Tag: Amarnath

Amarnath

  • PM Modi on Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রার পুণ্যার্থীদের পাঁচ সংকল্প নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী মোদির, কী কী?

    PM Modi on Amarnath Yatra: অমরনাথ যাত্রার পুণ্যার্থীদের পাঁচ সংকল্প নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী মোদির, কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রার প্রথম দিনেই তীর্থযাত্রীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠি লিখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi on Amarnath Yatra)। এই যাত্রাকে তিনি এক ‘মহা সৌভাগ্যের বিষয়’ বলে বর্ণনা করেছেন। একইসঙ্গে ভক্তি, শৃঙ্খলা এবং জাতীয়তাবোধ নিয়ে এই পবিত্র যাত্রা সম্পন্ন করার জন্য পুণ্যার্থীদের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। অমরনাথ যাত্রায় অংশগ্রহণকারী ভক্তদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সংকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। একইসঙ্গে যাত্রাপথে নিরাপত্তা ও পরিষেবা নিশ্চিত করতে নিয়োজিত ভারতীয় সেনা, বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রশাসনের ভূমিকারও প্রশংসা করেছেন।

    অমরনাথ যাত্রীদের উদ্দেশ্যে মোদির চিঠি

    শিবভক্তদের উদ্দেশে লেখা চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “জম্মু ও কাশ্মীরে পবিত্র অমরনাথ যাত্রায় অংশ নেওয়াটা একটা বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। প্রতি বছর বাবা বরফানির সরাসরি দর্শন পাওয়ার এই সুযোগ লক্ষ লক্ষ শিবভক্তের জন্য এক অত্যন্ত শুভ ও অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। এই বছরের যাত্রার শুরুতে আমি আপনাদের, সকল শিবভক্তদের, আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।” উল্লেখ্য, শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে ৫৭ দিনব্যাপী বার্ষিক অমরনাথ যাত্রা। প্রথম দিন প্রায় ১০ হাজার তীর্থযাত্রী পবিত্র অমরনাথ গুহার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন।

    ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক চিরন্তন অধ্যায়

    এই তীর্থযাত্রাকে ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের এক চিরন্তন অধ্যায় বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, “বাবা অমরনাথের আশীর্বাদ পাওয়ার এই যাত্রা ভারতের আধ্যাত্মিক যাত্রার ঐতিহ্যে এক চিরন্তন অধ্যায়। প্রতি বছর সনাতন সংস্কৃতি মেনে চলা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ ভক্ত এই যাত্রায় অংশ নিতে জম্মু ও কাশ্মীরে পৌঁছন। ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা, ভিন্ন ভাষায় কথা বলা এবং বিভিন্ন রীতিনীতি পালন করা মানুষ মহাদেবের আশীর্বাদ পাওয়ার একই সংকল্প নিয়ে এই যাত্রা সম্পন্ন করেন।” যাত্রা যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্য প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় সেনা, সিআরপিএফ, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ, আইটিবিপি, বিএসএফ, এনডিআরএফ-এর জওয়ানদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মী, প্রশাসনিক আধিকারিক, সাফাইকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদেরও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, “এই দু’মাস ধরে বাবা বরফানির পবিত্র ধামে ভারতের ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য’-এর এক অসাধারণ ছবি দেখা যায়।”

