Tag: APJ Abdul Kalam

APJ Abdul Kalam

  • Dhakuria Private School: ঢাকুরিয়ার স্কুলের দেওয়ালে টাঙানো মাও-মার্ক্স-চে! ৭ দিনের মধ্যে ‘বিদেশি’দের সব ছবি সরানোর আশ্বাস

    Dhakuria Private School: ঢাকুরিয়ার স্কুলের দেওয়ালে টাঙানো মাও-মার্ক্স-চে! ৭ দিনের মধ্যে ‘বিদেশি’দের সব ছবি সরানোর আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার ঢাকুরিয়ার প্রাইভেট স্কুলে (Dhakuria Private School) টিচার্স রুমে টাঙানো কার্ল মার্ক্স, মাও সে তুং-সহ কয়েকজন বিদেশি ব্যক্তিত্বের ছবি নিয়ে আপত্তি জানাল আরএসএস-ঘনিষ্ঠ শিক্ষক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘ। বুধবার সংগঠনের প্রতিনিধিরা স্কুলে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে (Marx Mao Pictures) আপত্তি জানান। এরপর স্কুল কর্তৃপক্ষ টিচার্স রুম থেকে কার্ল মার্ক্স ও মাও সে তুংয়ের ছবি সরিয়ে দেয়। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত দে জানিয়েছেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে স্কুলের অন্যান্য জায়গা থেকেও এমন ছবি সরিয়ে দেওয়া হবে।

    স্কুল আলো করে বিদেশি ‘প্রভু’রা! (Dhakuria Private School)

    সংগঠনের অভিযোগ, স্কুলে কার্ল মার্ক্স, মাও সে তুং, হো চি মিন, চে গেভারা এবং স্তালিনের মতো বিদেশি ব্যক্তিত্বদের ছবি থাকলেও দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কয়েকজনের ছবি সেখানে ছিল না। সংগঠনের দাবি, বিআর আম্বেদকর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, এপিজে আবদুল কালাম এবং রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর মতো ভারতীয় মনীষী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি স্কুলে থাকা উচিত।

    অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘের কলকাতা শাখার সভাপতি প্রদীপ পাল বলেন, “স্কুলের করিডরে ঢুকলেই মাও সে তুং, চে গেভারা এবং স্তালিনের ছবি দেখা যাচ্ছে। প্রধান শিক্ষকের ঘরে এপিজে আবদুল কালামের ছবি নেই, দ্রৌপদী মুর্মুর ছবিও নেই। অথচ সেখানে ভেনেজুয়েলার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হুগো শাভেজের ছবি রয়েছে। বিআর আম্বেদকর ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ছবিও নেই। অথচ স্টাফরুমে কার্ল মার্ক্সের ছবি রয়েছে। আমাদের আপত্তির জায়গাটা এখানেই।” প্রদীপের আরও অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, “২০ বছর ধরে এগুলো চলে আসছে। ২০ বছর ধরে একটি স্কুলে কার্যত রাজনৈতিক বিষয়গুলো চলেছে, নাকি রাষ্ট্রচিন্তায় ছাত্র তৈরি করা হয়েছে, সেই প্রশ্নটা সবার কাছেই রয়েছে (Dhakuria Private School)।”

    এদিকে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুদীপ্ত দে জানিয়েছেন, ছবিগুলি দীর্ঘদিন ধরেই স্কুলে ছিল। তিনি মে মাসের শেষে দায়িত্ব নিয়েছেন। তাঁর কথায়, “বহু বছর ধরেই ছবিগুলি রয়েছে। আপত্তি ওঁরা তুলেছেন ছবিগুলি নিয়ে। এই মুহূর্তে বিষয়টি খুব যুক্তিযুক্তই মনে হচ্ছে। কেউ আগে অভিযোগ জানাননি। কোনও আধিকারিক এসেও কিছু বলেননি, ছাত্ররাও বলেনি। ফলে আমাদের মাথায় আসেনি।”

