Tag: Balurghat

Balurghat

  • TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জের! আড়াই মাস ধরে বালুরঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ খালি

    TMC: তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জের! আড়াই মাস ধরে বালুরঘাট পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদ খালি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে দল পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান পদকে সরিয়ে দেয়। গত আড়াই মাস ধরে উপ পুরপ্রধানের পদ খালি বালুরঘাট পুরসভায়। ঠিক কী কারণে এতদিন পর্যন্ত পুরপ্রধান অশোক মিত্র উপ পুরপ্রধান মনোনীত করতে পারেননি, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনাও। বিজেপির দাবি, গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    এলাকাবাসীর কী অভিযোগ?

    উপ পুরপ্রধানের পদ হারালেও এখনও তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার পদে রয়েছেন দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রদীপ্তা চক্রবর্তী। তিনি নিজেকে গৃহবন্দি করে নেওয়ায় তাঁর ওয়ার্ডের কাজেও প্রভাব পড়েছে। সমস্যায় পড়ছেন ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিভিন্ন শংসাপত্র, শরিকি শংসাপত্র, ট্রেড লাইসেন্স নবীকরণ সংক্রান্ত কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এলাকায় পথবাতি খারাপ হলে বা নিকাশি সমস্যা নিয়ে কাকে বলবেন তা নিয়েও ধন্দে রয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, গত এপ্রিল মাসে বালুরঘাটে দণ্ডি কাটিয়ে তিন আদিবাসী মহিলাকে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়। যা নিয়ে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। অভিযোগ যায় রাষ্ট্রপতি, জাতীয় মহিলা কমিশন, এসটি কমিশন সহ নানা জায়গায়। ওই ঘটনায় অভিযোগ ওঠে বালুরঘাট পুরসভার উপ পুরপ্রধান তথা তৎকালীন জেলা মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। প্রথমে দলীয় পদ থেকে তাঁকে সরানো হয়। পরে জেলায় আসেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মে মাসে তপনে গিয়ে ওই তিন আদিবাসী মহিলার কান্না অভিষেক শোনার পর রাতারাতি প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর উপ পুরপ্রধানের পদ যায়। আইনি ব্যবস্থাও নেয় প্রশাসন। পরে তিনি এই মামলায় আদালত থেকে জামিন নেন। তবে এরপর থেকে তাঁকে আর কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যায়নি।

    পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর উপর পুরসভার যাবতীয় কর আদায়েরও দায়িত্ব ছিল। প্রায় আড়াই মাস ধরে উপ পুরপ্রধানের পদ ফাঁকা থাকায় সেসব কাজ পুরপ্রধান নিজেই সামলাচ্ছেন। পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই উপ পুরপ্রধানের পদ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওই পদের জন্য ইতিমধ্যেই বহু কাউন্সিলার জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বের কাছে দরবার করেছেন। দলের তরফেও একটি সম্ভাব্য তালিকা রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। তবে শহরে তৃণমূলের একাধিক গোষ্ঠী রয়েছে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বিষয়টিও জেলা ও রাজ্য নেতৃত্ব দেখছে বলে জানা গিয়েছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান ও জেলা নেতৃত্ব?

    পুরপ্রধান অশোক মিত্র বলেন, ‘উপ পুরপ্রধানের পদ ফাঁকা থাকলেও পরিষেবায় কোনও খামতি হয়নি। পুর আইন অনুযায়ী প্রাক্তন উপ পুরপ্রধানের সব কাজ আমি সামলাচ্ছি। ওই পদে নিয়োগ কবে হবে জানা নেই। রাজ্য থেকেই তা জানানো হবে।’ তৃণমূলের (TMC) জেলা চেয়ারম্যান নিখিল সিংহ রায় বলেন, ‘উপপুরপ্রধানের পদ পূরণের জন্য আমরা রাজ্য নেতৃত্বকে জানিয়েছি। খুব তাড়াতাড়ি সেই নাম ঘোষণা করা হবে।’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, তৃণমূলের (TMC) দলীয় কোন্দলের কারণে ওরা ভাইস চেয়ারম্যান পদে কাউকে বসাতে পারেনি। আসলে লোক দেখানোর জন্য ওই মহিলা কাউন্সিলারকে সরানো হয়েছে। কিছুদিন পর মানুষ ভুলে গেলে আবার সেই প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকেই ফের ভাইস চেয়ারম্যান করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, পুরসভার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা

    Dakshin Dinajpur: বালুরঘাটে ডেঙ্গি সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, পুরসভার বিরুদ্ধে সরব বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গি আবহে, তা রোধে কতটা সচেতন? তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) পুরসভা। বিরোধীদের দাবি, সময় মতো নর্দমা ও জঞ্জাল পরিষ্কার না করায়, বৃদ্ধি পাচ্ছে মশা। অপর দিকে ডেঙ্গি প্রতিরোধে উদাসীন বালুরঘাট পুরসভা বলে অভিযোগ বিজেপির। বামেদের দাবি, সাফাইয়ে প্রয়োজনের তুলনায় কম কাজ হচ্ছে। যদিও শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং ডেঙ্গি প্রতিরোধে কাজ হচ্ছে বলে জানিয়েছে বালুরঘাট পুরসভা কর্তৃপক্ষ। রাজনৈতিক চাপন-উতোরে শোরগোল জেলায়।

    ডেঙ্গির কেমন অবস্থা বালুরঘাটে (Dakshin Dinajpur)?

