Tag: Ayodhya

Ayodhya

  • Ram Mandir: প্রায় সম্পূর্ণ অযোধ্যা রাম মন্দিরের নির্মাণের কাজ, বৈদিক রীতিতে সম্পন্ন কলসি পুজো

    Ram Mandir: প্রায় সম্পূর্ণ অযোধ্যা রাম মন্দিরের নির্মাণের কাজ, বৈদিক রীতিতে সম্পন্ন কলসি পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় সম্পূর্ণ অযোধ্যার রাম মন্দিরের নির্মাণের কাজ। গত পরশু অর্থাৎ বুধবার ২ এপ্রিল অযোধ্যার (Ayodhya) রাম জন্মভূমিতে (Ram Mandir) সম্পন্ন হয় কলসি পুজো। সম্পূর্ণ বৈদিক রীতিতে এই কলসি পুজো সম্পন্ন হয়। এই অনুষ্ঠানে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের পদাধিকারীরা উপস্থিত ছিলেন। কলসি পুজোয় শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এর পাশাপাশি হাজির ছিলেন অনিল মিশ্র, গোপাল রাই প্রমুখরা।

    নির্মাণ সংস্থার আধিকারিকরাও হাজির ছিলেন পুজোয় (Ram Mandir)

    একইসঙ্গে রাম জন্মভূমির মন্দির নির্মাণের (Ram Mandir) কাজ করেছে যে এল অ্যান্ড টি কোম্পানি এবং টিসিএস, তাদের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। এই কোম্পানির আধিকারিকরা পুজোতেও অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের প্রার্থনা করতেও দেখা যায়। প্রসঙ্গত, আগামী ৬ এপ্রিল রয়েছে রামনবমী। সেই আবহে ২ এপ্রিলে কলসি পুজো সম্পন্ন হল। মন্দির নির্মাণ কমিটির (Ram Mandir) চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র জানিয়েছেন, ২৪ মার্চ তাঁরা একটি বৈঠক করেন। এই বৈঠকেই আলোচিত হয় রাম মন্দির নির্মাণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে। নৃপেন্দ্র মিশ্র আরও জানিয়েছেন, রাম মন্দিরের ভিতরে সপ্ত মন্দিরে নির্মাণও প্রায় সম্পূর্ণ। ভগবান রামের মূর্তিও খুব তাড়াতাড়ি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

    আগেই জানানো হয় মন্দির নির্মাণ হতে সময় লাগবে ২০২৫ সাল পর্যন্ত

    রামমন্দিরের চত্বরে আরও সাতটি মন্দির রয়েছে। এগুলি সম্পূর্ণ হওয়ার কাজও চলছে। এই সাতটি মন্দিরে মহর্ষি বাল্মীকি, শবরী, নিষাদরাজ, অহল্যা, বশিষ্ঠ, বিশ্বকর্মা ও অগস্ত্য মুনির পুজো হবে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা সম্পন্ন হয়। ওই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন আরএসএস প্রমুখ মোহন ভাগবতও। তখনই রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়, সম্পূর্ণ মন্দির নির্মাণ হতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে। ২০২৫ সালের রামনবমীর আবহে অযোধ্যা নগরীর রাম মন্দির প্রায় সম্পূর্ণ ।

  • Ayodhya: রামনবমীর আগে সেজে উঠছে অযোধ্যা, ৫০ লাখ ভিড় হতে পারে, অনুমান প্রশাসনের

    Ayodhya: রামনবমীর আগে সেজে উঠছে অযোধ্যা, ৫০ লাখ ভিড় হতে পারে, অনুমান প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরেই অযোধ্যার (Ayodhya) রাম মন্দিরে প্রবেশ করেছেন রামলালা। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের। তারপর থেকে এটা দ্বিতীয় বর্ষ। মন্দিরে প্রবেশের পরে দ্বিতীয়বার রামনবমী অনুষ্ঠিত হতে চলেছে সরযূ নদীর ধারে অযোধ্যায়। রামনগরীতে একেবারে সাজো সাজো রব এনিয়ে। প্রভু রামের জন্মোৎসব পালন কোনও রকমের ত্রুটিই রাখতে চাইছে না অযোধ্যা। ভক্তি আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়ার রামনগরী যেন তপক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। ভক্তদের মনস্কামনা পূরণের ভূমি হয়ে উঠেছে অযোধ্যা। ইতিমধ্যে গোটা মন্দির চত্বর সেজে উঠেছে রংবেরঙের ফুলে এবং তোরণে। সন্ধ্যা নামতেই আলোর মালায় রামমন্দির চত্বরকে আরও মায়াবি লাগছে। প্রশাসনের অনুমান, চলতি বছরে পঞ্চাশ লাখেরও বেশি ভক্ত হাজির হতে পারেন রামনবমীর (Ram Mandir) অনুষ্ঠানে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কুম্ভমেলাকে কেন্দ্র করে ভক্তদের ভিড় বাড়তে থাকে অযোধ্যায়। সেসময় রামলালার দর্শনের সময়সীমাও বদল করা হয়। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি কুম্ভমেলা শেষ হতেই ফের আগের সময়সীমা চালু করা হয়। আগামী ৬ এপ্রিল রয়েছে রামনবমী। তার আগে উন্মাদনা তুঙ্গে পৌঁছেছে সরযূ নদীর ধারে।

    সেজে উঠেছে রামমন্দিরের প্রধান দ্বার (Ayodhya)

