Tag: Ashwini vaishnaw

Ashwini vaishnaw

  • India AI Impact Summit: ‘সবার জন্য এআই’ এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    India AI Impact Summit: ‘সবার জন্য এআই’ এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই শুরু হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সবার জন্য এআই’ (AI for All) এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY)-এর উদ্যোগে আগামী ১৬ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬। এই সম্মেলন বিশ্বজুড়ে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলেছে। এটি এখনও পর্যন্ত আয়োজিত সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক এআই সম্মেলনে পরিণত হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি, ২০২৬) এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাম্প্রতিক কালে এআই নিয়ে বিভিন্ন শিল্পনেতা, ডেভেলপার ও উদ্ভাবকদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ করেছেন। ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইকোসিস্টেমের সুসংগঠিত অগ্রগতির লক্ষ্যে এই বৈঠকগুলো ফলপ্রসূ।

    এআই নিয়ে ভারতের ভাবনা

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, দেশের শীর্ষস্থানীয় আইটি সংস্থাগুলি ইতিমধ্যেই ২০০-র বেশি খাতভিত্তিক ও নির্দিষ্ট এআই মডেল তৈরি করেছে, যা এই সম্মেলনের সময় উদ্বোধন করা হবে। এআই পরিকাঠামো ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রায় ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। সম্মেলন শেষে এই অঙ্ক দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এআই প্রতিভা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও বড় পরিকল্পনার কথা জানিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, শিল্প-সম্মত পাঠক্রম ও পরিকাঠামো সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৫০০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এআই শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ চালু করা হবে। শক্তি চাহিদা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তির জন্য বিপুল শক্তি প্রয়োজন হওয়ায় পারমাণবিক শক্তি ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ভারতের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার ৫০ শতাংশই সবুজ শক্তি, যা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পাচ্ছে।

    সবার জন্য এআই-এটাই লক্ষ্য

    এই উপলক্ষে প্রায় ৬০ জন বিশিষ্ট শিল্প বিশেষজ্ঞের মতামত সংকলিত একটি কম্পেন্ডিয়াম — ‘দ্য ইমপ্যাক্ট এজেন্ডা: লিডারশিপ রিফ্লেকশনস’ — প্রকাশ করা হয়, যেখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক বৃদ্ধি, উদ্ভাবন ও সমাজে এআই-এর প্রভাব সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রনিক্স ও আইটি মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা অজয় সুদ, এবং মেইটি-র শীর্ষ আধিকারিকরা। মেইটি সচিব এস. কৃষ্ণন জানান, এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির গণতান্ত্রিকীকরণ, বিশেষ করে এআই, যাতে এর সুফল সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে যায়।

    সরকারের নিরন্তর প্রচেষ্টা

    সম্মেলন সপ্তাহে ভারত মণ্ডপম ও সুষমা স্বরাজ ভবনে প্রায় ৫০০টি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি, এআই ইমপ্যাক্ট এক্সপো-তে থাকবে ৮৪০টিরও বেশি প্রদর্শনী, যার মধ্যে বিভিন্ন দেশের প্যাভিলিয়ন, কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার, শিল্প সংস্থা, স্টার্টআপ এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এই সম্মেলনে ১৫ জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, ৪০ জনের বেশি মন্ত্রী, ১০০-রও বেশি শীর্ষস্থানীয় সিইও ও সিএক্সও, এবং ১০০ জনের বেশি খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ অংশগ্রহণ করতে চলেছেন। জিও, কোয়ালকম, ওপেনএআই, এনভিডিয়া, গুগল, মাইক্রোসফট, অ্যাডোব এবং গেটস ফাউন্ডেশন-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক শিল্প অংশীদারের উপস্থিতিও প্রত্যাশিত। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ রূপরেখা তৈরি করতে ইতিমধ্যেই দেশের প্রথম সারির প্রযুক্তি সংস্থার সিইও এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামনেই আসছে ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’। তার আগে এই বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রযুক্তিবিদরা ভারতকে এআই প্রযুক্তির হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের এই নিরন্তর প্রচেষ্টাকে পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছেন।

  • Ashwini Vaishnaw: “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যেই ভারতের অবস্থান”, এআই নিয়ে ডাভোসে অশ্বিনী

    Ashwini Vaishnaw: “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যেই ভারতের অবস্থান”, এআই নিয়ে ডাভোসে অশ্বিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এআই (AI) নিয়ে কাজ করা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে ভারতের অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।” ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) এক প্যানেল আলোচনায় কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি আইএমএফের মূল্যায়নকে চ্যালেঞ্জ জানান। আইএমএফের মূল্যায়নে ভারতকে দ্বিতীয় স্তরের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অর্থনীতির দেশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

