Tag: Arvind Kejriwal

Arvind Kejriwal

  • Arvind Kejriwal: বছর শেষে ধ্যানমগ্ন হতে চলেছেন কেজরিওয়াল, থাকতে পারবেন না ইন্ডি জোটের বৈঠকেও!

    Arvind Kejriwal: বছর শেষে ধ্যানমগ্ন হতে চলেছেন কেজরিওয়াল, থাকতে পারবেন না ইন্ডি জোটের বৈঠকেও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে ধ্যানমগ্ন হতে চলেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। থাকতে না পারার সম্ভাবনা প্রবল, বিরোধী ইন্ডি জোটের বৈঠকে। প্রসঙ্গত, ১৮ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে দিল্লি বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন। ১৯ ডিসেম্বর থেকে মুখ্যমন্ত্রী যোগ দেবেন বিপাসনা ধ্যানকেন্দ্রে। তবে কোথায় তিনি এই ধ্যান করবেন সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। এই প্রথমবার নয়, এর আগেও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বিপাসনা কেন্দ্রে ধ্যান করতে গিয়েছেন বলে জানা যায়। ২০১৬ সালেই তিনি ছিলেন নাগপুরে। গত বছরে বেঙ্গালুরু এবং জয়পুরে ধ্যান করতে হাজির ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

    বিপসনা কী আসলে?

    বিপাসনা পদ্ধতি হল প্রাচীন ভারতীয় ধ্যানের রীতি। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুশীলনকারীরা মানসিক চাপ সমেত উদ্বেগকে দূরে রাখেন। জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই ভারতবর্ষে এই ধ্যান পদ্ধতি চালু ছিল। গৌতম বুদ্ধ এই পদ্ধতি তাঁর শিষ্যদের মধ্যে প্রথম প্রচলন করেছিলেন বলে জানা যায়। দেশে অজস্র বিপাসনার কেন্দ্র চালু রয়েছে। প্রতিবছর অসংখ্য মানুষের ভিড় দেখা যায় এই কেন্দ্রগুলিতে।

    দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ কেজরিওয়ালের দল

    প্রসঙ্গত, আবগারি দফতরের দুর্নীতি সমেত একাধিক অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছে দিল্লির আম আদমি পার্টির সরকার। দলের মন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া রয়েছেন জেলে। কংগ্রেস সরকারের দুর্নীতির বিরোধিতা করে দিল্লির আম আদমি পার্টি উঠে এসেছিল। সেই কংগ্রেসের সঙ্গেই পুনরায় ইন্ডি জোটের বৈঠকে দেখা যাচ্ছে আম আদমি পার্টি নেতাদের। এর পাশাপাশি পশু খাদ্য কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত লালু যাদব, নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও জোট বেঁধেছে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দল। আম আদমি পার্টি যখন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেই নিজেদের সংগঠন বিস্তার করে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে দুর্নীতিগ্রস্তদের পাশেই দাঁড়াচ্ছে আম আদমি পার্টি এবং নিজেদের দলের মন্ত্রী-নেতারাও জেলে যাচ্ছে দুর্নীতির অভিযোগে। এখানেই উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: মোদির ডিগ্রি নিয়ে ব্যঙ্গ, মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন না কেজরিওয়াল

    Arvind Kejriwal: মোদির ডিগ্রি নিয়ে ব্যঙ্গ, মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন না কেজরিওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী মোদির ডিগ্রি নিয়ে ব্যঙ্গ করেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এনিয়ে মামলার জল গড়ায় গুজরাতের হাইকোর্ট পর্যন্ত। কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে আগেই দায়ের হয়েছিল মানহানির মামলা। সেই মামলায় অস্বস্তিতে পড়লেন আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এবং তাঁর দলেরই সাংসদ সঞ্জয় সিংহ। শুক্রবার গুজরাত হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল এবং সেখানে কেজরিওয়ালে আর্জি খারিজ হল। গুজরাতের উচ্চ আদালতে আম আদমি পার্টির প্রধান কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) এই মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন, এদিন তা খারিজ করে গুজরাট হাইকোর্ট। 