    অযোধ্যার রাম জন্মভূমিতে ঢোকার মুখে যে প্রধান দ্বার, সেটিকে সুন্দরভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। সর্বত্র যেন ভক্তির ছোঁয়া। ফুলের তোড়া সমেত অন্যান্য সামগ্রী দিয়ে সাজানো এই দ্বার স্বাগত জানাতে প্রস্তুত রামভক্তদের। অযোধ্যার (Ayodhya) এমন সাজ দেখেই বোঝা যাচ্ছে ঠিক কতটা জাঁকজমক করে পালন হতে যাচ্ছে রামনবমী। মন্দিরের গর্ভগৃহে যেখানে ভগবান রামলালার মূর্তি রয়েছে তাও সাজানো হয়েছে। গর্ভগৃহে যে সিংহাসনের ওপর রামলালা বিরাজমান রয়েছেন, সেটিকেও খুব সুন্দরভাবে এবং নানা সামগ্রী ও উপকরণ দিয়ে সাজানো হয়েছে। এখানেই প্রতিফলিত হচ্ছে ভক্তি ও আধ্যাত্মিকতা।

    অযোধ্যায় ১০০-রও বেশি বড় বড় এলইডি স্ক্রিন লাগানো হয়েছে

    এর পাশাপাশি, অযোধ্যার (Ayodhya) প্রতিটি রাস্তাতেই দেখা যাচ্ছে তৈরি করা হয়েছে ফটক। অনেক জায়গাতে তোরণও নজরে পড়ছে। সমগ্র অযোধ্যাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। রাস্তাঘাটে কোথাও আবর্জনার দেখা নেই। সারাদিন ও রাতে ভক্তদের ঢল এখন থেকেই নামতে দেখা যাচ্ছে। রামমন্দির থেকে দেড় কিমি দূরে সরযূ নদী। সেই নদীর ধারেও ভক্তরা ভিড় জমাচ্ছেন। নদীর পাড়ও পরিষ্কার করা হয়েছে। রাম কি পৈদাই বলে পরিচিত ঘাটে মোমবাতি এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলনও করা হচ্ছে। ভক্তরা সেখানে নিজেদের মনস্কামনা পূর্ণ করতে প্রার্থনা করছেন। সমগ্র অযোধ্যার মন্দিরে আকাশে-বাতাসে বর্তমানে ভজন এবং কীর্তন শোনা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি ধর্মীয় গানও প্রতিধ্বনিত হচ্ছে রাস্তায় এবং মন্দির চত্বরে। সমগ্র অযোধ্যায় ১০০-রও বেশি বড় বড় এলইডি স্ক্রিন লাগানো হয়েছে। এগুলো থেকেই রামলালার দর্শন এবং রামনবমীর উদযাপন দেখা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    রামনবমীতে ৫০ লাখ তীর্থযাত্রীর পা পড়বে

    প্রসঙ্গত, রামনবমীর আবহে প্রশাসনিক ব্যবস্থাও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। প্রশাসনের তরফ থেকেও ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কারণ দ্বিতীয় বছরের রামনবমীতে ৫০ লাখ মানুষ তীর্থযাত্রীর পা পড়বে অযোধ্যায়। এনিয়েই ঢেলে সাজানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘন ঘন বৈঠক চলছে প্রশাসনের মধ্যে। অতিরিক্ত পুলিশও মোতায়ন করা হচ্ছে অযোধ্যায় (Ayodhya)। তৈরি করা হয়েছে ক্যাম্প।

    ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাবে সিসি ক্যামেরা

    রামনগরীর প্রতিটি রাস্তায় নজরে পড়ছে ব্যারিকেড। এর পাশাপাশি ২৪ ঘণ্টা নজরদারি রাখার জন্য সিসি ক্যামেরাও সেখানে রাখা হয়েছে। তীর্থযাত্রীদের আরাম এবং অন্যান্য সুবিধার কথা ভেবে একাধিক ব্যবস্থা করা হয়েছে। একইসঙ্গে, গরমে বা অন্য কোনও কারণে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশেষ মেডিক্যাল টিমের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। এছাড়া, দমকল সমেত অন্যান্য এমারর্জেন্সি সার্ভিসেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    স্থানীয় অর্থনীতিও ব্যাপক চাঙ্গা হবে বলে মনে করা হচ্ছে

    প্রসঙ্গত, রামনবমীতে একটি বড় করে আরতি হবে রাম জন্মভূমিতে। এই আরতি দর্শনেও জমবে ব্যাপক ভিড়। সেখানে সাংস্কৃতিক কর্মসূচিও পালিত হবে। ওই অনুষ্ঠানে দেখানো হবে ভগবান রামের জীবনী এবং তাঁর শিক্ষা। শুধুমাত্র তাই নয়, রামনবমীর মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতিও ব্যাপক চাঙ্গা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে হোটেল, গেস্ট হাউস এবং ধর্মশালাগুলিও সম্পূর্ণভাবে বুকিং হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ধর্মীয় সামগ্রীও বিক্রি করছেন। ফুল-প্রসাদ ব্যাপকভাবে বিক্রি হচ্ছে।

  • Ayodhya Ram Mandir: ৯৪৪ কেজি রুপো দান! ৫ বছরে সরকারকে ৩৯৬ কোটি টাকা কর দিল অযোধ্যার রাম মন্দির

