Tag: Bangala

  • Amit Shah: “মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে”, হাজরার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

    Amit Shah: “মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে”, হাজরার সভা থেকে হুঙ্কার অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের ভোট প্রচারে (West Bengal Elections 2026) ভবানীপুরে নেমে পড়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন বিজেপির হাইভোল্টেজ পদপ্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন করেছেন। একই ভাবে এই কেন্দ্রে তৃণমূলের পক্ষে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর লড়াই বেশ জমজমাট। বিজেপির তরফে অবশ্য জয় নিয়ে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। বৃহস্পতিবার হাজরা মোড়ে রাজ্যের তৃণমূলের শাসনের একাধিক বঞ্চনার কথা তুলে ধরে তোপ দেগেছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে তো পরিবর্তন হবেই। ভবানীপুরে পরিবর্তন করতে হবে কি হবে না? আমি হাত জোড় করে আমাদের বলছি, পুরো রাজ্যের মুক্তির জন্য আমাদের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে বিপুল জনমতে জয়ী করুন।”

    মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেন (Amit Shah)

    এদিন সকাল ১১ টা ৫০ মিনিটে হাজরায় সভা করেন অমিত শাহ (Amit Shah)। আপাতত নির্বাচনের জন্য ১৫ দিন সময় দেবেন বিজেপির এই প্রবীণ নেতা। বাংলাকে জয় করতেই হজবে। তিনি তাই জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের শুভেন্দুদা নন্দীগ্রাম থেকে লড়তে চাইছিলেন। আমি শুভেন্দুদাকে বললাম, শুধু নন্দীগ্রাম নয়। মমতার ঘরে ঢুকে তাঁকে হারাতে হবে। আর ওনার তো রেকর্ড আছেই। গত ভোটে মমতা পশ্চিমবঙ্গে সরকার তো গড়েছিলেন, কিন্তু নন্দীগ্রামে শুভেন্দুদার কাছে হেরে গিয়েছিলেন। এ বার মমতা গোটা রাজ্যে তো হারবেনই, ভবানীপুরেও হারবেন (West Bengal Elections 2026)।”

    উল্লেখ্য গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কাছে হেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে প্রার্থী হিসেবে হারলেও ক্ষমতায় বসে দল তৃণমূল। এই বার মমতার কেন্দ্রে হারিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে চাইছে বিজেপি। মমতাকে নিজের কেন্দ্রে ব্যাস্ত করে বাকি বিধানসভাগুলিতে বাজিমাত করা বিজেপির এখন বিশেষ কৌশল। তাই তৃণমূলকে শাসন ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বিজেপির সরকার গঠনের জন্যই ভোট চাইতে ময়দানে নেমে পড়েছেন শুভেন্দু।

    আমরা ১৭০ আসনে পৌঁছোব

    এই নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) ১৭০ আসনের লক্ষ্যমাত্রা আগেই বেঁধে দিয়েছিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন মমতার পাড়ায় সভা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “একটা একটা করে আসন জিতে আমরা ১৭০ আসনে পৌঁছোব। তবেই তো পরিবর্তন হবে। কিন্তু আমার কাছে শর্টকাট আছে। ভবানীপুরবাসী একটি আসন জেতালেই পরিবর্তন নিজে থেকেই হয়ে যাবে। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন হতে হবে। মোদিজির নেতৃত্বে এখানে বিজেপির সরকার তৈরি করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তকে সিল করে এ রাজ্য এবং গোটা দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে দেশ থেকে তাড়াতে হবে।”

    মমতাকে টাটা বাইবাই করে দিন

    হাজরার মঞ্চ থেকে বক্তৃতা করছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের ভোটে ১৫ দিন আমি এ রাজ্যেই থাকব। আপনাদের সঙ্গে কথা বলার অনেক সুযোগ পাব। আজ আমাদের প্রার্থীদের, বিশেষ করে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নের জন্য আমি এসেছি। আজ এসেছি মনোনয়ন পত্র জমা করতে। মমতাকে টাটা বাইবাই করে দিন। যারা তৃণমূল শাসনে তোলাবাজি, গুণ্ডাগিরি, নারী সুরক্ষা, অনুপ্রবেশ, গোলা বন্দুক বোমাবাজির শিকার হয়েছেন তাঁদের বলব এই সব ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চাইলে বিজেপিকে ভোট দিতে হবে। বাংলার মানুষের পরিবর্তন দরকার। ভাবানীপুর (West Bengal Elections 2026) থেকে শুভেন্দু অধিকারী, রাসবিহারী থেকে ডক্টর স্বপ্ন দাসগুপ্ত, বালিগঞ্জএ শতরূপা বোস, চৌরঙ্গী থেকে সন্তোষ পাঠককে বিশেষ ভাবে শুভেচ্ছা জানাই।

    কেন পাখির চোখ ভবানীপুর? 

