Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • India Philippines Relation: ৯ টি চুক্তি স্বাক্ষরিত, ফিলিপিন্সের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে বিশেষ বার্তা মোদির

    India Philippines Relation: ৯ টি চুক্তি স্বাক্ষরিত, ফিলিপিন্সের সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে বিশেষ বার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন শুল্ক নীতি নিয়ে ট্রাম্পের হুমকির মাঝেই এবার ফিলিপিন্সের (India Philippines Relation) সঙ্গে সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে বিশেষ বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সদ্য ভারতে সফরে এসেছেন ফিলিপিন্সের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। আর তাঁর এই ভারত সফরের সময়ই ভারত-ফিলিপিন্স কৌশলী অংশিদারিত্বের সমঝোতা হয়। এছাড়াও ভারতীয় পর্যটকদের ভিসা ছাড়াই সেদেশে প্রবেশের বিষয়ে ফিলিপিন্স ছাড়পত্র দিয়েছে। পাশাপাশি ভারতও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দিল্লি-ম্যানিলা আরও বেশি সরাসরি বিমান চলাচল হবে।

    দুই দেশের মধ্যে কোন কোন চুক্তি

    সোমবার, চারদিনের ভারত সফরে এসেছেন ফিলিপিন্সের (India Philippines Relation) প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। ২০২২ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর এটি তাঁর প্রথম ভারত সফর। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘ভারত এবং ফিলিপিন্স ইচ্ছানুযায়ী বন্ধু এবং ভাগ্যানুযায়ী অংশীদার। ভারত মহাসাগর থেকে প্রশান্ত মহাসাগর পর্যন্ত, আমরা ভাগ করে নেওয়া মূল্যবোধের দ্বারা ঐক্যবদ্ধ। আমাদের বন্ধুত্ব কেবল অতীতের বন্ধুত্ব নয়, এটি ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি। ‘ভারত এবং ফিলিপিন্স কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৭৫ বছর উদযাপন করছে এবং এই উপলক্ষে দুই রাষ্ট্রনেতা একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করেছেন। দুই দেশের মধ্যে ৯ টি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। ফিলিপিন্স ভারত থেকে প্রতিরক্ষা সামগ্রী কেনার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন যে, আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। এটি আরও বাড়ানোর জন্য, ভারত-আসিয়ান ‘মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি’র পর্যালোচনা শীঘ্রই সম্পন্ন হবে। এর সাথে সাথে, একটি দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তির দিকেও কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন যে আমাদের কোম্পানিগুলি ফিলিপাইনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কাজ করছে, যার মধ্যে তথ্য ও ডিজিটাল প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, অটোমোবাইল, পরিকাঠামো, খনিজ পদার্থ রয়েছে।

    অ্যাক্ট ইস্ট নীতিতে ফিলিপিন্স গুরুত্বপূর্ণ 

    প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন স্পষ্ট করে দেন, ভারতের অ্যাক্ট ইস্ট নীতিতে ফিলিপিন্স (India Philippines Relation) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার, এবং ভারতের ‘মহাসাগর’ নীতিরও সহযোগী। মোদি স্পষ্ট জানান,’আমরা ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা, সমৃদ্ধি এবং নিয়ম-ভিত্তিক শৃঙ্খলার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতাকে সমর্থন করি।’উল্লেখ্য, রবিবার থেকে ‘বিতর্কিত’ দক্ষিণ চিন সাগরে ভারত এবং ফিলিপিন্সের নৌবাহিনী যৌথ যুদ্ধমহড়া শুরু করেছে। দক্ষিণ চিন সাগর অঞ্চলে বেজিংকে চাপে রাখার জন্য আমেরিকা গত বছর ‘স্কোয়াড’ নামে যে চতুর্দেশীয় সামরিক জোট গড়েছ, অস্ট্রেলিয়া, জাপানের পাশাপাশি ফিলিপিন্স তার অন্যতম সদস্য। এই আবহে নয়াদিল্লি-ম্যানিলার এই সামরিক সমঝোতা চিনকে চাপে ফেলবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

  • RBI: বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার চেয়ে বেশি অবদান রাখছে ভারত, দাবি আরবিআই গভর্নরের

    RBI: বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার চেয়ে বেশি অবদান রাখছে ভারত, দাবি আরবিআই গভর্নরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় অর্থনীতি খুব ভালোভাবে চলছে। বিশ্ব প্রবৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও বেশি অবদান রাখছে ভারত। এমন মন্তব্য করলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর (RBI) সঞ্জয় মালহোত্রা। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের অর্থনীতিকে (Indian Economy) “মৃত” বলে মন্তব্য করার পর এই প্রতিক্রিয়া দেন তিনি। বুধবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার আর্থিক নীতি কমিটির (MPC) বৈঠক হয়। সেখানেই রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানালেন আরবিআইয়ের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা। ফলে রেপো রেট ৫.৫ শতাংশই থাকছে।

    ভারতীয় অর্থনীতির সম্ভাবনা উজ্জ্বল

    আরবিআই (RBI) সদর দফতরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সঞ্জয় বলেন, “চলতি অর্থবছরে ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যেখানে আইএমএফ ২০২৫ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ শতাংশ বলে অনুমান করছে। আমরা প্রায় ১৮ শতাংশ অবদান রাখছি, যা যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি — তাদের অবদান প্রায় ১১ শতাংশ বা তারও কম।” তিনি বলেন, “আমরা খুব ভালো করছি এবং ভবিষ্যতেও উন্নতির পথে এগিয়ে যাবো।” তাঁর মতে, ভারতীয় অর্থনীতির সম্ভাবনা উজ্জ্বল। তিনি বলেন, “ভারতীয় অর্থনীতিতে মার্কিন শুল্কের বড় কোনও প্রভাব পড়বে বলে আমাদের মনে হয় না।”

