Tag: Assam police

Assam police

  • Pakistan Trap: ‘হানিট্র্যাপ’-এ পড়ে পাকিস্তানে তথ্য পাচারের অভিযোগ! অসম পুলিশের হাতে ধৃত দু’জন, কোয়েম্বাটোরে গ্রেফতার নৌসেনা কর্মী

    Pakistan Trap: ‘হানিট্র্যাপ’-এ পড়ে পাকিস্তানে তথ্য পাচারের অভিযোগ! অসম পুলিশের হাতে ধৃত দু’জন, কোয়েম্বাটোরে গ্রেফতার নৌসেনা কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে সক্রিয় হানি-ট্র্যাপ। সীমান্তের ওপার থেকে এই চক্র কাজ চালায়। দেশের নিরাপত্তায় প্রশ্ন তৈরির চেষ্টা করে। পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বিহারের দুই বাসিন্দাকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজন অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় সেনাকর্মী। অবসরের পরও তিনি চুক্তিভিত্তিকভাবে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাজ করছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার এক মহিলা অপারেটিভের কাছে ভারতীয় নৌবাহিনীর গোপন প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য পাচারের অভিযোগে এক কর্মরত নৌসেনা সদস্যকে গ্রেফতার করেছে অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ। শনিবার কোয়েম্বাটোরের রেড ফিল্ডস এলাকায় অবস্থিত উচ্চ-নিরাপত্তার আইএনএস অগ্রণী ক্যাম্পাসে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স (CI) সেলের একটি বিশেষ দল।

    এনআইএ-এর ইনপুটের ভিত্তিতে তদন্ত

    পুলিশ সূত্রে খবর, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)-র কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অসম পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের মধ্যে ৩১ বছর বয়সি অভিষেক কুমার সিং-এর বাড়ি বিহারের মোতিহারিতে। অভিযোগ, তিনি গুয়াহাটিতে বসবাস করে ভারতীয় সেনাবাহিনী সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানে থাকা তাঁর হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠাচ্ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কিত বেশ কিছু সন্দেহজনক নথি ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য অভিযুক্ত ৩৯ বছর বয়সি রীতেশ কুমার সিং। তিনি বিহারের বেগুসরাইয়ের বাসিন্দা। গুয়াহাটির সাতগাঁও এলাকায় একটি ভাড়া বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার এক অপারেটিভের নির্দেশে রীতেশ কাজ করছিলেন এবং অভিষেককেও বিভিন্নভাবে সাহায্য করেছিলেন।

    অভিষেকের সূত্র ধরেই জালে রীতেশ

    প্রথমে অভিষেকের গতিবিধির উপর নজরদারি শুরু হয়। অভিযোগ ছিল, তিনি অসমে বসে ভারতীয় সেনাবাহিনী সংক্রান্ত তথ্য পাকিস্তানের একটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের কাছে পাঠাচ্ছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীর গজরাজ কোর এবং অসম পুলিশ যৌথভাবে রীতেশের কথিত কার্যকলাপ নিয়েও তদন্ত চালাচ্ছিল। এরই মধ্যে শনিবার ও রবিবারের মধ্যবর্তী রাতে অভিষেককে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, পাকিস্তান-সম্পর্কিত কিছু নথি এবং অন্যান্য সন্দেহজনক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তদন্তভার আরও এগিয়ে নিয়ে যায় অসম পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। তদন্তের সূত্র ধরে রীতেশের সন্ধান পাওয়া যায় এবং তাঁকেও গ্রেফতার করা হয়। অভিষেকের মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। কতদিন ধরে তিনি এই ধরনের কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন এবং পাকিস্তানে থাকা ঠিক কার কার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    ‘হানিট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে ফাঁদে ফেলার অভিযোগ