    ভক্তদের পাঁচটি সংকল্প গ্রহণের আহ্বান

    অমরনাথ যাত্রাকে আরও সুশৃঙ্খল ও অর্থবহ করে তুলতে প্রধানমন্ত্রী ভক্তদের পাঁচটি সংকল্প গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রথমত, যাত্রাপথে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং গোটা তীর্থপথ পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি। দ্বিতীয়ত, প্রশাসনের সমস্ত নির্দেশ, ট্রাফিক বিধি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলার পরামর্শ দেন। বর্ষাকালে পিচ্ছিল রাস্তা ও তীব্র ঠান্ডার কারণে বিশেষ সতর্ক থাকার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তৃতীয়ত, ‘ভোকাল ফর লোকাল’-এর ভাবনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাত্রার মোট ব্যয়ের অন্তত ১০ শতাংশ জম্মু ও কাশ্মীরের স্থানীয়ভাবে তৈরি পণ্য কেনার জন্য ব্যয় করার আহ্বান জানান তিনি। এতে স্থানীয় পরিবার ও যুবকদের জীবিকা আরও শক্তিশালী হবে বলে তাঁর মত। চতুর্থত, অমরনাথ যাত্রার সমাপনী দিন, যা এ বছর রাখিবন্ধন উৎসবের সঙ্গে মিলেছে, সেই উপলক্ষে ভাই বা বোনকে একটি গাছের চারা উপহার দেওয়ার এবং ‘এক পেড় মা কে নাম’ অভিযানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পঞ্চমত, ‘নেশন ফার্স্ট’-এর আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে সারা বছর সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন এবং উন্নত ভারত বা ‘বিকশিত ভারত’ গঠনের লক্ষ্যে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    অমরনাথ যাত্রায় কড়া নিরাপত্তা

    অমরনাথ যাত্রার জন্য জম্মু ও কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। সরকারি সূত্রে খবর, উত্তর কাশ্মীরে গুরেজ, কেরান, উরি সহ বিভিন্ন অঞ্চলে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে, জম্মুতে কাঠুয়া, পুঞ্চ-রাজৌরি বেল্ট সহ একাধিক সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাহিনীর এক অফিসার বলেন, ‘তীর্থযাত্রার রুটের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী মজুত রয়েছে।’ জম্মুর সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলিতে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনী। বাসিন্দাদের প্রতি মুহূর্তে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। গাড়িতে নাকা তল্লাশি চালানো হচ্ছে। সন্দেহ হলেই পরিচয়পত্র সহ যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখছে বাহিনী। জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় হাইওয়েতেও নিয়মিত তল্লাশি অভিযান চলছে।

    নিরাপত্তায় বহু-স্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থা

    বার্ষিক অমরনাথ যাত্রার নিরাপত্তায় বহু-স্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও রয়েছে। রয়েছে নো-ফ্লাই জোন (বিমান চলাচলে নিষিদ্ধ এলাকা), পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, ইলেকট্রনিক নজরদারি এবং যানবাহনের চলাচলের ওপর রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ। জম্মু ও কাশ্মীরে প্রতি বছর যেসব ব্যাপক কার্যক্রম বা আয়োজন করা হয়ে থাকে, তার মধ্যে অমরনাথ যাত্রা সংক্রান্ত নিরাপত্তা পরিকল্পনা অন্যতম। অমরনাথ যাত্রার সময় উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ ‘পহেচান’ (Pehchaan) নামে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চালু করেছে। এর মাধ্যমে তীর্থযাত্রী ও নিরাপত্তা কর্মীরা স্থানীয় পরিষেবা প্রদানকারীদের পরিচয় ও নথিপত্র সঙ্গে সঙ্গে যাচাই করতে পারবেন। এই অমরনাথ যাত্রার সঙ্গে যুক্ত ছোট ঘোড়ার মালিক, কুলি, পরিবহন অপারেটর, গাইড এবং বিক্রেতাদের রেজিস্টার ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এই অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে। এটি অনুমোদিত কর্মীদের একটি ডিজিটাল ডেটাবেস তৈরি করেছে। যার ফলে পুলিশ তীর্থযাত্রার পথে কর্মরত ব্যক্তিদের ওপর নজর রাখতে পারবে। একইভাবে যাচাই-বাছাইহীন যেসব মানুষ থাকবেন তাঁদের শনাক্ত করতে এবং প্রতারণা রোধ করতে সক্ষম হবে। অমরনাথ যাত্রার সময় যাতে জঙ্গিরা ছোট ঘোড়ার মালিক, পালকি বাহক বা অন্যান্য পরিষেবা প্রদানকারীর ছদ্মবেশ ধারণ করতে না পারে, সেই লক্ষ্যে এই তীর্থযাত্রার সঙ্গে যুক্ত সকল অনুমোদিত কর্মীর জন্য কিউআর কোড-ভিত্তিক ও টেম্পার-প্রুফ (যা সহজে বিকৃত বা পরিবর্তন করা যায় না) পরিচয়পত্র চালু করল জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।

