Tag: Amit Shah

Amit Shah

  • Amit Shah on CAA: “মমতা দিদি, আপনি কিছুই করতে পারবেন না…”, কোন প্রসঙ্গে একথা বললেন অমিত শাহ?

    Amit Shah on CAA: “মমতা দিদি, আপনি কিছুই করতে পারবেন না…”, কোন প্রসঙ্গে একথা বললেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা ঢেউ কমলেই সিএএ (CAA) চালু করা হবে। বঙ্গ (West Bengal) সফরে এসে এমনটা ফের একবার জানিয়ে দিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly elections) পর প্রায় বছরখানেক কেটে গিয়েছে। দু দিনের সফরে বাংলায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home minister) অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার দুপুরে বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্তে বিএসএফের (BSF) হরিদাসপুর ১৫৮ ব্যাটালিয়নে আসেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ‘মৈত্রী মিউজিয়ামের’ শিলান্যাস করেন। সেখানেই বিজেপি (BJP) নেতা সাংসদ শান্তনু ঠাকুর (Santanu Thakur) সহ বিজেপি নেতা কর্মীরা দেখা করেন শাহের সঙ্গে। 

    বৈঠক শেষে শান্তনু ঠাকুর জানান, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই বাংলায় ‘সিএএ’ চালু করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাংবাদিকদের পাল্টা প্রশ্নের উত্তরে বিজেপি সাংসদ ও মতুয়া মহাসংঘের প্রধান জানান, যদিও এবিষয়ে তাঁর সঙ্গে কোন কথাও হয়নি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

    কিন্তু শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে আলোচনায় যে সিএএ প্রসঙ্গ উঠেছে তা বোঝা গেল শিলিগুড়িতে অমিত শাহের জনসভায়। সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্টই জানান, করোনা প্রকোপ কমলেই চালু হবে সিএএ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে অমিত বলেন, “তৃণমূল (TMC) সিএএ-র বিরোধিতা করছে। সেকারণেই মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তৃণমূল বলছে, সিএএ নাকি কোনও দিনই বাস্তবের আলো দেখবে না। কিন্তু আমি পরিষ্কার বলে দিতে চাই করোনা প্রকোপ কমলেই নাগরিকত্ব পাবেন আমাদের ভাইরা।” 

    অমিত শাহ জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চান অনুপ্রবেশ চলুক। আর বাংলাদেশের হিন্দু শরণার্থীরা কোনওদিন যেন নাগরিকত্ব না পায়। তিনি বলেন, “কান খুলে শুনে নিন, সিএএ ছিল, আছে, থাকবে। মমতা (Mamata) দিদি, আপনি কিছুই করতে পারবেন না।”

    গত লোকসভা নির্বাচনে সিএএ চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী সাফল্য পেয়েছিল বিজেপি। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সংসদে পাশ হয় সিএএ আইন (Citizenship Act)। করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ায় সিএএ কার্যকর করার কোনও পদক্ষেপ করেনি কেন্দ্র। সিএএ-র দাবিতে আন্দোলনও করেন জয়ী সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। বিধানসভা নির্বাচনের আগে ঠাকুরনগরে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি ছিল — করোনার প্রকোপ কমলেই চালু হবে সিএএ। আজও শিলিগুড়িতে সেই কথাই বললেন অমিত শাহ।

    যদিও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে খবর, করোনার কারণেই এখনও CAA নীতি প্রণয়ন করা যায়নি। সেই কারণেই দেরি সিএএ প্রয়োগে।

  • Amit Shah: ‘সেদিন দেশবাসীর অধিকার…’, ৭৫-এর জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    Amit Shah: ‘সেদিন দেশবাসীর অধিকার…’, ৭৫-এর জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতার জন্য কংগ্রেস (Congress) ভারতীয়দের সাংবিধানিক অধিকার (Constitutional Rights) কেড়ে নিয়েছিল। এমনই অভিযোগ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দেশে জরুরি অবস্থার ৪৭ বর্ষপূর্তি। ১৯৭৫ সালের এই দিনেই দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। সেই কারণেই এদিন কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    এদিন সকালে একট ট্যুইটবার্তায় শাহ বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে কংগ্রেস ক্ষমতার জন্য প্রত্যেক ভারতবাসীর সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছিল। তিনি বলেন, কংগ্রেস শাসন বর্বরতার দিক থেকে বিদেশি শাসনকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। তিনি সেই দেশপ্রেমিকদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, যাঁরা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে এবং স্বৈরাচারী মানসিকতাকে পরাস্ত করতে সর্বস্ব উৎসর্গ করেছিলেন।

