Tag: Allahu Akbar

  • Rahul Gandhi: হালদ্বানিতে ‘শুদ্ধিকরণ’ বিতর্কে নয়া মোড়, রাহুলের অভিযোগ খারিজ দলিত ব্যক্তির

    Rahul Gandhi: হালদ্বানিতে ‘শুদ্ধিকরণ’ বিতর্কে নয়া মোড়, রাহুলের অভিযোগ খারিজ দলিত ব্যক্তির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের হালদ্বানিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সভাস্থলে ‘শুদ্ধিকরণ’ যজ্ঞকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কে নতুন মোড়। রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) যেখানে ঘটনাটিকে দলিতদের বিরুদ্ধে অস্পৃশ্যতার প্রকাশ বলে অভিযোগ করেছেন, সেখানে ওই যজ্ঞে অংশ নেওয়া দলিত সম্প্রদায়েরই এক ব্যক্তি সেই অভিযোগ খারিজ করেছেন (BJP)।

    অঙ্কিত পাল নামে ওই ব্যক্তি বাল্মীকি সম্প্রদায়ের সদস্য এবং ‘শ্রী রাম সেবা ধর্মার্থ ন্যাসে’র সঙ্গে যুক্ত বলে খবর। সংগঠনটির সদস্যরাই গত ১০ অগাস্ট হালদ্বানির রামলীলা ময়দানে যজ্ঞ ও কথিত ‘শুদ্ধিকরণ’ অনুষ্ঠান করেছিলেন। এর দু’দিন আগে, ৮ অগাস্ট ওই একই জায়গায় কংগ্রেসের একটি জনসভা হয়েছিল। সভায় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, যিনি আবার দলিত সম্প্রদায়ের নেতা।

    ২৯ অগাস্ট সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অঙ্কিত দাবি করেন, খাড়গে দলিত হওয়ার কারণে ওই যজ্ঞ করা হয়নি। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেসের সভার পর রামলীলা আয়োজনের ঐতিহ্যবাহী ওই জায়গাটি নোংরা অবস্থায় পড়ে ছিল। সভায় আসা কিছু মানুষ সেখানে প্রস্রাব ভর্তি বোতলও ফেলে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। সেই কারণেই জায়গাটি পরিষ্কার করার পর পবিত্রতা ফিরিয়ে আনতে যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল বলে দাবি তাঁর।

    অঙ্কিত আরও দাবি করেন, ওই কংগ্রেস সভায় হিন্দু ধর্মীয় অনুষ্ঠান হওয়ার জন্য ব্যবহৃত মঞ্চ থেকে ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল। তবে এই স্লোগান ঠিক কোথা থেকে এবং কী পরিস্থিতিতে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। যদিও, খবরের সত্যতা যাচাই করা হয়নি।

    শুদ্ধিকরণ যজ্ঞ! (Rahul Gandhi)

    অঙ্কিত বলেন, “শুদ্ধিকরণ যজ্ঞ করা হয়েছিল কারণ ওই মঞ্চে একটি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান হয়েছিল। প্রথমত, এটি একটি সাংস্কৃতিক মঞ্চ এবং কোনও রাজনৈতিক দলকে ওই মঞ্চ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। ওই মঞ্চ থেকেই ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দেওয়া হয়েছিল, আমরা যে ভিডিয়োগুলি পেয়েছি তাতে তা দেখা গিয়েছে। তাই জায়গাটির শুদ্ধিকরণের জন্য সেখানে যজ্ঞ করা হয়েছিল।”

    অঙ্কিতের এই বক্তব্য কংগ্রেসের সেই অভিযোগকে সরাসরি প্রশ্নের মুখে ফেলেছে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে খাড়গে দলিত হওয়ার কারণেই সভাস্থলের ‘শুদ্ধিকরণ’ করা হয়েছিল। একইসঙ্গে, যজ্ঞের সঙ্গে বিজেপির সরাসরি যোগ থাকার অভিযোগও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অঙ্কিত জানিয়েছেন, তিনি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত নন; তিনি ‘শ্রী রাম সেবা ধর্মার্থ ন্যাসে’র সঙ্গে যুক্ত (Rahul Gandhi)।

    রাহুলের অভিযোগ, ‘শুদ্ধিকরণ’ আসলে অস্পৃশ্যতা

    এর আগে কংগ্রেস এই ঘটনাকে দলিত-বিরোধী মানসিকতার প্রকাশ বলে অভিযোগ করেছিল। কংগ্রেসের বক্তব্য ছিল, খাড়গের মতো একজন দলিত নেতা সভায় আসার পর মঞ্চের ‘শুদ্ধিকরণ’ করা আসলে অস্পৃশ্যতারই একটি রূপ।