    ছবি সরানোর প্রতিশ্রুতি

    তিনি আরও বলেন, “ওঁরা যখন বিষয়টি তুলে ধরেছেন, আমি কথা দিচ্ছি, সাত দিনের মধ্যে আমরা এই সমস্ত ছবি একেবারে সরিয়ে দেব। আর যে ছবিগুলি দরকার, অবশ্যই ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ছবি আমরা টাঙাব। ভবিষ্যতে এটাই বজায় থাকবে।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, টিচার্স রুমে থাকা কয়েকটি ছবি ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে স্কুলের অন্যান্য জায়গাতেও বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হবে। অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও মতাদর্শগত বিতর্কও তৈরি হয়েছে। কারণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেশ-বিদেশের ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ছবি রাখা, সেই ছবিগুলির নির্বাচন এবং তা সরানোর দাবি—সবকিছুকেই ঘিরে ভিন্নমত রয়েছে (Marx Mao Pictures)। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই ঘটনাকে ঘিরে বামপন্থী শিক্ষক সংগঠনের আপত্তির কথাও উঠে এসেছে (Dhakuria Private School)।

     

  • Swami Pradiptananda: পশ্চিমবঙ্গে রাস্তা-গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নামবদল খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি, নেতৃত্বে কার্তিক মহারাজ

    Swami Pradiptananda: পশ্চিমবঙ্গে রাস্তা-গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নামবদল খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি, নেতৃত্বে কার্তিক মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন রাস্তা, এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নামবদল সংক্রান্ত প্রস্তাব পর্যালোচনার জন্য বিশেষ কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার (Swami Pradiptananda) বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের ওপর ধন্যবাদজ্ঞাপক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে (Place Renaming) তিনি জানান, পদ্মশ্রী প্রাপক স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ (কার্তিক মহারাজ) এই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনার প্রস্তাব গ্রহণ করে পদ্মশ্রী স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজের নেতৃত্বে নতুন করে নামকরণ মূল্যায়নের জন্য একটি কমিটি আমি ঘোষণা করছি। আপনারাই বলেছেন মূল্যায়ন।” তিনি জানান, ভবিষ্যতে কোনও রাস্তা, এলাকা বা গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নাম পরিবর্তন কিংবা নয়া নামকরণের প্রস্তাব থাকলে তা এই কমিটির কাছেই জমা দেওয়া যাবে। পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “পদ্মশ্রী স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ একটি কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। যাঁর যা প্রস্তাব আছে সেখানে জমা দেবেন।” বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বাংলার ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রসঙ্গ টানেন। সেই সূত্রেই তিনি সুরাবর্দি অ্যাভেনিউয়ের নাম পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, “আমি যখন সেভেন পয়েন্ট দিয়ে যাতায়াত করেছি, তখন দেখতাম সুরাবর্দি অ্যাভেনিউ লেখা ছিল। সুরাবর্দির নাম থাকবে না।”

    কালামের প্রসঙ্গ টানলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, স্বাধীন ভারতে অত্যাচার, হিংসা বা ঔপনিবেশিক শাসনের সঙ্গে যুক্ত বিতর্কিত ব্যক্তিদের নামে কোনও রাস্তা বা গুরুত্বপূর্ণ জায়গার নাম থাকা উচিত নয়। প্রকৃত দেশভক্ত ও রাষ্ট্রনেতাদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের পক্ষেও সওয়াল (Swami Pradiptananda) করেন তিনি। উদাহরণ হিসেবে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের নাম উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, “যদি মনে করেন এপিজে আবদুল কালামের মতো কোনও প্রকৃত দেশভক্তকে সম্মান জানানোর প্রয়োজন আছে, তাহলে তথ্য দেবেন, মর্যাদা দেওয়া হবে।” রাজ্য সরকারের এহেন উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে (Place Renaming) পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গার নামকরণ ও নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট মূল্যায়ন প্রক্রিয়া চালু হতে পারে (Swami Pradiptananda) বলেই অনুমান প্রশাসনিক মহলের।

     

LinkedIn
Share