    রাজ্য জুড়েই বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সে ভাবে সংক্রমণ না বাড়লেও, সতর্কতা জারি রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলায় গত জানুয়ারি মাস থেকে চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত মোট ৫০ জনের সংক্রমণের খবর রয়েছে। এর মধ্যে বালুরঘাট শহরের তিনজন সংক্রমিত হয়েছিল। বর্তমানে জেলায় মাত্র দু’ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। একজন বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে এবং একজন গঙ্গারামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    বালুরঘাট পুরসভা ডেঙ্গি সংক্রমণ রোধে উদাসীন বলে অভিযোগ বিজেপির। বিজেপির বালুরঘাট শহর মণ্ডল সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত জানান, শহরের যত্রতত্র আবর্জনায় ভরে উঠেছে। নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার, মশা মারার তেল স্প্রে করছে না বালুরঘাট পুরসভা (Dakshin Dinajpur)। রাজ্যে যেভাবে ডেঙ্গি বেড়ে চলেছে, তাতে পুরসভা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে শহরে ছড়িয়ে পড়তে পারে সংক্রমণ।

    সিপিএমের বক্তব্য

    বালুরঘাট পৌরসভার (Dakshin Dinajpur) ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাম কাউন্সিলার প্রবীর দত্ত বলেন, আমার ওয়ার্ডে ডেঙ্গি সার্ভে সহ স্প্রে, নর্দমা পরিষ্কারের কাজ চলছে। তবে প্রয়োজনের তুলনায় ব্লিচিং পাওয়া যাচ্ছে না। ডেঙ্গি রোধে আরও বেশি করে কাজ করা প্রয়োজন। পরিচ্ছন্নতা ও মশা নিধনে প্রয়োজনের তুলনায় কম কাজ হচ্ছে বলে তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন প্রবীর দত্ত।

    বালুরঘাট পুরসাভার বক্তব্য

    বালুরঘাট পুরসভার (Dakshin Dinajpur) চেয়ারম্যান অশোক মিত্র জানান, বালুরঘাট পুরসভা শহরের পরিচ্ছন্নতার কাজ নিয়মিতভাবে করছে। ডেঙ্গি রোধে সচেতনতা, বাড়ি বাড়ি সার্ভে সহ অন্যান্য কাজ চলছে। স্বাস্থ্য দফতরের সাথে যোগাযোগ রেখে, স্বাস্থ্য দফতরের গাইড লাইন মেনে, ডেঙ্গি রোধে সমস্ত কাজ করছে বালুরঘাট পুরসভা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: বনবিজ্ঞানীর কৃতিত্ব অর্জন করলেন বালুরঘাটের রেখা মাহাতো, উচ্ছ্বসিত পরিবার

    Dakshin Dinajpur: বনবিজ্ঞানীর কৃতিত্ব অর্জন করলেন বালুরঘাটের রেখা মাহাতো, উচ্ছ্বসিত পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) ব্লকের চিঙ্গিসপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মেয়ে বন বিভাগের বিজ্ঞানী হওয়ার অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন পরীক্ষায় পাশ করেই এই কৃতিত্ব অর্জন করেছেন রেখা মাহাতো। দেশের মধ্যে ২৭ জন এই সফল তালিকায় আছেন। তার মধ্যে শুধুমাত্র বায়ো টেকনোলজিরই আছেন চারজন। তার মধ্যে রেখা অন্যতম। আগামীতে দেশের বনাঞ্চলের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ নিয়ে গবেষণা করবেন তিনি। রেখা সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের রাবার বোর্ডে চাকরিও পেয়েছেন। গ্রামের মেয়ের বনবিজ্ঞানী হওয়ার সাফল্যে গর্বিত গোটা গ্রাম। কৃষক পরিবারের বছর পঁচিশের তরুণীর এমন সাফল্যকে সাধুবাদ জানিয়েছে জেলার মানুষ।

    কী বললেন রেখা মাহাতো (Dakshin Dinajpur)?

