Tag: ASW SWC

  • Indian Navy: ৭ দিনে যোগ দিল ৫ যুদ্ধজাহাজ, ১ পারমাণবিক সাবমেরিন! নজিরবিহীন তৎপরতা ভারতীয় নৌসেনায়, কারণ কী?

    Indian Navy: ৭ দিনে যোগ দিল ৫ যুদ্ধজাহাজ, ১ পারমাণবিক সাবমেরিন! নজিরবিহীন তৎপরতা ভারতীয় নৌসেনায়, কারণ কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুড ফ্রাইডে-র সকালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের একটা ছোট্ট টুইট আলোড়ন ফেলে দিয়েছে দেশে। নিজের এক্স হ্যান্ডলে রাজনাথ লেখেন, ‘‘শব্দ নয়, এটি শক্তি—‘অরিধমান’’’। প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এই ক্রিপ্টিক (ইঙ্গিতবাহী) পোস্ট দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তাহলে কি ভারতীয় নৌসেনায় চুপিসাড়ে তৃতীয় পরমাণু শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক সাবমেরিনকে কমিশনড্ বা অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে গেল? অবিশ্বাস্য নয় এটা। কারণ, ‘অরিধমান’-এর দুই পূর্বসূরি যথা ‘অরিহন্ত’ ও ‘অরিঘাত’-এর ক্ষেত্রেও চুপিসাড়ে অন্তর্ভুক্তির ঘটনা ঘটেছিল। ফলে, এক্ষেত্রেও যে ব্যতিক্রম হবে না, তা ধরে নেওয়া যায়। কারণ, এসএসবিএন (পরমাণু শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী সাবমেরিন)-এর বিষয়ে বরাবরই মুখে কুলুপ কেন্দ্রের। এই সাবমেরিন হচ্ছে ভারতের অত্যন্ত গোপন বিষয়। কাকপক্ষীও টের পায় না। এমনকী, অন্তর্ভুক্তির পর অরিধমান ঠিক কোথায় করছে, তা সরকারেরও সকলে জানে না। তবে, সাবমেরিনের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা বজায় রাখলেও জাহাজের ক্ষেত্রে ঘটে ঠিক তার উল্টো। একেবারে ঢাকঢোল পিটিয়ে জাহাজের অন্তর্ভুক্তির কথা জানানো হয়। কারণ, সাবমেরিন যেখানে অতল সমুদ্রতলে ঘাপটি মেরে থাকে, জাহাজ তো ভাসমান।

    কী ঘটে চলেছে নৌসেনায়?

    এদিকে, এক সপ্তাহে ভারত যা করে দেখাল, তা বোধহয়, বিশ্বের কোনও নৌসেনা করে দেখাতে পারেনি। গত সাত দিনে ভারতীয় নৌসেনায় এমন কিছু ঘটেছে, যা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। আক্ষরিক অর্থে! কী সেটা? খোলসা করা যাক— গত সাত দিনে, ভারতীয় নৌসেনায় ৫টি রণতরী এবং একটি পারমাণবিক সাবমেরিনকে অন্তর্ভুক্ত করে এক নজির সৃষ্টি করেছে। এই অন্তর্ভুক্তি ধারার শুরুটা হয়েছিল ৩০ মার্চ। সেদিন কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (GRSE) একদিনে তিন-তিনটি রণতরীকে ভারতীয় নৌসেনার হাতে তুলে দিয়েছিল। জাহাজগুলি হল— অত্যাধুনিক স্টেলথ ফ্রিগেট ‘দুনাগিরি’, হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে ভেসেল ‘সংশোধক’ এবং অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটার ক্রাফট ‘অগ্রয়’। ঠিক পরের দিন, অর্থাৎ, ৩১ মার্চ নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয় কোচিন শিপইয়ার্ডে নির্মিত আরও একটি অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটার ক্রাফট ‘মালওয়ান’। এর পর মাঝে ২ দিনের বিরতি। ফের শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ভারতীয় নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত এক জোড়া নৌযানের অন্তর্ভুক্তি হল। এদিন নৌসেনার পরিবারে আরও একটি অত্যাধুনিক স্টেলথ ফ্রিগেট ‘তারাগিরি’ এবং এসএসবিএন ‘অরিধমান’ প্রবেশ করল। বিশাখাপত্তনমে তারাগিরি-র অন্তর্ভুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খোদ রাজনাথ সিং। কাকতালীয়ভাবে, এই ভাইজ্যাগই হল ভারতের পারমাণবিক সাবমেরিনের নির্মাণের হাব এবং নৌসেনার সাবমেরিন ফ্লিটের সদর। ফলে, দুয়ে-দুয়ে চার করা সহজ। ভারতের এই যুদ্ধকালীন পদক্ষেপ দেখে অনেকেই প্রশ্ন করছেন, নৌসেনায় ঠিক কী ঘটে চলেছে? কেন নৌসেনায় এত তৎপরতায় পর পর রণতরীর অন্তর্ভুক্তি হয়ে চলেছে?

