Tag: Ayodhya Ram Mandir

Ayodhya Ram Mandir

  • PM Modi: অযোধ্যায় রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: অযোধ্যায় রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এক ঐশ্বরিক উদযাপন রূপে বর্ণনা করেছেন। কোটি কোটি ভক্তের শত শত বছরের ভক্তি ও আকাঙ্ক্ষা সফল রূপ পেয়েছে রামমন্দিরে। রামা লালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা ছিল একটি ভব্য এবং দিব্য উৎসব। ৫০০ বছরের আন্দোলন এবং রামভক্তদের স্বপ্ন প্রতিফলিত হয়েছে। শ্রী রামই ভারতীয় সংস্কৃতির আসল প্রতীক।

    শত শত বছরের আকাঙ্ক্ষার সফল পরিণতি (PM Modi)

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ৩১ ডিসেম্বর অযোধ্যায় রাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ভারত এবং বিশ্বজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এই দিন সম্পর্কে বলেন, “আমাদের আস্থা এবং ঐতিহ্যের এক দিব্য উৎসব। শত শত বছরের হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত গৌরবের মাহেন্দ্রক্ষণ। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী ভগবান শ্রী রামের চরণে প্রণাম জানান। সেই সঙ্গে লিখেছেন, “অযোধ্যায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিনটির অত্যন্ত গৌরবের এবং আধ্যাত্মিক ভক্তি ভাবুকতায় পরিপূর্ণ। রাম ভক্তদের শত শত বছরের আকাঙ্ক্ষার সফল পরিণতি পেয়েছে। ঐতিহাসিক ভাবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। আজ অযোধ্যার পবিত্র ভূমিতে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এই বার্ষিকী আমাদের আস্থা এবং ঐতিহ্যের এক দিব্য উৎসব। এই পবিত্র ও পুণ্য তিথিতে দেশে-বিদেশে থাকা সকল রাম ভক্তের পক্ষ থেকে প্রভু শ্রী রামের চরণে আমার কোটি কোটি নমস্কার।”

    রাম আমাদের অনুপ্রেরণা

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) এই বছরেই আরেকটি নতুন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন যা হল অযোধ্যার ধর্ম ধ্বজার উত্তোলন। ফলে এই বছরই আবার প্রথমবার নব উত্তোলিত ধর্ম ধ্বজ রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সাক্ষী থাকছে। রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) এই ধ্বজ ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য এবং নৈতিক মূল্যবোধের প্রতীক। তাই মোদি বলেছেন, “আমার সৌভাগ্য যে গত মাসে আমি এই পবিত্র ধ্বজ স্থাপনায় অংশ নেওয়ার শুভ সুযোগ পেয়েছিলাম। শ্রীরামের মর্যাদা পূর্ণ প্রতীকের অনুপ্রেরণা প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে সেবা, নিষ্ঠা এবং সহানুভূতির অনুভূতিকে আরও গভীর ভাগে জাগিয়ে তুলবে। সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভর ভারত গড়তে শ্রী রাম আমাদের অনুপ্রেরণা।”

    ধর্ম ধ্বজার আনুষ্ঠানিক উত্তোলনকে ধর্মীয় তাৎপর্যের বাইরে গিয়ে ভারতের বৃহত্তর জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যুক্ত করেছেন মোদি। একই ভাবে দেশবাসীর কাছে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভগবান রাম সবসময় মর্যাদা পুরুষোত্তম হিসেবে পূজিত হন। তাঁর আদর্শগুলি নাগরিকদের মধ্যে সেবা, নিষ্ঠা এবং সহানুভূতির মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

  • Ayodhya Ram Mandir: কীভাবে ধর্মীয় আধ্যাত্মিকতার শক্তি একটি সনাতন সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করে তার প্রমাণ অযোধ্যার রামমন্দির

    Ayodhya Ram Mandir: কীভাবে ধর্মীয় আধ্যাত্মিকতার শক্তি একটি সনাতন সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করে তার প্রমাণ অযোধ্যার রামমন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা (Pran Pratishtha Anniversary) বার্ষিকী ভারতের আধুনিক ইতিহাসে অন্যতম সুদূরপ্রসারী বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। পৌষ শুক্ল পক্ষের দ্বাদশী, ৩১ ডিসেম্বর পালিত হয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী হিসেবে। ফলে এই মাহেন্দ্রক্ষণ কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা, যা বিশ্বাস-আস্থা- ইতিহাস-সংস্কৃতি এবং জাতীয় চেতনাকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে। রামমন্দির ভারতীয় সংস্কৃতির প্রধান পরিচয়।

    অযোধ্যা নগরী ত্রেতা যুগের রাজধানী (Ayodhya Ram Mandir)

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) অযোধ্যায় দণ্ডায়মান, যা ভগবান শ্রী রামের (Pran Pratishtha Anniversary) জন্মস্থান হিসেবে পূজিত হয়। শ্রী রাম হিন্দু সভ্যতার এক কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব। প্রভু রাম হলেন ধর্ম, ন্যায় ও আদর্শ শাসনের মূর্ত প্রতীক। শতাব্দী ধরে, অযোধ্যা ভারতের আধ্যাত্মিক মানচিত্রে এক পবিত্র স্থান অধিকার করে আছে। রাম ভক্ত, সাধুসন্ত, তীর্থযাত্রী, পণ্ডিতদের আকর্ষণীয় কেন্দ্র। রাম লালা নিজের মহান মানব গুণে ভগবানের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছেন। তিনি মর্যাদা পুরুষোত্তম রাম। অযোধ্যানগরী ত্রেতা যুগের রাজধানী। তাই অযোধ্যা ধামকে সনাতন ঐতিহ্যের সাতটি পবিত্র স্থানের মধ্যে অন্যতম হিসেবে ধরা হয়।

    সাংস্কৃতিক আত্মমর্যাদার প্রতীক

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) নির্মাণ কয়েক দশক ধরে চলা এক দীর্ঘ ঐতিহাসিক ও আইনি প্রক্রিয়ার ফল। ভক্তরা কয়েক প্রজন্ম ধরে এই বিশ্বাসে ছিলেন রাম জন্মভূমিতে (Pran Pratishtha Anniversary) এক বিশাল মন্দির একদিন গড়ে উঠবে। এই মন্দির বা রাম লালার বিগ্রহ কেবল ভক্তি নয়, সাংস্কৃতিক আত্মমর্যাদারও প্রতীক। সাংবিধানিক উপায়ে এই মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনায় ভারতের গণতান্ত্রিক ও বিচার ব্যবস্থার উপর বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে। তাই মন্দিরটি কেবল একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, সভ্যতার অবিচলতার আরও এক প্রতীক।