    বৈষ্ণবের দাবি (Ashwini Vaishnaw)

    আইএমএফের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভার উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বৈষ্ণব বলেন, “এআই নিয়ে কাজ করা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলির মধ্যে ভারতের অবস্থান সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।” আইএমএফের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিংয়ের উল্লেখ করেন। স্ট্যানফোর্ডের মতে, এআইয়ের বিস্তার ও প্রস্তুতির দিক থেকে বিশ্বে ভারতের অবস্থান তৃতীয় এবং এআই প্রতিভার ক্ষেত্রে ভারত দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। জর্জিয়েভার করা শ্রেণিবিন্যাসের সরাসরি সমালোচনা করে বৈষ্ণব বলেন, “ভারতকে দ্বিতীয় স্তরে রাখার মূল্যায়ন সম্পূর্ণ ভুল এবং দেশটি স্পষ্টভাবেই প্রথম সারির গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।” মন্ত্রী ভারতের এআই কৌশলের বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেন, যা এআই স্থাপত্যের পাঁচটি স্তর – অ্যাপ্লিকেশন, মডেল, চিপ, পরিকাঠামো এবং জ্বালানিজুড়ে বিস্তৃত (AI)।

    একাধিক এআই মডেল

    তিনি জানান, ভারতের কাছে ইতিমধ্যেই একাধিক এআই মডেল রয়েছে, যেগুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা ও দক্ষতা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে এআইয়ের ব্যাপক বিস্তার নিশ্চিত করার ওপর সরকারের গুরুত্বের কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী বলেন, “ভারতের এআই কৌশল শুধুমাত্র বৃহৎ আকারের মডেল তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সর্বস্তরে এআই গ্রহণ ও প্রয়োগই এর মূল লক্ষ্য।” তাঁর পূর্বাভাস, কর্পোরেট ও শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা বুঝে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কার্যকর সমাধান প্রয়োগের মাধ্যমে ভারত বিশ্বে এআই-নির্ভর পরিষেবার সর্ববৃহৎ সরবরাহকারীতে পরিণত হবে (Ashwini Vaishnaw)। মন্ত্রী বলেন, “অত্যন্ত বড় মডেল তৈরির বদলে কম খরচের সমাধান বাস্তবায়নের মাধ্যমেই বিনিয়োগের প্রকৃত রিটার্ন আসে।” তাঁর মতে, ২০ বিলিয়ন থেকে ৫০ বিলিয়ন প্যারামিটারের মডেল দিয়েই ৯৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব (AI)।

    বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতির দেশ

    এআই ও অর্থনীতি বিষয়ক ওই প্যানেল আলোচনায় সৌদি আরবের বিনিয়োগমন্ত্রী খালিদ আল-ফালিহ এবং মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড স্মিথও অংশ নিয়েছিলেন। পুরো অধিবেশন পর্বে বৈষ্ণব দাবি করেন, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে ভারতের অবস্থানের পেছনে রয়েছে দেশের উচ্চমানের বৈশ্বিক প্রতিভা ভাণ্ডার। তিনি এও জানান, এআই প্রযুক্তির সম্পূর্ণ স্তরে সমন্বিত কৌশল গ্রহণের মাধ্যমেই বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত বিবর্তনে ভারতের প্রথম সারির অবস্থান সুরক্ষিত হয়েছে (Ashwini Vaishnaw)।

  • Indian Railways: কনফার্মড টিকিট বাতিল না করেই বদলানো যাবে যাত্রার তারিখ, নতুন নিয়ম আনল ভারতীয় রেল

    Indian Railways: কনফার্মড টিকিট বাতিল না করেই বদলানো যাবে যাত্রার তারিখ, নতুন নিয়ম আনল ভারতীয় রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর। বড়সড় স্বস্তির কথা শুনিয়েছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। আগামী জানুয়ারি থেকে যাত্রীরা তাঁদের নির্ধারিত ট্রেন যাত্রার তারিখ অনলাইনে পরিবর্তন করতে পারবেন—তাও কোনো অতিরিক্ত টাকা না দিয়েই। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যাত্রীদের যাত্রা আরও ঝামেলামুক্ত ও সহজ করতে এই নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। আচমকা ফেঁসে গেলে আর টিকিট বাতিল করতে হবে না ট্রেনের। বরং তারিখ এগিয়ে বা পিছিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। যাত্রীদের পকেটের কথা মাথায় রেখে নতুন নিয়ম নিয়ে এসেছে ভারতীয় রেল, যাতে টিকিট বাতিলের ঝামেলাও না থাকে, আবার টাকাও না কাটা যায়।