  • Amarnath Yatra 2025: পহেলগাঁও হামলা অতীত! কড়া নিরাপত্তা, ভয় কাটিয়ে অমরনাথের পথে পুণ্যার্থীরা

    Amarnath Yatra 2025: পহেলগাঁও হামলা অতীত! কড়া নিরাপত্তা, ভয় কাটিয়ে অমরনাথের পথে পুণ্যার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বম বম ভোলে” ও “হার হার মহাদেব” ধ্বনিতে মুখরিত চারপাশ। পহেলগাঁও হামলা, অপারেশন সিঁদুরের জের কাটিয়ে পরম শান্তির খোঁজে বুধবার সকালে জম্মুর ভাগবতী নগরের যাত্রী নিবাস বেস ক্যাম্প থেকে অমরনাথ যাত্রার (Amarnath Yatra 2025) প্রথম দল রওনা দিল। এই যাত্রার সূচনা করেন জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। মোট ৫,৮৯২ জন তীর্থযাত্রী ও ৩১০টি গাড়ির কনভয়ে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে যাত্রা শুরু হয়। আধুনিক অস্ত্রসজ্জিত সিআরপিএফের গাড়ি এই কনভয়কে পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছে।

    বেস ক্যাম্পে পুজো

    এদিন হালকা বৃষ্টির মধ্যে ভক্তরা শঙ্খ বাজিয়ে, ভজন-স্তোত্রে পরিবেশকে ধন্য করে তুলেছিলেন। যাত্রা শুরু আগে মনোজ সিনহা বেস ক্যাম্পে পুজো করেন এবং যাত্রা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন সম্পন্ন হওয়ার জন্য প্রার্থনা করেন। ডোগরা ঐতিহ্যবাহী পাগড়ি পরে, মুখে হাসি নিয়ে তিনি তীর্থযাত্রীদের উদ্দেশে হাত নাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান। পহেলগাঁও রুটে ১৪৪টি গাড়িতে ৩,৪০৩ জন তীর্থযাত্রী যাত্রা শুরু করেন, যাঁদের মধ্যে ২,৬৪৭ জন পুরুষ, ৪৬৭ জন মহিলা, ৮ জন শিশু, ১৬ জন তৃতীয় লিঙ্গের যাত্রী, ২০০ জন সাধু এবং ৬৫ জন সাধ্বী ছিলেন। অন্যদিকে, বালতাল রুটে ১৬৬টি গাড়িতে ২,৪৮৯ জন তীর্থযাত্রী যান—যাঁদের মধ্যে ছিলেন ১,৭৪৮ জন পুরুষ, ৫৭৬ জন মহিলা, ২৩ জন শিশু, ১৩৫ জন সাধু এবং ৭ জন সাধ্বী।