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, এনআইএ-এর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই অসম পুলিশ দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। পরবর্তী তদন্তের জন্য তাঁদের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে যে দু’জনকেই কথিত ‘হানিট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে নিশানা করা হয়েছিল। সেই পদ্ধতিতে তাঁদের কাছ থেকে সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান। অভিষেকের গ্রেফতারের খবর সামনে আসতেই বিহারের মোতিহারি পুলিশও বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। মোতিহারির পুলিশ সুপার স্বর্ণ প্রভাত জানিয়েছেন, অভিষেক সম্পর্কে পুলিশের কাছে তথ্য এসেছে। জেলার ঠিক কোন থানা এলাকায় তাঁর বাড়ি, তা যাচাই করা হচ্ছে। অসম পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মোতিহারি পুলিশও তথ্য সংগ্রহ করছে। তাঁর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় পরিচয় সম্পর্কেও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তবে তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনায় নিশ্চিতভাবে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন মোতিহারি পুলিশ সুপার।

    হানিট্র্যাপে পশ্চিমবঙ্গ-যোগ

    অন্যদিকে, অন্ধ্র পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত নৌসেনা সদস্যের নাম প্রদীপ মুখার্জি (৩১)। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। ২০১৪ সালে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। বর্তমানে বিশাখাপত্তনমে ইস্টার্ন ন্যাভাল কমান্ডের অধীনে নাবিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সূত্রের খবর, গত এক সপ্তাহ ধরে কোয়েম্বাটোরের আইএনএস অগ্রণী (INS Agrani)-তে একটি ম্যানেজমেন্ট ডেভেলপমেন্ট কোর্সে অংশ নিতে গিয়েছিলেন প্রদীপ। এই প্রশিক্ষণকেন্দ্রটি নৌবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম।

    ‘হানিট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা তথ্য পাচার

    তদন্তকারীদের অভিযোগ, কয়েক মাস আগে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এক মহিলার সঙ্গে পরিচয় হয় প্রদীপের। ওই মহিলা নিজেকে সাধারণ পরিচিত হিসেবে পরিচয় দিলেও পরে তিনি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যুক্ত এক অপারেটিভ বলে সন্দেহ করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ওই মহিলা ধীরে ধীরে প্রদীপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে এবং পরবর্তীতে তাঁকে ‘হানিট্র্যাপ’-এর মাধ্যমে সংবেদনশীল প্রতিরক্ষা তথ্য দিতে প্ররোচিত করেন। অভিযোগ, প্রদীপ বিশাখাপত্তনমের নৌঘাঁটি-সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ওই মহিলার কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সন্দেহজনক অনলাইন কার্যকলাপ নজরে আসার পর কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স সেল বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের পর নৌবাহিনীর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে কোয়েম্বাটোরের আইএনএস অগ্রণী (INS Agrani) ক্যাম্পাসে অভিযান চালানো হয় এবং সেখান থেকেই প্রদীপকে গ্রেফতার করা হয়। কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স সেল মূলত সন্ত্রাসবাদী নেটওয়ার্ক এবং সীমান্তপারের গুপ্তচরবৃত্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের তদন্ত করে থাকে। ধৃত নৌসেনা সদস্যের বিরুদ্ধে ঠিক কী কী তথ্য পাচারের অভিযোগ রয়েছে এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

  • Assam STF: অসমে পাকিস্তানি জঙ্গি নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা, এসটিএফের জালে ৩ সন্দেহভাজন

    Assam STF: অসমে পাকিস্তানি জঙ্গি নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা, এসটিএফের জালে ৩ সন্দেহভাজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমে সক্রিয় হয়ে ওঠা পাকিস্তান-ভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (Assam STF)। পাকিস্তানি জঙ্গি নেটওয়ার্ক ‘শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক’ (Shahzad Bhatti Network)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে তিন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এই জঙ্গি-অপরাধচক্রটি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স (ISI)-এর নির্দেশে কাজ করত এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নাশকতা, জঙ্গি কার্যকলাপ ও স্লিপার সেল গড়ে তোলার পরিকল্পনা করে যাচ্ছিল।