    এই প্রথম টিকিটের দিন পরিবর্তনের সুবিধা

    দূরপাল্লার যাত্রায় এই প্রথম টিকিটের দিনক্ষণ পরিবর্তনের সুবিধা নিয়ে এল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। তবে এখনই নয়, আগামী বছর জানুয়ারি মাস থেকে এই নতুন সুবিধা পাবেন যাত্রীরা। কনফার্ম হয়ে যাওয়া টিকিটের ক্ষেত্রেও যাত্রার দিনক্ষণ পাল্টানো সম্ভব হবে। মঙ্গলবার রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই ঘোষণা করলেন। বর্তমানে, যাত্রার তারিখ পরিবর্তন করতে হলে যাত্রীদের নিশ্চিত (confirmed) টিকিট বাতিল করে নতুন করে টিকিট কাটতে হয়। এর ফলে কেবল অতিরিক্ত খরচই বাড়ে না, বরং নতুন তারিখে টিকিটের প্রাপ্যতা নিয়েও অনিশ্চয়তা থেকে যায়। চলতি নিয়ম অনুযায়ী, ট্রেন ছাড়ার ৪৮ থেকে ১২ ঘণ্টা আগে টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ২৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়। আবার ট্রেন ছাড়ার ১২ থেকে ৪ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে সেই কাটছাঁটের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। ট্রেনের চার্ট তৈরি হয়ে গেলে টিকিট বাতিল করলেও কোনও অর্থ ফেরত মেলে না। মন্ত্রী বৈষ্ণব বলেন, “বর্তমান ব্যবস্থা যাত্রীদের পক্ষে অন্যায্য এবং তাঁদের স্বার্থবিরোধী। তাই যাত্রীদের সুবিধার্থে নতুন নিয়ম কার্যকর করার নির্দেশ ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে।”

    লক্ষ লক্ষ যাত্রীর সুবিধার্থে সিদ্ধান্ত

    টিকিটের দিনক্ষণ পরিবর্তনেই লক্ষ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন বলে আশাবাদী অশ্বিনী। তবে নতুন নিয়মে কিছু সীমাবদ্ধতাও থাকবে। যাত্রার তারিখ বদলানোর পরেও নতুন দিনে আসন পাওয়া যাবে কি না, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করবে সেদিনের আসন-উপলব্ধতার উপর। নতুন যে তারিখ দেওয়া হবে, তাতে আগে থেকে কত বুকিং হয়ে রয়েছে, তার উপরই টিকিট কনফার্ম হওয়া নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি, নতুন টিকিটের দাম যদি বেশি হয়, তাহলে বাড়তি টাকা মেটাতে হবে যাত্রীকে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক প্রকল্পেরও ঘোষণা করেন অশ্বিনী। বিভিন্ন রুটে লাইন বাড়ানোর ঘোষণা করেন তিনি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভারতীয় রেল অনলাইন টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম কার্যকর করেছে। ১ অক্টোবর থেকে ট্রেনের সংরক্ষিত টিকিট কাটতে এখন বাধ্যতামূলক হয়েছে আধার যাচাই (Aadhaar verification)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সংরক্ষণের সময় খোলার প্রথম ১৫ মিনিটে শুধুমাত্র আধার-প্রমাণিত আইআরসিটিসি (IRCTC) অ্যাকাউন্ট থেকেই টিকিট কাটা যাবে। রেল মন্ত্রকের মতে, এই দুই পদক্ষেপ যাত্রীসেবা আরও আধুনিক ও ব্যবহারবান্ধব করে তুলবে এবং টিকিট সংক্রান্ত দুর্নীতি ও জটিলতাও অনেকটা কমাবে।

  • Online Gaming Bill: লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাশ অনলাইন গেমিং বিল

    Online Gaming Bill: লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাশ অনলাইন গেমিং বিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় পাশ হওয়ার পর এবার রাজ্যসভাতেও পাশ হল ‘দ্য প্রোমোশন অ্যান্ড রেগুলেশন অব অনলাইন গেমিং বিল, ২০২৫’। বুধবার এই বিল লোকসভায় পাশ হয়। তার ঠিক পরদিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, এটি রাজ্যসভায় পেশ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বিলটি পেশ (Online Gaming Bill) হতেই বিরোধীরা হৈ হট্টগোল শুরু করে। তবে তাতে আটকানো যায়নি। অবশেষে ধ্বনি ভোটের মাধ্যমেই রাজ্যসভাতেও বিলটি পাশ হয়ে যায়।