    কড়া নিরাপত্তায় যাত্রার শুরু

    এদিন অমরনাথ যাত্রা (Amarnath Yatra 2025) শুরুর সময় মনোজ সিনহা বলেন, “এই পবিত্র যাত্রা আত্ম-অনুসন্ধানের এক পরম পথ। আশা করি প্রতিটি ভক্তের জন্য এই যাত্রা এক গভীর আত্মিক অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে। জম্মু শহর এখন এক নতুন প্রাণচাঞ্চল্যে ভরে উঠেছে। ভক্তদের উৎসাহ অসাধারণ। সন্ত্রাসী হামলার ভয় উপেক্ষা করে ভোলেবাবার ভক্তরা বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত হচ্ছেন। আশা করি এই বছরের যাত্রা অতীতের যে কোনও বছরের চেয়ে বেশি ঐতিহাসিক হবে।” সিনহা আরও জানান, প্রশাসন, জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ মানুষ, শ্রী অমরনাথজি শ্রাইন বোর্ড, পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী সবদিক দিয়ে তীর্থযাত্রীদের জন্য সুব্যবস্থা করেছে। উত্তরপ্রদেশের সীতাপুর থেকে আগত ৩৭ বছর বয়সি তীর্থযাত্রী মনোজ কুমার বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও ভয় নেই। ভোলের বাহিনী আনন্দেই থাকবে। ২২ এপ্রিলের পহেলগাঁও হামলা আমাদের মনোবল ভাঙতে পারেনি।” তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদি ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তানকে জবাব দিয়েছেন। আমাদের সুরক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শত্রুরা আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না।” আজমগড়ের ৫১ বছর বয়সি রাম প্রসাদ বলেন, “এটাই যাত্রার প্রথম দিন, কিন্তু দেখুন, ভক্তদের মধ্যে কী উন্মাদনা! দিন যত যাবে, সংখ্যাও ততই বাড়বে।” শিরডির ৪৭ বছর বয়সি আশিস কাম্বলি, যিনি তৃতীয়বার অমরনাথ যাত্রায় এসেছেন, বলেন, “এবারের আয়োজনে আরও উন্নতি হয়েছে। কোনও সমস্যায় পড়িনি। প্রশাসন আমাদের সর্বাত্মক সাহায্য করছে।”

  • Amarnath: আর দুর্গম থাকবে না অমরনাথ যাত্রা! তৈরি হচ্ছে নতুন সড়ক

    Amarnath: আর দুর্গম থাকবে না অমরনাথ যাত্রা! তৈরি হচ্ছে নতুন সড়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথ (Amarnath) তীর্থযাত্রীদের জন্য সুখবর। দুর্গম অমরনাথ (Amarnath) যাত্রা এবার সুগম হতে চলেছে নেপথ্যে মোদি সরকারের উদ্যোগ। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার অমরনাথ যাত্রাকে আরও সুগম এবং নির্বিঘ্ন করে তুলতে ২২ কিলোমিটার নতুন সড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের সূত্রে জানা যাচ্ছে যে বর্ষাকালেও রাস্তাটি যাতে উপযোগী থাকে সেরকম পরিকল্পনা করেই এটি বানানো হচ্ছে।

    কোন দুটি স্থানকে জুড়বে এই সড়ক

    বিভিন্ন সূত্রে আরও জানা যাচ্ছে যে ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রস্তাবিত সড়কটি কাশ্মীরের চন্দনবাড়ি থেকে সঙ্গম পর্যন্ত যাবে। সড়কের ১১ কিলোমিটার অংশ জুড়ে থাকবে একটি সুড়ঙ্গপথ, যেটি গণেশটপ নামের এলাকার নিচ দিয়ে যাবে বলে জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন দপ্তরের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থাও এই সড়ক তৈরিতে প্রযুক্তিগত সহায়তা করবে বলেই জানা গেছে। ইতিমধ্যে বেসরকারি সংস্থাগুলির কাছে টেন্ডারের ডাক দিয়েছে কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহন দপ্তর। ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সংস্থা তাদের টেন্ডার জমা দিতে পারবে বলে জানা গেছে। 

    ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা নেবে প্রস্তাবিত এই সড়ক

    সরকারের সূত্রে জানা গেছে এই সড়ক তৈরি হলে লাদাখ এবং জম্মুর মধ্যে গাড়ি চলাচল করার একটি বিকল্প রাস্তা তৈরি হবে এবং সেক্ষেত্রে শ্রীনগর শহরকে এড়িয়ে জম্মু থেকে সীমান্তবর্তী সেনা ঘাঁটিগুলিতে দ্রুত পৌঁছে যাওয়া যাবে। তবে গোটা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হতে ৫ বছর সময় লাগবে বলেই জানা যাচ্ছে। হিমালয়ের গভীর খাদের ভিতর একটি গুহায় অবস্থিত রয়েছে  অমরনাথ (Amarnath) মন্দির। প্রতিবছর বর্ষার সময় বিশেষত জুলাই-আগস্ট মাসে উপত্যকায় বরফ সরাবার পর পূর্ণ রাত্রির জন্য খুলে দেওয়া হয়। অসংখ্য শিবভক্তদের কাছে এটি পবিত্র তীর্থস্থান। মূলতপায়ে হেঁটে এবং ঘোড়ায় চড়ে অমরনাথ পৌঁছাতে হয় যাত্রীদের। নতুন রাস্তাটি তৈরি হলে বছরের অধিকাংশ সময়েই সড়ক পথে পৌঁছে যাওয়া যাবে অমরনাথ। আবার বন্যার সময় কিংবা আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত সীমান্তবর্তী এলাকায় পৌঁছে যেতে পারবে ভারতীয় সেনা তাই সবদিক মাথায় রেখে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • IMD on isolated rain: স্থানীয়স্তরে ব্যাপক বৃষ্টি মাপার প্রযুক্তি দেশে নেই জানাল আইএমডি

    IMD on isolated rain: স্থানীয়স্তরে ব্যাপক বৃষ্টি মাপার প্রযুক্তি দেশে নেই জানাল আইএমডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতরের (India Meteorological Department) কাছে বর্তমানে স্থানীয়ভাবে বিচ্ছিন্ন চরম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়ার মতো প্রযুক্তি এখনও দেশে নেই বলে জানালেন  আর্থ সায়েন্সেস মন্ত্রকের সচিব, ডক্টর এম রবিচন্দ্রন (Dr M Ravichandran)। এ জন্যই অমরনাথে দুর্যোগের সম্মুখীন হতে হয়েছে তীর্থযাত্রীদের। গত 8 জুলাই জম্মু ও কাশ্মীরের গান্ডারবাল জেলার অমরনাথ গুহা মন্দিরের কাছে মেঘ ভাঙা বৃষ্টির ঘটনা ঘটেনি। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন,এটা স্থানীয়স্তরে ব্যাপক বৃষ্টির ফল। তাতেই হড়পা বানে ভেসেছে অমরনাথের একাংশ। পণ্ড হয়েছে এই তীর্থযাত্রার স্বাভাবিক ছন্দ। প্রাণহানি ঘটেছে তীর্থযাত্রীদের। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের (IMD) তরফে বলা হয়েছে, অমরনাথ গুহামন্দিরের কাছেই পর্বতের শিখরে মেঘ পুঞ্জীভূত হয়েছিল। সেখান থেকে বৃষ্টি নেমেছে। 

    আরও পড়ুন: গুহার উপরেই জমাট বাঁধা মেঘ! অমরনাথে আতঙ্ক

    সোমবার আর্থ সায়েন্সেস মন্ত্রকের সচিব (Secretary, Ministry of Earth Sciences), ডক্টর এম রবিচন্দ্রন বলেছেন যে এই ধরনের বিচ্ছিন্ন ভারী বৃষ্টির ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার বিজ্ঞান “এই মুহূর্তে দেশে বিদ্যমান নেই”। তিনি বলেন, “যেমন ভূমিকম্পের ভবিষ্যদ্বাণী করার মতো কোনও বিজ্ঞান নেই, তেমনই বিচ্ছিন্নভাবে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আগাম জানানোর মতো কোনও প্রযুক্তি নেই। আমাদের এই ধরনের আবহাওয়ার ঘটনাগুলির প্রক্রিয়াটি বুঝতে হবে, কোনও দেশেরই এই ধরনের পূর্বাভাস দেওয়ার বিজ্ঞান নেই।” সচিব বলেন, মন্ত্রণালয় বর্তমানে ড্রোন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে, আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য সেগুলোকে স্বয়ংক্রিয় আবহাওয়া স্টেশন (AWS) হিসেবে ব্যবহার করা হবে। AWS ড্রোনটি  ২ কিমি পর্যন্ত এলাকার তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সঠিকভাবে বলতে পারবে বলে ধারণা। 