    পাশে রয়েছে ভারত সরকার

    ভারত-মার্কিন বানিজ্য নীতি নিয়ে আলোচনার সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের সমালোচনা করে বলেছিলেন, “আমি পরোয়া করি না ভারত রাশিয়ার সঙ্গে কী করে। ওরা একসাথে নিজেদের মৃত অর্থনীতি নিয়ে এগিয়ে যাক।” ভারতের (Indian Economy) রাশিয়া থেকে সস্তায় তেল কেনা চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত নিয়েই ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন বলে মনে করা হচ্ছে। এই ধরনে মন্তব্য শুধুমাত্র ভারত-মার্কিন সম্পর্ককে উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিতে পারে না, বরং ভারতের ওপর ভবিষ্যতে নির্দিষ্ট শুল্ক বা রাশিয়ান তেল আমদানির কারণে সম্ভাব্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কাও তৈরি করেছে। আরবিআই-এর ডেপুটি গভর্নর পুনম গুপ্ত বলেন, “এই ভূ-রাজনৈতিক বিষয়গুলোর প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের মুদ্রাস্ফীতির ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না।” এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের চাপে পড়ে ভারত যদি রাশিয়ান তেল আমদানি বন্ধও করে দেয়, তাহলেও দেশীয় মুদ্রাস্ফীতির ওপর তার কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানান আরবিআই গভর্নর। তিনি বলেন, “চলতি অর্থবছরে যদি তেলের দাম বেড়ে যায়, তাহলে সরকার প্রয়োজনে শুল্ক কমাতে পারে যাতে সাধারণ মানুষের ওপর এর প্রভাব না পড়ে।”

  • Kartavya Bhavan: অত্যাধুনিক সুবিধা ও সজ্জায় সজ্জিত ‘কর্তব্য ভবন ৩’-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    Kartavya Bhavan: অত্যাধুনিক সুবিধা ও সজ্জায় সজ্জিত ‘কর্তব্য ভবন ৩’-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক ও দফতরগুলিকে এক ছাদের তলায় নিয়ে আসার কথা মাথায় রেখেই অভিন্ন কেন্দ্রীয় সচিবালয় গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল মোদি সরকার। তারই অঙ্গ হিসেবে বুধবার কমন সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটের প্রথম বিল্ডিংয়ের উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদি। এদিন, ‘কর্তব্য ভবন ৩’-এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী। এই নতুন ভবনটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং কর্মীবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতর সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের কার্যালয় থাকবে বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে নর্থ ব্লক থেকে পরিচালিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই ভবনে স্থানান্তরিত হবে।

    সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পেপ অংশ

    ভারতের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পকে। এই মহাপরিকল্পনার অধীনে ইতিমধ্যে নতুন সংসদ ভবন চালু হয়েছে, যা দেশের আইন প্রণয়নের কেন্দ্র। এছাড়াও, রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত বিস্তৃত তিন কিলোমিটার দীর্ঘ রাজপথের (বর্তমানে ‘কর্তব্য পথ’) সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে এবার ১০টি কর্তব্য ভবন গড়ে তোলা হচ্ছে। লক্ষ্য, ভারতের প্রশাসনিক পরিকাঠামোকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করা। এরই প্রথম ভবনের উদ্বোধন হল বুধবার। গোটা পরিকল্পনা ও রূপায়ণের দায়িত্বে কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রক।

    উঠে আসছে আরও ৯ কর্তব্য ভবন

    জানা গিয়েছে, ‘কর্তব্য ভবন ৩’ প্রায় দেড় লক্ষ বর্গমিটার আয়তনের একটি আধুনিক অফিস কমপ্লেক্স, যার দুটি বেসমেন্ট এবং সাত তলা জুড়ে বিস্তৃত। এতে স্বরাষ্ট্র, বিদেশ, গ্রামীণ উন্নয়ন, এমএসএমই, ডিওপিটি, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা সহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক থাকবে। ‘কর্তব্য ভবন ১’ ও ‘কর্তব্য ভবন ২’-এর কাজ আগামী মাসে সম্পন্ন হওয়ার কথা। ‘কর্তব্য ভবন ১০’ -এর নির্মাণ কাজ আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে শেষ হবে। ভবন ৬ এবং ৭-এর প্রকল্পটি ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

    অত্যাধুনিক সুবিধা

    কর্তব্য ভবনটি একেবারে আধুনিক সজ্জা ও সুবিধায় সজ্জিত। নতুন ভবনটি আধুনিক প্রশাসনিক অবকাঠামোর একটি উদাহরণ। এর মধ্যে রয়েছে— আইটি-প্রস্তুত এবং সুরক্ষিত কর্মক্ষেত্র, আইডি কার্ড-ভিত্তিক অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ, সমন্বিত ইলেকট্রনিক নজরদারি এবং একটি কেন্দ্রীয় কমান্ড সিস্টেম। ছাদে সৌর প্যানেল যা বছরে পাঁচ লক্ষ ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম। সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারের ফলে, ৩০ শতাংশ শক্তি সাশ্রয় হবে বলে আশা। এতে থাকছে ডাবল-গ্লেজড কাচের জানলা, সোলার ওয়াটার হিটার, উন্নত শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, বায়ুচলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং বৃষ্টির জল সংগ্রহের সুবিধা। এই নতুন ভবনে থাকছে ৩২৪টি পার্কিং স্লট, ১২০টি বৈদ্যুতিক যানবাহন চার্জিং পয়েন্ট, প্রতিদিন ৬৫০টি যানবাহনকে পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা।

  • World War 3: পুতিন-ট্রাম্পের অস্ত্র মোতায়েনের জেরে চড়ছে উত্তেজনার পারদ, দুয়ারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?

    World War 3: পুতিন-ট্রাম্পের অস্ত্র মোতায়েনের জেরে চড়ছে উত্তেজনার পারদ, দুয়ারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার উপকূলের কাছে পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পরেই পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Putin)। জানা গিয়েছে, রাশিয়া ইউরোপের কাছাকাছি (World War 3) চারটি পারমাণবিক ক্ষমতাসম্পন্ন বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে। দুই উন্নত দেশের এই অস্ত্রের ঝনঝনানিতে বিশ্বের ঈশান কোণে ঘনাচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মেঘ। এই বিমানগুলি অতীতে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে হামলায় ব্যবহৃত হয়েছে। পশ্চিমি মিডিয়ার রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে এগুলিতে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা রয়েছে।

    কৌশলগত বোমারু বিমানগুলির অবস্থান বদল (World War 3)