    Ayodhya Ram Mandir: ৯৪৪ কেজি রুপো দান! ৫ বছরে সরকারকে ৩৯৬ কোটি টাকা কর দিল অযোধ্যার রাম মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রী-রাম মাহাত্ম্যে ভক্তদের প্রাণকেন্দ্র এখন অযোধ্যা (Ayodhya Ram Mandir)। প্রতিদিন অযোধ্যার রাম মন্দিরে ভক্তদের ঢল নামছে। বিশেষ বিশেষ দিনে তো জনসমুদ্র। দেশের কোষাগারকেও ভরিয়ে তুলছে রাম মন্দির। ধর্মীয় পর্যটনের উত্থানের জেরে বিগত ৫ বছরে শ্রী রাম জন্মভূমি ট্রাস্ট সরকারকে ৩৯৬ কোটি টাকা কর দিয়েছে। শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধান চম্পত রাই সম্প্রতি এই কথা জানিয়েছেন। এই অর্থ ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এর মধ্যে দেওয়া হয়েছে। এই ৪০০ কোটি টাকা করের মধ্যে ২৭০ কোটি টাকা জিএসটি দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৩০ কোটি টাকা অন্যান্য কর (Ram Mandir Tax) হিসাবে দেওয়া হয়েছে। রামমন্দির ট্রাস্টের দাবি, কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল দ্বারা অডিট করা হিসাবই প্রকাশ করা হয়েছে।

    ভক্তদের ভিড় রাম মন্দিরে

    ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir)। তারপর থেকেই রাম মন্দিরে ভক্তদের ভিড় লেগেই রয়েছে। বড় বড় উৎসবে নামে অগুনতি পুণ্যার্থীর ঢল। গত বছর অযোধ্যা ১৬ কোটি দর্শনার্থী ভিড় জমিয়েছিলেন, যা রেকর্ড। যার মধ্যে ৫ কোটি রাম মন্দির পরিদর্শন করেছেন। রাম মন্দিরের ট্রাস্টের কর্তা চম্পত রাই বলেন, “অযোধ্যায় ভক্ত ও পর্যটকদের সংখ্যা ১০ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এটিকে একটি প্রধান ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করেছে এবং স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে। মহাকুম্ভের সময় ১.২৬ কোটি ভক্ত অযোধ্যায় এসেছিলেন।” তবে রাম মন্দির তৈরি হওয়ার আগেও কিন্তু বহু মানুষ গিয়েছিলেন রামলালার দর্শন করতে।

    রাম মন্দিরে নিয়মিত আয় ও কর প্রদান

    ২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Ayodhya Ram Mandir) গত পাঁচ বছরে রাম মন্দিরের নির্মাণের জন্য ২,১৫০ কোটি টাকা খরচ করেছে, যার মধ্যে ১৮ শতাংশ অর্থ সরকারকে ট্যাক্স (Ram Mandir Tax) হিসেবে পরিশোধ করা হয়েছে। এই অর্থ প্রধানত জনগণের দান, ব্যবসায়ী এবং অন্যান্য দাতাদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে। মন্দিরের নির্মাণ শুরুর আগে ভারত সরকার মাত্র এক টাকা দান করেছিল। চম্পত রাই আরও জানান, গত পাঁচ বছরে ট্রাস্ট মোট ৩,৫০০ কোটি টাকা দান সংগ্রহ করেছে, যার ৬০ শতাংশই ২০২০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সংগ্রহ করা হয়। গত পাঁচ বছরে, ট্রাস্ট সরকারী বিভাগগুলোকে ৩৯৬ কোটি টাকা ট্যাক্স প্রদান করেছে। এর মধ্যে ২৭২ কোটি টাকা জিএসটি হিসেবে, এবং ১৩০ কোটি টাকা বিভিন্ন ট্যাক্স ক্যাটেগরিতে প্রদান করা হয়েছে।

    আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা

    চম্পৎ রাই জানান, ট্রাস্ট রাজকীয় নির্মাণ সংস্থা (উত্তরপ্রদেশ রাজকীয় নির্মাণ নিগম)-কে  রাম কথা মিউজিয়ামের চারপাশে তিনটি গেট নির্মাণের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। ট্রাস্ট সরকারী অ্যাকাউন্টে ৩৯ কোটি টাকা জমা করেছে, আর রয়্যালটি হিসেবে ১৪.৯০ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে এবং নির্মাণ শ্রমিকদের জন্য ৭.৪০ কোটি টাকা শ্রম তহবিল হিসেবে বরাদ্দ করেছে। এছাড়া, ৪ কোটি টাকা বিমা পলিসির জন্য রাখা হয়েছে এবং রাম জন্মভূমি মানচিত্র অনুমোদন করার জন্য আয়োধ্যা বিকাশ প্রাধিকারণের জন্য ৫ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে। গত পাঁচ বছরে, ভক্তরা শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ট্রাস্টে ৯৪৪ কিলোগ্রাম রুপো দান করেছেন (যার ৯২ শতাংশ বিশুদ্ধ)। ভারত সরকারের মিন্টিং কর্পোরেশন প্রাপ্ত রুপো দিয়ে বিশাল রুপোর ইট তৈরি করেছে, যেগুলো ব্যাঙ্ক লকারে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে, চম্পত রায় এ তথ্য শেয়ার করেছেন। তিনি আরও জানান যে, রাম মন্দিরের নির্মাণ কাজ প্রায় ৯৬ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। চম্পত রাই জানান, শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট স্বচ্ছভাবে এই কর পরিশোধ করেছে। এই টাকা সরকারের কোষাগারে জমা হয়েছে। তাঁদের আর্থিক লেনদেন ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (ক্যাগ) নিয়মিত পরীক্ষা করেও দেখে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ল্য়ান্ড-মার্ক অযোধ্যা

    ২০১৯ সালে যুগান্তকারী নির্দেশের পর ২০০০ সালে অযোধ্যায় রামলালার মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) সেই কাজ করেছিলেন। এরপরই রামমন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়। এক্ষেত্রেও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পুরোভাগে। এই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রখ্যাত সব সাধু, সন্ন্যাসী, দেশ বিদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট্যজন। হিন্দুদের বিশ্বাস, অযোধ্য়ায় মন্দিরের জায়গাতেই রামলালার জন্ম হয়েছিল। বর্তমানে অযোধ্যা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ল্য়ান্ড-মার্কে পরিণত হয়েছে। রাম মন্দিরের দৌলতে ভরে উঠছে কোষাগার। এই মন্দির থেকে রাজস্ব এবং কর হিসেবে জমা পড়ছে বিপুল অঙ্কের টাকা।