    আরও পড়ুন: ভোট চাইতে রাজ্যে এসে বিবেকানন্দের ভিটে ঘুরে গেলেন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু

    মৌসম ভবনের তরফে পরিষ্কার জানানো হয়েছে, অমরনাথে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি হয়নি। স্থানীয়ভাবে ভারী বৃষ্টির জেরেই হড়পা বান এসেছে। এখনও নিখোঁজ বহু ভক্ত। ইতিমধ্যে সোমবার থেকে আবার শুরু হয়েছে অমরনাথ যাত্রা ৷ পহলগাঁও রুটে প্রথম বেসক্যাম্প নুনওয়ান এবং পবিত্র গুহার আগে শেষ বেসক্যাম্প পঞ্চতারনি থেকে এগিয়েছে পুণ্যার্থীদের যাত্রা ৷ অন্তত ৫ হাজার পুণ্যার্থী সোমবার দর্শন করেছেন পবিত্র গুহায় ৷ এই নিয়ে এ বার পবিত্র গুহায় পৌঁছলেন অন্তত ১ লক্ষ ২০ হজার পুণ্যার্থী ৷

  • Amarnath yatra: অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিয়ে কী বললেন বেঁচে ফেরা যাত্রীরা?

    Amarnath yatra: অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিয়ে কী বললেন বেঁচে ফেরা যাত্রীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘভাঙা বৃষ্টির (Cloudburst) বিধস্ত তুষারতীর্থ অমরনাথ (Amarnath)। মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৬ জন। নিখোঁজ হয়েছেন প্রায় ৪০ জন। ১৫ হাজার পুণ্যার্থীকে (Piolgrims) উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে। প্রবল জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে পুণ্যার্থীদের তাঁবু। দুর্ঘটনার জেরে আপাতত বাতিল করা হয়েছে তুষারতীর্থ যাত্রা। বরাত জোরে যাঁরা বেঁচে ফিরেছেন, তাঁরা জানাচ্ছেন তাঁদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা।  

    আরও পড়ুন : মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে বিধ্বস্ত তুষারতীর্থ অমরনাথ, আপাতত স্থগিত যাত্রা

    উত্তর প্রদেশের হরদই এলাকা থেকে তুষারলিঙ্গ দর্শনে এসেছিলেন দীপক চৌহান নামে এক পুণ্যার্থী। তিনি বলেন, আতঙ্কে সবাই ছোটাছুটি করছেন। পদপিষ্ট হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেনা জওয়ানদের তৎপরতায় তা হয়নি। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে পুণ্যার্থীদের বহু তাঁবু। বরাত জোরে বেঁচে ফিরেছেন মহারাষ্ট্রের তীর্থযাত্রী সুমিত। তিনি বলেন, মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বান আসে। বানের তোড়ে ভেসে আসে প্রচুর বড় বড় পাথর। যেখানে ঘটনাটি ঘটেছে, আমরা ছিলাম সেখান থেকে দু কিলোমিটার দূরে।

    আরও পড়ুন : অমরনাথ যাত্রা শুরু ৩০ জুন, এগুলি সঙ্গে না রাখলে পড়বেন সমস্যায়

    ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সাক্ষী হয়েছেন আরও এক পুণ্যার্থী। তিনি বলেন, যখন মেঘভাঙা বৃষ্টি শুরু হয়, তখনকার দৃশ্য চোখে দেখা যায় না। তার পরেই দেখি চারদিকে শুধুই জল আর জল। আমাদের দলে সাত-আটজন ছিলাম। ভোলেনাথের কৃপায় আমরা সবাই বেঁচে গিয়েছি। তবে বানের তোড়ে পুণ্যার্থী ও তাঁদের ব্যাগপত্র ভেসে যেতে দেখার দুঃসহ অভিজ্ঞতাও হয়েছে। তিনি বলেন, মেঘভাঙা বৃষ্টির দশ মিনিটের মধ্যেই আটজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। জলের তোড়ে ভেসে এসেছিল প্রচুর বড় বড় পাথর। হাজার পনের তীর্থযাত্রী ছিলেন। বৃষ্টি সত্ত্বেও চলছিল যাত্রা। তার পরেই এই দুর্ঘটনা।

