Tag: Arrest

Arrest

  • Kaliachak Incident: কালিয়াচক-কাণ্ড নিয়ে সরগরম লোকসভা! তৃণমূলকে নিশানা বিজেপি সাংসদ বাঁশরীর

    Kaliachak Incident: কালিয়াচক-কাণ্ড নিয়ে সরগরম লোকসভা! তৃণমূলকে নিশানা বিজেপি সাংসদ বাঁশরীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। রাজ্যের মুখ্যসচিব, ডিজিপি, মালদার পুলিশ সুপার এবং জেলা শাসক—সবার কাছেই শোকজ নোটিস পাঠানো হয়েছে। একই ঘটনায় ৭ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে ঘেরাও করে আটকে রাখার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি সাংসদ বাঁশরী স্বরাজ (Bansuri Swaraj)। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে বলেন, এসআইআর (Special Intensive Revision) কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এটি একটি সাংবিধানিক প্রয়োজন।

    গণতন্ত্র পদদলিত

    লোকসভার জিরো আওয়ারে বিষয়টি উত্থাপন করে বাঁশরী দাবি করেন, এই ঘটনায় “গণতন্ত্রকে পদদলিত করা হয়েছে”। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকেরা মালদায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখে। বিশেষ করে মহিলা কর্মকর্তাদের আটকে রাখার তীব্র নিন্দা জানান বাঁশরী। তিনি এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এমন নৈরাজ্য মেনে নেওয়া যায় না। সুপ্রিম কোর্টও এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছে, দ্রুত এই ঘটনা নিয়ে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

    রাজনৈতিক মেরুকরণ স্পষ্ট

    অন্যদিকে কমিশনকে একহাত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্য, জুডিশিয়াল আধিকারিকদের নিরাপত্তা কমিশনের দায়িত্ব। এজন্য যা যা পদক্ষেপ করা দরকার, তা কমিশনকে করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনকে। শীর্ষ আদালতের বিচারপতিরা সরাসরি পর্যবেক্ষণে জানান, পশ্চিমবঙ্গের মতো এতটা ‘রাজনৈতিকভাবে মেরুকরণ’ আগে কখনও দেখেনি। সুপ্রিম কোর্টের এও পর্যবেক্ষণ, এ রাজ্যে এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে প্রায় সব কিছুই রাজনৈতিক ভাষায় ব্যাখ্যা করা হচ্ছে, এমনকি আদালতের নির্দেশ পালন নিয়েও রাজনীতির ছাপ স্পষ্ট। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পঞ্চোলির বেঞ্চ এই ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে শুনানি শুরু করে। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির পাঠানো চিঠির ভিত্তিতেই সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি হাতে নেয়।

  • Kaliyachak Incident: পালানোর সময় বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার কালিয়াচক-কাণ্ডের ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুল

    Kaliyachak Incident: পালানোর সময় বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার কালিয়াচক-কাণ্ডের ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার কালিয়াচকে (Kaliyachak Incident) অবরোধ-বিক্ষোভ এবং বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনায় ‘মূলচক্রী’ মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, পেশায় আইনজীবী মোফাক্কেরুল (Mofakkarul Islam) পালানোর চেষ্টা করছিলেন। সেই সময় তাঁকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতকে প্রথমে বাগডোগরা থানায় নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার সকালে বেঙ্গালুরু যাওয়ার বিমানের টিকিট ছিল মোফাক্কেরুলের। গ্রেফতারের পরে সমাজমাধ্যমে লাইভ করেন তিনি। সেখানে দাবি করেন, ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন এবং কাউকে উস্কানিও দেননি। তাঁর দাবি, তিনি রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এসআই নিয়ে বিক্ষোভ-অবরোধ দেখে তাঁর বক্তব্য রেখেছিলেন। মোফাক্কেরুলের সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    প্ররোচনামূলক পোস্ট মোফাক্কেরুলের

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন মোফাক্কেরুলের নামে বৃহস্পতিবারই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। তার পর থেকে পুলিশ তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেছে। বৃহস্পতিবার মোফাক্কেরুলকে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। জবাব দেননি মোবাইল-বার্তারও। তবে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার হওয়ার আগে সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে মোফাক্কেরুল লিখেছেন, ‘ভাল থাকুন আপনারা।’ গ্রেফতারির পর ফেসবুকে লাইভ ভিডিও পোস্ট তিনি বলেন, “নাম বাদ যাওয়া ভোটারদের প্রতিবাদে ছিলাম বলে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে অ্যারেস্ট হলাম।” পরে অবশ্য ভিডিওটি মোফাক্কেরুলের সমাজমাধ্যম অ্যাকাউন্টে দেখা যায়নি।

    বেঙ্গালুরুতে পালানোর পরিকল্পনা

    উত্তরবঙ্গের এডিজি কে জয়রামন জানিয়েছেন, মালদার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন মোট ৩৫ জন। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মোফাক্কেরুলকে ‘মূল প্ররোচনাকারী’ হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানায় তিনটি মামলা দায়ের হয়েছিল। জয়রামন জানান, মোফাক্কেরুলকে খুঁজে বার করতে সিআইডি-র সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। শুক্রবার শিলিগুড়ি পুলিশ মোফাক্কেরুলকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার করে তাঁকে মালদা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানতে পেরেছে মালদা কাণ্ডের ‘মূলচক্রী’ বেঙ্গালুরুতে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন।

    কে এই মোফাক্কেরুল

    ইটাহারের পোরসা হাটখোলার বাসিন্দা চল্লিশোর্ধ্ব মোফাক্কেরুল এক সময়ে রায়গঞ্জ জেলা আদালতের আইনজীবী ছিলেন। পরে কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা করতেন। হাইকোর্টের কাছেই তাঁর চেম্বার। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কলকাতায় থাকেন। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তিনি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল এমআইএম (মিম)-এ যোগ দেন। প্রার্থীও হন। গত বিধানসভা নির্বাচনে ইটাহারের এমআইএম প্রার্থী হিসাবে মাত্র ৮৩১টি ভোট পেয়েছিলেন মোফাক্কেরুল। কিন্তু সমাজমাধ্যমে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাঁর।