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভবানীপুর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের চারণভূমি হওয়ায় এই কেন্দ্রটিকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। শাহের এই মন্তব্য মূলত দলের নিচুতলার কর্মীদের মনোবল বৃদ্ধি করার একটি কৌশল। তিনি কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, যেন প্রতিটি বুথ স্তরে পৌঁছে মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল এবং রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়। রাজ্য রাজনীতির এই হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ে ভবানীপুর যে আগামী দিনে মূল কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বার্তায় তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রকে পাখির চোখ করে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে এক বিশেষ বার্তা দিয়েছেন তিনি। শাহের দাবি, বিজেপি যদি ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়লাভ করতে পারে, তবে পশ্চিমবঙ্গ দখল করা কেবল সময়ের অপেক্ষা।

  • Bangladeshi: ভোট আবহে জলপাইগুড়িতে ১৪ বাংলাদেশিকে ধরল আরপিএফ, উদ্ধার জাল আধার ও বিদেশি মুদ্রা

    Bangladeshi: ভোট আবহে জলপাইগুড়িতে ১৪ বাংলাদেশিকে ধরল আরপিএফ, উদ্ধার জাল আধার ও বিদেশি মুদ্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে দিল্লিগামী নর্থ-ইস্ট এক্সপ্রেস থেকে চারজন মহিলা এবং চারজন শিশুসহ মোট ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফ। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল আধার (Fake Aadhaar Card) এবং আরও নথি। উদ্ধার হয়েছে বিদেশি মুদ্রাও।

    ট্রেনের রুটিন তল্লাশির সময় আটক (Bangladeshi)

    সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধৃত বাংলাদেশিদের (Bangladeshi) কাছ থেকে জাল আধার কার্ড এবং মালয়েশিয়ান মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। আরপিএফ ইন্সপেক্টর বিপ্লব দত্ত জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এবং ট্রেনের রুটিন তল্লাশির সময় এই ব্যক্তিদের আটক করা হয়। সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এবং নথিপত্র পরীক্ষা করলে দেখা যায় যে তাদের আধার কার্ডগুলো জাল। তদন্তে জানা গেছে, ধৃতরা সকলেই বাংলাদেশের নাগরিক এবং কাজের সন্ধানে কাশ্মীর যাচ্ছিলেন। এই ঘটনায় ৫ জন পুরুষ, ৫ জন মহিলা এবং ৪ জন শিশুকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া আধার কার্ডগুলো আসল নাকি বেআইনিভাবে (Fake Aadhaar Card) তৈরি করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখার জন্য বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ভুয়ো মেডিকেল ভিসা ব্যবহার

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। গত ১৩ মার্চ ১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশের ফরেনার্স সেল, যারা ভুয়ো মেডিক্যাল ভিসা ব্যবহার করে ভারতে অবস্থান করছিল। বর্তমানে জলপাইগুড়িতে ধৃত এই ১৪ জনের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই অভিযানের জন্য ফরেনার সেলের একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছিল। একটি বিশেষ যাচাই অভিযান চলাকালে দলটি কিছু বাংলাদেশি নাগরিক (Bangladeshi) সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়, যারা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। আরও জানা গেছে যে, ভারতে থাকার জন্য কোনও বৈধ কাগজপত্র (Fake Aadhaar Card) না থাকা সত্ত্বেও এই ব্যক্তিরা বুলগেরিয়ার জন্য মেডিক্যাল ভিসা পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

  • Suvendu Adhikari: “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই, দিনকাল বদলে গিয়েছে”, নন্দীগ্রামে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই, দিনকাল বদলে গিয়েছে”, নন্দীগ্রামে তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নন্দীগ্রামে নির্বাচনী প্রচারের সময়ে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) লক্ষ্য করে করা কটূক্তিকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, শাসক (West Bengal Elections 2026) শিবিরের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি নির্দিষ্ট স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক ও বিরোধী— উভয় পক্ষের মধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র বাকযুদ্ধ।

    পরিস্থিতিকে কিছুটা উত্তেজিত করে (Suvendu Adhikari)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) যখন নন্দীগ্রামের একটি নির্দিষ্ট এলাকা দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন সেখানে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। এই স্লোগানটি বর্তমানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে পরিচিত। বিরোধী দলনেতার উপস্থিতিতে এই ধরণের স্লোগান প্রদান পরিস্থিতিকে কিছুটা উত্তেজিত (West Bengal Elections 2026) করে তোলে।

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া

    এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) অত্যন্ত কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। স্লোগান শুনে তিনি গাড়ি থেকে নেমে পড়েন এবং যারা স্লোগান দিচ্ছিলেন তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “২০২১ সালের নির্বাচনের মতো পরিস্থিতি আর নেই। দিনকাল বদলে গিয়েছে। এই রকম করবেন না। সবার কাছে যাওয়ার অধিকার আমার আছে। আমাকে দেখে এমন করবেন না। আমি সব মুসলিম বাড়িতে যাব। আমার এমএলএ অফিস থেকে সবাই সাহায্য পেয়েছে।” এই ধরণের স্লোগান প্রদানের মাধ্যমে রাজনৈতিক উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বিষয়টিকে (West Bengal Elections 2026) গণতান্ত্রিক শিষ্টাচারের পরিপন্থী বলে উল্লেখ করেন এবং জানান যে, নন্দীগ্রামের মানুষই এর উপযুক্ত জবাব দেবেন। তাঁর মতে, পরিকল্পিতভাবেই তাঁর যাত্রাপথে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ‘জয় বাংলা’ কোনও নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং এটি বাঙালির আবেগের প্রতিফলন। সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই স্লোগান দিয়েছেন এবং এতে অন্যায়ের কিছু নেই। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, পুলিশের উপস্থিতিতেই বিরোধী দলনেতাকে হেনস্থা করার উদ্দেশ্যে এই জমায়েত করা হয়েছিল। এটি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতারই বহিঃপ্রকাশ (West Bengal Elections 2026)।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    ঘটনার পর থেকে নন্দীগ্রামের ওই এলাকায় পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে কড়া নজর রাখছে প্রশাসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে নন্দীগ্রামের (West Bengal Elections 2026) মাটি যে পুনরায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, এই ঘটনা তারই ইঙ্গিতবাহী।

