব বেশি দূরে নেই, যেদিন বর্তমান ধাঁচাকে সরিয়ে জ্ঞানবাপীতে শিব মন্দির প্রতিষ্ঠিত হবে।’’ এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে চলতি বছরের জুলাই মাসের ৭ তারিখ।

     

    আরও পড়ুন: মণিপুরে আর্থিক সাহায্য কেন্দ্র-রাজ্যের! মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ, একজনকে চাকরি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘শিবলিঙ্গে’র কার্বন ডেটিংয়ের নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘শিবলিঙ্গে’র কার্বন ডেটিংয়ের নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) নিয়ে বড়সড় নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court)। মসজিদের ওজুখানার জলাধারে শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করে হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠন। সেই শিবলিঙ্গের কার্বন ডেটিং সহ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সমীক্ষা করার নির্দেশ ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে। শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি অরবিন্দ কুমার মিশ্র। কার্বন ডেটিং করতে গিয়ে কাঠামোর যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণকে।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque)…

    জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque)  অজুখানায় শিবলিঙ্গ রয়েছে দাবি করে সেখানে পুজো করার আবেদন জানিয়ে মামলা দায়ের হয়েছিল বারাণসী আদালতে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সেই দাবি খারিজ করে পাল্টা মামলার আবেদন জানানো হয়েছিল। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মামলা ফিরে আসে বারাণসী আদালতে। বারাণসী দায়রা আদলতের বিচারক একে বিশ্বাসের একক বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের আবেদনের প্রেক্ষিতে মমলা এগোবে। মুসলিম পক্ষ অঞ্জুমানে ইন্তেজামিয়া কমিটির আবেদন খারিজ করেন বিচারক।

    জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় বারাণসী জেলা আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে যায় আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি। সেই সময়ই কার্বন ডেটিংয়ের দাবি জানিয়েছিল হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। বারাণসী আদালত কার্বন ডেটিংয়ের আবেদন খারিজ করে রায় দেয়, যদি কার্বন ডেটিং বা গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রাডারের অনুমতি দেওয়া হয় এবং যদি ‘শিবলিঙ্গে’র কোনও ক্ষতি হয়, তবে সুপ্রিম কোর্টের আদেশ লঙ্ঘিত হবে এবং এটি সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত করতে পারে। পরে এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আবেদনকারীরা।

    আরও পড়ুুন: ‘দ্য কেরালা স্টোরি’তে নিষেধাজ্ঞা কেন? রাজ্যের জবাব তলব সুপ্রিম কোর্টের

    শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি মিশ্র ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের কাছে জানতে চান, কোনও রকম ক্ষতি ছাড়া শিবলিঙ্গের (Gyanvapi Mosque)  কার্বন ডেটিং সম্ভব কিনা। পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের তরফে আইনজীবী মনোজ কুমার জানান, কাঠামোর ক্ষতি না করেই কার্বন ডেটিং করা সম্ভব। এর পরেই কার্বন ডেটিংয়ের নির্দেশ দেন বিচারপতি। কাঠামোর যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে বলেন বিচারপতি। প্রসঙ্গত, মসজিদ কমিটির দাবি, ওজুখানার ওই কাঠামো একটি পুরানো ফোয়ারা। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, সেটি শিবলিঙ্গ। এই ‘শিবলিঙ্গ’টি কত বছরের পুরানো, তা জানতেই কার্বন ডেটিংয়ের নির্দেশ আদালতের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Allahabad HC: বাক-স্বাধীনতা মানে প্রধানমন্ত্রীকে কু-মন্তব্য করা নয়, স্পষ্ট এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    Allahabad HC: বাক-স্বাধীনতা মানে প্রধানমন্ত্রীকে কু-মন্তব্য করা নয়, স্পষ্ট এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাক-স্বাধীনতা মানে দেশের প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) বা অন্যন্য মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে কু-বাক্যের প্রয়োগ নয়। সোমবার অবস্থান স্পষ্ট করল এলাহাবাদ উচ্চ আদালত (Allahabad HC)। এমনকি প্রশানমন্ত্রীকে কুমন্তব্য (Abuse) করার অভিযোগে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলাও বাতিলের আবেদন নাকচ করল আদালত। 