    আরও পড়ুন : ‘শিবের মতো বিষপান করেছেন মোদি’, গুজরাট হিংসা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন মধ্যরাতে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ফকরুদ্দিন আলি আহমেদ সংবিধানের ৩৫২ অনুচ্ছেদের অধীনে জরুরি অবস্থা জারি করেন। ১৯৭১ সালের লোকসভা নির্বাচনে ইন্দিরার জয়কে অবৈধ ঘোষণার পরে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে সোচ্চার হয় দেশ। ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়ে জারি করা হয় জরুরি অবস্থা। সেই সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন, সেন্সরশিপ ছাড়াও বহু মানুষকে জেলবন্দি করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর জরুরি অবস্থা জারির এই সিদ্ধান্তকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অন্ধকারময় সময় বলে বিবেচনা করা হয়। ১৮ মাস পরে প্রত্যাহার করা হয় জরুরি অবস্থা। ১৯৭৭ সালে নির্বাচনে হেরে যায় কংগ্রেস।

    দিনটিকে অন্ধকারময় চ্যাপ্টার বলে উল্লেখ করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, ৪৭ বছর আগে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির সিদ্ধান্ত একটি অন্ধকারময় অধ্যায়। এটা কখনওই ভোলা যাবে না।বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, বিজেপি সেই সব বীরদের স্মরণ করে, যাঁরা ভারতের গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধ রক্ষার জন্য লড়াই করেছিলেন।

    আরও পড়ুন : আতঙ্কে ঘর ছাড়ছেন পণ্ডিতরা, জরুরি বৈঠক ডাকলেন অমিত শাহ

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, ২৫ জুন দিনটি ভারতের গণতন্ত্রে একটি কালো দিন। ক্ষমতার জন্য শাসক নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করেছিলেন।গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে ধ্বংস করেছিলেন। দুর্বল করেছিলেন বিচার বিভাগকেও।

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, জরুরি অবস্থা ভারতের গণতন্ত্রের ভয়াবহ অন্ধকার দিনগুলির কথা মনে করিয়ে দেয়।

     

     

  • Shah-Sourav: সৌরভের বাড়িতে শুভেন্দুকে নিয়ে নৈশভোজে যাচ্ছেন অমিত শাহ?

    Shah-Sourav: সৌরভের বাড়িতে শুভেন্দুকে নিয়ে নৈশভোজে যাচ্ছেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Sourav Ganguly) বাড়িতে নৈশভোজে যেতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর সঙ্গে যাওয়ার কথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারীরও। বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তেরও এদিন নৈশভোজ সারার কথা সৌরভের বাড়িতে। বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি তৃণমূল। ঘটনাটি নিছকই সৌজন্যমূলক বলে দাবি করেছে রাজ্যের শাসক দলের একাংশ।

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে আগে ভারতীয় ক্রিকেট তারকা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে গুঞ্জন ছড়ায়। তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী প্রজেক্ট করে বিজেপি ভোটে লড়বে বলেও জল্পনা ছড়ায়। এর পরে পরেই তড়িঘড়ি সৌরভের সঙ্গে দেখা করেন সিপিএম নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার প্রাক্তন মেয়র অশোক ভট্টাচার্য। সৌরভ যাতে পদ্ম-প্রার্থী না হন, সেই অনুরোধই জানাতে এসেছিলেন অশোক। যাবতীয় জল্পনায় বরফ ঠান্ডা জল ঢেলে পরে সৌরভও জানিয়ে দেন, বিজেপির প্রার্থী তিনি হচ্ছেন না।

    এর পর গঙ্গা দিয়ে গড়িয়েছে সময়ের স্রোত। রাজ্যের কুর্সি দখল করেছে তৃণমূল। দিন দুয়েক আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক করেন সৌরভ। পরে দুজনেই জানান, রাজ্যে স্টেডিয়াম গড়া নিয়ে কথা হয়েছে তাঁদের মধ্যে।

    এই আবহে শুক্রবার সৌরভের বাড়িতে নৈশভোজে যাওয়ার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।তিনি একা গেলে হয়তো বিষয়টি নিয়ে চর্চাই হত না। তবে সৌরভের বাড়িতে এই শাহি নৈশভোজে যোগ দেওয়ার কথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও স্বপন দাশগুপ্তের। এর পরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।

