Tag: Banerjee

  • Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    Election Commission: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন কখনও দেখিনি”, বললেন মমতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এরকম মিথ্যেবাদী কমিশন আমি কখনও দেখিনি। বহু ধিন ধরে রাজনীতি করছি, এরকম ঔদ্ধত্য আমি আগে দেখিনি (Election Commission)।” এক নিঃশ্বাসে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির অঙ্গুলি হেলনেই কাজ করছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জানাতে সদলে দিল্লি গিয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর বৈঠক হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানের কুমারের সঙ্গে। সেই বৈঠক থেকে বেরিয়েই কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।

    ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম! (Election Commission)

    জানা গিয়েছে, বেঁচে থাকতেও নির্বাচন কমিশনের নথিতে মৃত বলে চিহ্নিত এমন ৫০জন ভোটারকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন মমতারা। শুধু তা-ই নয়, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে পরিবারের কোনও না কোনও সদস্যের মৃত্যু হয়েছে, এমন অভিযোগ থাকা আরও ৫০জনকেও দিল্লিতে নিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। এদিন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের (Mamata Banerjee)। সেখানেই ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে রাজ্যে অনিয়ম, হয়রানি এবং মানবিক বিপর্যয়ের অভিযোগ তুলে ধরে কমিশনের কাছ থেকে সরাসরি ব্যাখ্যা ও পদক্ষেপ দাবি করে তৃণমূল। যদিও খানিক পরে নির্বাচন সদন থেকে বেরিয়ে মমতা অভিযোগ করেন, বৈঠকের আগেই তাঁদের অসম্মান ও অপমান করা হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে বাদ দেওয়া হয়েছে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম। ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণের অভিযোগও করেন মমতা।

    হিন্দু-মুসলমান

    তাঁর দাবি, “যাঁরা হিন্দু-মুসলমান করেন, তাঁরা বুঝতে পারছেন? এখানে দু’জন মুসলিম রয়েছেন (Election Commission)। ক’জন হিন্দু?” তাঁর আরও প্রশ্ন, “বিজেপি শাসিত অসমে কেন এই প্রক্রিয়া করা হল না?” মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এসআইআরের নামে রাজ্যে ৫৮ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব করা হয়েছে। তার নেপথ্যে রয়েছেন সীমা খন্না। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত বড় সংখ্যায় ভোটার বাদ পড়ার পরেও নির্বাচন কমিশন কোনও ব্যাখ্যা চাইছে না।”

    প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা

    এদিন আরও একবার প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আপনারা প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করুন। ওঁর বাবা-মায়ের জন্ম-কুন্ডলী বের করতে বলুন।” তিনি বলেন, “লালকৃষ্ণ আডবাণীর নাগরিকত্ব এবং জন্মস্থান সংক্রান্ত প্রশ্নও এক সময় উঠেছিল।” এদিনের বৈঠকের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। বলেন, “বৈঠকের সময় কমিশনের নিজস্ব ক্যামেরাম্যানরা উপস্থিত ছিলেন, অথচ বাইরের ক্যামেরাম্যানদের সেখানে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়নি।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের যা ইচ্ছে, তাই করবেন, তা তো হয় না! বহুদিন ধরে রাজনীতি করছি, মন্ত্রীও ছিলাম (Election Commission)। এরকম অহঙ্কারী নির্বাচন কমিশন কখনও দেখিনি (Mamata Banerjee)।”

  • BJP: ‘‘রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’’, বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভকে ‘অশ্বডিম্ব’ উল্লেখ শমীক-শুভেন্দুর

    BJP: ‘‘রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে’’, বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভকে ‘অশ্বডিম্ব’ উল্লেখ শমীক-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবার এক আমজনতার আইওয়াশের চেষ্টা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)! বুধবার থেকে শুরু হয়েছে দু’দিন ব্যাপী বেঙ্গল বিজনেস কনক্লেভ। মুখ্যমন্ত্রীর এই আইওয়াশের চেষ্টাকে তুলোধনা করল বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, বেঙ্গল বিজনেস সামিটে একের পর এক মউ স্বাক্ষরিত হলেও, রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে শিল্পোন্নয়ন হয়নি বলেও দাবি তাদের। শুধু তাই নয়, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে যতগুলি বেঙ্গল বিজনেস সামিট হয়েছে, তাতে কতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং কত টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সম্বলিত একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেভইয়ার্ড’ (BJP)

    ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রেভইয়ার্ড’ নামের এই পুস্তিকায় এখনও পর্যন্ত কতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, বিজিবিএসে মোট কত টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তার বিশদ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। ফি বছর কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে রাজ্যে আয়োজন করা হয় বেঙ্গল বিজনেস সামিটের। দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা অংশ নেন এই সামিটে। রাজ্যে শিল্পোন্নয়নের উদ্দেশে আয়োজন করা হয় এই সম্মেলনে। সম্মেলন উপলক্ষে আয়োজন হয় ভুরিভোজেরও। বিরোধীদের অভিযোগ, শেষে সেই সামিট প্রসব করে আক্ষরিক অর্থেই অশ্বডিম্ব। নতুন বছরের মার্চ-এপ্রিলেই যেহেতু রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, তাই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ২০২৬ সালের বিজিবিএস হবে ভোটের পরে। তবে এর গতি বজায় রাখতে সরকার আয়োজন করেছে এই কনক্লেভের।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ-বাণ

    একেই কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “এবার মুখ্যমন্ত্রী ভারাক্রান্ত এবং ক্লান্ত। তাই নিউটাউনে ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের বদলে তাঁর বাড়ির কাছে ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে দু’দিনের বিজনেস সামিট করছেন। রাজ্যের (BJP) বিপর্যয়ের বিষয়টি পুস্তিকার আকারে প্রকাশ করেছি। বিজেপি এই পুস্তিকা আগামী কয়েক দিনে পশ্চিমবঙ্গের (Mamata Banerjee) সব স্তরে এবং বুথ স্তরে ক্যাম্পেনিংয়ের আকারে পৌঁছে দেওয়ার একটা উদ্যোগ নিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও তা ছড়িয়ে দেওয়া হবে।”

    শমীকের তির

    বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “রাজ্যে শিল্প ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। ভারী শিল্প ছাড়া বাংলা মুক্তি পাবে না। তৃণমূল ৯২ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল। তখন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, সিপিএম এমন অবস্থা করে দিয়ে গিয়েছে যে কেউ লিজ নিতেও চাইবে না। তাও মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছিলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নিয়ে সবটা দেখবে। কিন্তু তা হয়নি।” শমীকের কথায় উঠে আসে সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গও। তিনি জানান, শিল্পের জন্য যদি জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হয় (BJP), তাহলে সেটাও করতে হবে, তবে তার আর্থিক অংশীদারি দিতে হবে সেই সব কৃষকদের যাঁদের জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। গেরুয়া সৈনিক বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলেন বাংলাকে গুজরাট, মহারাষ্ট্র হতে দেব না। অথচ সেই মহারাষ্ট্রেই বিদেশি বিনিয়োগ পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় বেশ কয়েকগুণ বেশি। পাততাড়ি গুটিয়ে এ রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছেন একের পর এক শিল্পপতি (Mamata Banerjee)।”

    শুভেন্দুর ফিরিস্তি

    শুভেন্দুর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তার ঠিক পরের বছর মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৯০টি, লগ্নির ঘোষণা করা হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার। ২০১৭ সালে মউ চুক্তি হয়েছিল ১১০টি, ঘোষণা করা হয়েছিল বিনিয়োগ করা হবে ২ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। উনিশে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৮৬টি। করোনা অতিমারির পরে ২০২২ সালে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল ৩ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকার। তার পরের বছর ৩ লাখ ৭৬ হাজার কোটি টাকা। এই বছর মউ স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৮৮টি। শুভেন্দুর অভিযোগ, এতগুলি মউ স্বাক্ষরিত হলেও কার্যকর হয়নি তার সিংহভাগই (BJP)।

    শিল্প কোথায়

    এই সম্মেলন করতে গিয়ে খরচ হয়েছে কত, তারও ফিরিস্তি দিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি জানান, ২০১৬ সালে বাণিজ্য সম্মেলনে ৩০ কোটি, ২০১৭ সালে ৩৫ কোটি, ২০১৮ সালে ৪০ কোটি, উনিশে ৪৫ কোটি, ২৩ সালে ৫০ কোটি এবং ২০২৪ সালে খরচ হয়েছে ৬৭ কোটি টাকা (Mamata Banerjee)। মোট বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ২০ লাখ কোটি টাকা এবং ৮০০টি মউ স্বাক্ষরিত হলেও, কার্যক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে লগ্নির পরিমাণ শূন্য। যেটুকু বিনিয়োগ হয়েছে, তা মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে। বড় কোনও শিল্প এ রাজ্যে হয়নি (BJP)।

  • BJP: বিশ্বকাপজয়ী ভারতের মহিলা দলকে অভিনন্দন মমতার, ‘‘ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন’’! মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা বিজেপির

