Tag: Amit Shah

Amit Shah

  • Amit Shah Praises Suvendu: বিএসএফকে দ্রুত জমি, অনুপ্রবেশে জিরো টলারেন্স! শুভেন্দুর সরকারের ভূয়সী প্রশংসায় অমিত শাহ

    Amit Shah Praises Suvendu: বিএসএফকে দ্রুত জমি, অনুপ্রবেশে জিরো টলারেন্স! শুভেন্দুর সরকারের ভূয়সী প্রশংসায় অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ ও সীমান্ত সুরক্ষায় নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে নতুন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক তৎপরতার এবার ভূয়সী প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বিএসএফ-কে দ্রুত জমি হস্তান্তর এবং অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের কড়া অবস্থানের পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ভূয়সী প্রশংসা অমিত শাহর

    বৃহস্পতিবার গান্ধিনগরে নিজের সংসদীয় ক্ষেত্রের এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে পূর্বতন সরকারের সমালোচনাও করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখন প্রতিদিন সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটত। কিন্তু রাজ্যে আমাদের সরকার আসার পর সেই পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন হয়েছে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী অনুপ্রবেশ ঠেকাতে অত্যন্ত কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-কে জমি দেওয়ার প্রক্রিয়াও দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর কথায়, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে রাজ্য ও কেন্দ্রের সমন্বিত উদ্যোগ ইতিমধ্যেই ইতিবাচক ফল দিতে শুরু করেছে।

    সাত দিনের মধ্যেই ৬০০ হেক্টর জমি হস্তান্তর

    পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বড়সড় পরিবর্তন শুরু হয়েছে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র সাত দিনের মধ্যেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য ৬০০ হেক্টর জমি সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর হাতে তুলে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে রাজ্য সরকার দ্রুত পদক্ষেপ করেছে এবং কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ শুরু করেছে। অমিত শাহ বলেন, “অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে কেন্দ্র সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারও সেই নীতিতেই কাজ করছে।”

    ‘চিকেন’স নেক’ করিডরের ১২১ হেক্টর জমিও হস্তান্তর

    সভা থেকে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উত্তরবঙ্গের কৌশলগত ‘চিকেন’স নেক’ করিডর এলাকার ১২১ হেক্টর জমিও ভারত সরকারের হাতে তুলে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই করিডরটি উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের সংযোগ রক্ষা করে। ফলে এলাকাটির নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়ানোকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কেন্দ্র। অমিত শাহের দাবি, এই জমি হস্তান্তরের ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগোবে।

    তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

    এদিনের বক্তব্যে প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের কড়া সমালোচনাও করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, পূর্বতন সরকারের আমলে প্রতিদিনই পশ্চিমবঙ্গে অবাধ অনুপ্রবেশ চলত এবং সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে প্রশাসনিক উদাসীনতা ছিল স্পষ্ট।
    অমিত শাহ বলেন, বিজেপি বিধানসভা নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ দ্রুত সম্পন্ন করা হবে। তিনি দাবি করেন, নতুন সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

    দ্রুত শুরু হবে সীমান্তে বেড়া নির্মাণের কাজ

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, বিএসএফ-এর হাতে জমি হস্তান্তরের ফলে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করা সম্ভব হবে। দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বহু এলাকায় বেড়া নির্মাণের কাজ আটকে ছিল বলে কেন্দ্রের দাবি। কেন্দ্র মনে করছে, সীমান্তে আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা, অতিরিক্ত চৌকি নির্মাণ এবং কাঁটাতারের বেড়া অনুপ্রবেশ অনেকটাই কমিয়ে আনবে।

    জেলায় জেলায় ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ

    রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করতে প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই উদ্দেশ্যে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিশেষ ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশও জারি করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করে অমিত শাহ বলেন, “কঠোর প্রশাসনিক নজরদারি ও আইন প্রয়োগের ফলে অনুপ্রবেশকারীদের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু অনুপ্রবেশকারী স্বেচ্ছায় নিজেদের দেশে ফিরে যেতে শুরু করেছেন।”

    দেশজুড়ে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার পরিকল্পনা

    সভা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, গোটা দেশ থেকেই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত করে বহিষ্কার করার ব্যাপারে কেন্দ্র সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, “যাঁরা স্বেচ্ছায় ফিরে যেতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে প্রশাসন সহযোগিতা করবে। কিন্তু দেশের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও আপস করা হবে না।” অমিত শাহের দাবি, কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ অভিযানের ফলে অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ইতিমধ্যেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এবং বড়সড় অভিযান শুরু হওয়ার আগেই অনেকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অমিত শাহের এই বক্তব্যকে সামনে রেখে বিজেপি নেতৃত্ব সীমান্ত নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ রোধে সরকারের কঠোর অবস্থানকে বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে।

  • Amit Shah: সীমান্তে কড়া অ্যাকশন অমিত শাহের, ১৫ কিমির মধ্যে সব অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    Amit Shah: সীমান্তে কড়া অ্যাকশন অমিত শাহের, ১৫ কিমির মধ্যে সব অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবার আরও কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্র। সীমান্তের ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে গড়ে ওঠা সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পাশাপাশি সীমান্ত জেলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেন, জাল আধার চক্র, মাদক পাচার, অনুপ্রবেশ এবং ভুয়ো সংস্থার বিরুদ্ধে কঠোর নজরদারির নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার রাজস্থানের বিকানেরে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী জেলার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকে এই নির্দেশ দেন অমিত শাহ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মা, রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিক, পাঁচ সীমান্ত জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপাররা। এই পাঁচ জেলা হল বিকানের, জয়সলমের, বারমের, শ্রীগঙ্গানগর এবং ফলোদি।

