Tag: alzheimer’s disease

  • Alzheimer’s in Indian Women: নাম-ঠিকানাও ভুলে যাচ্ছেন? ভারতে বাড়ছে অ্যালজাইমার, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে মহিলারা

    Alzheimer’s in Indian Women: নাম-ঠিকানাও ভুলে যাচ্ছেন? ভারতে বাড়ছে অ্যালজাইমার, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে মহিলারা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিঃশব্দেই শরীরে উপস্থিত হচ্ছে। কিন্তু যখন তার উপস্থিতি স্পষ্ট হয়ে উঠছে, অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে। ফলে, পরিস্থিতি আরও বেশি জটিল হয়ে যাচ্ছে। জীবন যাপন কঠিন হয়ে উঠছে। আক্রান্ত ব্যক্তির পাশপাশি, তার পরিবারের সদস্যরাও সমানভাবেই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে বিপদ বাড়াচ্ছে অ্যালজাইমার। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে হারে ভারতবাসীর মধ্যে এই সমস্যা বাড়ছে, তাতে আগামীদিনে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।

    অ্যালজাইমার কী? কেন এই নিয়ে এত উদ্বেগ?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যালজাইমার হল স্মৃতিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যায়। আক্রান্ত মনে রাখার শক্তি হারিয়ে ফেলেন। নিজের নাম, পরিচয়, ঠিকানাও মনে রাখতে পারেন না। দৈনন্দিন জীবন যাপনের জন্য স্বাভাবিক কাজ করার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন। ফলে, স্নান করা, শৌচালয় যাওয়া কিংবা খাওয়ার ক্ষমতাও থাকে না। স্বাভাবিক জীবন ব্যহত হয়। এই সমস্যায় আক্রান্তের পাশপাশি, তার পরিবারকেও ভোগান্তির শিকার হতে হয়। পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্ক কেউ এমন সমস্যায় আক্রান্ত হলে, তাকে সব সময় একজনের সাহায্য প্রয়োজন হয়। সেই সাহায্যদানকারী কেয়ার গিভারেও স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যহত হয়। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

    কী বলছে গবেষণা?

    সম্প্রতি Longitudinal Aging Study in India (LASI) রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের ৬০ বছরের উর্ধ্বে থাকা ৮০ লাখ মানুষ এই অ্যালজাইমার সমস্যায় আক্রান্ত। ষাটোর্ধ্ব প্রায় ৮ শতাংশ ভারতীয় অ্যালজাইমারের সমস্যায় ভুগছেন। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরুষদের তুলনায় মহিলারা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যায় আক্রান্তের হার ৯ শতাংশ। তুলনায় পুরুষদের আক্রান্তের সংখ্যা ৫.৬ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় মানুষ দীর্ঘ জীবন লাভ করছেন। বয়স্কদের অধিকাংশ ৮০ বছরের অধিক বেঁচে থাকছেন। কিন্তু ৬০-এর পরেই এই ধরনের স্মৃতিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিলে, এমন পরিস্থিতিতেই তাঁরা ১০-১৫ বছর বেঁচে থাকছেন।‌ যখন তাঁদের জীবন যাপনের মান কমে যাচ্ছে। বেঁচে থাকলেও সুস্থ জীবন যাপন হচ্ছে না। যা সমাজের পক্ষেও ভালো নয়। দেশের প্রবীণ নাগরিকেরা এমন অসুস্থ জীবন যাপন করলে, সেটা দেশের স্বাস্থ্য ক্ষেত্র নিয়ে যথেষ্ট চিন্তার বিষয় হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন,সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ৬০-র পরে সমস্যা প্রকট হলেও চল্লিশ বছরের পর থেকেই এর লক্ষণ অল্প হলেও দেখা দেয়। তাই স্মৃতিশক্তি সংক্রান্ত কোনো রকম সমস্যা হলে তা নিয়ে সতর্কতা জরুরি।

    কেন মহিলাদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা দিচ্ছে?

