Tag: bangla khabar Case

  • BRICS Summit Success: ব্রিকসের সাফল্যে বাড়তি আত্মবিশ্বাস! ৫ রাজ্যে আসন্ন ভোটে বিরোধীদের আক্রমণ ভোঁতা করতে হাতিয়ার বিজেপির

    BRICS Summit Success: ব্রিকসের সাফল্যে বাড়তি আত্মবিশ্বাস! ৫ রাজ্যে আসন্ন ভোটে বিরোধীদের আক্রমণ ভোঁতা করতে হাতিয়ার বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিকসের সাফল্য দেশবাসীর কাছে বিজেপির গ্রহণযোগ্যতা ফের প্রমাণ করেছে। সফলভাবে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন (BRICS Summit Success) আয়োজনের পর কেন্দ্রীয় সরকার ও বিজেপির আত্মবিশ্বাস এখন পাহাড়ের চূড়ায়। এমনই অভিমত রাজনৈতিক মহলের। মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে জি-২০-র পর ফের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সম্মেলন সফলভাবে আয়োজনকে মোদি সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি। দলের আশা, এই সাফল্য নিট বিতর্ক ও ছাত্র আন্দোলনের ধাক্কা কাটিয়ে ফের বিজেপির জমি শক্ত করবে।

    ব্রিকসের বাজিমাত

    সফলভাবে ব্রিকস সম্মেলন (BRICS Summit Success) আয়োজন ভারতের আন্তর্জাতিক প্রভাব ফের সামনে এনে দিয়েছে বলে মনে করছে বিজেপি। সদস্য দেশগুলির মধ্যে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশকে ভারতীয় কূটনীতি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। ঘোষণাপত্রে পাহেলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলার তীব্র নিন্দাও ভারতের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক কালে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সরকারের জন্য বড় রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হয়েছিল। পাশাপাশি, যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে কংগ্রেসের লাগাতার আক্রমণের জেরে সংসদের বাদল অধিবেশন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। ওই অধিবেশনে সরকার কোনও বড় সাংবিধানিক সংশোধনী বিল পাশ করাতে পারেনি। তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে যৌথ সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট পেশও পিছিয়ে দিতে হয়। এই পরিস্থিতিতে ব্রিকসের সাফল্যে বিজেপি বাজিমাত করেছে বলেই অনুমান রাজনৈতিক মহলের।

    ভারতের দাবির পক্ষে রাশিয়া ও চিন

    রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারতের দাবির পক্ষে রাশিয়া ও চিনের সমর্থন পাওয়াকেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে বিজেপি। সম্মেলনের ফাঁকে দীর্ঘদিন ধরে মতবিরোধে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও ইরানের মধ্যে আলোচনা, ইরানের প্রেসিডেন্টকে উষ্ণ অভ্যর্থনা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা এবং টানা তৃতীয় বছর চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাকে কংগ্রেসও স্বাগত জানিয়েছে, যদিও দলের তরফে কিছু আপত্তি ও শর্তের কথা জানানো হয়েছে।

    ব্রিকস সম্মেলনের কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী মোদি

    আয়োজক দেশের নেতা হিসেবে তিন দিন ধরে ব্রিকস সম্মেলনের কেন্দ্রে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে তাঁর উষ্ণ সম্পর্ক এবং ব্যস্ত কর্মসূচি বিশেষ নজর কেড়েছে। তিন দিনে ১৫ জন রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন তিনি। পাশাপাশি একাধিক অনানুষ্ঠানিক আলোচনাতেও অংশ নেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের দিকে বিশেষ নজর ছিল আন্তর্জাতিক মহলের। বিজেপির মতে, এই সম্মেলনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুততম বর্ধনশীল অর্থনীতি হিসেবে ভারত যে এই ধরনের বৃহৎ আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষমতা রাখে, তাও প্রমাণিত হয়েছে। এর ফলে ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য ভারতের দাবিও আরও জোরালো হতে পারে বলে মনে করছে দলটি।

    আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক কর্মসূচি

    আন্তর্জাতিক কূটনীতিকে ঘিরে দেশীয় রাজনৈতিক আবহ বদলে দেওয়া অবশ্য মোদি সরকারের জন্য নতুন ঘটনা নয়। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সফল জি-২০ সম্মেলনের সময়ও সরকারের বিদেশনীতি ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক দক্ষতা নিয়ে ব্যাপক প্রচার হয়েছিল। এর আগে ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের নিয়ে রোডশো আয়োজনের ঘটনাও দেখা গিয়েছে। বিজেপির কাছে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক কর্মসূচিকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর এই কৌশল যথেষ্ট কার্যকর বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন ব্রিকসের সাফল্যকে কীভাবে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটাই বিজেপি ও সরকারের সামনে বড় প্রশ্ন।

    ব্রিকস নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা

    দলীয় সূত্রের খবর, আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী মোদির জন্মদিন থেকে শুরু হতে চলা এক মাসব্যাপী ‘সেবা সংকল্প অভিযান’-এ ব্রিকস সম্মেলনের সাফল্যকে বিশেষভাবে তুলে ধরা হবে। ৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী মোদির জনজীবনে ২৫ বছর পূর্তির বিষয়টিও এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হবে। তাঁর বিদেশনীতি ও কূটনৈতিক সাফল্যের তালিকায় ব্রিকস সম্মেলনকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই ব্রিকস সম্মেলন নিয়ে কংগ্রেসকে নিশানা করতে শুরু করেছে বিজেপি। সম্মেলনের আগে প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম ব্রিকস আয়োজন করে ভারতের কী লাভ হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। সেই বক্তব্যকেই হাতিয়ার করে বিরোধীদের আক্রমণ করতে চাইছে বিজেপি।

    ব্রিকস থেকে ভারতের প্রাপ্তি

    ব্রিকস থেকে ভারতের প্রাপ্তি এবং সম্মেলনের সাফল্য দেশজুড়ে প্রচারের পরিকল্পনা রয়েছে দলের। একই সঙ্গে ব্রিকসের নৈশভোজে সম্পূর্ণ নিরামিষ মেনু নিয়ে রাহুল গান্ধীসহ কংগ্রেস নেতাদের সমালোচনাকেও কটাক্ষ করছে বিজেপি। দলের নেতাদের বক্তব্য, এত বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সমালোচনা করার মতো বিষয় না পেয়ে শুধুমাত্র নৈশভোজের মেনু নিয়ে আপত্তি তোলাই বিরোধীদের অবস্থানকে স্পষ্ট করে দিয়েছে। এর মধ্যেই সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে ডিলিমিটেশন বিল নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। সংসদ এখনও স্থগিত বা প্রোয়োগ করা হয়নি। ফলে প্রয়োজনে সাংবিধানিক সংশোধনী বিল পাশ করাতে বিশেষ অধিবেশন ডাকার সম্ভাবনা খোলা রয়েছে।

    বিধানসভা নির্বাচনে ব্রিকস নিয়ে প্রচার

    একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল নিয়েও আলোচনা চলছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের নতুন টিম গঠনের পর দলের সংসদীয় বোর্ড, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি, জাতীয় কার্যনির্বাহী এবং জাতীয় পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়াও দ্রুত শেষ করার প্রস্তুতি চলছে বলে খবর। সব মিলিয়ে, ব্রিকস সম্মেলনের সাফল্যকে সামনে রেখে রাজনৈতিকভাবে নতুন করে সক্রিয় হচ্ছে বিজেপি। এর পাশাপাশি আগামী বছরের গোড়ায় পাঁচটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে দল।

