Tag: Ashwini vaishnaw

Ashwini vaishnaw

  • Diwali: দীপাবলির আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী-পেনশনভোগীদের সুখবর, ডিএ বাড়ল ৩ শতাংশ

    Diwali: দীপাবলির আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী-পেনশনভোগীদের সুখবর, ডিএ বাড়ল ৩ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির (Diwali) আগে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের সুখবর দিল কেন্দ্রীয় সরকার। ডিএ এবং ডিআর (মহার্ঘ ত্রাণ) ৩ শতাংশ বাড়ানোর (DA Hike) সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এর ফলে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা মূল বেতনের ৬০ শতাংশ থেকে বেড়ে হবে ৬৩ শতাংশ। একইভাবে, পেনশনভোগীদের মহার্ঘ ত্রাণও ৩ শতাংশ বাড়বে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে এই বর্ধিত ভাতা কার্যকর হবে।

    উপকৃত হলেন যাঁরা (Diwali)

    তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা দীপাবলির আগে সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের জন্য এই ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ৪৮.৫৪ লাখ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী এবং ৬৮.৭১ লাখ পেনশনভোগী উপকৃত হবেন। ভাতা বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রীয় কোষাগারের উপর বছরে আনুমানিক ১০,০১৬ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা পড়বে।

    সপ্তম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ

    সরকারি সূত্রে খবর, সপ্তম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে গৃহীত নির্ধারিত সূত্র মেনেই এই ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির কারণে জীবনযাত্রার খরচ বেড়ে যাওয়ার প্রভাব সামাল দিতে সরকারি কর্মীদের মূল বেতনের নির্দিষ্ট শতাংশ হিসেবে মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের পেনশনের সঙ্গে যে অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হয়, তা মহার্ঘ ত্রাণ নামে পরিচিত। মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে কর্মী ও পেনশনভোগীদের কিছুটা স্বস্তি দেওয়াই এই দুই ভাতার মূল উদ্দেশ্য (Diwali)।

    উল্লেখ্য, প্রকাশিত তথ্যে আগের ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে ষষ্ঠ কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ মূল বেতন বা পেনশনের ২৬২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৬৯ শতাংশ করা হয়েছিল, অর্থাৎ বৃদ্ধি হয়েছিল ৭ শতাংশ (DA Hike)। তবে এই তথ্যের সঙ্গে বর্তমান ঘোষণার সময়কাল ও হার সংক্রান্ত অসংগতি রয়েছে। ফলে আগের বৃদ্ধির তথ্যটি সরকারি বিজ্ঞপ্তি থেকে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন (Diwali)।

     

  • Siliguri Corridor: মাটির নিচে রেল, বাঙ্কার, নতুন হাইওয়ে: শিলিগুড়ি করিডরকে দুর্ভেদ্য করতে ভারতের সাত স্তরের মাস্টারপ্ল্যান

    Siliguri Corridor: মাটির নিচে রেল, বাঙ্কার, নতুন হাইওয়ে: শিলিগুড়ি করিডরকে দুর্ভেদ্য করতে ভারতের সাত স্তরের মাস্টারপ্ল্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একমাত্র স্থলপথের যোগসূত্র শিলিগুড়ি করিডর। এই সংকীর্ণ পথটিকে আরও মজবুত করতে বহুস্তরীয় কৌশলগত পরিকাঠামো গড়ে তুলছে কেন্দ্র। বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান ভারত-বিরোধী মনোভাব ও নিরাপত্তা অস্থিরতা এবং চিনের আগ্রাসী সামরিক তৎপরতার মধ্যে এই উদ্যোগ বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। ভূগর্ভস্থ সামরিক পরিকাঠামো, অতিরিক্ত রেললাইন, বিকল্প হাইওয়ে, সীমান্ত সড়ক ও নতুন সেনা স্থাপনা— সব মিলিয়ে ‘চিকেন নেক’ বলে পরিচিত শিলিগুড়ি করিডরকে ‘‘ফর্টেস’’ বা দুর্গে পরিণত করার পরিকল্পনা করছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। মূল লক্ষ্য একটাই: কোনও একটি রুট বন্ধ হয়ে গেলেও যেন উত্তর-পূর্বের সঙ্গে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ অচল না হয়।

    কেন এত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডর?

    • ● সবচেয়ে সংকীর্ণ জায়গায় করিডরের প্রস্থ মাত্র ২২ কিলোমিটার
    • ● নেপাল, বাংলাদেশ ও ভুটান সীমান্তের খুব কাছে, পাশেই চিনের চুম্বি উপত্যকা
    • ● রেললাইন, হাইওয়ে, সামরিক ঘাঁটি ও লজিস্টিক রুট ঘনীভূত থাকায় একটি রুটে বিঘ্ন ঘটলেই বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে

    তাই এখন একটি রাস্তা, রেলপথ বা স্থাপনার ওপর নির্ভর না করে একাধিক সমান্তরাল রুট ও সুরক্ষিত স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে। এর ফলেই তৈরি হচ্ছে সাত স্তরের নিরাপত্তা কাঠামো।

    সাত স্তরের নিরাপত্তা কাঠামো

    ১. ভূগর্ভে গোলাবারুদ ও সামরিক সম্পদের সুরক্ষা

    বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৯৭ কোটি টাকার সেনা পরিকাঠামো প্যাকেজে রয়েছে:

    • ● ১২টি ভূগর্ভস্থ আর্মি ও এয়ার ডিফেন্স গোলাবারুদ মজুত কেন্দ্র
    • ● ১টি ভূগর্ভস্থ লং রেঞ্জ গোলাবারুদ মজুত কেন্দ্র
    • ● ২১টি ওভারগ্রাউন্ড লং রেঞ্জ ভূপৃষ্ঠস্থ ফায়ারিং পজিশন
    • ● ১২টি বোমা আশ্রয়কেন্দ্র (বাঙ্কার)
    • ● দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ স্পেস

    করিডরে জায়গা কম বলে মাটির নিচের স্থাপনা একইসঙ্গে সুরক্ষিত ও জায়গা-সাশ্রয়ী।

    ২. সুরক্ষিত কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল নেটওয়ার্ক

    সংকটকালেও সামরিক সিদ্ধান্ত ও যোগাযোগ যাতে বজায় থাকে, সেটাই এই স্তরের উদ্দেশ্য। এর জন্য তৈরি হয়েছে বা হচ্ছে:

    • ● ৫টি ভূগর্ভস্থ কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল সেন্টার
    • ● ৬টি ভূগর্ভস্থ কমিউনিকেশন সেন্টার
    • ● আরও কয়েকটি ভূগর্ভস্থ লং রেঞ্জ গোলাবারুদ মজুত কেন্দ্র

    আকাশপথে হামলা, ড্রোন বা ইলেকট্রনিক যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতেও অপারেশনাল ধারাবাহিকতা রক্ষাই লক্ষ্য।

    ৩. ছ’লেনের রেলপথ: করিডরের নিচে ‘দ্বিতীয় লাইফলাইন’

    এই পরিকল্পনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভূগর্ভস্থ রেলপথ।

    • ● ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, এই কৌশলগত করিডরের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা চলছে, যাতে থাকছে ভূগর্ভস্থ ট্র্যাক ও বিদ্যমান রেল পরিকাঠামোর সম্প্রসারণ
    • ● রুট: টিন মাইল হাট (দুমদুমি) থেকে রাঙ্গাপানি হয়ে বাগডোগরা
    • ● ট্র্যাক থাকবে মাটির ২০ থেকে ২৪ মিটার নিচে
    • ● প্রকল্পটি ‘স্পেশাল রেলওয়ে প্রজেক্ট’ হিসেবে বিজ্ঞপ্তিভুক্ত। ২০২৬ সালের জুলাইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে দুমদুমি (টিন মাইল হাট)–রাঙ্গাপানি–বাগডোগরা অংশের দৈর্ঘ্য ৩৫.৭৬ কিলোমিটার
    • ● বর্তমান ডাবল লাইনকে চার লাইনে উন্নীত করার পাশাপাশি যোগ হবে দুটি ভূগর্ভস্থ লাইন, অর্থাৎ মোট ছ’টি লাইন (চারটি ওপরে, দুটি নিচে)

    ওপরের কোনও অংশ জটিলতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা নিরাপত্তাজনিত কারণে বিঘ্নিত হলে সুরক্ষিত বিকল্প রেলপথ কাজে লাগবে। এতে সামরিক রসদ চলাচলও নির্বিঘ্ন থাকবে।

    ৪. হাইওয়ের জাল: এক রুটের ওপর নির্ভরতা কমানো

    • ● প্রস্তাবিত গোরক্ষপুর–শিলিগুড়ি এক্সপ্রেসওয়ের বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (DPR) তৈরির কাজ চলছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে সংসদে এ কথা জানায় কেন্দ্র
    • ● শিলিগুড়ির সঙ্গে গুয়াহাটি ও শিলং সংযোগকারী বড় হাইওয়ে উদ্যোগেরও ঘোষণা হয়েছে

    একাধিক হাইওয়ে ও সেতু থাকলে সাধারণ ট্রাফিক, লজিস্টিক্স, জরুরি চলাচল ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহণ ভাগ হয়ে যেতে পারবে।

    ৫. সিকিমমুখী এনএইচ-১০ ও পার্শ্ববর্তী সংযোগ সড়ক

    • ● সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত এনএইচ-১০ উন্নয়নের পরিকল্পনা
    • ● প্রধান হাইওয়েগুলির মধ্যে অতিরিক্ত সংযোগ সড়ক, যাতে সিকিম সেক্টরে যাওয়ার বিকল্প পথ মেলে

    শিলিগুড়ি শুধু উত্তর-পূর্বের প্রবেশদ্বার নয়, উত্তর ও উত্তর-পূর্ব সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক কেন্দ্রও। ভারী যান চলার মতো বিকল্প রাস্তা তাই সামরিক সরঞ্জাম ও রসদ পাঠানোয় বাড়তি নমনীয়তা দেবে।

    ৬. সীমান্ত সড়কে নিরাপত্তার জাল

    • ● ইন্দো-নেপাল বর্ডার রোড কর্মসূচির আওতায় ফতেপুর–গালগালিয়া সড়ক (৭৯.৫ কিলোমিটার)
    • ● ইন্দো-নেপাল সীমান্তে আরও সড়কের প্রস্তাব, যা টহলদারি ও সংযোগ বাড়াবে
    • ● ভুটান সীমান্ত বরাবর সংযোগ উন্নয়নেরও পরিকল্পনা

    দুর্গম সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত পৌঁছতে পারবে, সীমান্ত-পারের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে প্রতিক্রিয়াও দ্রুততর হবে।

    ৭. ভারত-ভুটান-চিন ত্রিসংযোগস্থল ঘিরে কৌশলগত সংযোগ

    সিকিম ও ভুটান সীমান্তের সংবেদনশীল পথে দ্রুত পৌঁছনো ও সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা বাড়াতে অতিরিক্ত সামরিক স্থাপনার পরিকল্পনা রয়েছে। শিলিগুড়ি করিডর সিকিম-ভুটান-চিন ত্রিসংযোগের কাছেই, আর চুম্বি উপত্যকা ভারত ও ভুটান সীমান্তের নিকটে। তাই শিলিগুড়ির সুরক্ষাকে বিচ্ছিন্ন পরিকাঠামো প্রকল্প হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, সিকিম, ভুটান ও পূর্ব হিমালয় অঞ্চলের নিরাপত্তা সমীকরণ একই সূত্রে বাঁধা।

    কেন এই ‘রেজিলিয়েন্স’ কৌশল?