  • Ayodhya: রাম মন্দিরে হামলার হুমকি খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুনের, অযোধ্যায় জারি সতর্কতা

    Ayodhya: রাম মন্দিরে হামলার হুমকি খালিস্তানপন্থী নেতা পান্নুনের, অযোধ্যায় জারি সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেতা গুরপতবন্ত পান্নুনের (Pannun) হুমকির পরেই গোটা অযোধ্যায় (Ayodhya) ব্যাপক সর্তকতা জারি করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, কানাডার খালিস্তানপন্থী সংগঠন শিখ ফর জাস্টিসের নেতা পান্নুন এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে হুমকি দেন যে, আগামী ১৬ থেকে ১৭ নভেম্বরের মধ্যে রাম মন্দিরে হামলা চালানো হবে। এরপরেই নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন। অযোধ্যা রেঞ্জের আইজি প্রবীণ কুমার সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘অযোধ্যা (Ayodhya) আগেই দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে আধা সামরিক বাহিনী সর্বদাই প্রস্তুত যে কোনও হামলার মোকাবিলা করার জন্য।’’

    ভিডিও বার্তা আসল নাকি নকল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে

    তিনি (প্রবীণ কুমার) আরও বলেন, ‘‘পুলিশ তবুও পান্নুনের (Pannun) ওই হুমকি বার্তা আসল কী নকল তা খতিয়ে দেখছে।’’ প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের এটিএস তিন জন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করে। যাদের খালিস্তানি যোগ ধরা পড়ে। এরা প্রত্যেকেই রাম মন্দিরের উদ্বোধনের ঠিক চারদিন আগে অযোধ্যায় রেকি করতে এসেছিলে। প্রসঙ্গত, রাম মন্দির উদ্বোধন করা হয়েছিল গত জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখ।

    পান্নুনের ভিডিও বার্তা (Ayodhya)

    তবে শুধু রাম মন্দির (Ayodhya) নয়, দেশের একাধিক মন্দির উড়িয়ে দেওয়ারও হুমকিও দেওয়া হয়েছে ওই ভিডিও বার্তায়। জানা গিয়েছে, কানাডার ব্রাম্পটনে এই ভিডিও শ্যুট করা হয়েছে। পান্নুনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘অযোধ্যার মাটি কাঁপিয়ে দেওয়া হবে।’’ সম্প্রতি, কানাডায় একাধিক মন্দিরে খালিস্তানিরা হামলা করছে বলে অভিযোগ। সেখানকার বসবাসকারী হিন্দুদের পান্নুন এও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এইসব ঘটনার মধ্যে যেন তাঁরা না জড়ান। একই সঙ্গে, কানাডায় বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সমর্থন করা যাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই জঙ্গি নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Temple: কর্মীর সঙ্কট, অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শেষ হবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে

    Ram Temple: কর্মীর সঙ্কট, অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শেষ হবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার (Ayodhya) রাম মন্দির (Ram Temple) নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল আগামী বছরের জুন মাসে। তবে জুনে কাজ শেষ হচ্ছে না। ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে শেষ হবে মন্দির নির্মাণের কাজ। মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র বলেন, “বর্তমানে আমাদের শ্রমিক সঙ্কট দেখা দিয়েছে। সেই কারণেই মন্দির নির্মাণের কাজ পুরোপুরি শেষ হতে সময় লাগবে।”

    কর্মী-সঙ্কট (Ram Temple)

    জানা গিয়েছে, মন্দিরটি নির্মাণে প্রায় ২০০ জন কর্মীর সঙ্কট রয়েছে। কমিটি মন্দিরের প্রথম তলায় কিছু পাথর পরিবর্তনের পরিকল্পনাও করছে। তিনি বলেন, “প্রথম তলার কিছু পাথর দুর্বল ও পাতলা বলে মনে হচ্ছে। নতুন পাথর দিয়ে সেগুলি প্রতিস্থাপন করলে মন্দিরের স্থায়িত্ব নিশ্চিত হবে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণের জন্য প্রায় ৮.৫ লাখ ঘনফুট লাল বাঁশি পাহাড়পুর পাথর মন্দিরে পৌঁছে গিয়েছে। তবে পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে নির্মাণকাজ বিলম্বিত হচ্ছে।”

    কাজ বাকি

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি (Ram Temple) এক বৈঠকে কমিটি অডিটোরিয়াম, সীমানা প্রাচীর তৈরি এবং প্রদক্ষিণ পথ-সহ অন্যান্য স্ট্রাকচার নির্মাণের কাজ কতদূর এগোল, তাও পর্যালোচনা করেছে। সূত্রের খবর, এখনও বাকি রয়েছে রাম দরবারের কাজ। সম্পূর্ণ হয়নি আশপাশের ছ’টি মন্দিরের মূর্তি তৈরির কাজও। মূর্তিগুলি আসবে জয়পুর থেকে। ডিসেম্বরের মধ্যে সেগুলি অযোধ্যায় পৌঁছানোর কথা। রামলালার যে দুটি মূর্তি ট্রাস্ট গ্রহণ করেছে, সেগুলিও প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশ্র বলেন, “শিল্পী আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে সমস্ত মূর্তি বছর শেষের মধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুন: “জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে, থাকবেও”, রাষ্ট্রসঙ্ঘে সাফ জানাল ভারত

