Tag: arjun singh

arjun singh

  • Arjun Singh: ভেস্তে গেল অর্জুন-সোমনাথ সমঝোতা বৈঠক, জিইয়ে রইল তৃণমূলের কোন্দল

    Arjun Singh: ভেস্তে গেল অর্জুন-সোমনাথ সমঝোতা বৈঠক, জিইয়ে রইল তৃণমূলের কোন্দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে অর্জুন-সোমনাথ দ্বৈরথ চলছেই। লোকসভা ভোটের আগে দলের ভাবমূর্তি ঠিক করতে হস্তক্ষেপ করেছিলেন রাজ্য নেতৃত্ব। তৃণমূলের রাজ্য নেতা সুব্রত বক্সির উপস্থিতিতে অর্জুন সিং-এর সঙ্গে সোমনাথ শ্যামের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। সেই মতো নৈহাটিতে সমস্ত রকম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বাস্তবে সেই বৈঠকে গড় হাজির ছিলেন সোমনাথ শ্যাম। ফলে, অর্জুন (Arjun Singh)-সোমনাথ মীমাংসা বৈঠক ভেস্তে গেল। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

    সোমনাথ ইস্যুতে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন অর্জুন! (Arjun Singh)

    বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে সোমনাথের সঙ্গে অর্জুন সিং এর দ্বন্দ্ব নতুন নয়। তবে, তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের ঘটনার পর অর্জুন (Arjun Singh) ভাইপো পাপ্পু সিং গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সাংসদ-বিধায়কের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। দুজনেই একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ খোলেন। এমনকী দুপক্ষের অনুগামীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। অর্জুন অনুগামীরা প্রকাশ্যে সোমনাথ শ্যামের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন। যা নিয়ে আখেরে দলের মুখ পুড়েছে। জেলা নেতৃত্ব এই সমস্যার সমাধান করতে না পারার কারণে হস্তক্ষেপ করে রাজ্য নেতৃত্ব। সুব্রত বক্সি নিজে উদ্যোগী হন। সোমনাথ ইস্যুতে অর্জুনকে চুপ থাকতে নির্দেশ দেন। রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে সোমনাথের বিরুদ্ধে অর্জুন আর কোনও কথা বলেননি। ঠিক ছিল, নৈহাটি উৎসব উপলক্ষ্যে সুব্রত বক্সি এসে সোমনাথ শ্যাম এবং অর্জুন সিং কে নিয়ে একসঙ্গে বসে বৈঠক করবেন। গত কয়েকদিন ধরে তা নিয়ে জল্পনা চলছিল।

    সোমনাথ গড়হাজির থাকায় ভেস্তে যায় সমঝোতা বৈঠক

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে সুব্রত বক্সি কলকাতা থেকে নৈহাটি যাওয়ার সময় ভাটপাড়া থেকে অর্জুন সিং (Arjun Singh) কে গাড়িতে তুলে নেন। এরপর ৪টা ২০ মিনিট নাগাদ সোজা চলে যান নৈহাটি পুরসভায়। সেখানে স্থানীয় বিধায়ক পার্থ ভৌমিকের ঘরে ৫টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। সেখানে পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায়, সনৎ দে উপস্থিত ছিলেন। সোমনাথ শ্যামের বৈঠকে আসার কথা থাকলেও তিনি গড় হাজির ছিলেন। প্রায় এক ঘন্টা অপেক্ষা করার পর সুব্রতবাবু অর্জুনকে নিয়ে নৈহাটি উৎসবে চলে যান। সেখানে সুব্রত বক্সি ও অর্জুন সিং কে সংবর্ধনা দেয়া হয়। ততক্ষণে পার্থ ভৌমিক অনুষ্ঠানে হাজির হন।  সুব্রত বক্সির পাশাপাশি অর্জুন সিং বক্তব্য রাখেন। নৈহাটি উৎসবের দীর্ঘায়ু কামনা করেন তিনি।

    বৈঠক নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    অর্জুন-সোমনাথের বৈঠকের বিষয়ে সুব্রত বাবুকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, বৈঠকের বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। অর্জুন সিং বলেন, দলীয় নেতৃত্বের নির্দেশ মেনে এ বিষয়ে আমি কোনও মন্তব্য করব না। জগদ্দল এর বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, আমাকে বৈঠকের ব্যাপারে কোনও কিছু ডাকা হয়নি। ফলে বৈঠকের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারব না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: ‘আমার বিরুদ্ধে পুলিশ চক্রান্ত করছে’, কেন বললেন অর্জুন সিং?

