Tag: Arunachal

Arunachal

  • ITBP: ড্রোন প্রযুক্তিতে চিনের মোকাবিলা করা সম্ভব, জানালেন আইটিবিপি প্রধান

    ITBP: ড্রোন প্রযুক্তিতে চিনের মোকাবিলা করা সম্ভব, জানালেন আইটিবিপি প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনের সঙ্গে প্রচলিত পদ্ধতিতে যুদ্ধে লড়াই করা ভারতের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হলেও, আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং চালকবিহীন ড্রোনের সাহায্যে সেই চ্যালেঞ্জের মোকাবিলাও করা সম্ভব। এমনই মন্তব্য করলেন ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (ITBP) ডিজি শত্রুজিৎ কাপুর। অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal) ভারত ও চিনের সেনাবাহিনীর মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের পরিস্থিতিতে আইটিবিপির শৌর্য প্লাটুনের ভূমিকারও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর দাবি, চিনা বাহিনীর অনুপ্রবেশ রুখতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এই বিশেষ বাহিনীকে মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজস্থানের আলওয়ারে আইটিবিপির ৬৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসের আগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাহিনীর জওয়ানদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন মহাপরিচালক। ২৪ অক্টোবর বাহিনীর প্রতিষ্ঠা দিবস।

    শৌর্য প্লাটুনের কমান্ডোদের অসাধারণ দক্ষতা (ITBP)

    অনুষ্ঠানে তিনি জানান, ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে অরুণাচল প্রদেশে সাম্প্রতিক মুখোমুখি সংঘাতের সময় শৌর্য প্লাটুনের কমান্ডোরা অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। চিনের মোকাবিলায় বাহিনীর প্রস্তুতি জোরদার করার কথা জানিয়ে শত্রুজিৎ বলেন, আইটিবিপির সমস্ত সদস্যকে বিশেষ আঘাত হানা ও প্রতিরোধমূলক অভিযানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ২০২৭ সালের শেষের মধ্যে এই প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। গালওয়ানের মতো পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য সীমান্তের সামনের সারির সমস্ত চৌকিতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ করা হচ্ছে। ডিজি আরও জানান, উচ্চ পার্বত্য সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতপ্রবণ এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দেশের সীমান্ত রক্ষার জন্য আইটিবিপি ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে। প্রচলিত গেরিলা যুদ্ধকৌশলে আইটিবিপির বিশেষ দক্ষতার উল্লেখ করে তিনি বাহিনীকে দেশের অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

    ড্রোন প্রযুক্তিতে বড় শক্তিকেও চ্যালেঞ্জ

    চিনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের প্রসঙ্গে শত্রুজিৎ জানান, অরুণাচল প্রদেশে ভারত-চিন সীমান্তে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে সংঘাতের পরিস্থিতি এখনও অব্যাহত। তাঁর বক্তব্য, সামরিক শক্তির ব্যাপক সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণের কারণে চিনের বিরুদ্ধে প্রচলিত যুদ্ধপদ্ধতিতে লড়াই করা কঠিন। তবে আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, বিশেষত চালকবিহীন ড্রোনের ব্যবহার এই সমীকরণ বদলে দিতে পারে। উদাহরণ হিসেবে ইউক্রেনের যুদ্ধের উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ড্রোন প্রযুক্তির সাহায্যে ইউক্রেনের মতো দেশও রাশিয়ার মতো সামরিক শক্তিধর রাষ্ট্রকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পেরেছে। কাপুরের কথায়, “প্রচলিত পদ্ধতিতে চিনের মোকাবিলা করা এখন কঠিন হবে। চিন তার সামরিক বাহিনীর আধুনিকীকরণে বিপুল বিনিয়োগ করেছে এবং অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে। কিন্তু ড্রোনের সাহায্যে ছোট দেশও বড় দেশকে লড়াইয়ে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে। রাশিয়া-ইউক্রেন এবং ইরান-আমেরিকার সংঘাতেও আমরা তার উদাহরণ দেখেছি।” ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়লেও, একই সঙ্গে জওয়ান ও সামরিক পরিকাঠামোকে ড্রোন হামলা থেকে সুরক্ষিত রাখার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে বলে জানান আইটিবিপি প্রধান। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় সীমান্তের সামনের সারির কয়েকটি চৌকিতে মাটির নীচে সুরক্ষিত আশ্রয়স্থল তৈরি করেছে বাহিনী। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বাহিনীর প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী করতেই এই উদ্যোগ। নতুন ধরনের হুমকির মোকাবিলায় সরঞ্জাম, পরিকাঠামো এবং অভিযান পরিচালনার সক্ষমতাও উন্নত করা হচ্ছে (ITBP)।