  • West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) উপলক্ষে কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত জনসভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রশাসনিক এবং কৌশলগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ১ এপ্রিল আলিপুরদুয়ার শহরে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা এবং ৫ এপ্রিল কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জনসভা। পদ্ম শিবির দুই কর্মসূচিতেই বড়সড়ো জমায়েতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভোট প্রচারে উত্তরবঙ্গে বিজেপির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। যদিও উত্তরবঙ্গে বিজেপি গত লোকসভা ভোটেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ (West Bengal Elections 2026)

    প্রাথমিকভাবে কোচবিহারের একটি নির্দিষ্ট মাঠে এই সভার পরিকল্পনা করা হলেও, দর্শক সমাগম এবং নিরাপত্তার খাতিরে এখন অন্য একটি বড় প্রাঙ্গণ বেছে নেওয়া হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বের মতে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভায় যে পরিমাণ মানুষের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তা সামাল দিতে আরও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন ছিল। নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ এবং সভার প্রস্তুতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

    প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা

    বিজেপির রাজ্য ও জেলা স্তরের শীর্ষ নেতারা নিয়মিত সভাস্থল পরিদর্শন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি (SPG) আধিকারিকরাও ইতিমধ্যে কোচবিহারে পৌঁছেছেন এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছেন। সভাস্থলের চারপাশ সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে এবং ড্রোন নজরদারির পরিকল্পনাও রয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, ১ এপ্রিল বিজেপির পাঁচ প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) একসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ১০ হাজার মানুষের জমায়েতের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই পাঁচ হাজার জমায়েতের কথা বলা হয়েছে। জেলা সদর এই বিধানসভার মধ্যেই রয়েছে। জেলা সভাপতি মিঠু দাস বলেন, “দুটো কর্মসূচিই আমাদের কাছে বড়। সেগুলো সফল করতে বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা চলছে। দুটো কর্মসূচিই সফল হবে।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আগে মোদির (PM Modi) এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সভায় প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহল। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই দুই জেলার প্রার্থীদের সমর্থনে কোচবিহার রাসমেলার মাঠে বিজেপির জনসভা হবে। সেখানে আলিপুরদুয়ার থেকে ৩০ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে যাওয়ার টার্গেট দেওয়া হয়েছে। সেইমতো বিভিন্ন মণ্ডলে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাবুলাল সাহা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় জেলার সব বুথ থেকেই মানুষজন যাবে। সমস্ত বুথ থেকে ২০-২৫ জন করে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।”

    মনোনয়ন জমা ও রোড শো

    দলীয় পরিকল্পনানুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভার ঠিক পরেই আলিপুরদুয়ারের বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে মহকুমা শাসকের দফতরে মনোনয়ন জমা দেবেন। এই মিছিলে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের জনসমর্থন তুলে ধরাই এই ‘মেগা প্ল্যান’-এর মূল উদ্দেশ্য।

    প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক বৈঠক

    কর্মসূচি সফল করতে ইতিমধ্যেই জেলা কমিটির পক্ষ থেকে একাধিক ব্লক ও বুথ স্তরের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সুশৃঙ্খলভাবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রেখে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করা হয়। পুলিশের সঙ্গেও প্রয়োজনীয় সমন্বয় রক্ষা করা হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

    বুধবার বিজেপির পাঁচ প্রার্থী নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শহরের চৌপথি এলাকায় বিএম ক্লাবের মাঠে একত্রিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেখান থেকে মিছিল করে নেতা কর্মীরা আসবেন ডুয়ার্সকন্যায়। মনোনয়নপত্র দেওয়ার মিছিলে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ থাকবেন না। তবে রাজ্যের নেতাদের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হাতে সময় কম থাকায় এই কর্মসূচি সফল করতে বিজেপিতে কাজের বিভাজন করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিজেপি এই ধরণের বড় মাপের কর্মসূচি গ্রহণ করছে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরের ঠিক পরেই এই মনোনয়ন জমা দেওয়ার কৌশলটি জনমানসে বাড়তি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • West Bengal Elections 2026: মনোনয়ন দাখিলের হলফনামায় শুভেন্দুর পেশ করা সম্পত্তির পরিমাণ প্রকাশ্যে, রইল খতিয়ান