    মূলচক্রী মোফাক্কেরুল

    ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার প্রতিবাদে বুধবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মালদার মোথাবাড়ি, সুজাপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সাত জন বিচারককে কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতর রাত পর্যন্ত আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। বিকেল ৪টে থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত আটকে থাকার পর পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার সকালে এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কালিয়াচকের ঘটনার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে ভর্ৎসনা করে। এনআইএ বা সিবিআই-এর মতো সংস্থাকে ওই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দিতে বলা হয়। তদন্তকারী সংস্থাকে আদালতে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতেও বলা হয়। তার পরেই নির্বাচন কমিশন জরুরি বৈঠকে বসে প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে। জ্ঞানেশের ভর্ৎসনার মুখে পড়েন পুলিশ আধিকারিকেরা। শেষপর্যন্ত মালদা কাণ্ডে এনআইএ-র হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। ইতিমধ্যেই,মালদা কাণ্ডের তদন্তে শুক্রবার সকালেই কলকাতায় এসেছেন জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র (NIA) আইজি সনিয়া সিং। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বুধবার বেশ কয়েক জন নেতা স্থানীয় মানুষদের প্ররোচিত করেছিলেন। তার পরেই উত্তেজিত জনতা ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে দেয়। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার ‘মূলচক্রী’ হিসাবে মোফাক্কেরুলের নাম উঠে আসে।

    প্রশাসনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ

    শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার রাত থেকেই ভাইরাল হয়ে কালিয়াচকের বিক্ষোভের একটি ছবি। সেখানে দেখা যায়, বিপুল জমায়েতের মাঝে গাড়ির উপর দাঁড়িয়ে কিছু বক্তব্য রাখছেন ওই ব্যক্তি। ঘটনার পর থেকেই তাঁকে খুঁজছিল পুলিশ। বাড়িতে গিয়েও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হল তাঁকে। কালিয়াচকের ঘটনায় উত্তেজিত জনতাকে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে মোফাক্কেরুলের বিরুদ্ধে। উস্কানিমূলক মন্তব্য করার পাশাপাশি প্রশাসনকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ

    এই ঘটনায় বিজেপির দাবি, কেউ কেউ ভারতে বসেই দেশের ক্ষতি করছেন। বিজেপির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “যাঁরা এই ঘটনার পিছনে আছেন, যাঁরা কার্যত ভারত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, যাঁরা জনবিন্যাস পরিবর্তন করার চেষ্টা করছেন, তাঁদের খুঁজে খুঁজে আইনের অধীনে আনতে হবে। ভারতে বসে ভারতের ক্ষতি করা হচ্ছে।” মোফাক্কেরুলের গ্রেফতারির পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘রাজ্যে পুলিশের সিআইডি শাখা নেপালে পালানোর সময় মোফাক্কেরুলকে গ্রেফতার করেছে। মোফাক্কেরুল আদতে কার হয়ে কাজ করে তা ভালো করে খতিয়ে দেখা উচিত। এই ইটাহারে তৃণমূলের সংখ্যালঘু মোর্চার প্রধানের সঙ্গে মোফাক্কেরুলের যোগাোগ রয়েছে। তাদের মধ্যে কী যোগসূত্র রয়েছে, কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার।’

  • Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    Mirzapur Gym Conversion Racket: উত্তরপ্রদেশে ফর্দা ফাঁস জিমের আড়ালে চলা ধর্মান্তর চক্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মির্জাপুর জেলায় পাঁচটি জিমকে কেন্দ্র করে চলা একটি ইসলাম ধর্মান্তর চক্রের (Mirzapur Gym Conversion Racket) পর্দাফাঁস করেছে পুলিশ। দুই হিন্দু নারী আলাদা আলাদা অভিযোগ (Police) দায়ের করে জানান, মুসলিম জিম প্রশিক্ষকেরা তাঁদের যৌন হয়রান করেছে, অর্থ আদায় করেছে এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে চাপ দিয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, ভাদোহির এক পুলিশ কনস্টেবল ইরশাদ খানও এই ধর্মান্তর চক্রের সঙ্গে জড়িত।

    ফরিদ আহমেদ (Mirzapur Gym Conversion Racket)

     জিআরপি  তার সহযোগী ফরিদ আহমেদ ‘আয়রণ ফায়ার’ ও ‘কেজিএন ২.০’ নামের জিম চালানোর আড়ালে ৫০ জনেরও বেশি তরুণীকে ফাঁদে ফেলেছিল বলে অভিযোগ। এর আগে মির্জাপুর কোতওয়ালি দেহাত পুলিশ মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। খারঞ্জা ফলসের কাছে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পর জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদকে গ্রেফতার করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন পুলিশের গুলি গিয়ে লাগে ফরিদের পায়ে। ফরিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে মির্জাপুর পুলিশ।

    লাকি আলি খান 

    এদিকে, চক্রটির মূল হোতা আশফাক ওরফে লাকি আলি খান এবং তার ভাই ইমরান খানের বিরুদ্ধে লুকআউট সার্কুলার জারি করা হয়েছে, যাতে তারা দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে। একই সঙ্গে পুলিশ দুই ভাইয়ের প্রত্যেকের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে। পুলিশি তদন্তে জানা গিয়েছে, কনস্টেবল ইরশাদ খান অবৈধ তোলাবাজি থেকে অর্জিত অর্থে দামি গাড়ি চালাতেন এবং একাধিক জিমের একটি চেইন গড়ে তুলেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)। অভিযুক্ত মুসলিমদের পরিচালিত জিমে যেসব হিন্দু নারী যেতেন, তাঁদের বিশ্বাস অর্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘সান্নো’ নামের এক মুসলিম নারীকে (Police)।

    ‘কেরালা স্টোরি’

    একটি তথাকথিত ‘কেরালা স্টোরি’ ধাঁচের ঘটনায়, সান্নো নামের ওই মুসলিম মহিলা চক্রটির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন এবং হিন্দু মেয়েদের বিশ্বাস অর্জন করে তাঁদের ফাঁদে ফেলার কাজ করতেন। অভিযোগ, অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিত। কোনও ‘শিকার’ যদি একটি জিমে ফাঁদে না পড়তেন, তাহলে তাঁকে ফাঁদে ফেলার দায়িত্ব ন্যস্ত হত অন্য জিমের হাতে। ইসলামে ধর্মান্তরের লক্ষ্যে হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করার অভিযোগে পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচটি জিম— কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন ৩.০, বি-ফিট এবং আয়রন ফায়ার সিল করে দিয়েছে, যাতে প্রমাণ লোপাট না করা যায় (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    জেলাশাসকের বক্তব্য 