    রাম আশ্রয়স্থল

    সনাতন ধর্মে, প্রাণ প্রতিষ্ঠা মন্দির পূজার অন্যতম পবিত্র আচার। শব্দটি আক্ষরিক অর্থে বোঝায় জীবনের সঞ্চার। প্রভু রাম আগে এখানেই ছিলেন। মন্দির পুনঃপ্রতিষ্ঠায় রামলালাকে আরেকবার গর্ভগৃহে স্থাপনা করা হয়েছে। সেই মুহূর্তটিকে নির্দেশ করে যখন আনুষ্ঠানিকভাবে দেবতার ঐশ্বরিক উপস্থিতি মূর্তিতে আহ্বান করা হয়, এটিকে একটি নির্মিত রূপ থেকে পূজার যোগ্য এক জীবন্ত মূর্তিতে রূপান্তরিত করেছে। সমস্ত সনাতন হিন্দু ধর্মের (Pran Pratishtha Anniversary) মানুষের কাছে এই মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) সকল আস্থার ভর কেন্দ্র।

    প্রাণ প্রতিষ্ঠা ছিল অনুষ্ঠানটির ছিল বহুমাত্রিক

    ২০২৪ সালে শ্রী রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান প্রাচীন শাস্ত্র এবং বৈদিক নির্দেশাবলী কঠোরভাবে পালন করে সম্পন্ন হয়েছিল। ভগবান শ্রী রামকে (Ayodhya Ram Mandir) আনুষ্ঠানিকভাবে গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত করা হয়েছিল। ভক্তদেরকে শ্রী রাম লালার সঙ্গে সরাসরি আধ্যাত্মিক সম্পর্ক স্থাপন করে দেয়। প্রাণ প্রতিষ্ঠার হিন্দুধর্মে গভীর ধর্মতাত্ত্বিক ও দার্শনিক গুরুত্ব রয়েছে। বিশ্বাস করা হয় যে এই আচারের মাধ্যমে মূর্তির মধ্যে ঐশ্বরিক চেতনা জাগ্রত হয়, যা ভক্তদের (Pran Pratishtha Anniversary) আধ্যাত্মিক সংযোগ এবং ঐশ্বরিক কৃপা অনুভব করতে সক্ষম করে।

    শ্রী রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা ছিল অনুষ্ঠানটির ছিল বহুমাত্রিক তাৎপর্য:

    • ধর্মীয় তাৎপর্য: এটি মন্দিরের আধ্যাত্মিক ভিত্তি সম্পূর্ণ হয়েছে, সনাতন ঐতিহ্য অনুসারে পূর্ণাঙ্গ পূজা পরিচালনার পথ খুলে দিয়েছে।
    • সাংস্কৃতিক তাৎপর্য: এটি ভারতের প্রাচীন আচার-অনুষ্ঠানগুলিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সহস্রাব্দ-প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
    • সভ্যতার তাৎপর্য: এটি ভারতীয় সভ্যতার সহনশীলতার প্রতীক, যা ঐতিহাসিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার বিশ্বাস এবং পরিচয়কে ধরে রেখেছিল।

    ভক্তদের জন্য, প্রাণ প্রতিষ্ঠা প্রতীকী অভিনয় নয়; এটি মানব ও ঐশ্বরিকতার মধ্যে মিলনের এক গভীর মুহূর্ত।

    শুদ্ধিকরণ, অভিষেক, মন্ত্রপাঠ

    রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানটি আচারের এক সুচিন্তিতভাবে কাঠামোগত ক্রম অনুসরণ করা হয়েছিল।

    বিগ্রহের শুদ্ধিকরণ: ভগবান শ্রী রামের বিগ্রহকে পবিত্র জল, পঞ্চামৃত (দুধ, দই, ঘি, মধু এবং চিনির মিশ্রণ) এবং বৈদিক মন্ত্র ব্যবহার করে আনুষ্ঠানিকভাবে শুদ্ধ করা হয়েছিল। এই পদক্ষেপটি শারীরিক ও আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধি নির্দেশ করে।

    অভিষেক: দেবতাকে গঙ্গা জল এবং অন্যান্য পবিত্র পদার্থ দিয়ে স্নান করানো হয়েছিল, যা ঐশ্বরিক পবিত্রতা এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের (Pran Pratishtha Anniversary) প্রতীক।

    মন্ত্র পাঠ এবং যজ্ঞ: বৈদিক পণ্ডিতরা বিস্তৃত যজ্ঞ সম্পাদন করেছিলেন, ঐশ্বরিক শক্তি এবং আশীর্বাদ আহ্বান করার জন্য শক্তিশালী মন্ত্র জপ করার সময় পবিত্র অগ্নিতে নৈবেদ্য প্রদান করেছিলেন।

    মূল প্রাণ প্রতিষ্ঠা: এই কেন্দ্রীয় আচারটিতে শাস্ত্রীয় পদ্ধতি অনুসারে বিদ্বান পুরোহিত এবং সাধুদের দ্বারা কঠোরভাবে পরিচালিত মূর্তির মধ্যে প্রতীকীভাবে প্রাণ শক্তি সঞ্চালন জড়িত ছিল।

    গর্ভগৃহে স্থাপন: প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর, আরতি, ভজন এবং ভক্তিমূলক স্তোত্রের মাধ্যমে বিগ্রহকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থায়ীভাবে গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল।

    প্রতিটি পদক্ষেপই নিয়ম, পবিত্রতা এবং শ্রদ্ধার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এগুলি আচারের গভীরতা এবং তাৎপর্যকে প্রতিফলিত করে।

    শ্রী রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Pran Pratishtha Anniversary) প্রভাব সুদূরপ্রসারী

    • ধর্মীয় প্রভাব: বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের জন্য, অনুষ্ঠানটি সম্মিলিত বিশ্বাস এবং ভক্তিকে শক্তিশালী করেছে, ধর্ম এবং আধ্যাত্মিক শৃঙ্খলার উপর আস্থা জোরদার করেছে।
    • সাংস্কৃতিক প্রভাব: এই ঘটনাটি ভারতের জীবন্ত ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছে, তরুণ প্রজন্মকে রামায়ণ-ভিত্তিক আচার, মূল্যবোধ এবং সভ্যতার আখ্যানগুলির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।
    • সামাজিক ঐক্য: মন্দিরটি একটি ঐক্যবদ্ধ প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা অঞ্চল, জাতি এবং ভাষাগত পটভূমি নির্বিশেষে ভক্তদের আকর্ষণ করছে, একীভূত আধ্যাত্মিক পরিচয়কে উৎসাহিত করছে।