  • Durga Puja Drone Show: তিন হাজার ড্রোনের আলোয় কলকাতার আকাশে ফুটবে দুর্গাপুজোর গল্প, মহালয়া থেকে অষ্টমী— মেগা অনুষ্ঠান, পরিকল্পনা রাজ্যের

    Durga Puja Drone Show: তিন হাজার ড্রোনের আলোয় কলকাতার আকাশে ফুটবে দুর্গাপুজোর গল্প, মহালয়া থেকে অষ্টমী— মেগা অনুষ্ঠান, পরিকল্পনা রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো মানেই কলকাতার আলো, আনন্দ আর উৎসবের রঙ। এবার সেই উৎসবের আকাশেই যোগ হতে চলেছে এক নতুন মাত্রা। ২০২৬-এর দুর্গাপুজোয় (Durga Puja 2026) কলকাতার আকাশে দেখা যেতে পারে প্রায় তিন হাজার ড্রোনের (Durga Puja Drone Show) অভিনব লাইট শো। মহালয়া থেকে অষ্টমী—তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে আয়োজন করা হবে একাধিক মেগা অনুষ্ঠান। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বাঙালি সংগঠন এবং ভারতীয় দূতাবাসগুলিকেও সরাসরি যুক্ত করা হবে সেই উৎসবে।

    তিন হাজার ড্রোনের অভিনব লাইট শো

    রাজ্যের পর্যটন দফতর সূত্রে খবর, এবার দুর্গাপুজোয় কলকাতার আকাশে দেখা যেতে পারে অভূতপূর্ব দৃশ্য। কমপক্ষে ৩ হাজার ড্রোনের আলোয় ফুটে উঠবে দুর্গাপুজোর নানা অনুষঙ্গ। ড্রোনের আলোয় আকাশজুড়ে ফুটিয়ে তোলা হবে বাংলার সংস্কৃতির বিভিন্ন চিত্র। একের পর এক ড্রোন নির্দিষ্ট বিন্যাসে উড়ে তৈরি করবে আলোকচিত্র ও বিভিন্ন আকৃতি—যা মাটিতে দাঁড়িয়ে দর্শকদের কাছে একেবারে অন্যরকম অভিজ্ঞতা তৈরি করবে। জানা গিয়েছে, পুজোর রাতের পাশাপাশি মহালয়াকে ঘিরেও থাকছে বিশেষ বর্ণাঢ্য আয়োজন। দুর্গাপুজোর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বাংলার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সামনে রেখে সাজানো হতে পারে এই অনুষ্ঠান। এর আগে কলকাতার গঙ্গার তীরে ড্রোন ও লেজার শো দর্শকদের নজর কেড়েছিল। সেই অভিজ্ঞতাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে গিয়ে এবার দুর্গাপুজোর সঙ্গে প্রযুক্তির এই মেলবন্ধন হতে চলেছে বলে খবর।

    দুর্গাপুজো গ্লোবাল কানেক্ট ২০২৬

    ‘বিশ্ব জুড়ে বাঙালির আবেগ – দুর্গাপুজো গ্লোবাল কানেক্ট ২০২৬’ নামে এই আন্তর্জাতিক কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে রাজ্যের পর্যটন দফতর। গোটা আয়োজনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের জন্য একটি অভিজ্ঞ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা বাছাই করতে ইতিমধ্যেই রিকোয়েস্ট ফর প্রোপোজাল প্রকাশ করেছে সরকার। সরকারি নথি অনুযায়ী, দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব হিসেবে তুলে ধরাই এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য নয়। ইউনেস্কোর স্বীকৃতিকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গকে বিশ্বের অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক পর্যটন গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই মূল লক্ষ্য।

    অনাবাসী ভারতীয়রাও আড্ডায় মাতবেন

    এই কর্মসূচির আর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ‘গ্লোবাল বেঙ্গলি কানেক্ট’ বা ‘ঢাক কানেক্ট’। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাঙালি সংগঠন, অনাবাসী ভারতীয় এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষকে বাংলার দুর্গাপুজোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত করতে চাইছে সরকার। এর জন্য বিদেশের ভারতীয় দূতাবাস এবং মিশনগুলির সহযোগিতা নেওয়া হবে। বিভিন্ন শহরের বাঙালি সংগঠনের অনুষ্ঠান, ঢাক এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা কলকাতার মূল অনুষ্ঠানের সঙ্গে লাইভ যুক্ত হতে পারে। অনুমোদন মিললে দুই প্রান্তের মধ্যে সরাসরি কথোপকথনের ব্যবস্থাও থাকবে। অনুষ্ঠান যাতে মাঝপথে ব্যাহত না হয়, তার জন্য প্রতিটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের ইন্টারনেট সংযোগ, ব্যান্ডউইথ এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা আগে থেকে পরীক্ষা করা হবে। সব লাইভ ফিড পরিচালনার জন্য থাকবে একটি কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম।

    বিদেশেও পুজোর প্রচার

    নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়্যার থেকে দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা। লন্ডনের পিকাডিলি লাইটস থেকে সিডনি ও জাপানের বিমানবন্দর। এ বার বিশ্বের একাধিক আইকনিক জায়গায় দেখা যেতে পারে বাংলার দুর্গাপুজোর ঝলক। শুধু বিদেশে নয়, দেশের ১০টি বিমানবন্দর, ৫০টি রেলস্টেশন এবং বাংলার ১ হাজার পুজো প্যান্ডেলেও চলবে প্রচার। ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়া মিলিয়ে লক্ষ্যমাত্রা ২০০ কোটি ভিউ ও ইমপ্রেশন। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাজারে অন্তত একটি করে যৌথ প্রচারমূলক অনুষ্ঠান বা অ্যাক্টিভেশন আয়োজনের কথা বলা হয়েছে। শুধু ইংরেজিতে নয়, যে দেশে প্রচার হবে, সেই দেশের প্রধান ভাষাতেও বিজ্ঞাপন, ভিডিও এবং প্রচারের অন্যান্য উপকরণ তৈরি করা হবে।

    সরকারি মাধ্যমে সরাসরি পুজোর অনুষ্ঠান!

    রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও স্থাপত্য আলো দিয়ে সাজানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে সরকারি কাঠামোয় কেবলমাত্র স্থাপত্যভিত্তিক আলোকসজ্জা করা যাবে। সরকারের বিশেষ অনুমতি ছাড়া সেখানে কোনও মঞ্চ তৈরি বা জনসমাবেশ করা যাবে না। এই অনুষ্ঠানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ও ভিভিআইপি অতিথিদের উপস্থিতির সম্ভাবনাও মাথায় রাখা হয়েছে। প্রধান অনুষ্ঠানগুলি সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি প্রসার ভারতী, দূরদর্শন, আকাশবাণী এবং অনুমোদিত দেশি-বিদেশি সম্প্রচার মাধ্যমে দেখানো হবে।

    থিম-বাংলার পুজো-বাঙালির আবেগ

    মহালয়ার পাশাপাশি পুজোর আরও দু’টি নির্ধারিত দিনে বিশেষ অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা রয়েছে। তার মধ্যে একটি অনুষ্ঠান অষ্টমীকে কেন্দ্র করে হতে পারে। সেখানে ধুনুচি নাচ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিশেষ আলোকসজ্জার ব্যবস্থা থাকবে। কোনও বড় স্টেডিয়াম, অডিটোরিয়াম বা অন্য কোনও উপযুক্ত জায়গায় প্রায় চার ঘণ্টার ‘গ্র্যান্ড দুর্গাপুজো কনসার্ট’ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে পর্যটন দফতর। সেখানে জনপ্রিয় শিল্পী, সেলিব্রিটি এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক দল অংশ নেবে। ঢাক ও ধুনুচি নাচের পাশাপাশি ছৌ, ঝুমুর, বাউল, কীর্তন, রবীন্দ্রসঙ্গীত, নেপালি সংস্কৃতি, লোকসঙ্গীত এবং সমকালীন শিল্পকলাকেও তুলে ধরা হবে। বাংলার থিম প্যান্ডেল, আচার-অনুষ্ঠান, খাবার, হস্তশিল্প ও তাঁতশিল্পও জায়গা পাবে প্রচারে।

    ড্রোন শো-এর চূড়ান্ত দিন, সময়

    এই ড্রোন শোর জন্য আলাদা গল্প, স্টোরিবোর্ড, অ্যানিমেশন, থ্রি-ডি প্রিভিজুয়াল এবং সঙ্গীতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোরিওগ্রাফি তৈরি করা হবে। ড্রোনের চলাচল, আলো, সঙ্গীত এবং মঞ্চের অনুষ্ঠান – সবকিছুকে একসঙ্গে মিলিয়ে দৃশ্যায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই আয়োজনের আগে ডিজিসিএ-সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। একাধিকবার পরীক্ষামূলক উড়ান ও নিরাপত্তা মহড়ার পরেই চূড়ান্ত ড্রোন শো হবে। যদি এই আয়োজন সম্পূর্ণ করা যায়, তাহলে ঢাকের বাদ্যি, ধুনুচির ধোঁয়া, আলোর রোশনাইয়ের পাশাপাশি এবার কলকাতার আকাশও হয়ে উঠতে পারে দুর্গাপুজোর এক বিশাল ক্যানভাস—যেখানে হাজার হাজার আলোর বিন্দুতে ফুটে উঠবে মা দুর্গা, বাংলার সংস্কৃতি এবং শারদোৎসবের গল্প। তবে ড্রোন শো-এর চূড়ান্ত দিন, সময় ও দর্শকদের জন্য নির্দিষ্ট ভিউয়িং জোন নিয়ে পরিকল্পনা চলছে।

    ধর্মীয় পবিত্রতা রক্ষা, পরিবেশবান্ধব আয়োজন

    তবে দুর্গাপুজোর ধর্মীয় পবিত্রতা ও বাঙালির চিরাচরিত রীতি যাতে কোনওভাবে ক্ষুণ্ণ না হয়, সে ব্যাপারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে পুরোহিত, ধর্মীয় আচার-বিশেষজ্ঞ, সাংস্কৃতিক গবেষক ও ঐতিহ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হবে। আয়োজনকে পরিবেশবান্ধব রাখার নির্দেশও রয়েছে। একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক কমানো, ডিজিটাল আমন্ত্রণ ও রেজিস্ট্রেশন, বর্জ্য পৃথকীকরণ, বিদ্যুৎ ও জল সাশ্রয় এবং স্থানীয় পণ্য ও কর্মীদের ব্যবহারে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

  • Jaishankar Putin Meet: সেপ্টেম্বরেই ভারতে পুতিন! মস্কোয় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্টকে মোদির বার্তা পৌঁছে দিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    Jaishankar Putin Meet: সেপ্টেম্বরেই ভারতে পুতিন! মস্কোয় বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্টকে মোদির বার্তা পৌঁছে দিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর (Jaishankar Putin Meet)। সোমবার ক্রেমলিনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর একটি ব্যক্তিগত বার্তাও পুতিনের হাতে তুলে দেন। একই সঙ্গে ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সাম্প্রতিক অগ্রগতির কথাও রুশ প্রেসিডেন্টকে জানান জয়শঙ্কর। দু’দিনের রাশিয়া সফরের অংশ হিসেবে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিদেশমন্ত্রী। এর আগে তিনি রাশিয়ার প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ডেনিস মান্তুরভের সঙ্গে ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের ২৭তম বৈঠকে যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে টানাপড়েনের আবহে পুতিন-জয়শঙ্করের সাক্ষাৎ ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ বলে মনে করছেন কূটনীতিবিদদের একাংশ।

    কী কী নিয়ে বৈঠকে আলোচনা

    বৈঠকে জয়শঙ্কর জানান, ভারত-রাশিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাণিজ্য, জ্বালানি, সার, পরমাণু শক্তি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। জয়শঙ্কর বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আসন্ন সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) শীর্ষ সম্মেলনে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অপেক্ষা করছেন। পাশাপাশি সেপ্টেম্বরে ভারতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানানোর জন্যও প্রধানমন্ত্রী মোদির আমন্ত্রণ তিনি পৌঁছে দেন। ভবিষ্যতে দুই দেশের বার্ষিক শীর্ষ বৈঠক নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী।

    পুতিন-জয়শঙ্কর সাক্ষাত

    এর আগে গত বছরের ২১ আগস্ট ক্রেমলিনে গিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। এক বছর পরে পুতিনের মুখোমুখি হয়ে জয়শঙ্কর সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে রুশ প্রেসিডেন্টকে শুভেচ্ছা জানান এবং তাঁর লেখা একটি ব্যক্তিগত চিঠি হাতে তুলে দেন। বৈঠকে ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১০০ বিলিয়ন ডলারে (প্রায় ৯ লক্ষ ৫৭ হাজার কোটি টাকা) নিয়ে যাওয়ার রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা হয়। গুরুত্ব দেওয়া হয় ওষুধ (ফার্মাসিউটিক্যালস) এবং শিপিং সেক্টরকে (জাহাজ চলাচল)। পাশাপাশি, জ্বালানি ও পরমাণু সহযোগিতা বৃদ্ধি, দ্বিপাক্ষিক সমন্বয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত আন্তঃসরকারি কমিশনের রিপোর্ট, ইউক্রেন যুদ্ধের মতো বিষয়ও এসেছে আলোচনায়।

    মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের আশা পুতিনের

    জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন ভারত-রাশিয়া সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জয়শঙ্করের সফর গত কয়েক দশকে গড়ে ওঠা দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতারই প্রতিফলন। সরকারি ও সংসদীয় যোগাযোগের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করে চলেছে বলে জানান তিনি। চলতি বছরে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করেন পুতিন। ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত মনোযোগের প্রশংসা করে তিনি তাঁর শুভেচ্ছা মোদির কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন। পাশাপাশি এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের আশাও প্রকাশ করেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