    মামলা গুজরাত হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী মোদির ডিগ্রি নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন যে দেশে এবার একজন শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন। একই ধরনের মন্তব্য করেন সঞ্জয় সিংহও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় আপ পার্টির ২ নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এই মামলায় গত ১৩ জুলাই কেজরিওয়াল এবং সঞ্জয় সিংহকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয় গুজরাতের হাইকোর্ট। কিন্তু ১৩ জুলাই মামলার শুনানি শুরু হতেই কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) আইনজীবী জানান দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টি চলছে তাঁর মক্কেল তা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন, তাই দিন তিনি হাজির থাকতে পারলেন না।

    কেজরিওয়ালের সাংবাদিক সম্মেলন  

    প্রধানমন্ত্রী মোদির ডিগ্রি নিয়ে চলতি বছরের ১এপ্রিল সাংবাদিক সম্মেলন করে অবমাননাকার মন্তব্য করেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। অন্যদিকে ২ এপ্রিল দ্বিতীয় প্রেস কনফারেন্সটি করেন সঞ্জয় সিং। দুই আম আদমি পার্টির নেতা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। এরপরে তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধে আহমেদাবাদে কোর্টে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। ১৫ এপ্রিল এই মানহানির মামলা দায়ের করা হয় এবং তাদেরকে সমান পাঠানো হয় ২৩ মে। এর ভিত্তিতে গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আপ-প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। আদালতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চান। কিন্তু শুক্রবার সেই আর্জি খারিজ করে দেয় গুজরাট হাইকোর্ট।  এদিন গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি সমীর দাভে এই নির্দেশ দিয়েছেন। আপ পার্টির  ২ নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার পীযূষ প্যাটেল। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি নিয়ে আপ নেতাদের এই অবমাননাকার মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মন্তব্য করেন কেজরিওয়াল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালকে ৯ ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের! বেরিয়ে এসে কী বললেন আপ সুপ্রিমো?

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালকে ৯ ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের! বেরিয়ে এসে কী বললেন আপ সুপ্রিমো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতিকাণ্ডে ইতিমধ্যে সিবিআই গ্রেফতার করেছে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীকে। একই মামলায় রবিবার টানা ৯ ঘণ্টা জেরা করা হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। সিবিআই সূত্রে খবর, কেজরিওয়ালকে সিআরপিসির ১৬০ নং ধারা অনুযায়ী সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয়েছিল কেজরিওয়ালকে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ রাজধানীর সিবিআই দফতরে পৌঁছেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বেরোলেন তিনি। ন’ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কেজরিওয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এর মধ্যে বিকেল পাঁচটায় আপের সদর দফতরে জরুরি বৈঠকে বসেন দলের নেতানেত্রীরা। পঙ্কজ গুপ্ত, দিল্লির মেয়র শেলি ওবেরয়রা সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এত দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়। তাঁরা গ্রেফতারির আশঙ্কা করতে থাকেন।

    জেরা শেষে কী বললেন কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)

    জেরা শেষে সিবিআই অফিস থেকে বেরিয়ে এসে অবশ্য আম আদমি পার্টি প্রধান দাবি করেন, এই গোটা মামলাটি ভুয়ো। তাঁর আরও দাবি, ‘আমি সততার সঙ্গে আপস করব না কখনও। গোটা দেশ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আমায় ৫৬টি প্রশ্ন করা হয়েছিল। ২০২০ সাল থেকে উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। সিবিআই আমার সঙ্গে কোনও খারাপ ব্যবহার করেনি। এই গোটাটাই ফেক। আমি নিশ্চিত, আমার বিরুদ্ধে ওদের কাছে কোনও তথ্য নেই।’

    সিবিআইয়ের দাবি কী

    অপরদিকে সিবিআইয়ের তরফে এই মামলা সম্পর্কে একটি বিবৃতি জারি করে দাবি করা হয়েছে যে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বয়ান খতিয়ে দেখা হবে। জানা গিয়েছে, সিআরপিসির ১৬১ নং ধারা অনুযায়ী কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বয়ান রেকর্ড করা হয় গতকাল। মোট ৫৬টি প্রশ্ন তাঁকে করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: ‘‘কর্মের ফল’’! কেজরির গ্রেফতারি নিয়ে মত গুরু আন্নার, কী বললেন প্রণব-কন্যা?