    এছাড়াও, অযোধ্যা ধর্মীয় পর্যটন (Ayodhya Ram Mandir), অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পুনর্জাগরণ দেখছে, যা আঞ্চলিক বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক দৃশ্যমানতায় অবদান রাখছে।

    রামরাজ্যের মূল নীতি

    রাম রাজ্যের ধারণা ভারতীয় দার্শনিক চিন্তাধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। রামায়ণে ন্যায়বিচার, নৈতিক শাসন এবং সম্মিলিত কল্যাণের যুগ হিসাবে বর্ণিত, রাম রাজ্য কোনো ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্র না হয়ে একটি আদর্শ সামাজিক শৃঙ্খলাকে প্রতিনিধিত্ব করে। রাম রাজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত মূল নীতিগুলির মধ্যে রয়েছে:

    • ন্যায়বিচার এবং সমতা: সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সাথে ন্যায্য আচরণ।
    • ধর্মের প্রাধান্য: নৈতিক এবং নীতিগত মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত শাসন।
    • সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ: সামাজিক ঐক্যের সাথে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।
    • পরিবেশগত ভারসাম্য: প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং সুস্থির জীবনযাপন।
    • মানবিক মর্যাদা: ভয়, ক্ষুধা এবং শোষণের অনুপস্থিতি।

    তুলসীদাস, রামচরিতমানসে, এই আদর্শ সমাজকে দুঃখ, ভয়, রোগ এবং বৈষম্যমুক্ত হিসাবে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন—যা একটি ঐতিহাসিক দাবি না হয়ে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

    আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে সামাজিক রূপ

    পরিশেষে, শ্রী রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা বিচ্ছিন্নতার পরিবর্তে সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার প্রতিনিধিত্ব করে। প্রাচীন বিশ্বাসকে আধুনিক শাসনের সঙ্গে আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে সামাজিক দায়িত্বের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। মূল ভাব ভক্তির মধ্যে নিহিত হলেও, এর বৃহত্তর বার্তাটি নৈতিক জীবনযাপন, ঐক্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে।

    অযোধ্যার গর্ভগৃহে ভক্তরা প্রার্থনা করার সময়, মন্দিরের কেবল উপাসনার স্থান হিসাবেই নয়, ভারতীয় সভ্যতার একটি জীবন্ত প্রতীক হিসাবেও কাজ করে। এই যাত্রা ঐতিহ্য এবং আধুনিকতা, বিশ্বাস এবং যুক্তি, ব্যক্তিগত ভক্তি এবং সম্মিলিত কল্যাণের মধ্যে সমন্বয়ের আদর্শে পরিপূর্ণ।

  • Ayodhya Ram Mandir: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের চূড়ায় ২২ ফুট গেরুয়া ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    Ayodhya Ram Mandir: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের চূড়ায় ২২ ফুট গেরুয়া ধ্বজ উত্তোলন করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যা রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) জন্য আমেদাবাদের একটি কোম্পানি রেশম পতাকা তৈরি করেছে । ১৬১ ফুট উঁচু চূড়ায় ২২ ফুট গেরুয়া পতাকা উত্তোলন করবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Pm modi)। এই পতাকার গৈরিক বর্ণ। রাম লালার মন্দিরের সর্বোচ্চ শিখরে এই পতাকা উত্তোলন করা হবে। ইতিমধ্যে এই পতাকা বা ধ্বজ উত্তোলনের জন্য সাজিয়ে তোলা হয়েছে গোটা মন্দির চত্বর।

    উত্তোলন হবে সূর্য এবং ঔঁ যুক্ত গৈরিক পতাকা (Ayodhya Ram Mandir)

    আগামী ২৫ নভেম্বর রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) শিখরে তোলা হবে এই গৈরিক পতাকা। গুজরাটের আমেদাবাদে প্যারাশ্যুট তৈরিতে পারদর্শী একটি অভিজ্ঞ কোম্পানি তৈরি করবে এই পতাকা। এই গৈরিক পতাকাটি বিশেষ রেশমের সুতো এবং প্যারাশ্যুট কাপড় ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে রোদ, বৃষ্টি এবং তীব্র বাতাসের বিরুদ্ধে ভীষণ ভাবে টেকসই হবে। বাতাসের আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রার তারতম্য সহ্য করার জন্য ডিজাইন করা ২২ ফুট লম্বা এবং ১১ ফুট প্রস্থের পতাকাটি মন্দিরের ১৬১ ফুট উঁচু চূড়ার উপরে স্থাপিত ৪২ ফুট লম্বা একটি দণ্ডে স্থাপন করা হবে। পতাকায় আঁকা থাকবে বাল্মীকি রামায়ণের সূর্য এবং ঔঁ।

    থাকবেন মোহন ভাগবত-যোগী

    শ্রী শ্রী রামজন্মভূমি ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Ayodhya Ram Mandir) সূত্রে জানিয়েছে, “পতাকাদণ্ডটি বল বিয়ারিংয়ের উপর করে তৈরি একটি ৩৬০ ডিগ্রি ঘূর্ণায়মান চেম্বারে থাকবে। কোনও রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই ঘণ্টায় ৬০ কিমি বেগে বাতাসকে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হবে।” সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, পতাকা উত্তোলনের দিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের সরসংঘ চালক মোহন ভাগবত এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রথমে হনুমানগড়িতে প্রার্থনা করবেন। এরপর রাম মন্দিরের যাবেন। আগামী ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া ৫ দিনের অনুষ্ঠানে আয়োজনকে দেখার জন্য আরএসএস-এর তরফে গোপাল রাওকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি (Pm modi) সপ্ত মন্দির এবং রামায়ণ দৃশ্য চিত্রিত থ্রিডি ম্যুরালও দেখবেন বলে জানানো হয়েছে। আগত ভক্তদের জন্য মোট ৭ জায়গায় প্রসাদ পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

  • Ram Mandir Ayodhya: রাম লালা থেকে রাজাধিরাজ রাম, ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা ২.০’-এর জন্য প্রস্তুত অযোধ্যা