    হরমোনের ভারসাম্যে পরিবর্তন

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যালজাইমারের সমস্যা মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা দিচ্ছে। এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। ঋতুস্রাব বন্ধ হওয়ার পরবর্তী কালে অর্থাৎ মেনোপজের পরে মহিলাদের শরীরে একাধিক পরিবর্তন হয়। শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যায়। এর প্রভাব যথেষ্ট গভীর। মস্তিষ্কের উপরে এই হরমোনের বিশেষ প্রভাব রয়েছে। স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতে এবং মস্তিষ্ককে সচল রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে ইস্ট্রোজেন। শরীরে সেই হরমোনের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় অ্যালজাইমারের মতো সমস্যা দেখা দেয়।

    জিনগত কারণও দায়ী

    মহিলাদের যে কোনও জিনগত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। পরিবারের কেউ অ্যালজাইমারে আক্রান্ত হলে পরবর্তী প্রজন্মের এই সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই সেই জিনগত কারণেও মহিলারা এই সমস্যায় বেশি ভুগছেন হলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। দেশের দীর্ঘ ইতিহাসে দেখা যায়, এ দেশে মহিলাদের শিক্ষার সুযোগ সমান ছিলো না। এমনকি মহিলাদের শিক্ষার পথে একাধিক অন্তরায় ছিলো। এখনো রয়েছে। তাই মহিলাদের কগনিটিভ রিজার্ভ বাড়ানোর সুযোগ কম। এগুলো প্রৌঢ় কালে মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়ানোর পথে বাধা হয়ে উঠছে। ফলে অ্যালজাইমারের মতো রোগের দাপট বাড়ছে।

    কগনিটিভ রিজার্ভ কী? কেন অ্যালজাইমার রুখতে কগনিটিভ রিজার্ভে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে?

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, কগনিটিভ রিজার্ভ হল মস্তিষ্কের এক বিশেষ ক্ষমতা। যেকোনো সমস্যা বা চ্যালেঞ্জ এলেও মস্তিষ্ক নিজের কাজ ঠিকমতো চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। স্বাভাবিক গতিতেই কাজ করতে পারে। বার্ধক্য মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে চায়। কিন্তু কগনিটিভ রিজার্ভ মস্তিষ্ক সচল রাখতে সাহায্য করে। অ্যালজাইমার রুখতে তাই কগনিটিভ রিজার্ভে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।‌ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যালজাইমারের মতো সমস্যা রুখতে হলে মস্তিষ্ক সচল রাখা জরুরি।‌ ধাঁধা বা ব্রেন গেম নয়। বরং নতুন কিছু শেখা জরুরি। নতুন কিছু শিখলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে। কগনিটিভ রিজার্ভ তৈরি হয়। অর্থাৎ মস্তিষ্ক তার কাজ করার ক্ষমতা বজায় রাখে। তাই চল্লিশ বছরের পরেই ভারতীয়দের নতুন কিছু শেখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, নতুন ভাষা শেখা, কিংবা বাদ্যযন্ত্র শেখা জরুরি।

    কী কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    • ● বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, নতুন ভাষা শিখলে মনোযোগের প্রয়োজন হয়। ফলে মস্তিষ্ক সজাগ থাকে। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। চল্লিশ বছরের পরে যে কোনও নতুন ভাষা শেখার অভ্যাস তৈরি হলে অ্যালজাইমারের ঝুঁকি কমবে।
    • ● যে কোনও বাদ্যযন্ত্র শেখার অভ্যাস তৈরি হলে হাতের স্নায়ু ও মস্তিষ্কের স্নায়ুর যোগাযোগ আরো ভালো হবে। পেশির কাজ হবে। মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকবে। এর ফলে অ্যালজাইমারের ঝুঁকি কমবে।
    • ● বয়স বাড়লে নতুন কিছু শেখা সম্ভব না হলে নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস তৈরির পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত বই পড়লে কগনিটিভ রিজার্ভ ভালো থাকে। এতে মনে রাখার অভ্যাস তৈরি হয়। মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে।
    • ● যে কোনও সামাজিক কিংবা শিক্ষামূলক গোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, কগনিটিভ রিজার্ভ বাড়াতে এবং অ্যালজাইমারের ঝুঁকি কমাতে ছবি আঁকার স্কুল, কিংবা নাচ, গান বা সাহিত্য নিয়ে আলোচনা হয় এমন ক্লাবে যোগ দেওয়া উচিত। এতে একাকিত্ব কমে। ফলে মস্তিষ্কের উপরে চাপ পড়ে না। আবার নিজের মতামত জানানো, অন্যের কথা শোনা এবং আলোচনা করার সুযোগ তৈরি হয়। তাছাড়া সৃজনশীল কাজ মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বাড়াতে সাহায্য করে। কগনিটিভ রিজার্ভ বাড়ায়। তাই অ্যালজাইমারের মতো সমস্যার ঝুঁকিও কমে‌।
    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