    ট্রাম্পের এই নির্দেশের আগে রাশিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট তথা পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী দিমিত্রি মেদভেদেভ একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। এর পরপরই রাশিয়া দ্রুত তাদের কৌশলগত বোমারু বিমানগুলির অবস্থান বদলে ফেলে। ট্রাম্প সম্প্রতি বলেন, “মার্কিন সাবমেরিনগুলি এখন সেখানেই রয়েছে, যেখানে থাকা দরকার।” আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মস্কোর প্রতি একটি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি। উল্লেখ্য, রুশ বোমারু বিমানগুলি আর্কটিক অঞ্চলের মুরমানস্ক এলাকার ওলেনিয়া এয়ারবেসে মোতায়েন করা হয়েছিল। ১ জুন ইউক্রেন রাশিয়ার ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ার পর এবার সেগুলিকে ফের সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, কিছু বিমান সারাতভ অঞ্চল থেকেও সরানো হয়েছে। কারণ রাশিয়ান সামরিক ভবনে ইউক্রেনীয় হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এই ব্যবস্থা।

    রাশিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ বাহিনীর অংশ

    এই বোমারু বিমানগুলি রাশিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ বাহিনীর অংশ। তবে ইউক্রেনে বোমাবর্ষণ মিশনেও ব্যবহার করা হয়েছে এগুলি (World War 3)।এদিকে, ইউক্রেন একটি বড় সামরিক সাফল্যের দাবি করেছে। তারা জানিয়েছে, তারা একটি রুশ জেট ফাইটার গুলি করে নামিয়েছে এবং রুশ অধিকৃত ক্রিমিয়ায় চালানো এক হামলায় চারটি সামরিক বিমানের ক্ষতি করেছে। এই হামলাটি ঘটেছে মাত্র এক দিন আগেই।

    প্রসঙ্গত, মেদভেদেভ, যিনি বর্তমানে রাশিয়ান ফেডারেশনের নিরাপত্তা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান এর আগে ট্রাম্পকে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সতর্ক করেছিলেন। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছিলেন, “রাশিয়া ইজরায়েল বা ইরান নয়, এবং সতর্ক করেন যে ট্রাম্পের প্রতিটি হুমকি বিশ্বকে একটি (Putin) পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে আরও কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারে।” এই সতর্কতার কিছুক্ষণ পরেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়। যা উত্তেজনার পারদ আরও চড়িয়ে দিয়েছে (World War 3)।

  • Ministry of Defence: দেশের প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করতে ৬৭০০০ কোটি টাকার অস্ত্র-সরঞ্জাম কিনছে ভারত

    Ministry of Defence: দেশের প্রতিরক্ষাকে আরও শক্তিশালী করতে ৬৭০০০ কোটি টাকার অস্ত্র-সরঞ্জাম কিনছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হতে চলেছে ভারতের অস্ত্রভান্ডার। শতাধিক ব্রহ্মস ও উন্নত ড্রোন কিনতে চলেছে ভারতীয় ফৌজ। ইতিমধ্যে অস্ত্র কেনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৬৭ হাজার কোটি টাকার চুক্তিতে প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence)।

    সামরিক বাহিনীর (Indian Armed Forces) আধুনিকীকরণের কাজ শুরু হয়েছিল আগেই। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পরে তাতে আরও গতি এসেছে। মঙ্গলবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসেছিল প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় সংক্রান্ত সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটি (ডিফেন্স অ্যাকিউজিশন কাউন্সিল বা ডিএসি)। সেখানেই অস্ত্র কেনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ৮৭টি ম্যাল সশস্ত্র ড্রোন

    জানা যাচ্ছে, তিন-বাহিনীর জন্য মাঝারি-উচ্চতায় দীর্ঘক্ষণ আকাশে উড়তে সক্ষম (ম্যাল) সম্পন্ন ৮৭টি সশস্ত্র ড্রোন কেনা হবে। সেই ড্রোনগুলি তৈরি হবে ৬০ শতাংশ দেশীয় উপকরণ দিয়ে। এর জন্য বিদেশি সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করবে একটি ভারতীয় প্রতিরক্ষা কোম্পানি। কিনতে খরচ হবে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। এই সব ড্রোন কেনার পর ১০ বছর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আরও ১১ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে।

    ১১০টি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র

    এর পাশাপাশি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অনুমতিতে নতুন ১১০টি ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র কেনারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুনিয়ার দ্রুততম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলির মধ্যে অন্যতম হল ব্রহ্মস। রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে ভারত। জল, স্থল, আকাশ ও জলের নীচ— এই চার জায়গা থেকেই ছোড়া যায় ব্রহ্মস। এর প্রতিটির জন্য পৃথক সংস্করণের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সামরিক বাহিনী। ব্রহ্মসের গতি শব্দের চেয়ে তিনগুণ। দেশের প্রতিরক্ষাকে মাথায় রেখে এই ব্রহ্মসকে আরও উন্নত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। সেই লক্ষ্যে ৫ দফা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানে ব্রহ্মসের পাল্লা ও গতি দুটোই বাড়ানো হচ্ছে।

    সাঁজোয়ার জন্য থার্মাল ইমেজার

    নৌবাহিনীর জন্য কমপ্যাক্ট অটোনমাস সারফেস ক্রাফ্ট কেনার অনুমোদন দিয়েছে ডিফেন্স অ্যাকিউজিশন কাউন্সিল। এই স্বয়ংক্রিয় নৌযান সাবমেরিন শনাক্ত করতে পারে। একইসঙ্গে বারাক-১ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে আরও উন্নত করা হবে। স্থলসেনার ব্যবহৃত সাঁজোয়া সামরিক যানগুলির আধুনিকীকরণের অঙ্গ হিসেবে তার জন্য থার্মাল ইমেজার সহ উন্নতমানের ড্রাইভার নাইট সাইট কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে কম আলোয় বা রাতে চালকের দেখতে কোনও অসুবিধা হবে না।

    পাহাড়ি সীমান্তে মাউন্টেন রেডার

    এছাড়া, বায়ুসেনার সি-১৭ ও সি-১৩০জে বিমানের রক্ষণাবেক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন কমিটি, যাতে যুদ্ধের সময়ে পরিবহণ এবং উদ্ধারকাজে দেরি না হয়। একই সঙ্গে এস-৪০০ লং রেঞ্জ মিসাইল সিস্টেম-এর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বার্ষিক চুক্তির অনুমোদনও মিলেছে। আকাশপথে শত্রুর গতিবিধির উপরে নজর রাখতে পাহাড়ি সীমান্তে বসানো হবে মাউন্টেন রেডার। পাশাপাশি সক্ষম/স্পাইডার মিসাইল সিস্টেমকে আপগ্রেড করে ইন্টিগ্রেটেড এয়ার কমান্ড অ্যান্ড কনট্রোল সিস্টেম (IACCS)-এর সঙ্গে যুক্ত করার কাজও চলবে জোরকদমে।