    West Bengal Elections 2026: মনোনয়ন দাখিলের হলফনামায় শুভেন্দুর পেশ করা সম্পত্তির পরিমাণ প্রকাশ্যে, রইল খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল সাজানোর মাঝেই হলদিয়া মহকুমা শাসকের দফতরে নিজের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি নিজের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন।

    আর্থিক সম্পদের বিবরণ (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) হাতে এই মুহূর্তে নগদ অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ২০২১ সালে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৯০ লক্ষ ৬ হাজার ১৪৯ টাকা ৩২ পয়সা । কিন্তু এবারের হলফনামায় তাঁর বর্তমান মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৮৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকা। অর্থাৎ, গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে শুভেন্দু অধিকারীর মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৪৯ টাকা কমে গিয়েছে। তবে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় স্কিমে তাঁর সম্পত্তি রয়েছে। ব্যাঙ্ক আমানত, বন্ড এবং বিমার কিস্তি মিলিয়ে তাঁর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে বর্তমানে তাঁর স্থাবর সম্পত্তির আনুমানিক পরিমাণ ৬১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। স্থাবর এবং অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর মোট সম্পত্তির অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৮৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকায়।

    স্থাবর সম্পত্তি

    ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে (West Bengal Elections 2026) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ১৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫৯০ টাকার আয়কর দাখিল করেছেন। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১০ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৬০ টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ৪০০ টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ৮ লক্ষ ৮ হাজার ৪৬১ টাকার আয়কর দাখিল করেছিলেন তিনি। সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ডাকঘরের বিভিন্ন সঞ্চয় প্রকল্প এবং কিষাণ বিকাশ পত্র মিলিয়ে তাঁর মোট বিনিয়োগ ও জমানো অর্থের পরিমাণ ২৪ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির অংশ বা নির্দিষ্ট কিছু অকৃষিজমির মালিকানা থাকলেও, গত কয়েক বছরে নতুন করে বড় কোনও স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের উল্লেখ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

    যানবাহন ও অন্যান্য

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) হলফনামা অনুযায়ী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিজস্ব কোনও গাড়ি নেই। যাতায়াতের জন্য তিনি মূলত দলীয় বা সরকারি নিরাপত্তা বলয়ের অন্তর্ভুক্ত যানবাহন ব্যবহার করেন। এছাড়া তাঁর নামে কোনও বড় অঙ্কের ঋণ বা বকেয়া করের দায়বদ্ধতা নেই বলেও হলফনামায় দাবি করা হয়েছে। এগরা এবং নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর নামে জমি রয়েছে ২.৪৬ একর কৃষি জমি। এর মধ্যে একটি জমির মূল্য ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং অপরটির মূল্য আট লক্ষ টাকা বলে জানানো হয়েছে। তবে সম্পত্তির শেষ এখানেই নয় । তমলুকের পার্বতীপুরে মণীষা অ্যাপার্টমেন্টে ৪৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট এবং কুমারপুর মৌজায় নিবেদিতা আবাসনে ১১৫২ বর্গফুটের আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর নামে। এছাড়া কারকুলিতে সাড়ে চার হাজার বর্গফুটের একটি আবাসিক ভবনও রয়েছে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর বা এমএ পাশ করেছেন। তবে এই হলফনামার সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর দিকটি হল তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিচারাধীন মামলার (West Bengal Elections 2026) তালিকা। হলফনামার প্রায় ১৯ থেকে ২০ পাতা জুড়ে শুধুমাত্র রাজ্যের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার বিবরণ রয়েছে। শুভেন্দু অতীতে একাধিকবার দাবি করে এসেছেন যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে রাজ্যের শাসক দল তাঁর বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি ভুয়ো মামলা দায়ের করে রেখেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার পর থেকেই বিজেপির অভিযোগ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু জামিন অযোগ্যধারায় মামলা করা হয়েছে।

    কোন কোন ধারায় মামলা?

    হলফনামায় এখনও পর্যন্ত যে যে মামলাগুলির কথা রয়েছে তার মধ্যে হল গড়বেতা, চাঁচল, খড়গপুর, খড়দা, লালগড়, সাঁকরাইল, জামবনি, ঝাড়গ্রাম, বেলেঘাটা, বউবাজার, ভূপতিনগর, হেয়ার স্ট্রিট, দুর্গাচক, আলিপুরদুয়ার, কুলটি, পাঁশকুড়া, ময়দান, কাঁথি এবং জোড়াসাঁকো থানায় তাঁর নামে এই অভিযোগগুলি দায়ের করা হয়েছে। এই মামলাগুলির বিচারপ্রক্রিয়া বর্তমানে বিভিন্ন নিম্ন আদালতে চলছে। অভিযোগগুলির মধ্যে পুলিশের দায়ের করা অভিযোগগুলির মধ্যে আদিবাসীদের অসম্মান, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, আর্থিক দুর্নীতি, সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা, খুনের চেষ্টার মতো গুরুতর ধারা রয়েছে। এমনকী পকসো মামলাতেও তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে হলফনামা সূত্রে জানা গিয়েছে ।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    মনোনয়ন (West Bengal Elections 2026) জমা দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান যে, সাধারণ মানুষের আশীর্বাদই তাঁর আসল সম্পদ। হলফনামায় দেওয়া এই তথ্যাদি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে স্বাভাবিকভাবেই চর্চা শুরু হয়েছে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই তিনি এই সমস্ত তথ্য পেশ করেছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের খবর।