    জেলাশাসক পবন কুমার গঙ্গওয়ার ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারা অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এসব জিম পরিচালনার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর জিমগুলি সিল করে দেওয়া হয় (Police)। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে পুলিশ শত শত ছবি, ভিডিও ও চ্যাট-সহ গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ পেয়েছে। পুলিশ এই জিম-কেন্দ্রিক ইসলামি ধর্মান্তর চক্রের আর্থিক লেনদেনের সূত্রও খতিয়ে দেখছে। কেজিএন ২.০ জিমের মালিক অমিত দুবে জানান, জিমটি এই ধরনের বেআইনি কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল, তা তিনি জানতেন না। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই জিমের দামি যন্ত্রপাতি ধর্মান্তরের মাধ্যমে অর্জিত অর্থে কেনা হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গভীর রাত পর্যন্ত জিমে যাতায়াত ছিল মহিলাদের এবং সেখানে পার্টির আয়োজনও হত (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    মির্জাপুরের পুলিশ সুপার সোমেন ভার্মা বলেন, “এটি কোতওয়ালি দেহাত এলাকার একটি মামলা। দুই মহিলা তাঁদের জিমের মালিক ও প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিমের মালিক ও অন্যদের বিরুদ্ধে নারীদের শোষণ, তোলাবাজি এবং অবৈধভাবে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আমরা বর্তমানে এই মামলার সব অভিযোগ তদন্ত করছি।” এদিকে, সিটি এএসপি নীতিশ সিং জানান, পাঁচটি জিমের মধ্যে চারটি পরিচালনা করতেন তিন ভাই ও তাঁদের এক জামাই। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বহু ভুক্তভোগীর মধ্যে দুজন অভিযোগ দায়ের করার পর। মির্জাপুর পুলিশ তৎক্ষণাৎ অভিযান চালিয়ে তিনটি জিম সিল করে এবং মহম্মদ শেখ আলি আলম ও ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে (Police)।

    পৃথক অভিযোগ

    কোতওয়ালি দেহাত থানায় পৃথক অভিযোগে দুই হিন্দু মহিলা জানান, মির্জাপুরে জিম ট্রেনার হিসেবে কর্মরত অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা প্রথমে তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, পরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। এমনকি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও তৈরি করেও ব্ল্যাকমেল করা হয় এবং শেষে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের জন্য চাপ দেওয়া হয় (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ২০ জানুয়ারি নটওয়ান মিল্লত নগরের বাসিন্দা মহম্মদ শেখ আলি আলম এবং গোসাই তালাব এলাকার বাসিন্দা ফয়সাল খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। জিজ্ঞাসাবাদ ও ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ জাহির ও শাদাব নামের আরও দু’জনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতার ও আটক সকল অভিযুক্তই বিভিন্ন জিমের সঙ্গে যুক্ত ছিল এবং একটি সংগঠিত ‘লাভ জেহাদ’ নেটওয়ার্ক চালাচ্ছিল।

    ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত

    অভিযুক্ত জাহির কেজিএন-১ জিমের মালিক। তবে তিনি যুক্ত ছিলেন কেজিএন-২, কেজিএন-৩ এবং আয়রন ফায়ার জিমের সঙ্গেও। যাঁরা অভিযোগ দায়ের করেছেন, তাঁরা আগে কেজিএন জিমে যেতেন, সেখানেই অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষদের সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়। বি-ফিট জিমে যাওয়া এক অভিযোগকারী জানান, অভিযুক্ত শেখ আলি তাঁর সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ধীরে ধীরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলে। পরে তাকে ব্ল্যাকমেল করে টাকা আদায় করা হয়। এমনকি তার নামে ঋণ নিয়ে ওটিপি চাইতে থাকত অভিযুক্তরা (Mirzapur Gym Conversion Racket)। ভুক্তভোগীর দাবি, শেখ আলি আলম একাধিকবার তাকে বোরখা পরিয়ে ছবি তুলেছে এবং দিনে পাঁচবার নামাজ পড়তে বাধ্য করেছে। তাকে দরগায় নিয়ে গিয়ে কালমা পড়তে বাধ্য করা হয় এবং জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করানো হয়। ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে শেখ আলি আলম তাঁকে গালিগালাজ করে, অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, জিম ট্রেনার ফয়সাল ও তার সহযোগীরাও এই ধর্মান্তর চক্রে যুক্ত।

    ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলার চেষ্টা

    পুলিশের দাবি, এখন পর্যন্ত সিল করা পাঁচটি জিমে প্রায় ৫০ জন হিন্দু মেয়েকে ফাঁদে ফেলে শোষণ ও ব্ল্যাকমেল করা হয়েছে এবং তাদের ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরের চেষ্টা চলছিল। এখন পুলিশ শুধু অভিযুক্তদের কল ডেটা রেকর্ডই নয়, জিমগুলির অর্থায়নের উৎসও তদন্ত করছে। যদিও জিম ট্রেনারদের বেতন ছিল মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা, তবু তারা দামি ব্র্যান্ডের পোশাক ও জুতো এবং দামী মোবাইল ফোন ব্যবহার করত।  রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, মির্জাপুরের কয়েকজন (Police) প্রভাবশালী ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিও এসব জিমে বিনিয়োগ করেছিলেন (Mirzapur Gym Conversion Racket)।

     

  • Durgapur Gangrape: “সর্বস্তরে চাপ সৃষ্টি করা হবে”, দুর্গাপুরের নির্যাতিতার পরিবারকে আশ্বাস ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর

    Durgapur Gangrape: “সর্বস্তরে চাপ সৃষ্টি করা হবে”, দুর্গাপুরের নির্যাতিতার পরিবারকে আশ্বাস ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “চিন্তা করবেন না। ওড়িশা সরকার আপনাদের পাশে আছে। আমরা সবরকমভাবে সাহায্য করব। ধৈর্য রাখুন, সাহস হারাবেন না।” সোমবার ফোনে দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ডে (Durgapur Gangrape) নির্যাতিতার পরিবারকে এই বার্তাই দিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী (Odisha CM) বিজেপির মোহন চরণ মাঝি। বিরোধীদের দাবি, ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নির্যাতিতার পরিবারকে পাশে থাকার আশ্বাস দিলেও, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও পর্যন্ত নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেননি। উল্টে তিনি ঘটনার দায় চাপিয়েছেন ওই বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ঘাড়ে।

    দুর্গাপুরে ওড়িশা মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন

    সোমবারই দুর্গাপুরে গিয়ে নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন ওড়িশা মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন শোভনা মোহান্তি। তখনই ফোনে নির্যাতিতা ও তাঁর মায়ের সঙ্গে কথা বলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। মেডিক্যাল কলেজের ওই নির্যাতিতা (Durgapur Gangrape) ছাত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করে তিনি বলেন, “তোমার পড়াশোনা যেন কোনওভাবে বন্ধ না হয়, তার জন্য সব ব্যবস্থা করা হবে।” অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি তুলতে সর্বস্তরে চাপ সৃষ্টি করা হবে।”

    ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

    জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কলেজ পরিবর্তনের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি চান, ওড়িশার কোনও সরকারি মেডিক্যাল কলজে স্থানান্তরিত হতে। প্রত্যুত্তরে মোহন তাঁকে বলেন, “আপনি বেসরকারি কলেজের ছাত্রী, তাই নিয়মকানুন দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।” তরুণীর মাকে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, এই নৃশংস অপরাধের জন্য দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে। ওড়িশা সরকার ন্যায়বিচার আদায়ের জন্য সব দিক থেকে চাপ সৃষ্টি করবে (Odisha CM)। নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, ওড়িশা মহিলা কমিশনের প্রধান যেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে বিষয়টি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, সে-ই নির্দেশও দেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী। আসানসোল-দুর্গাপুর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার সুনীল চৌধুরী জানান, নির্যাতিতার (Durgapur Gangrape)পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাঁদের নিরাপত্তার ব্যবস্থাও করা হবে। তিনি নিজে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছেন, আশ্বাস দিয়েছেন পূর্ণ সহযোগিতার।

    হাসপাতালে ঢুকতে বাধা মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিদের

    এদিকে, দুর্গাপুরের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন নির্যাতিতা। সেখানে তাঁর সঙ্গে দেখা করে গোটা ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিতে গিয়েছিলেন ওড়িশার মহিলা কমিশনের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। কিন্তু হাসপাতালে ঢোকার ক্ষেত্রে তাঁদের বাধার মুখে পড়তে হয়। বাধা দেন হাসপাতালের (Odisha CM) কর্মীরাই। মহিলা কমিশনের প্রতিনিধিদের আটকে দেওয়া হয় হাসপাতালের বাইরে ব্যারিকেডেই (Durgapur Gangrape)। হাসপাতালের তরফে তাঁদের জানানো হয়, ভেতরে রাজ্যপাল রয়েছেন। তাই তাঁদের বাইরেই অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু এত বড় একটা হাসপাতালে কেন ভিন রাজ্য থেকে আসা প্রতিনিধিদলের সদস্যদের ভেতরে পর্যন্ত ঢুকতে দেওয়া হল না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বেশ খানিকক্ষণ রাস্তায়ই দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ওড়িশার ওই প্রতিনিধিদের। ওড়িশা মহিলা কমিশনের প্রতিনিধি দলের এক সদস্য বলেন, “আমার এলাকার মেয়ে, আমার রাজ্যের মেয়ে, তার সঙ্গে এমনটা হয়েছে। আমরা বাইরে দাঁড়িয়েই অপেক্ষা করব।”

    দুর্গাপুরে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও

    এদিকে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। ঘটনায় উদ্বেগপ্রকাশ করেন তিনি। দুর্গাপুর যাওয়ার আগে রাজ্যপাল সাংবাদিকদের জানান, আগে তিনি নির্যাতিতার (Durgapur Gangrape) সঙ্গে কথা বলবেন। তিনি আক্রান্ত এবং তাঁর বাবা-মায়ের পরিস্থিতি বুঝতে পারছেন। যারা এ কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানান তিনি। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে কিনা, এ প্রশ্নের উত্তরে রাজ্যপাল জানান, আগে তিনি ওই মেডিক্যাল ছাত্রীর সঙ্গে কথা বলবেন (Odisha CM)। তাঁর কাছ থেকে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করবেন। এই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই পাঁচজনের বিরুদ্ধেই দায়ের হয়েছিল অভিযোগ। ঘটনায় তৃণমূল যোগের তত্ত্বও খাড়া করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের ক্যাডার। তাঁর বাবা দলের পদাধিকারী। শুভেন্দুর কথায়, “আজ (সোমবার) যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনি দুর্গাপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী, তৃণমূলের ক্যাডার। ওঁর বাবা পার্টির পোর্টফোলিও হোল্ডার। এই গণধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের পদাধিকারী জড়িত। শাসক যেখানে শোষক, সেখানে আইনের শাসন ও বিচার পাওয়ার কোনও জায়গা নেই।”

    প্রসঙ্গত, দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের নির্যাতিতা ওড়িশার ওই ছাত্রীর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে ক্যাম্পাসের বাইরে বেরিয়ে তিনি গণধর্ষণের শিকার হন (Odisha CM)। ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে। আটক করা হয়েছে ওই তরুণীর সহপাঠীকেও (Durgapur Gangrape)।

  • Durgapur Gangrape: কেউ তৃণমূল নেতার ছেলে, কেউ ওই হাসপাতালেরই অস্থায়ী কর্মী! দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ডে ধৃতদের পরিচয় জানুন

    Durgapur Gangrape: কেউ তৃণমূল নেতার ছেলে, কেউ ওই হাসপাতালেরই অস্থায়ী কর্মী! দুর্গাপুর গণধর্ষণকাণ্ডে ধৃতদের পরিচয় জানুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ওড়িশা থেকে পড়তে আসা এক তরুণীকে ক্যাম্পাসের মধ্যেই গণধর্ষণের অভিযোগে (Durgapur Gangrape) তোলপাড় গোটা রাজ্য। ওই ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা সকলেই ওই বেসরকারি কলেজ লাগোয়া গ্রামের বাসিন্দা। ধৃতদের মধ্যে একজন আবার ওই হাসপাতালেরই প্রাক্তন নিরাপত্তারক্ষী। আর একজন দুর্গাপুরেরই একটি হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মী। আর একজন আবার স্থানীয় তৃণমূল নেতার ছেলে! এবার আসুন, অভিযুক্তদের চিনে নিই। প্রসঙ্গত, গণধর্ষণকাণ্ডে (Durgapur Gangrape) রবিবার গ্রেফতার করা হয় শেখ রেয়াজউদ্দিন, অপু বাউড়ি এবং ফিরদৌস শেখকে। পরের দিন পুলিশ গ্রেফতার করে শেখ নাসিরউদ্দিন এবং সফিক শেখকে।