    ১৫ কিমি সীমান্ত এলাকায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ

    বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে বেআইনিভাবে তৈরি হওয়া সমস্ত নির্মাণের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করতে হবে। বছরের পর বছর ধরে গড়ে ওঠা এই ধরনের সমস্ত অবৈধ কাঠামো চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ নির্মাণ অনেক সময় অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, বেআইনি আর্থিক লেনদেন এবং জঙ্গি কার্যকলাপের আড়াল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। তাই এই ধরনের নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    ব্যাঙ্ক লেনদেন ও ভুয়ো সংস্থার উপর কড়া নজর

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সীমান্তবর্তী জেলার জেলাশাসকদের আরও বেশি ক্ষমতা ও দায়িত্ব দিয়েছে। নির্দেশ অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় সমস্ত ব্যাঙ্কের আর্থিক লেনদেনের বৈধতা খতিয়ে দেখতে হবে। বিশেষ করে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলির অর্থের উৎস যাচাই, ভুয়ো সংস্থা বা শেল কোম্পানি শনাক্ত করা, মিউল অ্যাকাউন্টের সন্ধান এবং জাল আধার কার্ড চক্র ধরতে হবে প্রশাসনকে। আধিকারিকদের মতে, সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অনেক সময় ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ পাচার, জঙ্গি অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক চোরাচালান চালানো হয়। সেই কারণেই আর্থিক নজরদারিকে এবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ করা হচ্ছে।

    মাদক পাচার ও অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা

    বৈঠকে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিকে মাদক পাচার ও অপরাধ চক্রের উৎস, নেটওয়ার্ক এবং কার্যপদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত সমীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাৎক্ষণিক অভিযান নয়, যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের অপরাধ ফের মাথাচাড়া না দেয়, সেই লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান তৈরির উপর জোর দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘সীমান্ত সুরক্ষা শুধু নিরাপত্তা বাহিনীর কাজ নয়, এর সঙ্গে সাধারণ মানুষ, প্রশাসন এবং বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকেও একযোগে কাজ করতে হবে। সেই কারণে প্রতিটি সীমান্ত জেলার জন্য ‘৩৬০ ডিগ্রি সিকিউরিটি কভার’ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’

    বিএসএফ, এনসিবি ও কর দফতরের যৌথ সমন্বয়ের উপর জোর

    অমিত শাহ সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় বিএসএফ, সিবিডিটি, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) এবং রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে সমন্বিত পদক্ষেপের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, জমি দখল, জঙ্গি অর্থায়ন এবং অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবিলায় যৌথ কৌশল গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম-২ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ

    সীমান্তবর্তী গ্রামের উন্নয়নেও জোর দিয়েছে কেন্দ্র। বৈঠকে ‘ভাইব্র্যান্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম-২’ দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য সীমান্ত গ্রামের পরিকাঠামো উন্নয়ন, প্রশাসনিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া, অর্থনৈতিক অপরাধ রোধ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। শাহ নির্দেশ দেন, সীমান্ত গ্রামের প্রতিটি পরিবার যাতে কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ ১০০ শতাংশ ‘স্যাচুরেশন’ নিশ্চিত করতে হবে প্রশাসনকে।

    সাইবার অপরাধ রুখতে ‘১৯৩০’ হেল্পলাইনের ব্যবহার বাড়ানোর নির্দেশ

    সাইবার অপরাধ মোকাবিলাতেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশ দেন, জাতীয় সাইবার প্রতারণা হেল্পলাইন ‘১৯৩০’-এর কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সীমান্তবর্তী এলাকায় অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল আর্থিক জালিয়াতি এবং সাইবার অপরাধ রুখতে এই ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করার কথা বলা হয়েছে।

    দু’মাস পর ফের পর্যালোচনা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, আগামী দু’মাস পর এই সমস্ত নির্দেশের অগ্রগতি নিয়ে ফের পর্যালোচনা বৈঠক করা হবে। তাই প্রতিটি জেলাকে ফলপ্রসূ ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছেন অমিত শাহ। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তান সীমান্ত ঘেঁষা রাজস্থানের মরু অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচার, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্র এবার আরও কড়া নিরাপত্তা নীতি গ্রহণ করছে।

  • Abhishek Banerjee: ভোটের সময় ‘গুজরাটি গ্যাং’, রাষ্ট্র-বিরোধী মন্তব্যের জের, অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর

    Abhishek Banerjee: ভোটের সময় ‘গুজরাটি গ্যাং’, রাষ্ট্র-বিরোধী মন্তব্যের জের, অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বুয়া’র পর এবার ‘ভাতিজা’কেও কাঠগড়ায় তোলার প্রস্তুতি শুরু! তৃণমূল সুপ্রিমো (TMC) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আগেই দায়ের হয়েছিল এফআইআর, এবার মামলা দায়ের হল তাঁরই ভাইপো তথা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধেও। তাঁর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে এফআইআর দায়ের হল একদা তৃণমূলের খাসতালুক ভবানীপুরে। ভবানীপুর থানায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা তৃণমূলের সম্পাদক অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন অর্ণবকান্তি দাস নামে এক ব্যক্তি। বুধবারই মমতার নামে শিলিগুড়িতে এফআইআর দায়ের করেছিলেন এই আইনজীবী। এফআইআর দায়ের হয়েছিল অভিষেকের বিরুদ্ধেও। তবে উসকানিমূলক মন্তব্য করায় এবার মামলা দায়ের হল তাঁরই পাড়ায়, ভবানীপুর থানায়।

    ‘গুজরাটি গ্যাং’ মন্তব্য (Abhishek Banerjee)