  • Visva Bharati: শান্তিনিকেতনে ছাত্র সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বিশ্বভারতী চত্বর, মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী

    Visva Bharati: শান্তিনিকেতনে ছাত্র সংঘর্ষ! উত্তপ্ত বিশ্বভারতী চত্বর, মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য শান্তিনিকেতনে ছাত্র রাজনীতির উত্তাপে শোরগোল পড়েছে।  ২০১৯ সালের রূপান্তরকামীরদের জন্য আনা বিল সংশোধন করে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনে পরিণত করার দাবিতে সভা করে এসএফআই। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় (Visva Bharati) সংলগ্ন এলাকায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এসএফআই এবং ডানপন্থী সংগঠন এবিভিপি-র কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Shantiniketan)।

    ঘটনার সূত্রপাত (Visva Bharati)

    স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘ কয়েকদিন ধরেই ক্যাম্পাসের (Visva Bharati) অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিষয় ও রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে দুই সংগঠনের মধ্যে চাপা উত্তেজনা ছিল। এবার রূপান্তরকামী আইনকে কেন্দ্র করে সেই বিবাদ চরম আকার ধারণ করে। উভয় পক্ষের ছাত্ররা একে অপরের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক স্লোগান এবং আক্রমণের অভিযোগ এনেছে। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    সংঘর্ষের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিনিকেতন (Shantiniketan)  থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়। সংঘর্ষে দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসার (Visva Bharati) জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    রাজনৈতিক চাপানউতোর

    এসএফআই-এর দাবি, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বহিরাগতদের নিয়ে এসে অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে এবিভিপির সমর্থকরা। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে বলেও তাদের দাবি।  পাল্টা গেরুয়া শিবিরের দাবি, বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ক্যাম্পাসে (Visva Bharati) অসহিষ্ণুতার পরিবেশ তৈরি করছে এবং তাদের কর্মীদের ওপর বিনা প্ররোচনায় আক্রমণ করা হয়েছে। এবিভিপি-র এক কর্মী বলেন, “এসএফআই সব সময়ই দেশবিরোধী কার্যকলাপ করে থাকে। ভারত মাতার জয়-বন্দে-মাতরম শুনলে তো ওদের রক্ত গরম হয়ে যায়। সেই কারণে ওদের জ্বলন হয়। এরপর ওদের কয়েকজন এখানে চলে আসে। ধস্তাধস্তি করে। আমাদের গায়ে হাত দিয়েছে। আমরা প্রতিরোধ করি। পরে বাধ্য হয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ এসেছে।”

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পদক্ষেপ

    বিশ্বভারতী (Visva Bharati) কর্তৃপক্ষ এই অপ্রীতিকর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নতুন করে অশান্তি এড়াতে এলাকায় পুলিশি টহল জারি রাখা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। শান্তিনিকেতনের (Shantiniketan) মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এহেন বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ আশ্রমিক ও সাধারণ অভিভাবক মহল।

  • Petrol Pump: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, করোসিন মিলবে পেট্রোল পাম্পে

    Petrol Pump: ইরান-আমেরিকার যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে মোদির বড় সিদ্ধান্ত, করোসিন মিলবে পেট্রোল পাম্পে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। পেট্রো জ্বালানি, রান্নার গ্যাসে বিরাট প্রভাব পড়ছে। তাই এই অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার বড় ঘোষণা করেছে। সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং কালোবাজারি রুখতে আরও একটি বড় পদক্ষেপ নিল নরেন্দ্র মোদি সরকার। এবার থেকে খোলা বাজারের কেরোসিন তেল (Kerosene) পেট্রোল পাম্পেই (Petrol Pump) পাওয়া যাবে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে রেশন দোকানের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং সাধারণ মানুষ সহজেই উন্নত মানের কেরোসিন সংগ্রহ করতে পারবেন। জ্বালানি তেল সংগ্রহে এই ঘোষণা সাধারণ মানুষের দারুণ ভাবে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    নতুন সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য (Kerosene)

    এতদিন পর্যন্ত কেরোসিন (Kerosene) মূলত গণবণ্টন ব্যবস্থা বা রেশন দোকানের মাধ্যমেই উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছাত। কিন্তু সেখানে প্রায়শই জালিয়াতি এবং কালোবাজারির অভিযোগ উঠত। মোদি সরকারের এই নতুন পদক্ষেপের ফলে মানুষের প্রয়োজনীয়তা এবং দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    • সহজলভ্যতা: রেশন কার্ড থাকুক বা না থাকুক, যে কেউ এখন পেট্রোল পাম্প থেকে নির্ধারিত মূল্যে কেরোসিন কিনতে পারবেন।
    • স্বচ্ছতা: পেট্রোল পাম্পে (Petrol Pump) ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিক্রি হওয়ায় জালিয়াতির সুযোগ কমবে।
    • মান নিয়ন্ত্রণ: পাম্প থেকে সরাসরি তেল পাওয়ায় তেলের গুণমান বজায় থাকবে।