  • Ajit Doval: রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, তাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই মস্কোয় ডোভাল

    Ajit Doval: রাশিয়া থেকে তেল কেনা নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, তাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই মস্কোয় ডোভাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আবহে মস্কো থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে ভারতকে ফের একবার শুল্কবৃদ্ধির হুঁশিয়ারি (Tariff Threat) দিয়েছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, “আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের ওপর আরও শুল্ক বৃদ্ধি করা হবে।” এর আগে ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন। পরে তিনি যে শুল্ক চাপানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তার পরিমাণ কত, তা বলেননি। ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারির পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই রাশিয়ায় পৌঁছে গেলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। তবে ঠিক কী কারণে তিনি তড়িঘড়ি করে মস্কোয় গেলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

    রাশিয়ায় পৌঁছে গেলেন ডোভাল (Ajit Doval)

    মঙ্গলবার সকালেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। আর এদিনই রাতে রাশিয়ায় পৌঁছে গেলেন ডোভাল। সূত্রের খবর, রাশিয়া এবং ভারতের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই রাশিয়া গিয়েছেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। চলতি সফরে ডোভাল রুদ্ধদ্বার বৈঠক করবেন রাশিয়ার ঊর্ধ্বতন নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কর্তাদের সঙ্গে। বৈঠকে আলোচনা হতে পারে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, সন্ত্রাসবাদ দমনের মতো বিষয়েও। এ মাসেরই শেষের দিকে রাশিয়ায় যাওয়ার কথা রয়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করেরও। সংবাদ সংস্থা ‘তাস’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জয়শঙ্করের এই রাশিয়া সফর পূর্বনির্ধারিত সূচির অংশ। ফোকাস থাকবে ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ওপর। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনাও আলোচনার বিষয় হবে। এর পাশাপাশি রাশিয়া থেকে ভারতের জন্য তেল সরবরাহের মতো জরুরি বিষয়গুলিও আলোচনায় আসবে।”

    ট্রাম্পের অভিযোগ

    প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের অভিযোগ, ভারত মস্কো থেকে জ্বালানি কিনে আদতে সাহায্য করছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। তাই ভারতের উচিত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা বন্ধ করা। তা না হলে ভারতীয় পণ্যের ওপর ফের একপ্রস্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। ভারতকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্প রাশিয়াকে ইউক্রনে যুদ্ধে দ্রুত বিরতি ঘোষণা করতে বলেছেন। তিনি বলেন, “রাশিয়া যদি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা না করে, তাহলে আমেরিকা কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে।” এহেন উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশেই ডোভালের মস্কো যাত্রা।

    ভারতের প্রত্যুত্তর

    রাশিয়া (Ajit Doval) থেকে তেল কেনায় ট্রাম্পের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভারত আমেরিকাকে পাল্টা জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকা নিজেই রাশিয়ার সঙ্গে প্রচুর ব্যবসা করছে (Tariff Threat)। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যে কোনও প্রধান অর্থনীতির মতো, ভারতও তার জাতীয় স্বার্থ এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব রকম ব্যবস্থা নেবে। বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, ২০২২ সালে যখন রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণ করেছিল, তখন আমেরিকাই চেয়েছিল যে ভারত সস্তায় রাশিয়ান তেল কিনুক, যাতে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল থাকে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাশিয়া ও ইউরোপের বাণিজ্য তালিকায় শুধু তেল বা গ্যাস নয়, সার, খনিজ, রাসায়নিক, লৌহ-ইস্পাত-সহ আরও বহু পণ্য আমদানি করে। এই তালিকায় শুধু ইউরোপ কেন, খোদ আমেরিকাও বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি করে। তারা নিজেদের পারমাণবিক কার্যকলাপের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম হেক্সাফ্লোরাইড কেনে। বৈদ্যুতিন গাড়ি শিল্পের জন্য আমদানি করে প্যালাডিয়াম, সার ও রাসায়নিক।

    জ্বালানি আমদানি নিয়ে বড় চুক্তি!

    সূত্রের খবর, ডোভালের (Ajit Doval) চলতি সফরে রাশিয়ার সঙ্গে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানি নিয়ে বড় চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেখানে রাশিয়া ভারতকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে আরও বেশি পরিমাণে ছাড় দিতে পারে। ভারতের ওপর শুল্ক ঘোষণার পর রাশিয়া ট্রাম্পকে বিশ্বে কোণঠাসা করার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। রাশিয়ার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কোনও দেশের হস্তক্ষেপে দুর্বল হবে না ভারত-রুশ সম্পর্ক। এহেন পরিস্থিতিতে ডোভালের রাশিয়া সফরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে তামাম বিশ্ব।

    ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের জেরেই সমস্যা

    এর একটা অন্যতম বড় কারণ হল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য। তিনি বলেছিলেন, “বাণিজ্যের জন্য ভারত ভালো অংশীদার নয়। তারা আমাদের সঙ্গে যথেষ্ট বাণিজ্য করে। কিন্তু আমরা তাদের সঙ্গে বাণিজ্য করি না। তাই ভারতের ওপর আমরা ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলাম। কিন্তু আগামী (মঙ্গলবার বলেছিলেন) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা বৃদ্ধি করা হবে। কারণ, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনছে এবং তারা ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে রাশিয়াকে সাহায্য করছে।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন প্রতিক্রিয়ায় ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে (Tariff Threat), ভারতকে (Ajit Doval) নীতি ধর্ম শেখাতে আসা আমেরিকা নিজেই বিপুল পণ্য আমদানি করে রাশিয়া থেকে।

  • Canada: কার্নি জমানায় কানাডাভূমে আস্ত দূতাবাস খুলে ফেলল খালিস্তানপন্থীরা!