    Ram Mandir Ayodhya: রাম লালা থেকে রাজাধিরাজ রাম, ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা ২.০’-এর জন্য প্রস্তুত অযোধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার প্রাচীন মন্দিরনগরী ফের একবার ভক্তির সুরে মুখর হয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি ঐতিহাসিক রাম লালার ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’র (Ram Mandir Ayodhya) পর, এবার আসছে আরও এক মহার্ঘ মুহূর্ত—‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা ২.০’। আগামী ৫ জুন, গঙ্গা দশহরার দিন এই নতুন ধর্মীয় অধ্যায় শুরু হচ্ছে, যেখানে প্রথম তলায় রাজারূপে রামচন্দ্রের প্রতিষ্ঠা হতে চলেছে। বালক রামের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়ে গিয়েছিল ১৫ মাস আগে। এবার অযোধ্যায় হবে রামলালার রাজ্যাভিষেক পর্ব। মন্দিরের প্রথম তলায় রামদরবার বা রাজদরবার স্থাপনের পরে, রাজা রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    রামমন্দির নির্মাণের কাজ শেষের পথে

    রাজদরবার স্থাপনের মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিক ভাবে অযোধ্যার রামমন্দির (Ram Mandir Ayodhya) নির্মাণের কাজের সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে। আজ মঙ্গলবার থেকে শুরু ৩ দিনের এই প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান (Pran Pratistha)। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘রাম দরবার’। ৮টি মন্দিরে আট বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা হবে। অনুষ্ঠানে কোনও রাজনৈতিক নেতা এবং ভিআইপি-কে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। শুধু থাকবেন ধর্মগুরুরা। বিতর্ক এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। রামমন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র আগেই জানিয়েছিলেন, নির্মাণকাজ ৫ জুনের মধ্যে শেষ হলেও, মন্দিরের নীচের অংশে ভগবান রামের কাহিনী খোদিত দেওয়ালচিত্রগুলি স্থাপন করার কাজ বাকি থাকবে। ৫ জুন প্রাণ প্রতিষ্ঠার এক সপ্তাহ পর, মন্দিরের নবনির্মিত অংশগুলি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

    রাজা রাম-এর আরাধনায় দ্বিতীয় দফার উৎসব

    শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে, তিন দিনের অনুষ্ঠানে (৩-৫ জুন) থাকছে বৈদিক যজ্ঞ, পুজো, শোভাযাত্রা, ও মহা আরতি। শহরজুড়ে রং-বেরঙের পতাকা, গাঁদাফুলের মালা ও রঙ্গোলিতে সেজে উঠেছে পথঘাট। তবে ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই জানিয়েছেন, “এই অনুষ্ঠান কোনও জনসমাগম বা রাজনৈতিক জমায়েত নয়, বরং একটি গভীর আধ্যাত্মিক অনুষঙ্গ। তাই অযথা ভিড় না করে, কেবল রাম লালার দর্শনে ইচ্ছুকরাই আসুন।” রাজা রাম-এর ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’—৫ জুন বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে সম্পন্ন হবে। সেই দিন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের জন্মদিনও, তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    বালক রাম থেকে রাজা রাম

    ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে রামচন্দ্রের বালক রূপের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মন্দিরের নিচতলায় গর্ভগৃহে। এবার মন্দিরের প্রথম তলায় রাজা রূপে রামের প্রতিষ্ঠা হবে। তাঁর সঙ্গে থাকবে দেবী সীতা, লক্ষ্মণ, ভরত, শত্রুঘ্ন ও ভক্ত হনুমান—যিনি সেবা ও ভক্তির চিহ্ন হয়ে থাকবেন। মূল দেবমূর্তির পাশাপাশি, মন্দিরের পরিধিতে (পরিকোটায়) সাতটি প্রধান মন্দিরে বিভিন্ন দেব-দেবীর ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ হবে। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, দেবতাদের অবস্থান ঠিক করা হয়েছে। ঈশান কোণে শিব, অগ্নি কোণে গণেশ, দক্ষিণে হনুমান, নৈঋতে সূর্যদেব, ব্যায়ব্য কোণে ভগবতী, উত্তরে অন্নপূর্ণা, দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে শেশাবতার লক্ষ্মণ-এর মন্দির প্রতিষ্ঠিত হবে। এছাড়াও, বাল্মীকি, বশিষ্ঠ, বিশ্বামিত্র, অহল্যা, শবরী ও নিশাদ রাজের নামে সাতটি মন্দিরে ‘প্রাণ প্রতিষ্ঠা’ সম্পন্ন হবে।

    সোনার শিখর: ভক্তির শিরমণি

    নতুন এই পর্বে সবচেয়ে নজরকাড়া স্থাপত্যিক সংযোজন হল ‘স্বর্ণ শিখর’—রাম মন্দিরের (Ram Mandir Ayodhya) সোনায় মোড়া চূড়া। নগর শৈলীর ঐতিহ্য মেনে নির্মিত এই শিখরটি মন্দিরের আধ্যাত্মিক চূড়া বা ‘মেরু’র প্রতীক। এটি মাইলের পর মাইল দূর থেকে দৃশ্যমান, ভক্তির দীপ্ত প্রতীক।

    নিরাপত্তার চূড়ান্ত ব্যবস্থা

    উৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে ১০,০০০-এরও বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ড্রোন, সিসিটিভি ক্যামেরা ও মাল্টি-লেভেল চেকপোস্টের সাহায্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। অযোধ্যার জেলা শাসক নিখিল তিকরাম ফুন্ডে জানিয়েছেন, “যাত্রী ও দর্শনার্থীদের জন্য যথাযথ স্থান ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে কোনও ভক্তর কোনও অসুবিধা না হয়।”

    ২০২৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে সম্পূর্ণ মন্দির

    ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পর, ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট ভূমি পূজনের মাধ্যমে রাম মন্দির (Ram Mandir Ayodhya) নির্মাণের সূচনা হয়। এরপর থেকে দ্রুতগতিতে মন্দির নির্মাণ চলছে। ৩৮০ ফুট দীর্ঘ, ২৫০ ফুট প্রস্থ ও ১৬১ ফুট উচ্চতাসম্পন্ন মন্দিরটি সম্পূর্ণভাবে গোলাপি বেলেপাথরে নির্মিত হচ্ছে। ৩৯২টি খোদাইকৃত স্তম্ভ ও ৪৪টি অলঙ্কৃত দরজা রয়েছে এই মন্দিরে। ২০২৫ সালের অক্টোবর নাগাদ পুরোপুরি মন্দিরের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র বলেন, “এই নির্মাণ শুধুই আধ্যাত্মিক না, এটি আমাদের জাতীয় গর্ব এবং সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের প্রতীক।”

  • Ayodhya Ram Mandir: ৯৪৪ কেজি রুপো দান! ৫ বছরে সরকারকে ৩৯৬ কোটি টাকা কর দিল অযোধ্যার রাম মন্দির

