Tag: assansol

  • Suvendu Adhikari: পশ্চিম বর্ধমানে শিল্পের বিরাট রোড ম্যাপ, রাজ্যে বিকল্প শিল্পাঞ্চল নির্মাণে নতুন কর্মসংস্থানের সাফ ইঙ্গিত

    Suvendu Adhikari: পশ্চিম বর্ধমানে শিল্পের বিরাট রোড ম্যাপ, রাজ্যে বিকল্প শিল্পাঞ্চল নির্মাণে নতুন কর্মসংস্থানের সাফ ইঙ্গিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পশ্চিম বর্ধমানে শিল্পের (West Bardhaman Industrial Growth) বিরাট রোড ম্যাপ করতে চলেছে বিজেপি সরকার। রাজ্যে বিকল্প শিল্পাঞ্চল নির্মাণে নতুন কর্মসংস্থানের সাফ ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। দুর্গাপুরে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বৈঠককে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। রাজ্যের বর্তমান সরকারের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রশাসনিক বৈঠকে আমন্ত্রিত হওয়া সত্ত্বেও শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিরা অনুপস্থিত থাকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সরকারি কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই দলগত অনুপস্থিতিকে ‘গণতান্ত্রিক সৌজন্যের অবমাননা’ এবং ‘উন্নয়নমূলক কাজে বাধা সৃষ্টির অপচেষ্টা’ বলে জোরালো আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিল্পাঞ্চলের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    দেউচা পাচামির মতো ফ্রড কথাবার্তা বলি না (Suvendu Adhikari)

    এদিন শিল্পাঞ্চল নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “দুর্গাপুরের মানুষকে আমি আশ্বস্ত করতে চাই দুর্গাপুজো বা কালীপুজোর পরে যে কোনও সময় নির্বাচন করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল বা রাজ্য সরকার সাহায্য করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। পঞ্চায়েত, পুরসভা বন্ধ থাকার জন্য সাধারণ মানুষের অসুবিধা হচ্ছে। পঞ্চায়েত অফিস অধিকার করে রাখার অধিকার কোনও ব্যক্তি বা কোনও দলের নেই। তাই আমরা বলে দিয়েছি পঞ্চায়েতের সচিব গোটা বিষয়টা দেখবে। কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে মিলে কীভাবে এখানে শিল্পে জোয়ার আনতে পারি, বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ দিতে পারি, এটাও আছে। তবে, আমরা হাততালি কুড়ানোর জন্য দেউচা পাচামির মতো ফ্রড কথাবার্তা বলি না, বলবও না।”

    প্রশাসনিক বৈঠক বয়কট ও মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভ (Suvendu Adhikari)

    শিল্পাঞ্চলের (West Bardhaman Industrial Growth) সামগ্রিক পরিকাঠামো, আইনশৃঙ্খলার পর্যালোচনা এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে দুর্গাপুরের এই উচ্চপর্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছিল। প্রোটোকল বা প্রশাসনিক নিয়ম মেনেই এলাকার সমস্ত নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের এতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার পর দেখা যায়, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কেরা সজ্ঞানে এই বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন।

    এই প্রসঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত কড়া ভাষায় তাঁর ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, “প্রশাসনিক বৈঠক কোনও রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর কর্মসূচি নয়। এটি সম্পূর্ণভাবে জনগণের স্বার্থে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করার মঞ্চ। সেখানে রাজনৈতিক সংকীর্ণতা বজায় রেখে বৈঠক বয়কট করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয়।” তিনি আরও যোগ করেন, “জনপ্রতিনিধিরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন এলাকার মানুষের অভাব-অভিযোগ সরকারের দরবারে তুলে ধরার জন্য; কিন্তু দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে প্রশাসনিক স্তরে সহযোগিতা করার মানসিকতা বর্তমান বিরোধী শিবিরের নেই।”

    জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অবশ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন, “কোনও পক্ষের অসহযোগিতার কারণে রাজ্যের উন্নয়ন থমকে থাকবে না। জনপ্রতিনিধিরা না এলেও জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আইন অমান্যকারী বা সরকারি কাজে বাধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধেও প্রশাসন যে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে, সেই বার্তাও এই বৈঠক থেকে দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে, দুর্গাপুরের এই প্রশাসনিক বৈঠককে কেন্দ্র করে রাজ্য ও জেলা স্তরের রাজনৈতিক পারদ এক ধাক্কায় অনেকটাই চড়ে গেল।”