    ‘ব্লু-ওয়াটার নেভি’ গড়ে তোলার লক্ষ্য

    অল্প সময়ের ব্যবধানে এতগুলি রণতরীর অন্তর্ভুক্তির ঘটনা শুধু বিরল নয়, কার্যত নজিরবিহীন। এর থেকে পরিষ্কার, ভারতীয় নৌসেনায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নীল-জলে নিজেদের শক্তি-বৃদ্ধি করার পণ নিয়েছে এবং তা পূরণ করে চলেছে। এখানেই শেষ নয়। চলতি বছরে ভারতীয় নৌসেনায় আরও একাধিক যুদ্ধজাহাজ যোগ দিতে চলেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ২০২৬ সালে ১৫ থেকে ১৯টি জাহাজ নৌসেনায় যোগ দিতে চলেছে, যা কিনা একটা রেকর্ড হতে পারে। অর্থাৎ, প্রতি ছয় সপ্তাহে একটি করে জাহাজের অন্তর্ভুক্তি হবে। কী প্রচণ্ড গতিতে দেশে জাহাজ নির্মাণের কাজ হচ্ছে, তা এই ছোট্ট পরিসংখ্যান থেকেই স্পষ্ট। বর্তমানে ভারতীয় নৌবাহিনীর বহরে ১৩০টির বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং প্রায় ২৫১টি বিমান ও হেলিকপ্টার রয়েছে, যা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ সামুদ্রিক শক্তি হিসেবে ভারতকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। পশ্চিম, পূর্ব ও দক্ষিণ নৌ কমান্ডের অধীনে বিমানবাহী রণতরী, ডেস্ট্রয়ার, ফ্রিগেট, করভেট, সাবমেরিন ও অ্যামফিবিয়াস জাহাজ মোতায়েন রয়েছে দেশের বিস্তৃত সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষায়। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে নৌবহর ১৫৫-১৬০টি যুদ্ধজাহাজে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে ভারত। দীর্ঘমেয়াদে ২০০-রও বেশি জাহাজ নিয়ে একটি শক্তিশালী ‘ব্লু-ওয়াটার নেভি’ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে, যা ভারত মহাসাগর অঞ্চলসহ আন্তর্জাতিক জলসীমায় কার্যকর উপস্থিতি নিশ্চিত করবে।

  • INS Anjadip: ভারতীয় নৌসেনায় যোগ দিল নতুন সদস্য, উপকূল রক্ষায় নামল ‘ডলফিন হান্টার’, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    INS Anjadip: ভারতীয় নৌসেনায় যোগ দিল নতুন সদস্য, উপকূল রক্ষায় নামল ‘ডলফিন হান্টার’, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ভারতীয় নৌসেনায় যোগ দিল নতুন প্রজন্মের সাবমেরিন-বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ আইএনএস অঞ্জদীপ (INS Anjadip)। এটি উপকূলবর্তী এলাকায় অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধক্ষমতা জোরদার করতে নেওয়া ১৬টি দেশীয় জাহাজ নির্মাণ কর্মসূচির অংশ। জাহাজটি ভারতের পূর্ব নৌ-কমান্ডের অধীনে চেন্নাইয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এদিন কমিশনিং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী। এই অন্তর্ভুক্তি শুধু একটি নতুন যুদ্ধজাহাজ সংযোজন নয়, বরং উপকূলীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা প্রেক্ষাপট