    এই পরিকল্পনার মূল ভাবনা একটি বিশাল দুর্গ গড়া নয়, বরং এমন ব্যবস্থা তৈরি করা যেখানে কোনও একটি রাস্তা, রেললাইন, সেতু বা সামরিক স্থাপনা দুর্বলতম বিন্দু হয়ে উঠবে না।

    • ● একটি হাইওয়ে বন্ধ হলে অন্য রুট দিয়ে যান চলবে
    • ● ওপরের রেলপথ বিঘ্নিত হলে ভূগর্ভস্থ লাইন বিকল্প হবে
    • ● ভূপৃষ্ঠের সামরিক স্থাপনা হুমকির মুখে পড়লেও ভূগর্ভস্থ কমান্ড, যোগাযোগ ও গোলাবারুদ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ কাজ চালিয়ে যাবে

    সব মিলিয়ে বার্তা স্পষ্ট: একাধিক স্তরের সুরক্ষা ও একাধিক পথ থাকলে চোকপয়েন্টকে ‘চোক’ করা অনেক কঠিন।

  • High Speed Rail Projects: দেশে হাই-স্পিড রেল নেটওয়ার্কে বড় পদক্ষেপ, অনুমোদন পেল ৭টি নয়া বুলেট ট্রেন করিডর

    High Speed Rail Projects: দেশে হাই-স্পিড রেল নেটওয়ার্কে বড় পদক্ষেপ, অনুমোদন পেল ৭টি নয়া বুলেট ট্রেন করিডর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিক এবং দ্রুততর করতে আরও এক বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রকে সংযুক্ত করতে সাতটি নয়া বুলেট ট্রেন (Bullet Train Corridors) বা হাই-স্পিড রেল করিডরের (High Speed Rail Projects) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে একাধিক শহরের মধ্যে যাতায়াতের সময় কমে যাবে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে।

    অনুমোদন পাওয়া হাই-স্পিড রেল করিডর (High Speed Rail Projects)

    কেন্দ্রের অনুমোদন পাওয়া হাই-স্পিড রেল করিডরগুলির মধ্যে রয়েছে— মুম্বই–আমদাবাদ (যাত্রার সময় হবে মাত্র ১ ঘণ্টা ৫৭ মিনিট), মুম্বই–পুনে (মাত্র ৪৮ মিনিটে পৌঁছানো যাবে), বেঙ্গালুরু–চেন্নাই (সময় লাগবে ৭৩ মিনিট), বেঙ্গালুরু–হায়দরাবাদ (২ ঘণ্টা ১০ মিনিট), পুনে–হায়দরাবাদ (২ ঘণ্টা ৮ মিনিট), দিল্লি–লখনউ (মাত্র ২ ঘণ্টা), দিল্লি–বারাণসী (৩ ঘণ্টা ১৫ মিনিট), দিল্লি–শিলিগুড়ি (প্রায় ৬ ঘণ্টা)।রেলমন্ত্রকের মতে, এই করিডরগুলি চালু হলে সড়ক ও বিমান পরিবহণের ওপর চাপ কমে যাবে, খুলে যাবে দ্রুত, নিরাপদ এবং পরিবেশবান্ধব যাতায়াতের নয়া দিগন্ত। এদিকে, বিহারের ছাপরা জংশন থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনাল পর্যন্ত একটি নতুন সাপ্তাহিক ট্রেন পরিষেবার উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। ওই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আরও দুটি নতুন ট্রেন পরিষেবারও সূচনা করা হয়, যা মৌল থেকে দিল্লি এবং জহিরঘাট থেকে বারাণসীর মধ্যে চলবে।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অশ্বিনী জানান, আগামী সাত-আট বছরের মধ্যে বিহার প্রায় ২০০টিরও বেশি নতুন ট্রেন পেতে চলেছে। রাজ্যে বর্তমানে ১.১৫ লাখ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের রেল প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। তাঁর দাবি, বিহারে রেল পরিকাঠামোর উন্নয়ন অভূতপূর্ব গতিতে এগোচ্ছে। রেলমন্ত্রী এও জানান, দিল্লি–বারাণসী–পাটনা বুলেট ট্রেন করিডর ইতিমধ্যেই অনুমোদন পেয়ে গিয়েছে। এই হাই-স্পিড রেল প্রকল্প চালু হলে দিল্লি থেকে পাটনা পৌঁছতে সময় লাগবে মাত্র ৪ ঘণ্টা ৪১ মিনিট। তিনি জানান, ভবিষ্যতে এই করিডরকে উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ শহর শিলিগুড়ি পর্যন্ত সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এর (Bullet Train Corridors) ফলে উত্তর ভারতের সঙ্গে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসতে পারে (High Speed Rail Projects)।

    প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প

    উল্লেখ্য, ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প হিসেবে মুম্বই–আমদাবাদ হাই-স্পিড রেল করিডর ২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়। যদিও এই প্রকল্প নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল তারও আগে (High Speed Rail Projects)। প্রায় ৫০৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এই করিডরটি জাপানের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। এখানে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম সফল হাই-স্পিড রেল প্রযুক্তি শিনকানসেন (Shinkansen)। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে ভারত বিশ্বের সেই সব দেশের তালিকায় ঢুকে পড়বে, যেখানে চালু রয়েছে অত্যাধুনিক বুলেট ট্রেন পরিষেবা। বিশেষজ্ঞদের মতে, নয়া অনুমোদিত করিডরগুলি বাস্তবায়িত হলে দেশের শিল্প, বাণিজ্য, পর্যটন এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে (Bullet Train Corridors)। ভারতের পরিবহণ ব্যবস্থায় সূচনা হবে এক নতুন যুগের (High Speed Rail Projects)।

     

  • Suvendu Adhikari: সিএএ মামলার পুরনো ফাইল খুলে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর, কীভাবে আদায় করা হবে ক্ষতিপূরণ, জানেন?

    Suvendu Adhikari: সিএএ মামলার পুরনো ফাইল খুলে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর, কীভাবে আদায় করা হবে ক্ষতিপূরণ, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালে সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের (CAA Protest Investigation) সময় ভাঙচুর করা হয়েছিল রেলের সম্পত্তি, আগুন লাগানো হয়েছিল ট্রেনে। ঘটনায় ফের তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে পুরনো মামলার ফাইল আবার খোলার নির্দেশ দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেতৃত্বাধীন রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

    রেলমন্ত্রীর কাছে পদক্ষেপ করার অনুরোধ (Suvendu Adhikari)

    সূত্রের খবর, নবান্নে রেলের বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে বৈঠকের সময় রেলমন্ত্রীর কাছে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছেন শুভেন্দু। ২০১৯ সালে মুর্শিদাবাদ-সহ বিভিন্ন এলাকায় সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময় ট্রেনে ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর ঘটনায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল রেলের। দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাহত হয়েছিল রেল পরিষেবা। বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল এবং ঘুরপথে চালিয়ে সামাল দেওয়া হয়েছিল পরিস্থিতি। জানা গিয়েছে, ভবানীপুরে আরপিএফের একটি বিশেষ অফিস গড়ে তোলার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বসেই পুরনো নথি খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার কাজ চলবে। তদন্তে প্রয়োজনীয় সমস্ত সহযোগিতা দেওয়ার জন্য রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর ও পুলিশের শীর্ষ কর্তাদেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