    রেখা মাহাতো বলেন, ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞানী হওয়ার ইচ্ছে ছিল। গাছের প্রতি একটা আলাদা টান রয়েছে। তাই ছোটবেলা থেকেই কষ্ট করে পড়াশোনা করে এই জায়গায় পৌঁছেছি। খুব ভালো লাগছে। আগামীতে গাছ নিয়েই গবেষণা করব। পাশাপাশি দেশের জন্যও কাজ করব। রেখার বাবা বিষ্ণুপদ মাহাতো ও মা জয়ন্তী মাহাতো বলেন, আমরা কৃষক পরিবারের হলেও খুব কষ্ট করে ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা করিয়েছি। তবে মেয়ে এত দূরে পৌঁছবে কল্পনাও করতে পারিনি। মেয়ের জন্য খুব গর্ব হচ্ছে। রেখার বাড়ি বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে। শুরু থেকেই লড়াইটা সহজ ছিল না। আত্মীয়ের বাড়িতে কিংবা ভাড়া বাড়িতে থেকেই স্কুলের গণ্ডি পার করেছেন। পরবর্তীতে কলকাতা ও দিল্লিতে থেকে পড়াশুনা করেছেন। বর্তমানে চাকরি সূত্রে থাকেন অসমে। তবে খুব শীঘ্রই দেরাদুনে বায়ো টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে বিজ্ঞানী হিসেবে যোগ দেবেন।

    পরিবারের বক্তব্য

    রেখার দুই দাদা অনুপ মাহাতো ও মানস মাহাতো বলেন, সীমান্তবর্তী এই গ্রাম থেকে শহরে গিয়ে পড়াশোনা করতে হয়েছে বোনকে। আজ ওর সাফল্যে গোটা গ্রাম খুশি। বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) শিক্ষক দীপক মণ্ডল বলেন, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে মানুষ সাফল্য পাবেই। রেখা তারই প্রমাণ। কিছুদিন আগেও বালুরঘাটের একছাত্র বিজ্ঞানী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এবার বালুরঘাটের মেয়ে বিজ্ঞানী হচ্ছেন। জেলার এমন সাফল্যে আমরা গর্বিত।

    কীভাবে পড়াশুনা করেছেন?

    জানা গিয়েছে, রেখা ২০১৩ সালে বালুরঘাট (Dakshin Dinajpur) ব্লকের বাদামাইল হাইস্কুল থেকে ৮৮.৬ শতাংশ নম্বর নিয়ে মাধ্যমিক পাশ করেন। এরপর বালুরঘাট গার্লস স্কুল থেকে ৯২ শতাংশ নম্বর নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন। কল্যাণীতে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। তারপর দিল্লির ইন্ডিয়ান এগ্রিকালচারাল রিসার্চ ইন্সটিটিউট থেকে এমএসসি পাশ করেন। ২০২২ সালে পরীক্ষা দিয়ে ভারত সরকারের অধীন রাবার বোর্ডে চাকরি পান। কিন্তু বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন থেকে সরে আসেননি। ভাবা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী হওয়ার পরীক্ষাও দিয়েছিলেন। কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় পাশ করলেও ইন্টারভিউতে পাশ করেননি। অতঃপর ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ ফরেস্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশনের পরীক্ষায় পাশ করে বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্নপূরণ করলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BARC: ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী হওয়ার পথে উত্তরবঙ্গের কৌস্তভ

    BARC: ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী হওয়ার পথে উত্তরবঙ্গের কৌস্তভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটের কৌস্তভ ঘোষ আজ দেশের অন্যতম সেরা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানী (নিউক্লিয়ার সায়েন্টিস্ট) হওয়ার পথে। ইতিমধ্যেই ভাবা পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রের (বার্ক) লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন কৌস্তভ। চলতি মাসেই তিনি দক্ষিণ ভারতের ইন্দিরা গান্ধী রিসার্চ সেন্টারে জুনিয়র নিউক্লিয়ার সায়েন্টিস্ট পদে এক বছরের প্রশিক্ষণ নিতে যাচ্ছেন। সম্ভবত উত্তরবঙ্গ থেকে একমাত্র নিউক্লিয়ার সায়েন্টিস্ট-এর সুযোগ পেয়েছেন কৌস্তভ। তিনি নিউক্লয়ার ফুয়েল সাইকেলের উপর কাজ করবেন। এক বছর এই প্রশিক্ষণের পরেই তাঁকে সায়েন্টিফিক অফিসার হিসেবে নিয়োগের প্রস্তাব দেবে বার্ক।

    কোন পথে তাঁর এই উত্তরণ? 

