Tag: Amul

Amul

  • Suvendu Adhikari: শিল্পে পিছিয়ে বাংলা, বদলের বার্তা সরকারের, বস্ত্রশিল্পে বিনিয়োগ টানতে গুচ্ছের সংস্কারের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: শিল্পে পিছিয়ে বাংলা, বদলের বার্তা সরকারের, বস্ত্রশিল্পে বিনিয়োগ টানতে গুচ্ছের সংস্কারের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের শিল্পক্ষেত্রে গত পাঁচ দশকে যে পিছিয়ে পড়ার ছবি তৈরি হয়েছে, তা বদলে রাজ্যকে নতুন শিল্পায়নের পথে নিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার কলকাতার মিলন মেলা প্রাঙ্গণে ‘টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্সে’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ সময় ধরে রাজ্যে শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের লক্ষ্য সেই পরিস্থিতি বদলে পশ্চিমবঙ্গকে বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা (Industrial Investment)। ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারে’র হাত ধরে রাজ্য উন্নয়নের নতুন পর্বে প্রবেশ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    বিনিয়োগের আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)

    শিল্পপতি, উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী মহলের কাছে বাংলায় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত ৩৪ বছরের বাম শাসন এবং পরবর্তী ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সময় রাজ্যে শিল্পের গতি কার্যত থমকে গিয়েছিল। এর জেরে অর্থনৈতিক অগ্রগতির একাধিক সম্ভাবনা হাতছাড়া হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন করে শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে সরকার কাজ করছে বলে জানান শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “বিগত ৫০ বছরে বাংলা অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে। এখন ‘অমৃত কাল’ ও ডাবল ইঞ্জিন সরকারের নেতৃত্বে আমরা শিল্পবান্ধব পরিবেশ তৈরি করছি। তোলাবাজি ও মাফিয়ারাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হয়েছে। বাংলা এখন এগোতে প্রস্তুত, তাই নির্ভয়ে এখানে বিনিয়োগ করুন।”

    অর্থনীতিতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন

    শিল্পায়নের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলার সম্পর্কের বিষয়টিও এদিন গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, রাজ্যে গুন্ডাগিরি, তোলাবাজি এবং অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধ করা গেলে শিল্পপতিদের মধ্যে আস্থা আরও বাড়বে। সেই আস্থা থেকেই নতুন বিনিয়োগ আসবে এবং রাজ্যে শিল্পের প্রসার ঘটবে। শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আমূল উন্নতি ঘটানো সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলেও জানান তিনি। আগামী এক থেকে দু’বছরের মধ্যেই রাজ্যের অর্থনীতিতে চোখে পড়ার মতো পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, সেই সময়ের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে রাজ্যের আকর্ষণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বর্তমান সরকার মানুষের সরকার এবং নির্বাচনের আগে প্রকাশিত সংকল্পপত্রে যে প্রতিশ্রুতিগুলি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ

    কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বস্ত্র ও চা শিল্পের প্রসার এবং নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশে রাজ্যের সর্বাঙ্গীন উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। আগামী ২৪ থেকে ২৮ অগাস্ট কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর রাজ্য সফরের সময় বস্ত্রশিল্পের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠকে শিল্পের সমস্যা, সম্ভাবনা এবং বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে সরাসরি আলোচনা হতে পারে বলেও জানান তিনি। বস্ত্রশিল্পকে কেন্দ্র করে রাজ্যে নতুন শিল্পায়নের পরিকল্পনার কথাও এদিন স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এই শিল্পে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী তাঁত, পোশাক এবং বস্ত্রশিল্পকে আধুনিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করে বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্র তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে প্রশাসনিক জটিলতা কমানো, দ্রুত অনুমোদন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য সহজতর ব্যবস্থা চালু করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে (Industrial Investment)।

    ‘সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম’