    Arjun Singh: ‘আমার বিরুদ্ধে পুলিশ চক্রান্ত করছে’, কেন বললেন অর্জুন সিং?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে নিষেধ করেছে রাজ্য নেতৃত্ব। দলের রাজ্য নেতা সুব্রত বক্সির নির্দেশ মেনে সোমনাথ ইস্যুতে আপাতত মুখে কুলুপ এঁটেছেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তবে, বুধবার বারাকপুর মহকুমা আদালতে এসে ভাইপো পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার ও বার বার হেফাজতে নেওয়া ইস্যুতে পুলিশকে তুলোধনা করলেন তিনি। পাশাপাশি অর্জুন অনুগামীরা এদিন ফের সোমনাথ শ্যামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন।

    সোমনাথের চক্রান্তেই গ্রেফতার, বিস্ফোরক অর্জুন ভাইপো

    তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) ভাইপো পাপ্পু সিংকে কয়েকদিন আগে পুলিশ গ্রেফতার করে। পাঁচদিন হেফাজতে থাকার পর বুধবার তাঁকে ফের বারাকপুর আদালতে তোলা হয়। দাপুটে এই তৃণমূল নেতাকে আদালতে তোলা হবে বলে এদিন সকাল থেকেই পুলিশি তৎপরতা ছিল তুঙ্গে। আদালত চত্বরে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ড্রোন দিয়ে গোটা এলাকার নজরদারি করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯ দিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে আদালতের কাছে দরবার করা হয়। বিচারক ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় পাপ্পু সিং বলেন, সোমনাথ শ্যামের চক্রান্তেই আমাকে গ্রেফতার হতে হয়েছে। পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী রাকেশ সিং বলেন, পাঁচ দিন হেফাজতে থাকার পর তার কাছ থেকে কোনও কিছু পুলিশ পায়নি। ভিকি যাদব খুনে ধৃত পঙ্কজের সঙ্গে আটমাস আগে কথা হয়েছিল পাপ্পুর। সেই সূত্র ধরেই পুলিশ এসব করছে। পুলিশের একাংশে চক্রান্তের শিকার হয়েছে পাপ্পু।

    পুলিশকে তুলোধোনা করলেন অর্জুন (Arjun Singh)

    এদিন অর্জুন সিং (Arjun Singh) আদালতে এসে বলেন, আমার উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য পুলিশ চক্রান্ত করছে। পাঁচ দিনে পাপ্পুর কাছে কিছু পাওয়া যায়নি,  সাত দিন তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হল। চক্রান্ত ছাড়া আর কিছু নয়। আসলে পাপ্পু আমার সমস্ত কিছু দেখাশোনা করত। নির্বাচনটাও করত। ও সামনে আসত না। আমার অফিস ও সামলাত। তাই, এভাবে ওকে হেনস্থা করা হচ্ছে। আমরা উচ্চ আদালতে যাব। সেখানেই আসল সত্য প্রমাণ হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ‘জগদ্দলের বিধায়কের মায়ের স্কুলে চাকরি করে দিয়েছিলেন বাবা’, স্বীকার করলেন অর্জুন

    Barrackpore: ‘জগদ্দলের বিধায়কের মায়ের স্কুলে চাকরি করে দিয়েছিলেন বাবা’, স্বীকার করলেন অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলে সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্বে রাশ টেনেছে দল। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি ইতিমধ্যেই অর্জুন সিংকে সোমনাথ ইস্যুতে মুখ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সেই নির্দেশকে ফুৎকারে উড়িয়েই ফের বিস্ফোরক অর্জুন। আবারও জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকে তুলোধোনা করলেন তিনি। স্বাভাবিকভাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপের পরও আরও একবার সোমনাথ-অর্জুনের দ্বৈরথ ফের প্রকাশ্যে চলে এলো।

    অর্জুনকে নিয়ে কী বলেছিলেন সোমনাথ? (Barrackpore)

    তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুন হওয়ার পর থেকেই উত্তাল বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের রাজনীতি। এই তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অর্জুনের ভাইপো পাপ্পু সিংকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তারপর থেকেই সোমনাথ-অর্জুনের দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। দলীয় মিটিং, পথসভায় প্রকাশ্যেই একে অপরের বিরুদ্ধে সোমনাথ এবং অর্জুন সিংকে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে। দুদিন আগেই জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, আমার কাছে হলুদ ফাইল রয়েছে। সেখানে অর্জুন সিং এর সমস্ত তথ্য রয়েছে। হলুদ ফাইল খুললেই সাংসদের সমস্ত দুর্নীতি  সামনে চলে আসবে।