    কী বললেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

    বিল পাশের (Online Gaming) পর প্রতিক্রিয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন,
    “এই বিল সমাজে একটি ভারসাম্য তৈরি করবে। ইতিবাচক ও কল্যাণকর গেমিংকে উৎসাহ দেবে, আর যে গেমিং (Online Gaming Bill) যুব সমাজের জন্য ক্ষতিকর, তার থেকে রক্ষা করবে।” নতুন বিল অনুযায়ী, কোন ধরনের গেম উৎসাহিত করা হবে আর কোনটি নিষিদ্ধ— সে বিষয়ে সংসদে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন মন্ত্রী। তিনি জানান, অনলাইন গেমিংকে উৎসাহিত (Online Gaming Bill) করা হলেও, যেসব গেম অর্থের বিনিময়ে খেলা হয় বা জুয়ার সঙ্গে যুক্ত, সেগুলোকে নিষিদ্ধ করা হবে।

    অশ্বিনী বৈষ্ণব অনলাইন গেমিংকে তিন ভাগে ভাগ করেন

    ই-স্পোর্টস

    অনলাইন সোশ্যাল গেমস

    অনলাইন মানি গেমস

    মন্ত্রী জানান, ই-স্পোর্টসকে দেশের অন্যান্য খেলাধুলোর মতোই উৎসাহ দেওয়া হবে। অনলাইন সোশ্যাল গেমসকে (Online Gaming Bill) তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিমনস্কতার অংশ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    তবে নিষিদ্ধ হচ্ছে কোন গেমগুলো?

    মন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, ‘অনলাইন মানি গেমস’, অর্থাৎ যেসব গেমে আর্থিক বিনিয়োগ করতে হয় এবং যার মাধ্যমে মানুষ আসক্ত হয়ে পড়ে ও সর্বস্ব হারায়—এমন গেমগুলোই নিষিদ্ধ হবে। এই গেমগুলোর অ্যালগোরিদম এমনভাবে তৈরি, যা ব্যবহারকারীকে বারবার বিনিয়োগে বাধ্য করে, কিন্তু বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পাওয়ার কোনো বাস্তব সম্ভাবনা থাকে না। এছাড়া এই প্ল্যাটফর্মগুলো থেকেই অর্থপাচার, আর্থিক প্রতারণা এবং এমনকি সন্ত্রাসে অর্থ জোগান দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    গেমিং অ্যাপগুলোর মাধ্যমেই প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় ভারতে

    কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শুধু ফ্যান্টাসি গেমিং অ্যাপগুলোর মাধ্যমেই প্রতি মাসে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয় ভারতে। ফলে এই খাতে গত কয়েক বছরে হঠাৎ করেই অনেক ছোট-বড় সংস্থা গজিয়ে উঠেছে। এখন থেকে এমন অ্যাপ পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া হবে, জানিয়েছেন বৈষ্ণব। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এই বিল আইনে পরিণত হলে, বিল ভঙ্গ করলে ১ কোটি টাকা জরিমানা ও সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল হতে পারে। আর যারা সরাসরি জড়িত না থেকেও এই গেমিং অ্যাপের বিজ্ঞাপন করছেন, তাদের উপর ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করা হবে।

  • Indian Railways: সাড়ে চার কিমি লম্বা, চাকা গড়াল এশিয়ার দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন রুদাস্ত্রের, ভিডিও পোস্ট রেলমন্ত্রীর

    Indian Railways: সাড়ে চার কিমি লম্বা, চাকা গড়াল এশিয়ার দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন রুদাস্ত্রের, ভিডিও পোস্ট রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকা গড়াল এশিয়ার দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন “রুদ্রাস্ত্র”-এর (Rudrastra)। ৪.৫ কিলোমিটার (সাড়ে চার কিলোমিটার) দীর্ঘ এই ট্রেনে রয়েছে ৩৫৪টি বগি এবং ৭টি লোকোমোটিভ ইঞ্জিন, যা এই বিশাল মালবাহী ট্রেনটিকে টেনে নিয়ে চলে। উত্তরপ্রদেশের গঞ্জ খোয়াজা স্টেশন থেকে ঝাড়খণ্ডের গড়ুয়া রোড স্টেশন পর্যন্ত প্রায় ২০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ট্রেনটি সময় নিয়েছে প্রায় ৫ ঘণ্টা, যার গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার। এই দীর্ঘ ট্রেন চালুর (Indian Railways) ফলে রেলের সময় ও পরিবহন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে সাশ্রয় হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ভিডিও পোস্ট করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Indian Railways)

    এই রেকর্ডগড়া ট্রেনের ভিডিও ইতোমধ্যে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ তিনি লেখেন, “রুদ্রাস্ত্র” — ভারতের দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন (Rudrastra)।

    বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেনের রেকর্ড রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার কাছে

    যদিও “রুদ্রাস্ত্র” ভারতের তথা এশিয়ার দীর্ঘতম পণ্যবাহী ট্রেন (Indian Railways), তবে বিশ্ব রেকর্ড এখনও রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার খনিজ কোম্পানি BHP-এর দখলে। সেই ট্রেনটির দৈর্ঘ্য ৭.৩ কিলোমিটার, অর্থাৎ রুদ্রাস্ত্রের থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার বেশি। BHP-র ট্রেনটিতে রয়েছে ৬৮২টি ওয়াগন — যা রুদ্রাস্ত্রের তুলনায় প্রায় ৩২৮টি বেশি।

    রূদ্রাস্ত্র কেন বিশেষ, কী জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা?