    অর্ণবও ভবানীপুরেরই বাসিন্দা। তিনি জানান, ২ মে এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক লিখেছিলেন, “১০ বার জন্মালেও আপনাদের ‘বাংলা বিরোধী গুজরাটি গ্যাং’ আমার ডায়মন্ড হারবার মডেলের ছিটেফোঁটাও ক্ষতি করতে পারবে না।” অভিষেকের এই মন্তব্যের জেরেই অভিযোগ দায়ের হয়েছে ভবানীপুর থানায়। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে নানা সময় বুয়া-ভাতিজা উসকানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। এর আগে উসকানিমূলক মন্তব্য এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে একটি এফআইআর দায়ের হয়েছিল। অভিষেকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের মোট ৬টি ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়। বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন সমাজসেবী রাজীব সরকার।

    অভিযোগকারীর বক্তব্য

    অর্ণবের দাবি, অভিষেক ওই পোস্টে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন যা, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও জাতীয় সংহতির পক্ষে ক্ষতিকর (Abhishek Banerjee)। এফআইআরে বলা হয়েছে, একজন সাংসদ হিসেবে সংবিধানের সার্বভৌমত্ব ও দেশের আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষার শপথ নেওয়ার পরেও, অভিষেক সমগ্র গুজরাটি সম্প্রদায়কে একটি ‘গ্যাং’ বা অপরাধী চক্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, এই ধরনের মন্তব্য কেবল একটি সম্প্রদায়কে অপমান করে না, বরং দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতির ওপরেও আঘাত হানে। গুজরাটি সমাজ দীর্ঘ দিন ধরে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যবসা-বাণিজ্য, অর্থনীতি, শিল্পোন্নয়ন এবং সমাজসেবামূলক কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। সেই সম্প্রদায়কে কটাক্ষ করা অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ (TMC)।

    সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিরূপ মন্তব্য নয়

    অভিযোগপত্রে এও বলা হয়েছে, রাজনৈতিক মতভেদ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা গণতন্ত্রের অংশ হলেও, কোনও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বা কেন্দ্রীয় ব্যবস্থাকে অপমান করা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানানো কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিকটবর্তী একটি সংবেদনশীল লোকসভা কেন্দ্রের (ডায়মন্ড হারবার) সাংসদের এমন মন্তব্য রাষ্ট্রবিরোধী মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ।

    রাষ্ট্রকেও চ্যালেঞ্জ অভিষেকের!

    অর্ণবের আশঙ্কা, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল যদি উল্টোটা হত এবং তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরত তাহলে এই ধরনের মন্তব্য রাজ্যে বসবাসকারী গুজরাটি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক হিংসার পরিবেশ তৈরি করতে পারত (Abhishek Banerjee)। তাই এই পোস্টকে কেন্দ্র করে সামাজিক উত্তেজনা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাঁর অভিযোগ, ওই পোস্টে অভিষেক কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাষ্ট্রকেও সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। বিশেষ করে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ডায়মন্ড হারবারের অন্তর্গত ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের প্রসঙ্গ টেনে তিনি তথাকথিত (TMC) ‘ডায়মন্ড হারবার মডেল’ রোখার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। তাই পুলিশের কাছে তৃণমূল সম্পাদকের ওই পোস্টের যথাযথ তদন্ত করে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অর্ণব (Abhishek Banerjee)।

     

  • Amit Shah: ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা শাহের

    Amit Shah: ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য অনির্দিষ্ট কারণের ফলে হওয়া ‘অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন’ (Demographic Shifts) যাচাই করতে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মঙ্গলবার এই ঘোষণা করেন শাহ। তিনি এই বিষয়টিকে ভারতের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা, সামাজিক ভারসাম্য এবং আদিবাসী সমাজের সংরক্ষণের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন।

    কী লিখলেন শাহ? (Amit Shah)

    এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে তিনি জানান, গত বছরের স্বাধীনতা দিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই প্যানেল গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। শাহ লিখেছেন, “অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য কারণে সৃষ্ট অস্বাভাবিক জনবিন্যাসের পরিবর্তন বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য যে কোনও দেশের কাছে অত্যন্ত গুরুতর চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য ১৫ অগাস্ট, ২০২৫-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি ‘হাই-লেভেল কমিটি অন ডেমোগ্রাফিক চেঞ্জ’-এর কথা ঘোষণা করেছিলেন। আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে সরকার এখন এই কমিটি গঠন করেছে।”

    কমিটির সদস্য কারা?

    শাহ জানান, এই কমিটির চেয়ারম্যান হবেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নাওলেকর। সদস্য হিসেবে থাকবেন প্রাক্তন আইএএস অফিসার দুর্গা শঙ্কর মিশ্র, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার বালাজি শ্রীবাস্তব, অর্থনীতিবিদ শামিকা রবি এবং জনগণনা কমিশনার। তিনি বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ফরেনার্স-গ্রেড ওয়ান বিভাগের যুগ্মসচিব এই কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে কাজ করবেন।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই কমিটি অবৈধ অভিবাসন এবং অন্যান্য অস্বাভাবিক কারণের ফলে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে যে জনবিন্যাসের পরিবর্তন ঘটছে, তার একটি বিস্তৃত মূল্যায়ন করবে। ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রদায়ভিত্তিক অস্বাভাবিক জনসংখ্যা পরিবর্তনের ধরণ বিশ্লেষণ করে এজন্য একটি পরিকল্পিত ও নির্দিষ্ট সমাধান প্রস্তাব করবে (Amit Shah)।