    হাসপাতালেরই প্রাক্তন নিরাপত্তারক্ষী ররেয়াজউদ্দিন 

    বছর একত্রিশের রেয়াজউদ্দিনের বাড়ি ওই মেডিক্যাল কলেজের পাশেই দুর্গাপুর বি জোনের বিজড়া ডাঙাপাড়ায়। বছর কয়েক আগে এই কলেজ হাসপাতালেই নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করত সে। রেয়াজউদ্দিনের বৌদি বলেন, “পুলিশ এসে দেওরকে ধরে নিয়ে গিয়েছে। ও নিজের ইচ্ছেয় কাজ ছেড়ে দিয়েছিল। এখন কিছু করে না। এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়ায়।”

    হাসপাতালেরই অস্থায়ী কর্মী ফিরদৌস শেখ

    দুর্গাপুরের মিশন হাসপাতালে জেনারেল ডিউটি অ্যাটেনডেন্টের কাজ করত বছর তেইশের ফিরদৌস শেখ। গণধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত সে-ও। ঘটনার দিনও মর্নিং শিফটে কাজ করেছিল। তার কাছ থেকেই উদ্ধার হয় নির্যাতিতার মোবাইল ফোন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এজেন্সির মাধ্যমে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করা হয় (Durgapur Gangrape)। তাই তারা এ ব্যাপারে কিছু জানে না।

    তৃণমূল নেতার পুরকর্মী ছেলে নাসিরউদ্দিন!

    বিজড়া ডাঙাপাড়ারই বাসিন্দা আর এক অভিযুক্ত বছর একুশের অপু বাউড়ি। পরিবারের দাবি, সে পেশায় দিনমজুর। তার স্ত্রী মামণির দাবি, তাঁরা এক সঙ্গেই ঘুমোচ্ছিলেন, ফাঁসানো হয়েছে তাঁর স্বামীকে। গ্রেফতার করা হয়েছে শেখ নাসিরউদ্দিনকেও। বছর তেইশের নাসিরউদ্দিন দুর্গাপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। তার বাবা তৃণমূল করেন। গ্রেফতার করা হয়েছে সফিক শেখকেও। তার বয়স তিরিশের কাছাকাছি। সে-ও এলাকারই বাসিন্দা।

    প্রসঙ্গত, সোমবারই দুর্গাপুরের এই ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে তৃণমূল-যোগের অভিযোগে সরব হয়েছিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেছিলেন, “আজকে (সোমবার) যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনি দুর্গাপুর পুরসভার অস্থায়ী কর্মী, তৃণমূলের ক্যাডার। ওঁর বাবা পার্টির পোর্টফোলিও হোল্ডার।” শুভেন্দু এও বলেছিলেন, “এই গণধর্ষণের সঙ্গে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের পদাধিকারী জড়িত। শাসক যেখানে শোষক, সেখানে আইনের শাসন ও বিচার পাওয়ার কোনও জায়গা নেই (Durgapur Gangrape)।”

  • Cough Syrup Row: কফ সিরাপ শিশুমৃত্যুকাণ্ডে মধ্যপ্রদেশে গ্রেফতার ডাক্তার

    Cough Syrup Row: কফ সিরাপ শিশুমৃত্যুকাণ্ডে মধ্যপ্রদেশে গ্রেফতার ডাক্তার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কফ সিরাপ (Cough Syrup Row) খেয়ে ১০ শিশুর মৃত্যুকাণ্ডে মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) গ্রেফতার ডাক্তার। যে সব শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের অধিকাংশই ওই চিকিৎসকের লিখে দেওয়া ওষুধ খেয়েছিল। বিষাক্ত ওই ওষুধের নাম তিনিই লিখেছিলেন প্রেসক্রিপশনে।

    গ্রেফতার চিকিৎসক (Cough Syrup Row)

    মধ্যপ্রদেশের ওই চিকিৎসক প্রবীণ সোনির বিরুদ্ধে আগেই দায়ের হয়েছিল অভিযোগ। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এফআইআরে নাম রয়েছে স্রেসান ফার্মাসিউটিক্যালস কর্তৃপক্ষেরও। এই সংস্থাই বিতর্কিত কোল্ডরিফ নামক কাশির সিরাপের প্রস্তুতকারক। একের পর এক শিশুমৃত্যুর পর মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ার পরাসিয়া কমিউনিটি হেল্থ সেন্টারের ব্লক মেডিক্যাল অফিসার অঙ্কিত সহলাম চিকিৎসক সোনি এবং কফ সিরাপ প্রস্তুতকারক সংস্থার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ।

    কোল্ডরিফ সিরাপে বিষাক্ত রাসায়নিক

    এদিকে, বিতর্কিত কোল্ডরিফ সিরাপটিকে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল গবেষণাগারে। শুক্রবার মিলেছে সেই পরীক্ষার রিপোর্ট। দেখা গিয়েছে, ওই সিরাপে রয়েছে ৪৮.৬ শতাংশ ডাই-ইথাইল গ্লাইকল। এটি একটি ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ, যা কিডনি বিকল করে দিতে পারে। ঘটতে পারে মৃত্যুও। মধ্যপ্রদেশের ১০ শিশুর ক্ষেত্রে তা-ই হয়েছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার এ বিষয়ে বিশদ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। শনিবারই মধ্যপ্রদেশে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে কোল্ডরিফ। তবে এই বিতর্ক কেবল একটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। তার আগে পদক্ষেপ করেছে রাজস্থান সরকারও। কেসন ফার্মা নামের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার সরবরাহ করা কাশির সিরাপ-সহ ১৯টি ওষুধ বিক্রি আপাতত স্থগিত রেখেছে, সে রাজ্যের সরকার। রাজস্থানে নিম্নমানের সিরাপ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই সিরাপ। অনেকেই এখনও অসুস্থ। ড্রাগ কন্ট্রোলার রাজারাম শর্মাকে সাসপেন্ড করেছে রাজস্থান সরকার। কোল্ডরিফ নিষিদ্ধ করেছে কেরল সরকারও। সে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ জানান, যে ব্যাচের সিরাপ খেয়ে অন্য দুই রাজ্যে ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তা কেরলে এখনও বিক্রি করা হয়নি। তবে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই সিরাপ (Cough Syrup Row) নিষিদ্ধ করা হল।

    অন্যদিকে, এই ঘটনার পর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব ভিডিও কনফারেন্স করেন সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিব স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য সচিব এবং ড্রাগ কন্ট্রোলারের সঙ্গে। এই বৈঠকে তিনি কফ সিরাপের যথাযথ ব্যবহারের (Madhya Pradesh) ওপর জোর দেন। কফ সিরাপের মান যাতে ঠিক থাকে, নিশ্চিত করতে (Cough Syrup Row) বলেন তা-ও।

  • Illegal Betting Racket: অনলাইন বেটিং চক্র চালানোর অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেফতার কংগ্রেস বিধায়ক