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “রুদ্রাস্ত্র (Indian Railways) আমাদের ভবিষ্যতের রেল লজিস্টিকস নীতির রূপরেখা দিচ্ছে। পরিবহন খরচ কমানো, সময় বাঁচানো এবং অধিক পরিমাণ পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক বিকল্প গড়ে তোলার দিকে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।” এই ধরনের দীর্ঘ মালবাহী ট্রেন ভবিষ্যতে ভারতে আরও চালু হলে, সড়ক পরিবহনের উপর চাপ কমবে। একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ পণ্য সহজে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছানো যাবে। ভারতীয় রেলওয়ে “রুদ্রাস্ত্র” প্রকল্পকে শুধুমাত্র একটি ট্রেন পরিচালনার ঘটনা হিসেবে দেখছে না, বরং একে দেশের রেল পরিবহন ব্যবস্থায় যুগান্তকারী উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করছে।

  • Ashwini Vaishnaw: সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে ধসের আতঙ্ক, তাই কি পার্ক সার্কাস উচ্ছেদ অভিযানে রেলকে অসহযোগিতা রাজ্যের?

    Ashwini Vaishnaw: সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে ধসের আতঙ্ক, তাই কি পার্ক সার্কাস উচ্ছেদ অভিযানে রেলকে অসহযোগিতা রাজ্যের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে ধস নামলে খোয়াতে হতে পারে গদি। তাই কি কলকাতার পার্ক সার্কাস রেলওয়ে স্টেশন থেকে দখলদারদের হঠাতে (Eviction Drive) একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও, রেলকে সাহায্য করেনি তৃণমূল পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার? আপাতত এই প্রশ্নটাই ঘোরাফেরা করছে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের (Ashwini Vaishnaw) একটি দাবির পর। ভনিতা ছেড়ে ফেরা যাক খবরে।

    রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ (Ashwini Vaishnaw)

    পার্ক সার্কাস এলাকাটি মুসলিম অধ্যুষিত। এই এলাকায় রেললাইন দখল করেও দিব্যিই ব্যবসা করে চলেছেন কিছু মানুষ। তার ফলে নিত্য বিস্তর অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় রেলযাত্রীদের। সেই কারণেই রেলস্টেশনের ধার থেকে দখলদারদের উচ্ছেদ করতে বারংবার অভিযান চালিয়েছেন রেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রাজ্য সরকার তাতে সহযোগিতা না করায় উচ্ছেদ অভিযান সফল হয়নি বলে জানালেন রেলমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, রাজ্যসভার সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রেলমন্ত্রকের কাছে প্রশ্ন করেছিলেন, পার্ক সার্কাস স্টেশনকে দখলদার মুক্ত করতে কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে রাজ্যসভায় এক লিখিত উত্তরে অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কথা। লিখিত উত্তরে রেলমন্ত্রী বলেন, “দখলদারদের উচ্ছেদ করতে পার্ক সার্কাস রেলস্টেশনে সময়ে সময়ে উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় রেল। কিন্তু রাজ্য সরকার এই কাজে সাহায্য করেনি। তাই অভিযান সফল হয়নি।”

    কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    ট্রেনে যাত্রীদের সুরক্ষা প্রসঙ্গে রেলমন্ত্রী বলেন, “যাত্রীদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগে ভারতীয় রেল সব সময় সাড়া দেয়। স্টেশনগুলিতে রেলের নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মী থাকেন। সিসিটিভির নজরদারির ব্যবস্থা রয়েছে। তবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে সময়, স্থান ও কী ধরনের হুমকি রয়েছে, তা দেখেশুনে সুরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।” তিনি (Ashwini Vaishnaw) জানান, আরপিএফ মোতায়েনের বিষয়টি নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়। সরকারের রেল পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলা হয়। অপরাধ দমনে যথাযথ পদক্ষেপ করে রেল। স্টেশন চত্বরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সম্পর্কে রেলমন্ত্রী জানান, এটা নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া। স্টেশন চত্বরে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ বজায় রাখতে রেলমন্ত্রক একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে পরিষ্কার করা হচ্ছে, বর্জ্য পদার্থ ফেলার আলাদা আলাদা ডাস্টবিন রাখা হয়েছে, জল নিকাশি ব্যবস্থা আরও উন্নত হয়েছে এবং ঘন ঘন স্টেশন পরিষ্কার (Eviction Drive) রাখার কাজ চলছে। পে অ্যান্ড ইউজ প্রকল্পের মাধ্যমে শৌচালয়গুলিকে পরিচ্ছন্ন রাখার কাজও হচ্ছে (Ashwini Vaishnaw) নিয়মিত।