    এদিন সকাল থেকেও উদ্ধারকাজ চালান ইন্দো টিবেটান বর্ডার পুলিশের কর্মীরা। জম্মু-কাশ্মীরের গান্ডেরবালের চিফ মেডিক্যাল অফিসার চিকিৎসক এ সাহা বলেন, অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে শুক্রবারই ১৩ জন মারা গিয়েছেন। ৪৮ জনেরও বেশি পুণ্যার্থী জখম হয়েছেন। আহত তীর্থযাত্রীদের আপার হোলি কেভ, লোয়ার হোলি কেভ এবং পঞ্চতরণী এলাকার হাসপাতালগুলিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

     

  • Amarnath: অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি নয়, তবে কেন দুর্ঘটনা? কী বলছেন আবহ বিজ্ঞানীরা?

    Amarnath: অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি নয়, তবে কেন দুর্ঘটনা? কী বলছেন আবহ বিজ্ঞানীরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে (Cloudburst) বিধস্ত তুষারতীর্থ অমরনাথ (Amarnath)। মৃতের সংখ্যা অন্তত ১৬ জন। খোঁজ নেই প্রায় ৪০ জনের। ১৫ হাজার পুণ্যার্থীকে (Pilgrims) উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে। প্রবল জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে পুণ্যার্থীদের তাঁবু। দুর্ঘটনার জেরে আপাতত বাতিল করা হয়েছে তুষারতীর্থ যাত্রা। তবে এই বৃষ্টিকে মেঘভাঙা বৃষ্টি বলতে রাজি নয় আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানান, হড়পা বানের জেরেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। পাহাড়ের উঁচু ঢালে মুষলধারে বৃষ্টিপাত হলে এক সঙ্গে প্রচুর জল গড়িয়ে পড়ে। একে হড়পা বান বলে। এদিনও হয়েছে তাই। সেই জলই ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে অমরনাথ যাত্রার পুণ্যার্থী ও তাঁদের তাঁবু।

    আরও পড়ুন : মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে বিধ্বস্ত তুষারতীর্থ অমরনাথ, আপাতত স্থগিত যাত্রা

    এই আবহ বিজ্ঞানী জানান, শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটে থেকে সাড়ে ছটার মধ্যে ওই এলাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৩১ মিলিমিটার। একে মেঘভাঙা বৃষ্টি বলা যায় না। কোনও একটি জায়গায় এক ঘণ্টায় যদি ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়, তবে বিজ্ঞানের পরিভাষায় তাকে বলা হয় মেঘভাঙা বৃষ্টি। অমরনাথ গুহার কাছেই রয়েছে একটি আবহাওয়া অফিস। তীর্থযাত্রার আগে আগে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয় এখান থেকেই। সেই মতো ব্যবস্থা করা হয় তীর্থযাত্রার। শ্রীনগরের আঞ্চলিক আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর সোনাম লোটাসের গলায়ও মহাপাত্রের কথার প্রতিধ্বনি। তিনি বলেন, শুক্রবারের ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে প্রচুর মেঘ জমে যাওয়ার জের। তিনি বলেন, শুক্রবার অমরনাথ গুহা এলাকায় প্রচুর মেঘ জমেছিল। তার জেরেই ঘটেছে দুর্ঘটনা। তিনি জানান, চলতি বছরের গোড়ার দিকেও একবার এমন বৃষ্টি হয়েছিল।

    অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিয়ে কী বললেন বেঁচে ফেরা যাত্রীরা?