    ২৯ অগাস্ট রাহুল এই ইস্যুতে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতির উপর অত্যাচার প্রতিরোধ আইনে মামলা করার দাবি জানান। তাঁর অভিযোগ, ঘটনাটি সংবিধানবিরোধী এবং বিজেপি-আরএসএসের মানসিকতার প্রতিফলন।

    রাহুল বলেন, “এটি একটি অপরাধ। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী এটি একটি অপরাধ।”

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, দলিতরা যত বেশি সাফল্য অর্জন করেন, তাঁদের বিরুদ্ধে তত বেশি আক্রমণ হয়। তাঁর দাবি, হালদ্বানির ঘটনাটি শুধু খাড়গের বিষয় নয়, দেশের সমস্ত দলিত মানুষের সম্মানের সঙ্গে যুক্ত।

    বিজেপির পাল্টা দাবি

    কংগ্রেসের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। পদ্ম শিবিরের বক্তব্য, ‘শুদ্ধিকরণ’ অনুষ্ঠানটি খাড়গের জাতিগত পরিচয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। হালদ্বানি ময়দানে সভার পর (BJP) পড়ে থাকা আবর্জনা পরিষ্কার করার পর ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল (Rahul Gandhi)।

     

  • Pahalgam Attack: ‘আল্লাহু আকবর’ বলছে জিপলাইন অপারেটর, তারপরেই শুরু গুলি, ভাইরাল পর্যটকের ভিডিও

    Pahalgam Attack: ‘আল্লাহু আকবর’ বলছে জিপলাইন অপারেটর, তারপরেই শুরু গুলি, ভাইরাল পর্যটকের ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও (Pahalgam Attack) জঙ্গি হামলার ঘটনায় ফের সামনে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে জিপ লাইন অপারেটর যুবক, জিপলাইন শুরু হওয়ার আগে আচমকা বলে উঠছে ‘আল্লাহু আকবর’। পরপর তিনবার। এর পরেই জিপলাইনে থাকা পর্যটককে দড়িতে তুলে দেয় সে। ঋষি ভাট নামের পর্যটকের সেলফি ক্যামেরায় ধরা পড়ে একের পর এক হত্যালীলা। পর্যটক প্রথমে শব্দ শুনলেও, বিষয়টা অতটা বুঝতে পারেননি। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, পিছনে গুলি লেগে পড়ে যাচ্ছেন এক পর্যটক। সবাই চিৎকার করছেন। প্রায় ১৫ ফুট উঁচুতে দড়িতে ঝুলছিলেন ওই পর্যটক। প্রথমটায় তিনি কিছুই বুঝে কী উঠতে পারেননি। এই ভিডিও সামনে আসতেই ওই জিপ লাইন অপারেটরকে ডেকে পাঠিয়েছে এনআইএ।

    কী বলছেন ঋষি ভাট?

    ঋষি ভাট তাঁর স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ঘুরতে যান পহেলগাঁওয়ে। একাধিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঋষি ভাট বলেন, “আমরা যখন জিপ লাইনে পৌঁছই, তখন কয়েকটা ছবি তুলি (Pahalgam Attack)। এরপর, আমরা জিপ লাইনের টিকিট কেটে জিপ লাইন শুরু করি। আমার স্ত্রী, পুত্র ও আরও চারজন জিপ লাইনে পার হয় প্রথমে। তারপর আমার জিপ লাইনে যাওয়ার পালা।” আচমকা অপারেটর তিনবার বলে ওঠে ‘আল্লাহু আকবর’। ওই অপারেটরকে সন্দেহের তালিকায় রাখছেন ঋষি। রাতে যখন তিনি তাঁর নিজের ক্যামেরায় তোলা ভিডিও দেখেন, তখনই বুঝতে পারেন, তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে ওই অপারেটর কী বলেছিলেন। এরপরেই ঠিক গোলাগুলি শুরু হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ঋষি।

    ৬-৭ ফুট দূরত্বেই কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ হতে দেখেন ঋষি

