Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Winter Skin Problems: শীত পড়তেই বাড়ছে ত্বকের সমস্যা! কী এড়িয়ে চললে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়?

    Winter Skin Problems: শীত পড়তেই বাড়ছে ত্বকের সমস্যা! কী এড়িয়ে চললে বাড়তি উপকার পাওয়া যায়?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ নামছে। শীতের আমেজ দরজায় কড়া নাড়ছে। আর তার জেরেই অনেকে ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন। বড়দের পাশপাশি শিশুরাও শীতকালে ত্বকের নানান সমস্যায় ভোগে। ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যাওয়া, লাল দাগ হয়ে যাওয়া কিংবা চুলকানির মতো নানান উপসর্গ দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি সাধারণ ঘরোয়া উপাদানে ভরসা রাখলেই শীতে ত্বকের সমস্যা কমবে।

    কীভাবে ত্বক ভালো রাখা সম্ভব?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের সময়ে ত্বক ভালো রাখার জন্য কিছু ঘরোয়া উপাদান যথেষ্ট। তাছাড়া খাবারের দিকেও বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন। ত্বক ভালো রাখার প্রথম শর্তই হলো শরীর সুস্থ রাখা। তাই ত্বকের উপরের যত্নের পাশপাশি ভিতরের যত্ন নেওয়া সমান ভাবে জরুরি।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত ত্বকে বারবার সাবান, জল দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত নয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, শীতে ত্বকে স্বাভাবিক ময়েশ্চার তৈরি হয়। বারবার সাবান ব্যবহার করলে সেই প্রাকৃতিক ময়েশ্চার নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। দিনে নিয়মিত দুবার সাবান জলে মুখ পরিষ্কার করলেই যথেষ্ট স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হয়।

    শীতে অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খান না। আর তার জেরে একাধিক সমস্যা তৈরি হয়। ত্বকের সমস্যা তার মধ্যে অন্যতম। এমনটাই জানাচ্ছেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গরমে বারবার জল তেষ্টা পায়। তাই অনেক সময়েই প্রয়োজনীয় জলের চাহিদা পূরণ হয়। শীতে তাপমাত্রা কম থাকায় জল খাওয়া অনেকেই কমিয়ে দেন। তাই কম জল খাওয়ার জেরে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়‌। নিয়মিত পর্যাপ্ত জল খাওয়া প্রয়োজন। শিশুদের নিয়মিত ৩-৪ লিটার এবং প্রাপ্তবয়স্কের নিয়মিত ৪-৫ লিটার জল নিয়মিত খাওয়া জরুরি। এতে শরীরের একাধিক রোগ মোকাবিলা সহজ হবে‌। ত্বক ভালো থাকবে।

    শীতে বাদাম জাতীয় জিনিস খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাদাম ত্বকের জন্য বিশেষ উপকারি। নিয়মিত বাদাম খেলে শরীর প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ সহজেই পায়‌। এর ফলে ত্বকের সমস্যা কমে। ত্বকে স্বাভাবিক ময়েশ্চার বজায় থাকে।

    শীতে বাজারে সহজেই পাওয়া যায় গাজর, মিষ্টি আলুর মতো সবজি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বক ভালো রাখতে এই দুই সবজি বিশেষ উপকারি। তাঁরা জানাচ্ছেন, গাজর, মিষ্টি আলুর মতো সবজিতে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ সহ একাধিক উপাদান থাকে। এই উপাদান সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। আবার ত্বক মসৃণ রাখতেও সাহায্য করে।

    অ্যাভোকাডোর মতো ওমেগা-থ্রি সমৃদ্ধ ফল সপ্তাহে অন্তত দুদিন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, ত্বককে ভালো রাখতে বিশেষ ভাবে সাহায্য করে অ্যাভোকাডো। এই ফল সপ্তাহে অন্তত দুবার খেলে শীতে ত্বকের একাধিক সমস্যা মোকাবিলা সহজ হয়।

    শীতের ব্রকলি, কমলালেবুর মতো ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও সবজি নিয়মিত খেলে ত্বক ভালো থাকে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পালং শাক, ব্রকলি, কমলালেবুর মতো শীতের সব্জি আর ফল একাধিক ভিটামিন সমৃদ্ধ। তাই এগুলো একদিকে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়। আবার ত্বকের প্রাকৃতিক ময়েশ্চার বজায় রাখতেও সাহায্য করে। তাই এই ধরনের ফল ও সবজি এই সময়ে বাড়তি উপকারি।

    সপ্তাহে অন্তত একবার মুখে মধু ও দইয়ে প্রলেপ লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, যারা নিয়মিত দিনের অনেকটা সময় বাইরে থাকেন, তাদের ত্বকের সমস্যা আরও বেশি হয়। ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়ার সমস্যাও বাড়ে। সপ্তাহে অন্তত একদিন মধু ও দইয়ের মিশ্রণ লাগালে ত্বকের কোষ ভালো থাকে। ত্বকে ময়েশ্চারাইজারের অভাব হয় না।