    আরও পড়ুন: প্রয়াত প্রখ্যাত গজল শিল্পী ভূপিন্দর সিং, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মুমতাজ মনসুরি নামে জৌনপুরের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছিল। বাক স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে আদালতে মামলা বাতিলের আর্জি জানান ওই ব্যক্তি। মনসুরির সেই আবেদন নাকচ করে বিচারপতি অশ্বিনী কুমার মিশ্র ও বিচারপতি রাজেন্দ্র কুমারের বেঞ্চ। বেঞ্চ জানায়, “ভারতের সংবিধান বাক-স্বাধীনতার অধিকার প্রতি নাগরিককে দিয়েছে। কিন্তু সেই অধিকার মানে কোনও নাগরিক, প্রধানমন্ত্রী বা অন্যান্য মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ নয়।” 

    আরও পড়ুন: মোদিকে পাশে বসিয়ে মনোনয়নপত্র জমা জগদীপ ধনখড়ের 

    সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Home MInister) এবং অন্যান্য মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত খারাপ মন্তব্য করায়  ২০২০ সালে মুমতাজ মনসুরির নামে মামলা দায়ের করা হয়। আইপিসি সেকশন ৫০৪ এবং আইটি অ্যাক্ট সেকশন ৬৭ -এর আওতায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিরাটগঞ্জ থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। এই মামলাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন মনসুরি। মামলাটিকে বাতিল করার আর্জি জানান।

    আরও পড়ুন: ৩৬টি রাফালই ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে, জানালেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত 

    ১৫ জুলাই মনসুরির সেই আবেদন নাকচ করে দেয় আদালত। এবং কড়া শব্দে ভারতের সংবিধানের পাঠ পড়ায় ওই ব্যক্তিকে। আদালত বলে, “এফআইআরে অভিযুক্তের অপরাধের যথেষ্ট প্রমাণের উল্লেখ রয়েছে। আমরা এই ধরনের মামলায় হস্তক্ষেপ করে তা বাতিল করার কোনও কারণ খুঁজে পাই নি। পুলিশের এই মামলা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এবং যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত শেষ করার সম্পূর্ণ অধিকার থাকবে।”   

     

  • Taj Mahal: তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    Taj Mahal: তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাজমহল (Taj Mahal) নাকি হিন্দুদের মন্দির, এমনই দাবি নিয়ে তদন্তের জন্যে আদালতের দ্বারস্থ হলেন এক বিজেপি (BJP) নেতা। তাজমহলের অন্দরে থাকা ২০টি ঘর খুলে পরীক্ষার দাবি করলেন তিনি। কী ছিল আগ্রায় (Agra)? ফের মাথাচারা দিল সেই বিতর্ক। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ওই বিজেপি নেতার দাবি, তাজমহলের অন্দরে হিন্দু দেবদেবীর (Hindu idols) বহু মূর্তি এবং সনাতন ধর্মের একাধিক নির্দশন (Hindu inscriptions) রয়েছে। সেই তথ্য প্রকাশ্যে আনতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি।

    এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad HC) লখনউ বেঞ্চে পিটিশন দায়ের করেছেন বিজেপির অযোধ্যা (Ayodhya) জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা রজনীশ সিং (Rajneesh Singh)। তাঁর দাবি, তাজমহলের অন্দরে ২০টি তালাবন্ধ ঘর রয়েছে। সেখানে প্রচুর হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি এবং সনাতন ধর্মের নিদর্শন লুকিয়ে রাখা আছে। তাই তাঁর আর্জি, প্রত্নতত্ব বিভাগকে (ASI) ওই ঘরগুলি খোলার নির্দেশ দিক আদালত। তাহলেই সত্যিটা সামনে আসবে বলেও দাবি করেছেন ওই বিজেপি নেতা।

    আবেদনকারী রজনীশ সিং জানিয়েছেন, তাজমহল নিয়ে বহুদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। এই ঐতিহাসিক নিদর্শনের ভিতরে ২০টি ঘর তালাবন্ধ। কাউকে সেখানে ঢুকতেও দেওয়া হয় না। মনে করা হয়, সেই ঘরগুলিতে হিন্দু দেবদেবীদের মূর্তি রয়েছে। লুকিয়ে রয়েছে সনাতন ধর্মের বহু নির্দশন। তিনি বলেন, “আমি আদালতের কাছে আবেদন করেছি যাতে তারা আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়াকে ঘরগুলি খোলার নির্দেশ দেয়। ওই ঘরগুলি খোলা হলে কোনও সমস্যা নেই। যদি সেখানে কিছু না থাকে, তাহলে সমস্ত বিতর্কের অবসান হবে।”