    Ayodhya Ram Mandir: ৯৪৪ কেজি রুপো দান! ৫ বছরে সরকারকে ৩৯৬ কোটি টাকা কর দিল অযোধ্যার রাম মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রী-রাম মাহাত্ম্যে ভক্তদের প্রাণকেন্দ্র এখন অযোধ্যা (Ayodhya Ram Mandir)। প্রতিদিন অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামছে। বিশেষ বিশেষ দিনে তো জনসমুদ্র। দেশের কোষাগারকেও ভরিয়ে তুলছে রাম মন্দির। ধর্মীয় পর্যটনের উত্থানের জেরে বিগত ৫ বছরে শ্রী রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট সরকারকে ৩৯৬ কোটি টাকা কর দিয়েছে। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রাই সম্প্রতি এই কথা জানিয়েছেন। এই অর্থ ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এর মধ্যে দেওয়া হয়েছে। এই ৪০০ কোটি টাকা করের মধ্যে ২৭০ কোটি টাকা জিএসটি দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৩০ কোটি টাকা অন্যান্য কর (Ram Mandir Tax) হিসাবে দেওয়া হয়েছে। রামমন্দির ট্রাস্টের দাবি, কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল দ্বারা অডিট করা হিসাবই প্রকাশ করা হয়েছে।

    ভক্তদের ভিড় রাম মন্দিরে

    ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir)। তারপর থেকেই রাম মন্দিরে ভক্তদের ভিড় লেগেই রয়েছে। বড় বড় উৎসবে নামে অগুনতি পুণ্যার্থীর ঢল। গত বছর অযোধ্যা ১৬ কোটি দর্শনার্থী ভিড় জমিয়েছিলেন, যা রেকর্ড। যার মধ্যে ৫ কোটি রাম মন্দির পরিদর্শন করেছেন। রাম মন্দিরের ট্রাস্টের কর্তা চম্পত রাই বলেন, “অযোধ্যায় ভক্ত ও পর্যটকদের সংখ্যা ১০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এটিকে একটি প্রধান ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করেছে এবং স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। মহাকুম্ভের সময় ১.২৬ কোটি ভক্ত অযোধ্যায় এসেছিলেন।” তবে রাম মন্দির তৈরি হওয়ার আগেও কিন্তু বহু মানুষ গিয়েছিলেন রামলালার দর্শন করতে।

    রাম মন্দিরে নিয়মিত আয় ও কর প্রদান

    ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Ayodhya Ram Mandir) গত পাঁচ বছরে রাম মন্দিরের নির্মাণের জন্য ২,১৫০ কোটি টাকা খরচ করেছে, যার মধ্যে ১৮ শতাংশ অর্থ সরকারকে ট্যাক্স (Ram Mandir Tax) হিসেবে পরিশোধ করা হয়েছে। এই অর্থ প্রধানত জনগণের দান, ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য দাতাদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে। মন্দিরের নির্মাণ শুরুর আগে ভারত সরকার মাত্র এক টাকা দান করেছিল। চম্পত রাই আরও জানান, গত পাঁচ বছরে ট্রাস্ট মোট ৩,৫০০ কোটি টাকা দান সংগ্রহ করেছে, যার ৬০ শতাংশই ২০২০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সংগ্রহ করা হয়। গত পাঁচ বছরে, ট্রাস্ট সরকারী বিভাগগুলোকে ৩৯৬ কোটি টাকা ট্যাক্স প্রদান করেছে। এর মধ্যে ২৭২ কোটি টাকা জিএসটি হিসেবে, এবং ১৩০ কোটি টাকা বিভিন্ন ট্যাক্স ক্যাটেগরিতে প্রদান করা হয়েছে।

    আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা

    চম্পৎ রাই জানান, ট্রাস্ট রাজকীয় নির্মাণ সংস্থা (উত্তরপ্রদেশ রাজকীয় নির্মাণ নিগম)-কে  রাম কথা মিউজিয়ামের চারপাশে তিনটি গেট নির্মাণের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ট্রাস্ট সরকারী অ্যাকাউন্টে ৩৯ কোটি টাকা জমা করেছে, আর রয়্যালটি হিসেবে ১৪.৯০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে এবং নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য ৭.৪০ কোটি টাকা শ্রম তহবিল হিসেবে বরাদ্দ করেছে। এছাড়া, ৪ কোটি টাকা বিমা পলিসির জন্য রাখা হয়েছে এবং রাম জন্মভূমি মানচিত্র অনুমোদন করার জন্য আয়োধ্যা বিকাশ প্রাধিকারণের জন্য ৫ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। গত পাঁচ বছরে, ভক্তরা শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ট্রাস্টে ৯৪৪ কিলোগ্রাম রুপো দান করেছেন (যার ৯২ শতাংশ বিশুদ্ধ)। ভারত সরকারের মিন্টিং কর্পোরেশন প্রাপ্ত রুপো দিয়ে বিশাল রুপোর ইট তৈরি করেছে, যেগুলো ব্যাঙ্ক লকারে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে, চম্পত রায় এ তথ্য শেয়ার করেছেন। তিনি আরও জানান যে, রাম মন্দিরের নির্মাণ কাজ প্রায় ৯৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। চম্পত রাই জানান, শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট স্বচ্ছভাবে এই কর পরিশোধ করেছে। এই টাকা সরকারের কোষাগারে জমা হয়েছে। তাঁদের আর্থিক লেনদেন ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (ক্যাগ) নিয়মিত পরীক্ষা করেও দেখে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ল্য়ান্ড-মার্ক অযোধ্যা

    ২০১৯ সালে যুগান্তকারী নির্দেশের পর ২০০০ সালে অযোধ্যায় রামলালার মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) সেই কাজ করেছিলেন। এরপরই রামমন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়। এক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পুরোভাগে। এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রখ্যাত সব সাধু, সন্ন্যাসী, দেশ বিদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট্যজন। হিন্দুদের বিশ্বাস, অযোধ্য়ায় মন্দিরের জায়গাতেই রামলালার জন্ম হয়েছিল। বর্তমানে অযোধ্যা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ল্য়ান্ড-মার্কে পরিণত হয়েছে। রাম মন্দিরের দৌলতে ভরে উঠছে কোষাগার। এই মন্দির থেকে রাজস্ব এবং কর হিসেবে জমা পড়ছে বিপুল অঙ্কের টাকা।

  • Ayodhya Ram Mandir: আজ প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি, পঞ্চামৃত অভিষেক সম্পন্ন হল রামলালার