    কী এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ত্বক ভালো রাখতে অতিরিক্ত রাত জাগার অভ্যাস ছাড়া জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো না হলে, হরমোনের ভারসাম্য বজায় না থাকলে ত্বক ভালো থাকে না। ত্বক ভালো রাখলে পর্যাপ্ত ঘুম জরুরি। তাই অতিরিক্ত রাত জেগে থাকা নয়। অন্তত আট ঘণ্টার ঘুম নিশ্চিত করতে পারলে ত্বক ভালো রাখা সহজ হয়।

    অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় এবং তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। এমনটাই পরামর্শ চিকিৎসকদের একাংশের। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত চর্বি ও তেলজাতীয় খাবার হজম করা কঠিন হয়। অন্ত্রে অসুবিধা হলে তা ত্বকে জানান দেয়। একাধিক ত্বকের সমস্যা তৈরি হয়। তাই এগুলো এড়িয়ে চললে শীতে ত্বকের সমস্যা কমবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Mumbai: ২৬/১১ হামলার ১৭ বছর পূর্ণ, সেদিন মুম্বইয়ে ঠিক কী ঘটেছিল? ফিরে দেখা

    Mumbai: ২৬/১১ হামলার ১৭ বছর পূর্ণ, সেদিন মুম্বইয়ে ঠিক কী ঘটেছিল? ফিরে দেখা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ বছর পূর্ণ হল পাক-মদতপুষ্ট লস্কর-ই-তৈবা (LeT)-এর জঙ্গিদের দ্বারা ভারতের আর্থিক রাজধানী মুম্বইয়ে (Mumbai) তাণ্ডব চালানোর। এই ঘটনা ঘটেছিল ২৬ নভেম্বর, ২০০৮ সালে। ঘটনাটি ২৬/১১ নামে পরিচিত। ওই জঙ্গি হামলায় ১০ জন জঙ্গির (Terror Attacks) একটি দল সারা দেশ এবং বিশ্বে তীব্র ধাক্কা দিয়েছিল। জঙ্গিরা ২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর রাতে সমুদ্রপথে মুম্বই শহরে ঢুকেছিল। চার দিনের মধ্যে তারা শহরের ব্যস্ততম এলাকায় ১৬৬ জনকে হত্যা করেছিল, জখম করেছিল ৩০০ জনকে।

    হামলার টার্গেটস্থল (Mumbai)

    হামলার টার্গেটস্থলগুলি খুব সুচিন্তিতভাবে বেছে নেওয়া হয়েছিল, যাতে সর্বাধিক ক্ষয়ক্ষতি করা যায়। এর মধ্যে ছিল,  তাজ ও ওবেরয় হোটেল, ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস, নরিম্যান হাউজে অবস্থিত ইহুদি কেন্দ্র, কামা হাসপাতাল, মেট্রো সিনেমা এবং লিওপোল্ড ক্যাফে।  কারণ এই জায়গাগুলোয় বিদেশিরা এবং মুম্বইয়ের কর্মজীবী মানুষের প্রচুর জনসমাগম হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনার রেখে যাওয়া ক্ষত আজও সেই সব মানুষকে তাড়া করে ফিরছে, যাঁরা সেই ভয়াবহ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেছিলেন এবং যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন। লিওপোল্ড ক্যাফে এবং নরিম্যান হাউজের গুলির দাগ, শহিদ সহকারী উপ-পরিদর্শক তুকারাম ওম্বলের স্মৃতির মূর্তি, যিনি একমাত্র জীবিত ধরা পড়া পাক জঙ্গি মহম্মদ আজমল আমির কাসভকে ধরতে গিয়ে প্রাণ বলি দিয়েছিলেন। দক্ষিণ মুম্বইয়ের এই রাস্তাগুলি আজও সেই নৃশংস জঙ্গি হামলার স্মৃতি জাগিয়ে রেখেছে (Terror Attacks)।

    লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি নিহত

    ন’জন লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি নিহত হয়েছিল, গ্রেফতার করা হয়েছিল কাসভকে। ২০১০ সালের মে মাসে কাসভকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দু’বছর পরে পুনের একটি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা যুক্ত কারাগারে ফাঁসি দেওয়া (Mumbai) হয় কাসভকে। ২৬/১১ হামলা বিশেষ করে এই বছরের ১০ নভেম্বর দিল্লি বিস্ফোরণের পরিপ্রেক্ষিতে, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বিষয়ে শেখা শিক্ষার একটি স্মারক। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, এনএসজি মুম্বই আজ, বুধবার গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়ায় ‘নেভারএভার’ থিমে একটি স্মরণসভা ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজন করবে, ২৬/১১ হামলার শহিদ, জীবিত এবং সকল ভুক্তভোগীদের শ্রদ্ধা জানাতে। এই অনুষ্ঠানটি আমাদের সম্মিলিত সংকল্পকে পুনর্ব্যক্ত করে যে এমন কোনও ঘটনা আর কখনও ঘটতে দেওয়া যাবে না।

    বিশেষ স্মারক অঞ্চল

    জানা গিয়েছে, একটি বিশেষ স্মারক অঞ্চল তৈরি করা হবে যেখানে বীরদের এবং সকল শহিদদের ছবি ও নাম প্রদর্শিত হবে, ফুলেল শ্রদ্ধা এবং মোমবাতি জ্বালিয়ে সম্মান জানানো হবে এবং ‘লিভিং মেমরিয়াল’ নামে একটি নতুন ধারণা উপস্থাপন করা হবে, যা শ্রদ্ধা নিবেদনের মোমবাতির মোম দিয়ে তৈরি হবে এবং ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করা হবে। এছাড়াও, মুম্বইয়ের ১১টি কলেজ এবং ২৬টি স্কুলে ‘নেভারএভার’ থিমের আওতায় শিক্ষার্থীদের শপথ গ্রহণ করানো হবে, যা শান্তি, সতর্কতা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি তরুণ প্রজন্মের অঙ্গীকারকে শক্তিশালী করবে (Mumbai)।

    গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া

    এদিন রাত নামার সঙ্গে সঙ্গে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া সাজানো হবে তিরঙ্গা রঙের আলোয়। সেখানেও আলোকিত (Terror Attacks) হয়ে থাকবে ‘নেভারএভার’ শব্দটি। এদিকে, এনআইএ (NIA) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কাছে ২৬/১১ মুম্বই হামলার মূল ষড়যন্ত্রী তাহাউর রানা-সংক্রান্ত মামলার বিষয়ে নতুন করে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে। সূত্রের খবর, এটি করা হয়েছে মিউচুয়াল লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স ট্রিটি (MLAT) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অক্টোবর মাসে। রানাকে ভারতে প্রত্যর্পণের পর তার জিজ্ঞাসাবাদের কয়েক মাস পর এই অতিরিক্ত প্রশ্নগুলি তোলা হয়েছে, যা ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র তদন্তে আরও অগ্রগতি আনতে সাহায্য করতে পারে।

    জঙ্গিদের নিকেশ অভিযান

    সেদিন জঙ্গিদের নিকেশ করতে ৬০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চালানো হয়েছিল অপারেশন (Mumbai)। অপারেশনে যোগ দিয়েছিল এনএসজি কমান্ডো, মেরিন কমান্ডো এবং পুলিশ। সেই দৃশ্যের লাইভ টেলিকাস্ট দেখেছিল তামাম বিশ্ব। বুধবার মুম্বই হামলার ১৭ বছর পূর্তিতে ট্যুইট করেছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি তথা সাংসদ রাহুল গান্ধী। তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “২৬/১১-এর ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় শহিদ সকল সাহসী সেনা এবং সাধারণ মানুষের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। দেশ তাঁদের সাহস এবং ত্যাগের কথা কোনও দিনও ভুলবে না।” এত বছর পেরিয়ে গেলেও (Terror Attacks) আজও অধরা মুম্বই হামলার মাস্টারমাইন্ডরা। একইভাবে আজও খোলা হাওয়ায় ছড়িয়ে রয়েছে সন্ত্রাসবাদের সেই আতঙ্ক। প্রতিটি ২৬/১১ যেন সেই আতঙ্ককে আরও একবার মনে করিয়ে দিয়ে যায় (Mumbai)।

  • India vs South Africa: রোহিত-কোহলি-অশ্বিনের অভাব বুঝছেন গম্ভীর! দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৪০৮ রানে হার ভারতের

    India vs South Africa: রোহিত-কোহলি-অশ্বিনের অভাব বুঝছেন গম্ভীর! দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৪০৮ রানে হার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোহিত, কোহলি এবং অশ্বিন দীর্ঘ দিন ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। দেশের মাটিতে একের পর এক সাফল্য দিয়েছেন দলকে। এই তিন জনের অভাব যে পূরণ করা যায়নি তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa) কাছে হারের পর। এ দিন সাংবাদিক বৈঠকে গম্ভীর বলেন, “এই হারের দায় সকলের। তবে শুরুটা আমাকে দিয়েই হবে। আসলে এটাই হল রূপান্তরের (ট্রানজিশন) শুরু। আপনাকে সময় দিতেই হবে।” উদাহরণ হিসাবে গম্ভীর তুলে ধরেছেন ওয়াশিংটন সুন্দরের কথা। তিনি বলেছেন, “আমরা ওয়াশিংটনকে যতটা বেশি সম্ভব সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছি। আপনি যদি ভাবেন ১০০-র বেশি টেস্ট খেলা অশ্বিনের মতো খেলে দেবে ওয়াশিংটন, তা হলে তরুণ ছেলেটার উপরে অবিচার করা হবে। এটা নিয়ে আপনাদেরও ভাবা উচিত। সবে ১০-১২-১৫টা টেস্ট খেলেছে ওরা। এখনও শেখার অনেক জায়গা রয়েছে। বিভিন্ন পরিস্থিতি, বিভিন্ন পরিবেশে বল করা শিখছে।”

    ক্রিকেটারদের সময় দেওয়া দরকার

    এর পরেই গম্ভীর বলেছেন, “এত বেশি অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে একসঙ্গে হারালে সেটার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কঠিন। এই জন্যই এটাকে রূপান্তর বলছি। এই ক্রিকেটারদের সময় দেওয়া দরকার। আমার মনে হয় না আগে কখনও একই সঙ্গে ব্যাটিং এবং বোলিং দুই বিভাগেই রূপান্তর হয়েছে বলে। আগে ব্যাটিং বিভাগ ভালো থাকত। বোলিং বিভাগে রূপান্তর হত। অথবা উল্টোটা। এই দলে পুরোটাই নতুন করে তৈরি হচ্ছে। সকলের এটা বোঝা উচিত, এই দলে যারা বসে আছে তাদের সেই যোগ্যতা এবং দক্ষতা রয়েছে। আমরা সকলেই টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা দেখতে চাই। সেটার জন্য অভিজ্ঞতা দরকার। এর পর যখন ওরা কঠিন পরিবেশে গিয়ে খেলবে, ঠিক কাজের কাজ করে দেবে।”