    তিনি জানান, মন্দির কমপ্লেক্সের মধ্যে কবে বিগ্রহগুলি স্থাপন করা হবে, সে সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে। ব্যাপক ভিড়ের কারণে যে মন্দিরে সমস্যা হচ্ছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন কমিটির চেয়ারম্যান। তিনি জানান, দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশদ্বার বাড়ানোর পরিকল্পনাও করা হচ্ছে। দৈনিক দর্শনার্থীর আগমন (Ayodhya) সংখ্যা কীভাবে আরও বাড়ানো যায়, সেই বিষয়েও চলছে আলোচনা (Ram Temple)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: অযোধ্যা মামলার ঐতিহাসিক রায়ের পাঁচ বছর পূর্তি, জেনে নিন পুরো কাহিনি

    Ram Mandir: অযোধ্যা মামলার ঐতিহাসিক রায়ের পাঁচ বছর পূর্তি, জেনে নিন পুরো কাহিনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শনিবার ৯ নভেম্বর। ২০১৯ সালের এই দিনেই ঐতিহাসিক অযোধ্যা (Ayodhya) মামলার রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ। অযোধ্যার মূল বিতর্কিত ২.৭৭ একর জমি রামলালাকে (Ram Mandir) দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ২.৭৭ একরের বিতর্কিত জমি ঘিরে কেন্দ্রের অধিগৃহীত ৬৭ একর জমিও পেয়েছিল হিন্দু পক্ষ।

    মন্দির-মসজিদ বিতর্কের অবসান (Ram Mandir)

    আর মসজিদ নির্মাণের জন্য মুসলমান পক্ষকে অযোধ্যাতেই ৫ একর জমি দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। সেই রায়ের পরেই অযোধ্যায় গড়ে উঠেছে ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের ‘ইমারত’। চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি ‘স্বগৃহে’ প্রতিষ্ঠিত হন রামলালা। তার পর সেখানেই চলছে পূজার্চনা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাম মন্দির কেবল একটি ধর্মীয় কাঠামো নয়, এটি লক্ষ লক্ষ ভারতীয়ের ঐক্য, অধ্যবসায় এবং যৌথ আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। এই দেবালয়ের দিনের আলো দেখার নেপথ্যে রয়েছে বহু মানুষের আত্মত্যাগ। এটি এমন একটি কাহিনি যা পুরাণ, ইতিহাস, আইনি সংগ্রাম এবং একটি পুরো দেশের আত্মাকে একত্রিত করে।

    হিন্দুদের বিশ্বাস

    অযোধ্যা, ভারতের অন্যতম প্রাচীন নগরী। ভারতীয় সভ্যতায় এই নগরী একটি অনন্য স্থান অধিকার করে রয়েছে। কারণ হিন্দুদের বিশ্বাস, এটি ভগবান রামের জন্মস্থান। প্রাচীন গ্রন্থে অযোধ্যার ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব ভালোভাবে নথিভুক্ত রয়েছে। এই জায়গায় যে এক সময় মন্দির ছিল, তার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনও মিলেছে। বাল্মীকি রামায়ণেও অযোধ্যার উল্লেখ পাওয়া যায়। সেখানে একে ইক্ষ্বাকু বংশ-শাসিত একটি সমৃদ্ধ ও দৈব শহর হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ভগবান রাম, যিনি মর্যাদা পুরুষোত্তম হিসেবে পূজিত হিন্দুদের ঘরে ঘরে, সেই তিনিই এখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ধর্ম অর্থাৎ ন্যায় ও পুণ্যের প্রতীক। কালিদাসের মতো কবি এবং তুলসীদাসের রামচরিতমানসেও স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে অযোধ্যার নাম।

    পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণ

    রাম মন্দিরের খোঁজে এই এলাকায় খননকার্য চালায় ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ। যেখানে বাবরি মসজিদ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছিল, সেখানে একটি বিশাল মন্দিরের কাঠামোর অস্তিত্বের (Ram Mandir) প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। এই খননকার্যের সময় উদ্ধার হওয়া স্তম্ভ, শিলালিপি ও স্থাপত্যের উপাদানগুলি বৈষ্ণব ঐতিহ্যের বৈশিষ্ট্যযুক্ত, যা এই জায়গাটাকে রামের জন্মস্থান হিসেবে পবিত্র বলে যে ঐতিহাসিক বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে, তাকে সমর্থন করে। রাম মন্দির মামলার আইনি যাত্রা এক শতাব্দীরও বেশি (Ayodhya) সময় ধরে চলেছে। এই মামলা একাধিক মামলা, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এবং গুরুত্বপূর্ণ জুডিশিয়াল সিদ্ধান্তের সঙ্গে জড়িত। এই জটিল আইনি লড়াইয়ের কাহিনি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের বিস্তৃত সংগ্রামের প্রতিফলন ঘটায়।

    প্রথম আইনি উদ্যোগ

    মন্দির-মসজিদ বিতর্কের অবসান ঘটাতে প্রথম আইনি উদ্যোগ শুরু হয় ১৮৮৫ সালে, যখন মহন্ত রঘুবর দাস রাম চবুতরার ওপর একটি মন্দির নির্মাণের অনুমতি চেয়ে মামলা দায়ের করেন আদালতে। ব্রিটিশ আদালত অস্বীকৃত হওয়ায় দীর্ঘ আইনি সংগ্রামের সূচনা হয়। তার পর থেকে দীর্ঘদিন আইনি লড়াই চলছিল। ১৯৪৯ সালে বাবরি মসজিদের ভেতরে হঠাৎ করেই রামলালার মূর্তি (Ram Mandir) আবির্ভূত হলে সংঘাত তীব্র হয়ে ওঠে। সরকার ওই জায়গাটা সিল করে দেয়, যা হিন্দু ও মুসলিম উভয় পক্ষের দাবি ও পাল্টা দাবির সূত্রপাত ঘটায়। পরবর্তীকালে, এই বিবাদ পরিণত হয় একটি জাতীয় ইস্যুতে। রাম জন্মভূমি আন্দোলন গতি লাভ করে আটের দশকে। মাঠে নামে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মতো সংগঠন। আন্দোলন সমর্থন করেন লালকৃষ্ণ আডবাণীর মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও। ১৯৯০ সালে আডবাণীর নেতৃত্বে রথযাত্রা হয়। শমিল হন লাখ লাখ মানুষ। জোরালো হয় রাম মন্দিরের দাবি। দেশ তো বটেই, এই আন্দোলন নজর কাড়ে তামাম বিশ্বেরও। 