    ১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা

    ২০৩০ সালের মধ্যে বাহিনীর জন্য আরও বেশি আর্থিক বরাদ্দের প্রয়োজন বলেও জানিয়েছেন শত্রুজিৎ কাপুর। তাঁর বক্তব্য, ড্রোন এবং ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আইটিবিপি নির্দিষ্টভাবে ১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে (Arunachal)। আধুনিকীকরণ পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বাহিনীর চলাচলের সক্ষমতা এবং উন্নত সরঞ্জাম সংগ্রহের উপর। এর মধ্যে রয়েছে দুর্গম ভূখণ্ডে চলাচলে সক্ষম যান, স্বয়ংক্রিয় স্থলযান, দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল যান এবং আধুনিক গোলাবারুদ সংগ্রহ। সীমান্তে পরিবর্তিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাহিনীর সামরিক প্রস্তুতি ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোই এই পরিকল্পনার মূল (ITBP) লক্ষ্য।

     

  • Indian Army Used AI: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সক্রিয় চিন! আগাম জানতে অরুণাচলে এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে ভারতীয় সেনা

    Indian Army Used AI: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সক্রিয় চিন! আগাম জানতে অরুণাচলে এআই-এর সাহায্য নিচ্ছে ভারতীয় সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিন কি সক্রিয় হচ্ছে? অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে লাল ফৌজ? কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Indian Army Used AI) সাহায্যে তা আগাম জেনে সতর্ক হচ্ছে ভারতীয় সেনা। শুধু তা-ই নয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিন সেনার অতি সক্রিয়তাকেও কৃত্রিম বুদ্ধমত্তার সাহায্যে রুখে দেওয়া হয়েছে। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬-এর মঞ্চে এমনই দাবি করলেন স্ট্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ড-এর কমান্ডার-ইন-চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল দীনেশ সিং রানা। জানালেন, আধুনিক যুদ্ধ, কৌশলগত নীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিকল্পনায় এআই এখন বড় পরিবর্তন আনছে।

    অরুণাচলে এআই–এর সফল প্রয়োগ

    বর্তমানে যুদ্ধক্ষেত্রে এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুধু তা-ই নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামরিক এবং প্রতিরক্ষা দুনিয়ার ধরনও বদলে দিতে পারে আগামী দিনে। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এআই যে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে, অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় কীভাবে এআই-কে কাজে লাগাচ্ছে ভারতীয় সেনা তা জানালেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। তিনি জানিয়েছেন, খুব কম খরচে এবং স্থানীয় ভাবে তৈরি এআই ব্যবস্থাকে অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় কাজে লাগানো হয়েছিল। সেই ব্যবস্থাই ভারতীয় সেনাকে সতর্ক করে দেয় যে, চিনা ফৌজ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় অতি সক্রিয়। নতুন সামরিক ঘাঁটি বানানোর কাজ শুরু করেছে তারা। লেফটেন্যান্ট জেনারেলের দাবি, চিনা ফৌজের এই অতিসক্রিয়তা সম্পর্কে আগাম জানতে পারায় ভারতীয় সেনার পক্ষেও পদক্ষেপ করতে অনেক সুবিধা হচ্ছে। যার জেরে আগাম রণকৌশল ঠিক করা, সেনা হতাহতের বিষয়টিও এড়ানো সম্ভব হচ্ছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল দীনেশ সিং বলেন, “আমরা এআই সিস্টেমের মাধ্যমে বুঝতে পারি যে কিছু একটা বড় প্রস্তুতি চলছে। শেষ পর্যন্ত আমরা তাদের পদক্ষেপের সময়ও অনুমান করতে পেরেছিলাম।”

    চলমান “এআই রেস”

    রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধ প্রসঙ্গও টেনে এনেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। সেখানে কী ভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার হয়েছে, সে কথাও উল্লেখ করেছেন। তবে ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আগামী দিনে এআই যে একটা বড় ভূমিকা নিতে চলেছে, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল। লেফটেন্যান্ট জেনারেল রানা বলেন, এআই আর ভবিষ্যতের ধারণা নয়, বরং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে এটি এখন কেন্দ্রীয় উপাদান। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের বাড়তি বিনিয়োগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি একে চলমান “এআই রেস” বলে অভিহিত করেন।

    কৃত্রিম সুপারইন্টেলিজেন্সের ঝুঁকি

    নির্দিষ্ট বা সীমিত এআই থেকে কৃত্রিম সুপারইন্টেলিজেন্স (ASI)–এ উত্তরণের সম্ভাবনা নিয়ে সতর্কবার্তাও দেন তিনি। তাঁর মতে, উন্নত এআই প্রযুক্তি যেমন সুযোগ সৃষ্টি করবে, তেমনি অপব্যবহারের ঝুঁকিও বাড়াবে। তিনি বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রের মতো এআই–ও কৌশলগত প্রতিরোধের হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। তবে ডিজিটাল প্রকৃতির কারণে এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা পারমাণবিক প্রযুক্তির তুলনায় অনেক কঠিন হবে। তিনি ভারতের জন্য একটি সমন্বিত এআই নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের আহ্বান জানান। এৎ ফলে অর্থনীতি, সাইবার, মহাকাশ ও সামরিক খাতে এআই সমন্বিত তথ্যের ব্যবহার সুবিধাজনক হবে।

  • Arunachal Pradesh: অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, দাবি অরুণাচলবাসীর

    Arunachal Pradesh: অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণ বন্ধ করতে হবে, দাবি অরুণাচলবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মুসলিম ও ভারতের বিভিন্ন অংশ থেকে আসা ইসলামপন্থী-সহ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে এবং অরুণাচল প্রদেশের স্থানীয় জনগণের তৈরি মসজিদ ও মাদ্রাসার মতো অবৈধ ধর্মীয় পরিকাঠামো নির্মাণের প্রতিবাদে আন্দোলন এখন চরমে। রাজ্যের একাধিক আদিবাসী সংগঠন অবৈধ বসতিস্থাপনকারীদের (Arunachal Pradesh) বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে এবং রাজ্য সরকারকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করার লক্ষ্যে ২৪ ঘণ্টার অরুণাচল বনধের ডাক দিয়েছে।

    অরুণাচল এসটি বাঁচাও আন্দোলন (Arunachal Pradesh)

    লোয়ার সুবনসিরি জেলার প্রশাসন ২০ জানুয়ারি, অরুণাচল এসটি বাঁচাও আন্দোলনের ডাকা ২৪ ঘণ্টার বনধ চলাকালীন পারিয়ামি মসজিদ খালি করে দেয়। এর ফলে জিরোতে কথিত দুটি অবৈধ মসজিদকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন চলছে, তা আরও তীব্র হয়। এই বনধের মূল লক্ষ্য ছিল সুলুয়া ও পারিয়ামিতে নির্মিত অনুমোদনহীন পরিকাঠামো। সংগঠনটি ওই কাঠামোগুলি অবিলম্বে ভেঙে ফেলার দাবি জানিয়েছে।  পাশাপাশি পারিয়ামি মসজিদের ভেতরে থাকা একটি ইসলামি স্তম্ভ অপসারণের দাবিও তোলেন স্থানীয়রা। এ জন্য ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় এবং দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

    এসটি বাঁচাও আন্দোলন

    এর প্রেক্ষিতে অরুণাচল প্রদেশ সরকার সুলুয়া মসজিদ, যেটি ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে এসটি বাঁচাও আন্দোলনের অভিযোগের পর সিল করা হয়েছিল, তা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়, যাতে জমির মালিক রুবু তাপা নিজের খরচে সেটি ভেঙে ফেলতে পারেন। এই নির্দেশ আসে ১৯ জানুয়ারি ওল্ড জিরো মার্কেট ওয়েলফেয়ার কমিটির এক আবেদনের পর। ইনচার্জ ডেপুটি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী (Illegal Mosques) এসডিও হাগে তারুং অবিলম্বে কার্যকর করার জন্য সার্কেল অফিসার মিস মিডে বাগেকে নির্দেশ দেন। এই নির্দেশের অনুলিপি পুলিশ সুপার, টাউন ম্যাজিস্ট্রেট, জিরো পুলিশ স্টেশন, এসটি বাঁচাও আন্দোলন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়।