    ২০১৬ সালে তিনি বালুরঘাট হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করেন। ২০১৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল হওয়ার পর ডিগ্রি অর্জনের জন্য বিশ্বভারতীতে ভর্তি হন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি গুয়াহাটি আইআইটিতে পড়াশোনা শুরু করেন। সেখান থেকেই তিনি ভাবা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে নিয়োগের পরীক্ষায় বসেন। ডঃ এ পি জে আব্দুল কালামকে আইডল মেনে আজ তিনি সাফল্যের শিখরে পৌঁছলেও শুরুটা মোটেও সহজ ছিল না। কৌস্তভের বাবা অসিতবাবু শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি সংস্থায় সিকিউরিটি গার্ডের কাজ করেন। মা রুমু ঘোষ গৃহিণী। বাবার সামান্য আয়ের উপর ভিত্তি করেই তাঁদের সংসার চলে। ছোট থেকে অভাবকে সঙ্গী করেই জীবন কেটেছে কৌস্তভের।

    কী বললেন কৌস্তভ এবং তাঁর মা?

    এই বিষয়ে কৌস্তভ বলেন, ‘ডঃ এ পি জে আব্দুল কালাম আমার আইডল। আমি ছোট থেকেই বিজ্ঞানী হতে চেয়েছিলাম। দেশের জন্য কিছু করতে চাই। এবার স্বপ্ন পূরণের সুযোগ এসেছে। খুব আনন্দ হচ্ছে।’ মা রুমু ঘোষ বলেন, ‘ছেলে অনেক পরিশ্রমের ফল পেয়েছে। যতটা পেরেছি ওর পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। খুব কষ্টে চলতে হয়েছে আমাদের। আজ ছেলের সাফল্যে আমি গর্বিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ভাগাড়ের নোংরা-আবর্জনায় ভরে উঠছে আত্রেয়ীর খাঁড়ি, প্রতিবাদে সরব বিজেপি

    Balurghat: ভাগাড়ের নোংরা-আবর্জনায় ভরে উঠছে আত্রেয়ীর খাঁড়ি, প্রতিবাদে সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট পুরসভার তরফে শহরের আন্দোলন সেতুর পাশে ভাগাড়ের নোংরা-আবর্জনা ফেলে আত্রেয়ীর খাঁড়ি ভরাট করা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলল বিজেপির বালুরঘাট টাউন মণ্ডল। এর ফলে একদিকে যেমন নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়ছে, তেমনই ওই এলাকায় দুর্গন্ধে সাধারণ মানুষ টিকতে পারছেন না। এর প্রতিবাদে বালুরঘাটে সদর মহকুমা শাসককে লিখিত অভিযোগ দায়ের করল বালুরঘাট (Balurghat) টাউন বিজেপি নেতৃত্ব। এদিনের অভিযোগ জানানোর কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বালুরঘাট টাউন বিজেপি সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত, বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য সুমন বর্মন সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন সদর মহকুমা শাসক।

    কী সমস্যায় বাসিন্দারা?

    বালুরঘাট (Balurghat) শহরে এতদিন পর্যন্ত কোনও পার্কিং জোন ছিল না। ফলে শহরের ব্যস্ততম রাস্তার মধ্যেই গাড়ি, মোটরবাইক সহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন পার্কিং করেন মানুষজন। তাই বালুরঘাট পুরসভা দুটি পার্কিং জোন তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে। যার একটি আন্দোলন সেতু সংলগ্ন খাঁড়ির পাড়ে, দ্বিতীয়টি বালুরঘাট ট্যাক্সি স্ট্যান্ড। দুটি পার্কিংয়ের কাজ প্রায় শেষ। আন্দোলন সেতু সংলগ্ন পার্কিংয়ের পাশে এখন ভাগাড়ের মাটি ফেলা হচ্ছে। এই মাটি ফেলাকে কেন্দ্র করেই সরব হয়েছে বিজেপি। শহরের এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমাকে আন্দোলন সেতুর উপর দিয়ে রোজ যাতায়াত করতে হয়। কয়েকদিন ধরে দেখছি, সেতুর পাশে কিছু একটা ভরাট করা হচ্ছে। বৃষ্টি হলে ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করা মুশকিল হচ্ছে। রাস্তায় কাদা জমে যাচ্ছে। দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পুরসভা বিষয়টি দেখলে ভালো হয়।

    কী অভিযোগ বিজেপির শহর (Balurghat) সভাপতির?

    এই বিষয়ে বিজেপির শহর সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্তের অভিযোগ, ‘ভাগাড়ের আবর্জনা ফেলা হচ্ছে আত্রেয়ীর খাঁড়িতে। খাঁড়ি বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে। গোটা এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। ওই এলাকা দিয়ে চলাচল করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। দুর্গন্ধে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। তাছাড়া এতে শহরের (Balurghat) নিকাশি ব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়তে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য মহকুমা শাসককে লিখিতভাবে অভিযোগ জানিয়েছি।’

    কী বললেন পুরপ্রধান এবং মহকুমা শাসক (Balurghat) ?