    Ayodhya Ram Mandir: আজ প্রাণপ্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি, পঞ্চামৃত অভিষেক সম্পন্ন হল রামলালার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার (Ramlala Pran Pratishtha) প্রথম বর্ষ পূর্তি উদযাপন হচ্ছে। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, পৌষ মাসের শুক্ল দ্বাদশীতে হয়েছিল রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা (Ramlala Pran Pratishtha)। যাকে কুর্ম দ্বাদশীও বলে। সেই তিথি পড়েছে আজ, শনিবার। এদিন দুধ, দই, ঘি, মধু সহকারে পঞ্চামৃত অভিষেক সম্পন্ন হয় রামলালার। এরপর গঙ্গাজলে রামের মূর্তিকে স্নান করানো হয়। জানা যাচ্ছে, কমপক্ষে ৫ হাজার ভক্তকে রাম-কথা শোনানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir)।

    শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোদি 

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামলালার বর্ষপূর্তি (Ramlala Pran Pratishtha) উপলক্ষে এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘‘সবাইকে শুভকামনা। দীর্ঘদিনের ত্যাগ, তপস্যা ও লড়াইয়ের পর এই মন্দির আমাদের সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতার দিকটিই তুলে ধরে।’’‌

    সকাল থেকেই বৈদিক রীতি মেনে চলছে পুজো-পাঠ 

    সকাল থেকেই বৈদিক রীতি মেনে চলছে পুজো-পাঠ। ৬ লক্ষ বার শ্রীরামের মন্ত্রোচ্চারণ হবে এদিন। একইসঙ্গে পাঠ করা হবে রামরক্ষা স্তোত্র ও হনুমান চালিশা। শনিবার মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) একতলায় দুপুর ৩-৫টা পর্যন্ত চলবে রাগসেবা। এরপর ৬টা থেকে শুরু হবে ভজন-কীর্তন অনুষ্ঠান। ভক্তদের জন্য ভোগের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। রাম মন্দির ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার রামলালার (Ramlala) জন্য ৫৬ রকমের ভোগ তৈরি করা হয়েছে। রামলালার পুজো সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পরেই সেই ভোগ ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ৫০ কুইন্টাল ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে অযোধ্যাকে (Ayodhya)

    প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আরও নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir)। এদিনই লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী ভিড় করেছেন অযোধ্যায়। কোথাও তিল ধারণের জায়গা নেই। এত ভক্তের ভিড় সামাল দিতে পুলিশি নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে। ৫০ কুইন্টাল ফুলদিয়ে সাজানো হয়েছে গোটা রাম মন্দিরকে (Ramlala Pran Pratishtha)। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট জানিয়েছে, বছরের পয়লা দিনে ২ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়েছিল অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir)। এবার সংখ্যাটা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হবে ১১ জানুয়ারি, ঘোষণা ট্রাস্টের

    Ayodhya Ram Mandir: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হবে ১১ জানুয়ারি, ঘোষণা ট্রাস্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় প্রভু রামলালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Prana Pratishtha Anniversary) প্রথম বর্ষপূর্তি পালিত হবে ধুমধাম করেই। হিন্দু গণনা পদ্ধতিতে বা ক্যালেন্ডার মতে, কুর্ম দ্বাদশীর দিনেই পড়েছে ওই শুভ মুহূর্ত। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের ১১ জানুয়ারি রামলালার প্রথম প্রাণ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করা হবে। এখন এই বিরাট আয়োজন এবং উৎসবকে পালন করতে অযোধ্যা নগরী আবার সেজে উঠবে। এই ঘোষণার পরই দেশ জুড়ে রামভক্তদের মধ্যে তীব্র উচ্ছ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে।

    প্রভু রামলালার ৫১ ইঞ্চি মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল (Ayodhya Ram Mandir)

    রাম মন্দির উদ্বোধনের প্রথম বর্ষপূর্তিতে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট ঘোষণা করে বলেছে, “প্রভু রামলালার (Ayodhya Ram Mandir) ৫১ ইঞ্চি মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বার্ষিকী (Prana Pratishtha Anniversary) পালিত হবে আগামী বছরের ১১ জানিয়ারি। পৌষ শুক্ল দ্বাদশী (কুর্ম দ্বাদশী) হিসেবে পালন করা হবে। হিন্দু ঐতিহ্য, আচার এবং পরম্পরা মতে এই দিনটি পালিত হবে।” উল্লেখ্য এদিন অযোধ্যার মণি রাম দাস সেনানিবাসে ট্রাস্টের একটি বিশেষ বৈঠক থেকে এই ঘোষণা করা হয়।

    প্রত্যকে রামভক্তের কাছে দিনটি স্মরণীয়

    উল্লেখ্য গত ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের গর্ভগৃহে প্রভু শ্রী রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর মন্দির ভক্ত এবং জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। সেই সময়ও শুভ মুহূর্ত চয়ন করা হয়েছিল ভারতীয় গণনা পদ্ধতি এবং হিন্দু শাস্ত্রের বিধি-বিধান অনুসারেই। ট্রাস্টের (Ayodhya Ram Mandir) সাধারণ সম্পাদক, চম্পত রাই বলেছেন, “ভারতীয় পঞ্জিকা এবং হিন্দু রীতির উপর নির্ভর করে সব দিক বিবেচনা করে সামঞ্জস্য রেখে এবং বিস্তৃত আলোচনা করে এই দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিন রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষ (Prana Pratishtha Anniversary) পালন করা হবে। প্রাচীন ঐতিহ্যকে সম্মান এবং আমাদের সংস্কৃতির শিকড়ের সঙ্গে ভক্তদের সংযুক্ত করবে এই উদযাপন কর্মকাণ্ড। আমরা চাই প্রত্যকে রামভক্তের কাছে দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকুক।” উল্লেখ্য, বৈঠক সম্পন্ন হয় রামমন্দিরের মহন্ত নিত্য গোপাল দাসের সভাপতিত্বে। মন্দিরের একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। ভারত সরকারের বিশেষ সচিব প্রকাশ লোখান্ডেও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে।