    বাবার দৌলতে বিধায়কের মা চাকরি পেয়েছেন: অর্জুন

    মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে অর্জুন বলেন, দলের রাজ্য সভাপতি আমাকে চুপ থাকতে বলেছেন। তাই এই বিষয়ে আমি আর বেশি কোনও কথা বলবো না। এরপরই তিনি বলতে শুরু করেন, আমি কোন হলুদ ফাইল, নীল ফাইলের কথা বলবো না। যেটা সত্যি, জগদ্দল এর মানুষ যেটা জানেন, আমি সেই কথাই বলবো। তিনি বলেন, জগদ্দল এর বিধায়কের মায়ের প্রাইমারি স্কুলে চাকরি আমার বাবা করে দিয়েছিলেন। সেখানে মিঠু সাউ বলে একজনকে নেওয়ার কথা ছিল। তাকে বাদ দিয়ে বিধায়কের মাকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল প্রাইমারি স্কুলে। এটা সবাই জানেন।

    তোলাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে বলেই আক্রমণ

    সোমনাথ শ্যামের এই বার বার আক্রমণ প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, আমি বিজেপিতে যাওয়ার পর বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে রমরমিয়ে তোলাবাজি শুরু হয়েছিল। আমি তৃণমূলে ফিরে আসতেই তোলাবাজিতে লাগাম টেনেছি। এবার দল যদি আমার উপর আস্থা রাখে এবং আমি যদি ফের সাংসদ নির্বাচিত হই তাহলে তাদের তোলাবাজি পুরোপুরিভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। তাই এখন আমার বিরুদ্ধে এসব কথা বলে ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। কিন্তু, এলাকার মানুষ জানেন, অর্জুন সিং কেমন মানুষ। এসব নোংরামো করে ভোট ব্যাঙ্কে কোন প্রভাব পড়বে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে! হলুদ ফাইল নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    Barrackpore: সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে! হলুদ ফাইল নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুর (Barrackpore) লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অর্জুন সিংকে এবার প্রার্থী করা হবে, না তাঁর জায়গায় নতুন কাউকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে নিয়ে দলের অন্দরে জোর জল্পনা চলছে। এরই মধ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন অর্জুনের বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। দলীয় কর্মীদের নিয়ে সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অর্জুনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

    হলুদ ফাইল নিয়ে কী বললেন সোমনাথ? (Barrackpore)

    বারাকপুর (Barrackpore) শিল্পাঞ্চলের ভাটপা়ড়ায় তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনের ঘটনায় অর্জুন সিংয়ের ভাইপো গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। বিধায়ক এবং সাংসদ একে পরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তোপ দাগেন। এমনকী মধ্যমগ্রামে জেলা পার্টি অফিসের বৈঠকে সোমনাথ হাজির হতেই মিটিঁং ছেড়ে চলে যান অর্জুন। এবার সেই অর্জুনের উদ্দেশে সোমনাথ বলেন, ‘আমার কাছে একটা হলুদ ফাইল আছে, সেটা আমি খুলব। তাতে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়া-সহ নানা দুর্নীতির তথ্য আছে। সেই ফাইল খুললে পালাবার পথ পাবেন না অর্জুন সিংহ। সাদ্দাম হুসেনের মতো লুকনোর জায়গা পাবেন না।’ সাংসদের উদ্দেশে বিধায়কের আরও প্রশ্ন, ‘আপনার থেকে বড় চোর কে আছে? চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা, পরীক্ষার্থীদের টাকা, ভাটপাড়া পুরসভাকে দেউলিয়া করেছেন আপনি। কত মানুষের গ্র্যাচুইটির টাকা চলে গেল আপনার পেটে! এত টাকার হিসাব দিতে হবে। জবাব দিতে হলে পদত্যাগ করে আসুন, আমিও আসব। সামনাসামনি কথা হবে। তখন দৌড় করাব আমি।’

    কী বললেন অর্জুন?