    Canada: কার্নি জমানায় কানাডাভূমে আস্ত দূতাবাস খুলে ফেলল খালিস্তানপন্থীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলেছে জমানা। বদলায়নি কানাডা (Canada)। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর শাসনে সে দেশে বাড়বাড়ন্ত হয়েছিল খালিস্তানপন্থীদের (Khalistan Board)। ট্রুডোর পরে কাডানার কুর্সিতে বসেছেন মার্ক কার্নি। তার পরেও একটুও বদলায়নি কানাডায় খালিস্তানপন্থীদের হম্বিতম্বির ছবিটা।

    রিপাবলিক অফ খালিস্তান’ (Canada)

    ফেরা যাক খবরে। এবার কানাডার সারে শহরে ‘শিখস ফর জাস্টিস’(SFJ) নামক খালিস্তানপন্থী সংগঠন এবং গুরু নানক শিখ গুরুদ্বারের সহযোগিতায় স্থাপন করা হয়েছে ‘খালিস্তানের দূতাবাস’। এজন্য ‘রিপাবলিক অফ খালিস্তান’ লেখা একটি সাইনবোর্ড-সহ এই তথাকথিত দূতাবাসটি গুরুদ্বার চত্বরে একটি ভবনের ভিতরে খোলা হয়েছে। এই ভবনটি আবার ব্যবহৃত হয় কমিউনিটি সেন্টার হিসেবে। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের স্থানীয়রা জানান, যে ভবনে দূতাবাসটি স্থাপন করা হয়েছে, সেটি ব্রিটিশ কলাম্বিয়া সরকারের অর্থে নির্মিত। তাঁরা এও বলেন, সম্প্রতি ব্রিটিশ কলাম্বিয়া সরকার ওই ভবনে লিফট বসানোর জন্য ১,৫০,০০০ মার্কিন ডলার দিয়েছে।

    কী বলেছিল কানাডার গোয়েন্দা সংস্থা

    চলতি বছরের জুন মাসে কানাডার শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (CSIS) প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে স্বীকার করেছে যে খালিস্তানপন্থী চরমপন্থীরা এখনও কানাডার মাটি ব্যবহার করছে তাদের প্রচার, অর্থ সংগ্রহ এবং হিংসার পরিকল্পনা করার ঘাঁটি হিসেবে, যার প্রধান টার্গেট ভারত। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ, “খালিস্তানপন্থী চরমপন্থীরা এখনও কানাডাকে একটি ঘাঁটি হিসেবেই ব্যবহার করছে—প্রচার, অর্থ সংগ্রহ এবং মূলত ভারতে হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালানোর জন্য।” সংবাদ মাধ্যমের এই প্রতিবেদনের আগেই (Khalistan Board) কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস তাদের সর্বশেষ বাৎসরিক প্রতিবেদনের একটি অংশে বলেছিল, কানাডার অভ্যন্তরে বিদেশি হস্তক্ষেপ এবং চরমপন্থী কার্যকলাপ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষত ভারতের সঙ্গে তাদের সংবেদনশীল কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে (Canada)।

    খালিস্তানপন্থী চরমপন্থীদের কার্যকলাপে উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরেই ভারত কানাডার মাটি থেকে পরিচালিত খালিস্তানপন্থী চরমপন্থীদের কার্যকলাপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। আটের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে কানাডায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সহিংস চরমপন্থার হুমকি মূলত প্রকাশ পেয়েছে কানাডাভিত্তিক খালিস্তানপন্থী চরমপন্থীদের মাধ্যমে। এরাই ভারতের পাঞ্জাবে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ‘খালিস্তান’ গঠনের লক্ষ্যে সহিংস পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল। ইন্ধন জোগাচ্ছিল ওই আন্দোলনে। পাঞ্জাবের শিখ তরুণদের মগজধোলাইও করা হচ্ছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সহিংস চরমপন্থা এমন একটি মতবাদ, যা নয়া রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা বিদ্যমান ব্যবস্থার মধ্যে নতুন কাঠামো বা নিয়ম কায়েমের জন্য হিংসায় উৎসাহ দেয়। এই মতবাদে বিশ্বাসীরা বিশ্বজুড়ে হামলার পরিকল্পনা করে। জোগাড় করে অর্থ। কাজ করে নয়া রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে (Canada)।

    ট্রুডোর আমল বনাম কার্নির জমানা

    ট্রুডোর আমলে মাথাচাড়া দিলেও, কানাডার কার্নি সরকারের আমলেই ‘দূতাবাস’ খুলে বসেছে খালিস্তানপন্থীরা। নাম দেওয়া হয়েছে ‘রিপাবলিক অফ খালিস্তান’। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন গোয়েন্দা স্থংস্থা এই দূতাবাসের ওপর কড়া নজর রাখছে। কারণ এটি যারা খুলেছে, তারা ভারতে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন শিখস ফর জাস্টিসের সদস্য। এই প্রতীকী ‘দূতাবাস’ আবার হরদীপ সিং নিজ্জরকে প্রকাশ্যে সমর্থন করছে। কিছুদিন আগেই শিখ গণভোট আয়োজনের কথা জানিয়েছিল শিখস ফর জাস্টিস। তার আগেই কানাডাভূমে তৈরি হয়ে গেল আস্ত একটা ‘দূতাবাস’ (Khalistan Board), এবং তাও আবার কোনও অজ গাঁয়ে নয়, কানাডা প্রশাসনের নাকের ডগায়। খালিস্তানপন্থীদের এহেন কার্যকলাপের ওপর কড়া নজর রাখছে স্থানীয় ও জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

    ভারতবিরোধী কাজকর্ম খালিস্তানপন্থীদের

    কার্নির আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন ট্রুডো। তাঁর জমানায় খালিস্তানপন্থীরা সে দেশে ব্যাপকভাবে ভারতবিরোধী কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিল। এর মধ্যে ছিল বিতর্কিত কুচকাওয়াজ, হিন্দুদের মন্দিরে তাণ্ডব চালানো, মন্দিরের গায়ে ভারত এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর বিভিন্ন স্লোগানও লেখা হচ্ছিল। করা হয়েছিল ভারতীয় জাতীয় পতাকার অবমাননাও। আর কার্নি জমানায় খুলে ফেলা হল আস্ত একটা ‘দূতাবাস’। প্রকাশ্যে আসা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, খালিস্তানপন্থীরা গুরুদ্বারে ঢোকার ঠিক পাশেই টাঙিয়েছে ‘রিপাবলিক অফ খালিস্তান’ লেখা বোর্ড (Canada)।