    বাবরি মসজিদ ধ্বংস

    ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর ধ্বংস হয় বাবরি মসজিদের কাঠামো। করসেবকরাই ধ্বংস করে ফেলেন মসজিদের কাঠামো। গোটা দেশে তৈরি হয় সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা। মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর ঐতিহাসিক রায় দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। তার সঙ্গে সঙ্গে হয় শতাব্দীভর ধরে চলা মন্দির-মসজিদ বিতর্কের অবসান। গড়ে ওঠে হিন্দুদের স্বপ্নের রাম মন্দির। রাম মন্দির (Ram Mandir) আজ শুধুমাত্র আর একটি পুজোস্থল নয়, বরং ভারতের সমষ্টিগত চেতনা ও সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের অন্যতম প্রতীক। এটি লাখ লাখ মানুষের দৃঢ়তা, ঐক্য ও বিশ্বাসের প্রতীক, যারা নানা বাধা সত্ত্বেও তাঁদের বিশ্বাসে অবিচল ছিলেন। মন্দিরের নির্মাণ বহু প্রজন্ম ধরে লালিত একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন, যা ভারতের সভ্যতাগত মূল্যবোধের মর্মকে সযত্নে ধারণ করে।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    অযোধ্যার রাম মন্দির বিশ্বাসের শক্তি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের গুরুত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। স্মরণ করিয়ে দেয় তাঁদের কথা যাঁরা এই ঐতিহাসিক দীর্ঘ যাত্রায় কোনও না কোনও ভাবে তাঁদের ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁদের এই অবদান ভারতের ইতিহাসে একটি (Ayodhya) নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। যে অধ্যায় চোখের সামনে ভেসে উঠবেই অযোধ্যায় (Ram Mandir) আসা দর্শনার্থীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Gurukul: বৈদিক শিক্ষার প্রসারে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, অযোধ্যার গুরুকুলকে অনুমোদন, মিলবে স্কলারশিপও

    Ayodhya Gurukul: বৈদিক শিক্ষার প্রসারে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের, অযোধ্যার গুরুকুলকে অনুমোদন, মিলবে স্কলারশিপও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ পরিচালিত অযোধ্যার গুরুকুল বিদ্যাপীঠ (Ayodhya Gurukul) কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের কাছ থেকে অনুমোদন পেল। প্রসঙ্গত, এই গুরুকুলে চার বেদের (Vedic Education) ওপরে শিক্ষাদান করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে বৈদিক শিক্ষা ত্বরান্বিত হবে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রসঙ্গত, এই গুরুকুলের প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি হলেন আচার্য মনোজ দীক্ষিত। কেন্দ্রীয় সরকারের এই ঘোষণার কথা একটি সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে জানিয়েছেন তিনি।

    কী বলছেন গুরুকূলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি 

    তিনি বলেন, এই গুরুকুলে বৈদিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আচার্যের পদও তৈরি করা হয়েছে। ৬ জন আচার্য থাকবেন। এদের মধ্যে তিনজন শুক্ল যজুর্বেদের বিষয়ে পাঠদান (Ayodhya Gurukul) করবেন। বাকি তিনজন যথাক্রমে অথর্ববেদ, সামবেদ এবং ঋকবেদ পড়াবেন। তিনি আরও বলেন, এই গুরুকুলে (Ayodhya Gurukul) আধুনিক বিষয় হিসেবে গণিত ও কম্পিউটার সায়েন্সও পড়ানো হবে ছাত্রদের। সংস্কৃত ভাষারও আচার্য নিয়োগ করা হয়েছে ইতিমধ্যে।

    আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে হিন্দুদের ওপর হামলা, ঢাকাকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাল ভারতের বিদেশমন্ত্রক

    ১২ হাজার বর্গমিটার জুড়ে গুরুকূল, মিলবে স্কলারশিপও (Ayodhya Gurukul) 

    শুধুমাত্র তাই নয়, গুরুকুলের ছাত্ররা স্কলারশিপও পাবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, কুড়িজন ছাত্র যারা বাটুক ব্রহ্মচারী নামে পরিচিত, তাদেরকে ৬০০০০ টাকা স্কলারশিপ প্রদান করা হবে বছরে। এছাড়া ১২ জন ছাত্রকে বছরে ১২ হাজার টাকা স্কলারশিপ প্রদান করা হবে। স্কলারশিপের মাধ্যমে ওই পড়ুয়ারা নিজেদের পড়াশোনার খরচ চালাতে পারবে। প্রসঙ্গত গুরুকুলটি ১২,০০০ বর্গমিটার জায়গা জুড়ে অবস্থিত রয়েছে। ক্যাম্পাসে বর্তমানে এখানে পাঁচটি স্কুল (Vedic Education) চলছে। আরও অন্যান্য স্কুল তৈরি করার পরিকল্পনাও রয়েছে কর্তৃপক্ষের। ২০০ ব্রহ্মচারী থাকার মতো হস্টেল নির্মাণেরও কাজ চলছে। জানা গিয়েছে, ২০০ ছাত্র একসঙ্গে বসতে পারে, এমন একটি সেমিনার হল তৈরির কাজও ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। এছাড়া বড় একটি গ্রন্থাগার নির্মাণেরও কাজ চলছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Diwali 2024: রামনগরীতে ২৫ লাখেরও বেশি প্রদীপের গণনা কীভাবে? জানালেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কর্তা