    Illegal Betting Racket: অনলাইন বেটিং চক্র চালানোর অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেফতার কংগ্রেস বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইন বেটিং চক্র (Illegal Betting Racket) চালানোর অভিযোগে ইডির হাতে গ্রেফতার কর্নাটকের বিধায়ক কংগ্রেসের (Congress MLA) কেসি বীরেন্দ্র। শনিবার সিকিমের অনলাইন ও অফলাইন জুয়া মামলায় আর্থিক তছরুপের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। প্রসঙ্গত, অনলাইন বেটিং চক্র বন্ধে সম্প্রতি বিল এনেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার ঠিক একদিন পরেই গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা। শুক্রবার দেশের একাধিক রাজ্যের ৩১টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়ে ইডি বাজেয়াপ্ত করেছে নগদ ১২ কোটি টাকা, ৬ কোটি টাকা মূল্যের সোনা এবং প্রায় ১০ কেজি রুপো।

    বাজেয়াপ্ত বিপুল পরিমাণ সম্পদ (Illegal Betting Racket)

    জানা গিয়েছে, শুক্রবার এই অনলাইন বেটিং মামলায় বীরেন্দ্র, তাঁর ভাই ও অন্যান্য সহযোগীর একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। তল্লাশি চলে তাঁদের ৬টি ক্যাসিনো-সহ অফিস এবং বাড়িতেও। তখনই বাজেয়াপ্ত হয় ওই বিপুল পরিমাণ সম্পদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র। এর পাশাপাশি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রাও। ইডির তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার চিত্রদুর্গের বছর পঞ্চাশের ওই বিধায়ককে গ্রেফতার করার পর সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকের ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হয়। তাঁকে বেঙ্গালুরুতে আনতে ইডির তরফে আবেদন জানানো হয় ট্রানজিট রিমান্ডের।

    দু’টি অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম চালাতেন!

    তদন্তকারীদের তরফে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ওই বিধায়ক কিং ৫৬৭ ও রাজা ৫৬৭ নামে দু’টি অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম চালাতেন। বীরেন্দ্র ও তাঁর সহযোগীরা একটি ক্যাসিনো লিজ নিতে গ্যাংটকে গিয়েছিলেন। তল্লাশি অভিযানে বীরেন্দ্রর ভাই কেসি নাগরাজ ও ছেলে পৃথ্বী এন রাজের একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডির দাবি, বীরেন্দ্রর আর এক ভাই কেসি থিপ্পেস্বামী দুবাইয়ে অনলাইন বেটিং গেমের কারবার চালান (Illegal Betting Racket)। আরও জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া বিধায়কের সঙ্গীরা অনলাইন গেমিংয়ের মাধ্যমে টাকা তুলতেন। গোটা কাজটি করা (Congress MLA) হত দুবাই থেকে। বিধায়ক ওই টাকায় বহু জমি-জমাও কিনেছেন বলে খবর। অর্থ তছরুপের এই মামলাটির তদন্ত করছে ইডির বেঙ্গালুরু জোন (Illegal Betting Racket)।

  • Kerala Nuns Arrest: ধর্মান্তকরণের অভিযোগে ছত্তিশগড়ে ধৃত ২, সোচ্চার কংগ্রেস, ধুয়ে দিল বিজেপি

    Kerala Nuns Arrest: ধর্মান্তকরণের অভিযোগে ছত্তিশগড়ে ধৃত ২, সোচ্চার কংগ্রেস, ধুয়ে দিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানব পাচার ও ধর্মান্তকরণের অভিযোগে ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) দুর্গ রেলস্টেশন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল দুই খ্রিস্টান সন্ন্যাসিনীকে (Kerala Nuns Arrest)। সেই ঘটনায় দেশজুড়ে রাজনৈতিক মহলে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র প্রতিক্রিয়া। ওই দুই সন্ন্যাসিনীর মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছে কংগ্রেস।

    কংগ্রেসের বক্তব্য (Kerala Nuns Arrest)

    সংসদের জিরো আওয়ারে এই ইস্যুটি তুলে ধরেন কংগ্রেস সাসদ কেসি বেণুগোপাল এবং কে সুরেশ। তাঁরা বলেন, “ঘটনাটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক ও আতঙ্কজনক। কারণ সন্ন্যাসিনীরা নির্দোষ। তাঁরা ক্যন্সার আক্রান্ত রোগীদের সেবা-সুশ্রুষা করে সমাজসেবা করছিলেন।” বেণুগোপালের অভিযোগ, বজরং দলের সদস্যরা তাঁদের গায়ে হাত তুলেছেন এবং মানব পাচার ও ধর্মান্তকরণের মিথ্যে অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, এই দুই সন্ন্যাসিনী আগ্রার পথে যাচ্ছিলেন। তখনই দুর্গ রেলস্টেশনে আটকানো হয় তাঁদের। বেণুগোপাল বলেন, “এই দুই সন্ন্যাসিনী গত পাঁচ দিন ধরে কোনও কারণ ছাড়াই জেলে রয়েছেন। কী নিষ্ঠুরতা! দেশ কি একটি কলার প্রজাতন্ত্র (banana republic) হয়ে গিয়েছে? আমরা ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ও ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তাঁদের মুক্তির আবেদন জানিয়ে চিঠি লিখেছি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী বজরং দলের বক্তব্যেরই শুধু পুনরাবৃত্তি করছেন। এটা লজ্জার ব্যাপার!” সুরেশ বলেন, “সন্ন্যাসিনীরা নির্দোষ। তাঁরা সমাজসেবার কাজ করছিলেন। আমি কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছেও এই বিষয়ে হস্তক্ষেপের আবেদন জানাই। উভয় সন্ন্যাসিনীই নির্দোষ।”

    বিজেপির তোপ

    যদিও দুর্গের সাংসদ বিজেপির বিজয় বাঘেল বলেন, “কংগ্রেস সাংসদরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করছেন। ছত্তিশগড় সরকার যে সন্ন্যাসিনীদের গ্রেফতার (Kerala Nuns Arrest) করেছে, তাঁদের সমর্থন করছেন।” তাঁর দাবি, ছত্তিশগড়ের তিন আদিবাসী কিশোরীকে প্রলোভন দেখিয়ে দুর্গ রেলস্টেশনে আনা হয়েছিল। ধৃত সন্ন্যাসিনীদের মধ্যে একজন আগ্রা থেকে এবং অন্যজন জব্বলপুর থেকে এসেছেন। বাঘেল বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় খবরটি ছড়িয়ে যাওয়ায় সেখানে ভিড় জমে যায়। তার মধ্যে যেমন বজরং দলের সদস্যরা ছিলেন, তেমনই ছিলেন পুলিশ কর্মীরাও।” কংগ্রেস নেতা রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে নিশানা করে তিনি বলেন, “এটি একটি ষড়যন্ত্র। সংবেদনশীল ছত্তিশগড় সরকারের বদনাম করতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতেই এসব করা হচ্ছিল।” তাঁর প্রশ্ন, “তাহলে কি (Chhattisgarh) আমাদের রাজ্যের মেয়েদের রক্ষা করা আমাদের উচিত নয় (Kerala Nuns Arrest)?”