    তৃণমূলের পাল্টা যুক্তি ও অভিযোগ

    অন্য দিকে, বৈঠক বয়কটের বিষয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব ও বিধায়কদের তরফ থেকেও পাল্টা যুক্তি ও রাজনৈতিক অভিপ্রায় প্রকাশ করা হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের যথোপযুক্ত সম্মান দেওয়া হচ্ছে না এবং প্রশাসনিক বৈঠকগুলিকে আসলে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, এই ধরণের প্রশাসনিক বৈঠকের নামে আসলে বিরোধী দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কোণঠাসা করার এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার একটি অলিখিত রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। সেই কারণেই সদ্বিচ্ছার অভাব দেখে এবং প্রোটোকল লঙ্ঘনের প্রতিবাদেই তাঁরা এই বৈঠক থেকে দূরত্ব বজায় রাখার যৌথ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, এলাকার মানুষের পাশে তাঁরা সর্বদা আছেন, তবে সরকারি অনুষ্ঠানের মোড়কে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিকে তাঁরা মান্যতা দেবেন না।

    শিল্পাঞ্চলের উন্নয়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দুর্গাপুরের মতো (West Bardhaman Industrial Growth) একটি গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও বাণিজ্যিক অঞ্চলে এই ধরনের রাজনৈতিক রেষারেষি এবং প্রশাসনিক অসহযোগিতা শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ক্ষতি করবে। এই বৈঠকে এলাকার রাস্তাঘাট সংস্কার, কলকারখানার আধুনিকীকরণ, শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা এবং নতুন কর্মসংস্থানের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জনপ্রতিনিধিদের একাংশের অনুপস্থিতির কারণে স্থানভিত্তিক অনেক সমস্যা সরাসরি নীতিনির্ধারকদের সামনে উত্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

  • West Bengal Elections 2026: “বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়, সেটি মানবতার কলঙ্ক’’, সিউড়িতে আক্রমণ মোদির

    West Bengal Elections 2026: “বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়, সেটি মানবতার কলঙ্ক’’, সিউড়িতে আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভার (West Bengal Elections 2026) ভোটে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করতে নির্বাচনী প্রচারে এসেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। হলদিয়া, আসানসোল ও সিউড়িতে পরপর তিন জায়গায় সভা করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বীরভূমের বগটুই হত্যাকাণ্ড এবং বোমাবাজির কথা মনে করিয়ে জঙ্গলরাজ সমাপ্ত করার ডাক দিলেন তিনি। এদিন সিউড়ির জনসভায় তারা মায়ের নাম নিয়ে ভাষণ শুরু করেছেন। তিনি বললেন, ‘‘জয় মা তারা, জয় নিতাই।’’ বীরভূমের মাটিতে দাঁড়িয়ে তারাশঙ্করকেও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

    আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, পাল্টানো দরকার (West Bengal Elections 2026)

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বীরভূমের সভায় বললেন “এই মাটি অনেক মণীষীদের। ওই বীরভূমেই পরিবর্তনের ঝড় আসতে চলেছে। এই যে বিশাল সমাগম, এটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে যে, ঝড় আসছে। হেলিকপ্টার থেকে দেখছিলাম, কত উৎসাহ নিয়ে এখানে আপনার এসেছে। আমাকে আশীর্বাদ করবেন। আমাদের এই বীরভূম বাউল সঙ্গীতে মাটি। এখন এখানে শোনা যায় একটা শব্দ, গান, আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, পাল্টানো দরকার। বীরভূমের লালমাটিতে পরিবর্তনের ঝড় উঠেছে। তৃণমূলের জঙ্গলরাজের সাক্ষী বীরভূম। তৃণমূল জমানায় বগটুইয়ে নৃশংস ঘটনা ঘটেছিল। বগটুইয়ে যা হয়েছে তা শুধু একটি ঘটনা নয়। সেটি মানবতার কলঙ্ক। এটা জঙ্গলরাজ নয় তো কী? এই মহাজঙ্গলরাজের (West Bengal Elections 2026) শেষ হওয়া দরকার।’’