    যদিও এই শাহি নৈশভোজে রাজনীতির রং লাগাতে চায় না রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাদের মতে, অমিতের পুত্র জয় শাহ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে সৌরভের ডেপুটি। সেই সূত্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌরভের সম্পর্ক বেশ ভালো। তবে শাহের সঙ্গে ওই ভোজে কেন স্বপন এবং শুভেন্দু, তা বুঝতে পারছেন না তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরো পরিস্থিতির ওপর তাঁরা নজর রাখছেন বলেও সূত্রের খবর।        

      

  • Dona Ganguly: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন সৌরভ-পত্নী ডোনা? জোর জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে

    Dona Ganguly: রাজ্যসভায় যাচ্ছেন সৌরভ-পত্নী ডোনা? জোর জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হ্যাঁ বা না, এখনও পর্যন্ত কিছুই বলেনি বেহালার গঙ্গোপাধ্যায় পরিবার। মুখ খোলেননি বিসিসিআই (BCCI) সভাপতি সৌরভ (Sourav)। মুখে কুলুপ ওড়িশী নৃত্যশিল্পী ডোনা (Dona) গঙ্গোপাধ্যায়েরও। সোমবার রাজ্য বিজেপি (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) মন্তব্যের এখনও কোনও প্রতিক্রিয়াও আসেনি বেহালা থেকে। ফলে জল্পনা বাড়ছে। ‘ডিনার-পলিটিক্স’এ কি এবার তাহলে সাফল্য এল?

    ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়কে রাষ্ট্রপতি মনোনীত রাজ্যসভার সদস্য করার প্রস্তাবে এবার কি এক ঢিলে তিন পাখি মারছে বিজেপি? কারণ-

    ১) ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের (2024 Loksabha Elections) বছরেই ওড়িশাতে (Odisha) বিধানসভা নির্বাচন। ওড়িশী নৃত্যশিল্পী হিসেবে দেশজুড়ে সমাদৃত বাঙালি ডোনা গাঙ্গুলি। নির্বাচনী প্রচারে বাংলা ওড়িশা দুই রাজ্যের আবেগকেই কাজে লাগাতে পারবে বিজেপি।
    ২) রাষ্ট্রপতি মনোনীত সদস্য হলে কোন রাজনৈতিক রংও লাগছে না গায়ে। 
    ৩) আবার সৌরভ-জায়াকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে সৌরভকেও পাশে রাখতে পারছে বিজেপি।   

    এবছরই রাজ্যসভার রাষ্ট্রপতি মনোনীত দুই সাংসদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। দুই জনই বাঙালি। সাংবাদিক স্বপন দাশগুপ্ত ও অভিনেত্রী রূপা গাঙ্গুলির মেয়াদ পূর্ণ হচ্ছে ২০২২-এ। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা। তাহলে কি ঐ দুই শূন্য পদের একটায় আসতে চলেছেন সৌরভ-জায়া ডোনা। যিনি নিজেই একজন নামী ওড়িশী শিল্পী। যদিও এ বিষয় নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি বেহালার গাঙ্গুলি পরিবার। তবে, সোমবার বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে জল্পনা বেড়েছে বৈ কমেনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে, দিলীপ ঘোষ বলেন, “তিনি খুশি হবেন যদি ডোনা গাঙ্গুলির মত কোন বিশিষ্টকে রাজ্যসভার জন্য বেছে নেন দেশের রাষ্ট্রপতি।” জল্পনা আরও বেড়েছে বিজেপির রাজ্য সভাপতির মন্তব্যে। সুকান্ত মজুমদার পুরোটাই ছেড়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপর। সঙ্গে যোগ করেছেন,”আরও খুশি হব যদি সৌরভ গাঙ্গুলির মত কেউ রাজ্যসভায় যায়, রাষ্ট্রপতির মনোনীত সদস্য হিসেবে।

    এর আগেও সৌরভকে দলের প্রার্থী (election candidate) করতে চেয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে রাজ্যের প্রায় সব রাজনৈতিক দলই। দলমত নির্বিশেষে সৌরভ রাজ্য রাজনীতির সব দলের কাছেই একটি গ্রহণযোগ্য নাম। সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই তাঁর সুসম্পর্ক রয়েছে। সবাই তাঁকে পাশে পেতে চায় ‘আইকন’ হিসেবে। কিন্তু সৌরভ কখনই কোনও রাজনৈতিক দলে নাম লেখাননি। ফলে তাঁর চাহিদা আর আকর্ষণ বেড়েছে প্রতিদিন। অমিত শাহের ছেলেকে পাশে নিয়ে বিসিসিআই সভাপতি হিসেবেও নিজের কর্মদক্ষতা দেখাচ্ছেন ক্যাপ্টেন সৌরভ। ফলে, বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও ভাল সম্পর্ক তাঁর।

    সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলে নাম না লেখালেও রাষ্ট্রপতি মনোনীত রাজ্যসভার সদস্য হওয়াই যায়। একাধিক উদাহরণও আছে গত ৭৫ বছরের ইতিহাসে। তবে, সৌরভ নিজে রাজি না হলেও ডোনাতে আপত্তি থাকার কোন কারণ নেই। ৬ মে গঙ্গোপাধ্যায় পরিবারে নৈশভোজে আমন্ত্রিত ছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেখানে হাজির ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী ও সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। পাশে দাঁড়িয়ে সারাক্ষণ তদারকি করেছিলেন ডোনা। তাঁর আগে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে (Victoria Memorial) ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ওড়িশী নৃত্য পরিবেশন দেখতে হাজির ছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।  

  • Amit Shah: অসমে দাঁড়িয়ে আফস্পা নিয়ে বড় মন্তব্য অমিত শাহের, কটাক্ষ মমতা-প্রশাসনকে

    Amit Shah: অসমে দাঁড়িয়ে আফস্পা নিয়ে বড় মন্তব্য অমিত শাহের, কটাক্ষ মমতা-প্রশাসনকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা অসম (Assam) থেকে শীঘ্রই আফস্পা (AFSPA) প্রত্যাহার করা হবে। মঙ্গলবার অসমের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে একথা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গত ছ’ বছরে জঙ্গি সংগঠনগুলির রমরমা কমেছে। হয়েছে বেশ কয়েকটি শান্তি চুক্তিও। তার জেরেই প্রত্যাহার করা হবে আফস্পা।

    অসমে হিমন্ত বিশ্বশর্মার (Himanta Biswa Sarma)  নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA) সরকারের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গুয়াহাটিতে আয়োজন করা হয়েছিল এক জনসভার। এই সভায় বক্তব্য রাখেন শাহ। এই সভায়ই তিনি জানান আফস্পা (Armed Forces Special Powers Act) প্রত্যাহারের কথা। শাহ বলেন, কেন্দ্র ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার ঐকান্তিক চেষ্টায় সিংহভাগ জঙ্গি সংগঠন শান্তি চুক্তিতে প্রবেশ করেছে। এবং সেদিন দূরে নয়, যেদিন গোটা রাজ্য বিদ্রোহ ও সহিংসতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের ২৩টি জেলা থেকে আফস্পা প্রত্যাহার করা হয়েছে। একটি জেলা থেকে ওই আইন প্রত্যাহার করা হয়েছে আংশিক। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, অচিরেই সমগ্র রাজ্য থেকে আফস্পা প্রত্যাহার করা হবে সম্পূর্ণরূপে। আত্মসমর্পণকারী জঙ্গিদের যে পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে, এদিন তা মনে করিয়ে দেন শাহ। তিনি বলেন, যারা আত্মসমর্পণ করেছে এবং মূলধারায় ফিরে এসেছে, তাদের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে পুনর্বাসন দিয়েছে।

    অসম সরকারেরও প্রশংসা শোনা যায় শাহের মুখে। তিনি বলেন, কেন্দ্রের পিছনে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে অসম। এই রাজ্য শক্ত হাতে অবৈধ অভিবাসনের সমস্যার মোকাবিলা করছে। অসম কেন্দ্রের পাশে দাঁড়ালেও, বাংলা যে দাঁড়ায়নি, তাও জানিয়ে দেন শাহ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু এ ব্যাপারে কেন্দ্রকে সাহায্য করছে না পশ্চিমবঙ্গ। সোমবার অসমের মানকাচারে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শন করেন শাহ। জানিয়েছিলেন, গত ছ’ বছরে অনুপ্রবেশ অনেক কমে গিয়েছে। আমরা আশা করি, এটা শীঘ্রই চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। এদিনের জনসভায় অসম (assam) পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। তিন বলেন, অসম পুলিশের একটি গৌরবময় ইতিহাস রয়েছে। তারা সফলভাবে বিদ্রোহ, সীমান্ত সমস্যা, অস্ত্র, মাদক, গবাদি পশুর চোরাচালান, গন্ডার শিকার বন্ধ করতে পেরেছে।

     

  • Amit Shah on E-Census: নতুন ডিজিটাল জনগণনা ‘ই-সেনসাস’ আনছে কেন্দ্র, কেমন হবে সেই পদ্ধতি?