    Diwali 2024: রামনগরীতে ২৫ লাখেরও বেশি প্রদীপের গণনা কীভাবে? জানালেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কর্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল অযোধ্যায় (Ayodhya) দুটি বিশ্ব রেকর্ড করে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। একসঙ্গে ২৫ লাখ ১২ হাজার ৫৮৫টি প্রদীপ জ্বলে ওঠে রাম নগরীতে। একই সঙ্গে সবচেয়ে বেশি জনতা গতকাল বুধবার হাজির হয় সরযূ নদীর তীরে। এই দুটো ইভেন্টই গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নথিভুক্ত হয়। কিন্তু কীভাবে গণনা করা হল এত বিপুল সংখ্যক প্রদীপ।

    তিনটি পদ্ধতিতে প্রদীপ গণনা (Diwali 2024)

    প্রসঙ্গত, ২২ জানুয়ারি মন্দিরে প্রবেশ করেন রামলালা। তারপরে এটিই ছিল অযোধ্যার প্রথম দীপোৎসব। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের একজন আধিকারিক নিশচাল বাড়ুল জানিয়েছেন, তিনটি পদ্ধতিতে প্রদীপ গণনা করা হয়। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের দল দীপোৎসবের (Diwali 2024) চারদিন আগেই অযোধ্যায় পৌঁছে যায়। প্রথমে প্রদীপগুলি যখন জ্বলে ওঠেনি, তখন সেই শুকনো প্রদীপগুলিকে গণনা করা হয়, তারপরে যখন তা আলোকিত হয়, সেগুলির একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিজিটাল ভাবে গণনা করা হয় এবং সবশেষে ড্রোনের মাধ্যমে প্রদীপগুলি আরেকবার গণনা করা হয়। এর পরে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘সীমান্তের এক ইঞ্চি জায়গা নিয়েও আপস করবে না ভারত’’, গুজরাতের কচ্ছে বললেন মোদি

    ২৫ লাখ প্রদীপ জ্বালানো হয়েছিল ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যেই

    প্রসঙ্গত, এই ২৫ লাখ প্রদীপ জ্বালানো (Ayodhya) হয়েছিল ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যেই। এ নিয়ে নিশচাল বাড়ুল আরও জানিয়েছেন, অযোধ্যার (Diwali 2024) এই দীপোৎসব, অলিম্পিকের থেকেও বেশি চ্যালেঞ্জিং ছিল। তিনি জানিয়েছেন যে এই ২৫ লাখ প্রদীপ জ্বালানো পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের জন্য দেখা গিয়েছে। বৃহস্পতিবারই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘‘গতকাল অযোধ্যার মানুষদের খুব গর্বের দিন ছিল। কারণ তারা নতুন একটি অ্যাচিভমেন্ট তৈরি করতে পেরেছেন। আমি বিশ্বাস করি অযোধ্যার এই দীপোৎসব নতুন ভাবে সৃজনশীলতার, এক আলাদা পরিবেশ নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Deepawali: দীপোৎসবে মেতেছে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা, নেপালের জনকপুরও

    Deepawali: দীপোৎসবে মেতেছে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা, নেপালের জনকপুরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলি (Deepawali) উৎসবে মেতেছে উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা। চলতি বছরই জানুয়ারি মাসের ২২ তারিখে প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে রামলালার। তার পর এবারই দীপাবলি উৎসবে মেতেছে অযোধ্যা। দীপোৎসবে (Deepotsav) মেতেছে রামলালার শ্বশুরবাড়ির দেশ নেপালও। সেখানকার জনকপুরে পালিত হচ্ছে দীপোৎসব। এই জনকপুরই মা সীতার জন্মস্থান বলে হিন্দুদের বিশ্বাস। কেবল দীপোৎসব নয়, উৎসবমুখর পরিবেশে কেনাকাটায়ও মেতেছেন জনকপুরবাসী।

    কী বলছেন অযোধ্যার মহন্ত (Deepawali)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মহন্ত রাম রোশন দাস চলতি বছরের দীপোৎসবের তাৎপর্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, “২২ জানুয়ারি রামলালা মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। এটি সারা বিশ্বের হিন্দুদের, সনাতনীদের কাছে একটা স্বপ্ন পূরণের মতো ছিল। যে মন্দিরে রামলালা প্রতিষ্ঠিত, সেখানে প্রথমবারের মতো দীপোৎসব পালিত হতে চলেছে। এটি সাধারণ দীপোৎসব নয়। কারণ কিশোরী (সীতা) ও রামজি দুজনকেই সজ্জিত করা হবে। কিশোরীজির রূপে লক্ষ্মী এবং রামলালার রূপে বিষ্ণুজি। এটি তাঁর নতুন গৃহ নির্মাণের পর প্রথম দীপোৎসব, যা আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের বিষয় (Deepawali)।”

    আরও পড়ুন: ‘‘শেষের শুরু’’! হিজবুল্লার নতুন প্রধান কাশেমকে হুঁশিয়ারি ইজরায়েলের, বার্তা ইরানকেও

