Tag: amnesty international

amnesty international

  • POK: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভে গুলিবৃষ্টি পুলিশের, নিহত অন্তত ১৬, জখম ৩৭

    POK: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভে গুলিবৃষ্টি পুলিশের, নিহত অন্তত ১৬, জখম ৩৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) রাওয়ালকোটের ইদগাহ ময়দানে বিক্ষোভকারীদের ওপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছে। ৩৭ জন জখম হয়েছেন বলেও খবর। বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে (Open Fire)।

    শান্তিপূর্ণ জমায়েতে চলল গুলি (POK)

    জানা গিয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য যেমন আটা, চাল, বিদ্যুৎ ও মৌলিক নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে হাজার হাজার সাধারণ মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভে অংশ নেন। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পাকিস্তানি সেনারা একে-৪৭ রাইফেল থেকে গুলি চালায় বলে অভিযোগ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাওয়ালকোটে ৬০ থেকে ৭০ হাজার মানুষ সমবেত হয়ে পাকিস্তানের নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। মঙ্গলবার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত হন ৩০ জন। জখম হন প্রায় ২০০ জন। ন্যায়বিচারের দাবিতে সোচ্চার হন স্থানীয়রা। বিক্ষোভকারীদের স্লোগান, “এই সন্ত্রাসের পেছনে রয়েছে ইউনিফর্মধারীরাই”।

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য

    খাইগালা গ্রামেও স্থানীয় বাসিন্দারা বাজার বন্ধ রেখে মিছিল বের করেন। প্রতিবাদ জানান হিংসার। সংঘর্ষের পর বিভিন্ন এলাকায় শোনা যায় কান্নার রোল। আন্দোলনের নেতা তথা রাজনৈতিক কর্মী সর্দার আমান খান জানান, অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া হবে, এবং পাকিস্তান তাদের অধিকারের দাবিদারদের ‘জঙ্গি’ বলে দেগে দিচ্ছে (POK)। সমাবেশে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএএসি) প্রতিনিধিরাও বক্তব্য রাখেন। তারা বিক্ষোভ দমনে কর্তৃপক্ষের ভূমিকার সমালোচনা করেন। নিহত ও আহতদের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জানান তিনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মানবাধিকার সংগঠনগুলির প্রতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

    এদিকে, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে চলমান বিক্ষোভ দমনে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের কঠোর (Open Fire) পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে অভিযোগ করেছে, কর্তৃপক্ষ অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দমন এবং মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে (POK)।

     

  • Congress: কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের কাছে ‘হিন্দু বিরোধী’ তিন দাবি অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়ার!

    Congress: কর্নাটকের কংগ্রেস সরকারের কাছে ‘হিন্দু বিরোধী’ তিন দাবি অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটক (Karnataka) বিধানসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে কংগ্রেস (Congress)। ২২৪ আসন বিশিষ্ট ওই বিধানসভায় কংগ্রেস পেয়েছে ১৩৫টি আসন। তার পরেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে হিন্দুত্ব বিরোধী বিভিন্ন সংগঠন। রাজ্যের নয়া সরকারের কাছে তাদের ‘আবদার’ও জানিয়েছে ওই সংগঠনগুলি। এই যেমন, অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়া। এই সংগঠনের বিরুদ্ধে দেশের একাধিক তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত শুরু করতেই পাততাড়ি গুটিয়েছে। সম্প্রতি তারাই কর্নাটকে কংগ্রেস সরকারের কাছে একাধিক দাবি জানিয়েছে। যার মধ্যে তিনটিই হিন্দু-বিরোধী।

    কংগ্রেসের (Congress) কাছে দাবি

    ওই সংগঠনের দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে, গোহত্যার অনুমতি দিতে হবে। দিতে হবে ধর্মান্তকরণের অধিকারও। স্কুলে হিজাব পরায় যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা প্রত্যাহার করতে হবে এবং যেসব হিন্দু মুসলমানদের দোকান বয়কট করেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। ট্যুইট-বার্তায় অ্যামনেস্টি ইন্ডিয়া কর্নাটক কংগ্রেসকে বলেছে, মানবাধিকার রক্ষায় এই তিনটি কাজকে প্রায়োরিটি দিতে হবে।

    হিজাব পরে স্কুলে যাওয়ার দাবি

    ওই সংগঠনের প্রথম (Congress) দাবি, স্কুলে হিজাব পরার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে তা প্রত্যাহার করতে হবে। এই নিষেধাজ্ঞার জেরে মুসলমান মেয়েদের কাছে দুটি অপশন খোলা থাকছে। হয় তাকে ধর্মের স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হতে হবে, নয়তো শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হবে। এতে তারা ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।

    প্রসঙ্গত, কর্নাটকের স্কুলগুলিতে সে সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি নির্দিষ্ট পোশাক বিধি রয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা যখন স্কুলে আসে, পোশাক বিধি মেনে পোশাক পরেই তাদের স্কুলে আসতে হয়। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে হাঠাৎই একদিন কয়েকজন মুসলমান ছাত্রী হিজাব পরে ক্লাসরুমে আসতে শুরু করে। বাধা দিলে, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হয় তারা। ফলশ্রুতি হিসেবে, রাজ্যের সমস্ত প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় কোনও পোশাক পরে আসার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত।

    ওই সংগঠনের দ্বিতীয় (Congress) দাবি হল, গোহত্যার অনুমতি দিতে হবে। দিতে হবে ধর্মান্তকরণের অনুমতিও। কর্নাটকে আইন করে দুটিই নিষিদ্ধ করা হয়। তাদের দাবি, তা না হলে সংখ্যালঘুদের ওপর ওই দুই আইনের অপব্যবহার হবে। ওই সংগঠনের তৃতীয় দাবিটি হল, যেসব হিন্দু মুসলমান দোকানদারদের বয়কট করছেন, তাঁদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: “মোদিজির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে নবান্নে”, বোমা ফাটালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share