    Amit Shah on E-Census: নতুন ডিজিটাল জনগণনা ‘ই-সেনসাস’ আনছে কেন্দ্র, কেমন হবে সেই পদ্ধতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন থেকে আর বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাগজে কলমে করা হবে না জনগণনা (census)। বরং তার পরিবর্তে আসছে নতুন ডিজিটাল পদ্ধতি।  যার পোশাকি নাম ই-সেনসাস (E-Census) বা ই-জনগণনা। ১০০ শতাংশ নির্ভুল হবে এই পদ্ধতি। সোমবার অসম (Assam) সফরে গিয়ে এমনটাই ঘোষণা করলেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    অসমের আমিনগাঁওয়ে একটি জনগণনা দফতরের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home Minister) বলেন, দেশের পরবর্তী জনগণনা হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল। এই পদ্ধতিতে ১০০ শতাংশ নির্ভুল গণনা করা যাবে। গণনা পদ্ধিতকে নিখুঁত করার জন্য অত্যাধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের আর্থিক সহ অন্যান্য পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা পালন করে জনগণনা । একমাত্র জনগণনার মাধ্যমেই জানা যায় দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান কেমন।

    ই-সেনসাস পদ্ধতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন, “২০২৪ সালের মধ্যে দেশের সব মানুষের জন্ম ও মৃত্যু সংক্রান্ত সব তথ্য একসঙ্গে এক জায়গায় আনা হবে। এতেই ডিজিটালি জনগণনা আপডেট হয়ে যাবে। শিশুর জন্মের পরই তা সেনসাস রেজিস্টারে নথিভূক্ত করতে হবে। ১৮ বছর বয়সে ভোটার তালিকায় নাম উঠলে তাও সেই পোর্টালে আপডেট হয়ে যাবে। এর জন্য শীঘ্রই একটি সফটওয়্যার লঞ্চ করা হবে। সেখানে আমি ও আমার পরিবার প্রথমে জনগণনার ফর্ম ফিলাপ করব।”

    করোনার (Covid-19) কারণে মাঝে জনগণনার কাজ আটকে গিয়েছিল । এবার বহুদিন ধরে বাকি থাকা জনগণনার কাজ সেরে ফেলতে চায় কেন্দ্র। সেক্ষেত্রে, অনলাইনে জনগণনা শুরু হলে, সেই সমস্যা আর থাকবে না বলে মনে করছেন অমিত শাহ।    

     

  • Amit Shah on 2002 Gujarat riots: ‘শিবের মতো বিষপান করেছেন মোদি’, গুজরাট হিংসা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    Amit Shah on 2002 Gujarat riots: ‘শিবের মতো বিষপান করেছেন মোদি’, গুজরাট হিংসা প্রসঙ্গে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট দাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi)ক্লিনচিট দেওয়ার বিরোধিতায় করা মামলা ধোপে টিকল না। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) খারিজ করে দিল জাকিয়া জাফরির (Zakia Jafri) দায়ের করা মামলা। গুজরাট হিংসার ঘটনায় নরেন্দ্র মোদি নির্দোষই। গুজরাট হাইকোর্টের (Gujarat High Court) রায়ই বহাল রাখল শীর্ষ আদালত (Supreme Court Of India)। এই রায়কে স্বাগত জানিয়ে শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “সত্য সোনার মতো জ্বলজ্বল করে বেরিয়ে এসেছে। ভগবান শিব যেমন বিষ পান করে তা কণ্ঠে ধারণ করেছিলেন। মোদিও ২০ বছর ধরে নীরবে সব যন্ত্রণা সহ্য করেছেন।”

    সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এদিন অমিত শাহ বলেন, ‘‘বিজেপির উপর থেকে কলঙ্ক মুছে গিয়েছে’’। শাহ বলেন, ‘‘যাঁরা মিথ্যা অভিযোগ করেছেন, তাঁদের মোদিজির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। গুজরাট হিংসা নিয়ে মোদির বিরুদ্ধে সব অভিযোগ খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সবটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। মোদিকে টার্গেট করা হয়েছিল, উনি দীর্ঘ লড়াই করেছেন। সব বিষ হজম করে লড়াই করেছেন। মোদিজিকে অনেক বদনাম করা হয়েছে। আজ উনি জয়ী হয়েছেন।’’

    আরও পড়ুন: গুজরাট হিংসায় মোদির ক্লিনচিট বহাল সুপ্রিম কোর্টের, বিরোধীদের নিশানা বিজেপির