    বিশেষ করে ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে দ্রুত অনুমোদনের ব্যবস্থা করার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বড় শিল্প প্রকল্পের জন্য বিনিয়োগকারীদের যাতে একাধিক দফতর, পুরসভা বা পঞ্চায়েতের বিভিন্ন স্তরে অনুমোদনের জন্য ঘুরতে না হয়, সেই ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। রাজ্য সরকারের ‘সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেমে’র মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দেওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শিল্পপতিদের জন্য প্রক্রিয়াটি আরও সহজ এবং সময়সাশ্রয়ী করা হবে (Suvendu Adhikari)। জমি সংক্রান্ত নীতিতেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। জমি ক্রয় নীতি ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে বলেও জানান রাজ্যে বিজেপি সরকারের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। খুব শীঘ্রই নতুন ভূমি উন্নয়ন নীতি আনার পরিকল্পনার কথাও জানান শুভেন্দু। শিল্প স্থাপনের প্রক্রিয়া আরও সরল করতে প্রয়োজনে বিধানসভায় আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীদের জন্য জমি, অনুমোদন এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার জটিলতা কমিয়ে দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

    একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠীর বিনিয়োগ

    রাজ্যে ইতিমধ্যেই একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, লাক্স কোজি, আমূল, শ্যাম স্টিল এবং অমিত মেটালিক্স-সহ একাধিক সংস্থা পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্যাবিনেট বৈঠকের পর আগামী এক মাসের মধ্যে অন্তত ২৫ জন শিল্পপতির হাতে নতুন শিল্প প্রকল্পের জন্য জমি তুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি (Suvendu Adhikari)। শিল্পায়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান তৈরির বিষয়টিকেও সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মতে, নতুন শিল্প হলে একদিকে যেমন বিনিয়োগ বাড়বে, তেমনই সরাসরি ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে। এর ফলে রাজ্যের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতি পাবে এবং পশ্চিমবঙ্গ আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে (Industrial Investment)।

    বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্র তৈরির আশ্বাস

    তাঁত ও বস্ত্রশিল্পের ক্ষেত্রে বাংলার ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে আধুনিক শিল্প কাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। রাজ্যের দীর্ঘদিনের তাঁতশিল্প ও পোশাক উৎপাদনকে আধুনিক প্রযুক্তি, বাজার এবং বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত করে বৃহত্তর শিল্পক্ষেত্র তৈরি করা হবে বলে জানান তিনি। প্রশাসনিক সংস্কার, দ্রুত অনুমোদন, জমি নীতির পরিবর্তন এবং শিল্পবান্ধব পরিবেশ—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে বস্ত্রশিল্পে নতুন বিনিয়োগের দরজা খুলতে চাইছে রাজ্য সরকার। মিলন মেলা প্রাঙ্গণে টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্সের মঞ্চ থেকে তাই একই সঙ্গে তিনটি বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেন মুখ্যমন্ত্রী—শিল্পে বিনিয়োগ বাড়ানো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানো। তাঁর দাবি, এই তিন ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আনতে পারলে পশ্চিমবঙ্গ আগামী দিনে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় শিল্প ও বিনিয়োগকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। আগামী এক থেকে দু’বছরের মধ্যে সেই (Industrial Investment) পরিবর্তনের প্রতিফলন রাজ্যের অর্থনীতিতে দেখা যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

  • Amul: পশ্চিমবঙ্গে আমূলের ৭০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প! রবিবার কারখানার শিলান্যাস, আসতে পারেন শাহ