    Arvind Kejriwal: ‘‘কর্মের ফল’’! কেজরির গ্রেফতারি নিয়ে মত গুরু আন্নার, কী বললেন প্রণব-কন্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজিরওয়ালের (Arvind Kejriwal) গ্রেফতারি প্রসঙ্গে মুখ খুললেন তাঁর রাজনৈতিক গুরু আন্না হাজারে। সবটাই ‘কর্মের ফল’ বলে দাবি করেন তিনি। একই মত প্রাক্তন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়েরও। আবগারি দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আপাতত তিনি ইডি হেফাজতে রয়েছেন।

    কী বললেন আন্না

    কেজিরওয়ালের (Arvind Kejriwal) গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তাঁর একসময়কার গুরু আন্না হাজারে বলেন, ‘কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর তাঁর সরকারের আবগারি নীতি নিয়ে আমি দু’বার চিঠি লিখেছিলাম। আমি দুঃখ পেয়েছিলাম। উনি আমার কথা শোনেননি। এবার তাঁকে গ্রেফতার হতে হল।’ তাঁর সংযোজন, ‘অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং মণীশ সিসোদিয়া যখন নতুন নতুন এসেছিলেন, আমি বলেছিলাম সর্বদা দেশের ভালোর জন্য কাজ করবে। তবে তাঁরা দু’জনেই এই নির্দেশ শোনেননি। আর আমি ওঁকে কোনও উপদেশ দেব না। আইন আর সরকার যা করার করে নিক। কেজরিওয়াল নিজের কর্মের ফল ভোগ করছেন।’

     

    ২০১১ সালে তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়েছিলেন আন্না হাজারে। সেই সময় আন্নার আন্দোলনে শামিল হন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। সেই আন্দোলনের হাত ধরেই রাজধানীর রাজনীতির শিরোনামে উঠে আসেন তিনি। ২০১২ সালে নিজের রাজনৈতিক দলও গঠন করেন। পরে নিজের দল আম আদমি পার্টি নিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রবেশ করেন। সেই থেকেই গুরু আন্না হাজারের সঙ্গে মতান্তর তৈরি হয় তাঁর।

    আরও পড়ুন: বিজেডির সঙ্গে জোট নয়, লোকসভা নির্বাচনে ওড়িশায় একাই লড়বে বিজেপি

    প্রণব-কন্যার অভিমত

    ‘কর্মের পরিণতি’। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার (Arvind Kejriwal) হওয়ার পর ঠিক এই ভাষাতেই সরব হলেন প্রাক্তন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কন্যা শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়। পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেত্রী শীলা দীক্ষিতের বিরুদ্ধে দায়িত্বজ্ঞানহীন, ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছিলেন কেজরিওয়াল ও আন্না হাজারে গ্রুপ। তাঁর মতে, যাঁরা একমসময় ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছিলেন, তাঁরাই আজ নিজেদের কাজকর্মের ফল ভোগ করছেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি পোস্ট করেন, ‘কংগ্রেস ও শীলা দীক্ষিতজির বিরুদ্ধে ট্রাঙ্ক-ভর্তি প্রমাণ আছে বলে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছিলেন উনি ও আন্না হাজারে গ্রুপ। এখনও পর্যন্ত সেই ট্রাঙ্ক কেউ দেখেননি। কর্মের পরিণতি !’

    আবগারি দুর্নীতি মামলায় ২১ মার্চ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দকে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। হাইকোর্টে আগাম জামিনের আর্জি খারিজের পরেই আপ প্রধানকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ ও পরে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার কেজরিওয়ালকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “বাংলাতেও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি”, কাকে খোঁচা দিলেন সুকান্ত?

    Sukanta Majumdar: “বাংলাতেও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি”, কাকে খোঁচা দিলেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলাতেও আমরা এই দৃশ্য দেখতে পারি।” দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার হয়েছেন ইডির হাতে। সেই প্রেক্ষিতেই বৃহস্পতিবার কথাগুলি বললেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি অধ্যাপক নেতা সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “সেই সমস্ত মুখ্যমন্ত্রী যাঁদের নাম দুর্নীতিতে বার বার জড়িয়েছে, তাঁদের বলব, দুর্নীতি থেকে সরে থাকুন। তাঁরাও পদে থাকা অবস্থায় গ্রেফতার হতে পারেন।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “পশ্চিমবঙ্গেও আমরা এই ছবি দেখতে পারি।”