    এমনিতেই সোমনাথের আচরণে বেজায় চটেছেন অর্জুন। দুদিন আগে জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, জেলা নেতৃত্ব এই বিষয়টি সামাল দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই। তাই, দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলব। আর এবার সোমনাথের হলুদ ফাইল প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, একজন লোহা চোর কী বলছে, তার জবাব আমি দেব না। দলের উচ্চ নেতৃত্ব দেখছেন বিষয়টি। যা বলার, তাঁরাই বলবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, দলের বিধায়ককেই গ্রেফতারের দাবি অর্জুন অনুগামীদের!

    Barrackpore: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, দলের বিধায়ককেই গ্রেফতারের দাবি অর্জুন অনুগামীদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে জড়িতে সন্দেহে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করার পর থেকেই সরগরম বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের রাজনীতি। শুক্রবার পাপ্পুকে বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমা আদালতে তোলা হয়। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪ দিনের আবেদন জানানো হয়। বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ভিকি যাদব খুনে অন্যতম অভিযুক্ত পঙ্কজ সিং, ইফতিকার আলম শুক্রবার আদালতের তোলা হয়েছিল। বিচারক এই দুজনকেও চার দিনের পুলিশ হেপাজতের  নির্দেশ দিয়েছেন। পঙ্কজ এবং পাপ্পুকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।  

    বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন অর্জুন অনুগামীরা

    বৃহস্পতিবার বারাকপুরে (Barrackpore) গোয়েন্দা দফতরে পুরানো একটি মামলায় তদন্তের স্বার্থে হাজিরা দিতে এসে পাপ্পু সিং গ্রেফতার হন। তারপরই পরেই অর্জুন সিংয়ের অনুগামীরা রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন। রাতেই জগদ্দল, ভাটপাড়া এলাকায় তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের  সঙ্গে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের অনুগামীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। যদিও পুলিশ প্রশাসনে কড়া নজরদারি থাকায় রাতে বড় কোনও গন্ডগোল হয়নি। তবে শুক্রবার সকালে ভাটপাড়ার অর্জুন সিংয়ের খাস তালুক মজদুর ভবনের সামনে পাপ্পু সিং এর অনুগামীরা সোমনাথ শ্যামের গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ভিকি যাদব খুনের অন্যতম অভিযুক্ত পঙ্কজ সিং সোমনাথের ঘনিষ্ঠ। জন্মদিনের পার্টিতে সোমনাথ সিং পঙ্কজকে কেক খাওয়াতে দেখা গিয়েছে। পাপ্পুকে গ্রেফতার করা হলে এই খুনের ঘটনায় সোমনাথকে গ্রেফতার করতে হবে।

    বারাকপুর (Barrackpore) আদালতে দিনভর কী হল?

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালেই পাপ্পু সিংকে কোর্ট লকআপে নিয়ে আসা হয়। বেলা বাড়তে আদালতের সামনে অর্জুন অনুগামী ও পাপ্পু সিং এর অনুগামীদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। পাপ্পুর গ্রেফতারের প্রতিবাদে রীতিমতো তারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তৃণমূল কর্মীদের ভিড়ে আদালতের সামনের এস এন ব্যানার্জি রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পাপ্পু সিংকে মুক্তির দাবিতে তৃণমূল কর্মীরা বেশ কিছুক্ষণ রাস্তা অবরোধ করেন। যার জেরে রাস্তা দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যদিও অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বিশেষ করে রিভার সাইড রোডে প্রচুর স্কুল রয়েছে। স্কুলের ছেলেমেয়েদের অনেকটা ঘুরে যেতে হয়। দুপুরের  দুটো নাগাদ মামলাটি আদালতে ওঠে। বিচারক ছিলেন রাহুল ভট্টাচার্য। পাপ্পু সিংয়ের হয়ে প্রায় শতাধিক আইনজীবী সওয়াল করেন। আইনজীবীদের বক্তব্য, পাপ্পুকে অবৈধভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিচারক রাহুল ভট্টাচার্য তদন্তকারী অফিসারের কাছে বিষয়টি বিস্তারিত জানতে চান। তদন্তকারী আধিকারিক জানান, ভিকি যাদব খুনের ঘটনায় ১২ ই ডিসেম্বর পাপ্পু সিং যুক্ত থাকার বিষয়টি সামনে আসে। তাই ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত পেন্ডিং রাখার পর সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ বিচারক পাপ্পু সিংকে পাঁচ দিনে পুলিশ হেফাজত নির্দেশ দেন।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম?