    তবে এই বৃষ্টির জেরে ঘটেছে প্রাণহানির ঘটনা। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে পুণ্যার্থীদের তাঁবু, লঙ্গরখানা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধার কাজ। বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের লোকজনের পাশাপাশি জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং ইন্দোটিবেটান পুলিশের কর্মীরাও হাত লাগান উদ্ধার কাজে। তার জেরে বেঁচে ফিরেছেন বহু পুণ্যার্থী।

    •  
  • Amarnath:   অমরনাথে বাঙালি ছাত্রীর মৃত্যু, আটকে ১৬, চালু হেল্পলাইন

    Amarnath:   অমরনাথে বাঙালি ছাত্রীর মৃত্যু, আটকে ১৬, চালু হেল্পলাইন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথে (Amarnath) মেঘভাঙা বৃষ্টির (Cloudburst) সঙ্গে নেমে আসা আকস্মিক বিপর্যয়ের অভিঘাতের ধাক্কা লেগেছে বাংলায়ও। মৃত্যু হয়েছে এক বাঙালি ছাত্রীর (Student)। এমতাবস্থায় তুষারতীর্থে আটকে থাকা এ রাজ্যের তীর্থযাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে তৎপর রাজ্য সরকার। অমরনাথে আটকে থাকা বাংলার বাসিন্দাদের জন্য চালু করা হয়েছে হেল্পলাইন (Help Line)। জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগও রাখা হচ্ছে রাজ্য সরকারের তরফে। দিল্লির রেসিডেন্ট কমিশনারকেও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।

    শুক্রবার বিকেলে আচমকাই মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে মৃত্যু হয় ১৬ জন পুণ্যার্থীর। জলের তোড়ে ভেসে যায় পুণ্যার্থীদের তাঁবু, লঙ্গরখানা। তুষারতীর্থ দর্শনে গিয়ে যে ক’জন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছেন এক বাঙালি ছাত্রীও। তিনি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের বাসিন্দা। নাম বর্ষা মুহুরি। বারুইপুরের একটি কলেজে ভূগোলে এমএসসি-র ছাত্রী ছিলেন। জানা গিয়েছে,  ছ’ জনের একটি দলের সঙ্গে অমরনাথ দর্শনে গিয়েছিলেন ওই ছাত্রীও। ১ জুলাই কলকাতা থেকে উত্তর ভারতের উদ্দেশে রওনা দেন তাঁরা। প্রথমে পহেলগাঁওয়ের একটি জায়গায় ছিলেন। সেখান থেকে শুরু করেন অমরনাথ যাত্রা। তার পরেই মেঘভাঙা বৃষ্টির শিকার।

    আরও পড়ুন : অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি, ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিয়ে কী বললেন বেঁচে ফেরা যাত্রীরা?

    অমরনাথে এখনও আটকে রয়েছেন রাজ্য়ের কয়েকজন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ির ৬ জন, কলকাতার ৮ জন এবং পুরুলিয়ার ২ জন। কলকাতার এই আটজনের মধ্যে রয়েছেন বিপুল ঘোষ নামে একজন। তিনি কলকাতার লেকটাউনের দক্ষিণদাঁড়ির বাসিন্দা। ৫ জুলাই জম্মু-তাওয়াই এক্সপ্রেসে চড়েন বিপুল। বছর পঁয়তাল্লিশের ওই ব্যক্তি পেশায় ব্যবসায়ী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেষ্টপুরের আরও সাতজন। শুক্রবার রাতে বিপুল বাড়িতে ফোন করে জানান, তাঁরা পহেলগাঁও বেস ক্যাম্পে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন : অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টি নয়, তবে কেন দুর্ঘটনা? কী বলছেন আবহ বিজ্ঞানীরা?

    এদিকে, আটকে পড়া পুণ্যার্থীদের খবরাখবর পেতে হেল্পলাইন নম্বর চালু করেছে নবান্ন। নম্বরটি হল, ০৩৩-২২১৪৫২৬। নম্বর চালু থাকবে ২৪ ঘণ্টাই। প্রসঙ্গত, অমরনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে ৪৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর। নিখোঁজ পুণ্যার্থীদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন মাউন্টেন রেসকিউ টিম ও অন্যান্য দলের সদস্যরা।

LinkedIn
Share