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে দুর্নীতির নজির নেই বলেও দাবি করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। বলেন, “আমি বলব, তৃণমূলের ভাগ্য ভাল যে এত দিন পরেও মুখ্যমন্ত্রী ও ভাইপো জেলের বাইরে রয়েছেন… ভালো জ্যোতিষী দেখান মনে হচ্ছে। না হলে এত দিনে জেলে থাকার কথা ছিল।” এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতির মুখে উঠে এসেছে ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেনের প্রসঙ্গও। সুকান্ত বলেন, “হেমন্ত সোরেন হোন বা মণীশ সিসোদিয়া (দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী) দু’জনেই তো জামিন পাওয়ার জন্য বার বার চেষ্টা করছেন। পাচ্ছেন না কেন? কারণ ইডি বার বার আদালতকে বুঝিয়ে দিচ্ছে যে তাঁদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ ইডি এনেছে, তার সত্যতার স্বপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। সত্যতার প্রমাণ রয়েছে বলেই তো আদালত জামিন দিচ্ছে না।”

    “দুর্নীতি থেকে দূরে থাকুন”

    সুকান্ত বলেন, “বোঝাই যাচ্ছিল যে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দিকে যাচ্ছিল ইডি। এই ঘটনা চোখ খুলে দিল যে কর্মরত অবস্থায়ও মুখ্যমন্ত্রীদের গ্রেফতার করা যায়।” এর পরেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “আমি সেই সব মুখ্যমন্ত্রীদের বলব যে দুর্নীতি থেকে দূরে থাকুন। আর সাবধানে থাকুন। যাঁদের নাম দুর্নীতিতে জড়িয়ে রয়েছে তাঁরাও গ্রেফতার হতে পারেন।” প্রসঙ্গত, আবগারি নীতি মামলায় ৯ বার সমন পাঠানো হয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। কোনওবারই সাড়া দেননি তিনি।

    আরও পড়ুুন: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    গ্রেফতারি এড়াতে বৃহস্পতিবার কেজরিওয়াল দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এর পরেই তাঁর দিল্লির বাসভবনে হানা দেয় ইডি। তল্লাশির পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদও করা হয় কেজরিওয়ালকে। ততক্ষণে কেজরির তরফে দ্রুত শুনানির আর্জি করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। মধ্যরাতে শুনানি সম্ভব নয় বলে সাফ জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত। তার পরেই গ্রেফতার করা (Sukanta Majumdar) হয় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Arvind Kejriwal: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    Arvind Kejriwal: আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় (Liquor Policy Case) অবশেষে গ্রেফতার হলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এই মামলায় ৯ বার ইডি-র সমন এড়িয়েছিলেন কেজরিওয়াল। তাও শেষরক্ষা হলো না। বৃহস্পতিবারই এই মামলায় কেজরিওয়ালকে কোনও প্রকার রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে দিল্লি হাইকোর্ট। এর পরই, এদিন সন্ধ্যায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছে যায় ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দলটিতে রয়েছেন ১২ জন আধিকারিক। জানা যায়, একেবারে, ওয়ারেন্ট নিয়ে শুরু হয় তল্লাশি। রাত ৯টা নাগাদ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয় তাঁর মোবাইল ফোন।

    আবগারি নীতি মামলায় গ্রেফতার (Arvind Kejriwal)

    আবগারি নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টির কয়েকজন নেতাকে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন (Arvind Kejriwal) দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া ও আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহও। চলতি সপ্তাহেই গ্রেফতার করা হয় বিআরএস নেত্রী কে কবিতাকে। এবার গ্রেফতার হলেন খোদ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে, এই মামলায় ইডি ৯ বার সমন পাঠিয়েছিল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। নানা অজুহাতে প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি।

    রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে হাইকোর্ট

    ইডি যাতে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না করে, সেই আর্জি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। এদিন আদালতে পেশ করা আবেদনে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেন, “ইডি নিশ্চয়তা দিক যে তাদের সমনে সাড়া দিলে আমার বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ (Liquor Policy Case) করা হবে না।” কিন্তু, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি ধোপে টেকেনি। মেলেনি রক্ষাকবচ। তার পরেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দুয়ারে হাজির হয় ইডি। ঘণ্টাদুয়েক তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করা হয়। তবে, তার আগে, শেষ মরিয়া চেষ্টা করেছিলেন কেজরিওয়াল। গ্রেফতারি আসন্ন বুঝতে পেরে শেষ মুহূর্তে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। আর্জি জানিয়েছিলেন জরুরিভিত্তিতে শুনানির। যদিও সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মধ্যরাতে শুনানি হবে না এই মামলার। সুপ্রিম কোর্টে শুনানি না হওয়ায় রাতেই গ্রেফতার করা হয় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। 

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা রয়েছেন তালিকায়?

    কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বাসভবন চত্বরে জারি ১৪৪ ধারা

    এদিকে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির পরেই তাঁর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আপ কর্মী, সমর্থকেরা। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির যাতে অবনতি না হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের আশপাশে জারি করা হয়েছে ১১৪ ধারা। শুক্রবার পিএমএলএ আদালতে হাজির করানো হবে আপ প্রধানকে। দেশের ইতিহাসে কেজরিওয়ালই (Arvind Kejriwal) প্রথম, যিনি মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকাকালীন গ্রেফতার হলেন। এর আগে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকেও গ্রেফতার করে ইডি। তবে গ্রেফাতারির আগে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি (Liquor Policy Case)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: আবগারি দুর্নীতিতে কবিতার সঙ্গে ষড়যন্ত্রে জড়িত কেজরিওয়ালও, দাবি ইডির

    Arvind Kejriwal: আবগারি দুর্নীতিতে কবিতার সঙ্গে ষড়যন্ত্রে জড়িত কেজরিওয়ালও, দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কেন্দ্রীয় সংস্থার অভিযোগ, ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী, বর্তমানে গ্রেফতার হওয়া কে কবিতা, ১০০ কোটি টাকা দিয়েছেন আম আদমি পার্টিকে। লেনদেনে যুক্ত ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং জেলবন্দি দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াও। এই ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র দিল্লির আবগারি নীতিতে সুবিধা পেতে। এমনটাই জানিয়েছে ইডি। দিল্লির আবগারি দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে একের পর এক আপ নেতার। কে কবিতার গ্রেফতারির পরে বোঝা যায় দুর্নীতির জাল অনেক দূরে বিস্তৃত। আপ সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তের জাল এখন গোটাতে শুরু করেছে ইডি।

    নবমবার তলব করা হয়েছে কেজরিওয়ালকে

    প্রসঙ্গত, আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডি আট বার তলব করলেও, একবারও হাজিরা দেননি কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এরই মধ্যে ইডি তাঁকে নবমবার তলব করেছে। এখন দেখার ২১ মার্চ তলবে তিনি সাড়া দেন কি না। প্রসঙ্গত, তেলঙ্গানার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের কন্যা হলেন কে কবিতা। যাঁকে গত সপ্তাহতে গ্রেফতার করেছে ইডি। এবং বর্তমানে তিনি ২৩ মার্চ পর্যন্ত থাকবেন ইডি হেফাজতে। তাঁকে জেরা করেই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। নানা ধরনের বেআইনি ফান্ডিংও দেখা গিয়েছে আবগারি দুর্নীতিতে।

    দুর্নীতির ‘কিংপিন’ কবিতা

    ইডির তরফে জানানো হয়েছে, ৪৫ বছর বয়সি ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী, মিলিতভাবে আম আদমি পার্টির (Arvind Kejriwal) নেতাদের সঙ্গে এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকেছেন। এই দুর্নীতিতে কবিতাকে কিংপিন বলেও উল্লেখ করেছে ইডি। এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও তোলা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ইডির তরফ থেকে জানানো হয়েছে, সারা দেশের ২৪৫টি বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে তারা এবং ১৫ জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে দিল্লির আবগারি দুর্নীতিতে। যার মধ্যে রয়েছে দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। ইডি গ্রেফতার করেছে আম আদমি পার্টির নেতা সঞ্জয় সিং এবং অন্যান্য বেশ কিছু মদ ব্যবসায়ীকেও। এখনও পর্যন্ত মোট ছ’টি চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১২৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: আবগারি মামলায় ফের কেজরিওয়ালকে তলব ইডির, এই নিয়ে সাতবার