    দীপোৎসব রামের শ্বশুরবাড়ির দেশেও

    অযোধ্যার জন্মস্থানে যখন উৎসবের প্রস্তুতি তুঙ্গে, তখন বুধবার সরযূ নদীর তীরে দীপোৎসব উপলক্ষে ২৫ লাখ দীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়েছে। দীপাবলি নিয়ে সমানভাবে উৎসাহী জনকপুরের বাসিন্দারাও। দীপাবলি উদযাপনের প্রস্তুতিতে শহরের রাস্তাগুলো আলোকিত করে রাখা হয়েছে। জনকপুরের বাসিন্দা অমর নাথ গুপ্ত বলেন, “অযোধ্যা এবং জনকপুরে রাম মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো আমরা দীপাবলি উদযাপন করছি। জনকপুর হল ভগবান রামের শ্বশুরালয়। জনকপুরধামের মানুষদের মধ্যে এবার দীপাবলি নিয়ে প্রবল উচ্ছ্বাস রয়েছে। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে (Deepotsav) রাখতে আমরা বিভিন্ন স্থানে রং করার কাজ, নির্মাণ করার কাজ সম্পন্ন করেছি। দীপাবলির দিনে পুরো শহরকে আলোয় ভরিয়ে তোলার পরিকল্পনাও করা হয়েছে। এবারের দীপাবলি সত্যিই এমন কিছু হবে যা সারা জীবনের জন্য মনে থাকবে (Deepawali)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Akshay Kumar: দীপাবলিতে অযোধ্যায় বানরদের ভোজনে ১ কোটি টাকার অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার

    Akshay Kumar: দীপাবলিতে অযোধ্যায় বানরদের ভোজনে ১ কোটি টাকার অনুদান দিলেন অক্ষয় কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশিষ্ট বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar) অযোধ্যায় বানরদের ভোজনের জন্য কোটি টাকার অনুদান দিয়েছেন। তাঁর এই অর্থদানের উদ্যোগটি জগৎগুরু স্বামী রাঘবাচার্যজি মহারাজের নির্দেশনায় অঞ্জনেয়া সেবা ট্রাস্ট দ্বারা পরিচালিত হবে। উল্লেখ্য প্রভু শ্রী রামের জন্ম স্থলে প্রচুর বানর রয়েছে। আবার রামায়ণে শ্রীরামচন্দ্রের পরম ভক্ত ছিলেন হনুমান। এই হনুমান ছিলেন বানর সমাজের প্রতিনিধি। ফলে রামায়ণের রামের সঙ্গে বানরদের একটা আত্মিক যোগ রয়েছে। বলিউড অভিনেতার এই ভোজন দানে দেশ ব্যাপি রামভক্তদের মনে প্রবল উচ্ছ্বাসের সঞ্চার হয়েছে।

    বানরদের পূর্ণ ভোজন (Akshay Kumar)

    অযোধ্যায় বলিউড তারকা অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar) ভগবান রাম ভক্ত বানর জনগোষ্ঠীকে খাওয়ানোর বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। অক্ষয়ের পক্ষ থেকে একটি সূত্রে বলা হয়েছে, “দীপাবলির আগে শুধুমাত্র রাম নগরীতে ভগবান রামের ভক্ত বানরদের পূর্ণ ভোজনের জন্য ১ কোটি টাকা দান করেছেন। একই ভাবে তারকা অক্ষয় নিজের পিতামাতা, প্রয়াত শ্বশুর তারকাকেও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ফিডিং ভ্যানে নাম লেখা আছে রাজেশ খান্নার।”

    রাস্তায় আবর্জনা যাতে পড়ে না থাকে

    অঞ্জনেয়া সেবা ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা-ট্রাস্টি প্রিয়া গুপ্তা বলেন, “আমরা সুনিশ্চিত করব যাতে একই কাজে যেন লোকেদের কোনও অসুবিধা না হয়। আমি সর্বদা অক্ষয় কুমারকে (Akshay Kumar) একজন অত্যন্ত দয়ালু এবং উদার মানুষ হিসাবে জানি। তিনি নিজের কর্মী, সহ-অভিনেতা এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অত্যন্ত সখ্যতা বজায় রেখে কাজ করেন। তিনি কেবল তাৎক্ষণিক এবং উদারভাবে দান করেননি, সেই সঙ্গে এই মহান সেবাকাজে পিতামাতা হরি ওম, অরুণা ভাটিয়া এবং তাঁর শ্বশুর রাজেশ খান্না উভয়ের নামে উৎসর্গ করেছেন। অক্ষয় কেবলমাত্র একজন উদার মানুষই নন, ভারতের একজন সামাজিকভাবে সচেতন নাগরিকও। তিনি অযোধ্যার নাগরিক এবং শহর সম্পর্কে উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবে এই কাজে আমরা নিশ্চিত করব যাতে বানরদের খাওয়ানোর সময় কোনও রকম নাগরিক সমাজকে অসুবিধার মধ্যে পড়তে না হয়। রাস্তায় কোনও আবর্জনা যাতে না পড়ে থাকে সেই দিকেও আমাদের সর্বদা নজর থাকবে।”

    আরও পড়ুনঃ যৌন হেনস্থা মন্তব্য! স্বরূপের বিরুদ্ধে ২৩ কোটির মানহানির মামলা ২৩৩ জন পরিচালকের

    নতুন সিনেমা আসছে ‘সিংহম এগেইন’

    এদিকে অভিনয়ের ক্ষেত্রে অক্ষয়কে (Akshay Kumar) অজয় ​​দেবগন, রণবীর সিং, টাইগার শ্রফ, দীপিকা পাড়ুকোন এবং কারিনা কাপুর খানের সঙ্গে ‘সিংহম এগেইন’-এ অভিনয় করতে দেখা যাবে। এই দীপাবলিতেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। পরিচালক রোহিত শেঠি পরিচালিত এই সিনেমা দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share