    BJP: বিশ্বকাপজয়ী ভারতের মহিলা দলকে অভিনন্দন মমতার, ‘‘ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন’’! মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাত সাড়ে ১২টায় কীভাবে বাইরে বেরলো?” দুর্গাপুরে মেডিক্যাল পড়ুয়া ছাত্রী ধর্ষণকাণ্ডের পর এমনই মন্তব্য করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মহিলা এই মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের রাত ৮টার (BJP) মধ্যেই ঘরে ‘সেঁধিয়ে’ যাওয়ার পরামর্শও দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করেছিলেন। সেই তিনিই এবার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মহিলাদের একদিনের ক্রিকেটে প্রথমবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতীয় দলকে।

    মহিলা ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিশ্বকাপ জয় ভারতের (BJP)

    রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মহিলা ওয়ান ডে ক্রিকেটে বিশ্বকাপের ফাইনালে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেয় ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ২৯৮ রান তোলে হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন ভারত। পাল্টা ব্যাট করতে নেমে ২৪৬ রানে সব উইকেট হারিয়ে গোহারা হারে দক্ষিণ আফ্রিকা। রাত ১২টার কিছু পরে বিশ্বকাপ ওঠে ভারতের মহিলা ক্রিকেট দলের হাতে। তার পরেই দেশজুড়ে শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে যান ভারতীয় ক্রিকেট দলের মহিলা সদস্যরা। এই টিম ইন্ডিয়াকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ সমাজের বিভিন্ন জগতের মানুষ। এই তালিকায় রয়েছেন মমতাও। তার পরেই কার্যত তাঁকে ধুয়ে দিল বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরেই তাঁর অভিনন্দন-বার্তাকে খোঁচা দিয়েছে পদ্মশিবির।

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিনন্দন-বার্তায় খোঁচা বিজেপির

    ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট টিমকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ, গোটা দেশ উইমেন ইন ব্লু-র বিশ্বকাপ ফাইনালের কৃতিত্বের জন্য গর্বিত। টুর্নামেন্টজুড়ে তাঁরা যে লড়াই এবং যে কর্তৃত্ব দেখিয়েছেন, তা তরুণীদের প্রজন্মে অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। আপনারা প্রমাণ করেছন যে আপনারা শীর্ষ স্তরে একটি বিশ্বমানের দল এবং আপনারা আমাদের কিছু অসাধারণ মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন। আপনারা আমাদের নায়ক। ভবিষ্যতে আপনাদের জন্য আরও বড় সাফল্য অপেক্ষা করে রয়েছে। আমরা (Mamata Banerjee) আপনাদের সঙ্গে রয়েছি।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর এহেন বক্তব্য তুলে ধরেই এক্স হ্যান্ডেলে তাঁকে খোঁচা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি (BJP)। “ওএমজি (ও মাই গড) ওঁরা ১২টা পর্যন্ত খেলছিলেন! কিন্তু আপনি তো ৮টার মধ্যেই বাড়ি ঢুকে যেতে বলেছেন।”

    মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন

    প্রসঙ্গত, দুর্গাপুরকাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “ওটি একটি প্রাইভেট কলেজ। মেয়েটির নিরাপত্তার দায়িত্ব তো সেই প্রাইভেট কলেজেরই। রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ মেয়েটি কীভাবে ক্যাম্পাসের বাইরে গেল? জঙ্গল এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে শুনেছি। কী হয়েছে, জানি না। পুলিশ খতিয়ে দেখছে। প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজগুলির উচিত নিরাপত্তা আরও জোরদার করা। বিশেষ করে ছাত্রীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা উচিত। রাতে তাদের বাইরে বেরোতে দেওয়া উচিত নয়। পুলিশ কীভাবে জানবে রাতে কে কখন বেরোবে? বিভিন্ন রাজ্যের ছেলেমেয়েদের অনুরোধ করব রাতে তারা যেন না বেরোয়। প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজেরও একটা দায়িত্ব রয়েছে। কেউ যদি রাত সাড়ে ১২টায় কোথাও যায়, পুলিশ তো আর তাদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বসে থাকবে না (BJP)।”

    একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের জেরে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গবাসী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এমন মন্তব্য করা মুখ্যমন্ত্রীই কিনা এখন রাত ১২টা পর্যন্ত খেলে চ্যাম্পিয়ন হওয়া মহিলা ক্রিকেট দলকে ‘শুভনন্দন’ (শুভ অভিনন্দন না বলে এই শব্দটি ব্যবহার (Mamata Banerjee) করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। যদিও শব্দটি কোনও অভিধানেই নেই।) জানাচ্ছেন (BJP)!

    ভূতের মুখে রাম নাম!

LinkedIn
Share