    Arvind Kejriwal: আবগারি মামলায় ফের কেজরিওয়ালকে তলব ইডির, এই নিয়ে সাতবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ফের তলব করল ইডি।  এ নিয়ে সপ্তমবার সমন জারি করা হল। আগে প্রতিবারই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন আপ প্রধান। এবার আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি হাজিরা দেওয়ার জন্য দিল্লি মুখ্যমন্ত্রীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ষষ্ঠতম সমন পাঠিয়ে গত ১৯ তারিখ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু আগের পাঁচবারের মতো সেবারও কেজরিওয়াল তলবে সাড়া দেননি। 

    আপ-এর বক্তব্য

    আম আদমি পার্টির তরফে দাবি করা হয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে তিনি যাতে প্রচার করতে না পারেন তার চেষ্টাই করা হচ্ছে। কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই সমন। কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে পঞ্চম সমন পাঠানোর পর ইডি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল। এরপর দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে সশরীরে হাজিরা দিয়ে নিজের বক্তব্য পেশ করতে বলেছিলেন বিচারক। গত শনিবার আদালতে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। ওই দিন আদালতে ভার্চুয়ালি হাজিরা দিয়ে সশীরের হাজিরার জন্য অন্য এক দিন ধার্য করার আবেদন করেছিলেন অরবিন্দ। আপ সুপ্রিমোর সেই আবেদন মঞ্জুর করা হয়। আগামী ১৬ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য্য হয়েছে। তারই মধ্যে ফের তলব করা হল কেজরিওয়ালকে।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিই হোক পাখির চোখ, তাই কি বাতিল শাহি সফর?

    প্রায় দু’বছর হতে চলল দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা শিক্ষামন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া মদ দুর্নীতির মামলায় জেলে রয়েছেন। বিগত কয়েক মাস ধরে জেলবন্দি আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংও। ওই একই মামলায় এবার তলব খোদ কেজরিওয়ালকে। তবে, হাজিরা সংক্রান্ত মামলা আদালতে বিচারাধীন। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার আগে কীভাবে ইডি সমন জারি করে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আপ। প্রসঙ্গত, দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে প্রথম সমন পাঠানো হয়েছিল গত ২ নভেম্বর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Arvind Kejriwal: দিল্লি পুলিশের নোটিশ কেজরিওয়ালকে, আপ অফিসের সামনে বিক্ষোভ বিজেপির

    Arvind Kejriwal: দিল্লি পুলিশের নোটিশ কেজরিওয়ালকে, আপ অফিসের সামনে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার দিল্লিতে আপের পার্টি অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি এবং দাবি করে যে ইডির তদন্ত থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। বিক্ষোভে গেরুয়া শিবিরের দাবি ছিল দিল্লি সরকারের আবগারি দুর্নীতিতে ইডির মুখোমুখি হতে হবে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে। তা না করে, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এবং পাঁচবার তলব এড়িয়ে গেছেন। অন্যদিকে, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দল অভিযোগ তোলে যে বিজেপি সরকার নাকি তাঁদের সাতজন এমএলএকে নগদ ২৫ কোটি টাকা দিয়ে কিনতে চাইছে। এই অভিযোগের পরেই প্রশাসনের দ্বারস্থ হয় দিল্লি বিজেপির নেতারা। দাবি করেন অভিযোগ প্রমাণের। এবং সেই মতো শুক্রবার রাতেই অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকারি বাসভবনে নোটিশ ধরিয়ে দিয়ে আসেন এক পুলিশ আধিকারিক।

    মঙ্গলবারই দিল্লির পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ দায়ের বিজেপির

    আপ সুপ্রিমোর (Arvind Kejriwal) তোলা এই অভিযোগের তদন্তের জন্য মঙ্গলবারই দিল্লি বিজেপি সভাপতি বীরেন্দ্র সাচদেব, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা রণবীর সিং বিধুরি, উত্তর-পূর্ব দিল্লীর সাংসদ মনোজ তিওয়ারি এবং অন্যান্য বিজেপি নেতারা মিলে দিল্লির পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় আরোরার কাছে তদন্ত চান। বিজেপির অভিযোগ, অরবিন্দ কেজরিওয়াল সস্তার রাজনীতি করছেন এবং কারণ তিনি বর্তমানে দিল্লিতে রাজনৈতিক জমি হারিয়েছেন। বিজেপি আরও জানিয়েছে, আপ পার্টির সুপ্রিমো তাঁর অভিযোগর কোনও প্রমাণ দিতে পারবেন না। কারণ এর পুরোটাই মিথ্যা।