  • Caste Census: দেশজুড়ে জাতিভিত্তিক গণনার ঘোষণা নরেন্দ্র মোদি সরকারের

    Caste Census: দেশজুড়ে জাতিভিত্তিক গণনার ঘোষণা নরেন্দ্র মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার দেশজুড়ে জাতিভিত্তিক গণনার (Caste Census) ঘোষণা করল নরেন্দ্র মোদির সরকার। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এ নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানাও করেন (Population Survey) তিনি। অশ্বিনী সাফ জানিয়ে দেন, আলাদা করে দেশে জাতি শুমারির প্রয়োজন নেই। জনগণনার সঙ্গেই হবে জাতিভিত্তিক গণনা।

    আদমশুমারি (Caste Census)

    প্রতি ১০ বছর অন্তর হয় আদমশুমারি। শেষবার জনগণনা হয়েছিল ২০১১ সালে। করোনা অতিমারির কারণে জনগণনা হয়নি ২০২১ সালে। তার জেরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় মোদি সরকারকে। বুধবার, এপ্রিল মাসের একেবারে শেষ দিনে সরাসরি জাতিশুমারির কথা ঘোষণা করে দিল কেন্দ্র।

    জাতিভিত্তিক জনশুমারি

    বিহারে ইতিমধ্যেই জাতিভিত্তিক জনশুমারি হয়েছে। এদিন জাতিভিত্তিক জনশুমারি ঘোষণা করার সময় কংগ্রেস ও ইন্ডি জোটে থাকা অন্যান্য দলকেও নিশানা করেন তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী। তিনি বলেন, “কংগ্রেস বরাবর জাতিভিত্তিক জনশুমারির বিরোধিতা করেছে। ২০১০ সালে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেছিলেন যে, ক্যাবিনেটের উচিত জাতিভিত্তিক জনশুমারি নিয়ে বিবেচনা করা। মন্ত্রীদের নিয়ে কমিটিও গঠন করা হয়। অধিকাংশ রাজনৈতিক দলই জাতিভিত্তিক জনশুমারির সুপারিশ করেছিল। তার পরেও কংগ্রেস সরকার জাতিভিত্তিক (Caste Census) সমীক্ষা করেছিল।” অশ্বিনী বলেন, “কংগ্রেস ও ইন্ডি জোটের সদস্যরা জাতিভিত্তিক জনশুমারিকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছে। কিছু রাজ্য এই সমীক্ষা করেছে শুধুমাত্র কোনও জনজাতির সংখ্যা জানতে। কিছু রাজ্য ভালো কাজ করেছে, কেউ আবার রাজনৈতিক স্বার্থে করেছে।”

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে বিহারে নীতীশ কুমারের সরকার জাতিভিত্তিক জনশুমারি করেছিল। তবে তখন বিহারে জেডিইউ, আরজেডি এবং কংগ্রেসের জোট সরকার ছিল। ওই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, রাজ্যের ৩৬ শতাংশ জনগণ প্রান্তিক শ্রেণির, ২৭.১ শতাংশ মানুষ অনগ্রসর শ্রেণির, ১৯.৭ শতাংশ মানুষ জনজাতি সম্প্রদায়ের এবং উপজাতির নাগরিক ১.৭ শতাংশ।

    চলতি বছরেই রয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচন। এই বিহারই প্রথম জাতিভিত্তিক জনশুমারি করেছিল (Population Survey)। বিহার বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাই কেন্দ্রের এই ঘোষণা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ (Caste Census)।

  • Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রীদের স্বচ্ছ ও মানসম্মত পরিষেবা অনেক ক্ষেত্রেই বহু ক্ষেত্রে প্রশংসিত। আবার কিছুক্ষেত্রে যাত্রীরা সমালোচনাও করেন। রেলের খাবার এবং তার নির্দিষ্ট দাম থাকে না বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। তবে এবার থেকে আর তেমনটা হবে। উদ্যোগ নিল রেল। ট্রেনে পরিবেশিত খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়ছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Railway Minister)। লোকসভায় দেওয়া এক লিখিত উত্তরে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, যাত্রীদের সুবিধার্থে আইআরসিটিসি ওয়েবসাইট ও এসএমএস-এর মাধ্যমে মেনু ও মূল্য তালিকা জানানো হচ্ছে। এছাড়াও, ট্রেনের ওয়েটারদের কাছে প্রিন্টেড মেনু কার্ড থাকবে। যাত্রীরা চাইলে তা দেখতে পারবেন। ট্রেনের প্যান্ট্রি কারেও এই মূল্য তালিকা দেখানো থাকবে।