    পাশাপাশি তাঁর আরও দাবি, রাজ্য সরকারকে কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিক আদালত, যারা ওই ঘরগুলি পরীক্ষা করে দেখবে যে সেখানে কোনও হিন্দু ধর্মের নিদর্শন রয়েছে কিনা। বিজেপি সাংসদ বিনয় কাটিহার বলেন, তাজমহল নয়, আগ্রায় যমুনার তীরে একমাত্র তেজোমহলের অস্তিত্ব থাকা উচিত। প্রসঙ্গত, বিজেপির এই সাংসদ একসময়ে দাবি করেছিলেন, আগ্রায় যেখানে আজ তাজমহল দাঁড়িয়ে আছে, সেখানে তেজোমহল বলে একটি হিন্দু মন্দির ছিল।

     

  • Taj Mahal: তাজমহলের রুদ্ধ ২২ দ্বার খোলা হবে না, জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    Taj Mahal: তাজমহলের রুদ্ধ ২২ দ্বার খোলা হবে না, জানাল এলাহাবাদ হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাজমহলের (Taj Mahal) বন্ধ ২২টি দরজা খোলার আবেদন প্রত্যাখান করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High court)। বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের লক্ষ্ণৌ বেঞ্চ এই আবেদন খারিজ করে।

    যুগ যুগ ধরে ভালবাসার নিদর্শন হিসেবে বিশ্বজোড়া খ্যাতি তাজমহলের। মুঘল শাসনে তৈরি এই স্মৃতিসৌধ জায়গা করে নিয়েছে বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের তালিকাতে। এহেন নিদর্শন নিয়েই গোল বেঁধেছে সম্প্রতি। হিন্দুদের একাংশের দাবি, এক সময় প্রেমের এই সমাধি তীরেই ছিল তেজো মহালয়া নামের এক শিব মন্দির। নিত্য পুজোও নাকি হত সেখানে। তাজমহলের অনেকগুলি কক্ষের মধ্যে দ্বার বন্ধ রয়েছে ২২টির। ওই সংগঠনের দাবি, বন্ধ দরজার ভিতরেই রয়েছে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি।

    আরও পড়ুন : তাজমহল আসলে তেজো মহালয়া শিবমন্দির! জানেন কি এই বিতর্কের আসল কারণ?

    এদিকে, তালাবন্ধ থাকা দরজা খোলার আবেদন জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন রজনীশ সিং নামে এক ব্যক্তি। তিনি বিজেপির যুব নেতা। ইয়ুথ মিডিয়া ইনচার্জ। তাঁর দাবি, বন্ধ দরজার ভিতরেই রয়েছে ভগবান শিব সহ অন্যান্য দেবদেবী। অবিলম্বে তাজমহলের বন্ধ দ্বার খোলার আবেদনও আদালতে জানান তিনি। বিতর্কের অবসান ঘটাতে তৈরি হয় লক্ষ্ণৌ বেঞ্চ। এই বেঞ্চের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগ। গঠিত হয় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিও। তারা সাফ জানিয়ে দেয়, যমুনার তটে রয়েছে নির্ভেজাল ভালবাসার নিদর্শন। এর পরেই এদিন আদালত জানিয়ে দেয়, তাজমহলের রুদ্ধদ্বার খোলা হবে না।

    এদিকে, রাজসমন্দের বিজেপি সাংসদ দিয়া কুমারী দাবি করেছেন যে আগ্রায় যে জমিতে তাজমহল তৈরি করা হয়েছে তা জয়পুর রাজপরিবারের এবং সেখানে একটি প্রাসাদ ছিল যা মুঘল সম্রাট শাহজাহান দখল করেছিলেন। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে থাকা নথি অনুসারে, সেই জমিতে তাজমহল রয়েছে, সেখানে একটি প্রাসাদ ছিল। শাহজাহান তার শাসনকালে এটি দখল করেন। জমিটি জয়পুর রাজপরিবারের (পূর্ববর্তী সময়ে) ছিল।

    ওই সাংসদ আরও বলেন, “নথিপত্র অনুযায়ী, শাহজাহান যেহেতু এটি পছন্দ করেছিলেন তাই তিনি এটি অর্জন করেছিলেন। এর পরিবর্তে তিনি কিছু ক্ষতিপূরণ দিয়েছেন বলে শুনেছি। আদালত নির্দেশ দিলে আমরা নথি সরবরাহ করব।” রাজসামন্দের লোকসভা সাংসদ যোগ করেছেন।

     

LinkedIn
Share