    নোটিশ গেল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের কাছে

    দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বাড়িতে যে নোটিশ ধরানো হয়েছে সেটি হলো সিআরপিসির ৪১ নম্বর ধারা অনুযায়ী। এর ভিত্তিতে যে কোনও ব্যক্তিকে তদন্তে সমন করতে পারে পুলিশ। বিজেপির আরও দাবি, প্রথমে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন থেকে সেই নোটিশ নিতে অস্বীকার করা হয়। বিজেপির থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা হয় যে, ‘‘আমরা আপ পার্টির নেতাদের কাছ থেকে প্রমাণ চেয়েছি কিন্তু তারা এখনও পর্যন্ত কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেনি।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: “অপরাধীর মতো পালাচ্ছেন”, ইডির সমন এড়ানোয় কেজরিওয়ালকে তোপ বিজেপির

    Arvind Kejriwal: “অপরাধীর মতো পালাচ্ছেন”, ইডির সমন এড়ানোয় কেজরিওয়ালকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ইডির ডাকে সাড়া দিলেন না দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। আজ, ৩ জানুয়ারি তাঁকে ইডির দফতরে দেখা করতে বলে সমন পাঠানো হয় ২২ ডিসেম্বর। ৩ জানুয়ারি, বুধবার সকালেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, ইডির দফতরে আসছেন না তিনি। ইডির দফতরে আসতে না পারার কারণও দর্শিয়েছেন আপ সুপ্রিমো। তবে দলের তরফে বলা হয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে কেজরিওয়ালকে সমন পাঠানো হচ্ছে গ্রেফতার করার জন্য। আপের দাবি, ‘ওরা (বিজেপি) চায় না, উনি (কেজরিওয়াল) নির্বাচনে প্রচার করুন। কেজিরওয়ালকে থামাতেই এই নোটিশ।’

    ইডির সমন এড়ালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এনিয়ে তৃতীয়বার ইডির সমন এড়ালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে তাঁকে তলব করা হয়েছিল প্রথমে ২ নভেম্বর ও পরে ২১ ডিসেম্বর। দু’ বারই ইডির সমন এড়িয়েছেন তিনি। প্রথমবার কেজরিওয়াল গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশে নির্বাচনী প্রচারের কাজে। আর দ্বিতীয়বার কারণ হিসেবে তাঁর দলের তরফে জানানো হয়েছিল, যোগাভ্যাস অনুশীলনের জন্য। ওই দু’বারই আপের তরফে বলা হয়েছিল, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ডেকে পাঠানো হচ্ছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে (Arvind Kejriwal)।

    কেজরিওয়ালকে ইডি যে সমন পাঠাচ্ছে, তা আইনত বৈধ নয় বলেও দাবি আপের। এদিনও ইডিকে অনুপস্থিতির কারণ দর্শাতে গিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁকে পাঠানো ইডির সমন বেআইনি। তদন্তে সব রকমের সাহায্য করতে প্রস্তুত তিনি। যে কোনও আইনত বৈধ সমনেরও জবাব দিতে রাজি তিনি। তবে তার আগে সরাতে হবে বেআইনি সমনগুলি।

    বিজেপির নিশানায় কেজরি

    বারংবার ইডির সমন এড়ানোয় কেজরিওয়ালকে নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম পার্টির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “আজ, আবারও অরবিন্দ কেজরিওয়াল তৃতীয় সমন এড়িয়ে গিয়েছেন। তিনি একজন অপরাধীর মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।” তিনি বলেন, “এ নিয়ে তৃতীয়বার ইডির সমন এড়ালেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এ থেকে প্রমাণ হয়, তিনি কিছু লুকোচ্ছেন। তাই তিনি (Arvind Kejriwal) অপরাধীর মতো পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আদালত মণীশ সিসোদিয়া ও সঞ্জয় সিংহকে জামিন দেয়নি। আদালত এটা প্রতিষ্ঠা করেছে যে, অর্থ তছরুপের ঘটনা ঘটেছে। তারা একই ভিক্টিম কার্ড খেলছে।” প্রসঙ্গত, দিল্লির আবগারি কেলেঙ্কারির সূত্রে ইডি সমন পাঠিয়েছে কেজিরিওয়ালকে।

     

    আরও পড়ুুন: ‘অব কি বার চারশো পার’, নয়া স্লোগান বিজেপির

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share