    এদিকে সোমনাথ শ্যাম বলেন, আগেও বলেছি এখনও বলছি পাপ্পু তার কাকাকে (অর্জুন সিং) জিজ্ঞেস না করে কোনও কাজ করে না। পুলিশি তদন্তে পাপ্পু জড়িত থাকার অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তাই, এই খুনের পিছনে অর্জুন সিংহের হাত রয়েছে। আমরা তার গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    সাংসদ অর্জুনের কী বক্তব্য?

    অর্জুন সিং বলেন, পাপ্পু গ্রেফতার করে কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়া যাবে না। তৃণমূলে ক্ষতি করা যাবে না। অর্জুন সিংয়ের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। রোজ পাপ্পু সিং তৈরি করার ক্ষমতা আমার রয়েছে। আমরা পাপ্পুর জন্য আইনি লড়াই লড়ব। মিথ্যা সব সময় মিথ্যায় প্রমাণিত হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো গ্রেফতার, সাংসদ-বিধায়কের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Barrackpore: তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো গ্রেফতার, সাংসদ-বিধায়কের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ার তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে এবার সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বারাকপুর (Barrackpore) কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতরে। সেখানেই পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করা হয়। পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী ও তাঁর অনুগামীরা বিক্ষোভের ফেটে পড়েন। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    জগদ্দল এর বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে অর্জুন সিং এর দ্বন্দ্ব নতুন নয়। প্রকাশ্য মঞ্চে একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগার ঘটনার সাক্ষী রয়েছেন বারাকপুরবাসী (Barrackpore)। গত নভেম্বর মাসেই তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় বেশ  কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। দুদিন আগেই ভিকি যাদবের মা সহ ভাটপাড়া পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু সদস্য মিছিল করে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে হাজির হন। মূল অভিযুক্ত গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন তাঁরা। এই প্রতিবাদ মিছিলের পিছনেও সোমনাথের হাত রয়েছে বলে তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজনের মত। জানা গিয়েছে, বছরখানেক আগে রাজেন পান্ডে নামে একজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই মামলায় অর্জুনের ভাইপো পাপ্পুর নাম জড়ায়। গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরা সেই ঘটনার তদন্তে বৃহস্পতিবার তলব করেন পাপ্পুকে। আইনজীবী রাকেশ সিং সহ বেশ কয়েকজন অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে পাপ্পু গোয়েন্দা বিভাগে আসেন। পুরানো মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসতেই তাঁকে ভিকি যাদব খুনে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়। এরপর এই গোয়েন্দা প্রধান শ্রীহরি পাণ্ডের সঙ্গে পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবির রাকেশ সিংয়ের রীতিমতো বচসা হয়। পাপ্পুর অনুগামীরা  রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে  বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাপ্পু সিং গ্রেফতার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় জগদ্দলে। সেখানে পাপ্পু সিং অনুগামীরা ও রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। আর এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে আসে।

    সোমনাথ শ্যাম পাপ্পুকে গ্রেফতার করিয়েছেন, সরব আইনজীবী

    পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী রাকেশ সিং বলেন, পাপ্পুকে অন্য একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। অথচ তাঁকে খুনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হল। সোমনাথ শ্যাম পুলিশকে দিয়ে এসব করিয়েছে। পাপ্পু এলাকায় জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা। সেটা কখনও মেনে নিতে পারছেন না সোমনাথ। তাই তাঁকে হেনস্তা করতেই তাঁর নামে এভাবে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। অর্জুন সিং বলেন, ষড়যন্ত্র করে পাপ্পুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমনাথকে নিয়ে কী বললেন অর্জুন?

    বারাকপুরের (Barrackpore) সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, দিন কুড়ি আগে থেকে সোমনাথ শ্যাম বলছে ভিকি যাদবকে খুন করিয়েছে আমার ভাইপো পাপ্পু। এদিকে, এই খুনের ঘটনায় ধৃত পঙ্কজ, যাকে পুলিশ মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে জানিয়েছে তার জন্মদিন সোমনাথ শ্যাম পালন করছে, বিধায়কের পাশে দাঁড়িয়ে পঙ্কজ কেক কাটছে। সেই কেক সোমনাথ শ্যামকে খাওয়াচ্ছে। সেই ভিডিও, ছবি দেখে সবাই বুঝতে পেরেছে দুজনের কতটা গভীর সম্পর্ক। এই পঙ্কজ সোমনাথ শ্যামের লোক না হয়ে পাপ্পু সিংয়ের লোক হয়ে গেল? আসলে চক্রান্ত করে পাপ্পুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    খুনের পিছনে অর্জুন যোগ, প্রশ্ন সোমনাথের?