    Amul: পশ্চিমবঙ্গে আমূলের ৭০০ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প! রবিবার কারখানার শিলান্যাস, আসতে পারেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাটতে চলেছে রাজ্যে শিল্পায়নের খরা! বঙ্গে ডাবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি হতেই হইহই করে শুরু হয়ে গেল শিল্পায়নের কাজ। পশ্চিমবঙ্গে দুগ্ধ শিল্পের হতশ্রী দশা ঘোচাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করল দেশের শীর্ষস্থানীয় দুগ্ধ সমবায় সংস্থা ‘আমূল’ (Amul)। রাজ্যের শিল্প ও কৃষি অর্থনীতিতে বড়সড় গতি আনতে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা (৭৪.৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ব্যয়ে (700-cr Dairy Plant) একটি অত্যাধুনিক ডেয়ারি প্ল্যান্ট তৈরি করতে চলেছে তারা। ১৪ জুন, রবিবার এই মেগা প্রকল্পের শিলান্যাস হবে। উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। তিনিই এই প্রকল্পের সূচনা করবেন বলেই আশা উদ্যোক্তাদের। প্রথমে বাম জমানা এবং পরে তৃণমূলের গত ১৫ বছরের রাজত্বে একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজ্যে দেখা দেয় শিল্পের খরা। বঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার আসতেই কাটতে চলেছে হা-শিল্প দশা। রাজ্যের উন্নয়নের জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য সূচনা বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    শিল্পের নয়া গন্তব্য হাওড়া (Amul)

    গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন (GCMMF), যারা ‘আমূল’ (Amul) ব্র্যান্ডের পরিচালক, তারা জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায় এই বিশাল প্ল্যান্টটি গড়ে তোলা হবে। ভৌগোলিক অবস্থান এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে হাওড়াকেই এই বিনিয়োগের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র একটি কারখানা নয়, বরং এটি পূর্ব ভারতের দুগ্ধ বিপণন ব্যবস্থার প্রধান কেন্দ্র (Hub) হিসেবে কাজ করবে।

    উৎপাদন ক্ষমতায় বড় চমক

    আমূল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন প্ল্যান্টটি যখন পূর্ণ মাত্রায় কাজ শুরু করবে, তখন এর উৎপাদন ক্ষমতা হবে ঈর্ষণীয়। ‘আমূল’ (Amul) জানিয়েছে, প্রতিদিন প্রায় ১৫ লাখ লিটার তরল দুধ প্রক্রিয়াকরণ করার ক্ষমতা থাকবে এই কেন্দ্রে। তবে শুধু তরল দুধ নয়, বাঙালির খাদ্যতালিকায় দুগ্ধজাত পণ্যের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এখানে প্রতিদিন ১০ লাখ কেজি দই, মিষ্টি দই, ইয়োগার্ট, লস্যি এবং ঘোল বাটারমিল্ক (700-cr Dairy Plant) উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। প্রক্রিয়াজাতকরণের এই বিশাল পরিকাঠামো রাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে টাটকা ও উন্নতমানের দুগ্ধজাত পণ্য পৌঁছে দিতে বড় ভূমিকা পালন করবে।

    কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রভাব

    এই ৭০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ (700-cr Dairy Plant) পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমহলে এক ইতিবাচক বার্তা নিয়ে এসেছে। বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্পটি সরাসরি কয়েক হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। পরোক্ষভাবে লাভবান হবেন রাজ্যের হাজার হাজার দুগ্ধ খামারি ও পশুপালক। ‘আমূল’ (Amul)-এর সমবায় মডেল অনুযায়ী, স্থানীয় চাষিদের কাছ থেকে সরাসরি দুধ সংগ্রহ করা হবে, যার ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে অর্থের জোগান বাড়বে এবং পশুপালকরা তাঁদের পণ্যের ন্যায্য ও সঠিক মূল্য নিশ্চিতভাবে পাবেন।

    প্রযুক্তির মেলবন্ধন ও ‘সরলাবেন’

    ‘আমূল’ (Amul) কেবল ইঁট-পাথরের কারখানা তৈরি করেই ক্ষান্ত থাকছে না, দুগ্ধ চাষের আধুনিকীকরণে তারা নিয়ে আসছে এআই (AI) প্রযুক্তি। দুগ্ধ খামারিদের প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে তারা ‘সরলাবেন’ (Sarlaben) নামক একটি এআই-চালিত ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট সেবা চালু করতে চলেছে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পশুপালকরা পশুর স্বাস্থ্য, খাদ্যাভ্যাস এবং দুধের গুণমান (700-cr Dairy Plant) বৃদ্ধি সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যার সমাধান নিমেষের মধ্যে ঘরে বসেই পেয়ে যাবেন।