    ভারতের পাশে থাকার বার্তা রাশিয়ার

    ফের ভারতের পাশে থাকার বার্তা রাশিয়ার। পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সংঘাতের কারণে যে ব্যাঘাত ঘটেছে তারমধ্যেই ভারতকে জ্বালানি ও সার সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে ক্রমবর্ধমান ভারসাম্যহীনতা-যা ৫০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, তা নিরসনের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দিয়েছেন। পুতিন উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৫ সালে কিছুটা কমে যাওয়ার পর এ বছর আবার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে । তিনি জানান যে, রাশিয়া ভারতে সার সরবরাহ বাড়াচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আইআরআইজিসি-টিইসি (IRIGC-TEC) বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, “এর মধ্যে বিষয় কেবল জ্বালানি নয়- অবশ্যই সার সরবরাহও… ভারতীয় কৃষক ও কৃষিখাতের স্বার্থে এই সমস্যা সমাধানের জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। আমরা এই সরবরাহ বৃদ্ধি করছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।”

    সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন

    আগামী সেপ্টেম্বরে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ১৮তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলন। ভারত এই সম্মেলনের আয়োজক দেশ। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চিন, দক্ষিণ আফ্রিকা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি—এই ১১টি দেশ বর্তমানে ব্রিকস-এর সদস্য। বিশ্ব ও আঞ্চলিক রাজনীতি, অর্থনীতি এবং আন্তর্জাতিক শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে সদস্য দেশগুলির মধ্যে আলোচনা ও সহযোগিতার অন্যতম মঞ্চ ব্রিকস। আসন্ন সম্মেলনে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং সহযোগিতা আরও জোরদার করার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ভারত-রাশিয়া সহযোগিতায় জোর

    ভারত-রাশিয়া আন্তঃসরকারি কমিশনের বৈঠকে বাণিজ্য, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি এদিন বৈঠকে পরমাণু সহযোগিতা বৃদ্ধি, দুই দেশের বাণিজ্যপথ সহজ করতে আন্তর্জাতিক উত্তর-দক্ষিণ পরিবহণ করিডর ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন জয়শংকর-পুতিন।ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের মতে, সমসাময়িক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক এখনও অত্যন্ত স্থিতিশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিরক্ষা, পরমাণু শক্তি ও মহাকাশের মতো ঐতিহ্যগত ক্ষেত্রের পাশাপাশি অর্থনীতি, বাণিজ্য, জ্বালানি ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে। পাশাপাশি বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও দুই দেশ পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে।

  • Rahul Gandhi: প্রধানমন্ত্রীর বিদেশনীতি নিয়ে সমালোচনাকে সস্তা রাজনৈতিক নাটক বানিয়েছেন রাহুল, দাবি বিজেপির

    Rahul Gandhi: প্রধানমন্ত্রীর বিদেশনীতি নিয়ে সমালোচনাকে সস্তা রাজনৈতিক নাটক বানিয়েছেন রাহুল, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশনীতিকে উপহাস করতে গিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) যে ভাষা প্রয়োগ করেছেন তা ‘অস‌ংযত ও অশালীন’ বলে অভিযোগ করল বিজেপি (BJP Attacks Rahul)। এমন ভাষার ব্যবহার তাঁর পদমর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। এই প্রসঙ্গে রাহুলের উদ্দেশে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী বলেন, ‘‘মনে হয় এবার অন্তত ওঁর সাবালকের মতো আচরণ করা উচিত।’’

    রাহুলকে পরিণত হতে বার্তা

    দিল্লিতে বৃহস্পতিবার কংগ্রেসের নতুন মঞ্চ ‘রচনাত্মক কংগ্রেস’-এর প্রথম জাতীয় সম্মেলনে রাহুল দাবি করেছিলেন, মোদি সরকারের একের পর এক জনবিরোধী সিদ্ধান্তে দেশের আমজনতার আক্রোশ ক্রমশ বাড়ছে। তিনি বলেন, ‘‘আমজনতার প্রতিবাদ, বিক্ষোভের কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেন না!’’ সেই সঙ্গে মোদি সরকারের বিদেশনীতিরও কড়া সমালোচনা করেন রাহুল। তাঁর মতে, আরএসএস এবং বিজেপির বর্তমান কর্তারা হলেন ‘একদল ভাঁড়’। প্রহ্লাদ শুক্রবার অভিযোগ করেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করে আদতে ভারতের জনগণকে অপমান করেছেন রাহুল।’’ এর পরেই তাঁর মন্তব্য, ‘‘রাহুল গান্ধী, আপনি কবে পরিণত হবেন? ভারত চালানোর জন্য পরিণত নেতৃত্ব প্রয়োজন, অপেশাদার নাট্যাভিনয় নয়। গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত একটি সরকারকে ‘ভাঁড়’ বলা প্রমাণ করে যে আপনি সীমা লঙ্ঘন করছেন।’’

    ব্যর্থ স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ানের মতো আচরণ রাহুলের

    রাহুল ছাড়াও কংগ্রেস নেতা সন্দীপ দীক্ষিত ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির প্রসঙ্গ টেনে মোদির বিরুদ্ধে মন্তব্য করায় বিষয়টি আরও বিতর্কিত হয়ে ওঠে। বিজেপির অভিযোগ, বিদেশনীতি নিয়ে গঠনমূলক সমালোচনার পরিবর্তে রাহুল গান্ধী ব্যক্তিগত ইঙ্গিত ও রসিকতার আশ্রয় নিয়েছেন। বিজেপির দাবি, সরকারের বিদেশনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কিংবা প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কূটনীতি নিয়ে বিরোধীদের প্রশ্ন তোলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। কিন্তু সেই সমালোচনা তথ্য, নীতি ও কূটনৈতিক ফলাফলের ভিত্তিতে হওয়া উচিত, ব্যক্তিগত ইঙ্গিত বা মঞ্চস্থ করা রাজনৈতিক রসিকতার মাধ্যমে নয়। বিজেপি সাংসদ বাঁসুরি স্বরাজ রাহুল গান্ধীর মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, তাঁর আচরণ তাঁকে ‘লোকসভার বিরোধী দলনেতার চেয়ে ব্যর্থ স্ট্যান্ড-আপ কমেডিয়ানের মতো’ বেশি তুলে ধরেছে। তাঁর অভিযোগ, রাহুল গান্ধী ‘লকার-রুম টক’ এবং ‘সস্তা ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য’-এর আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁর মতে, দেশের মানুষ এমন একজন বিরোধী দলনেতা প্রত্যাশা করেন যিনি সাংবিধানিক পদটির মর্যাদা বজায় রাখবেন।

    ব্যক্তিগত ইঙ্গিত বা কটাক্ষ কেন

    বিজেপি নেতা শেহজাদ পুনাওয়ালাও রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে প্রশ্ন তোলেন, রাজনৈতিক বিতর্ক আর কতটা নীচে নামতে পারে। তাঁর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে এবং তাঁকে কঠোরভাবে আক্রমণ করাও বিরোধীদের গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু একজন মহিলা বিদেশি রাষ্ট্রনেতাকে টেনে এনে ব্যক্তিগত রসিকতা করা কোনওভাবেই রাজনৈতিক প্রজ্ঞা বা রসবোধের পরিচয় নয়। বিজেপির বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কিংবা কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি নিয়ে বিরোধীরা যতটা আগ্রাসী সমালোচনা করতে চান, করতে পারেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ইঙ্গিত বা কটাক্ষ দিয়ে সেই রাজনৈতিক বক্তব্যের শক্তি বাড়ে না, বরং মূল ইস্যু থেকে আলোচনা সরে যায়।