    ২০২৩ সালের ১৮ জুন ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের এই সারে শহরেই (Khalistan Board) খালিস্তানপন্থী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরকে খুন করে অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা। বছর পঁয়তাল্লিশের নিজ্জর কানাডায় শিখস ফর জাস্টিসের প্রধান ছিলেন। ওই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। সংসদে দাঁড়িয়ে ওই ঘটনায় ভারতকেই কাঠগড়ায় তুলেছিলেন ট্রুডো স্বয়ং। অভিযোগ অস্বীকার করেছিল নয়াদিল্লি। এদিকে, ২০২৪ সালের মে মাসে কানাডা পুলিশ নিজ্জর খুন এবং তাকে খুনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেফতার করে তিন ভারতীয়কে। সেই মামলার শুনানি এখনও চলছে কানাডার আদালতে। এই আবহেই তৈরি হয়ে গেল ‘দূতাবাস’ (Canada)।

  • Stop Eating Rice: রোগা হওয়ার জন্য ভাত খাওয়া বন্ধ করেছেন! আজান্তেই বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

    Stop Eating Rice: রোগা হওয়ার জন্য ভাত খাওয়া বন্ধ করেছেন! আজান্তেই বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    শরীরের ওজন নিয়ে এখন সতর্কতা বাড়ছে। স্থূলতার সমস্যা কমাতে অনেকেই চটজলদি পথে হাঁটতে চাইছেন। আর তাই কাটছাঁট হচ্ছে খাবারে। তাড়াতাড়ি শরীরের ওজন ঝরাতে অনেকেই মেনু থেকে ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিচ্ছেন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনভিজ্ঞ ভাবে ডায়েট তৈরি সবচেয়ে বড় সমস্যা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনেকেই দ্রুত ওজন কমানোর জন্য ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে দেন। কোনও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়াই অনেকেই এই ধরনের ডায়েট তৈরি করেন। আর এর ফল হয় মারাত্মক। শরীরের লাভের তুলনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্ষতির পাল্লাই এখন বেশি ভারি থাকে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    মেনু থেকে ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিলে কী উপকার হবে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দ্রুত ওজন কমানোর জন্য অনেকেই মেনু থেকে ভাত সম্পূর্ণ বাদ দেয়। কয়েক সপ্তাহ টানা ভাত না খেলে শরীরের ওজন দ্রুত কমে যায়। ভাতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ যথেষ্ট থাকে। তাই নিয়মিত ভাত খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর ফলে নিয়মিত খাবারের তালিকা থেকে ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিলে দ্রুত ওজন কমবে।

    কেন ভাত বাদ দিলে ক্ষতির পাল্লা ভারি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মেনুতে ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিলে ওজন কমবে। কিন্তু এর প্রভাব খুবই খারাপ। শরীরে মারাত্মক প্রভাব পড়বে। ভাত বাদ পড়লে ক্ষতির পাল্লা ভারি হবে‌। দীর্ঘদিন ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিলে শরীরে একাধিক পুষ্টির অভাব দেখা দেবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভাতে শুধুই কার্বোহাইড্রেট থাকে না। তার সঙ্গে থাকে একাধিক ভিটামিন। যেমন, ভিটামিন বি১ (থায়ামিন), বি৩ (নিয়াসিন), আয়রনের মতো একাধিক উপাদান থাকে। এই উপাদানগুলো শরীরে পুষ্টির জোগানে খুবই প্রয়োজনীয়। তাই ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিলে পুষ্টিও অসম্পূর্ণ থাকে।

    বাঙালির আরেক পরিচয় ভাতে-মাছে বাঙালি! চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শুধুই পছন্দের জন্য নয়। পরিবেশগত কারণেও ভাত বাঙালির প্রয়োজন। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারত গ্রীষ্মপ্রধান দেশ। এই আবহাওয়ায় সব্জি, প্রাণীজ প্রোটিনের সঙ্গে ভাত খেলে হজমের সুবিধা হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভাত থেকে শরীর পর্যাপ্ত ফাইবার পায়। তাই ভাত খেলে হজম ভালো হয়। আবার কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর হবে।

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রতিদিনের খাবারের তালিকা থেকে ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিলে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয় এনার্জির ঘাটতি। তাঁরা জানাচ্ছেন, শরীরে কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন। কার্বোহাইড্রেট থেকেই শরীর এনার্জি পায়। নিয়মিত বিভিন্ন কাজের শক্তি জোগান হয়। তাই ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিলে এই এনার্জির ঘাটতি হবে। শরীর ক্লান্তি অনুভব করবে‌। প্রতিদিনের স্বাভাবিক সাধারণ কাজ করার ইচ্ছে নষ্ট হবে।

    শরীরের পাশপাশি মানসিক অবসাদ তৈরি হয়। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দীর্ঘদিন ভাত না খেলে শরীরের পাশপাশি মনের উপরেও চাপ পড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কার্বোহাইড্রেটের ঘাটতি হলে মানসিক চাপ তৈরি হয়। মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়। তাই মানসিক অবসাদ তৈরি হয়। তাই খাবারের তালিকা থেকে ভাত সম্পূর্ণ বাদ দিল মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষেও ক্ষতি হয়।

    ভাত খাওয়া নিয়ে কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, স্থূলতার সমস্যা কমানোর পাশাপাশি ডায়াবেটিসের মতো একাধিক রোগের প্রকোপ রুখতেও, অনেকেই ভাত না খাওয়ার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, ভাত না খেলে শরীরে ক্ষতি হয়। আবার বেশি খেলেও নানান রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে ভাত খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ডায়বেটিসের প্রকোপ ও আটকানো যাবে। আবার ভাত না খাওয়ার ক্ষতিও এড়ানো যাবে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ওজন কমাতে হলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো, পরিমিত পরিমাণে ভাত খাওয়ার পাশপাশি বিকল্প দানাশস্য জাতীয় খাবার সম্পর্কেও সচেতন হতে হবে। অর্থাৎ শরীরে এনার্জির জোগান বজায় রাখতে রুটি খাওয়া যাবে কিনা, সব্জি, প্রাণীজ প্রোটিন, দুগ্ধজাত খাবার কী খাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল থাকা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, রোগা হওয়ার অর্থ শারীরিক ও মানসিকভাবে দূর্বল হয়ে পড়া নয়।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • PM Modi: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর কৃতিত্ব দেওয়া হল মোদিকে, এনডিএ-র সংসদীয় বৈঠকে সেনাকে কুর্নিশ