    গুজরাট হিংসা প্রসঙ্গে শাহ আরও বলেন, ‘‘সরকার হিংসা রুখতে সচেষ্ট ছিল। মুখ্যমন্ত্রী (তৎকালীন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নরেন্দ্র মোদি) বার বার শান্তির আবেদন করেছিলেন। মোদি সর্বদা আইনের পক্ষে ছিলেন। মিথ্যা তথ্যপ্রমাণ দেওয়া হয়েছিল। মিডিয়া ও এনজিও এ কাজ করেছে। সিটের উপর কোনও প্রভাব খাটানো হয়নি।’’ শাহের অভিমত, “আমি ঘনিষ্ঠভাবে মোদিজিকে এই যন্ত্রণা সহ্য করতে দেখেছি, সত্যের পক্ষে থাকা সত্ত্বেও অভিযোগের মুখোমুখি হতে এবং বিচার প্রক্রিয়া চালু থাকায় তিনি কথা বলেননি। একমাত্র দৃঢ় হৃদয়ের মানুষই এটা করতে পারে। আজ আমরা যে সাক্ষাৎকার দিচ্ছি, আমি গুজরাতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে এবং পরে দলীয় প্রধান হিসেবে ২০০৩ সালেই তা করতে পারতাম। কিন্তু বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোদিজি এমন কিছুই বলেননি যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে। তিনি নীরবে সব সহ্য করেছেন,”

    এদিন ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ইডি জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকেও কটাক্ষ করেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, “মোদীজি সিটেক সামনে হাজির হওয়ার সময় নাটক করেননি। আমার সমর্থনে বেরিয়ে আসুন, বিধায়ক-এমপিদের ডাকুন, ধর্না করুন…যদি সিট মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করতে চায় তবে তিনি নিজে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। প্রতিবাদ কেন?”

    আরও পড়ুন: ডামাডোলের বাজারেও ঢালাও অর্থ-প্রস্তাব মঞ্জুর, মহারাষ্ট্রে হচ্ছেটা কী?

    সুপ্রিম কোর্ট শুক্রবার গুজরাটের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং রাজ্যে ২০০২ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় অভিযুক্ত আরও ৬৩ জনকে দেওয়া SIT-এর ক্লিনচিটকে মান্যতা দিয়ে জানায়, গোধরা ট্রেন হত্যাকাণ্ড যে ‘পরিকল্পিত’ তা প্রমাণ করা মতো কোনও উপাদান নেই। এই ঘটনায় প্রশাসনের কিছু কর্তার ব্যর্থতা থাকলেও সরকার সেনা ডাকতে বা দাঙ্গা পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নিতে কোনও দেরী করেনি, বলে জানান অমিত। কংগ্রেসকে নিশানা করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘শুধু মোদির আমলেই হিংসা হয়েছে। অন্য কারও আমলে হয়নি? শিখ হত্যায় জড়িতরাই আঙুল তুলছেন। দাঙ্গার সময় পদক্ষেপ করতে দেরি করেনি গুজরাট সরকার। কিন্তু দিল্লিতে বহু শিখকে হত্যা করা হল, এখনও কেন কাউকে গ্রেফতার করা হল না? গুজরাট হিংসা কোনও মডেল নয়। কংগ্রেসের শাসনের পাঁচ বছর আর বিজেপির শাসনের পাঁচ বছর তুলনা করে দেখুন।’’ বিজেপির আমলে দাঙ্গা কম হয়েছে বলেও দাবি করেন শাহ।

     

  • Uniform Civil Code: এবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর পথে যোগী-রাজ্যও? ইঙ্গিত কেশব মৌর্যর সুরে

    Uniform Civil Code: এবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর পথে যোগী-রাজ্যও? ইঙ্গিত কেশব মৌর্যর সুরে

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের পর এবার উত্তরপ্রদেশেও (Uttar Pradesh) ইউনিফর্ম সিভিল কোড  (Uniform Civil Code) বা অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পথে বিজেপি (BJP)। অন্তত এমনই ইঙ্গিত দিলেন দেশের যোগী আদিত্যনাথের (Yogi) ডেপুটি কেশবপ্রসাদ মৌর্য (Keshav Prasad Maurya)। উপ-মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দরকার পড়লে আমরাও সেটা চালু করার চেষ্টা করব।

    উত্তরাখণ্ডে ভোটের আগে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে সে রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরে এলে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামী (Pushkar Dhami)। বিজেপি সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ওই বিল আনার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ধামী সরকার। কোনও রাজ্য সরকার এভাবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে পারে কিনা, সেটা নিয়ে আইনি পরামর্শও নেওয়া শুরু করে ফেলেছে উত্তরাখণ্ডের বিজেপি (BJP) সরকার।