    কার্যকর রাজনৈতিক বার্তার অভাব

    এখানেই ‘রচনাত্মক কংগ্রেস’ নামের অনুষ্ঠান নিয়েও প্রশ্ন তুলছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ‘রচনাত্মক বিরোধিতা’র অর্থ হওয়া উচিত বেকারত্ব, অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা, বিদেশনীতি এবং প্রশাসনিক কার্যকলাপ নিয়ে সরকারকে তথ্য ও যুক্তির ভিত্তিতে জবাবদিহির মুখে দাঁড় করানো। লোকসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে রাহুল গান্ধীর কাছে সেই রাজনৈতিক মঞ্চ এবং সাংবিধানিক সুযোগ দুটোই রয়েছে। তাই তাঁর সমালোচনা ব্যক্তিগত কটাক্ষের পরিবর্তে নীতি, তথ্য ও সরকারের বাস্তব ফলাফলের উপর কেন্দ্রীভূত হলে তা আরও কার্যকর রাজনৈতিক বার্তা দিতে পারত বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • UPSC uses AI: প্রথমবার এআই ব্যবহার করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের যাচাই, প্রিলিমসের আগেই ৫৬৯ অযোগ্য আবেদন বাতিল করল ইউপিএসসি

    UPSC uses AI: প্রথমবার এআই ব্যবহার করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের যাচাই, প্রিলিমসের আগেই ৫৬৯ অযোগ্য আবেদন বাতিল করল ইউপিএসসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় লোকসেবা কমিশন (UPSC) প্রথমবারের মতো সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার (CSE) আবেদন যাচাইয়ের পর্যায়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার করে অযোগ্য প্রার্থীদের চিহ্নিত করেছে। এই উদ্যোগের ফলে ২০২৬ সালের সিভিল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার আগে ৫৬৯টি আবেদন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া আবেদনগুলির মধ্যে ছিল একাধিকবার জমা দেওয়া আবেদন এবং নির্ধারিত প্রচেষ্টার সীমা অতিক্রম করা প্রার্থীদের আবেদন।

    পূজা খেডকর বিতর্কের পর কঠোর নজরদারি

    ইউপিএসসি-র এই পদক্ষেপ এসেছে প্রাক্তন আইএএস প্রশিক্ষণার্থী পূজা খেড়কর-কে ঘিরে বিতর্কের প্রায় দুই বছর পর। ২০২৪ সালে অভিযোগ ওঠে যে তিনি নিজের ও তাঁর বাবা-মায়ের নাম পরিবর্তন করে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন, যদিও তিনি ইতিমধ্যেই অনুমোদিত প্রচেষ্টার সংখ্যা শেষ করে ফেলেছিলেন। পরে UPSC তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করে এবং তাঁকে পরিষেবা থেকে বরখাস্ত করা হয়। এর আগে সাধারণত এই ধরনের যাচাই-বাছাই সাক্ষাৎকার পর্বে, অর্থাৎ প্রিলিমস ও মেইনস উত্তীর্ণ হওয়ার পর করা হতো। তবে এ বছর কমিশন আবেদন জমার পরপরই যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।

    এআই ও আধারভিত্তিক যাচাই

    ২০২৬ সালের সিভিল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য মোট ৮.১৮ লক্ষ প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৫.৪৯ লক্ষ পরীক্ষায় অংশ নেন। গত বছরের ৯.৫ লক্ষ আবেদনকারীর তুলনায় এ বছর সংখ্যা কিছুটা কম। সূত্রের মতে, নতুন যাচাই পদ্ধতি এই হ্রাসের অন্যতম কারণ হতে পারে। কমিশন এ বছর একটি নতুন আবেদন পোর্টাল চালু করে, যেখানে আধার-ভিত্তিক পরিচয় যাচাইয়ের সুযোগ ছিল। প্রায় ৯৪ শতাংশ আবেদনকারী এই সুবিধা গ্রহণ করেন। বাকি আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে এআই-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নাম, বাবা-মায়ের নাম, জন্মতারিখ এবং ছবি মিলিয়ে ডুপ্লিকেট আবেদন শনাক্ত করা হয়। এরপর গত ১৫ বছরের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় প্রার্থীরা বয়সসীমা বা প্রচেষ্টার সীমা অতিক্রম করেছেন কি না। এই প্রক্রিয়ায় ৫৬৯ জন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থী এবং আরও ৬৯ জন ভারতীয় বন পরিষেবা (IFS) পরীক্ষার আবেদনকারীকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়।

    সংরক্ষণ শ্রেণি পরিবর্তনও খতিয়ে দেখা হয়েছে

    ইউপিএসসিতে এআই-এর সাহায্যে পরীক্ষা করেছে, কোনও প্রার্থী পূর্ববর্তী আবেদনের তুলনায় সামাজিক শ্রেণি (Category) পরিবর্তন করেছেন কি না। তদন্তে দেখা যায়, ৪৩,৪৯৭ জন আবেদনকারী আগেরবারের তুলনায় ভিন্ন ক্যাটাগরি নির্বাচন করেছেন। তাঁদের ই-মেইলের মাধ্যমে নথিপত্র যাচাইয়ের জন্য যোগাযোগ করা হয়। অনেক প্রার্থী জানান, সময়মতো প্রয়োজনীয় শংসাপত্র না পাওয়ায় তাঁরা আগে সাধারণ (General) শ্রেণিতে আবেদন করেছিলেন। তবে যাচাই শেষে ১৩৩টি আবেদন বাতিল করা হয়, কারণ সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরা তাঁদের বর্তমান শ্রেণির নির্ধারিত প্রচেষ্টার সীমা অতিক্রম করেছিলেন।

    প্রযুক্তির লক্ষ্য ন্যায্যতা নিশ্চিত করা

    ইউপিএসসি-র চেয়ারম্যান অজয় কুমার বলেন, “প্রযুক্তির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত ন্যায্যতা নিশ্চিত করা। এ বছর UPSC প্রিলিমসের আবেদন পর্যায়েই ডি-ডুপ্লিকেশন প্রক্রিয়া চালিয়েছে, যাতে প্রকৃত প্রার্থীদের সঠিকভাবে শনাক্ত করা যায় এবং জাল বা একাধিক আবেদন প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।” তিনি আরও বলেন, “প্রতিটি প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে ইউপিএসসি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং প্রযুক্তি সেই লক্ষ্য পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক শক্তি।”

  • India Vs New Zealand: ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সিরিজ’! শতবর্ষ উদযাপনে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলবে ভারত

    India Vs New Zealand: ‘ইতিহাসের সর্ববৃহৎ সিরিজ’! শতবর্ষ উদযাপনে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে খেলবে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (IPL 2026) শেষ হতেই ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি ছেড়ে দেশের জার্সি পরতে দেখা যাবে কোহলি (Virat Kohli), গিলদের (Shubman Gill)। চলতি বছরে নিউজিল্যান্ড সফরে যাচ্ছে ভারতীয় দল (India Vs New Zealand)। যেখানে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বড় একটি সিরিজ খেলবে তারা। ৪০ দিনের সফরে মোট ১২ ম্যাচের এই সিরিজই হতে চলেছে কিউয়িদের মাটিতে ভারতের অন্যতম বৃহত্তম সফর। এর মধ্যে পাঁচ ম্যাচে মাঠে নামবেন তারকা ক্রিকেটাররা। সবার নজর বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার দিকে। বুধবার পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট।