    হত্যালীলা শুরু হতেই (Pahalgam Attack) ওই পর্যটকের স্ত্রী যখন নীচ থেকে চিৎকার করেন, তখনই ঋষি বুঝতে পারেন তিনি বুঝতে পারেন কিছু একটা হচ্ছে। এরপরেই জিপ লাইনের দড়ি খুলে ১৫ ফুট উপর থেকে মাটিতে ঝাঁপ দিয়ে পড়েন তিনি। এরপর নিজের স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে কোনওক্রমে পালিয়ে বাঁচেন তিনি। ঋষি ভাট আরও জানিয়েছেন, ৬-৭ ফুট দূরত্বেই কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ (Pahalgam Attack Video) হতে দেখেছেন তিনি নিজে। এরপরেই কোনওক্রমে দৌড়ে জঙ্গলে লুকিয়ে পড়েন তিনি।

    জিপলাইনে অন্যান্য পর্যটকরা সওয়ার হলে ‘আল্লাহু আকবর’ বলেনি ওই অপারেটর

    আরও চাঞ্চল্যকর দাবি করে ঋষি ভাট জানিয়েছেন যে তাঁর আগে যে সমস্ত পর্যটকরা (Pahalgam Attack) জিপলাইনে সওয়ার হয়েছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে ‘আল্লাহু আকবর’ বলেনি ওই অপারেটর। আবার যখনই পর্যটকের স্ত্রী এবং সন্তানরা পার হয় তখনও তাকে ‘আল্লাহু আকবর’ বলতে শোনা যায়নি। ওই পর্যটক বলেন, যখন আমি জিপলাইনে সওয়ার হলাম তখনই ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি দেয় ওই অপারেটর। এর পরেই গুলি চালানো শুরু হয়।

    আমার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে আমি দৌড়াতে শুরু করি

    এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,‘‘আপনারা ভিডিওতে (Pahalgam Attack Video) দেখতে পাচ্ছেন একজন লোক পড়ে যাচ্ছে। সেই মুহূর্তেই আমি বুঝতে পারলাম যে কিছু একটা সমস্যা এখানে হয়েছে। এরপরে আমি জিপলাইনে দড়িটিকে খুলে দিই। আর প্রায় ১৫ ফুট উঁচু থেকে লাফ দিয়ে পড়লাম। তখন আমার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে আমি দৌড়াতে শুরু করি। আমার মাথায় তখন অন্য কিছু আসেনি। শুধু আমার নিজের জীবন এবং আমার পরিবারের জীবন বাঁচানোর কথা ভাবছিলাম।’’ ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও জানিয়েছেন জঙ্গলের দিকে প্রথমে তিনি যান, তারপর পার্কিং এরিয়ার দিকে দৌড়াতে থাকেন। এরপর তিনি শ্রীনগরে চলে যান।

    তাঁর স্ত্রীর পাশে থাকা দুই দম্পতিকে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা

    ঋষি ভট্ট নিজের কথা যেমন বলেছেন ওই সাক্ষাৎকারে, তেমনই তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঠিক কী হয়েছে মাঠে সেটাও তিনি আলোচনা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর স্ত্রীর পাশে আরও দুইজন দম্পতি ছিলেন। সন্ত্রাসবাদীরা এসে তাঁদের নাম এবং ধর্ম জিজ্ঞেস করে। তারপরেই তাঁদের উপরে গুলি চালায়। ঋষির মতে, ‘‘আমি রোপওয়েতে ছিলাম বলে আমার জীবন রক্ষা পেল। যদি আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে থাকতাম। তাহলে জানিনা আমার কী হত।’’

    ১৮ মিনিটের মধ্যেই আসে সেনাবাহিনী

    প্রত্যেকটি পর্যটক যে দাবি করেছেন সেই একই দাবি উঠে এসেছে ঋষি ভাটের কথাতেও। অর্থাৎ জঙ্গিরা বেছে বেছে হিন্দু পর্যটকদের হত্যা করেছে। তাঁদের ধর্ম জিজ্ঞেস করেছে এবং তাঁরা কলেমা পড়তে পারে নাকি সে কথাও জেনেছে। তারপরেই হত্যা করা হয় হিন্দুদের। ঋষির আরও দাবি, যখন গুলি বর্ষণ শুরু হয়, তখন ঘটনাস্থলে কোনও স্থানীয় লোককে তিনি দেখতে পাননি। স্থানীয়রা প্রথমেই পালিয়ে যায়। তাই পর্যটকদের সাহায্য করার জন্য কেউ ছিল না। কিন্তু তাঁরা যখন জঙ্গলে পৌঁছান তার ১৮ মিনিটের মধ্যেই সেনাবাহিনী এসেছিল বলে জানিয়েছেন ঋষি।

LinkedIn
Share