    এবার, উত্তরপ্রদেশও আগামী দিনে উত্তরাখণ্ডের দেখানো পথে হাঁটতে পারে। তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন সেরাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য। তিনি জানিয়েছেন,”প্রত্যেকের উচিত অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা চাওয়া এবং অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্যোগকে সমর্থন করা। উত্তরপ্রদেশ সরকারও সেই দিশাতেই এগোচ্ছে।” মৌর্যর সাফ কথা, উত্তরপ্রদেশ এবং গোটা দেশের জন্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ভীষণ জরুরি। তাছাড়া এটা আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিও।

    সম্প্রতি, মধ্যপ্রদেশের ভোপালে বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনার জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন অমিত শাহ (Amit Shah)। বৈঠকে তিনি জানিয়েছেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করাটা দলের দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি। সেই লক্ষ্যে প্রথম ধাপে দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে প্রথমে ওই আইন পাশ হবে।

     

  • Jawaharlal Nehru: নেহরুর মানসিকতা ছিল ঔপনিবেশিক? বিস্ফোরক আরএসএস শিক্ষাবিদ

    Jawaharlal Nehru: নেহরুর মানসিকতা ছিল ঔপনিবেশিক? বিস্ফোরক আরএসএস শিক্ষাবিদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জহরলাল নেহরুর (Jawaharlal Nehru) ঔপনিবেশিক মানসিকতা (colonial mindset) ছিল। তাঁর মৌলিকতাও ছিল না। সেই কারণেই ভারত (India) অতীতে বিশ্বের সামনে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিষয়ে এই মত পোষণ করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) সহযোগী ভারতীয় শিক্ষামণ্ডলের জাতীয় সম্পাদক মুকুল কানিতকর। একইসঙ্গে তিনি আশাবাদী, ২০২২ সালেই হৃত অ্যাকাডেমিক গৌরব পুনরুদ্ধার এবং বিশ্বের কাছে তার সংস্কৃতি উপস্থাপন করতে সক্ষম হবে ভারত।

    বৃহস্পতিবার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে (Delhi University) তিনদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক আলোচনাসভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছিলেন কানিতকর। বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে ওই সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল। আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল, ‘রিভিজিটিং আইডিয়াজ অফ ইন্ডিয়া ফ্রম স্বরাজ টু নিউ ইন্ডিয়া’। কানিতকরের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

    আলোচনাসভায় নেহরুর মতাদর্শকে আক্রমণ করেন কানিতকর। বলেন, একবার নেহরুকে চিঠি লিখে মহাত্মা গান্ধী (Mahatma Gandhi) অনুরোধ করেছিলেন, উন্নয়ন যাতে একেবারে গরিব শ্রেণি পর্যন্ত পৌঁছয়, তার জন্য “গ্রাম স্বরাজ” বা স্বনির্ভর গ্রামকে মান্যতা দেওয়া হোক। এর জন্য গান্ধী ৬টি পয়েন্টে গোটা বিষয়টি ভেঙে বুঝিয়েছিলেন নেহরুকে। কিন্তু, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। কারণ, তাঁর মধ্যে কোনও নিজস্বতা ছিল না এবং তাঁর মানসিকতা ঔপনিবেশিক ছিল। আরেকটি সুযোগ হারিয়েছিল বাংলাদেশ গঠনের সময়। ভারত সেই সময় সহজেই এই উপ-মহাদেশে নিজের জন্য একটা জায়গা তৈরি করতে পারত।

    কানিতকর বলেন, ভারত বিশ্বের কাছে তার প্রকৃত শিক্ষার আত্মাকে উপস্থাপন করার সুযোগের বেশ কয়েকটি জানালা হারিয়েছে। কিন্তু এখন আর আমাদের এই সুযোগটি হাতছাড়া করা উচিত নয়। তিনি বলেন, বিবাদের সমাধান এবং ঘুরে দাঁড়ানোর পথ বাতলে দেওয়া হয়েছে সনাতন হিন্দু ধর্মেই। এগুলিকে একটি সামাজিক বিজ্ঞান তত্ত্বের আকারে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। তাহলেই বিশ্ব আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতি অনুসরণ করবে। কানিতকর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক কাজের মাধ্যমে বিশ্বের কাছে ভারতে সমৃদ্ধ সংস্কৃতি উপস্থাপন করা উচিত।

