Tag: atrocities

atrocities

  • POK Atrocities: যুদ্ধের হুমকি, পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব ভারতের, পিওকে-তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

    POK Atrocities: যুদ্ধের হুমকি, পাকিস্তানকে মুখের মতো জবাব ভারতের, পিওকে-তে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাওয়াজা আসিফের সাম্প্রতিক যুদ্ধের হুমকির কড়া জবাব দিল (POK Atrocities) ভারত। মঙ্গলবার ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, এই ধরনের মন্তব্য পাকিস্তানের নিজস্ব ব্যর্থতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলি থেকে আন্তর্জাতিক মহলের নজর ঘোরানোর মরিয়া চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।

    কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের (POK Atrocities)

    সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য সম্পর্কে আমরা রিপোর্ট দেখেছি। এই ধরনের বক্তব্য পাকিস্তানের ব্যর্থতা আড়াল করা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয় থেকে দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার একটি মরিয়া চেষ্টা। আমরা এই সব ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি।” পাক অধিকৃত কাশ্মীরে (পিওকে) যে সরকারবিরোধী আন্দোলন চলছে, সে প্রসঙ্গ টেনে পাকিস্তানকে নিশানা করেন তিনি। জয়সওয়ালের দাবি, পিওকের বর্তমান পরিস্থিতি পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক শোষণ, মৌলিক অধিকার হরণ এবং প্রশাসনিক দমননীতিরই ফল।

    আন্দোলন দমনে পুলিশি নির্যাতন

    তাঁর অভিযোগ, আন্দোলন দমনে পাক প্রশাসন চরম পুলিশি নির্যাতনের পথ বেছে নিয়েছে। প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহে বাধা, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা এবং নিরস্ত্র সাধারণ মানুষের ওপর প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের মতো ঘটনাও ঘটেছে। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। আমরা আশা করি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাকিস্তানের এই কাজকর্ম, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দমনপীড়ন নীতির জন্য জবাবদিহি চাইবে।”

    আসিফের হুঁশিয়ারি

    প্রসঙ্গত, গত শনিবার পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে দেওয়া (POK Atrocities) সাক্ষাৎকারে আসিফ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, সিন্ধু নদীর জল নিয়ে যদি ভারতের পদক্ষেপ পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে হুমকিস্বরূপ হয়ে ওঠে, তাহলে ইসলামাবাদ সামরিক পদক্ষেপ নিতেও পিছপা হবে না। তিনি বলেন, “যখনই আমরা অনুভব করব যে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা, যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জল নিরাপত্তা, হুমকির মুখে পড়েছে, তখন আমরা অবশ্যই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যেতে পারি।” প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে গত বছরের জঙ্গি হামলার পর ভারত সিন্ধু জল চুক্তি (Indus Waters Treaty) স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে। নয়াদিল্লির (India) অবস্থান, পাকিস্তান যতদিন না সীমান্তপারের সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার পরিকাঠামো ভেঙে ফেলার জন্য দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ করছে, ততদিন পর্যন্ত চুক্তি স্থগিতই থাকবে (POK Atrocities)।

     

  • Bangladeshi Hindu Rights Activist: রাষ্ট্রসংঘে হিন্দুদের ওপর নৃশংস অত্যাচারের বর্ণনা দিলেন হিন্দু অধিকার কর্মী

    Bangladeshi Hindu Rights Activist: রাষ্ট্রসংঘে হিন্দুদের ওপর নৃশংস অত্যাচারের বর্ণনা দিলেন হিন্দু অধিকার কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্যাপক আন্দোলনের জেরে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ (Bangladeshi Hindu Rights Activist) ছাড়তে বাধ্য হন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা। এই অন্ধকার দিনটি একইসঙ্গে বাংলাদেশের হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার অবসানেরও সংকেত দেয়। কারণ উগ্র ইসলামপন্থীরা ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে হিন্দুদের হত্যা করে (Islamist Atrocities)। নির্বিচারে চালায় লুটপাট-ধর্ষণ। ভাঙচুর করার পাশাপাশি অপবিত্র করা হয় তাঁদের মন্দির এবং বিগ্রহ।

    হিন্দু অধিকার কর্মীর বক্তব্য (Bangladeshi Hindu Rights Activist)

    সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘ মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত “সংখ্যালঘু বিষয়ক ফোরামের অষ্টাদশ অধিবেশনে” বক্তৃতা দিতে গিয়ে বাংলাদেশের হিন্দু অধিকার কর্মী দীপন মিত্র ইসলামপন্থীদের হাতে বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর সংঘটিত নির্যাতন ও নৃশংসতার ঘটনাগুলির কথা তুলে ধরেন। ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ওই সম্মেলনে মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার ব্যুরোর সভাপতি দীপন  বলেন, “১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং আদিবাসী সম্প্রদায়গুলি রাষ্ট্রীয় এবং সামাজিক বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও উপজাতীয় সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে জাতিগত নিধনের একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া চলছেই।” বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর ইসলামপন্থীদের অপরাধগুলির পরিসংখ্যান দিয়ে দীপন বলেন, “গত এক বছরে ১৮৩ জনেরও বেশি হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছে। ২১৯ জন হিন্দু নারীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। গত বছর হাজার হাজার হিন্দু বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর আক্রমণ এবং ভাঙচুর চালানো হয়েছে। করা হয়েছে অগ্নিসংযোগও। হিন্দু ও বৌদ্ধ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ৭৮ জন কিশোরীকে জোরপূর্বক ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করা হয়েছে (Bangladeshi Hindu Rights Activist)।”

    ধর্ম অবমাননার অভিযোগ

    তিনি বলেন, “ধর্ম অবমাননার অভিযোগে হিন্দুদের ওপর হামলা, হিন্দু মঠ ও মন্দির দখল – এসব এখন বাংলাদেশে নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। হিন্দু ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও তোলাবাজি ব্যাপক হারে বাড়ছে। একদিনও যায় না যখন হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করা হয় না, বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয় না (Islamist Atrocities)।” প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অগাস্টেই ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল বাংলাদেশে মুসলিম দাঙ্গাবাজরা হামলা চালিয়েছিল একাধিক হিন্দু মন্দির ও বাড়িতে। সেই সময় ইসলামো-বামপন্থী গণমাধ্যম যেমন আল জাজিরা, নিউ ইয়র্ক টাইমস ইত্যাদি এই হিংসাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিশোধ’ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেছিল। ওই গণমাধ্যমগুলির দাবি, যে এই সব ঘটনা আওয়ামি লিগকে সমর্থনের জন্য করা প্রতিশোধমূলক আক্রমণ। বাস্তবে, যদিও কিছু ক্ষেত্রে দাঙ্গাবাজরা আওয়ামি লিগের হিন্দু নেতাদের লক্ষ্য করেছিল, তবুও হামলা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা প্রতিশোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না।

    হিন্দুদের দোকান ভাঙচুর

    নাটোর, ঢাকার ধামরাই, পটুয়াখালির কালাপাড়া, শরিয়তপুর, ফরিদপুরের মন্দির এবং যশোর, নোয়াখালি, মেহেরপুর, চাঁদপুর ও খুলনায় হিন্দুদের বাড়িঘর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। দিনাজপুরে হিন্দুদের ৪০টি দোকান ভাঙচুর করা হয়েছিল (Bangladeshi Hindu Rights Activist)। এই ঘটনাগুলি ঘটেছিল হাসিনা দেশান্তিরিত হওয়ার পরপরই। মহম্মদ ইউনূস যখন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন, তখন থেকেই ইসলামপন্থীরা অকল্পনীয়ভাবে হিন্দুদের ওপর ঘৃণা, নির্যাতন, হত্যা, ধর্ষণ ও লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে। ওই সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দীপন হিন্দু আধিকারিক ও শিক্ষকদের চাকরি থেকে বহিষ্কারের জন্য চালানো একটি পরিকল্পিত প্রচারের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশনের সচিব অশোক কুমার দেবনাথ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক উত্তম কুমার দাস, প্রেস কাউন্সিলের সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার (Islamist Atrocities), কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের প্রেস সেক্রেটারি রঞ্জন সেন, কানাডায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর অর্পণা রানি পাল—এদের বরখাস্ত করা হয়েছে।”

    হিন্দুদের চাকরি থেকে বরখাস্ত

    তিনি জানান, গত বছর অন্তত ১৭৬ জন হিন্দু শিক্ষক বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জোরপূর্বক পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন বা চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন (Bangladeshi Hindu Rights Activist)। দীপন বলেন, “শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ পুলিশ থেকেও হিন্দুদের বের করে দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই শতাধিক পুলিশ কর্তা বরখাস্ত হয়েছেন, যার মধ্যে কৃষ্ণপদ রায়ও রয়েছেন। ২০২৪ সালে রাজশাহি সারদা পুলিশ অ্যাকাডেমিতে চূড়ান্ত নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের জন্য সুপারিশ করা ২৫২ জন সাব-ইন্সপেক্টরের (এসআই) মধ্যে ২৫২ জনকেই ছেঁটে দেওয়া হয়েছে। তদন্তে জানা গিয়েছে, এই ২৫২ জনের মধ্যে ৯৯ জন হিন্দু, দু’জন বৌদ্ধ এবং একজন খ্রিস্টানও ছিলেন।” হিন্দু অধিকারকর্মী আরও জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক মহম্মদ ইউনূসের অধীনে, আইজিপি বাহারুল আলমকে নির্দেশ দিয়েছে যেন বাংলাদেশ পুলিশে কোনও হিন্দুকে নিয়োগ করা না হয় (Bangladeshi Hindu Rights Activist)।

LinkedIn
Share