    সীমান্তবর্তী গ্রামে নিবিড় নজরদারি

    শাহের এই ঘোষণাটি হয়েছে এমন এক দিনে, যেদিন তিনি রাজস্থানের বিকানের জেলার বিএসএফের সাঞ্চু আউটপোস্ট পরিদর্শন করেন। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি জানান, অনুপ্রবেশ, চোরাচালান এবং ড্রোনের মাধ্যমে মাদক পাচারের মতো নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত থেকে বিএসএফের কার্যক্ষেত্র বাড়িয়েছে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত (Amit Shah)। তিনি বলেন, “সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশের কারণে হওয়া জনবিন্যাস পরিবর্তনের (Demographic Shifts) বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে এবং সীমান্তবর্তী গ্রামের কার্যকলাপের ওপর নিবিড় নজরদারি চালাতে হবে।”

     

  • Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে অনড় কেন্দ্র, সীমান্ত সুরক্ষা ও ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প খতিয়ে দেখতে জুনেই রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ

    Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে অনড় কেন্দ্র, সীমান্ত সুরক্ষা ও ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্প খতিয়ে দেখতে জুনেই রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ রোধে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ‘ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট’ অর্থাৎ চিহ্নিতকরণ, বাদ দেওয়া ও বহিষ্কার-এই নীতিতে অবিচল। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবার দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত অঞ্চলগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সীমান্ত (Visit Bengal Borde) এলাকাগুলির সুরক্ষাকবচ নিশ্ছিদ্র করতে সম্প্রতি কেন্দ্র যে ‘স্মার্ট বর্ডার’ (Smart Border) প্রকল্পের ঘোষণা করেছিল, তার বাস্তবায়ন এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি সরজমিনে খতিয়ে দেখতে দেশব্যাপী সফর শুরু করছেন তিনি। এই সফরসূচিতে পশ্চিমবঙ্গও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ২৬ মে রাজাস্থান যাবেন, ৯ মে গুজরাটের ভুজ সফরে যাবেন এবং ৫ জুন ত্রিপুরা সীমান্ত সফরের যাবেন অমিত শাহ। আর ১৫ জুন বঙ্গ সফরে আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সরকার গড়তেই সীমান্ত সুরক্ষাকে প্রাথমিকতা (Amit Shah)

    উল্লেখ্য ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের একটা বড় অংশে বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে বিএসএফকে জমি (Visit Bengal Borde) না দেওয়ার কারণে চোরাচালান, অবৈধ পাচার এবং অনুপ্রবেশের একটা বড় অভিযোগ উঠছিল। তৃণমূল সরকার, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বারবার চাওয়া সত্ত্বেও জমি ও কাটা তারের বেড়া দিতে দেয়নি বলে বিজেপি অভিযোগ করেছে। এবার রাজ্যে বিজেপির সরকার গড়তেই সীমান্ত সুরক্ষাকে প্রাথমিকতা দিয়েছে। ইতিমধ্যে কোচবিহার, মালাদা এবং মুর্শিদবাদে বিএসএফকে জমি দিয়েছে শুভেন্দুর সরকার। এরপরই শাহের (Amit Shah) সফর ঘিরে ব্যাপক রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে।

    রাজস্থান দিয়ে সফর শুরু

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই কর্মসূচির অধীনে মোট চারটি সীমান্ত রাজ্যে সফর করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে এই সফর। প্রথম দফায় তিনি রাজস্থানের বিকানের অঞ্চলের সীমান্ত এলাকাগুলি পরিদর্শন করবেন। সফরকালীন সুরক্ষার রূপরেখা নির্ধারণে রাজস্থানের সীমান্ত (Visit Bengal Borde) সংলগ্ন পাঁচ জেলার জেলাশাসক (DM), পুলিশ সুপার (SP), রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক এবং সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (BSF) ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক করবেন তিনি।

    ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গ সফর তাৎপর্যপূর্ণ সীমান্ত বৈঠক

    আগামী ১৫ জুন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে আসছেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাঁর এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিএসএফ-এর জন্য জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সফরকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর (Amit Shah) সম্ভাব্য কর্মসূচিসমূহ হল–

    সীমান্ত চৌকি পরিদর্শন

    ভারত-বাংলাদেশ (Visit Bengal Borde) সীমান্তের কোনও একটি অগ্রবর্তী বিএসএফ পোস্ট (Border Outpost) পরিদর্শন করবেন এবং বাহিনীর সীমান্ত নজরদারি ও নিরাপত্তা প্রস্তুতি খতিয়ে দেখবেন।

    উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠক

    রাজস্থানের মতোই এ রাজ্যেও সীমান্ত লাগোয়া জেলাগুলির জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, রাজ্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং বিএসএফ ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে সমন্বয় বৈঠক করবেন।

    সমন্বয়ের বার্তা

    দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলের (Visit Bengal Borde) জনবিন্যাসের ভারসাম্য বজায় রাখতে অনুপ্রবেশ সম্পূর্ণ বন্ধ করাই কেন্দ্রের মূল লক্ষ্য। এই উদ্দেশ্য সফল করতে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন ও বিএসএফ-কে পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে একযোগে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    সূত্রের খবর, সীমান্তে অনুপ্রবেশ, গবাদি ও মাদক পাচার, জাল নোট চক্র এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি- এসব কিছু নিয়েই বিস্তারিত পর্যালোচনা করতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। সীমান্ত বাহিনীর বিএসএফের শীর্ষ আধিকারিকদের পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলির জেলা প্রশাসন ও পুলিশকর্তাদেরও প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আগামী দিনের বৈঠক

    চারটি সীমান্ত (Visit Bengal Borde) রাজ্য পরিদর্শনের পর, ‘স্মার্ট বর্ডার’ প্রকল্পের সফল রূপায়ণ ও সীমান্ত সুরক্ষার আধুনিকীকরণ নিয়ে পরবর্তী ধাপে পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) একটি পৃথক ও বিশদ বৈঠকে মিলিত হবেন বলে জানা গেছে।

    ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত কেন গুরুত্বপূর্ণ

    উল্লেখ্য বাংলাদেশে হাসিনাকে বিতারিত করার পর থেকেই জামায়েত- ই-ইসলাম বাংলাদেশে অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। মহম্মদ ইউনুসের আমল থেকে ভারত বিরোধিতার গতিবিধি ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পরবর্তীতে সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলেও জমায়েত এখন বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল। তাঁদের নেতারা সব সময় ভারত বিরোধিতা করতেই মত্ত। সভেন সিস্টার এবং চিকেন নেক নিয়ে প্রায় প্রায় আক্রমণের উত্তেজক ভাষণ শোনা যায়। সম্প্রতি আইএসআইয়ের সঙ্গে  জামাতের গোপন চুক্তি সামনে এসেছে। একই ভাবে বাংলাদেশের নির্বাচনে ভারত সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশের জেলাগুলিতে জামত এক চেটিয়া আসন লাভ করেছে। সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী, রংপুর-সহ আরও এলাকায় জামাত একাধিপত্য লাভ করেছে। তাই এই অবস্থায় পাকিস্তানের ভারত বিরোধী কর্মকাণ্ডের যাতে অন্যতম হাব বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলে না হয় সেই দিকেই নজর রেখে ভারত সরকার স্মার্ট বর্ডার নির্মাণের রূপরেখে ঠিক করেছে। তাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

  • Amit Shah: আদিবাসীদের ওপর অভিন্ন দেওয়ানি বিধির কোনও ধারা চাপানো হবে না, ‘ষড়যন্ত্রের’ ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান অমিত শাহের

    Amit Shah: আদিবাসীদের ওপর অভিন্ন দেওয়ানি বিধির কোনও ধারা চাপানো হবে না, ‘ষড়যন্ত্রের’ ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, প্রস্তাবিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) আদিবাসীদের ওপর কোনওভাবেই প্রভাব ফেলবে না। একই সঙ্গে তিনি আদিবাসী সম্প্রদায়কে এই বিষয়ে ছড়ানো ‘ষড়যন্ত্র’ ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ফাঁদে পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) শাসিত যে রাজ্যগুলিতে ইতিমধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC) কার্যকর করা হয়েছে, সেখানে আদিবাসী সম্প্রদায়কে এর আওতার বাইরে রাখার জন্য বিশেষ ব্যবস্থার সংস্থান রেখেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।”

    দিল্লিতে ভগবান বিরসা মুণ্ডার ১৫০ তম জন্ম দিবস উপলক্ষে আরএসএস ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব এবং পশ্চিম প্রান্ত থেকে হাজার হাজার আদিবাসী বনবাসী এবং জনজাতি সমাজের মানুষ যোগদান করেন।

    ‘জনজাতীয় সাংস্কৃতিক সমাগম’

    রবিবার দিল্লির লালকেল্লা ময়দানে ভগবান বিরসা মুন্ডার সার্ধশততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘জনজাতীয় সাংস্কৃতিক সমাগম’-এ বক্তব্য রাখার সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিতশাহ (Amit Shah) বলেন, “বর্তমানে একটি ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে যেখানে দাবি করা হচ্ছে যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) কারণে আদিবাসী সম্প্রদায় তাঁদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং নিজস্ব রীতিনীতি অনুযায়ী জীবনযাপনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। আজ এই মঞ্চ থেকে, নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আমি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির (UCC) কোনও ধারাই আদিবাসী সম্প্রদায় বা বনবাসী সমাজের ওপর জোরপূর্বক চাপানো হবে না।”

    প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ভয় পাবেন না 

    অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “যেসব রাজ্যে বিজেপি সরকার ইউসিসি (UCC) চালু করেছে, সেখানে নরেন্দ্র মোদি প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যাতে সমস্ত আদিবাসী সম্প্রদায় এর আওতার বাইরে থাকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদিবাসী সমাজকে এই প্রস্তাবিত আইন নিয়ে ভয় না পাওয়ার অনুরোধ জানান এবং গ্রাম ও বনাঞ্চলে এই বিষয়ে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আপিল করেন।”

    বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টাকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, “আমি বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারীদের বলতে চাই যে, ইউসিসি (UCC) কোনও আদিবাসী বা বনবাসী ভাই-বোনের ঐতিহ্য ও রীতিনীতিতে হস্তক্ষেপ করবে না। এই বার্তা প্রতিটি গ্রামে, প্রতিটি অঞ্চলে, পাহাড়ে ও জঙ্গলে পৌঁছে দিন এবং প্রতিটি আদিবাসী সম্প্রদায়কে সচেতন করুন যে ইউসিসি নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।” ‘জনজাতি সুরক্ষা মঞ্চ’ আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ অংশ নেন।

    নকশালবাদের অবসান ও উন্নয়ন

    নকশালবাদ প্রসঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “মোদি সরকার গত পাঁচ দশক পুরোনো এই অভিশাপকে নির্মূল করেছে এবং বর্তমানে দেশ নকশাল সমস্যা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হওয়ার পথে। আজ আদিবাসী সম্প্রদায়ের এই মহাসমাবেশে আমি অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে বলতে পারি যে, আমাদের দেশ নকশাল সমস্যা থেকে পুরোপুরি মুক্ত হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যারা হিংসার মাধ্যমে আদিবাসী সমাজের উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল, তাদের কারণে প্রায় ৪০,০০০ আদিবাসী মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আমরা এখন সেই সংকট থেকে সম্পূর্ণ বেরিয়ে এসেছি। এখন পাহাড়, জঙ্গল ও আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চলগুলিতে দ্রুত উন্নয়নের সময় এসেছে।” উল্লেখ্য দিল্লিতে আরএসএস (RSS)-এর সহযোগী সংগঠনগুলির দ্বারা আয়োজিত এই সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