    বালুরঘাটের পুরপ্রধান (Balurghat) অশোককুমার মিত্র বলেন, ‘বিজেপির কাজই শুধু অভিযোগ করা। তাদের কাজ করার কোনও সদিচ্ছা নেই। বিজেপি নোংরা মাটি ফেলার যে অভিযোগ করছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। শুধু মাটিই ফেলা হচ্ছে। বৈজ্ঞানিক ভাবেই সব করা হচ্ছে। ফলে নিকাশি সমস্যা নিয়ে কোনও চিন্তা নেই।’ সদর মহকুমা শাসক সুমন দাশগুপ্ত জানান, এনিয়ে অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলের এত সন্ত্রাসের পরও রাজ্যে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক বেড়েছে’’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলের এত সন্ত্রাসের পরও রাজ্যে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ক বেড়েছে’’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত পঞ্চায়েতের তুলনায় অনেক বেশি আসন বেড়েছে বিজেপির। শতাংশের বিচারে ভোটের হারও অনেক বেড়েছে। বুধবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বালুরঘাটে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একথা জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, তৃণমূল এত সন্ত্রাস করেও কিছু করতে পারেনি। বিজেপির ভোট ব্যাঙ্ক বিপুল বেড়েছে। এই ফল আগামী নির্বাচনে দলীয় কর্মীদের মনোবল বাড়াবে বলে মনে করছে বিজেপির নেতৃত্ব।

    রাজ্যে গ্রাম পঞ্চায়েতের আসন সংখ্যা নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, মঙ্গলবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের গণনা শুরু হয়েছিল। আমাদের কাছে তথ্য এসেছে যে এখনও গণনা চলছে। ভোট লুটে কিভাবে এই বাংলা এগিয়ে আছে, তা গোটা বাংলার মানুষ দেখল। বিডিওদের আমরা তৃণমূলের ব্লক প্রেসিডেন্টের মতো কাজ করতে দেখলাম। প্রশাসন ভোট লুট করার পরেও বিজেপি এখনও পর্যন্ত ৯৫১৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতে জিতেছে। গণনা চলছে এখনও। ২০১৮ সালে রাজ্যে বিজেপির জেতা আসন ছিল ৫৭৭৯। এবার সেই আসন সংখ্যা অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। ২০২৩ সালে বিজেপি ২৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে। ২০০৮ সালে তৃণমূল পঞ্চায়েতে ২৫ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। এত কিছু করার পরও বিজেপি যখন এত পরিমাণে ভোট পেয়েছে, তখন বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষ এই সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠবে।

    বিজেপির পাঁচজন অনুসন্ধানকারী দল প্রসঙ্গে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, প্রাক্তন মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদের নেতৃত্বে আরও চার জন পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন। তাঁরা বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও সাধারণ মানুষের উপর যেভাবে আক্রমণ হয়েছে, তা সব খতিয়ে দেখবেন। তার সার্বিক রিপোর্ট সর্বভারতীয় সভাপতির হাতে জমা দেবেন।

    ভাঙড়ে পুলিশ-আইএসএফ সংঘর্ষ নিয়ে কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    ভাঙড় নিয়ে সুকান্তবাবু (Sukanta Majumdar) বলেন, মঙ্গলবার রাতে ভাঙড়ে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে রাজ্য সরকারই পুলিশকে দিয়ে সাধারণ নাগরিকের জীবন নিয়েছে। রাজ্য সরকারের কাছে বাংলার সাধারণ মানুষের এক পয়সা দাম নেই। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ও বাংলার মানুষের গর্জে ওঠা উচিত। গণতন্ত্রের সর্ববৃহৎ উৎসবে অংশগ্রহণ করতে গিয়ে এবার গোটা রাজ্যে প্রায় ৫০ জনের জীবন চলে গেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: রেলপথ সম্প্রসারণে উচ্ছেদের আশঙ্কা! অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াল বিজেপি

    BJP: রেলপথ সম্প্রসারণে উচ্ছেদের আশঙ্কা! অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলপথ সম্প্রসারণে গৃহহীন হ‌ওয়ার আশঙ্কায় থাকা অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াল বিজেপি (BJP)। সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্ব জেলা শাসকের দফতরে অসহায় পরিবারগুলির দাবিদাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন। রেলপথ সম্প্রসারণের ফলে উচ্ছেদ হওয়া অসহায় গ্রামবাসীদের জন্য বিজেপির পক্ষ থেকে পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়।

    কী বললেন গ্রামবাসীরা?

    দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট-হিলি রেললাইন সম্প্রসারণে গৃহহীন হতে চলেছে ডুম‌ইর এলাকার একটি কলোনির প্রায় ৫০টি পরিবার। বালুরঘাট ব্লকের দৌল্লা এলাকার অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের ডুমইর গ্রামের চক আমোদ কলোনির প্রায় ৫০টি বাড়ি এবং দৌল্লা প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রস্তাবিত রেললাইনের মধ্যে পড়েছে। ইতিমধ্যেই চিহ্নিতকরণের খুঁটি বসানো হয়েছে। রেলের জমির জন্য রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই অধিগ্রহণের কাজ শুরু করেছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, “আমাদের গ্রামের উপর দিয়ে রেল লাইনের খুঁটি বসানো হয়েছে। রেলের জমির জন্য রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই অধিগ্রহণের কাজ শুরু করেছে। কিন্তু আমাদের কোনও জমির দলিল বা পাট্টা না থাকায়, আমরা জমির দাম পাব না। বাড়ি থেকে উৎখাত করে দিলে কোথায় গিয়ে আশ্রয় নেব? আমরা চরম আতঙ্কে রয়েছি। উন্নয়নের প্রয়োজনে জমি ছাড়তে রাজি আছি। তবে, আমাদের মতো অসহায় পরিবারকে পুনর্বাসন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে খুব ভাল হয়। তাই আমরা পুনর্বাসনের দাবিতে জেলা শাসকের কাছে দরবার করেছি।”

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব? 

    এই বিষয়ে বিজেপির (BJP) জেলা সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, “ডুমইর গ্রামের চক আমোদ এলাকায় পঞ্চাশটি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। কিন্তু তাদের নিজের জমি বলে কোনও কাগজপত্র নেই। আর সেই বাড়িগুলোর উপর বালুরঘাট-হিলি রেল লাইন সম্প্রসারণের জমি পড়েছে। তাই বাড়ির লোকেরা দুশ্চিন্তায় আছেন। যদি তাঁদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হতে হয়, তাহলে তাঁরা কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না। কারণ, তাঁদের জমির কোনও কাগজ নেই। তাই তাঁদের পুনর্বাসনের দাবিতে জেলাশাসকের কাছে এসেছিলাম। আমরা তাঁদের জমির পাট্টা দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনকে জানিয়েছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • HS Student: উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বালুরঘাটের শ্রেয়া উচ্চ শিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তায়! কেন জানেন?

    HS Student: উচ্চ মাধ্যমিকে তৃতীয় বালুরঘাটের শ্রেয়া উচ্চ শিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তায়! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাব, অনটন নিত্যসঙ্গী। শত প্রতিকূলতাকে জয় করে বালুরঘাট শহরের উত্তমাশার শ্রেয়া মল্লিক (HS Student) আজ স্টার। অভাবের সঙ্গে লড়াই করে উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করে নজির সৃষ্টি করেছেন তিনি। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪। উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় যাবেন। কিন্তু, তাঁর এই স্বপ্নপূরণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে আর্থিক অনটন। আগামীতে মেয়েকে পড়াবেন কীভাবে, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন শ্রেয়ার বাবা-মা।

    নিজের এই সাফল্য নিয়ে কী বললেন শ্রেয়া?

    শ্রেয়া (HS Student) বাংলায় ৯৯, ইংরেজিতে ১০০, এডুকেশনে ৯৭, দর্শনে ৯১ এবং ভূগোলে ৯৯ পেয়েছেন। শ্রেয়া বলেন, “ভালো রেজাল্ট করব আশা করেছিলাম। কিন্তু, এত ভালো ফল আশা করিনি। আমার এই সাফল্যের পিছনে মা-বাবা, পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও শিক্ষক-শিক্ষিকা, প্রাইভেট টিউটরদের অবদান রয়েছে”। আর পড়াশোনার প্রস্তুতি নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “ঘড়ি ধরে পড়াশোনা করার পক্ষপাতী আমি ছিলাম না। যখন ইচ্ছে হতো পড়তাম। তবে যতক্ষণ পড়তাম, মন দিয়ে পড়তাম। প্রতিদিন সংবাদপত্র পড়তে ভালোবাসতাম। এছাড়াও গল্পের বই পড়তেও আমার ভালো লাগে। আগামীতে ইংরেজি নিয়ে পড়াশোনা করতে চাই”।

    মেয়ের সাফল্য নিয়ে কী বললেন মা?

    শ্রেয়ার (HS Student) বাবা অধীর মল্লিক বালুরঘাট জেলা আদালতে মুহুরির কাজ করেন। মা তুলসী দে মল্লিক গৃহবধূ। তিনি বলেন, “এই সাফল্যে আমরা খুশি হলেও, মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই চিন্তিত। আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকায় মেয়েকে কোনওরকমে পড়াতে পেরেছি। এবার কলকাতায় মেয়ের পড়ার ইচ্ছে রয়েছে। কিন্তু সেই আর্থিক সামর্থ্য নেই আমাদের। তাই আপাতত ঠিক করেছি বালুরঘাটেই মেয়েকে পড়াব। প্রাইভেট টিউটররা খুব কম টাকায় এতদিন মেয়েকে পড়িয়েছেন। প্রত্যেকের সহযোগিতায় মেয়ের এই সাফল্য। এখন মেয়েকে কীভাবে পড়াব, তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি”।

    কী বললেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক?