    ক্ষতিপূরণ আদায়

    আইন অনুযায়ী, রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা বা ভাঙচুর করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এই ধরনের অপরাধে জরিমানা ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে। তদন্তে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari) নির্দেশ, ক্ষতিগ্রস্ত রেল সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ অভিযুক্তদের কাছ থেকেই আদায় করতে হবে। কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে, আইন অনুযায়ী তার সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আদায় করতে হবে (CAA Protest Investigation)। উল্লেখ্য, এই বিষয়ে সরকারি তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি আদালতে। তাই নেওয়া হয়নি ব্যবস্থাও। এবার সেই ফাইল ফের খুলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কোমর কষে নেমেছে রাজ্যের পালাবদলের সরকার (Suvendu Adhikari)।

     

  • Delhi-Siliguri Bullet Train: দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি মাত্র ৬ ঘণ্টা! বাংলার জন্য বুলেট ট্রেনের বড় পরিকল্পনা জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

    Delhi-Siliguri Bullet Train: দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি মাত্র ৬ ঘণ্টা! বাংলার জন্য বুলেট ট্রেনের বড় পরিকল্পনা জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে নতুন বিজেপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম রাজ্য সফরে এসে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। শনিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠকে রেলমন্ত্রী দাবি করেন, দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও রাজনৈতিক সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে এবার কেন্দ্র ও রাজ্য একসঙ্গে কাজ করবে, যার ফলে পশ্চিমবঙ্গের রেল ও পরিকাঠামো উন্নয়নে নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। রেলমন্ত্রী বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বাংলায় নতুন ইতিহাস রচিত হয়েছে। বাংলাকে এবং দেশকে বাঁচানোর জন্য পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে ধন্যবাদ। এখন ডাবল ইঞ্জিন সরকারের ফলে উন্নয়নের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।”

    কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের বার্তা

    নবান্নের বৈঠকে মূলত রেল প্রকল্প, মেট্রো সম্প্রসারণ, ফ্রেট করিডর, রেল নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, কেন্দ্রীয় সরকার এখন পশ্চিমবঙ্গকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। তিনি দাবি করেন, অতীতে রাজনৈতিক কারণে বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প আটকে রাখা হয়েছিল। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই বাধা দূর হয়েছে এবং কেন্দ্র-রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে উন্নয়নের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

    মেট্রো প্রকল্প নিয়ে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ

    সাংবাদিক বৈঠকে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর অভিযোগ, কলকাতার মেট্রো রেল সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন রেল প্রকল্পের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী সরকার বারবার বাধা সৃষ্টি করেছে। রেলমন্ত্রীর কথায়, “কলকাতার মানুষ যাতে আধুনিক মেট্রো পরিষেবা না পান, তার জন্য বিগত সরকার বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিল। হাইকোর্টের রায় পছন্দ না হলে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাওয়া হয়েছিল শুধুমাত্র রেলের উন্নয়নমূলক কাজ আটকে দেওয়ার উদ্দেশ্যে।” তিনি আরও বলেন, “ইউপিএ সরকারের সময়ে পশ্চিমবঙ্গের রেল খাতে বার্ষিক বরাদ্দ ছিল প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। অথচ মোদী সরকারের আমলে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য রেকর্ড ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এটি বাংলার ইতিহাসে সর্বোচ্চ বরাদ্দ।”

    কলকাতা মেট্রোর সম্প্রসারণে নজির

    কলকাতা মেট্রো নিয়ে বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরে রেলমন্ত্রী দাবি করেন, অতীতের তুলনায় বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের আমলে অভূতপূর্ব সম্প্রসারণ হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯৭২ সালে মেট্রো প্রকল্প শুরু হওয়ার পর পরবর্তী ৪২ বছরে মাত্র ২৮ কিলোমিটার মেট্রো রেলপথ নির্মাণ করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে গত ১২ বছরে আরও ৪৫ কিলোমিটার নতুন মেট্রো পরিষেবা চালু হয়েছে। তিনি বলেন, “কলকাতার গণপরিবহণ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ নতুন রূপ দেওয়া হবে। আগামী কয়েক বছরে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা উন্নত মেট্রো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত হবে।”

    দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি মাত্র ৬ ঘণ্টা! বুলেট ট্রেনের বড় ঘোষণা

    দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল দিল্লি-শিলিগুড়ি বুলেট ট্রেন করিডর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনা।
    অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য দেশের পূর্বাঞ্চলকে অত্যাধুনিক দ্রুতগতির রেল ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা। সেই লক্ষ্যেই দিল্লি থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত একটি উচ্চগতির বুলেট ট্রেন করিডর তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। (এনজেপি থেকে নয়াদিল্লি বুলেট ট্রেনের প্রকল্পের সম্ভাবনার কথা আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম।) প্রস্তাবিত রুট অনুযায়ী, ট্রেনটি দিল্লি থেকে যাত্রা শুরু করে লখনউ, বারাণসী এবং পাটনা হয়ে শিলিগুড়ি পৌঁছবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে রাজধানী দিল্লি থেকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার শিলিগুড়িতে পৌঁছনো সম্ভব হবে। রেলমন্ত্রীর মতে, এই প্রকল্প শুধু যাত্রী পরিবহণেই বিপ্লব আনবে না, বরং উত্তরবঙ্গের পর্যটন, বাণিজ্য ও শিল্পক্ষেত্রেও বিরাট পরিবর্তন ঘটাবে।

    ডানকুনি-সুরাট ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর

    শিল্প ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ডানকুনি থেকে সুরাট পর্যন্ত নতুন ইস্ট-ওয়েস্ট ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর তৈরির কথাও ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই করিডর চালু হলে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দেশের পশ্চিমাঞ্চলে দ্রুত পণ্য পরিবহণ সম্ভব হবে। পরিবহণ ব্যয় কমবে, শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে।” বিশেষজ্ঞদের মতে, ডানকুনি পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক্স হাব। নতুন করিডর কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের শিল্প ও রফতানি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য গতি আসতে পারে।