    আদিবাসী কল্যাণ ও বাজেট বরাদ্দ

    আদিবাসী কল্যাণে বরাদ্দের খতিয়ান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারগুলিকে আক্রমণ করেন। মোদি সরকার আদিবাসী সমাজের জন্য বাজেট বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আগে আদিবাসী কল্যাণের মোট বাজেট ছিল মাত্র ২৮,০০০ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদিজি তা বাড়িয়ে ১.৫ লাখ কোটি টাকা করেছেন।”

    তিনি আরও স্মরণ করিয়ে দেন যে, “প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রথম পৃথক আদিবাসী বিষয়ক মন্ত্রক (Ministry of Tribal Affairs) গঠন করেছিলেন এবং আদিবাসী কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কৃতিত্ব বিজেপিরই প্রাপ্য।”

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর প্রসঙ্গ

    দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দ্রৌপদী মুর্মুর নির্বাচিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এটি আদিবাসী সমাজের জন্য সর্বোচ্চ স্তরে সম্মান ও প্রতিনিধিত্ব বয়ে এনেছে। স্বাধীনতার ৭৬ বছরে কোনও আদিবাসী ব্যক্তিত্ব দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে বসেননি। নরেন্দ্র মোদিজি একটি দরিদ্র আদিবাসী পরিবারের নারী, দ্রৌপদী মুর্মুজিকে রাষ্ট্রপতি পদে উন্নীত করে সমগ্র আদিবাসী সমাজকে সম্মানিত করেছেন।”

  • BSF Women Expedition Team: এভারেস্টের চূড়ায় ‘বন্দে মাতরম’! ইতিহাস গড়লেন বাংলার মুনমুন সহ বিএসএফ-এর ৪ মহিলা জওয়ান

    BSF Women Expedition Team: এভারেস্টের চূড়ায় ‘বন্দে মাতরম’! ইতিহাস গড়লেন বাংলার মুনমুন সহ বিএসএফ-এর ৪ মহিলা জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করে ইতিহাস গড়লেন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ-এর (Border Security Force) চার মহিলা কনস্টেবল। বিএসএফ এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘মিশন বন্দে মাতরম’। দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ইতিহাসে এটিই বিএসএফ-এর প্রথম সর্ব-মহিলা এভারেস্ট অভিযান। দেশজুড়ে ইতিমধ্যেই বিএসএফ-এর এই কৃতিত্ব নিয়ে প্রশংসার ঝড় উঠেছে। বলা হচ্ছে, এই সাফল্য শুধু পর্বতারোহণ নয়, দেশের নিরাপত্তা বাহিনীতে মহিলাদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা ও সক্ষমতারও প্রতীক।

    চার সাহসিনী কারা?

    এই চার সাহসী আরোহী হলেন লাদাখের কাউসার ফাতিমা, পশ্চিমবঙ্গের মুনমুন ঘোষ, উত্তরাখণ্ডের রেবেকা সিং এবং কার্গিলের সেরিং চোরোল। গত ৬ এপ্রিল নয়াদিল্লি থেকে বিএসএফ-এর ডিরেক্টর জেনারেল প্রবীণ কুমার অভিযানের সূচনা করেছিলেন। বিএসএফ-এর ডায়মন্ড জুবিলি বর্ষ এবং ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তিকে সামনে রেখেই এই বিশেষ অভিযান সংগঠিত হয়। বুধবার সকাল ৮টা নাগাদ ৮,৮৪৮.৮৬ মিটার উচ্চতার এভারেস্ট শৃঙ্গে পৌঁছে ভারতের জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ গেয়ে নজির সৃষ্টি করেন তাঁরা।

    এভারেস্টের চূড়ায় ‘বন্দে মাতরম’

    বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, শৃঙ্গে পৌঁছনোর পর চার মহিলা কনস্টেবল একসঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’ গানটি গেয়ে ওঠেন। এত উচ্চতায় দাঁড়িয়ে এই প্রথমবার জাতীয় গান পরিবেশিত হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এভারেস্ট বেস ক্যাম্প থেকে রেডিও লিঙ্কের মাধ্যমে দলের সঙ্গে কথা বলেন বিএসএফ ডিজি প্রবীণ কুমার। তিনি অভিযাত্রীদের অভিনন্দন জানান এবং তাঁদের এই সাফল্যকে গোটা দেশের গর্ব বলে উল্লেখ করেন।

    অমিত শাহের অভিনন্দনবার্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বিএসএফ-এর সর্ব-মহিলা দলের এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, “নারীশক্তি বিএসএফ-এর অদম্য ক্ষমতার প্রমাণ দিল। বাহিনীর ডায়মন্ড জুবিলি উপলক্ষে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয় করে এবং আকাশে বন্দে মাতরম ধ্বনি তুলে তাঁরা সাহস, দেশপ্রেম ও আত্মনিবেদনের এক বিরল উদাহরণ স্থাপন করেছেন।” এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, বিএসএফ অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ।

    বাংলার মুনমুন ঘোষের এভারেস্ট-জয়

    চারজনই দেশের চার ভিন্ন ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক অঞ্চল থেকে উঠে এসেছেন। কাউসার ফাতিমা এবং সেরিং চোরোল উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দা হওয়ায় তাঁদের শরীর স্বাভাবিকভাবেই কম অক্সিজেনের পরিবেশে মানিয়ে নিতে সক্ষম। হিমালয় অভিযানে এই অভিজ্ঞতা বড় সুবিধা হিসেবে কাজ করেছে। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুনমুন ঘোষ এবং উত্তরাখণ্ডের রেবেকা সিং বিএসএফ-এর সর্বভারতীয় নিয়োগ ব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চারজনই কনস্টেবল পদমর্যাদার জওয়ান। ভারতীয় সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীতে উচ্চতর পর্বতারোহণ অভিযানে সাধারণত উচ্চপদস্থ বা বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদেরই দেখা যায়। সেই জায়গায় কনস্টেবল পদে থাকা মহিলা জওয়ানদের এই সাফল্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিএসএফ-এর পর্বতারোহণ ইতিহাস