    পূর্ব ভারতে আমূলের মাস্টারপ্ল্যান

    গত কয়েক বছর ধরেই ‘আমূল’ (Amul) উত্তর ও পূর্ব ভারতে তাদের ব্যবসার পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছিল। পশ্চিমবঙ্গের এই ৭০০ কোটি টাকার (700-cr Dairy Plant) প্রকল্প সেই পরিকল্পনারই অংশ। এর মাধ্যমে তারা বিহার, ওডিশা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে তাদের সাপ্লাই চেন আরও মজবুত করতে পারবে।

    শিল্পায়নের পথে বড় মাইলফলক

    সব মিলিয়ে, ১৪ জুনের এই শিলান্যাস অনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গের শিল্পায়নের পথে এক বড় মাইলফলক হতে চলেছে। একদিকে অত্যাধুনিক পরিকাঠামো নির্মাণ এবং অন্যদিকে প্রান্তিক কৃষকদের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ—এই দুইয়ের মিশেলে আমূল রাজ্যে এক নতুন দুগ্ধ বিপ্লবের ডাক দিয়েছে। রাজ্যে তৃণমূলের বিসর্জন হতেই একের পর এক বিনিয়োগ আসছে বলে মনে করছে বিজেপির একটা বড় অংশ। সিঙ্গুর থেকে টাটা বিতাড়িত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজ্যে শিল্পায়নের কফিনে পোঁতা হয়ে গিয়েছিল শেষ পেরেকটি। তৃণমূলের আমলে বছর বছর ঘটা করে বিশ্ব বাণিজ্য সম্মলেন হলেও, তার ছাপ বিশেষ পড়েনি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই বঙ্গে শিল্প এবং কর্মসংস্থান নিয়ে ব্যাপক আলো দেখিয়ে আসছেন শুভেন্দু অধিকারী। টাটাকে বাংলায় এনে ফের কারখানা গড়ার ইঙ্গিতও দিয়েছে পদ্ম সরকার।

  • Amul: পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম দই তৈরির কারখানা গড়ছে আমূল, বিনিয়োগ ৬০০ কোটি টাকা

    Amul: পশ্চিমবঙ্গে বিশ্বের বৃহত্তম দই তৈরির কারখানা গড়ছে আমূল, বিনিয়োগ ৬০০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের ডেয়ারি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে এক বড়সড় জোয়ার আসতে চলেছে। রাজ্যে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে বিশ্বের বৃহত্তম দই (Largest Yogurt Plant) উৎপাদনকারী কারখানা স্থাপন করতে চলেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ডেয়ারি সংস্থা ‘আমূল’ (Amul)।

    গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন লিমিটেড (GCMMF) এই খবরটি নিশ্চিত করেছে। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট ২০২৫” (BGBS)-এর মঞ্চেই এই বিপুল বিনিয়োগের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

    কোথায় ও কীভাবে তৈরি হচ্ছে এই কারখানা (Amul)?

    কলকাতার অদূরে হাওড়ার সাঁকরাইল ফুড পার্কে (Sankrail Food Park) এই সমন্বিত ডেয়ারি এবং দই উৎপাদন প্রকল্পটির নির্মাণ কাজ চলছে। বিশ্বমানের এই কারখানাটি গড়ে তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ‘কায়রা ডিস্ট্রিক্ট কো-অপারেটিভ মিল্ক প্রডিউসার্স ইউনিয়ন লিমিটেড’-কে। সম্পূর্ণ প্রকল্পটি দুটি পর্যায়ে বাস্তবায়িত করা হবে।

    আমূল-এর (Amul) প্রধান জয়েন মেহতা জানিয়েছেন, এই অত্যাধুনিক কারখানায় (Largest Yogurt Plant) প্রতিদিন ১০ লক্ষ কেজি অর্থাৎ ১ মিলিয়ন কেজি দই উৎপাদন করা সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি কারখানাটিতে দৈনিক ১৫ লক্ষ লিটার দুধ প্রক্রিয়াকরণের (Processing) ক্ষমতা থাকবে।

    কেন পশ্চিমবঙ্গকে বেছে নেওয়া হলো?