    কবে থেকে শুরু হচ্ছে সিরিজ

    নিউজিল্যান্ড বোর্ডের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ১ ডিসেম্বর হতে চলেছে এই সিরিজ। নিউজিল্যান্ডের প্রধান ৫ ভেন্যুতে ভারতের বিরুদ্ধে ৫ টি-টোয়েন্টি, ৫ ওয়ান ডে ও ২ টেস্ট ম্যাচ খেলবেন স্যান্টনার, গ্লেন ফিলিপ্সরা। মোট ১২ ম্যাচের এই সফর আসলে কিউয়িদের ক্রিকেট ইতিহাসে সবথেকে বড় দ্বিপাক্ষিক সফর হতে চলেছে। অকল্যান্ডে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। দুটি টেস্ট খেলা হবে ওয়েলিংটন ও ক্রাইস্টচার্চে। যেহেতু এই সিরিজের মধ্যে ওয়ান ডে ম্যাচও রয়েছে, তাই এই সিরিজে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে খেলতে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে সমর্থকদের কাছে। ওয়ান ডে ম্যাচগুলি শুরু হবে ৪ নভেম্বর থেকে। দুই দেশের ক্রীড়া সম্পর্কের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে এই বিশেষ সিরিজ আয়োজন করা হয়েছে। সফর শুরু হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে। তারপর ওয়ানডে সিরিজ এবং শেষে টেস্ট।

    ভারতের বিরুদ্ধে খেলা সব সময় আকর্ষণীয়

    নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মুখ্য বাণিজ্যিক কর্তা গ্লেন ক্রিচলি এই সিরিজ নিয়ে বলেন, “ক্রিকেটের দুনিয়ায় ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের মতো বড় আকর্ষণ খুব কমই আছে। আমরা চাই সমর্থকদের এমন অভিজ্ঞতা দিতে, যা তারা আগে পায়নি। শুধু খেলা নয়, ভারত-নিউজিল্যান্ডের সংস্কৃতি ও ইতিহাসের বন্ধনও উদ্‌যাপন করা হবে। বিরাট কোহলি, জশপ্রীত বুমরাহদের মতো তারকাদের খেলা দেখার সুযোগ পাওয়া সত্যিই বিশেষ ব্যাপার।” অন্যদিকে, আইসিসি তাদের বিবৃতিতে বলেছে, ‘আয়োজকরা ভারতের মুখোমুখি হবে পাঁচটি টি-টোয়েন্টি, পাঁচটি ওয়ানডে এবং দু’টি টেস্ট ম্যাচে। মোট ম্যাচের সংখ্যার দিক থেকে এই ১২ ম্যাচের সূচিটি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের ইতিহাসে বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সফর হতে চলেছে।’ উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ মরশুমের পর এই প্রথম নিউজিল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে ভারত। যদিও কিউয়িরা সম্প্রতি দু’বার ভারত সফরে এসেছে। ২০২৪-২৫ মরশুমে ভারতকে হোয়াইটওয়াশও করেছে। নিউজিল্যান্ডের ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্পিনার ইশ সোধি বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে খেলা সব সময়ই উপভোগ করি। ওরা অসাধারণ দল। তারকা ও প্রতিভায় ভরপুর। সিরিজটা খুব কঠিন হতে চলেছে।”

    ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড সিরিজের সূচি

    টি-টোয়েন্টি

    ২২ অক্টোবর, ক্রাইস্টচার্চ
    ২৪ অক্টোবর, ক্রাইস্টচার্চ
    ২৭ অক্টোবর, ওয়েলিংটন
    ৩০ অক্টোবর, অকল্যান্ড
    ১ নভেম্বর, হ্যামিল্টন

    ওয়ানডে

    ৪ নভেম্বর, অকল্যান্ড
    ৭ নভেম্বর, ওয়েলিংটন
    ১০ নভেম্বর, হ্যামিল্টন
    ১৩ নভেম্বর, মাউন্ট মাউনগানুই
    ১৫ নভেম্বর, মাউন্ট মাউনগানুই

    টেস্ট

    ১৯-২৩ নভেম্বর, ওয়েলিংটন
    ২৭ নভেম্বর-১ ডিসেম্বর, ক্রাইস্টচার্চ

  • Assembly Election 2026: কড়া নিরাপত্তা! দ্বিতীয় দফার ভোটে আরও ১১ পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন

    Assembly Election 2026: কড়া নিরাপত্তা! দ্বিতীয় দফার ভোটে আরও ১১ পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন (Assembly Election 2026) হয়েছে শান্তিতেই। দ্বিতীয় দফার ভোট একেবারে ‘ঘটনাবিহীন’ করতে রাজ্যে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়াল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে আরও ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হল। আগামী ২৯ এপ্রিল ভোটে নজরদারি আরও আঁটোসাঁটো করার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফার ভোটে যেটুকু অশান্তি হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় তার সম্ভাবনাও দূর করতে চাইছে কমিশন। সেই কারণে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মোট ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক

    এ বারের নির্বাচনের জন্য পশ্চিমবঙ্গে ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল কমিশন, যা অন্যান্য বারের তুলনায় বেশি। দ্বিতীয় দফায় সংখ্যা আরও বাড়ানো হল। এখন মোট ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে স্পর্শকাতর এলাকাগুলি চিহ্নিত করে বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা প্রত্যেকেই ভিন্‌রাজ্য থেকে আসছেন। তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশকেই। বহু দিন পর পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় ভোট হচ্ছে। কমিশন ভোট ঘোষণার দিনই জানিয়েছিল, দফা কমানো হলেও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হবে। সেই মতো এবার কার্যত নজিরবিহীন ভাবে রাজ্যের ২৯৪টি কেন্দ্রের জন্য আলাদা আলাদা সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    বাড়তি ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন

    প্রথম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলেও দ্বিতীয় দফায় কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বাড়তি ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন (Election Commission)। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বা বিভিন্ন দলের হেভিওয়েট প্রার্থী এই দফার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শহর কলকাতা (Kolkata) ছাড়াও ভাঙড়-সহ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া (Howrah), হুগলি ও পূর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু অতি-উত্তেজনাপ্রবণ বুথ (Sensitive Booths) বা এলাকা রয়েছে, যেখানে আরও বেশি পরিকল্পনামাফিক কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কলকাতা বা রাজ্যের পুলিশ অথবা ভিন রাজ্যের পুলিশ বাহিনীকে কাজে লাগাতে চায় কমিশন।

    দ্বিতীয় দফায় বাহিনী বাড়ছে না

    পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়লেও দ্বিতীয় দফায় বাহিনী বাড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। রাজ্যে যে ২৫৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) রয়েছে, তাদের মধ্যে একাংশকে প্রথম দফা নির্বাচনী কেন্দ্রগুলির স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় রাখা হচ্ছে। বাকি বাহিনীকে দ্বিতীয় দফার ৮ নির্বাচনী জেলায় নিরাপত্তা রক্ষার কাজে লাগানো হবে। শুক্রবার থেকেই সিইও দপ্তরে রাজ্যের দ্বিতীয় দফার নির্বাচন নিয়ে দফায় দফায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক, ভিডিয়ো কনফারেন্স হয়েছে। সিইও ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র, ওড়িশা পুলিশের আইজি তথা পুলিশ পর্যবেক্ষক হীরালাল, সিআরপিএফ কর্তা থেকে ভিন রাজ্যের পুলিশ কর্তারাও। সব মিলিয়ে ভোটের বুথ এবং বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে বা বুথ সন্নিহিত এলাকাকে শান্তিপূর্ণ রেখে বঙ্গের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনেও রেকর্ড ভোটদানের নজির অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।

  • Operation Sindoor: ‘আর মাত্র কয়েক মিনিটের দূরে…’! অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানকে আক্রমণ নিয়ে‌ কী বললেন নৌসেনা প্রধান?