    খাবারের মান হবে উন্নত (Railway Minister)

    পাশাপাশি, খাবারের মান নিশ্চিত করতেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রেলমন্ত্রী (Railway Minister) বলেন, ‘‘নির্ধারিত বেস কিচেন থেকে খাবার সরবরাহ করা, আধুনিক বেস কিচেন চালু করা ও রান্নার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।’’ খাবারের মানোন্নয়নে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের কাঁচামাল ব্যবহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যেমন- নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের তেল, চাল, আটা, ডাল, মশলা, দুধ ও পনির ইত্যাদি। এ ছাড়াও, প্রতিটি বেস কিচেনে খাদ্য নিরাপত্তা তদারকি করতে ফুড সেফটি সুপারভাইজারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। যাঁরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি পর্যবেক্ষণ করবেন।

    বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলো নিয়মিত পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে

    রেলমন্ত্রী (Railway Minister) আরও জানিয়েছেন, ট্রেনে আইআরসিটিসি সুপারভাইজাররা দায়িত্ব পালন করবেন। খাবারের প্যাকেটে দেওয়া হবে কিউআর কোড। এটা স্ক্যান করে যাত্রীরা জানতে পারবেন খাবার কোথায় প্রস্তুত হয়েছে ও কখন প্যাকেজিং করা হয়েছে। খাবারের গুণগত মান বজায় রাখতেও নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলোতে নিয়মিত গভীর পরিচ্ছন্নতা ও কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে প্রতিটি ক্যাটারিং ইউনিটের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (FSSAI) সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভালো মানের খাবার নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে সমীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে যাত্রীদের মতামতও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

  • Hyperloop Test Track: ৩০ মিনিটেই বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই! প্রস্তুত ভারতের প্রথম হাইপারলুপ টেস্ট ট্র্যাক

    Hyperloop Test Track: ৩০ মিনিটেই বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই! প্রস্তুত ভারতের প্রথম হাইপারলুপ টেস্ট ট্র্যাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষা আর মাত্র কয়েকদিনের। ৩০০ থেকে ৩৫০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করা সম্ভব হবে মাত্র ৩০ মিনিটে! দিল্লি থেকে জয়পুর বা বেঙ্গালুরু থেকে চেন্নাই পৌঁছতে লাগবে মাত্র আধ ঘণ্টা। ভারতের প্রথম ‘হাইপারলুপ টেস্ট ট্র্যাক’ (Hyperloop Test Track) পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য পুরোপুরি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ভারতীয় রেলের (Indian Railways) সহায়তায় এই ট্র্যাক বানিয়েছে আইআইটি মাদ্রাজ (IIT Madras)।

    দ্রুত হাইপারলুপ তৈরির চেষ্টা

    রেলমন্ত্রক সূত্রে খবর, যে ট্র্যাক তৈরি করা হয়েছে তা ৪২২ মিটার লম্বা। এই ট্র্যাক দিয়ে গেলে কমপক্ষে ৩৫০ কিলোমিটার পথ ৩০ মিনিট বা তার কমে অতিক্রম করা সম্ভব। এই ট্রেনের গতি হবে ঘণ্টায় ১ হাজার ১০০ কিলোমিটার, যা বুলেট ট্রেনের থেকেও বেশি। সেই প্রেক্ষিতে বলা যায়, হাইপারলুপ দিয়ে দিল্লি থেকে জয়পুর (দুরত্ব মোটামুটি ৩০০ কিলোমিটার) যেতে মাত্র আধ ঘণ্টা সময় লাগবে। ইতিমধ্যে এই প্রজেক্টের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে দু-দফায় ১ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে আইআইটি মাদ্রাজকে। আরও এক দফায় এই টাকা দিতে ইচ্ছুক ভারতীয় রেল মন্ত্রক। আসলে খুব দ্রুত এই হাইপারলুপ প্রজেক্ট বাস্তবায়িত করতে চাইছে তাঁরা।