    সোমনাথ শ্যাম বলেন, “ভিকি যাদবকে খুন করার অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী ছিল পাপ্পু। তার বিরুদ্ধে একাধিক খুনের অভিযোগ রয়েছে। এই পাপ্পু প্রকাশ্যেই বলতো, কাকা অর্জুন সিংয়ের কথা ছাড়া কোনও কাজ করিনা। তাহলে কোথাও না কোথাও কি এই খুনের পিছনে অর্জুন সিংও জড়িত আছে? এটাই আমার প্রশ্ন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! একে অপরের বিরুদ্ধে কী বললেন জানেন?

    Arjun Singh: সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! একে অপরের বিরুদ্ধে কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) লড়াই একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। এতদিন দাপুটে দুই নেতার মধ্যে ঠান্ডা লড়াই চলছিল। এখন তা সামনে চলে এল। রবিবার সন্ধ্যায় অর্জুন সিং ভাটপাড়ায় দলীয়  সভায় যোগ দিতে গিয়ে সোমনাথ শ্যামের নাম না করে পোলট্রি মোরগ বলে কটাক্ষ করেন।

    তৃণমূল কর্মী খুনে জড়িত সাংসদ বা তাঁর পরিবারের কেউ, সরব বিধায়ক

    এর আগে ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় সাংসদ অর্জুন সিংকে নিশানা করেছিলেন জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক। পাশাপাশি, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। যা নিয়ে ফের চর্চায় এসেছে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলের বিষয়টি। ফলে অস্বস্তি বেড়েছে তৃণমূলের অন্দরে। গত ২১ নভেম্বর ভাটপাড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে পুরানি তালাও সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে বাড়ির সামনে গুলি করে খুন করা হয়। তিন দিনের মধ্যে দু’জনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। যদিও ভিন রাজ্যের ভাড়াটে খুনিরা এখনও অধরা। তাদের ধরতে ইতিমধ্যেই ব্যারাকপুর কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে খুনের ঘটনায় দেখা গিয়েছে, মেঘনা জুটমিলের পুরাতন লাইন থেকে বেরিয়ে খুনিরা খুন করে আবার সেখানে ঢুকে যায়। এই কারণেই আমি বলেছি, কোথাও না কোথাও সাংসদ বা তাঁর পরিবারের কেউ জড়িত। পরিবারের সেই যুক্ত লোকের নাম পাপ্পু সিং। কেউ প্রভাব খাটাচ্ছে। তাই হয়তো পুলিশ পিছিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমার মনে হয়, পুলিশ এ বার পিছোবে না, কারণ পুলিশের কাছে গ্রেফতার করার জন্য যথেষ্ট তথ্য আছে। যে খুন করেছে, তাঁকে জেল খাটতেই হবে।

    সোমনাথকে নিয়ে কী বললেন অর্জুন? (Arjun Singh)

    সোমনাথ শ্যামের সেই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তিনি বলেন, আমার ভাইপো আমার সঙ্গে রয়েছে, তারজন্য সে খুনি। আর আমার ভাইপো তাঁর সঙ্গে রয়েছে সে ভাল। আর ভিকি যাদবকে খুন করার পর খুনিরা মেঘনা জুটমিলে ঢুকছিল সেটা তিনি দেখেছেন। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুখ্যমন্ত্রীতে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এক সময় আমরা হাতে গোনা কয়েকজন দল করতাম। দুদিন আগে দল করে আমার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করছে। আমার সামনে দাঁড়ানোর কোনও যোগ্যতা তাঁর নেই। দলীয় ঝান্ডা ছেড়ে বেরিয়ে এসে একটা কথা বলে দেখুক জনগন এমন হাল করবে যে তিনি তখন বুঝতে পারবেন।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলেছি রাজ্যের পুলিশ নিষ্ক্রিয়, তৃণমূল নিজেরাই নিজেদের খুন করেছে। আমাদের এই কথাটাই তৃণমূল বিধায়ক বলে দিলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: ‘৯০ শতাংশ তৃণমূল কার্যালয় খোলে না’, দলীয় সভায় আক্ষেপ করলেন অর্জুন