    আমূল (Amul) কর্তাদের মতে, এই বিনিয়োগের পেছনে রয়েছে একটি সুনির্দিষ্ট কৌশলগত লক্ষ্য। বাঙালির খাদ্য সংস্কৃতিতে মিষ্টি দই এবং টক দই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ। ফলে এ রাজ্যে দইয়ের (Largest Yogurt Plant) এক বিশাল এবং স্থায়ী বাজার রয়েছে। উপভোক্তাদের এই বিপুল চাহিদার কথা মাথায় রেখেই কলকাতায় এই কারখানাটি গড়া হচ্ছে।

    এখান থেকে উৎপাদিত পণ্য কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি সমগ্র পূর্ব ভারতে আমূলের ব্যবসাকে আরও শক্তিশালী করবে।

    গ্রামীণ অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে জোয়ার

    এই প্রকল্পটির ফলে একদিকে যেমন রাজ্যে বড় অঙ্কের শিল্প বিনিয়োগ আসছে, ঠিক তেমনই স্থানীয় স্তরে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি কেন্দ্রীয় সমবায় মন্ত্রকের ‘শ্বেত বিপ্লব ২.০’ (White Revolution 2.0) উদ্যোগের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার মূল লক্ষ্য হল— দেশের ডেয়ারি উৎপাদন বাড়ানো, গ্রামীণ মানুষের জীবিকার মানোন্নয়ন এবং দুধ সংগ্রহের নেটওয়ার্ককে (Largest Yogurt Plant) আরও সুদৃঢ় করা।

    উল্লেখ্য, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে জিসিএমএমএফ (GCMMF) বা আমুল প্রায় ৫৯,৪৪৫ কোটি টাকার ব্যবসা (Turnover) করেছে। ‘ইন্টারন্যাশনাল ফার্ম কম্প্যারিসন নেটওয়ার্ক’ (IFCN)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, দুধ প্রক্রিয়াকরণের দিক থেকে আমুল বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ডেয়ারি সংস্থা। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশে পণ্য রফতানি করার পাশাপাশি আমেরিকার বাজারেও নিজেদের ব্যবসা বিস্তার করেছে তারা। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে, পশ্চিমবঙ্গে আমূলের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ রাজ্যের শিল্পায়নের পথে একটি বড় মাইলফলক (Amul) হিসেবে বিবেচিত হতে চলেছে।

  • Milk Price: আমূলের পর  দুধের দাম বাড়াল মাদার ডেয়ারি, জানেন কেন বাড়ছে দাম?

    Milk Price: আমূলের পর দুধের দাম বাড়াল মাদার ডেয়ারি, জানেন কেন বাড়ছে দাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমূলের পর মাদার ডেয়ারি (Mother Dairy)। ভোটের পর সোমবার থেকে দুধের দাম লিটার প্রতি ২টাকা করে বাড়াল মাদার ডেয়ারিও। বর্ধিত মূল্য (Milk Price) দিল্লি এবং এনসিআর এলাকার জন্য প্রযোজ্য। উৎপাদনের খরচ বাড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছে সংস্থা।

    কেন বাড়ল দাম

    মাদার ডেয়ারি (Mother Dairy) সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ৩ জুন থেকে মাদার ডেয়ারির তরল দুধের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা বাড়ানো হচ্ছে। উৎপাদনের খরচ বাড়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৫ মাস পর মাদার ডেয়ারি দুধের দাম বাড়াল। মাদার ডেয়ারির তরফে জানানো হয়েছে, গত ১৫ মাসে প্যাকেটজাত তরল দুধের উৎপাদন এবং বণ্টনের মূল্য বৃদ্ধি (Milk Price) পেয়েছে। উৎপাদনের খরচ বাড়লেও, গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে এতদিন দুধের দাম বাড়ানো হয়নি। এবার দাম বাড়ালেও, তা মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশই বৃদ্ধি করা হয়েছে। যা কিনা খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হারের তুলনায় খুবই কম।  

    আরও পড়ুন: দুধের দাম বাড়াল আমূল, জানেন কত টাকা করে প্রতি প্যাকেট?

