Tag: Assam Veterinary and Fishery University

  • IVF: অসমে ইতিহাস, বিশ্বে প্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে দেশি ‘লখিমী’র বকনা বাছুরের জন্ম

    IVF: অসমে ইতিহাস, বিশ্বে প্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে দেশি ‘লখিমী’র বকনা বাছুরের জন্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বে প্রথম আইভিএফ পদ্ধতিতে জন্ম হল দেশি ‘লখিমী’ জাতের গরুর। এই ঘটনাকে ঐতিহাসিক সাফল্য এবং রাজ্যের (IVF) পশুপালন সংরক্ষণ, দুগ্ধ উৎপাদন ও জৈবপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে তুলে ধরেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, এই সাফল্যের মধ্যে ‘সভ্যতা, সংস্কৃতি ও সৃজনে’র এক অনন্য সমন্বয় ঘটেছে। অসমের স্থানীয় জাত ‘লখিমী’র বিশ্বের প্রথম আইভিএফ বকনা বাছুরের জন্ম হয়েছে (Assam Lakhimi Breed) অসম পশুচিকিৎসা ও মৎস্য বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (IVF)

    তিনি বলেন, “আজ অসম এক ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে—সভ্যতা, সংস্কৃতি ও সৃজনের এক সুন্দর সমন্বয় ঘটেছে। অসমের স্থানীয় জাত লখিমীর বিশ্বের প্রথম আইভিএফ বকনা বাছুরের জন্ম হয়েছে অসম পশুচিকিৎসা ও মৎস্য বিশ্ববিদ্যালয়ে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর মতে, এই সাফল্য দেশি গবাদি পশুর জাত সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। পাশাপাশি রোগ নিয়ন্ত্রণের উন্নতি এবং দুধ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষকদের আয়ও বাড়ানো সম্ভব হবে।

    এই ঐতিহাসিক সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত পশুচিকিৎসা বিজ্ঞানী ও পেশাদারদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “এই সাফল্যের নেপথ্যে থাকা সমস্ত পশুচিকিৎসা বিজ্ঞানী ও পেশাদারদের আমার আন্তরিক অভিনন্দন। তাঁদের কাজ অসমের দুগ্ধশিল্পে নতুন যুগের সূচনা করার সম্ভাবনা রাখে। বাছুরটি আকারে ছোট হলেও, আমাদের রাজ্যে জৈবপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে সে একটি বিশাল মাইলফলক বহন করছে।”

    এদিকে পশুপালন ও দুগ্ধশিল্পের পাশাপাশি জ্বালানি ক্ষেত্রেও নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার পথে এগোচ্ছে অসম। রাজ্যে ২০২৬ সালের অসম হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান, উৎপাদন এবং উর্ধ্বপ্রবাহ বাস্তুতন্ত্র উন্নয়ন নীতি কার্যকর করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এই নীতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আত্মনির্ভর ভারতের লক্ষ্য পূরণের পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

    জ্বালানি ক্ষেত্রেও অসমের অবদান

    পুরী বলেন, “ভারতের পেট্রোলিয়াম শিল্পের জন্মভূমি অসম এখন আত্মনির্ভরতার পথে ভারতের জ্বালানি যাত্রার পরবর্তী অধ্যায়কে শক্তি জোগাতে প্রস্তুত।”

    এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য হিমন্তকে ধন্যবাদ জানিয়ে পুরী বলেন, নতুন নীতি অসমে বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে এবং তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধান ও উৎপাদন আরও দ্রুততর করবে (IVF)।

    নতুন নীতিতে বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা, প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং আধুনিক অনুসন্ধান প্রযুক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করার কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি জারির দিন থেকে এই নীতি ১০ বছর কার্যকর থাকবে। তবে তার আগে নীতিটি সংশোধন, পরিবর্তিত নীতি দ্বারা প্রতিস্থাপন বা প্রত্যাহার করা হলে তা প্রযোজ্য হবে না।

    পুরীর বক্তব্যের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উদ্ভাবনের মাধ্যমে অসম তার হাইড্রোকার্বন-ভিত্তিক ঐতিহ্যকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

    তিনি বলেন, “হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধানে অসমের প্রথম উদ্যোগ নেওয়ার সুবিধা আমাদের অনেকটা এগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু আমরা সেই সুবিধার উপর নির্ভর করে বসে থাকতে চাই না। ধারাবাহিক উদ্ভাবনই আমাদের এগিয়ে রাখবে (Assam Lakhimi Breed)।”

    মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘বিকশিত ভারতে’র স্বপ্ন বাস্তবায়নে অবদান অব্যাহত রাখবে (IVF) অসম।

     

LinkedIn
Share