  • Alzheimers-Dementia: প্রৌঢ় বয়সে একাকিত্ব বাড়াচ্ছে বিপদ! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    Alzheimers-Dementia: প্রৌঢ় বয়সে একাকিত্ব বাড়াচ্ছে বিপদ! কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বদলে যাচ্ছে পরিবার! কাজের জন্য অধিকাংশ পরিবারেই সন্তান আর বাবা-মায়ের বাসস্থানের ঠিকানা এখন আলাদা! পড়াশোনা কিংবা কর্মসূত্রে অধিকাংশ পরিবারের তরুণ প্রজন্মকে আলাদা শহরে কিংবা ভিনদেশে থাকতে হচ্ছে। বাড়িতে থাকছেন প্রৌঢ় বাবা-মা। আর তার প্রভাব পড়ছে মস্তিষ্কে! সম্প্রতি অ্যালজাইমার নিয়ে এক কর্মশালায় চিকিৎসকদের একাংশ জানালেন, একাকিত্ব সমস্যা বাড়াচ্ছে। বিশেষত স্নায়ু ও মস্তিষ্ক সংক্রান্ত একাধিক সমস্যার কারণ একাকিত্ব (Loneliness)!

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত দুই দশকে দেশ জুড়ে বেড়েছে ডিমেনশিয়া, অ্যালজাইমার (Alzheimers-Dementia) মতো রোগ। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের সমস্যা বাড়ছে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যাচ্ছে। প্রৌঢ় বয়সেই অনেকে খুব সাধারণ দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় জিনিসের বিষয়ে মনে রাখতে পারছেন না। এর ফলে বয়স্কদের স্বাভাবিক জীবন যাপন ব্যহত হচ্ছে। স্নায়ু ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বয়স পঞ্চাশের চৌকাঠ পেরনোর পরেই ‘ব্রেন ফগ’-র মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। অর্থাৎ, স্বাভাবিক কাজ করার সময়েই হঠাৎ কী কাজ করা হচ্ছিল, কীভাবে করতে হবে, সে সম্পর্কে সবকিছু কিছু সময়ের জন্য সম্পূর্ণ ভুলে যাওয়া। এই সমস্যা বারবার দেখা দিলে যথেষ্ট আশঙ্কার বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত ব্যবহারের ছোটো ছোটো জিনিস মনে রাখতে না পারা, ডিমেনশিয়া বা অ্যালজাইমারের (Alzheimers-Dementia) মতো সমস্যার প্রাথমিক উপসর্গ। একাধিক রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, ভারতীয়দের মধ্যে ডিমেনশিয়ার মতো সমস্যা বাড়ছে। তাই আগাম সচেতনতা জরুরি বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন একাকিত্ব (Loneliness) বিপদ বাড়াচ্ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, গত দুই দশকে সমাজ ও পরিবারের কাঠামো অনেকটাই বদলে গিয়েছে। আধুনিক জীবন যাপনে ব্যস্ততা বেড়েছে। তাই অনেক সময়েই পরিবারের তরুণ প্রজন্মদের সঙ্গে বয়স্কদের সময় কাটানোর বিশেষ সুযোগ হয় না। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দিনের বেশিরভাগ সময় একা থাকলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমে। কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করতে না পারলে, অনেক সময়েই মানসিক চাপ ও অবসাদ তৈরি হয়। এর প্রভাব মস্তিষ্কে পড়ে। স্নায়ুর সক্রিয়তা ও কমে যায়। বয়স বাড়লে স্বাভাবিক কারণেই স্নায়ুর ক্ষমতা কমে। কিন্তু তার উপরে মানসিক চাপ বাড়তি প্রভাব ফেলে। পাশপাশি, বাড়িতে দীর্ঘ সময় একা থাকলে সক্রিয় থাকার সুযোগ কম হয়। স্থির জীবনে মস্তিষ্কের কাজ করার সুযোগ ও কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে স্মৃতিশক্তির উপরে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও কমতে থাকে‌। তাই অ্যালজাইমার কিংবা ডিমেনশিয়ার (Alzheimers-Dementia) মতো রোগের প্রকোপ বাড়ার পিছনে একাকিত্ব সবচেয়ে বড় কারণ বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কী পরামর্শ বিশেষজ্ঞ মহলের?