    একযোগে তিন জেলায় অভিযান

    অসম পুলিশের এসটিএফ (Assam STF) জানিয়েছে, ২৪ জুলাই ধুবড়ি, চিরাং এবং বরপেটা জেলায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে যোগ দিয়েছিল সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশও। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ধুবড়ি জেলার বেপারিপাড়া এলাকার বাসিন্দা আক্রামূল ইসলাম (২৬), চিরাং জেলার পানবাড়ির ধুপিরি এলাকার বাসিন্দা আমিনুর রহমান (২২), এবং বরপেটা জেলার কালগাছিয়ার দাবান্দিয়া এলাকার বাসিন্দা আবদুল হুসেনকে (৫৪)।

    কী কী কাজে যুক্ত ছিল এই নেটওয়ার্ক (Shahzad Bhatti Network)?

    তদন্তকারীদের (Assam STF) দাবি, শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক শুধু জঙ্গি নিয়োগই নয়, অনলাইনে উগ্রপন্থায় প্ররোচনা, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রেকি, অস্ত্র সংগ্রহ, লজিস্টিক সহায়তা, গুপ্তচরবৃত্তি এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্লিপার সেল গড়ে তোলার কাজও করছিল। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে বসে থাকা হ্যান্ডলাররা এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই নেটওয়ার্ক পরিচালনা করত।

    একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ

    এসটিএফের (Assam STF) দাবি, এই নেটওয়ার্কের যোগাযোগ ছিল একাধিক উগ্রপন্থী সংগঠনের সঙ্গে। তাদের মধ্যে রয়েছে- খালিস্তান আর্মড ফোর্স, পঞ্জাব সার্বভৌমত্ব অ্যালায়েন্স, খালিস্তান লিবারেশন আর্মি, শের-ই-পাঞ্জাব ব্রিগেড, ইউনাইটেড শিখ ব্রাদারহুড, শিখ টাইগার্স অফ খালিস্তান,  তেহরিক-ই-তালিবান হিন্দুস্তান (টিটিএইচ)। পুলিশের দাবি, চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি এবং ২৪ মে পঞ্জাব পুলিশের দুই সদস্যকে লক্ষ্য করে হওয়া হত্যাকাণ্ডের দায়ও তেহরিক-ই-তালিবান হিন্দুস্তান স্বীকার করেছিল।

    অসমে কীভাবে সামনে এল এই চক্র?

    অসমে এই নেটওয়ার্কের (Shahzad Bhatti Network) কার্যকলাপ প্রথম সামনে আসে নলবাড়ি জেলার একটি তদন্তে। ওই তদন্তে গত ২২ মে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তদন্তের সূত্র ধরেই আরও তথ্য হাতে আসে এবং শেষ পর্যন্ত তিন জেলায় একযোগে অভিযান চালিয়ে এই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।

    কী কী উদ্ধার হয়েছে?

    ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে  ৫টি মোবাইল ফোন, ৭টি সিম কার্ড, আধার কার্ড, ব্যাঙ্কের পাসবই ও ডেবিট কার্ড। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও সন্দেহজনক নথিও উদ্ধার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই সমস্ত সামগ্রী খতিয়ে দেখে নেটওয়ার্কের বিস্তার এবং আর্থিক লেনদেনের সূত্র খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

    নাশকতার পরিকল্পনা!

    অসম পুলিশের এসটিএফ (Assam STF)-এর পুলিশ সুপার প্রণব কুমার পেগু জানিয়েছেন, “গোয়েন্দা সূত্রে নির্দিষ্ট তথ্য মিলেছিল যে পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত এই নেটওয়ার্ক দেশবিরোধী কার্যকলাপ এবং সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। প্রথমে পঞ্জাব, হরিয়ানা-সহ দেশের বিভিন্ন অংশে স্লিপার সেল গড়ে তোলার পর চলতি বছরে অসম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতেও এই নেটওয়ার্ক নিজেদের কার্যকলাপ বিস্তারের চেষ্টা শুরু করে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই ধুবড়ি, চিরাং এবং বরপেটায় একযোগে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