    তীর্থযাত্রীদের স্থায়ী সুবিধা

    রামমন্দির (Ayodhya Ram Mandir) দর্শন করতে লক্ষ লক্ষ মানুষ আসছেন। ভক্তদের দর্শনকে আরও নিরাপদ এবং সুন্দর করতে ৯ মিটার চওড়া এবং ৬০০ মিটার দৈর্ঘ্য স্থায়ী আচ্ছাদন নির্মাণ করা হবে। সারা বছরের রোদ, তাপ, ঝড় এবং বৃষ্টির মতো দুর্যোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করবে। এই নির্মাণটি উত্তর প্রদেশের স্টেট কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন এবং লারসেন অ্যান্ড টুব্রো (এল অ্যান্ড টি) দ্বারা পরিচালিত হবে। সম্প্রতি, মন্দিরের দক্ষিণ কোণে একটি বড় অডিটোরিয়াম, গেস্ট হাউস ও ট্রাস্টেের নতুন দফতরের উদ্বোধন করেন প্রধান পুরোহিত মহন্ত নৃত্য গোপাল দাস।

    আরও পড়ুনঃ রান্নার গ্যাস থেকে ক্রেডিট কার্ড, ১ ডিসেম্বর থেকে একাধিক নিয়মে বদল, আগে জেনে নিন

    স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র

    মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ৩০০০ বর্গ মিটার জুড়ে একটি অত্যাধুনিক স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই কেন্দ্র আলট্রাসাউন্ড পরিষেবা সহ আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত করা থাকবে। স্থানীয় জনতা এবং দেশ-বিদেশ থেকে আগত তীর্থ যাত্রীরা সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তবে সপ্ত মন্ডল মন্দির (Ayodhya Ram Mandir), মন্দির কমপ্লেক্সের একটি মূল উপাদান। এটি মার্চ ২০২৫ সালের মধ্যে নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    পণ্ডিতদের প্রশিক্ষণ

    রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) পণ্ডিতদের জন্য একটি ছয়মাসের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল। তাও সম্প্রতি শেষ হয়েছে। বৈদিক আচার, বিধি-বিধান মতে কিভাবে কাজ করা হবে সেই বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় পণ্ডিতদের। নিযুক্ত পণ্ডিতদের সকলকে রোটেশন পদ্ধতিতে কাজ কারানো হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: আর চিনা সামগ্রী নয়, দীপাবলিতে অযোধ্যার রাম মন্দির সেজে উঠেছে শুধুই মাটির প্রদীপে

    Ayodhya Ram Mandir: আর চিনা সামগ্রী নয়, দীপাবলিতে অযোধ্যার রাম মন্দির সেজে উঠেছে শুধুই মাটির প্রদীপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামায়ণের কাহিনী অনুযায়ী, রাম বনবাসের পরে দীপাবলির সময়ে অযোধ্যায় ফিরে এসেছিলেন। ২০১৫ থেকে সেই দীপাবলির আগের দিন অযোধ্যায় দীপোৎসব শুরু হয়েছে। চলতি বছর এই উৎসব ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। অযোধ্যায় রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম সেখানে দীপোৎসবের আয়োজন চলছে। এই উৎসবে স্থানীয় কারিগরদের উৎসাহ দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভোকাল ফর লোকাল’ নীতি মেনে অযোধ্যা মন্দিরে সব রকম চিনা পণ্য (Chinese Lights in Diwali) নিষিদ্ধ করেছে শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। জ্বলবে শুধু মাটির প্রদীপ।

    চিনা পণ্য নয়

    রামমন্দির উদ্বোধনের পর প্রথমবার সেখানে দীপাবলি উদযাপন হচ্ছে। আয়োজনে কোনওরকম খামতি রাখতে রাজি নয় মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ড। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, এবছর দীপাবলি উদযাপনে শ্রীরামের জন্মভূমি ক্ষেত্র অযোধ্যা, মন্দির চত্বরে একেবারে নিষিদ্ধ চাইনিজ লাইট-সহ (Chinese Lights in Diwali) যে কোনও চিনা সামগ্রীর ব্যবহার। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট দীপাবলির সময় চিনা সামগ্রীর ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হয়েছে, স্থানীয় কারিগরদের উৎসাহ দিতে এবং ‘ভোকাল ফর লোকাল’ উদ্যোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আত্মনির্ভর ভারতের দিকে এগিয়ে যেতে চায় অযোধ্যা।

    রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) চিনা সাজসজ্জার সামগ্রী ব্যবহার না করা প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে, অযোধ্যার কমিশনার গৌরব দয়াল বলেন, “শুধুমাত্র স্থানীয় কারিগরদের তৈরি স্থানীয় সামগ্রী ব্যবহার করার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। মানুষের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে। তবে মন্দির চত্বরের বাইরে গোটা শহরে চিনা উপাদান ব্যবহার না করার কোনও নির্দেশ নেই। এটি তাঁদের উপর নির্ভর করবে। আমরা মানুষকে জোর করতে পারি না।”

    প্রধানমন্ত্রীর শুভ-কামনা

    ইতিমধ্যেই দীপাবলি উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভ কামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “এই বছরের দীপাবলি বিশেষ বার্তাবহ। কারণ, ৫০০ বছর পর এই প্রথম ভগবান রাম অযোধ্যায় নিজের মন্দিরে দীপাবলি পালন করবেন। আমরাও তাঁর বিশালাকার মন্দিরে এই প্রথম শ্রীরামের সঙ্গে উৎসব পালন করব। এই মহান ও বিশাল দীপাবলির সাক্ষী হতে পারার মতো মুষ্টিমেয় সৌভাগ্যবান আমরা।” দীপাবলিতে মূল মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) পাশাপাশি পুরো চত্বর-সহ মূল সড়ক সর্বত্র সেজে উঠবে মাটির প্রদীপে। দীপাবলি উপলক্ষে রামলালার মূর্তি এবং লক্ষ্মণের মূর্তিকে পরানো হবে নতুন ডিজাইনার পোশাক। পোশাক ডিজাইন করবেন বিশিষ্ট ফ্যাশন ডিজাইনার মণীশ মালহোত্রা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: নিষিদ্ধ স্মার্টফোন, রাম মন্দিরের পুরোহিতদের পোশাকের রং গেরুয়া থেকে হলুদ 

    Ayodhya Ram Mandir: নিষিদ্ধ স্মার্টফোন, রাম মন্দিরের পুরোহিতদের পোশাকের রং গেরুয়া থেকে হলুদ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) পুরোহিতদের জন্য একগুচ্ছ নতুন নিয়ম আনল মন্দির কর্তৃপক্ষ। এত দিন মন্দিরের পুরোহিতেরা গেরুয়া রঙের পোশাক পরতেন। এ বার তাঁদের পরতে হবে হলুদ রঙের পোশাক। তবে কেবল রঙেই নয়, বদল আসছে পোশাকের ধরনেও। বুধবার পোশাকবিধি নিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এখন থেকে রাম মন্দিরের পুরোহিতরা আর গর্ভগৃহে স্মার্টফোন নিয়ে যেতে পারবেন না।