    বালুরঘাট ললিতমোহন আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশিস চক্রবর্তী বলেন, “শ্রেয়া খুব ভাল ছাত্রী (HS Student)। পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। তাঁকে আমরা বরাবর সাহায্য করেছি। আগামীতেও করব। তাঁর এই সাফল্যে আমরা গর্বিত”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি? ক্ষোভ আদিবাসী সংগঠনের

    Balurghat: দণ্ডিকাণ্ডে অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীকে কেন গ্রেফতার করা হয়নি? ক্ষোভ আদিবাসী সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দণ্ডিকাণ্ডে (Balurghat) প্রথম থেকেই রিপোর্টে তৃণমূল নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে আড়াল করে রাখা হয়েছে বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ। তা নিয়ে আগেই সরব হয়েছিল আদিবাসী সংগঠনগুলি। এবার মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার দাবিতে আগামী ২২ মে ফের বাংলা বন্‌ধের ডাক দিল আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযান।

    কেন বাংলা বন্‌ধ?

    গত মাসেই বাংলা বন্‌ধ পালন করেছে সেঙ্গেল অভিযান। কিন্তু তার প্রভাব উত্তরবঙ্গ (Balurghat) ও দক্ষিণবঙ্গের মাত্র কয়েকটি জেলাতেই পড়েছিল। তবে এখনও দণ্ডি কাণ্ডে কাউকে গ্রেফতার না করায় এবারের বন্‌ধ আরও জোরদার ভাবে পালন করতে তৈরি হয়েছে আদিবাসী সংগঠন। বালুরঘাট ব্লক সভাপতি অমল মার্ডি বলেন, এবারের সারা বাংলা বন্‌ধে রাজ্যের প্রায় প্রতিটি জেলাতে এর প্রভাব আপনারা দেখতে পাবেন। পুলিশ যেভাবে আদিবাসীদের বিরুদ্ধে কাজ করছে, এর জবাব এবার রাস্তাতে দেবে মানুষ, এমনটাই দাবি আদিবাসী সংগঠনের।

    আদিবাসী সংগঠনের বক্তব্য

    সংগঠনের দক্ষিণ দিনাজপুর (Balurghat) জেলা পরগণার নেতা বিক্রম মুর্মু বলেন, রাজ্য জুড়ে আদিবাসীদের উপর নির্যাতন হয়, আর পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে থাকে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপের পরে আদিবাসীদের দিয়ে দণ্ডি কাটানো নেত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ডাকলেও তাঁকে গ্রেফতার না করেই ছেড়ে দিয়েছে। আদিবাসী সংগঠনের দাবি, নির্যাতনকারী ওই নেত্রীকে গ্রেফতার করতেই হবে। এছাড়াও আগে কুমারগঞ্জের এক আদিবাসী দম্পতিকে ডাইনি চিহ্নিত করা হয়েছে। গত জানুয়ারি মাস থেকে ওই পরিবার বাড়িছাড়া হয়ে রয়েছে। অথচ সেখানকার পুলিশ তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া, বাড়ি ফেরানোর ব্যাপারে কোনও উদ্যোগই নেয়নি। পুরুলিয়া ও জামবনিতেও একই ভাবে আদিবাসীদের উপে অত্যাচার হলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তাই রাজ্যজুড়ে আদিবাসী সমাজের উপর অত্যাচারের বন্‌ধের পথে যেতে বাধ্য হচ্ছি আমরা, এমনটাই মন্তব্য করেন ওই নেতা।

    পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আদিবাসীরা

    গত ৭ এপ্রিল তপনের গোফানগরের (Balurghat) কয়েকজন আদিবাসী মহিলাকে দণ্ডি কাটিয়ে মাফ চাইতে বলে তৃণমূলে যোগদান করানো হয়। ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। দণ্ডি কাণ্ডের পরে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার রাষ্ট্রপতি, জাতীয় মহিলা কমিশন, এসটি কমিশন থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গায় চিঠি পাঠিয়েছিলেন। আর তার ভিত্তিতে জাতীয় এসটি কমিশন রাজ্য পুলিশের ডিজিকে তলব করে৷ এরপর কিছুটা নড়েচড়ে বসে পুলিশ। ওই তলবের পরেই পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁদের জামিন হয়ে যায়। এই ঘটনার প্রতিবাদেই সারা রাজ্যব্যাপী বন্‌ধ ও অন্যান্য আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে আদিবাসী সংগঠনগুলি। বিজেপির আদিবাসী বিধায়করাও রাজ্যপালের কাছে এনিয়ে নালিশ জানিয়ে এসেছেন। কিন্তু তারপরেও মূল নির্যাতনকারীকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে সরব আদিবাসীরা। অবশেষে সম্প্রতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই আদিবাসী মহিলাদের সাথে একান্তভাবে কথা বলেন। তার পরেই রাতারাতি পুরসভার ভাইস চেয়ারপার্সনের পদ থেকে প্রদীপ্তা চক্রবর্তীকে সরানো হয় এবং পরে আবার পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডেকে পাঠায় তাঁকে। কিন্তু এতেও খুশি নয় আদিবাসী সেঙ্গেল অভিযান। গ্রেফতারের দাবিতে  তাই এবার ফের বাংলা বন্‌ধের ডাক দিয়েছে ওই সংগঠন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দলের কাজ থেকে অব্যাহতি চান তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি! গোষ্ঠী কোন্দলের জের?