    তদন্তে আরও বড় চক্রের ইঙ্গিত

    পুলিশের দাবি, এই গ্রেফতারির মাধ্যমে তদন্ত শেষ নয়। বরং উত্তর-পূর্ব ভারতে এই নেটওয়ার্কের আরও সদস্য বা সহযোগী রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সীমান্ত পেরিয়ে পরিচালিত জঙ্গি ও অপরাধচক্রের শেকড় উপড়ে ফেলতে তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে অসম পুলিশ।

  • Assam: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের পর্দাফাঁস অসম পুলিশের

    Assam: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের পর্দাফাঁস অসম পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের জেহাদি মডিউলের (Jihadi Module) পর্দাফাঁস করল অসম পুলিশ। মঙ্গলবার অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এ কথা জানান। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে আত্মগোপন করে থাকা জেহাদিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। তিনি লিখেছেন, “কয়েকদিন আগেই অসম পুলিশ একটি জেহাদি মডিউলের পর্দা ফাঁস করেছে। রাজ্যে অনেক জেহাদি লুকিয়ে রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।”

    ভিডিও বার্তা (Assam)

    ওই পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও বার্তাও দিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। সেই বার্তায় তিনি জানান, জেহাদিদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অসমে জেহাদিরা আছে, এবং আমরা গত ১০ বছর ধরে নিয়মিত এর প্রমাণ পাচ্ছি। রাজ্যের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাব। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর এই পোস্ট থেকেই জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। এই বাংলাদেশভিত্তিক জেহাদি মডিউলটি অসমের যুবকদের মৌলবাদী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ করছিল। তারা পুবা-আকাশের মতো এনক্রিপ্টেড প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিয়োগ, মতাদর্শ প্রচার এবং জঙ্গি কার্যকলাপে অর্থায়ন করত।

    মুখ্যমন্ত্রীর পোস্ট

    মুখ্যমন্ত্রীর করা পোস্টে এও জানানো হয়েছে, অসম পুলিশ বাংলাদেশ থেকে হ্যান্ডলার এবং স্থানীয় অপারেটিভদের নিয়ে আন্তঃসীমান্ত জঙ্গি সংযোগ উন্মোচন করেছে (Assam)। এসটিএফ এবং অসম পুলিশের দ্রুত অভিযানে অসম ও ত্রিপুরাজুড়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এটি একটি বড় নিরাপত্তা হুমকি এড়াতে সাহায্য করেছে (Jihadi Module)।

    প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে অসম সরকার রাজ্যে উগ্রপন্থার প্রচার বন্ধ করতে জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, আনসার আল ইসলাম / প্রো-একিউআইএস এবং অন্য সহযোগী গোষ্ঠীর মতো জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও মৌলবাদী বা জেহাদি উপাদানের প্রকাশ, প্রচার এবং দখল নিষিদ্ধ করেছিল। এতে আরও বলা হয়েছে, অসম পুলিশ স্পেশাল ব্রাঞ্চ, ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট, জেলা সিনিয়র পুলিশ সুপার, সাইবার ক্রাইম ইউনিট এবং সমস্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এই বিজ্ঞপ্তির কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করবে (Assam)। এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেবে। এর মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা তথ্য, সাইবার প্যাট্রোলিং রিপোর্ট এবং অসম পুলিশ ও স্পেশাল টাস্কফোর্স, অসমের সাম্প্রতিক তদন্তে ওই নিষিদ্ধ সংগঠনগুলির সঙ্গে যুক্ত মৌলবাদী কিংবা জেহাদি সাহিত্য প্রকাশনা, নথি এবং ডিজিটাল প্রচার সামগ্রীর (Jihadi Module) ক্রমাগত প্রচার, দখল, বিতরণ এবং ডিজিটাল ট্রান্সমিশনও (Assam)।

LinkedIn
Share