    Operation Sindoor: ‘আর মাত্র কয়েক মিনিটের দূরে…’! অপারেশন সিঁদুরে পাকিস্তানকে আক্রমণ নিয়ে‌ কী বললেন নৌসেনা প্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) চলাকালীন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনা। কিন্তু পাকিস্তানের অনুরোধে অভিযান থেকে বিরত ছিল তারা। বুধবার এমনই দাবি করলেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী। মুম্বইয়ে নৌসেনার সংবর্ধনা কর্মসূচিতে বুধবার অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী (Admiral Dinesh K Tripathi) সিঁদুর অভিযানের সময় অসাধারণ অবদানের জন্য দুই অফিসারকে সেবা পদক প্রদান করেন। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘আমরা আঘাত হানায় আর মাত্র কয়েক মিনিট দূরে ছিলাম।’’

    পাকিস্তানের অনুরোধে আক্রমণ থেকে বিরত

    নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী বলেন, ২০২৫ সালের ৭-১০ মে সিঁদুর (Operation Sindoor) অভিযান চলাকালীন ভারতীয় নৌসেনা আগাগোড়া আগ্রাসী অবস্থান বজায় রেখেছিল। তিনি বলেন, ‘‘অপারেশন সিঁদূরের সময় ভারতীয় নৌবাহিনী সমুদ্র থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আঘাত হানার মাত্র কয়েক মিনিট দূরে ছিল। ইসলামাবাদ আক্রমণাত্মক কার্যক্রম বন্ধ করার অনুরোধ করেছিল।’’ তাই কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে আক্রমণ থেকে বিরত থাকা হয়।

    ভারতীয় নৌসেনা জাতির আস্থা

    অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) সময় দ্রুত এবং দৃঢ় পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারতীয় নৌসেনা জাতির আস্থা এবং তাদের ক্ষমতার প্রতি বিশ্বাসকে নতুন মাত্রা দিয়েছে বলেও দাবি করেন অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী (Admiral Dinesh K Tripathi)। পহেলগাঁওতে পাকিস্তান মদতপুষ্ট জঙ্গিদের হানার পর পাল্টা পাকিস্তানের বুকে পর পর জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। সেই ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ কার্যত কুপোকাত হয়েছিল পাকিস্তান। অভিযানের সময় মে মাসের সেই রাতে ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান যখন একের পর এক পাকিস্তানি জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিচ্ছিল, তখন ভারতীয় নৌসেনার আগ্রাসী অবস্থানে কার্যত নিজেদের উপকূল প্রান্ত বাঁচাতে মরিয়া ছিল পাকিস্তান।

    ভয় পেয়েছিল পাকিস্তান

    অ্যাডমিরাল দীনেশ কে ত্রিপাঠী বলেন,‘‘অপারেশন সিঁদুরের সময় ক্যারিয়ার ব্যাটেল গ্রুপের মোতায়েনের আক্রমণাত্মক ভঙ্গি এবং তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ পাকিস্তান নৌবাহিনীকে তাদের বন্দরের কাছাকাছি বা মাকরান উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বাধ্য করেছিল।’’ একইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘অপারেশন সিঁদুর’, এখনও শেষ হয়নি। তিনি সাফ বলেন, এই অপারেশন এখনও চলছে। ভারতের নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠীর কথায়, অপারেশন সিঁদুর পাকিস্তানের উপর আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে কারণ যুদ্ধের পর বহু বাণিজ্যিক জাহাজ পাকিস্তানে ভ্রমণ এড়িয়ে গিয়েছে। পাকিস্তানগামী জাহাজের বীমা খরচও বেড়ে গিয়েছিল।

    পশ্চিম উপকূলে ভারতীয় নৌসেনার অপ্রতিরোধ্য উপস্থিতি

    শুধু অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) প্রসঙ্গেই নয়, অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী বলেন, ‘‘অপারেশন সিঁদুরের পাশাপাশি, বছরভর পশ্চিম উপকূলে ভারতীয় নৌসেনার অপ্রতিরোধ্য উপস্থিতি বজায় রয়েছে।’’ ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হানাদারি, পশ্চিম এশিয়ায় ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে বলেও জানান তিনি। চলমান বৈশ্বিক অস্থিরতা ও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সমুদ্র এখন আর গৌণ নয়, বরং প্রধান কৌশলগত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে—এমনটাই জানান ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রধান। তিনি বলেন, ভারতীয় নৌসেনার অপারেশনাল দক্ষতা গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন অভিযানে প্রতিফলিত হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ১৭ ঘণ্টার ঐতিহাসিক সমুদ্রযাত্রা

    অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী (Admiral Dinesh K Tripathi) আরও জানান, পশ্চিম উপকূলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ১৭ ঘণ্টার ঐতিহাসিক সমুদ্রযাত্রার মাধ্যমে নৌবাহিনী তাদের প্রস্তুতি ও শক্তি প্রদর্শন করেছে। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বে ভাঙন ও উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে, এবং এই পরিস্থিতিতে সমুদ্র এখন প্রথম সারির সংঘর্ষক্ষেত্র হয়ে উঠছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর (Strait of Hormuz) পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। তিনি জানান, চলমান সংঘাতের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ২৩টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ আক্রান্ত হয়েছে, প্রায় ১,৯০০টি জাহাজ আটকে রয়েছে এবং প্রতিদিনের জাহাজ চলাচল ১৩০ থেকে কমে মাত্র ৬–৭টিতে নেমে এসেছে।

    হরমুজ পাহারায় নৌসেনা

    অ্যাডমিরাল ত্রিপাঠী (Admiral Dinesh K Tripathi) জানান, হরমুজ সংলগ্ন অঞ্চলে ভারতীয় নৌসেনা সক্রিয় রয়েছে। তারা জাহাজ পাহারা দিচ্ছে। ভারত সরকারের একাধিক উদ্যোগে নৌসেনা সহায়তা করছে। ভারতমুখী জাহাজগুলিকে রক্ষাকবচ দিতে ‘অপারেশন উর্জা সুরক্ষা’ চালু করেছে নৌসেনা। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ভারতের মতো তেল আমদানি নির্ভর দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যার পুরোটাই নির্ভর করছে ভারতীয় নৌবাহিনীর দক্ষতার উপর।

    বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন বাড়ানোর পরিকল্পনা

    পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের জেরে সারা বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ক্ষেত্রে সঙ্কট দেখা দিয়েছে। যে দেশগুলির উপর প্রভাব সবচেয়ে বেশি, সেই তালিকায় রয়েছে ভারতও। এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী থেকে ভারতে এসেছে বেশ কয়েকটি জাহাজ। ভারত-ইরান সম্পর্কের খাতিরেই হরমুজ থেকে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে অনুমতি মিলেছে। তবে শুধু জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা নয়, বরং ভবিষ্যতের জরুরি অবস্থার জন্যও প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। নতুন পরিকল্পনার আওতায় ভারতীয় নৌবাহিনী বিভিন্ন স্থানে নিজেদের মোতায়েন বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছেন। দিনকয়েক আগেই উত্তর আরব সাগর থেকে ভারতীয় বন্দরে জাহাজগুলিকে এসকর্ট করার জন্য দুটি টাস্ক ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছিল। এখন, ভারতীয় নৌবাহিনী আরব সাগর এবং ওমান উপসাগরে অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে। এই মোতায়েনের উদ্দেশ্য শুধু এলপিজি ও জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করাই নয়, বরং ভবিষ্যতে যে কোনও মোতায়েনের জন্য পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি থাকা।

  • IPL 2026: বিক্রি হয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস ও আরসিবি, টাকার অঙ্কে বৈভবের দলকে টেক্কা কোহলিদের

    IPL 2026: বিক্রি হয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস ও আরসিবি, টাকার অঙ্কে বৈভবের দলকে টেক্কা কোহলিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রি হয়ে গেল প্রথম বারের আইপিএল (IPL 2026) চ্যাম্পিয়ন দল রাজস্থান রয়্যালস (Rajasthan Royals)। বৈভবদের টেক্কা দিল গতবারের বিজয়ী রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (RCB)। বিরাট কোহলি, স্মৃতি মন্ধানাদের দল কিনে নিল ভারতের আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়াম। ১৭৮ কোটি ডলার বা প্রায় ১৬ হাজার ৭০৬ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছে আরসিবির ১০০ শতাংশ মালিকানা। অন্যদিকে, আমেরিকার ব্যবসায়ী কাল সোমানির নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়াম রাজস্থানের ১০০ শতাংশ মালিকানা কিনে নিয়েছে। ১৬৩ কোটি ডলারে বিক্রি হল রাজস্থান।

    কত টাকায় বিক্রি হল রাজস্থান

    গত বছর আইপিএলের (IPL 2026) পর দল বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বর্তমান মালিক গোষ্ঠী। দল বিক্রির প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে যায়। বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী রাজস্থান কিনতে আগ্রহী ছিল। একাধিক প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়ার পর সোমানির নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়ামের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছেন রাজস্থানের বর্তমান মালিকেরা। ভারতীয় মূল্যে প্রায় ১৫ হাজার ২৮৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকার চুক্তি হয়েছে। সোমানির নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়ামে রয়েছেন আমেরিকার আরও দুই ব্যবসায়ী। ওয়ালমার্টের কর্ণধার রব ওয়ালটন এবং ফোর্ডের কর্ণধার হ্যাম্প পরিবার।

    আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর হাতে আরসিবি

    রাজস্থান রয়্যালসের (RR) পর বিক্রি হয়ে গেল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুও ( Royal Challengers Bengaluru)। দামে রাজস্থান রয়্যালসকে টেক্কা দিয়েছে বেঙ্গালুরু। গত বছর প্রথম বার আইপিএল (IPL 2026) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আরসিবি। সূত্রের খবর, আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়াম কোহলির দলকে কিনে নিয়েছে। এই সংস্থায় রয়েছে আমেরিকার ক্রীড়া বিনিয়োগকারী ডেভিড ব্লিটজার, আমেরিকার সংস্থা ব্ল্যাকস্টোন এবং টাইমস অফ ইন্ডিয়া গোষ্ঠী। আরসিবি বিক্রির সরকারি ঘোষণা অবশ্য হয়নি। মনে করা হচ্ছে, বর্তমান মালিক পক্ষের সঙ্গে সব কিছু চূড়ান্ত হয়ে গেলে সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হবে। দলের নতুন চেয়ারম্যান হচ্ছেন আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর ডিরেক্টর আর্যমান বিক্রম বিড়লা। ভাইস চেয়ারম্যান হচ্ছেন টাইমস অফ ইন্ডিয়া গোষ্ঠীর সত্যেন গজওয়ানি। ২০২৬ সালের আইপিএলের পর তাঁরা দায়িত্ব নেবেন। এত দিন বেঙ্গালুরুর মালিক ছিল ব্রিটিশ কোম্পানি দিয়াজিও পিএলসি। ইন্ডিয়ান আর্ম ইউনাইটেড স্পিরিট লিমিটেডের মাধ্যমে আরসিবি’র কর্মকাণ্ড সামলাতো দিয়াজিও। আরসিবি কেনার লড়াইয়ে ছিল সুইডেনের সংস্থা ইকিউটি এবং মণিপাল হাসপাতাল গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন কনসর্টয়াম। আদিত্য বিড়লা গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন কনসর্টিয়াম শেষ দিকে এই লড়াইয়ে ঢোকে। তবে, শেষ হাসি তারাই হাসল।

  • India-Bangladesh Relation: দুঃসময়ে পাশে ভারত, ইরান যুদ্ধের আবহে বাংলাদেশে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠাল দিল্লি

    India-Bangladesh Relation: দুঃসময়ে পাশে ভারত, ইরান যুদ্ধের আবহে বাংলাদেশে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠাল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্দিনে বাংলাদেশকে সাহায‍্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত (India-Bangladesh Relation)। যুদ্ধ চলছে মধ্য প্রাচ্যে। গোটা বিশ্বেই প্রায় জ্বালানি সঙ্কটের এক প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইরান ও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে জ্বালানি সঙ্কটে বাংলাদেশও। ভারতেও গ্যাসের সমস্যা উত্তরোত্তর বাড়ছে। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের হাত ছাড়ল না ভারত। দুঃসময়ে সে দেশে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন-এর মাধ্যমে।

    সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত থেকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত জ্বালানি চুক্তির অংশ। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ রেজানুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, এই ডিজেল সরবরাহ ১,৮০,০০০ টন বার্ষিক ডিজেল সরবরাহ চুক্তির অংশ। তিনি বলেন, “আমাদের ভারতের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে এবং আগামী ছয় মাসে অন্তত ৯০,০০০ টন ডিজেল আমদানি করতে হবে। এই ৫,০০০ টন তারই অংশ।” বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর এক কর্তা জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল ৩টে বেজে ২০ মিনিটে ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় ৪৪ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুরী ডিপোতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভারত থেকে সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি হওয়ায় পরিবহণ খরচ ও সময় দুটোই কমছে।

    ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্প

    ভারত ডিজেল সরবরাহ করছে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে, যা ২০১৭ সালে কার্যকর করা হয়। উল্লেখ্য, ইউনূসের সময় বিবিধ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই সময় ডিজেলের রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল ভারতের পক্ষ থেকে। পরবর্তীতে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দু’দেশের সম্পর্ক ধীরে-ধীরে মজবুত হচ্ছে। আর এরই মধ্যে বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করতে তৈরি হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্প। এটি দুই দেশেরই অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়। বাংলাদেশ অতিরিক্ত ডিজেল চাইলেও ভারতের সরকার বলেছে, তা বাজার ও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল যায়। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশগুলোর জ্বালানি বাজারও প্রভাবিত হয়েছে।

LinkedIn
Share