    Arjun Singh: ‘৯০ শতাংশ তৃণমূল কার্যালয় খোলে না’, দলীয় সভায় আক্ষেপ করলেন অর্জুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বিজয়া সম্মেলনীতে কর্মীদের রাজনীতির পাঠ শেখালেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। শুক্রবার শ্যামনগরের সুব্রত পল্লিতে তৃণমূলের তরফে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ অর্জুন।  তাঁর কথায়, আগামিদিনে নির্বাচন আছে। শত্রুকে কোনও দিন কমজোরি ভাববেন না। শত্রু কখনও কমজোরি হয় না। আর আবেগ দিয়ে রাজনীতি হয় না। যদি বুথে কর্মী সঠিক না থাকেন, ভোটার লিস্ট যদি আপনাদের মুখস্থ না থাকে, কে বিরোধী রাজনীতি করেন, তা যদি বুঝতে না পারেন, তা হলেই সমস্যা। মানুষের সঙ্গে ব্যবহার ঠিক রাখতে হবে।

    বিজেপি থেকে অনেক কিছু শিখেছি, স্বীকার অর্জুনের (Arjun Singh)

    অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, রাজনীতিতে সব সময় শিখতে হয়। আমি ভোট করতে শিখেছি। কংগ্রেস থেকে শিখে এসেছি। এমনকী, ভোটের রাজনীতি করতে গেলে বিজেপির কাছেও অনেক শিখতে হয়েছে। আমি শিখেছি। জ্ঞান নিতে গিলে মাস্টারমশাইয়ের জামার কলার ধরলে হবে না। মাস্টারমশাইকে প্রণাম করতে হবে। হাতজোড় করে জ্ঞান নিতে হবে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হানা নিয়ে কী বললেন অর্জুন

    অর্জুন (Arjun Singh) বলেন, এজেন্সির সঙ্গে লড়তে গেলে নিজেদেরও ঠিক থাকতে হবে। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেই অনুযায়ী চলতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে পদক্ষেপ করবেন, সেই অনুযায়ী আমাদের সবাইকে চলতে হবে।“দলের কিছু সদস্যের জন্য যদি সবাই অসুবিধার মধ্যে পড়েন, আমি মনে করি, সেই লোককে দলে না রাখাটাই ভাল। যে লোকটা দু’দিন আগে মানুষকে ভয় দেখিয়েছে, সেই মানুষ যদি বুথে বসে থাকে, মানুষ অন্য কাউকে ভোট দেবেন। তাই আমাদের নজর রাখতে হবে। কোনও নাককাটা, গালকাটা বা কানকাটাকে বুথে বসতে দেওয়া যাবে না। সভ্য, ভদ্র মা-দিদি কাউন্সিলর যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বুথে ফিরিয়ে আনুন।

     তৃণমূলের ৯০ শতাংশ পার্টি অফিস খোলেই না, আক্ষেপ অর্জুনের

    অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, এখন তো আমরা পানের দোকান, চায়ের দোকানে বসতেই ভুলে গিয়েছি। পাড়ায় আড্ডা মারছি না। ভেবে নিয়েছি, সবাই আমাদের ভোট দিয়ে দেবেন। আমাদের এই অঞ্চলে ৯০ শতাংশ পার্টি অফিস খোলেই না। কিন্তু অফিসে বসুন। সময় দিন। আমি কিন্তু এলাকায় থাকলে অফিসে বসি। মানুষের সমস্যা শুনতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: অর্জুন গড়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে বোমাবাজি, পুলিশের ভুমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Barrackpore: অর্জুন গড়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে বোমাবাজি, পুলিশের ভুমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমার জগদ্দলের আটচালা বাগান এলাকায়। বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রয়েছে পুলিশ ফাঁড়ি। স্বাভাবিকভাবে পুলিশের ভুমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বারাকপুর (Barrackpore)পুলিশ কমিশনারেটের জগদ্দল থানার আটচালা বাগান ফাঁড়ির ঢিল ছোড়া দূরত্বে রুস্তম গুমটি এলাকায় রওশন আলি নামে এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে বোমাবাজি করে দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, শনিবার মাঝরাতে ওই ব্যবসায়ীর দোকানের সাটারে তিনটি বোমা ছোঁড়ে জাভেদ মিঞা ও তার দলবল। একটি বোমা বাড়ির ছাদে মারলেও সেটি ফাটেনি। জগদ্দল থানার পুলিশ তাজা বোমাটি উদ্ধার করেছে। রওশনের ভাইয়ের সঙ্গে জাভেদের কোনও একটি বিষয় নিয়ে গণ্ডগোল হয়েছিল। সেই গণ্ডগোলটি রওশন এসে মেটানোর চেষ্টা করেন। দুপক্ষের মধ্যে বচসা হয়। রওশন জাভেদকে চড়় মারে। পরে, জাভেদ ফিরে যায়। পরে, গভীর রাত দলবল নিয়ে এসে ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে বোমাবাজি করে বলে অভিযোগ।

    কী বললেন ব্যবসায়ী?