    রাজনৈতিক তাৎপর্যও কম নয়

    বিশ্লেষকদের মতে, নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীর এই বৈঠক শুধুমাত্র প্রশাসনিক বৈঠক নয়, বরং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণেরও প্রতিফলন। দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের অভিযোগে আটকে থাকা একাধিক প্রকল্পের দ্রুত বাস্তবায়নের ইঙ্গিত মিলেছে এই বৈঠক থেকে। রেলমন্ত্রীর বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকার’-এর প্রসঙ্গ। তাঁর দাবি, কেন্দ্র ও রাজ্য একই লক্ষ্যে কাজ করলে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আর কোনও বাধা থাকবে না।

    নতুন বাংলার রেল রোডম্যাপ

    বুলেট ট্রেন, মেট্রো সম্প্রসারণ, ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর, অমৃত ভারত স্টেশন এবং শত শত ফ্লাইওভার-আন্ডারপাস—সব মিলিয়ে পশ্চিমবঙ্গের জন্য এক উচ্চাভিলাষী রেল রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। আগামী দিনে এই ঘোষণাগুলি কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয়, তার ওপরই নির্ভর করবে বাংলার পরিকাঠামো উন্নয়নের নতুন অধ্যায়ের সাফল্য। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গকে দেশের অন্যতম প্রধান যোগাযোগ ও লজিস্টিক্স কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ইতিমধ্যেই বড়সড় প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।

  • Ashwini Suvendu Nabanna Meet: বাংলায় রেলের ‘মেগা বুস্ট’! ১০২ অমৃত ভারত স্টেশন, ৫৩৮ ফ্লাইওভার-আন্ডারপাস, ৬১ রেল প্রকল্পে গতি, ১ লক্ষ কোটি টাকার কাজের ঘোষণা

    Ashwini Suvendu Nabanna Meet: বাংলায় রেলের ‘মেগা বুস্ট’! ১০২ অমৃত ভারত স্টেশন, ৫৩৮ ফ্লাইওভার-আন্ডারপাস, ৬১ রেল প্রকল্পে গতি, ১ লক্ষ কোটি টাকার কাজের ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ দেড় দশক ধরে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের রাজনীতির কারণে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বারবার ধাক্কা খেয়েছে। বিশেষ করে রেল, সড়ক, শিল্প ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত নানা প্রকল্পে কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয়ের অভাব এবং রাজনৈতিক কারণে আপত্তির জেরে রাজ্যের উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে নবান্নে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ও রেলবোর্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বৈঠককে ‘ডাবল ইঞ্জিন উন্নয়নের সূচনা’ হিসেবে তুলে ধরছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু?

    নবান্নে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে বৈঠকের পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গে রেল অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ও দাবি তুলে ধরলেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল কেন্দ্রীয় সরকারের বিপুল বিনিয়োগ, নতুন রেল প্রকল্প, অমৃত ভারত স্টেশন নির্মাণ এবং জমি সংক্রান্ত সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি। রাজ্যের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। শুভেন্দুর জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার কখনও পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চিত করেনি। বরং জমি, অনুমোদন ও প্রশাসনিক সহযোগিতার অভাবে বহু প্রকল্প বছরের পর বছর আটকে ছিল। এখন কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে উন্নয়নমূলক সহযোগিতার নতুন পরিবেশ তৈরি হলে বাংলায় রেল অবকাঠামোয় নজিরবিহীন বিনিয়োগ, নতুন রেললাইন, অমৃত ভারত স্টেশন, ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস নির্মাণের মাধ্যমে উন্নয়নের নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে।

    নবান্নে রেলমন্ত্রী-রেলবোর্ডের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

    শনিবার নবান্নে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের নেতৃত্বে রেল মন্ত্রক ও রেলবোর্ডের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার বিধায়ক এবং প্রশাসনিক কর্তারা। বৈঠকের আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রেলমন্ত্রীকে কালী মূর্তি উপহার দেন। বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল পশ্চিমবঙ্গে চলমান ও প্রস্তাবিত রেল প্রকল্পগুলির অগ্রগতি, জমি অধিগ্রহণ, স্টেশন আধুনিকীকরণ এবং রেল সংযোগ সম্প্রসারণ।

    ‘আগের সরকারের জন্য বঞ্চিত হয়েছেন ১১ কোটি মানুষ’

    বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, রাজ্যের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাঁর কথায়, “আগের সরকারের জন্য পশ্চিমবঙ্গের ১১ কোটি মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কখনও রেলের কাজে পশ্চিমবঙ্গকে বঞ্চিত করেননি।” তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ধারাবাহিকভাবে রাজ্যের রেল উন্নয়নে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছে এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

    ১০২টি নতুন অমৃত ভারত স্টেশন, ১ লক্ষ কোটি টাকার কাজ

    শুভেন্দু অধিকারী জানান, রেলমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে ১০২টি নতুন অমৃত ভারত স্টেশন গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়েছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন ছোট ও মাঝারি স্টেশনকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন পরিবহণ কেন্দ্রে পরিণত করা হবে। তিনি জানান, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকার রেল অবকাঠামো উন্নয়নমূলক কাজ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে নতুন রেললাইন, স্টেশন উন্নয়ন, সেতু, আন্ডারপাস এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    রেল বাজেটে বিপুল বরাদ্দ বৃদ্ধির দাবি

    শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অতীতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য রেল খাতে বরাদ্দ ছিল ৪,৩৮০ কোটি টাকা। কিন্তু ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে সেই বরাদ্দ বৃদ্ধি পেয়ে ১৪,২০৫ কোটিতে পৌঁছেছে। তাঁর দাবি, এই বৃদ্ধি প্রমাণ করে যে কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের রেল অবকাঠামো উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

    ৪০টির বেশি প্রকল্পে এনওসি দেওয়া হয়েছে

    রাজ্যে বিভিন্ন রেল প্রকল্পের অন্যতম বড় বাধা হিসেবে দীর্ঘদিন জমি ও প্রশাসনিক অনুমোদনের বিষয়টি সামনে এসেছে। এদিন শুভেন্দু অধিকারী জানান, ইতিমধ্যেই ৪০টিরও বেশি রেল প্রকল্পে প্রয়োজনীয় ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (এনওসি) দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা জেলাশাসকদের নির্দেশ দেব যাতে প্রয়োজনীয় জমি দ্রুত রেল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া যায়। বাংলার প্রত্যন্ত এলাকায় রেল পৌঁছে দিতে যা যা প্রয়োজন, সেই সহযোগিতা করা হবে।”