    কোথায় কত দাম

    দাম বাড়ার (Milk Price) পর মাদার ডেয়ারির (Mother Dairy) ফুল ক্রিম দুধের দাম লিটার প্রতি ৬৮ টাকা হবে। টোনড দুধের নতুন দাম লিটার প্রতি ৫৬ টাকা এবং ডবল টোনড দুধের দাম লিটার প্রতি ৫০ টাকা পড়বে। উল্লেখ্য, সোমবার থেকে আমুলেরও সব রকমের দুধের দাম লিটারে ২ টাকা করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংস্থার তরফে আরও জানানো হয়, মূলত দুধ প্রস্তুতিকরণ ও সরবরাহের কারণেই এই দাম বৃদ্ধি করতে হয়েছে। সারা দেশে গরম বৃদ্ধি পাওয়ায় দুধ উৎপাদন প্রভাবিত হয়েছে। আর সেই কারণেই বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থা। দাম বাড়ালে উৎপাদনকারীরা লাভবান হবে। অন্যদিকে গ্রাহকদের কথা মাথায় রেখে খুব কমই দাম বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়ে দুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Milk Price: দুধের দাম বাড়াল আমূল, জানেন কত টাকা করে প্রতি প্যাকেট?

    Milk Price: দুধের দাম বাড়াল আমূল, জানেন কত টাকা করে প্রতি প্যাকেট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাম বাড়ল দুধের (Milk Price)। আমূল (Amul) সংস্থার তরফে দুধের দাম লিটার প্রতি দুই টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভোট মিটতেই রবিবার ঘোষণা করা হয়েছে নতুন দাম। আজ, ৩ জুন সোমবার থেকে দেশজুড়ে দুধের নতুন দাম কার্যকর হবে। দুধের পাশাপাশি দাম বাড়ানো হয়েছে দইয়েরও। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, দুধ উৎপাদন ও বন্টনের খরচের উপরে ভিত্তি করেই দুধের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, তাদের নীতি অনুযায়ী, গ্রাহক দ্বারা প্রদেয় প্রতি এক টাকার মধ্যে ৮০ পয়সা উৎপাদনকারীদেরই দিয়ে দেওয়া হয়। এই দাম বৃদ্ধির ফলে তারা উপকৃত হবেন।

    কেন বাড়ল দাম

    গুজরাট কোঅপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশনের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, দেশজুড়ে দুধের দাম (Milk Price) লিটার প্রতি দুই টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে। ৩ জুন থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে। দুধ বিক্রেতা ও ডিস্ট্রিবিউটরদের নতুন দামের তালিকা ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে। আমূল গোল্ড, আমূল শক্তি, আমূল টি স্পেশাল- সমস্ত দুধেরই দাম লিটার প্রতি দুই টাকা করে বাড়ছে।  সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়েন মেহতা জানান, ৩ জুন থেকে দেশব্যাপী নতুন দাম চালু হবে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই দাম বৃদ্ধি করা ছাড়া উপায় ছিল না। সংস্থার তরফ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “লিটার প্রতি ২ টাকা দাম বৃদ্ধি করার অর্থ, এমআরপিতে ৩ থেকে ৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা। যা কি না খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির হারের তুলনায় খুবই কম। এ-ও মনে রাখা দরকার, ২০২৩ সালে ফেব্রুয়ারি মাস থেকে দুধের দাম বৃদ্ধি করেনি আমূল। কিন্তু আনুষাঙ্গিক খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পদক্ষেপ।”