    ডিমেনশিয়া কিংবা অ্যালজাইমারের মতো রোগের দাপট কমাতে সচেতনতা জরুরি। পরিস্থিতি বদলে যাচ্ছে। পরিবারের কাঠামো ও বদলে যাচ্ছে। তাই এই সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন থাকাও দরকার। প্রৌঢ় বয়সে নিজের মতো জীবন যাপন জরুরি। সে সম্পর্কে অবগত থাকাও প্রয়োজন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকলেই ডিমেনশিয়া কিংবা অ্যালজাইমারের (Alzheimers-Dementia) মতো রোগের ঝুঁকি কমবে‌। মানসিক চাপ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। নিয়মিত সক্রিয় জীবন যাপন, সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। তাই সে দিকে খেয়াল রাখা দরকার।

    বই পড়া, হাঁটা জরুরি

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত বই পড়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, বয়স্কদের নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস একাকিত্ব (Loneliness) কাটাতে সাহায্য করবে। মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখবে। স্মৃতিশক্তি ধরে রাখতেও সাহায্য করবে‌‌। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত কয়েক ঘণ্টা বা পড়লে মস্তিষ্কের কাজ হয়। আবার একাকিত্ব কমে‌। এর ফলে মানসিক অবসাদ দূর হয়।
    এর পাশপাশি নিয়মিত হাঁটাচলা করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত সকাল ও বিকেলে অন্তত আধ ঘণ্টা হাঁটা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাইরে বেরোলে অবসাদ কমে। মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, প্রতিবেশির সঙ্গে কথা বলা এগুলো একাকিত্ব কমাতে সাহায্য করে। আবার নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিক মতো হয়‌। পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্ষমতা বাড়ে। এর ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও ঠিক থাকে।

    আড্ডায় অনেক উপকার

    বিভিন্ন ধরনের মেন্টাল অ্যাক্টিভিটির পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ঘরে বসেই ক্রশওয়ার্ড বা পাজেল গেম জাতীয় অ্যাক্টিভিটির অভ্যাস বজায় রাখা জরুরি। এতে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে‌। বন্ধু তৈরি সবচেয়ে জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে কোনও বয়সেই স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য বন্ধু প্রয়োজন। একাকিত্ব কাটাতে এবং প্রৌঢ় বয়সের রোগের ঝুঁকি কমাতেও জরুরি বন্ধু। তাই এলাকার ও আশপাশের মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক দরকার। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এলাকার সম বয়সিদের সঙ্গে কিছুটা সময় গল্প করার অভ্যাস থাকা জরুরি। তাহলে একাকিত্ব (Loneliness) জটিল আকার নিতে পারবে না। ডিমেনশিয়া কিংবা অ্যালজাইমারের (Alzheimers-Dementia) মতো রোগের ঝুঁকিও অনেকটা কমবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

LinkedIn
Share