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকা

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকাতেও লজ্জার মুখে পড়ল ভারত। পাঁচ নম্বরে নেমে গেল ভারত। ভারতকে হোয়াইটওয়াশ করে দক্ষিণ আফ্রিকা দুই নম্বরে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল। তারা চারটি টেস্ট খেলে তিনটিতেই জিতেছে। একটিতে হেরেছে। তাদের শতকরা পয়েন্ট এখন ৭৫.০০। শীর্ষে অস্ট্রেলিয়া। তারা চারটি টেস্ট খেলে চারটিতেই জিতেছে। তাদের শতকরা পয়েন্ট ১০০। বুধবার গুয়াহাটিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে দ্বিতীয় টেস্টে ৪০৮ রানে হেরে গেল ভারত। গুয়াহাটি টেস্টে ভারতের সামনে লক্ষ্য ছিল ৫৪৯ রানের। ভারত হেরেছে ৪০৮ রানে। টেস্ট ক্রিকেটে রানের নিরিখে এটাই ভারতের সর্বোচ্চ ব্যবধানে হার। আগের রেকর্ডটি ছিল ২০০৪ সালের। সে বার নাগপুরে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩৪২ রানে হেরেছিল তারা। জেসন গিলেসপি এবং গ্লেন ম্যাকগ্রার বোলিংয়ের সামনে দুই ইনিংসেই গুটিয়ে গিয়েছিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে সাড়ে ৩ দিনেই শেষ গম্ভীরের ভারত। ৪০৮ রানে গুয়াহাটি টেস্টে হারতে হল ভারতকে। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪০ রানে গুটিয়ে গেল ভারত।

  • X Twitter Location Feature: কংগ্রেসের বহু অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হচ্ছে পাকিস্তান সহ বিদেশ থেকে! দেখাচ্ছে এক্স-এর লোকেশন ফিচার

    X Twitter Location Feature: কংগ্রেসের বহু অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হচ্ছে পাকিস্তান সহ বিদেশ থেকে! দেখাচ্ছে এক্স-এর লোকেশন ফিচার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলন মাস্কের এক্স প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্টের (X Twitter Location Feature) অবস্থান প্রকাশ করার নতুন ফিচার চালু হওয়ায় ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে ভারতজুড়ে। এর ফলে দেখা গিয়েছে যে অনেক রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় অ্যাকাউন্ট, বিশেষত মোদি-বিরোধী ও কেন্দ্রীয় সরকার বিরোধী অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হচ্ছে দেশের বাইরে থেকে (Political Controversy)। বিষয়টিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বিজেপি দাবি করেছে যে, বিপুল সংখ্যক কংগ্রেসপন্থী এবং হিন্দু-বিরোধী এক্স অ্যাকাউন্ট পরিচালিত হচ্ছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে। উদাহরণস্বরূপ, কংগ্রেস মুখপাত্র পবন খেরার অ্যাকাউন্টে উল্লেখ রয়েছে সেটি আমেরিকা-ভিত্তিক। মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে এটি আয়ারল্যান্ড-ভিত্তিক। সরকারবিরোধী বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্টকেও ভারতের বাইরের বলে দেখানো হচ্ছে, যার বেশিরভাগেরই লোকেশন হিসেবে দেখানো হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অংশ।

    কংগ্রেসকে বিঁধছে বিজেপি (X Twitter Location Feature)

    এই বিষয়টিই কংগ্রেসকে বেঁধার জন্য হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে বিজেপির। আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যর দাবি (X Twitter Location Feature), এই ধরনের কাজ-কারবার একটি বিশ্বব্যাপী যৌথ অপারেশন, যার উদ্দেশ্যই হল ভারতের সামাজিক আলোচনাকে প্রভাবিত করা এবং ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া। এক্সে তিনি লিখেছেন, “অনেক প্রো-কংগ্রেস, অ্যান্টি-হিন্দু এবং বিভাজনমূলক জাতিভিত্তিক হ্যান্ডেল আসলে ভারত থেকে পরিচালিতই হচ্ছে না। অনেকগুলি পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অংশ থেকে চালানো হচ্ছে। পরিচয় গোপন রাখার জন্য প্রায় সবাই বহুবার তাদের ইউজারনেম বদলেছে।” তিনি বলেন, “এটি কী দেখায়? ভারতের সামাজিক পরিসরকে প্রভাবিত করা, ভ্রান্ত তথ্য ছড়ানো এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে আরও গভীর করার জন্য একটি সর্বাত্মক বৈশ্বিক পরিকল্পনা। ভারতের বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র এখন উন্মোচিত হয়েছে (Political Controversy)।”

    “অ্যাবাউট দিস অ্যাকাউন্ট”