    রেশন ডিলারদের বিকল্প পথ

    সরকার সূত্রে জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র পেট্রোল পাম্প নয়, চাইলে রেশন ডিলাররাও তাদের দোকানে ছোট সিলিন্ডার এলপিজি বা অন্যান্য পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। এর ফলে রেশন ডিলারদের আয় যেমন বাড়বে, তেমনই প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ হাতের কাছেই রান্নার জ্বালানি (Kerosene) পাবেন। জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর নজর রাখতে একটি আন্তঃমন্ত্রকীয় গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর নেতৃত্বে আয়োজিত প্রথম বৈঠকে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির ওপর জোর দেওয়া হয়। বৈঠকে নির্মলা সীতারামন, কিরেন রিজিজু, হরদীপ সিং পুরি, মনোহর লাল খট্টর এবং জেপি নাড্ডাসহ শীর্ষ মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ভর্তুকিহীন কেরোসিন

    উল্লেখ্য, পেট্রোল পাম্পে (Petrol Pump) যে কেরোসিন (Kerosene) পাওয়া যাবে তা হবে ভর্তুকিহীন বা ‘নন-সাবসিডাইজড’। যারা রান্নার গ্যাস (LPG) ব্যবহার করেন না বা যাদের অতিরিক্ত কেরোসিনের প্রয়োজন হয়, তারা এই সুবিধা নিতে পারবেন। তবে যারা দারিদ্র্যসীমার নিচে (BPL) রয়েছেন, তাদের জন্য রেশন দোকানের মাধ্যমে ভর্তুকিযুক্ত কেরোসিন সরবরাহ আগের মতোই জারি থাকবে কি না, তা নিয়ে রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা চলছে। সেক্ষেত্রে ভয়ের কোনও ব্যাপার নেই।

    পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের মাধ্যমে বণ্টন

    ২৯ মার্চ জারি হওয়া এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সীমিত সময়ের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্পের মাধ্যমে কেরোসিন (Kerosene) বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের কাছে এই জ্বালানি সহজে পৌঁছে যায়। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, গুজরাট-সহ মোট ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমের (Petrol Pump) মাধ্যমে উন্নত মানের কেরোসিন সরবরাহের অনুমতি দিয়েছে। উল্লেখ্য, এই সব জায়গায় আগে ধাপে ধাপে কেরোসিন সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

    পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০০২ শিথিল

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পেট্রোল পাম্পগুলো (Petrol Pump) রান্না ও আলোর ব্যবহারের জন্য কেরোসিন মজুত ও সরবরাহ করতে পারবে। তবে প্রতিটি পাম্প সর্বোচ্চ ৫,০০০ লিটার পর্যন্ত কেরোসিন সংরক্ষণ করতে পারবে। জেলায় জেলায় সর্বাধিক দুটি করে এমন আউটলেট নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রশাসন।

    ই-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পেট্রোলিয়াম বিধিমালা, ২০০২-এর কিছু শর্তকে এখন শিথিল করা হয়েছে। ফলে কেরোসিন ডিলার ও পরিবহণকারী যানবাহনের জন্য লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়মও সহজ করা হয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে পেট্রোল ও গ্যাস সরবারহেকে নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। জ্বালানির (Kerosene) প্রাপ্যতা ও সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যমান খুচরা পাম্পগুলিকে ব্যবহার করে দ্রুত কেরোসিন পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই তেল সংস্থাগুলিকে এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সমস্ত ক্ষেত্রে পেট্রোলিয়াম (Petrol Pump) ও বিস্ফোরক নিরাপত্তা সংস্থার নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মেনে চলতে হবে। এই বিজ্ঞপ্তি আপাতত ৬০ দিন বা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে।

    বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত

    রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি (Kerosene) ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এটি মোদি সরকারের একটি সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ। এর ফলে খনিজ তেলের খোলা বাজার আরও বিস্তৃত হবে এবং সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন।

  • Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes)। মঙ্গলবার দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে ভারতীয় জনতা পার্টিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলেন অলিম্পিক পদকজয়ী এই কিংবদন্তি। গত সপ্তাহেই কলকাতার নিউটাউনের এক অভিজাত হোটেলে বিজেপি (Bengal BJP) নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর গোপন বৈঠক ঘিরে যে গুঞ্জন দানা বেঁধেছিল, এদিন তাতেই শিলমোহর পড়ল।

    নিউ টাউনের সেই ‘পাকা কথা’ (Leander Paes)

    ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে। কলকাতায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সফরের সময় নিউটাউনের একটি হোটেলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Bengal BJP) সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন লিয়েন্ডার। সেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়—তবে কি ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই যোগদান করবেন টেনিস মহাতারকা (Leander Paes)? মঙ্গলবার দিল্লিতে তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়ার পর সেই জল্পনাই বাস্তব রূপ পেল। পদ্ম-শিবিরে যোগদান করে পদ্মপ্রাপক (২০১৪ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কার বিজয়ী) ক্রীড়াবিদ লিয়েন্ডার বলেন, “আমার জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু আমি যখন খেলা শুরু করি, তখন ওখানে টেনিসের এত পরিকাঠামো ছিল না। আজও দেশে কোনও ইন্ডোর টেনিস কোর্ট নেই। এখন আগের চেয়ে পরিস্থিতি ভালো হয়েছে। তবে ক্রীড়া এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষণে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে।”

    কেন এই দলবদল?