    আরও পড়ুন: প্রচলিত শক্তি উৎসের বিকল্প হতে পারে ‘হাইড্রোজেন’! উৎপাদন বাড়ছে ভারতেও

    দাম কত হবে

    সোমবার থেকে আমূলের ৫০০ মিলিলিটারের মহিষের দুধ, আমূল গোল্ড এবং আমূল (Amul) শক্তির দাম হবে যথাক্রমে ৩৬ টাকা, ৩৩ টাকা এবং ৩০ টাকা (Milk Price)। আমূল তাজা-র ৫০০ মিলির প্যাকেটের দাম হচ্ছে ২৬ টাকা। আমূল স্ট্যান্ডার্ডের ৫০০ মিলির দাম আজ থেকে ২৯ টাকা হচ্ছে। শেষ বার আমূলের দুধের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Mother Dairy: আমূলের পর এবার মাদার ডেয়ারি, দুধের দাম বাড়ল ২ টাকা

    Mother Dairy: আমূলের পর এবার মাদার ডেয়ারি, দুধের দাম বাড়ল ২ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুধের দাম আগেই বাড়িয়েছিল আমূল (Amul)। এবার সেই পথে হাঁটল মাদার ডেয়ারিও (Mother Dairy)। শনিবার মাদার ডেয়ারি ফুল ক্রিম মিল্ক (Full Cream Milk) এবং কাউ মিল্কের (Cow Milk) দাম বাড়িয়েছে লিটার প্রতি দু টাকা করে। মাদার ডেয়ারির এক মুখপাত্র বলেন, এই মূল্যবৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে ১৬ অক্টোবর, রবিবার থেকে। এ নিয়ে চলতি বছরে তিনবার দুধের দাম বাড়াল মাদার ডেয়ারি (Mother Dairy)। গত মার্চ মাসে দিল্লি ও ন্যাশনাল ক্যাপিটেল রিজিয়নে তারা দুধের দাম বাড়িয়েছিল লিটার প্রতি দু টাকা। ওই একই এলাকায় কোম্পানি ফের দুধের দাম লিটার প্রতি দু টাকা বাড়িয়েছিল অগাস্টে। তার আবারও বাড়ানো হল লিটার প্রতি দু টাকা।

    কী কারণে বাড়ানো হল দুধের দাম? মাদার ডেয়ারির (Mother Dairy) এক মুখপাত্র জানান, দুগ্ধ শিল্পে ইনপুট খরচ বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে কাঁচা দুধের দাম। গত দু মাসেই তা বেড়েছে কেজি প্রতি প্রায় ৩ টাকা। উত্তর ভারতের বেশ কিছু রাজ্যে পশুখাদ্যের দাম বাড়ায় ও বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষকদের লাভের কথা মাথায় রেখে এবং উপভোক্তাদের জন্য উন্নতমানের দুধের জোগান নিশ্চিত করতে দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছি আমরা।

    আরও পড়ুন: কাজের ক্ষেত্রে ইডি সম্পূর্ণ স্বাধীন, সাফ জানালেন নির্মলা সীতারামন

    মাদার ডেয়ারির (Mother Dairy) এই পদক্ষেপের আগেই লিটার প্রতি দু টাকা বাড়িয়েছিল আমূলও। গুজরাট ছাড়া দেশের সর্বত্র দাম বাড়ানোর কথা জানিয়েছিল কোম্পানি। লিটার প্রতি দু টাকা দাম বাড়ায় ফুল ক্রিম আমূল দুধের দাম পড়বে লিটার প্রতি ৬৩ টাকা। আগে এটাই ছিল ৬১ টাকা। তবে কেবল গোরুর দুধ নয়, আমূল গোল্ড ও মোষের দুধের দামও বাড়ছে লিটার প্রতি দু টাকা করে। আমূল দুধ প্রস্তুত করে গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন। এই কোম্পানির ম্যানেজিং ডিরেক্টর আরএস সোধি বলেন, ফ্যাটের মূল্য বৃদ্ধির কারণে আমূল গোল্ড ও মোষের দুধের দাম বাড়ানো হয়েছে লিটার প্রতি ২ টাকা করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Milk Price Hike: মধ্যবিত্তের মাথায় হাত, দুধের দাম বাড়াল আমুল এবং মাদার ডেয়ারি 