    নয়া এই ফিচারটি স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য এক্সের প্রচেষ্টার অংশ। কারণ দীর্ঘদিন ধরে এই প্ল্যাটফর্মটিকে ভুয়ো তথ্য ও বিভ্রান্তির উৎস হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এখন, “অ্যাবাউট দিস অ্যাকাউন্ট” বিভাগে একটি সাধারণ ক্লিকের মাধ্যমেই যে কেউ দেখতে পারবেন, কোন দেশে অ্যাকাউন্টটি অবস্থিত, কতবার ব্যবহারকারীর নাম পরিবর্তন করা হয়েছে, এবং কোন জায়গা থেকে এক্স অ্যাপটি ডাউনলোড করা হয়েছে। বিজেপি নেতারা জানান, বেশ কিছু উদাহরণ সরকারের এই দাবিকে সমর্থন করে যে বহু এক্স হ্যান্ডেল, যেগুলি আগে সিএএর বিরুদ্ধে আন্দোলন বা এখন প্রত্যাহার করা কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে উসকে দিয়েছিল, সেগুলি বিদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছিল (X Twitter Location Feature)।

    বিজেপি নেত্রীর বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষক তথা বিজেপি নেত্রী প্রীতি গান্ধী বলেন, “একই ধরনের ঘটনা দেখা গিয়েছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) বিরোধী আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন এবং ২০২০ সালে দিল্লি দাঙ্গার সময়, যেখানে সাম্প্রদায়িক বিষ ছড়ানো, আন্দোলনে উস্কানি দেওয়া এবং বিকৃত ভিডিও ছড়ানোর ঘটনা ঘটেছিল।” ট্যুইট-বার্তায় তিনি বলেন, “এখন পরিস্থিতির পচন এত গভীরে গিয়েছে যে কংগ্রেসের অফিসিয়াল হ্যান্ডেলগুলিও বিদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছে। যখন দল-অনুমোদিত অ্যাকাউন্টগুলিতেই বিদেশি লগইনের চিহ্ন দেখা যায়, তখন এটি আরও বড় প্রশ্ন তোলে। কংগ্রেসের ডিজিটাল বার্তাগুলি ঠিক কে তৈরি করছে (Political Controversy)?”

    ‘দিয়া শর্মা’-‘যশিতা নাগপাল’ – এরা কারা

    সম্প্রতি আরও একটি বিস্ময়কর ঘটনা সামনে এসেছে। এগুলি হল জনৈক ‘দিয়া শর্মা’ এবং ‘যশিতা নাগপাল’ নামের দুটি অ্যাকাউন্ট। এগুলি পাকিস্তান-ভিত্তিক বলে খবর। এই দুটি অ্যাকাউন্টেই বিজেপি এবং সরকারের সমালোচনামূলক পোস্ট ছিল। মঙ্গলবার দেখা যায় ‘দিয়া শর্মা’র অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড করা হয়েছে। ‘যশিতা নাগপাল’, যে নিজেকে রাজনৈতিক সাংবাদিক বলে দাবি করে, একটি পোস্টে জানায়, তাকে শুধু কংগ্রেসই নয়, অন্যান্য দলও নিয়োগ করেছিল (X Twitter Location Feature)। পোস্টে বলা হয়, “আমাকে শুধু কংগ্রেস নয়, ভারতের অন্য রাজনৈতিক দলও কয়েক মাস আগে তাদের প্রচারের কাজে লাগিয়েছিল। ভাগ্যিস, আমি যেসব অ্যাকাউন্ট বর্তমানে ব্যবহার করছি তাদের লোকেশন ঠিক সময়ে পাল্টে দিয়েছিলাম।”

    বিজেপির বক্তব্য

    অন্য একটি পোস্টে মালব্য বলেন, “এটি নতুন যুগের কংগ্রেস সমর্থকদের কাজ, যারা এখন জানা যাচ্ছে যে তারা মূলত পাকিস্তান বা বাংলাদেশি উৎসের।” তিনি বলেন, “এই হ্যান্ডেলগুলি হয় আইএসআই-যুক্ত সংগঠন, যারা ভারত-বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে, অথবা সীমান্তের ওপার থেকে আসা ব্যক্তিরা, যারা কংগ্রেস সমর্থনের ছদ্মবেশে নিয়মিতভাবে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ ছড়ায়।” তিনি বলেন, “এই সমর্থন আসলে ভারতীয় নয়—এটি বট নেটওয়ার্ক, এজেন্সি এবং সীমান্ত-পারের কার্যক্রমের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। এটি প্রকৃত ভোটারদের প্রতিফলিত করে না (Political Controversy)।” কেবল ভারত নয়, আমেরিকায়ও ঝড় তুলেছে এই ইস্যু। এই জাতীয় আরও বহু অ্যাকাউন্ট আফ্রিকা, নাইজেরিয়া, ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছে বলেও খবর (X Twitter Location Feature)।

  • Uri Hydro Power Plant: অপারেশন সিঁদুরে উরি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে পাক হামলা রুখেছিলেন ১৯ বীর জওয়ান, জানেন কীভাবে?