    নিরাপত্তা ইস্যু

    এদিকে, অরুণাচল প্রদেশে নিরাপত্তা ইস্যুকে গুরুত্ব দেওয়ার আর একটি পদক্ষেপ হিসেবে রাজ্যপাল কেটি পার্নাইক শুক্রবার সদ্যনিযুক্ত ডিজিপি শিব দর্শন সিং জামওয়ালকে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পার্নাইক বলেন, “অবৈধ অনুপ্রবেশ সামাজিক সম্প্রীতি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার পক্ষে মারাত্মক হুমকি, যা লোয়ার সুবনসিরির মতো জেলাগুলিতে অননুমোদিত ধর্মীয় কাঠামো ও জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে স্থানীয় উদ্বেগের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ (Arunachal Pradesh)।” এই ঘটনাপ্রবাহ স্পষ্ট দেখাচ্ছে যে জেলাটিতে অবৈধ ধর্মীয় কাঠামোকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে।

    এর আগে, ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যের রাজধানী ইটানগরে অনুষ্ঠিত এক বিশাল সমাবেশে একাধিক সংগঠন রাজ্য থেকে অবৈধ বাংলাদেশি ‘মিঞা-মুসলিম’ বসতিস্থাপনকারীদের উচ্ছেদ এবং তাদের ইনার লাইন পারমিট (আইএলপি) বাতিলের দাবি তোলে। অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ ফোর্স (IYFA) এবং অরুণাচল প্রদেশ ইন্ডিজেনাস ইয়ুথ অর্গানাইজেশনের (APIYO) উদ্যোগে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন (Illegal Mosques)। সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “অভিবাসীদের রাজ্যে কোনও জায়গা নেই এবং অরুণাচল প্রদেশ ও সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারত কখনওই বাংলাদেশের অংশ হতে পারে না (Arunachal Pradesh)।”

     

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ! ভারতীয় মহিলাকে হেনস্থা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ! ভারতীয় মহিলাকে হেনস্থা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) চিনের অংশ। এই দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে ড্রাগনের দেশ। তবে শি জিনপিংয়ের দেশের সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই ছিল, আছে এবং থাকবেও (Shanghai Airport)। তবে ভারত এবং চিনের এই দোটানার মধ্যে পড়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হল অরুণাচল প্রদেশের এই মহিলাকে।

    ১৮ ঘণ্টা আটকে, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের (Arunachal Pradesh)

    আদতে অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা ওই মহিলা বর্তমানে থাকেন ব্রিটেনে। ২১ নভেম্বর সাংহাই পুডং বিমানবন্দরে তাঁকে প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। ওই মহিলার নাম প্রেমা ওয়াংজম থংডক। বিমানবন্দরে থাকা কয়েকজন চিনা আধিকারিক দাবি করেন, তাঁর পাসপোর্টটি ভারতীয়। জন্মস্থান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে অরুণাচল প্রদেশের। ওই আধিকারিকরা জানান, এটি অবৈধ। কারণ ওই প্রদেশ চিনের অংশ। খবরটি দ্রুত পৌঁছে যায় ভারতীয় কর্তাদের কানে। সঙ্গে সঙ্গেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তাঁরা। তীব্র প্রতিবাদ জানান চিনা কর্তৃপক্ষের কাছে। সাংহাইয়ে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেটও স্থানীয়ভাবে বিষয়টি উত্থাপন করে এবং প্রেমাকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য দেয়।

    অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা

    প্রেমা অরুণাচল প্রদেশের পশ্চিম কামেং জেলার রূপা এলাকার বাসিন্দা। গত ১৪ বছর ধরে কর্মসূত্রে ব্রিটেনে বসবাস করছেন তিনি। ঘটনার দিন লন্ডন থেকে জাপানে যাচ্ছিলেন তিনি (Arunachal Pradesh)। এর মধ্যে সাংহাই পুডং বিমানবন্দরে তিন ঘণ্টার ট্রানজিট ছিল। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই মহিলা জানান, নিরাপত্তা তল্লাশির সময় চিনা ইমিগ্রেশনের এক আধিকারিক তাঁকে (Shanghai Airport) আলাদা করে ডেকে নেন। তিনি যখন তাঁকে আটকে রাখার কারণ জানতে চান, তখন ওই আধিকারিক জানান যে তাঁর ভারতীয় পাসপোর্ট ‘অবৈধ’। কারণ অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ। প্রেমা বলেন, “আমি যখন তাঁদের প্রশ্ন করতে চেষ্টা করলাম এবং জানতে চাইলাম সমস্যাটা কী, তাঁরা বললেন, ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অংশ নয়’। তাঁরা আমায় উপহাস করতে শুরু করল। তাঁরা বলতে লাগল, ‘তোমার চিনা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা উচিত। তুমি চিনা, ভারতীয় নও’”। তিনি বলেন, “এর আগে আমি কোনও সমস্যা ছাড়াই সাংহাই হয়ে ট্রানজিট করেছি। আমি অনেকক্ষণ আমার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, পারিনি।” ভারতীয় ওই মহিলা বলেন, “লন্ডন থেকে ১২ ঘণ্টা ভ্রমণ করার পর আমায় ১৮ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে রাখা হয় (Arunachal Pradesh)। তারা আমার পাসপোর্ট নিয়ে নেয় এবং আমায় বের হতে দেয়নি। আমি খাবারও পাইনি। চিনে গুগল নেই, তাই কোনও তথ্যও পেতে পারছিলাম না। তারা আমায় জাপানে যেতে দিতে অস্বীকার করেছিল। যদিও আমার বৈধ জাপানি ভিসা ছিল। তারা জোর করে বলে যে আমায় হয় ব্রিটেনে ফিরে যেতে হবে, নয়তো ভারতে যেতে হবে।”

    ওঁদের আচরণ অত্যন্ত অপমানজনক

    প্রেমা বলেন, “ওঁদের আচরণ ছিল অত্যন্ত অপমানজনক এবং সন্দেহজনক, ইমিগ্রেশন স্টাফদের যেমন, তেমনই আচরণ করেছেন এয়ারলাইন স্টাফরাও। আমি সাংহাই এবং বেজিংয়ের ভারতীয় দূতাবাসে ফোন করি। এক ঘণ্টার মধ্যেই (Shanghai Airport) ভারতীয় কর্তারা বিমানবন্দরে এসে আমায় কিছু খাবার দেন। তাঁদের সঙ্গে সমস্যাগুলি নিয়ে কথা বলেন এবং আমায় দেশ থেকে বের হতে সাহায্য করেন। এটি ছিল দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার একটা লড়াই। কিন্তু আমি এখন খুশি যে এখন আমি সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি (Arunachal Pradesh)।”

    ত্রাতার ভূমিকায় ভারতীয় কর্তারা

    জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরে বেশ কয়েক ঘণ্টা আটকে থাকার পর প্রেমা একটি ফোন এবং তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত তিনি ব্রিটেনে থাকা তাঁর বন্ধুদের ফোন করেন। তাঁরা তাঁকে সাংহাইয়ের ভারতীয় কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করাতে সাহায্য করেন। ভারতীয় কনস্যুলেটের কর্তারা এক ঘণ্টার মধ্যে বিমানবন্দরে পৌঁছন এবং তাঁকে সেই পরিস্থিতি থেকে বের হতে সাহায্য করেন। অরুণাচল প্রদেশের ওই মহিলা বলেন, “আমি কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরে, সেখান থেকে ছ’জন কর্তা এক ঘণ্টার মধ্যেই বিমানবন্দরে এসে আমায় খাবার দেন। তাঁরা চেষ্টা করেছিলেন যেন আমায় জাপানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু চিনা আধিকারিকরা তা কোনওভাবেই মানেনি। তাঁরা জোর করেছিলেন যে আমি যেন শুধু চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের মাধ্যমেই দেশ ছাড়ার টিকিট বুক করি। শেষ পর্যন্ত আমি তাইল্যান্ডে ট্রানজিট-সহ ভারতের ফ্লাইট বুক করি, এবং এখন তাইল্যান্ডেই থেকে কাজ করছি।” প্রেমা বলেন, “অনেক বছর ব্রিটেনে থাকার পরেও আমি আমার ভারতীয় পাসপোর্ট (Shanghai Airport) ছাড়িনি। কারণ আমি আমার দেশকে ভালোবাসি এবং নিজের দেশেই বিদেশি হতে চাই না (Arunachal Pradesh)।”

LinkedIn
Share