    Milk Price Hike: মধ্যবিত্তের মাথায় হাত, দুধের দাম বাড়াল আমুল এবং মাদার ডেয়ারি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে নাজেহাল সাধারণ মানুষ। রোজ বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম। এর আঁচ পড়েছে মধ্যবিত্তের রান্নাঘরেও। এবার আরও খানিকটা বিপদে পড়ল মধ্যবিত্ত। অস্বস্তি বাড়িয়ে এবার দুধের দাম বাড়াল আমুল ও মাদার ডেয়ারি (Monther Dairy)। লিটার পিছু দুধের দাম বাড়ছে ২ টাকা। আগামিকাল, ১৭ আগস্ট থেকেই এই নতুন দাম লাগু হবে। প্রসঙ্গত, ৬ মাসের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার দুধের দাম বাড়াল দুই সংস্থাই। 

    আরও পড়ুন: রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ দেশ, কী হবে ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার স্টকের?

    গুজরাট কো-অপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন, যেটি ‘Amul’ ব্র্যান্ড নামে দুধ এবং দুধের পণ্য বিক্রি করে। 

    মূল্যবৃদ্ধি (Price Hike) প্রসঙ্গে আমুলের তরফে জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, মুম্বই, দিল্লি এনসিআর, গুজরাটের আহমেদাবাদ, সৌরাষ্ট্র এবং আরও যে সমস্ত রাজ্যে আমুলের দুধ বিক্রি হয় সর্বত্রই ১৭ আগস্ট থেকে দুধের দাম লিটার প্রতি ২ টাকা করে বাড়বে।

    আরও পড়ুন: ডিএ মামলায় রাজ্য সরকারের রিভিউ পিটিশন শেষ পর্যন্ত গ্রহণ করল আদালত

    আমুলের ঘোষণার কিছু পরেই মাদার ডেয়ারির তরফেও ঘোষণা করে জানানো হয়, লিটার প্রতি ২ টাকা করে দুধের দাম বাড়াচ্ছে তারাও। আর সেই নতুন দাম ধার্য হবে বুধবার, ১৭ আগস্ট থেকেই। সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “গত পাঁচ মাস ধরেই আনুষঙ্গিক খরচ বাড়ছিল। তাই বাধ্যত এই সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।” বর্ধিত মূল্যের হিসেবে এবার প্রতি লিটার মাদার ডেয়ারির ফুল ক্রিম মিল্কের দাম হল ৬১ টাকা , টোনড দুধের দাম ৫১ টাকা, ডাবল টোন্ড দুধ ৪৫ টাকা।

    একই কথা জানিয়েছে আমুল। সংস্থার তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুধের উৎপাদন ও বিপণনের খরচ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে গত কয়েক মাসে। আর সেই কারণেই বাড়ানো হচ্ছে দুধের দাম। এর ফলে ৫০০ মিলিলিটার আমুল গোল্ডের দাম হবে ৩১ টাকা, প্রতি লিটার আমুল তাজা ২৫ টাকা, আমুল শক্তি ২৮ টাকা। 

    আমুল বিবৃতিতে বলেছে যে, ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে, আমাদের সদস্য ইউনিয়নগুলি কৃষকদের জন্য দাম বাড়িয়েছে। এর একটি অংশ এখন গ্রাহকদের কাছে বাড়ানো হয়েছে। রাশিয়ান-ইউক্রেন সংকটের কারণে পশু খাদ্য সহ বিশ্বব্যাপী পণ্যের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ কারণে সারা বিশ্বে এর দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। যা দেশে সরবরাহ ও দামের ওপর প্রভাব ফেলেছে এবং দুধ উৎপাদনে নিয়োজিত কৃষকদের খরচ বেড়েছে।

LinkedIn
Share