    নৌবাহিনীর সূত্র অনুযায়ী, আইএনএস অঞ্জদীপ-এর (INS Anjadip) গুরুত্ব বেড়েছে বিশেষ করে পাকিস্তানকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক পরিস্থিতির নিরিখে। পাকিস্তানের নৌবহরে সারফেস যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা সীমিত এবং তাদের নিজস্ব পূর্ণাঙ্গ অ্যান্টি-সাবমেরিন প্ল্যাটফর্মের অভাব রয়েছে। ফলে, ভবিষ্যৎ সংঘাতে তারা সাবমেরিনের উপর বেশি নির্ভর করতে পারে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা। এই বাস্তবতায় ভারতের উপকূলবর্তী জলসীমা নিরাপদ রাখতে আইএনএস আর্নালা (INS Arnala)-শ্রেণির জাহাজগুলো একটি প্রতিরক্ষামূলক বলয় তৈরি করবে, যাতে বড় ফ্রিগেট ও ডেস্ট্রয়ারগুলো গভীর সমুদ্রে কৌশলগত অভিযানে বেশি মনোযোগ দিতে পারে। উপকূলীয় অ্যান্টি-সাবমেরিন অভিযানে এই জাহাজের বিশেষ ভূমিকাকে মাথায় রেখে করে ভারতীয় নৌবাহিনী একে “ডলফিন হান্টার” বলে আখ্যা দিয়েছে।

    উপকূলজুড়ে অ্যান্টি-সাবমেরিন প্রতিরক্ষা বলয়

    আইএনএস অঞ্জদীপকে (INS Anjadip) এমনভাবে নকশা করা হয়েছে যাতে অগভীর উপকূলীয় এলাকায় (৫০–৬০ মিটার গভীরতা) শত্রুপক্ষের সাবমেরিন শনাক্ত ও ধ্বংস করা যায়। এটি অ্যান্টি সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটারক্রাফট প্রকল্পের অধীনে নির্মিত আটটি জাহাজের মধ্যে তৃতীয়। ‘লিটোরাল ওয়াটার্স’ বা উপকূলীয় ও অগভীর জলে যুদ্ধপরিবেশে কার্যকরভাবে কাজ করার জন্য এই জাহাজের নকশা করা হয়েছে। আইএনএস অঞ্জদীপ-এর (INS Anjadip) আগে গত বছরের জুনে আইএনএস আর্নালা (INS Arnala) এবং অক্টোবরে আইএনএস আনদ্রোথ (INS Androth) কমিশন করা হয়েছিল। নৌবাহিনী পরিকল্পনা করেছে, উপকূলজুড়ে একটি স্তরভিত্তিক অ্যান্টি-সাবমেরিন প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তুলতে এই ১৬টি জাহাজকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বন্দরে মোতায়েন করা হবে।

    আইএনএস অঞ্জদীপের মূল বৈশিষ্ট্য

    সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অঞ্চলগুলি ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৭৭ মিটার দীর্ঘ এই যুদ্ধজাহাজটিতে উচ্চগতির ওয়াটার-জেট প্রোপালশন ব্যবস্থা রয়েছে, যার ফলে এটি সর্বোচ্চ ২৫ নট গতিতে চলতে সক্ষম। এর ফলে উপকূলের কাছাকাছি দ্রুত প্রতিক্রিয়া এবং দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চালানো সম্ভব হবে। জাহাজটির মূল কাজ উপকূলীয় এলাকায় শত্রু সাবমেরিন শনাক্ত করা, ট্র্যাক করা ও ধ্বংস করা।

    এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—

    • ● দেশীয় হাল-মাউন্টেড সোনার ‘অভয়’
    • ● হালকা টর্পেডো ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট
    • ● সর্বোচ্চ ২৫ নট গতিসম্পন্ন ওয়াটার-জেট প্রপালশন ব্যবস্থা
    • ● উচ্চ ম্যানুভারেবিলিটি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া সক্ষমতা

    পূর্ণসময়ের জন্য নিবেদিত সাবমেরিন-শিকারি

    এতদিন পর্যন্ত ফ্রিগেট ও ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির যুদ্ধজাহাজগুলো অ্যান্টি-সাবমেরিন ভূমিকা পালন করলেও তাদের মূল কাজ ছিল আক্রমণাত্মক। অর্থাৎ, বিমান ও সারফেস লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ। আইএনএস অঞ্জদ্বীপ-এর (INS Anjadip) মতো পূর্ণসময়ের জন্য নিবেদিত প্ল্যাটফর্ম যুক্ত হওয়ায় নৌবাহিনী এখন দায়িত্ব বণ্টনে আরও স্পষ্টতা আনতে পারছে। এর ফলে—

    • ● বড় যুদ্ধজাহাজগুলো কৌশলগত অভিযানে বেশি মনোযোগ দিতে পারবে।
    • ● উপকূলীয় এলাকায় সাবমেরিন হুমকি আলাদাভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
    • ● স্তরভিত্তিক প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে উঠবে।
    • ● দেশীয় নির্মাণ ও শিল্প সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

    লার্সেন অ্যান্ড টুব্রোর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ আইএনএস অঞ্জদীপ (INS Anjadip) এবং আর্নালা-শ্রেণির অন্যান্য জাহাজ তৈরি করেছে কলকাতার গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (GRSE)। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন, কারণ এর আগে নৌবাহিনী নিজেই যুদ্ধজাহাজের নকশা দিত। এই প্রকল্প ভারত সরকারের ‘আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা’ নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ভবিষ্যতে রপ্তানিযোগ্য যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের পথ খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    পুরনো প্ল্যাটফর্মের পরিবর্তে নতুন যুগ

    এই যুদ্ধজাহাজটির নামকরণ করা হয়েছে অঞ্জদীপ দ্বীপের নামে, যা উত্তর কর্নাটকের কারওয়ার উপকূলের কাছে আরবসাগরে অবস্থিত। এর অন্তর্ভুক্তি বিশেষ করে তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি উপকূল বরাবর ভারতের বিস্তৃত সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষায় নৌবাহিনীর সক্ষমতা আরও জোরদার করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন আর্নালা-শ্রেণির জাহাজগুলো ধীরে ধীরে অবসরপ্রাপ্ত অভয় (Abhay)-শ্রেণির করভেটগুলোর জায়গা নেবে, যেগুলি সোভিয়েত-ঘরানার ওপর নির্মিত পেটয়া (Petya)-শ্রেণির প্ল্যাটফর্ম ছিল। নতুন জাহাজগুলো আকার, টিকে থাকার ক্ষমতা এবং আধুনিক সেন্সর ও অস্ত্রব্যবস্থার দিক থেকে অনেক বেশি উন্নত। আইএনএস অঞ্জদ্বীপ-এর (INS Anjadip) কমিশনিং ভারতের উপকূলীয় সামুদ্রিক নিরাপত্তাকে একটি নতুন স্তরে নিয়ে গেল। এটি শুধু একটি যুদ্ধজাহাজ নয়, বরং ভারতের নৌকৌশলে বিশেষায়িত প্রতিরক্ষার সূচনার প্রতীক। পাকিস্তানসহ আঞ্চলিক নৌশক্তির পরিবর্তিত কৌশলের প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ ভারতের সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।

LinkedIn
Share