    বিএসএফ-এর দীর্ঘদিনের পর্বতারোহণ ঐতিহ্য রয়েছে। বাহিনীটি ইতিমধ্যেই ৫০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ শৃঙ্গ জয় করেছে। এর আগে ২০০৬ এবং ২০১৮ সালে বিএসএফ-এর পুরুষ সদস্যদের দল সফলভাবে এভারেস্ট অভিযান সম্পন্ন করেছিল। ভারতীয় মহিলা পর্বতারোহণের ইতিহাসে প্রথম বড় মাইলফলক আসে ১৯৮৪ সালে, যখন বচেন্দ্রী পাল প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন। পরে ১৯৯২ সালে সাত ভারতীয় মহিলার একটি দল একসঙ্গে এভারেস্টে ওঠেন। ২০১৩ সালে ৪৮ বছর বয়সে প্রেমলতা আগরওয়ালও এভারেস্ট জয় করে ইতিহাস গড়েছিলেন। বিএসএফ-এর এই নতুন সাফল্য সেই দীর্ঘ সংগ্রামী ঐতিহ্যেরই নতুন অধ্যায় বলে মনে করা হচ্ছে।

    ২০২৬ মরশুমে এভারেস্টে ভিড়

    এ বছর নেপালের দিক থেকে এভারেস্ট অভিযানে ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নেপাল সরকার রেকর্ড সংখ্যক ক্লাইম্বিং পারমিট ইস্যু করেছে। ফলে ২০২৬ সালের মরশুমকে এভারেস্ট ইতিহাসের অন্যতম ব্যস্ত মরশুম হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    এবার লক্ষ্য লোৎসে

    মহিলা দলের এভারেস্ট জয়ের পর এবার বিএসএফ-এর একটি সর্ব-পুরুষ দল বিশ্বের চতুর্থ উচ্চতম শৃঙ্গ লোৎসে (৮,৫১৬ মিটার) জয়ের চেষ্টা করবে। এভারেস্ট এবং লোৎসের রুট অনেকটাই এক হলেও ক্যাম্প ৩-এর পর পথ আলাদা হয়ে যায়। লোৎসে ফেস পেরিয়ে আলাদা কুলোয়ার ধরে শৃঙ্গে পৌঁছতে হয়।

  • Modi-Suvendu Meeting: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি? দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দুর নজরে বাংলার উন্নয়ন

    Modi-Suvendu Meeting: ডবল ইঞ্জিন সরকারের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি? দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দুর নজরে বাংলার উন্নয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। রাজধানীতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ও কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। দিল্লিতে পৌঁছেই তিনি যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বাসভবনে। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে দু’জনের মধ্যে বৈঠক হয়। শুক্রবার সকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ সারেন শুভেন্দু। এরপর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Droupadi Murmu) সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে তাঁর। দুপুরে উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকের পর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) সঙ্গেও তাঁর বৈঠক হতে পারে বলে সূত্রের খবর।

    রাজ্যে মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে আলোচনা…

    বাংলায় পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন কবে হবে এবং কোন নেতার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফরকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বাংলার মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই রাজ্যে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা ঘোষণা হতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।

    সিএএ প্রসঙ্গে কথা…

    শাহ-শুভেন্দু বৈঠকে মন্ত্রিসভা গঠন ছাড়াও সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ এবং সিএএ বাস্তবায়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। মন্ত্রিসভায় কাদের জায়গা দেওয়া হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত কথা হয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক স্তর থেকে প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শুধু প্রাক্তন বিধায়ক নন, পুরসভা ও পঞ্চায়েত স্তরে জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে।

    আলোচনা কাঁটাতার ও সীমান্ত নিয়েও…

    এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতার নির্মাণের জন্য জমি সংক্রান্ত অনুমোদন এবং পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ কার্যকর করার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ভূমিকা কী হবে, সেই বিষয়টিও বৈঠকে উঠে এসেছে। পাশাপাশি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন অমিত শাহ।

    বিকেলের মোদি-শুভেন্দু বৈঠকে নজর

    অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকও রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন, ডবল ইঞ্জিন সরকারের রূপরেখা এবং আগামী দিনের প্রশাসনিক পরিকল্পনা নিয়ে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। নতুন সরকার গত দুই সপ্তাহে কী কী পদক্ষেপ করেছে, সে বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়া রাজ্যের আর্থিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রের কাছে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের দাবি তোলা হতে পারে বলেও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের বকেয়া, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় এবং পশ্চিমবঙ্গে ভারী শিল্প ও অন্যান্য বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

  • NCB: বিপুল পরিমাণ সিন্থেটিক মাদক বাজেয়াপ্ত করল এনসিবি, বাজার মূল্য শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    NCB: বিপুল পরিমাণ সিন্থেটিক মাদক বাজেয়াপ্ত করল এনসিবি, বাজার মূল্য শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ড্রাগ-মুক্ত ভারত অভিযানে মিলল গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। এই  প্রথমবার বিপুল পরিমাণ ক্যাপ্টাগন (Captagon) নামক সিন্থেটিক মাদক বাজেয়াপ্ত করল নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো, (এনসিবি) যার (NCB) আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ১৮২ কোটি টাকারও বেশি।

    ‘অপারেশন রেজপিল’ (NCB)

    আজ, শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এই সাফল্যের খবর জানান। তিনি এও জানান, ‘অপারেশন রেজপিল’ (Operation Ragepill) সফল হয়েছে। তিনি বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে পাচারের লক্ষ্যে পাঠানো এই মাদকের চালান আটক করা এবং এক বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা ভারতের ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির উজ্জ্বল উদাহরণ।” এনসিবি কর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “ভারতের ভেতরে ঢোকা বা ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাইরে পাঠানো প্রতিটি গ্রাম মাদক চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    ‘জেহাদি ড্রাগ ক্যাপ্টাগন’ কী? 