    ৬১টি প্রকল্পে গতি, ৫৩৮টি ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস

    বৈঠকে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় চলমান ৬১টি গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে ৫৩৮টি ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস নির্মাণ করা হবে। এর ফলে একদিকে যেমন রেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে, অন্যদিকে যানজটও অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আসবে। রেলপথ ও সড়কপথের মধ্যে নিরাপদ সংযোগ গড়ে তুলতে এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ—রেল মানচিত্রে যুক্ত হবে নতুন এলাকা

    শুভেন্দু অধিকারী জানান, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকায় নতুন রেল প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে এখনও রেল সংযোগ থেকে বঞ্চিত বা সীমিত পরিষেবা পাওয়া বহু অঞ্চল সরাসরি রেল মানচিত্রে যুক্ত হবে। পর্যটন, শিল্প, কৃষিপণ্য পরিবহণ এবং আঞ্চলিক অর্থনীতির বিকাশে এই প্রকল্পগুলির ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    উন্নয়নের বার্তা কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের

    নবান্নের বৈঠক থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গে রেল অবকাঠামো উন্নয়নকে কেন্দ্র করে আগামী কয়েক বছরে বড়সড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। ১০২টি অমৃত ভারত স্টেশন, ৬১টি প্রকল্প, ৫৩৮টি ফ্লাইওভার ও আন্ডারপাস এবং ১ লক্ষ কোটি টাকার সম্ভাব্য বিনিয়োগের মতো ঘোষণাগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের যোগাযোগ ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয় বাড়লে পশ্চিমবঙ্গের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নতুন গতি পাবে। আর সেই কারণেই নবান্নের এই বৈঠককে শুধু প্রশাসনিক বৈঠক নয়, বরং বাংলার উন্নয়ন রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবেও দেখা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে ঘোষিত প্রকল্পগুলির বাস্তব অগ্রগতি এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেগুলি কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় তার উপর।

  • CM Suvendu Adhikari: বাংলায় রেলের ৬১টি প্রকল্পে সবুজ সঙ্কেত কেন্দ্রের! জমি জট কাটাতে বড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    CM Suvendu Adhikari: বাংলায় রেলের ৬১টি প্রকল্পে সবুজ সঙ্কেত কেন্দ্রের! জমি জট কাটাতে বড় সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির গতি বাড়াতে তৎপর হয়েছে প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে আটকে থাকা রেলের ৬১টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত সংশ্লিষ্ট দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে প্রয়োজনীয় জমি দ্রুত রেল কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়। তাঁর কথায়, “আটকে থাকা প্রকল্পগুলোর জন্য রেলওয়েকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, রাজ্যের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য এই প্রকল্পগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, কেন্দ্র ও রাজ্যে একই রাজনৈতিক দলের সরকার তথা ‘ডাবল ইঞ্জিন’ প্রশাসন থাকায় দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটানো এখন অনেক সহজ হয়েছে। এর ফলে উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত এগোবে এবং সাধারণ মানুষ খুব শীঘ্রই তার সুফল পাবেন।

    দিনাজপুর থেকে মেদিনীপুর— ৬১টি রেল প্রকল্প

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, আটকে থাকা ৬১টি প্রকল্পের মধ্যে উত্তর দিনাজপুর জেলার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রেল প্রকল্প এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম এলাকার গুরুত্বপূর্ণ রেল সংযোগ প্রকল্পও রয়েছে। এতদিন জমি সমস্যার কারণে এই কাজগুলি কার্যত থমকে ছিল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “উন্নয়নের গতিকে দ্বিগুণ করতে ডাবল ইঞ্জিন সরকারের সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগানো হবে।” পাশাপাশি তিনি আরও জানান, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে কাজ করলেই বাংলার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং সেই পথেই ‘উন্নত ভারত’-এর স্বপ্ন সফল হতে পারে। প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে প্রায় ৯২ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকার রেল প্রকল্পের কাজ চলছে। এর মধ্যে রয়েছে নতুন রেললাইন নির্মাণ, স্টেশন আধুনিকীকরণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন। রাজ্য সরকারের জমি হস্তান্তরের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের ফলে এই বিপুল বিনিয়োগের প্রকল্পগুলি আরও দ্রুত এগোবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

    কী বলছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত?

    একই সুর শোনা গিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) গলাতেও। তিনি বলেন, “রাজ্যে ৬১টি প্রকল্প জমির অভাবে আটকে ছিল। এখন আর কোনও বাধা থাকবে না। ডাবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠার পর জমি অধিগ্রহণ ও প্রশাসনিক জটিলতা অনেকটাই সহজ হবে।” শুভেন্দু অধিকারীকে তিনি “পশ্চিমবঙ্গের নতুন রূপকার” বলেও উল্লেখ করেন। পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ দেউষ্কর জানান, চন্দনপুর-শক্তিগড় ফোর্থ লাইন, কল্যাণী-রানাঘাট থার্ড লাইন এবং রানাঘাট-বনগাঁ ডবল লাইনের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল। এছাড়াও বহু জায়গায় লেভেল ক্রসিং তুলে ফ্লাইওভার নির্মাণের কাজও থমকে ছিল। এখন রাজ্য ও রেলের সমন্বয়ের মাধ্যমে সেই কাজ দ্রুত এগোবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। রাজ্য সরকারের তরফে রেলের সঙ্গে সমন্বয়ের জন্য বিশেষ অফিসারও নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানান পূর্ব রেলের জিএম।

    তালিকা নিয়ে তুমুল জল্পনা…

    তবে এখনও পর্যন্ত ঠিক কোন কোন প্রকল্প এই তালিকায় রয়েছে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সম্ভাব্য রেল প্রকল্পের তালিকা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। বাংলার বিভিন্ন জেলায় নতুন রেললাইন, ডবল লাইন, স্টেশন উন্নয়ন ও ফ্লাইওভার নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে। যদিও রেলমন্ত্রক বা রাজ্য সরকারের তরফে এখনও পর্যন্ত ৬১টি প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। তবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাফেরা করছে একটি সম্ভাব্য তালিকা—