  • Sharmistha Panoli Arrest: শর্মিষ্ঠাকে গ্রেফতারির ঘটনায় ক্ষুব্ধ ডাচ সাংসদ, আবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে

    Sharmistha Panoli Arrest: শর্মিষ্ঠাকে গ্রেফতারির ঘটনায় ক্ষুব্ধ ডাচ সাংসদ, আবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে গুরুগ্রাম থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার শর্মিষ্ঠা পালোনিকে (Sharmistha Panoli Arrest) গ্রেফতার করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ। বছর বাইশের শর্মিষ্ঠা পুণের আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। এবার এই শর্মিষ্ঠার সমর্থনেই সরব হলেন নেদারল্যান্ডসের রাজনীতিবিদ (Dutch MP) গির্ট উইল্ডার্স।

    মোদির কাছে আবেদন (Sharmistha Panoli Arrest)

    ডাচ সাংসদ তথা দক্ষিণপন্থী পার্টি ফর ফ্রিডমের নেতা উইল্ডার্স প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে আবেদন করেন যাতে শর্মিষ্ঠাকে মুক্তি দেওয়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “সাহসী শর্মিষ্ঠা পানোলিকে মুক্ত করুন। তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এটা বাকস্বাধীনতার পক্ষে লজ্জাজনক। পাকিস্তান ও হজরত মহম্মদ সম্পর্কে সত্য বলার জন্য তাকে শাস্তি দেবেন না। তাঁকে সাহায্য করুন নরেন্দ্র মোদি। শর্মিষ্ঠার একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, অল আইজ অন শর্মিষ্ঠা (সবার নজর শর্মিষ্ঠার দিকেই)।প্রসঙ্গত, অপারেশন সিঁদুর দিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন শর্মিষ্ঠা। সেই ভিডিওয় এমন কোনও মন্তব্য করেছিলেন যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অনলাইনে তুমুল ক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। বিতর্কের জেরে ভিডিওটি ডিলিট করে দেন শর্মিষ্ঠা। চেয়ে নেন ক্ষমাও।

    অতি সক্রিয় পুলিশ

    নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া সত্ত্বেও, এফআইআর দায়েরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুলিশ গুরুগ্রামে গিয়ে গ্রেফতারের জন্য এবং তাদের পদক্ষেপের জন্য বিজেপি মমতার পুলিশের তীব্র সমালোচনা করেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি উসকানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কোনও পদক্ষেপ না নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

    বিজেপির নিশানায় মমতার সরকার

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “মাত্র বাইশ বছর বয়সী শর্মিষ্ঠা পানোলিকে গ্রেফতার করে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। কারণ তিনি ১৫ মে একটি ভিডিও মুছে ফেলেছিলেন এবং প্রকাশ্যে ক্ষমাও চেয়েছিলেন। তাঁর মন্তব্যের সঙ্গে সাম্প্রদায়িকতার কোনও খবর মেলেনি। তবুও কলকাতা পুলিশ অস্বাভাবিকভাবে তাড়াহুড়ো করে কাজ করছে। এটি আর আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয় – এটি নির্বাচনী প্রয়োগের বিষয়।” তিনি আরও লেখেন (Sharmistha Panoli Arrest), “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক বেশি বিভেদমূলক বক্তব্য দিয়েছেন, যার সুদূরপ্রসারী পরিণতি হয়েছে, যার মধ্যে একাধিকবার মর্মান্তিক প্রাণহানি এবং সম্পত্তি ধ্বংস রয়েছে” এমন অভিযোগ করে মালব্য বলেন, “আইন কি তাঁর ওপর একই তাগিদের সঙ্গে প্রয়োগ করা হবে?” তিনি লেখেন, “ভারত দেখছে। এটি কেবল পশ্চিমবঙ্গের ঘটনা নয় – এটি প্রতিফলিত করে যে কীভাবে একজন তরুণী হিন্দু মহিলাকে ভোটব্যাঙ্ক তুষ্ট করার জন্য টার্গেটে পরিণত করা হচ্ছে। ন্যায়বিচার রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক হওয়া উচিত (Dutch MP)।”

    জনকল্যাণ সেনার বক্তব্য

    জনকল্যাণ সেনা নেতা পবন কল্যাণ বলেন, “অপারেশন সিঁদুরের সময় শর্মিষ্ঠা, যিনি একজন আইন শিক্ষার্থী, কিছু কথা বলেছিলেন যা কিছু মানুষের কাছে দুঃখজনক ও আঘাতজনক ছিল। তিনি নিজের ভুল স্বীকার করেন, ভিডিওটি মুছে ফেলেন এবং ক্ষমাও চান। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিল এবং শর্মিষ্ঠার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছিল। কিন্তু যখন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা, তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদরা, সনাতন ধর্মকে উপহাস করেন, তখন কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে যে গভীর ও জ্বলন্ত ক্ষত সৃষ্টি হয়, তার দায় কে নেবে? তখন সেই ক্ষোভ কোথায় যায়, যখন আমাদের বিশ্বাসকে বলা হয় ‘গন্ধ ধর্ম’? তখন কারা ক্ষমা চায়? তখন দ্রুত গ্রেফতারি কোথায় (Sharmistha Panoli Arrest)?”

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “ডব্লিউবিপিএসের ডিজি যখন অনুব্রত মণ্ডল আপনার অধস্তন কর্মকর্তার স্ত্রী ও মাকে ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছেন, তখন আপনি কোথায় আপনার মেরুদণ্ড বন্ধ করে রেখেছেন? আমি সকলকে আশ্বস্ত করতে চাই যে জাতীয়তাবাদী আইনজীবীরা শর্মিষ্ঠার মামলাটি গ্রহণ করছেন এবং তাকে সর্বোত্তম আইনি প্রতিরক্ষা প্রদান করা হবে, এবং আমি আশা করি যে তিনি জঘন্য ও দুষ্ট মমতা পুলিশের খপ্পর থেকে মুক্ত হবেন (Dutch MP)।”

  • Kolkata Police: দিল্লি থেকে আইনের ছাত্রীকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, কেন জানেন?