    PM Modi: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর কৃতিত্ব দেওয়া হল মোদিকে, এনডিএ-র সংসদীয় বৈঠকে সেনাকে কুর্নিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানের পরমাণু ব্ল্যাকমেল সহ্য করবে না ভারত।” পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ‘অপারেশন সিঁদুর’ চালানোর পর এই হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার। মঙ্গলবার সংসদে এনডিএর সংসদীয় বৈঠকে (NDA Parliamentary Meeting) সেনাকে কুর্নিশ জানিয়ে পাশ হল এ সংক্রান্ত প্রস্তাবও। অপারেশন সিঁদুরের সাফল্যের কারণে এদিন প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনাও দেন এনডিএর সাংসদরা। এদিনের বৈঠকে ভাষণও দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সংসদের বাদল অধিবেশনে বিরোধীদের আচরণের তীব্র নিন্দাও করতে শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।

    মোদি-স্তুতি (PM Modi)

    ৭ মে-র সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বলা হয়, “অপারেশন সিঁদুর ও অপারেশন মহাদেব চলাকালে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী যে অতুলনীয় সাহস ও অটল নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছে, তার প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাই।” বৈঠকে পাশ হওয়া প্রস্তাবে এও বলা হয়েছে, “তাদের সাহসিকতা আমাদের দেশ রক্ষায় তাদের অটল নিষ্ঠার প্রতিফলন। আমরা পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারানোদের প্রতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানাই।” বিজেপি এবং তার জোটসঙ্গী দল তেলুগু দেশম পার্টি, জনতা দল ইউনাইটেড এবং অন্যান্য দলের সাংসদরাও এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অসাধারণ নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, “তাঁর অটল সংকল্প, দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়কত্ব এবং দৃঢ় নেতৃত্ব কেবল জাতিকে লক্ষ্যপথে পরিচালিত করেনি, বরং সমস্ত ভারতবাসীর হৃদয়ে ঐক্য ও গর্বের নতুন স্ফুলিঙ্গ জ্বালিয়েছে।”

    পহেলগাঁওয়ে হত্যালীলা

    গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে হত্যালীলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন। বেছে বেছে হত্যা করা হয় ২৬ জন হিন্দু পর্যটককে। তার প্রেক্ষিতে দিন পনেরো পরে পাকিস্তানে অপারেশন সিঁদুর চালায় ভারত। নয়াদিল্লির দাবি, এই হামলা পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF) ঘটিয়েছে। এটি লস্কর-ই-তৈবার একটি ছদ্মনাম ও প্রক্সি সংগঠন। সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত এনডিএ সাংসদরা প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) দৃঢ় সংকল্পের প্রশংসা করেন। উল্লেখ্য, বিহারের মধুবনিতে এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি অপরাধীদের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর সেই কঠোর অবস্থানেরও প্রশংসা করা হয়, যার মাধ্যমে তিনি একটি “নয়া মানদণ্ড” তুলে ধরেছেন—যা এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ কৌশলের ভিত্তি হবে।

    প্রস্তাব পাশ

    “প্রথমত, ভারতের ওপর যদি কোনও জঙ্গি হামলা হয়, তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। আমরা আমাদের শর্তে জবাব দেব। সন্ত্রাসবাদের যে কোনও উৎসস্থানে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে (NDA Parliamentary Meeting)। দ্বিতীয়ত, ভারত (PM Modi) কোনও পারমাণবিক ব্ল্যাকমেল সহ্য করবে না। যে সমস্ত জঙ্গি ঘাঁটি পারমাণবিক হুমকির ছত্রছায়ায় গড়ে তোলা হচ্ছে, সেখানে ভারত নির্ভুল ও কঠোর হামলা চালাবে।” তৃতীয়ত, আমরা সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক কোনও সরকার এবং সন্ত্রাসবাদের মাস্টারমাইন্ডদের মধ্যে কোনও পার্থক্য করব না।”

    স্বদেশায়নের ওপর জোর

    এছাড়াও, অভিযানের পর সরকারের স্বদেশায়নের ওপর জোর এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) নিশ্চিত করেছিলেন যে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে বিভিন্ন দলের ৫৯ জন সাংসদ ৩২টি দেশ সফর করবেন। তা করাও হয়। এটি ভারতের অন্যতম একটি বিস্তৃত আন্তর্জাতিক প্রচারাভিযান, যা তুলে ধরেছে যে ভারত কীভাবে সন্ত্রাসবাদের শিকার হয়েছে এবং কেন বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে জঙ্গি হামলা গোটা মানবজাতির বিরুদ্ধে একটি অপরাধ। বিরোধী দলের সাংসদদের অংশগ্রহণ আমাদের গণতন্ত্রের পরিপক্বতা এবং প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রনায়কসুলভ মনোভাবকে তুলে ধরে, যিনি বিশ্বাস করেন যে জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে আমরা সকলে একজোট।”

    বিরোধীদের কটাক্ষ

    এদিনের ভাষণে অপারেশন সিঁদুর সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিরোধীরা অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনা চেয়ে আদতে সরকার পক্ষেরই সুবিধা করে দিয়েছেন। এমন বিরোধী কোথায় পাবেন, যেখানে বিরোধীরা নিজেরাই নিজেদের পায়ে কুড়ুল মারে? বিরোধীরা এরকম আলোচনার দাবি প্রতিনিয়ত করতে পারেন।” রাহুল গান্ধী সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সর্বোচ্চ আদালতের অবজারভেশনেই সবটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। গতকাল দেশের শীর্ষ আদালত যেভাবে তিরস্কার করেছে, তারপর আর আমার আর কিছু বলার নেই। আমরা আর কী বলব যখন সুপ্রিম কোর্টই এত বড় কথা বলে দিয়েছে। এটা কেবল নিজের পায়েই কুড়ুল মারা (NDA Parliamentary Meeting) নয়, যাঁড়কে আমন্ত্রণ জানানোর মতো বিপজ্জনকও বটে। আমার সঙ্গে ভগবান রয়েছেন (PM Modi)।”

  • Uttarkashi Cloudburst: আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস! হড়পা বানের পর ভূমিধস, উত্তরকাশীতে বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা

    Uttarkashi Cloudburst: আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস! হড়পা বানের পর ভূমিধস, উত্তরকাশীতে বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরকাশী (Uttarkashi Cloudburst)। আর এই হড়পা বানেই ভেসে গেল উত্তরাখণ্ডের হরশিলের (Uttarakhand’s Dharali) একটি সেনা ছাউনি। ৯ জন জওয়ান নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। এদিকে, হড়পা বানে এখনও পর্যন্ত ৫ জন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে অন্তত ১৩০ জনকে। মেঘভাঙা বৃষ্টির কারণে মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ধারালী গ্রামে আচমকা নেমে আসে হড়পা বান। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে গ্রামের অনেক অংশ। শুধু উত্তরকাশী নয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়তে পারে উত্তরাখণ্ডের আরও কয়েকটি জেলা। এমনই আশঙ্কা করছে প্রশাসন।

    সাহায্যের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    হরপা বানে বিপর্যস্ত উত্তরকাশীতে পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি বৈঠকে বসেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি। আপাতত কেদারনাথ যাত্রা বন্ধ রাখা হচ্ছে। হড়পা বানে এই ক্ষয়ক্ষতিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন ধামি। তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উদ্ধার কাজে সবরকম সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যানাথও। রাজ্য এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজ করছে। সঙ্গে রয়েছে ভারতীয় সেনাও এবং ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। দুর্গতদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনার জন্য চারটি হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে হেলিকপ্টারগুলিকে কাজে লাগানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সেনার এক উচ্চপদস্থ কর্তা।

    ভেসে গেল সেনা ছাউনিও

    মঙ্গলবার দুপুরে উত্তরকাশীতে (Uttarkashi Cloudburst) শুরু হয় মেঘভাঙা বৃষ্টি। তার জেরে আচমকা নেমে আসা হড়পা বানে ভেসে যায় একের পর এক বাড়ি, হোটেল। ধারালী গ্রাম জলের তলায়। গঙ্গোত্রী যাওয়ার পথে পুণ্যার্থীরা এই ধারালীতে আশ্রয় নেন। সেজন্য এখানে অনেক হোটেল, রেস্তরাঁ এবং হোম স্টে রয়েছে। জলের তোড়ে ভেসে যায় হর্ষিলের এক সেনা ছাউনিও। নিখোঁজ ন’জন জওয়ান। তবে সেই ধাক্কা সামলে হড়পা বানের বিধ্বস্ত এলাকা থেকে বাসিন্দাদের উদ্ধারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা। সেনার তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ঘটনার ১০ মিনিটের মধ্যে ১৫০ জওয়ান ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। বিপর্যস্ত নাগরিকদের সবরকম সাহায্য করতে দায়বদ্ধ ভারতীয় সেনা।”

    জায়গায় জায়গায় ধস, চলবে বৃষ্টি

    জায়গায় জায়গায় ধস (Uttarakhand’s Dharali) নামার কারণে উদ্ধারকাজ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। সাতটি রাজ্য সড়ক, পাঁচটি জাতীয় সড়ক, দু’টি সীমান্ত সড়ক-সহ রাজ্যে মোট ১৬৩টি রাস্তা ধসের জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। উত্তরকাশীতে ধসের নীচে কেউ চাপা পড়ে আছেন কি না, খুঁজে বার করার জন্য বিশেষ প্রশিক্ষিত কুকুর নিয়ে আসা হয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তিনটি দল উদ্ধারকাজে নেমেছে। অতিরিক্ত আরও দু’টি দলকে দেরাদুন বিমানবন্দর থেকে আকাশপথে নিয়ে আসা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। বুধবারও বৃষ্টি থামার সম্ভাবনা কম বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা।

    জেলা প্রশাসনের তরফে হেল্পলাইন নম্বর চালু

    রাজ্যের এই আবহে প্রশাসনের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হয়েছে। ন’জেলার সব স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। উত্তরাখণ্ডের প্রিন্সিপাল সচিব আরকে সুধাংশু জানিয়েছেন, ৪০ থেকে ৫০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তরফে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। নম্বরগুলি হল ০১৩৭৪-২২২১২৬, ২২২৭২২ এবং ৯৪৫৬৫৫৬৪৩১। উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিনিয়র আইপিএস অফিসাররা—আইজি এসডিআরএফ অরুণ মোহন জোশী, আইজি গড়ওয়াল রেঞ্জ রাজীব স্বরূপ, প্রদীপ কুমার রাই, অমিত শ্রীবাস্তব, সুরজিৎ সিং পানওয়ার ও শ্বেতা চৌবে।

    যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উত্তরকাশী-হর্ষিল (Uttarkashi Cloudburst) সড়কে ধস নেমেছে। ফলে ওই সড়কে বেশ কয়েকটি অংশ বন্ধ। প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর। ধসের কারণে উত্তরকাশীর সঙ্গে ধারালী এবং গঙ্গোত্রীর যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। ফলে উদ্ধারকাজ থমকে রয়েছে বহু জায়গায়। মৌসম ভবন জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টা হরিদ্বার, নৈনিতাল এবং উধম সিং নগর জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের অন্য জেলাগুলিতেও কম-বেশি বৃষ্টি চলবে। কোথাও লাল সতর্কতা জারি, আবার কমলা সতর্কতা। ৯ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে দুর্যোগ।

    পরিষেবা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা

    প্রকৃতির এমন দুর্যোগপূর্ণ রূপে ব্যাপক সমস্যায় তীর্থযাত্রীরা। চারধাম যাত্রা শুরু হয়ে গেলেও গন্তব্যে পৌঁছতে ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন তীর্থ যাত্রীরা। কেদারনাথ, গঙ্গোত্রী যাত্রা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। এক মাস আগেই উত্তরকাশীতে হরপা বান নামে। উত্তরাখণ্ডে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধারকাজের পাশাপাশি প্রাথমিক পরিষেবাগুলির পুনরুদ্ধারে জোর দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ দফতর ও উত্তরাখণ্ড জল বিদ্যুৎ নিগম যৌথভাবে কাজ করে চলেছে। সরকার ইতিমধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনার সহায়তা চাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চণ্ডীগড় এয়ার বেসে চিনুক, এমআই১৭ভি৫, এএলএইচ এবং চিতা হেলিকপ্টার standby তে রাখা হয়েছে, যাতে আবহাওয়ার উন্নতি ঘটলেই সেগুলি দ্রুত উদ্ধার সামগ্রী ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে পাঠানো যায়।

LinkedIn
Share