    কেন নয়া পোশাক বিধি (Ayodhya Ram Mandir) 

    রাম মন্দির সূত্রে খবর, পুরোহিতদের মধ্যে যাতে অভিন্নতা বজায় থাকে এবং মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) চত্বরে উপস্থিত অন্যান্যদের থেকে তাদের আলাদাভাবে চেনা যায়, তার জন্যই এই নয়া সিদ্ধান্ত। রাম মন্দিরের সহকারী পুরোহিত, সন্তোষ কুমার তিওয়ারি জানিয়েছেন, প্রধান পুরোহিত, চার সহকারী পুরোহিত এবং ২০ জন শিক্ষানবিশ পুরোহিত-সহ রাম মন্দিরের সকল পুরোহিতদেরই এখন থেকে মাথার বাঁধতে হবে হলুদ রঙের সাফা, পরতে হবে হলুদ রঙের চৌবন্দি এবং ধুতি। এর আগে, মন্দিরের অধিকাংশ পুরোহিতই গেরুয়া রঙের পোশাক পরতেন। সন্তোষ কুমার তিওয়ারি বলেন, “কয়েকজন পুরোহিত এর আগেও হলুদ পোশাক পরে আসতেন, তবে এটা বাধ্যতামূলক ছিল না।” তাঁর মতে, সনাতন ধর্ম অনুসারে পুরোহিতদের এমন পোশাক পরা উচিত, যা, প্রথমে মাথা গলাতে হয় এবং তারপর হাত গলাতে হয়। এই রীতি মেনেই নতুন পোশাক বিধি জারি করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: দেশে ফিরলেন বিশ্বজয়ীরা, আজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত বিরাট-রোহিতদের

    মন্দিরের ভিতরে ফোন নিষিদ্ধ (Ayodhya Ram Mandir) 

    এতদিন অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) কেবল মাত্র পুরোহিতরাই স্মার্ট ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারতেন। কিন্তু এবার তাঁরাও সেটা করতে পারবেন না। সেই সঙ্গে ৫ ঘণ্টার শিফটে কাজ করবেন সেখানকার কর্মীরা। এমনই জানানো হয়েছে নয়া নির্দেশিকায়। মন্দির কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, নিরাপত্তার কারণে ফোন নিয়ে মন্দির চত্বরে ঢুকতে পারবেন না কোনও পুরোহিত। সম্প্রতি মন্দিরের ভিতরের কিছু ছবি সমাজমাধ্যমে ‘ফাঁস’ হয়ে গিয়েছিল। তার পরেই ফোন নিয়ে কড়াকড়ির পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। পুরোহিতদের কাজ শুরু হবে ভোর সাড়ে ৩টেয়। শেষ হবে রাত ১১টায়। পুরোহিতদের এক একটি দলকে দিনে সর্বোচ্চ পাঁচ ঘণ্টা মন্দিরের কাজে নিযুক্ত থাকতে হবে, বলে জানিয়েছে রাম মন্দির ট্রাস্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: তাপপ্রবাহের জের, রামলালার পোশাক ও ডায়েটে আসল বিশেষ বদল

    Ayodhya Ram Mandir: তাপপ্রবাহের জের, রামলালার পোশাক ও ডায়েটে আসল বিশেষ বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বর্ষা প্রবেশ করলেও উত্তরপ্রদেশে তাপপ্রবাহ চলছে। তীব্র গরমে কষ্ট হচ্ছে রাম লালার (Ram Lala) । তাই প্রভুর জন্য বসল কুলারের পরিবর্তে এয়ার কন্ডিশন মেশিন। এই গরমে প্রভুকে সুস্থ রাখতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে রাম মন্দির (Ayodhya ram Mandir) কর্তৃপক্ষের তরফে। প্রভুর দৈনন্দিন কার্যকলাপ এবং খাবারে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

    রাম লালাকে পরানো হচ্ছে সুতির পোশাক 

    প্রভু এই (Ayodhya ram Mandir)  মন্দিরে বিরাজ করছেন পাঁচ বছরের বালক রূপে। রাম লালার যাতে এই গরমে কষ্ট না হয় সেই কারণে সুতির পোশাক পরানো হচ্ছে। রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের কারিগররা সুতি ও মলমলের পোশাক তৈরি করেছেন প্রভুর জন্য। চলতি বছর অন্ধ্রপ্রদেশের কলামকারি, পশ্চিমবঙ্গের জামদানি সুতি, ওড়িশার সম্বলপুরি পোশাক পড়েছেন প্রভু (Ram Lala) । তাঁকে গরমে ঠান্ডা রাখতে ফুলের অঙ্গরাগ করা হচ্ছে। প্রথমে এয়ার কুলার বসানো হলেও এবার গর্ভবৃহে বসানো হয় এয়ার কন্ডিশন। রাম লালাকে গরমে স্বস্তি দিতে তাঁর খাদ্যাভ্যাসও বদলানো হয়েছে রামলালাকে এখন ভোগে দেওয়া হচ্ছে দই, লসসি, ফলের রস। থাকছে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য তরমুজ, শসা, আম, লেবু ও নানা মরসুমী ফল। আরতির শিখার তাপে যাতে প্রভুর গরম না লাগে সেই কারণে শিখার প্রদীপের তেজ কম রাখা হচ্ছে।

    ভক্তদের জন্য ব্যবস্থা করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ 

    প্রভুর তীব্র তাপপ্রবাহে কষ্ট হলেও রামলালাকে দর্শন করতে এখনও হাজার হাজার ভক্ত আসছেন প্রতিদিন।ভারতবর্ষের নানান প্রান্ত থেকে ছাতা মাথায় ছুটে আসছেন তাঁরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের (Ayodhya ram Mandir)  তরফ থেকে ভক্তদের জন্যও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। গরম থেকে বাঁচতে মন্দিরের নানান প্রান্তে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: তাঁদের বীরত্ব ও দাপটের সামনে হার মানে আফগান বাহিনীও, জানুন নাগা সাধুদের ইতিহাস

    প্রসঙ্গত ৮ জুন অব্দি ‘নৌতপা’ চলবে। প্রতিবছর গ্রীষ্মের জ্যেষ্ঠ মাসে নটি দিন তীব্র গরম থাকে। এবার সেই নৌতপা ২৫ মে শুরু হয়েছিল। শেষ ছয়দিন সবচেয়ে বেশি গরম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর জন্যই প্রভুর (Ram Lala) উপর বিশেষ ধ্যান রাখছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share