    আরও পড়ুন : “ঐতিহাসিক তথ্যগুলিকে এখনই…”, জ্ঞানবাপী নিয়ে বড় মন্তব্য আরএসএসের

    ভারতীয় শিক্ষাবিদরা তাঁদের স্বতন্ত্রতা হারিয়েছেন বলেও মনে করেন কানিতকর। তিনি বলেন, ভারতীয় শিক্ষাবিদরা তাঁদের স্বতন্ত্রতা হারিয়েছেন এবং ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে ব্যর্থ হয়েছেন। আরএসএসের সহযোগী ভারতীয় শিক্ষামণ্ডলের জাতীয় সম্পাদক বলেন, ১৮৩৫ সালের পরে ভারতীয় শিক্ষাবিদরা তাঁদের মৌলিকতা হারিয়ে ফেলেছিলেন এবং এখনও পর্যন্ত তা পুনরুদ্ধার করেননি। পোখরান পরীক্ষা ও দেশীয়ভাবে তৈরি জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপনাস্ত্রের পরীক্ষা ভারতীয় গবেষণার সত্যিকারের নিদর্শন। এর পরেই তিনি নিশানা করেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে।

    এদিনের অনুষ্ঠান বক্তৃতা দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে হতে হবে পরিবর্তনের চালিকাশক্তি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) ভারতকে আন্তর্জাতিক সম্মান এনে দিয়েছেন বলেও মনে করিয়ে দেন শাহ।

     

  • PFI: পরিকল্পনা করেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে অভিযান! দেশে জঙ্গি-কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    PFI: পরিকল্পনা করেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে অভিযান! দেশে জঙ্গি-কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ ও বেআইনি আর্থিক লেনদেন-সহ একাধিক অভিযোগে গত কয়েক দিন ধরে দেশ জুড়ে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) বিভিন্ন দফতরে তল্লাশি চালাচ্ছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বুধবার ভোর রাতে থেকে শুরু করে বৃহস্পতিবার সারা দিন ধরে চলে ব্যপাক ধরপাকর অভিযান। এই অভিযান আগে থেকে পরিকল্পনা করেই করা হয়েছে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর। দীর্ঘদিন ধরেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠছিল। দেশবিরোধী কার্যকলাপ রুখতে সক্রিয় হয়ে ওঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। 

    আরও পড়ুন: জঙ্গি-যোগ! পিএফআই কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার আর্জি দেশজুড়ে, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল এনআইএ?

    বিশেষ সূত্রে খবর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে আলোচনা করেই এই ধরপাকর অভিযান শুরু হয়। গত তিন চার মাস ধরে এই প্রক্রিয়া চলছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এই নিয়ে বারবার আলোচনা করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। তাঁর নেতৃত্বেই সারা দেশের ১৫ টি রাজ্যের ৯৩টি জায়গায় অভিযান চালায় ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির (NSA) অফিসাররা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি আধিকারিকের কথায়, বৃহস্পতিবার অভিযানের সময়ও এ নিয়ে এক প্রস্থ কথা হয়, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা, এনআইএ ডিরেক্টর জেনারেল দীনকর গুপ্ত, অজিত দোভাল ও উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের মধ্যে।  

    আরও পড়ুন: পিএফআই-এর বিরুদ্ধে বাংলা সহ ১০ রাজ্যে ইডি-এনআইএ যৌথ হানা, গ্রেফতার ১০০

    ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে তিনটি মুসলিম সংগঠন একত্রিত হয়ে এই সংগঠন তৈরি করা হয়। ২০০৬ সালে গঠিত এই সংগঠনের নাম ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট। পরবর্তী সময়ে মানিথা নীতি পাসারাই, কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি সহ একাধিক সংগঠন মিলিত হয়ে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া তৈরি করে। দেশবিরোধী ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গেই যুক্ত ছিল এই সংগঠন। বিভিন্ন রাজ্যে এই সংগঠনের শাখা রয়েছে।  কেন্দ্রের তরফেও এই সংগঠনের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারির প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছে।বিভিন্ন সময়ে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে তল্লাশি চালিয়ে পিএফআই সদস্যদের কাছ থেকে অস্ত্র, বোমা, গানপাউডার,তলোয়ার সহ একাধিক জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে। কেরলে এই সংগঠনের বিস্তার সবচেয়ে বেশি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন আইএনএস বিক্রান্তের উদ্বোধন করতে কোচি যান, তখনই কেরল পুলিশ ও নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে পিএফআই নিয়ে তাঁর কথা হয় বলেও জানান ওই আধিকারিক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share