    প্রশ্ন হল, কী এই ‘জেহাদি ড্রাগ ক্যাপ্টাগন’? ‘ক্যাপ্টাগন’ হল ফেনেথাইলিন (Fenethylline) নামের একটি সিন্থেটিক অ্যাম্ফেটামিন-জাতীয় উত্তেজক মাদকের ব্র্যান্ড নাম। এটি ছয়ের দশকে অ্যাম্ফেটামিন এবং থিওফাইলিনের যৌগিক ওষুধ হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল। প্রথমদিকে এডিএইচডি, নারকোলেপসি এবং অতিরিক্ত ক্লান্তির চিকিৎসায় এটি ব্যবহার করা হত। কিন্তু উচ্চ মাত্রার অপব্যবহারের ঝুঁকির কারণে আটের দশকে বিশ্বজুড়ে এটি নিষিদ্ধ করা হয়। বর্তমানে অবৈধভাবে তৈরি হওয়া ক্যাপ্টাগনে (বিশেষ করে সিরিয়া ও লেবাননে উৎপাদিত) সাধারণত অ্যাম্ফেটামিনের সঙ্গে ক্যাফেইন বা অন্যান্য রাসায়নিক মিশ্রিত থাকে। ফলে ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত সতর্কতা, উচ্ছ্বাস, খিদে কমে যাওয়া এবং টানা বহুদিন না ঘুমিয়ে থাকার মতো প্রভাবও অনুভব করে।

    ‘কেমিক্যাল সাহস’

    মধ্যপ্রাচ্যের (NCB) সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলিতে ক্যাপ্টাগন ‘জিহাদি ড্রাগ’ নামে পরিচিতি পায়। সিরিয়ায় আইএসআইএস-সহ বিভিন্ন ইসলামি জঙ্গি সংগঠন একে ‘কেমিক্যাল সাহস’ (chemical courage) হিসেবে ব্যবহার করেছে বলেও অভিযোগ। সংবাদমাধ্যম ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মতে, এই মাদকের অবৈধ উৎপাদন ও পাচার যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলির অর্থায়নের অন্যতম উৎস। এই মাদক জঙ্গি সংগঠনগুলি নিজেরা ব্যবহারও করে, আবার বিক্রিও করে। অভিযান চালিয়ে এনসিবি (NCB) প্রায় ২২৭.৭ কেজি এই মাদক উদ্ধার করেছে। এক সিরীয় নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে ভারতে (Amit Shah) অবৈধভাবে ঢুকে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এই মাদক পাচারের চেষ্টা করছিল।

     

  • Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    Annapurna Bhandar: কবে পাবেন ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা? কী জানালেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ জুন থেকেই মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারের’ টাকা। সোমবার নবান্নে বিজেপি-শাসিত সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকের পরেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ (Annapurna Bhandar) চালুর দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল রাজ্য সরকার। এদিন থেকেই সরকারি বাসে চড়লে (WB Govt) মহিলাদের আর ভাড়া দিতে হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডারে’র প্রতিশ্রুতি পূরণ (Annapurna Bhandar)

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনী প্রচারে পশ্চিমবঙ্গে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পর্যন্ত বিজেপির হেভিওয়েট নেতারা বার বার মহিলাদের জন্য অন্নপূর্ণা ভান্ডারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। নয়া সরকারের প্রথম কর্মদিবসেই একে একে সেই প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করা শুরু করলেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। প্রশাসন সূত্রে খবর, লক্ষ্মীর ভান্ডার যাঁরা পেতেন, তাঁরাই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের আওতায় মাসে মাসে তিন হাজার টাকা পাবেন। আপাতত নতুন করে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য আবেদন করার প্রয়োজন নেই। পরবর্তী সময়ে যদি কোনও নথি কিংবা তথ্যের প্রয়োজন হয়, তা জানিয়ে দেওয়া হবে সরকারের তরফে।

    শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কে, কোন দফতর পেলেন

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর সঙ্গেই ব্রিগেড ময়দানে শপথ নিয়েছিলেন বাকি পাঁচ মন্ত্রীও। এদিন তাঁদের দফতর বণ্টন করেন মুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েত, কৃষি বিপণন ও প্রাণিসম্পদ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দিলীপ ঘোষকে (Annapurna Bhandar)। অগ্নিমিত্রা পাল পেয়েছেন নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ দফতর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব (WB Govt)। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক সামলাবেন ক্রীড়া ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর। খাদ‍্য ও সরবরাহ দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অশোক কীর্তনিয়াকে। আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্ষুদিরাম টুডুকে। বাকি সব দফতর আপাতত থাকবে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে। বিজেপি-শাসিত বাংলার মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক শেষে শুভেন্দু জানান, তাঁর মন্ত্রিসভা চলবে সুশাসন ও সুরক্ষার পথে। তিনি এও জানান, বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ‘ডবল ইঞ্জিন সরকার’ যে পথে এগোচ্ছে, পশ্চিমবাংলায়ও সরকার সেই পথেই এগোবে (Annapurna Bhandar)।

     

LinkedIn
Share