    হাইপারলুপ ট্রেন কী

    হাইপারলুপ ট্রেন হল যাত্রী এবং মাল বহনের জন্য উচ্চগতির পরিবহন ব্যবস্থা। একটি হাইপারলুপ ট্রেন একটি ভ্যাকুয়াম ক্যাপসুল টিউবের মধ্যে দিয়ে চৌম্বক প্রযুক্তির সাহায্যে একটি পডের উপর চলে। টিউব ঘর্ষণহীন হওয়ায় ট্রেনের গতিবেগ সর্বোচ্চ ১২০০ কিমিতে পৌঁছতে সক্ষম। যদিও জানা গিয়েছে যে, ভারতীয় রেলের হাইপারলুপ ব্যবস্থার সর্বোচ্চ গতি হতে পারে প্রতি ঘন্টায় ৬০০ কিমি। এই ট্রেনের ক্ষেত্রে টিউবের মধ্যে কোনও বাতাস থাকে না। ফলে ট্রেনটির সামনের দিকে এগোতে বায়ুমণ্ডলের কোনও বাধা থাকে না। তাই অতি দ্রুত ট্রেন এগিয়ে যেতে পারে। তাই একে বলে হাইপারলুপ ট্রেন। সাধারণ ট্রেনের মতো হাইপারলুপ ট্রেনের একাধিক কামরা নেই, মাত্র একটি কামরা থাকে। মূলত বিদ্যুতেই চলে এই অত্য়াধুনিক অতিগতিসম্পন্ন এই ট্রেন।

  • Budget 2025: নজরে চিন! বাজেটে উত্তর-পূর্বের রেল প্রকল্পে বরাদ্দ ১০,৪৪০ কোটি টাকা

    Budget 2025: নজরে চিন! বাজেটে উত্তর-পূর্বের রেল প্রকল্পে বরাদ্দ ১০,৪৪০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছরের রেল বাজেটে (Budget 2025) উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১০,৪৪০ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিপুল বরাদ্দ দেখেই বোঝা যায় যে ঠিক কতটা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উত্তর-পূর্ব ভারতকে। প্রসঙ্গত, উত্তর-পূর্ব ভারতে চিন, বাংলাদেশ সহ একাধিক দেশের সঙ্গে সীমানা রয়েছে ভারতের। তাই কূটনৈতিক দিক থেকেও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে যোগাযোগ বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। বিশেষত চিন সীমান্তে (Budget 2025) যোগাযোগ বাড়ানো বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক আবহে অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    রেলমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠক (Budget 2025)

    প্রসঙ্গত, রেলমন্ত্রী (Budget 2025) অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন যে, রেল বাজেটে জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকা। রেলমন্ত্রীর সাংবাদিক সম্মেলন উঠে আছে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রসঙ্গ। তখনই রেলমন্ত্রী জানান যে, ভৌগোলিক দিক থেকে দুর্গম অঞ্চল হল উত্তর-পূর্ব ভারত। এই সমস্ত জায়গাগুলিতে প্রকল্প যত দ্রুত সম্ভব ততই আমরা শেষ করার প্রয়াস রেখেছি। অসম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য রাজ্যে ২০১৪ সালের পর থেকে ১,৮২৪ কিলোমিটার রেলপথ (Railway Project) সম্প্রসারণ হয়েছে বলেও জানান রেলমন্ত্রী। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, উত্তর-পূর্ব ভারতে যতটা রেলপথ তাঁরা পেতেছেন সেটি শ্রীলঙ্কার মোট রেল নেটওয়ার্কের থেকে অনেকটাই বেশি। একই সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতে ২০১৪ সালের পর থেকে ৪৭৮টি নতুন ফ্লাইওভার এবং আন্ডারপাস নির্মিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। এর পাশাপাশি, ১,১৮৯ কিলোমিটার রেলপথে কবচ লাগানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রসঙ্গত রেলমন্ত্রীর সঙ্গে এই সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন উত্তর-পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার চেতন কুমার শ্রীবাস্তব এবং উত্তর-পূর্ব রেলপথের (নির্মাণ) জেনারেল ম্যানেজার অরুণ কুমার চৌধুরী। এই সাংবাদিক সম্মেলনে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই দেশে আসছে আরও ২০০টি নতুন বন্দে ভারত ট্রেন, ১০০টি অমৃত ভারত ট্রেন এবং ৫০টি নমোভারত ট্রেন।

    মোদি জমানায় বরাদ্দ বেড়েছে পাঁচগুণ

    ওই সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির থাকা দুইজন জেনারেল ম্যানেজার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জানান যে, উত্তর-পূর্ব ভারতে ৯২টি স্টেশনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলিকে অমৃত ভারত স্টেশনে (Budget 2025) রূপান্তরিত করা হবে। একই সঙ্গে তাঁরা জানিয়েছেন যে, মিজোরামে একাধিক রেলওয়ে প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষের দিকে। চলতি বছরের জুলাই মাসে সেগুলি সম্পূর্ণ হয়ে যাবে। জানা গিয়েছে ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইউপিএ জমানায় উত্তর-পূর্ব ভারতে রেলের উন্নয়নের (Budget 2025) জন্য বরাদ্দ করা হত ২,১০০ কোটি টাকা। কিন্তু মোদি জমানায় ২০২৫-২৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০,৪৪০ কোটি টাকা অর্থাৎ উত্তর-পূর্বের জন্য রেল বাজেট পাঁচ গুণ বেড়েছে।

LinkedIn
Share