    ২০২১ সালের অক্টোবরে গোয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন লিয়েন্ডার। গোয়া নির্বাচনে দলের হয়ে প্রচারও করেছিলেন। তবে গত কিছু সময় ধরে জোড়া-ফুল শিবিরের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে খবর। এদিন বিজেপিতে (Bengal BJP) যোগ দিয়ে লিয়েন্ডার (Leander Paes) বলেন, “আমি ৪০ বছর দেশের হয়ে খেলেছি। এবার দেশের যুব সমাজ ও ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মপদ্ধতি এবং দেশের খেলাধুলার প্রসারে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।”

    বঙ্গ-রাজনীতিতে লিয়েন্ডারের গুরুত্ব

    লিয়েন্ডারের যোগদানের সময় সুকান্ত মজুমদার তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes) মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের উত্তরসূরি। বাংলার মাটির সঙ্গে তাঁর এই গভীর যোগসূত্রকে আগামী নির্বাচনে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। বিশেষ করে কলকাতার শহুরে এবং শিক্ষিত ভোটারদের কাছে লিয়েন্ডারের গ্রহণযোগ্যতা দলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে। দেশের যুবক-যুবতীদের এই খেলায় আসার জন্য অনুপ্রাণিত করেছে। লিয়েন্ডারের ছবি, খেলার ভিডিও, তাঁর ম্যাচ দেখে বাঙালি যুব সমাজ বড় হয়েছে। আজ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির (Bengal BJP) জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে আমার মনে হয়।” তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে দল আরও শাক্তিশালী হবে।

    বিধানসভায় কি প্রার্থী হবেন?

    লিয়েন্ডারকে (Leander Paes) আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও দলের তরফে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, কলকাতার কোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে তাঁকে লড়াইয়ে নামানোর কথা ভাবছে পদ্ম-শিবির। শুধুমাত্র প্রার্থী হিসেবেই নয়, রাজ্যজুড়ে বিজেপির তারকা প্রচারক হিসেবেও বড় ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তাঁকে। খেলার কোর্টে বহুবার প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ বের করে এনেছেন লিয়েন্ডার। এবার রাজনীতির পিচে তিনি কতটা সফল হন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

  • West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল সাজাতে কোমর বেঁধে নামল ভারতীয় জনতা পার্টি। মঙ্গলবার দলের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) জন্য আরও ১৩ জন প্রার্থীর নামের চতুর্থ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি পুরোনো আসনেও প্রার্থী বদল করেছে গেরুয়া শিবির (BJP Bengal)। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি।

    কারা পেলেন টিকিট (West Bengal Elections 2026)?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির (CEC) অনুমোদিত এই তালিকায় বিভিন্ন জেলার গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:

    • সিতাই (SC): আশুতোষ বর্মা
    • নাটাবাড়ি: গিরিজা শঙ্কর রায়
    • বাগদা (SC): সোমা ঠাকুর
    • সোনারপুর উত্তর: দেবাশিস ধর
    • চৌরঙ্গী: সন্তোষ পাঠক
    • হাওড়া দক্ষিণ: শ্যামল হাটি
    • পাঁচলা: রঞ্জন কুমার পাল
    • মগরাহাট পূর্ব: উত্তম কুমার বণিক
    • ফলতা: দেবাংশু পাণ্ডা
    • চণ্ডীপুর: পীযূষ কান্তি দাস
    • গড়বেতা: প্রদীপ লোধা
    • মেমারি: মানব গুহ
    • বারাবনি: অরিজিৎ রায়

    বাগদায় ননদ-বৌদির লড়াই

    নাম ঘোষণা হতেই জোর রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে বাগদা কেন্দ্র নিয়ে। কারণ এই কেন্দ্রে এবার ননদ বনাম বৌদির লড়াই। বাগদা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা ঠাকুরকে। সোমা ঠাকুর কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী ছাড়াও মতুয়া মহাসঙ্ঘের মাতৃ সেনার প্রধান। মতুয়া মহাসঙ্ঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠান মঞ্চে এই বছরে তাঁকে নিয়মিত দেখা গিয়েছে৷ এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা মধুপর্ণা ঠাকুরকে। মধুপর্ণা শান্তনু ঠাকুরের জেঠুর মেয়ে। সোমা এবং মধুপর্ণা দু’জনেই মতুয়া ঠাকুরবাড়ির সদস্য, সম্পর্কে তাঁরা ননদ-বৌদি। এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, ‘‌ঘরের সম্পর্ক ঘরের জায়গায়, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াই করতে আসলে সেখানে লড়াই তো হবেই। বাগদায় তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে।’‌ অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর বলেন, ‘‌পরিবার পরিবারের মতো। ভোট অন্য বিষয়। ভারতীয় জনতা পার্টি আমাকে প্রার্থী করেছে এবং বাগদার মাটি বিজেপির মাটি। আমরা জয়লাভ করব।’‌