    Uri Hydro Power Plant: অপারেশন সিঁদুরে উরি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে পাক হামলা রুখেছিলেন ১৯ বীর জওয়ান, জানেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত–পাকিস্তান সংঘাতের ছ’মাস পেরিয়ে গেলেও যুদ্ধক্ষেত্রের অন্তরালে লুকিয়ে থাকা দৃঢ়তার কাহিনি সামনে আসছে একে একে। ‘অপারেশন সিঁদুরের’ সময় কাশ্মীরের উরিতে (Uri Hydro Power Plant) একটি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে হামলা করার ছক কষেছিল পাকিস্তান। কিন্তু ইসলামাবাদের সেই ছক বানচাল করে দেন সিআইএসএফ-এর ১৯ জন জওয়ান (CISF)। সাহসিকতার জন্য মঙ্গলবার ওই ১৯ জনকে পুরস্কৃত করলেন সিআইএসএফ কর্তৃপক্ষ। তাঁদের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে ওই ১৯ জনের সাহসিকতার বিবরণও তুলে ধরা হয়েছে।

    কী ঘটেছিল সেদিন

    পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের জঙ্গিঘাঁটিকে ধ্বংস করতে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor) শুরু করেছিল ভারত। কয়েক ঘণ্টা পর পাল্টা জবাব দিতে নিয়ন্ত্রণরেখা (এলওসি) বরাবর গোলাবর্ষণ করা শুরু করে পাকিস্তান। ৬ মে থেকে ৭ মে-র মধ্যে একাধিক বার উরির জলবিদ্যুৎ (Uri Hydro Power Plant) উৎপাদন কেন্দ্রে হামলা চালানোর চেষ্টা করে পাক সেনা। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে পাহারার দায়িত্বে থাকা ওই ১৯ জন জওয়ান সেই হামলা রুখে দেন। শুধু তা-ই নয়, আশপাশের এলাকা থেকে স্থানীয়দের সরিয়ে নিয়ে যান তাঁরা। নিরাপদে বার করে আনা হয় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মরত আধিকারিক এবং কর্মীদেরও। বারামুলায় বিতস্তা নদীর উপর রয়েছে উরির এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি। সংঘাতের সময় এই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পকে লক্ষ্য করেই বার বার ড্রোন ছুড়ছিল পাকিস্তানের সেনা। সেই সময় কমান্ড্যান্ট রবি যাদবের নেতৃত্বে ১৮ জন জওয়ান জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পাহারা দিচ্ছিলেন। তাঁরা কেবল ড্রোন হামলার চেষ্টাই রুখে দেননি, আশপাশের প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে বাসিন্দাদের বার করে আনেন। মোট ২৫০ জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন (এনএইচপিসি)-র কর্মী এবং আধিকারিকেরাও।

    পাকিস্তানের হামলা

    গত ৭ মে মধ্যরাতের পরপরই পহেলগাঁও হামলার পাল্টা জবাব দেয় ভারত। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এ ধ্বংস হয় পাকিস্তানের ভেতরে থাকা নয়টি জঙ্গি ঘাঁটি। এর কিছু ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান শুরু করে তীব্র গোলাবর্ষণ ও ড্রোন হামলা—লক্ষ্য ছিল জম্মু–কাশ্মীরের বারামুলা জেলার উরি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প (UHEP-I ও II)। সীমান্তরেখার একেবারে গা ঘেঁষে থাকা এই প্রকল্প শুধু কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়, আশপাশের গ্রামীণ বসতিগুলিও সরাসরি বিপদের মুখে ছিল। ৭ মে গভীর রাতে প্রকল্প এলাকায় অ্যালার্ট জারি করা হয়। সিআইএসএফ-এর কমান্ড্যান্ট রবি যাদবের নেতৃত্বে থাকা ১৯ জনের দল দ্রুত আঁচ করে নেয় পাকিস্তানের উদ্দেশ্য। গোলাবর্ষণের মধ্যেই একের পর এক শত্রুপক্ষের ড্রোন প্রকল্পের দিকে এগোতে শুরু করে। গোলার আঘাতে যখন আশপাশের আবাসন কেঁপে উঠছে, সিআইএসএফ জওয়ানরা তখন শুরু করেন মানবিক উদ্ধার অভিযান—রাতের মধ্যে দরজায় দরজায় গিয়ে জাগিয়ে তুলে নিরাপদ বাঙ্কারে নিয়ে যান ২৫০ জন সাধারণ মানুষ ও এনএইচপিসি কর্মীদের। প্রাণহানি শূন্য। গুরজিৎ বলেন, “সবচেয়ে কঠিন ছিল ঘুমিয়ে থাকা পরিবারগুলিকে বুঝিয়ে বের করে আনা।”

    ব্যর্থ পাকিস্তান

    অপারেশন সিঁদুর চালিয়ে পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের অসংখ্য জঙ্গিকে খতম করে দিয়েছিল ভারত। অন্তত ১০০ জন জঙ্গি মৃত্যু হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। আর সেই জঙ্গিদের মৃত্যুর ‘কষ্টে’ বারামুলা জেলায় বিতস্তা নদীর উপরে তৈরি উরি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলার ছক কষেছিল পাকিস্তান। কিন্তু সেই ছক ভেস্তে দিয়েছিল ভারত। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অবস্থিত সেই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে পাকিস্তান একটা আঁচড়ও কাটতে পারেনি পাকিস্তান। কোনওরকম ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এমনই জানাল ভারতের আধা-সামরিক সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ)।