    • ১. পাঁশকুড়া – ঘাটাল নতুন লাইন (দৈর্ঘ্য – ৩২.৮ কিমি)
    • ২. কাঁথি – এগরা নতুন লাইন (দৈর্ঘ্য – ২৬.২ কিমি)
    • ৩. দেশপ্রাণ – নন্দীগ্রাম নতুন লাইন (দৈর্ঘ্য – ১৮.৫ কিমি)
    • ৪. নন্দীগ্রাম – কেন্দামারী (নয়াচর) নতুন লাইন (দৈর্ঘ্য – ৭ কিমি)
    • ৫. নন্দকুমার – বলাইপন্ডা নতুন লাইন (দৈর্ঘ্য – ২৮ কিমি)
    • ৬. দিঘা – এগরা নতুন লাইন (দৈর্ঘ্য – ২৮ কিমি)
    • ৭. দিঘা – জলেশ্বর নতুন লাইন (দৈর্ঘ্য – ৪৯ কিমি)
    • ৮. ঘাটাল – ইরপালা নতুন লাইন
    • ৯. ইরপালা – আরামবাগ নতুন লাইন
    • ১০. আরামবাগ – বোয়াইচন্ডী নতুন লাইন
    • ১১. আরামবাগ – চাঁপাডাঙ্গা নতুন লাইন
    • ১২. বোয়াইচণ্ডী – খানা নতুন লাইন
    • ১৩. হাসনাবাদ – হিঙ্গলগঞ্জ নতুন লাইন
    • ১৪. তারকেশ্বর – চাঁপাডাঙ্গা নতুন লাইন
    • ১৫. তারকেশ্বর – ধানিয়াখালি নতুন লাইন
    • ১৬. তারকেশ্বর – মগরা নতুন লাইন
    • ১৭. তারকেশ্বর – ফুরফুরা শরীফ নতুন লাইন
    • ১৮. নামখানা – চন্দ্রনগর নতুন লাইন
    • ১৯. চন্দ্রনগর – বকখালি নতুন লাইন
    • ২০. কাটোয়া (দাঁইহাট) – মন্তেশ্বর নতুন লাইন
    • ২১. মন্তেশ্বর – মেমারী নতুন লাইন
    • ২২. বজবজ – পূজালী নতুন লাইন
    • ২৩. পূজালী – উলুবেড়িয়া (বীর শিবপুর) নতুন লাইন
    • ২৪. পূজালী – বাকরাহাট নতুন লাইন
    • ২৫. মছলন্দপুর – স্বরূপনগর নতুন লাইন
    • ২৬. নেগুন – মঙ্গলকোট নতুন লাইন
    • ২৭. বনগাঁ – চন্দবাজার নতুন লাইন
    • ২৮. বারাবনি – চুরুলিয়া নতুন লাইন
    • ২৯. ভাঙ্গনখালী – বাসন্তী নতুন লাইন
    • ৩০. বাসন্তী – ঝাড়খালি নতুন লাইন
    • ৩১. জয়নগর – রায়দিঘী নতুন লাইন
    • ৩২. সংগ্রামপুর – কৃষ্ণচন্দপুর নতুন লাইন
    • ৩৩. ডায়মন্ড হারবার (গুরুদাসনগর) – বাখরাহাট নতুন লাইন
    • ৩৪. ডানকুনি – জঙ্গলপাড়া – ফুরফুরা শরীফ নতুন লাইন
    • ৩৫. বড়গাছিয়া – চাঁপাডাঙ্গা নতুন লাইন
    • ৩৬. আমতা – বাগনান নতুন লাইন
    • ৩৭. জঙ্গিপাড়া – ফুরফুরা শরীফ নতুন লাইন
    • ৩৮. বাঁকুড়া (ছাতনা) – মুকুটমণিপুর নতুন লাইন
    • ৩৯. মুকুটমণিপুর – উপারসোল নতুন লাইন
    • ৪০. বাঁকুড়া (কলাবতী) – পুরুলিয়া ভায়া হুড়া নতুন লাইন
    • ৪১. রায়গঞ্জ – ইটাহার নতুন লাইন
    • ৪২. কাজল – ইটাহার নতুন লাইন
    • ৪৩. কালিয়াগঞ্জ – বুনিয়াদপুর নতুন লাইন
    • ৪৪. প্রান্তিক – সিউড়ি নতুন লাইন
    • ৪৫. কাকদ্বীপ – বুধাখালি নতুন লাইন
    • ৪৬. ময়নাপুর – কামারপুকুর ভায়া বীরসা নতুন লাইন
    • ৪৭. কালিকাপুর – মিনাখান ভায়া ঘটকপুর নতুন লাইন
    • ৪৮. কৃষ্ণনগর সিটি (ধুবুলিয়া) – চারাতলা নতুন লাইন
    • ৪৯. কৃষ্ণনগর – চাপড়া নতুন লাইন
    • ৫০. বনগাঁ – পরমহেশতলা নতুন লাইন
    • ৫১. চন্দবাজার – বাগদা নতুন লাইন
    • ৫২. চৌরীগাছা – সাঁইথিয়া ভায়া কান্দি নতুন লাইন
    • ৫৩. জয়নগর – দুর্গাপুর নতুন লাইন
    • ৫৪. ডায়মন্ড হারবার (গুরুদাসনগর) – কুলপি নতুন লাইন
    • ৫৫. রানাঘাট (আঙড়ঘাটা) – দত্তফুলিয়া নতুন লাইন
    • ৫৬. বিরা – চাকলা নতুন লাইন
    • ৫৭. বারুইপাড়া – ফুরফুরা শরীফ নতুন লাইন
    • ৫৮. ভাদুতলা – ঝাড়গ্রাম ভায়া লালগড় নতুন লাইন
    • ৫৯. মুকুটমণিপুর – ঝিলিমিলি নতুন লাইন
    • ৬০. ইটাহার – বুনিয়াদপুর নতুন লাইন
    • ৬১. রাধানগর ফাইডিং লাইন – বরাচক লাইন
  • Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    Ashwini Vaishnaw: রেলযাত্রীদের জন্য সুখবর! পশ্চিমবঙ্গের জন্য ৩টি নতুন রেল প্রকল্পের অনুমোদন কেন্দ্রের, চলবে জয়পুরগামী নতুন এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রী (Indian Railway) এবং রাজ্যের রেল পরিকাঠামোর জন্য বড় সুখবর। পশ্চিমবঙ্গের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন রেল প্রকল্প ও পরিষেবার অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রক। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) এই অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে পৃথক চিঠি পাঠিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন।

    রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর পরিকাঠামো ক্ষেত্রে রেল মন্ত্রকের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় করতে এই প্রকল্পগুলি বড় ভূমিকা নেবে। নতুন অনুমোদিত ৩টি প্রধান রেল প্রকল্পগুলি হোল…

    ১. কলকাতা- জয়পুর নতুন এক্সপ্রেস ট্রেন (Ashwini Vaishnaw)

    কলকাতা ও রাজস্থানের মধ্যে যাতায়াতকারী যাত্রীদের সুবিধার্থে রেল মন্ত্রক একটি নতুন দূরপাল্লার এক্সপ্রেস ট্রেন চালুর অনুমোদন দিয়েছে। ১৮০৬১/১৮০৬২ সাঁতরাগাছি-খাতিপুরা এক্সপ্রেস খড়গপুর হয়ে কলকাতার সাঁতরাগাছি এবং জয়পুরের খাতিপুরা স্টেশনের (Indian Railway) মধ্যে চলাচল করবে। এই নতুন ট্রেনটি চালু হলে পর্যটন, ব্যবসা, শিক্ষা এবং পারিবারিক কারণে দুই রাজ্যের মধ্যে যাতায়াতকারী মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে এবং বর্তমান ট্রেনগুলির ওপর চাপ কমবে।

    ২. নিউ জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি লাইনের ডবলিং (দ্বৈতকরণ)

    উত্তরবঙ্গের অত্যন্ত ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ রেল করিডোর নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) থেকে শিলিগুড়ির মধ্যে প্রায় ৭.১৫ কিলোমিটার রেল লাইনের ডবলিং বা দ্বৈতকরণের কাজ অনুমোদন পেয়েছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই রুটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লাইনে ডবল ট্র্যাকিংয়ের কাজ সম্পন্ন হলে ট্রেনের (Indian Railway) গতি বাড়বে, যানজট ও বিলম্ব কমবে এবং রেলের পরিচালন ক্ষমতা অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে।

    ৩. শালবনী-আদ্রা তৃতীয় লাইনের সমীক্ষা

    দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে শালবনী থেকে আদ্রা পর্যন্ত ১০৭ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রস্তাবিত তৃতীয় রেল লাইনের ‘ফাইনাল লোকেশন সার্ভে’ (FLS)-র অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই সমীক্ষার পর একটি বিস্তারিত প্রকল্প প্রতিবেদন (DPR) তৈরি করা হবে। খনিজ ও শিল্পসমৃদ্ধ এই অঞ্চলে পণ্যবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রেনের মসৃণ চলাচলের জন্য এই তৃতীয় লাইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

    ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ

    রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) জানিয়েছেন ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামো (Indian Railway) উন্নয়নের জন্য রেকর্ড ১৪,২০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তার পাশাপাশি চলতি মাসেই রাজ্যে রেলের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আরও ৮৯৫.৩০ কোটি টাকার একাধিক পরিকাঠামো প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল ভারতীয় রেল।

    রেল মন্ত্রকের আধিকারিকদের মতে, এই নতুন প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে পশ্চিমবঙ্গের ব্যস্ততম রেল রুটগুলির জট কেটে যাবে, যাত্রীদের ভ্রমণের সময় কমবে এবং সার্বিকভাবে রাজ্যের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে।

  • Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    Nora Fatehi: ‘‘বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়’’, নোরা ফতেহির ‘সারকে চুনারিয়া’ গান নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সারকে চুনারিয়া’ (Sarke Chunariya)গানটি নিষিদ্ধ করে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের বক্তব্য, গানটির (Nora Fatehi) কথা ও দৃশ্য নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল জনমানসে। মঙ্গলবারই বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে সরকার সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (CBFC)-কে গানটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কী জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব (Nora Fatehi)

    সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব লোকসভায় সমাজবাদী পার্টির এক সাংসদের প্রশ্নের উত্তরে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। তিনি জানান, গানটির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “ভারতে বাক্‌স্বাধীনতা সীমাহীন নয়। সব ধরনের মতপ্রকাশই করতে হবে সংবিধান নির্ধারিত যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতার মধ্যেই। গানটি ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।” তিনি এও বলেন, “সংবিধান প্রণেতারা বাক্‌স্বাধীনতার ওপর যে যুক্তিসঙ্গত সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছেন, তা আমাদের মেনে চলা উচিত।”

    ‘বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না’

    সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদের কথাও উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এখানে শৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বিধিনিষেধ আরোপের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, “বাক্‌স্বাধীনতা সম্পূর্ণ স্বাধীন হতে পারে না। একে সমাজ ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করতে হবে। ভবিষ্যতে, বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বিষয়গুলির প্রেক্ষিতে, সমাজের সুরক্ষা, শিশুদের সুরক্ষা, নারীদের সুরক্ষা এবং বঞ্চিত গোষ্ঠীর সুরক্ষার জন্য যে কঠোর পদক্ষেপের প্রয়োজন, সরকার তা করতে প্রস্তুত।”

    অশ্লীলতা প্রচারের অভিযোগ

    গানটি রিলিজ হওয়ার পরপরই বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ, গানটিতে অশ্লীলতা প্রচার করা হয়েছে, মহিলাদের আপত্তিকরভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তার জেরে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে (Nora Fatehi)। এর পরেই গানটির নির্মাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। দায়ের করা হয় এফআইআর-ও। গানটি সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে অভিযোগও জমা পড়ে, যা নিয়ে সংসদেও ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। গানটির সমালোচকদের মধ্যে রয়েছেন হরিয়ানা ও কর্নাটকের মহিলা কমিশন, অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রবি কিষান এবং কঙ্গনা রানাউত এবং গায়ক আরমান মালিকও। তাঁরা সবাই গানের কথাকে আপত্তিকর বলে উল্লেখ করেন। গানটির বিষয়বস্তুও অশালীন এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, এই অভিযোগে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশনের কাছে একটি আইনি আবেদনও (Sarke Chunariya) জমা দেওয়া হয়। তাতে গানটির ওপর দ্রুত নিষেধাজ্ঞা জারি এবং অপসারণের দাবিও জানানো হয় (Nora Fatehi)।

LinkedIn
Share