    ময়নাগুড়িতে প্রার্থী বদল

    চতুর্থ তালিকা (West Bengal Elections 2026) প্রকাশের পাশাপাশি দল তাদের আগের একটি সিদ্ধান্তে বদল এনেছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি (SC) আসনে কৌশিক রায়ের পরিবর্তে এবার প্রার্থী (BJP Bengal) করা হয়েছে ডালিম রায়-কে। স্থানীয় সমীকরণ এবং সাংগঠনিক রণকৌশলের কথা মাথায় রেখেই এই রদবদল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    এক নজরে নির্বাচনের প্রেক্ষাপট

    বিজেপি এখনও পর্যন্ত মোট ২৮৭টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে ফেলেছে। এর আগে প্রথম তালিকায় ১৪৪ জন, দ্বিতীয় তালিকায় ১১১ জন এবং তৃতীয় তালিকায় ১৯ জনের নাম জানানো হয়েছিল। উল্লেখ্য, তৃতীয় তালিকায় আরজি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথকে পানিহাটি আসন থেকে প্রার্থী (BJP Bengal) করে বড় চমক দিয়েছিল বিজেপি। এবারের তালিকা বিশেষ চমক সন্তোষ পাঠক, প্রাক্তন পুলিশ অফিসার দেবাশিস ধর, সোমা ঠাকুর এবং সন্তোষ পাঠক।

    ভোটের নির্ঘণ্ট

    পশ্চিমবঙ্গে মোট দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে— ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। প্রথম দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি টক্কর দিতে বিজেপি যেভাবে ধাপে ধাপে এবং বিচার-বিবেচনা করে প্রার্থী তালিকা (West Bengal Elections 2026) সাজাচ্ছে, তাতে এই ১৩ জনের নাম ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি। ৬টি নাম নিয়ে এখনও চর্চা চলছে বিজেপির অন্দরে।

  • West Asia Crisis: “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু”, পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটের মাঝে জ্বালানি সহায়তা ভারতের, বিশেষ ধন্যবাদ শ্রীলঙ্কার

    West Asia Crisis: “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু”, পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটের মাঝে জ্বালানি সহায়তা ভারতের, বিশেষ ধন্যবাদ শ্রীলঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির (West Asia Crisis) জেরে জ্বালানি সঙ্কটে পড়া শ্রীলঙ্কার পাশে দাঁড়াল ভারত। বিপদের সময় এই দ্রুত সহায়তার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে (Sri Lanka)। শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক মহলেও ভারতের এই পদক্ষেপ প্রশংসিত হয়েছে। ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়ে অনুরা কুমারা বলেছেন, “বিপদের সময়ই প্রকৃত বন্ধু চেনা যায়।”

    জ্বালানি আমদানিতে বাধা ও ভারতের পদক্ষেপ (West Asia Crisis)

    পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তজনা এবং হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) সংক্রান্ত সমস্যার কারণে শ্রীলঙ্কায় (Sri Lanka) জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছিল। গত ২৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে টেলিফোন কথোপকথনে প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকে এই সমস্যার কথা তুলে ধরেন। ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ (Neighbourhood First) নীতির প্রতিফলন ঘটিয়ে ভারত সরকার দ্রুত সাড়া দেয়।

    সহায়তার পরিমাণ

    রবিবার কলম্বো (Sri Lanka) পৌঁছনো এই বিশেষ জাহাজে মোট ৩৮,০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি রয়েছে। এর মধ্যে ২০,০০০ মেট্রিক টন ডিজেল এবং ১৮,০০০ মেট্রিক টন পেট্রোল রয়েছে। ‘লঙ্কা আইওসি’ (Lanka IOC)-র মাধ্যমে ভারত এই জরুরি সরবরাহ নিশ্চিত করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিমাণ জ্বালানি (West Asia Crisis)  দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রায় ৮ থেকে ১০ লক্ষ যানবাহনের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।

    প্রেসিডেন্টের বার্তা

    সোশ্যাল মিডিয়া এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্টে প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকে লিখেছেন, “কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে শ্রীলঙ্কার জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্নঘটা নিয়ে কথা বলেছিলাম। ভারতের দ্রুত সহায়তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। গতকাল ৩৮,০০০ মেট্রিক টন জ্বালানি কলম্বো পৌঁছেছে। সমন্বয়ের জন্য বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকেও আমার ধন্যবাদ।”

    আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতা

    ভারত ও শ্রীলঙ্কার (Sri Lanka) শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আলোচনায় শুধুমাত্র জ্বালানি নয়, বরং লোহিত সাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি জানিয়েছেন, ভারত তার ‘সাগর’ (SAGAR) ভিশন এবং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে দায়বদ্ধ। এর আগে গত সপ্তাহে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী বিজিথা হেরাথের সঙ্গে এই বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছিলেন।

LinkedIn
Share