    অতীতেও নিশানায় উরি

    বিমানবন্দর, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য-সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলি পাহারার দায়িত্বে থাকেন সিআইএসএফ জওয়ানরা। মঙ্গলবার দিল্লিতে সিআইএসএফ-এর একটি কর্মসূচিতে ওই ১৯ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। অসাধারণ সাহস এবং পেশাদারিত্বের জন্য ১৯ জনকে বিশেষ সম্মান জানানো হয়েছে। এঁরা না থাকলে আরও এক বৃহৎ বিপর্যয় নেমে আসত সীমান্তের ওই এলাকায়। এটাই প্রথম নয়। ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর উরি সেনা শিবিরে জইশ জঙ্গিদের হামলায় প্রাণ হারান ১৯ জন জওয়ান। ছ’ঘণ্টার অপারেশনে চার জঙ্গিকে নিকেশ করে ভারতীয় সেনা। তারপরই আসে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক—পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গভীরে ঢুকে ধ্বংস করা হয় একাধিক জঙ্গি লঞ্চপ্যাড। পাকিস্তানের গোলাবর্ষণ ও ড্রোন হামলার মাঝেও সিআইএসএফ-এর মাত্র ১৯ জন জওয়ান যেভাবে জাতীয় সম্পদ ও শত শত মানুষের প্রাণ বাঁচালেন—এটি নিঃসন্দেহে সাম্প্রতিক সংঘাতের সবচেয়ে উজ্জ্বল বীরগাথাগুলির একটি। দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থায় তাঁদের এই বীরত্ব দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

  • Randhir Jaiswal: “অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ”, চিনা দাবি উড়িয়ে ফের জানিয়ে দিল ভারত

    Randhir Jaiswal: “অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ”, চিনা দাবি উড়িয়ে ফের জানিয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ সব সময়ই ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং চিন একে বারবার অস্বীকার করলেও কখনও এই সত্য বদলাতে পারবে না। মঙ্গলবার চিনের সাংহাই বিমানবন্দরে হয়রানি করা হয় এক ভারতীয় মহিলাকে। তিনি আদতে অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা হলেও, কর্মসূত্রে থাকেন ব্রিটেনে। সেখান (Randhir Jaiswal) থেকে জাপানে যাওয়ার পথে সাংহাই বিমানবন্দরে (Shanghai Airport) তাঁকে প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে বেজিং। যদিও ফের একবার স্পষ্ট করে দিয়েছে তাদের অবস্থান। জানিয়ে দিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশ ভারতের দ্বারা বেআইনিভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজ্য।

    রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্য (Randhir Jaiswal)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা চিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের দেওয়া বিবৃতি দেখেছি, যা একজন ভারতীয় নাগরিককে অযৌক্তিকভাবে আটক করার বিষয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই মহিলা অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা। তাঁর বৈধ পাসপোর্ট ছিল এবং তিনি জাপানে যাওয়ার পথে সাংহাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে ট্রানজিট করছিলেন।” তিনি বলেন, “অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ – এটি একটি স্বয়ংস্পষ্ট সত্য। চিনের পক্ষ থেকে যতই অস্বীকার করা হোক না কেন, এই অখণ্ড বাস্তবতা পরিবর্তিত হবে না।”

    ভিসা-মুক্ত ট্রানজিটের অনুমতি

    তিনি জানান,  ভারত ওই মহিলাকে আটক করার বিষয়ে চিনের কাছে (Randhir Jaiswal) জোরালোভাবে বিষয়টি উত্থাপন করেছে। জয়সওয়ালের মতে, চিন এখনও পর্যন্ত তাদের এই পদক্ষেপের কোনও কারণ জানায়নি। এটি আন্তর্জাতিক বিমান যাত্রা সংক্রান্ত বিভিন্ন নিয়মের বিরোধী। তিনি মনে করিয়ে দেন, চিনের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী সব দেশের যাত্রীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত ভিসা-মুক্ত ট্রানজিটের অনুমতি দেওয়া হয়, এবং এ ক্ষেত্রেও সেই নিয়ম মানা হয়নি।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাংহাই বিমান বন্দরে ট্রানজিট করার সময় পেমা ওয়াংজম থংডক নামের অরুণাচল প্রদেশের এক মহিলাকে আটকে দেওয়া হয়। তাঁর কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট থাকা সত্ত্বেও (Randhir Jaiswal), আটকানো হয় তাঁকে। বিমানবন্দরে যেসব চিনা আধিকারিক ছিলেন, তাঁরা পেমাকে বলেছিলেন, তাঁর কাছে রয়েছে ভারতের পাসপোর্ট, চিনের নয়। কারণ অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ। এর (Shanghai Airport) পরেই কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় ভারত। সাফ জানিয়ে দেয় নয়াদিল্লির অবস্থান।

  • Constitution Day: দেশবাসীকে খোলা চিঠি, সংবিধান দিবসে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    Constitution Day: দেশবাসীকে খোলা চিঠি, সংবিধান দিবসে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার ডাক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংবিধান দিবসে (Constitution Day) দেশের উদ্দেশে চিঠি লিখে নাগরিকদের কর্তব্যবোধকে প্রাধান্য দেওয়ার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেই বার্তায় তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন – দেশকে ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর (Viksit Bharat 2047) লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ কর্তব্যের প্রতি অটল থাকতে হবে। ৭৬তম সংবিধান দিবসে দেশবাসীকে খোলা চিঠি দিয়ে তরুণ প্রজন্মকে প্রধানমন্ত্রী জানান কর্তব্য থেকেই অধিকারের জন্ম হয়। তাই প্রতিটি নাগরিকের উচিত আগে নিজের কর্তব্য পালন করা।