    Kolkata Police: দিল্লি থেকে আইনের ছাত্রীকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে আপত্তি করেছিলেন আইনের এক ছাত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর করা পোস্ট একটি মুসলমান সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ (Kolkata Police)। তার জেরে শুক্রবার রাতে গুরুগ্রাম থেকে আইনের ছাত্রী শর্মিষ্ঠা পানোলিকে  গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশ (Law Student Arrest)।

    অবমাননাকর মন্তব্য! (Kolkata Police)

    পুলিশ সূত্রে খবর, শর্মিষ্ঠা ইনস্টাগ্রামে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। সেই ভিডিওতে তিনি বিশেষ একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের লোকজনকে নিশানা করে অবমাননাকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। ভিডিওটি প্রচুর ভাইরাল হয়। সেই ভিডিও দেখে কলকাতার একটি থানায় শর্মিষ্ঠার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। কলকাতা পুলিশও ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। জানা গিয়েছে, গত ১৪ মে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেন ওই ছাত্রী। ওই ভিডিওতে ইসলাম ও মহানবী হজরত মহম্মদকে নিয়ে আপত্তিকর ও উসকানিমূলক মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই পানোলিকে প্রাণনাশ এবং ধর্ষণের হুমকি দিতে শুরু করে। এক্স হ্যান্ডেলে অ্যারেস্ট শর্মিষ্ঠা হ্যাসট্যাগটি ট্রেন্ড হতে শুরু করে। মুসলমান ইউজাররা পানোলির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানান।

    ক্ষমা প্রার্থনা করে পোস্ট

    পরের দিনই দুঃখ প্রকাশ করে পানোলি বলেন, “আমি নিঃশর্তভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি যা কিছু বলেছিলাম, তা ছিল আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি, এবং আমি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে আঘাত দিতে চাইনি। যদি কেউ এতে আঘাত পেয়ে থাকেন, তবে আমি তার জন্য দুঃখিত। আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করি। আগামীতে আমি আমার প্রকাশ্য পোস্টে আরও সতর্ক থাকব। আবারও অনুগ্রহ করে আমার এই ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ করুন।” ক্ষমা প্রার্থনার পাশাপাশি তিনি বিতর্কিত ভিডিওটি মুছে ফেলেন। একটি আলাদা পোস্টে দেশপ্রেমের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, মেরে লিয়ে মেরা দেশ পহলে আতা হ্যায়” (আমার জন্য আমার দেশই সবার আগে)।

    কলকাতা পুলিশের তৎপরতা

    ক্ষমা (Kolkata Police) চাওয়ার পরেও ২০ মে মহারাষ্ট্র পুলিশ পানোলির বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার অধীনে একটি এফআইআর দায়ের করে। এই মামলা আরও গুরুত্ব পায় যখন অল ইন্ডিয়া মজলিস-এ-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM)-এর নেতা ওয়ারিস পাঠান প্রকাশ্যে তাঁর গ্রেফতারির দাবি জানান এবং বলেন, “আমাদের নবীর সম্পর্কে অপমানজনক বক্তব্য কোনও মুসলমানই সহ্য করবে না (Law Student Arrest)।” ওই পোস্ট দেখেই গত ৩০ মে দিল্লিতে পানোলির বাসভবনে পৌঁছে তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। গ্রেফতারির সময় বা তার আগে ওই ছাত্রীকে কোনও আইনি নোটিশ কিংবা পরোয়ানা জারি করা হয়নি। এই গ্রেফতারির প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব থাকায় অনেকে একে অবৈধ বলছেন। নেটিজেনদের একাংশের বক্তব্য, একজন ছাত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে জঙ্গির সঙ্গে যেমন ব্যবহার করা হয়, তেমন করে। তাঁদের বক্তব্য, এই প্রক্রিয়া আইনি প্রোটোকল লঙ্ঘন করেছে। দিল্লি হাইকোর্ট গত নভেম্বরে একটি রায়ে বলেছিল, কাউকে গ্রেফতারের আগে তাঁকে লিখিত কারণ প্রদর্শন করতে হবে, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি আইনি সহায়তার সুযোগ পেতে পারে।

    ছাত্রী গ্রেফতারে ব্যাপক বিতর্ক

    পানোলির গ্রেফতারিতে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। ভিজিল্যান্ট হিন্দুত্ব এবং দেবদেবাঙ্কসের যুক্তি, ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার সময় দেশপ্রেমমূলক অনুভূতি প্রকাশ করায় তাঁকে অন্যায়ভাবে টার্গেট করা হয়েছে। তাঁদের দাবি, তাঁর ক্ষমা চাওয়া ও ভিডিওটি মুছে ফেলাই যথেষ্ট ছিল। দেবদেবাঙ্কসের অভিযোগ, এই গ্রেফতার একটি চক্রান্ত, যার উদ্দেশ্য জাতীয়তাবাদী কণ্ঠরোধ করা। এদিকে, ইন্ড-স্পিকমুসলিম এবং ইএলিটমেলের মতো ব্যবহারকারীরা পানোলির গ্রেফতারিকে ন্যায়ের বিজয় আখ্যা দিয়েছেন। তাঁরা জোর দিয়ে বলেন, ধর্মের অবমাননা এবং ঘৃণাভাষণ কোনওভাবেই সহ্য করা যায় না (Law Student Arrest)।

    কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়াই উচিত

    পানোলির পরিবার আদালতে মামলা করবেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, দেশের পাশে দাঁড়ানোর মূল্য দিচ্ছেন পালোনি। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি প্রমাণ হয় যে গ্রেফতারের সময় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি, বিশেষ করে আগে থেকে কোনও নোটিশ না দেওয়া এবং তাড়াতাড়ি করে ট্রানজিট রিমান্ডের কারণে, তাহলে এটি আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। মামলাটি বাকস্বাধীনতা, ধর্মীয় সংবেদনশীলতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক ছড়ানোর ভূমিকা নিয়ে বৃহত্তর টানাপড়েনকে সামনে এনেছে। পানোলির সমর্থকদের মতে, তাঁর মন্তব্যগুলি আপত্তিকর হলেও, তা উসকানির প্রতিক্রিয়ায় করা হয়েছিল এবং তিনি ক্ষমা চাওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়াই উচিত (Kolkata Police)।

LinkedIn
Share