    মালদায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে

    বীরভূমের বালি পাচার, পাথর পাচার এবং কয়লা পাচার নিয়ে তৃণমূলের মাফিয়ারাজকে সমাপ্ত করার কথা জোর দিয়ে বলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন,‘‘তৃণমূলের আমলেই বীরভূমে বালি, পাথর, কয়লা লুট। মা-মাটি-মানুষদের মধ্যে মায়ের অবস্থা খারাপ। অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো হবে। অনুপ্রবেশকারীদের মাথাদের জেলে ভরা হবে। অনুপ্রবেশকারীরা স্থানয় মানুষের কাছ থেকে কাজ ছিনিয়ে নিচ্ছে। আর স্থানীয়দের বাইরে কাজে যেতে হচ্ছে। আর এই দিন চলবে না। মালদায় কী ঘটেছে গোটা দেশ দেখেছে। বিচারকদের বন্ধক বানানো হয়েছিল। বাংলায় ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এই ভয় থেকে বাংলার মানুষকে মুক্তি (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার প্রয়োজন।’’

    অহংকারী তৃণমূল সরকার

    রাষ্ট্রপতিকে চরম অপমান করেছিলেন তৃণমূল সরকার, এই বিষয়কে হাতিয়ার করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, ‘‘মাননীয় রাষ্ট্রপতি এ রাজ্যে এসেছিলেন। সাওতাঁল সমাজের একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তিনি। যে সরকারই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রপতিকে উচিত সম্মান দেওয়া সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু এই অহংকারী তৃণমূল সরকার দেশের রাষ্ট্রপতিকেও কিছু মনে করেননি। গত বছরের ঘটনা আপনাদের সকলের মনে আছে। বীরভূমে স্কুলে এক আদিবাসী মেয়ের সঙ্গে যা হয়েছে, তা বিচলিত করার মতো। যাঁরা নিজেদের মেয়েদের হারিয়েছেন, কোনও টাকাপয়সা তা পূরণ করতে পারবে না। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনাও নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। কথা দিয়ে যাচ্ছি, বাংলাকে ভয়মুক্ত করব। এখানে এক এক করে স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যেখানে স্কুল বন্ধ, ভবিষ্যৎ বন্ধ। বাংলা (West Bengal Elections 2026) চায় ভরসা। তৃণমূলের নির্মম সরকারকে বিদায় দেবে বাংলার যুবশক্তি। কেন্দ্রীয় সরকার রোজগার মেলার আয়োজন করে। যেখানে বিজেপি সরকার সেখানে এই মেলার আয়োজন করা হয়। গত আড়াই বছরে ৭০ লক্ষের বেশি সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে চাকরি লুটের খেলা চলছে।’’

    তাজা বোমার কারখানা তৈরি হচ্ছে

    রাজ্যের গ্রামে গ্রামে বোমা কারখানার মূলে তৃণমূল। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, ‘‘তৃণমূল এখানে গলি গলিতে তাজা বোমার কারাখানা তৈরি করছে। এটিকে তৃণমূল সরকার ক্ষুদ্রশিল্পে পরিণত করেছে। রাজ্যে ক্ষুদ্রশিল্প বন্ধ হয়েছে। তাজা বোমার কারখানা তৈরি হচ্ছে। এই সব বন্ধ হয়ে যাবে। তৃণমূল কী ভাবে মনরেগার নামে গরিব, দলিত, আদিবাসী পরিবারকে ঠকিয়েছে আপনারা জানেন। কেন্দ্রীয় সরকার আইন নিয়ে এসেছে। গরিবদের রোজগার দেব। কৃষক, পশিপাক, মৎস্যজীবীদের নতুন সুবিধা মিলবে (West Bengal Elections 2026)। গ্রামে ১২৫ দিনের রোজগার মিলবে। কাজের পুরো টাকা আপনাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাবে। কোনও সিন্ডিকেট হাত লাগাতে পারবে না। কোনও কাটমানি নয়, সিন্ডিকেট নয়। এটা মোদির গ্যারান্টি।’’

LinkedIn
Share