    ব্যবসায়ী রওশন আলির বক্তব্য, আসলে জাভেদ আমাদের গালাগালি করছিল বলে ওকে একটা চড় মেরেছিলাম। তারজন্য সে এরকমভাবে হামলা চালাবে তা আমি ভাবতেই পারিনি। ও গভীর রাতে দলবল নিয়ে আমাদের বাড়িতে বোমাবাজি করেছে। এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছি।

    কী বললেন সাংসদ?

    এই ঘটনা নিয়ে বারাকপুর (Barrackpore) সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, ওখানে একটা পুলিশ ফাঁড়ি রয়েছে। তবুও এই ধরনের ঘটনা ঘটল। জেল থেকে কিছু দুষ্কৃতী ছাড়া পেয়ে ফের এলাকায় গণ্ডগোল পাকাচ্ছে। পুলিশের নজরদারি আরও অনেক বাড়াতে হবে। আর এই বোমাবাজির ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: “তৃণমূল নেতৃত্ব ব্যবস্থা না নিলে জগদ্দল, কাঁকিনাড়ায় যা হওয়ার তাই হবে,” কেন বললেন অর্জুন?

    TMC: “তৃণমূল নেতৃত্ব ব্যবস্থা না নিলে জগদ্দল, কাঁকিনাড়ায় যা হওয়ার তাই হবে,” কেন বললেন অর্জুন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার সত্যেন রায়ের উপর হামলার ঘটনায় ক্ষুব্ধ সাংসদ অর্জুন সিং। বৃহস্পতিবার অর্জুন বলেন, “সিপিএমের বিরুদ্ধে সত্যেন লড়াই করে বার বার আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁর পরিবারের লোকজনও বাদ যাননি। ভাঙচুর করা হয়েছে তাঁর বাড়ি। আর এখন তৎকাল তৃণমূলের কাউন্সিলারদের হাতে তাঁকে মার খেতে হল। আসলে এই সব কাউন্সিলাররা করোনা কালে তৃণমূলে এসেছে। টিকিট পেয়ে গিয়ে কাউন্সিলার হয়ে গেছে। এখনও তারা পুরসভায় ঠিকাদারি করে। বিষয়টি দলীয় নেতৃত্বকে জানাব। সেখানে কাজ না হলে জগদ্দল, কাঁকিনাড়ায় যা হওয়ার তাই হবে।” মূলত হামলার পাল্টা হামলার তিনি হুমকি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বুধবার ভাটপাড়া পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার তরুণ সাউ ও ২০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার অভিমন্যু তেওয়ারির নেতৃত্বে ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার সত্যেন রায়কে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুরসভায় ঢুকে এই হামলা চালানো হয়েছিল। এই ঘটনার পর আক্রান্ত তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দলগতভাবে অভিযুক্ত কাউন্সিলারদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সত্যেন অর্জুন অনুগামী হিসেবে পরিচিত। আক্রান্ত কাউন্সিলার থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু অভিযুক্তদের ধরার বিষয়ে পুলিশও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ। আর এতেই অর্জুন ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন, দলের পক্ষ থেকে দেখার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    আজ, শুক্রবার তৃণমূলের (TMC) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার বৈঠক রয়েছে। সেখানে দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। সংগঠনের জেলা সভাপতি তাপস রায় বলেন, দলে গোষ্ঠী কোন্দল বরদাস্ত করা হবে না। দলীয় কাউন্সিলারের উপর হামলার ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। কারও বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ, বিক্ষোভ থাকলে দলীয় নেতৃত্বের কাছে বিষয়টি বলা যেতে পারে। কিন্তু, এভাবে প্রকাশ্যে পুরসভার ভিতরে ঢুকে হামলার ঘটনার আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। দলীয় বৈঠকে এই বিষয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share