    TMC: দলের কাজ থেকে অব্যাহতি চান তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি! গোষ্ঠী কোন্দলের জের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে তুমুল গোষ্ঠী কোন্দল হিলিতে। দলের কাজকর্ম থেকে অব্যাহতি চেয়ে ব্লক তৃণমূল সভাপতিকে চিঠি অঞ্চল সভাপতির। ঘটনাকে ঘিরে তুমুল শোরগোল দক্ষিণ দিনাজপুরে। দলীয় কোন্দলের কথা স্বীকার না করলেও দলের কাজকর্ম থেকে অব্যাহতি চেয়ে ব্লক সভাপতিকে চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন হিলির ধলপাড়া অঞ্চল তৃণমূল (TMC) সভাপতি উজ্জ্বল মণ্ডল। যদিও বিষয়টি দলীয় কাজিয়া নয়, পারিবারিক সমস্যা থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অঞ্চল সভাপতি, দাবি ব্লক তৃণমূল সভাপতি মিহির সরকারের।

    দণ্ডিকাটা কাণ্ডেরই জের?

    রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ না হলেও দক্ষিণ দিনাজপুরের বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া হিলি ব্লকে যেন ইতিমধ্যেই বেজে গিয়েছে নির্বাচনী দামামা। আর যাকে ঘিরেই হিলিতে কার্যত প্রকট হয়ে উঠেছে তৃণমূলের (TMC) দলীয় কাজিয়া। সাংগঠনিক দক্ষতা বিচার করে ধলপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান উজ্জ্বল মণ্ডলকে বেশ কিছুদিন আগে ওই অঞ্চলের সভাপতির দায়িত্ব দেয় তৃণমূল। যিনি প্রাক্তন মহিলা নেত্রী প্রদীপ্তা চক্রবর্তীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিতি লাভ করেন এলাকায়। দলের বহুদিনের পুরনো কর্মীর পাশাপাশি সাংগঠনিক দক্ষতাও তাঁর অনেক বেশি থাকায় এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর পাল্লাই বেশি ভারী ছিল। কিন্তু দণ্ডিকাটা কাণ্ডের জেরে মহিলা নেত্রীর ক্ষমতা ক্রমশ তলানিতে চলে যেতেই দলের ভিতরে কার্যত চাপে পড়ে যান অঞ্চল সভাপতি, এমনটাই দলীয় সূত্রের খবর। যার সুযোগ নিয়ে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে অপর গোষ্ঠী। যাদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা একপ্রকার শূন্য থাকলেও বর্তমানে দলের লবিবাজিতে তারাই প্রধান্য পেতে থাকে।

    বিগত বেশ কয়েকদিন আগে গঙ্গারামপুর স্টেডিয়ামে আয়োজিত অভিষেকের নবজোয়ার কর্মসূচিতে অপর গোষ্ঠীর লোকেরা প্রাধান্য পেতেই দলের প্রতি আস্থা হারান প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্ৰধান তথা অঞ্চল সভাপতি উজ্জ্বল মণ্ডল বলে দলীয় সূত্রের খবর। আর এরপরেই দলের যাবতীয় কাজকর্ম থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যা লিখিতভাবেও জানিয়েছেন ব্লক সভাপতিকে বলে দলীয় সূত্রের খবর। যাকে ঘিরেই হিলিতে একপ্রকার প্রকাশ্যে আসে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠীবাজি। নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে যা আরও বড় মাত্রা পাবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    কী বলল বিবদমান দুপক্ষ (TMC)?

    ধলপাড়া অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি উজ্জ্বল মণ্ডল বলেন, পদত্যাগ নয়, দলের (TMC) কাজকর্ম থেকে অব্যাহতি চেয়ে একটি চিঠি দিয়েছি ব্লক সভাপতিকে। পারিবারিক বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। হিলি ব্লক তৃণমূল সভাপতি মিহির সরকার বলেন, এই ধরনের কোনও ঘটনা নয়। পারিবারিক একটি দুর্ঘটনার কারণেই কিছুটা সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। আপাতত ১১ জনের একটি কমিটি করে দল চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওই অঞ্চলে। যে কমিটিতে তাঁকেও রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share