    সংবিধানের শক্তিতেই প্রধানমন্ত্রী

    একইসঙ্গে, ভোটাধিকারের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। দেশবাসীকে কর্তব্য তথা ভোটদানের অধিকার মনে করিয়ে মোদি বলেন, “আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপ সংবিধানকে আরও শক্তিশালী করবে। জাতীয় লক্ষ্য এবং স্বার্থকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যদি দেশের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা থাকে, তাহলে কর্তব্য পালন আমাদের ভাবধারার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের সংবিধান মহৎ এবং অত্যন্ত শক্তিশালী। এই সংবিধানই আমাকে দেশের প্রধান করেছে। আমি দরিদ্র এবং অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া এক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি। কিন্তু সংবিধানের শক্তিতেই বর্তমানে আমি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছি।”

    সংবিধান রচনার নেপথ্যে থাকা নায়কদের শ্রদ্ধা

    প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, সংবিধানের (Constitution) শক্তিই ভারতের অগ্রগতির প্রেরণা। তাই প্রতিটি কাজ সংবিধানকে আরও সুসংহত করবে এবং জাতীয় স্বার্থকে এগিয়ে নিয়ে যাবে – এই মনোভাবেই চলতে হবে। তিনি বলেন, দেশের প্রতি কৃতজ্ঞতার অনুভূতি থেকেই কর্তব্য পালন স্বভাব হয়ে ওঠে। সেই অনুভূতিই ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাবে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি শক্তিশালী ভবিষ্যতের দিকে। চিঠিতে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করেছেন মোদি (Narendra Modi)। সংসদের সিঁড়িতে ২০১৪ সালে প্রণাম করা থেকে ২০১৯ সালে সংবিধান মাথায় তোলার মুহূর্ত – এসবই তাঁর কাছে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রতিশ্রুতির প্রতীক। সংবিধান রচনার নেপথ্যে থাকা নায়কদেরও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ (Dr. Rajendra Prasad), ড. বি আর আম্বেদকর (B R Ambedkar) এবং গণপরিষদের বিশিষ্ট নারী সদস্যদের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন তিনি।

    সংবিধান দিবস-এর গুরুত্ব

    এই বছরের সংবিধান দিবসকে অতিরিক্ত তাৎপর্যময় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সর্দার বল্লভভাই পটেল (Sardar Ballavbhai Patel) ও বীরসা মুন্ডার ১৫০তম জন্মবার্ষিকী, ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর এবং গুরু তেগ বাহাদুরের ৩৫০তম শহিদ দিবস – এই সব ঐতিহাসিক মুহূর্ত একযোগে কর্তব্যের গুরুত্বই নতুন করে স্মরণ করায় বলে মনে করান তিনি। দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে ভোটদানের (Vote) দায়িত্বকে সর্বোচ্চ বলে চিহ্নিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “একজন নাগরিক হিসেবে কখনও ভোট দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করা চলবে না।” স্কুল-কলেজে প্রতি ২৬ নভেম্বর নবীন ভোটারদের সম্মান জানিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান করারও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। চিঠির শেষে তিনি স্পষ্ট করে দেন – শতবর্ষে পদার্পণ করা স্বাধীনতা (২০৪৭) ও সংবিধান (২০৪৯)-এর জন্য আজকের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে আগামী দিনের ভারতের পথচলা। আজকের দায়িত্ববোধই আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করবে।

  • T20 World Cup 2026: ইডেনে ৭টি ম্যাচ! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা

    T20 World Cup 2026: ইডেনে ৭টি ম্যাচ! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি প্রকাশ, ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর রোহিত শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। মঙ্গলবার সন্ধ্যেয় আগামী টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) সূচি ঘোষণা করল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (ICC)। আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভারতের সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে পাকিস্তান। বিশ্বকাপে একাধিক বার মুখোমুখি হতে পারে দু’দেশ। গ্রুপ পর্ব ছাড়াও সেমিফাইনাল বা ফাইনালে সূর্যকুমার যাদবদের সঙ্গে দেখা হতে পারে সলমন আলি আঘাদের। প্রতিযোগিতার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হয়েছেন গত বারের চ্যাম্পিয়ন অধিনায়ক রোহিত শর্মা (Rohit Sharma)। তাঁর নাম ঘোষণা করেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ।

    কোথায় কোথায় খেলা হবে

    আগামী বছর কুড়ি-বিশের বিশ্বকাপে যুগ্ম আয়োজক, ভারত ও শ্রীলঙ্কা। ভারতের ৫টি ভেনুতে হবে ম্যাচ। আর শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ হবে তিনটি জায়গায়। জানা গিয়েছে, ইডেন গার্ডেন্সে হবে এ বারের টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচ। ভারতের যে স্টেডিয়ামে হবে টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ সেগুলি হল – দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম, কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স, চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম, আমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম ও মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। শ্রীলঙ্কার যে স্টেডিয়ামে হবে টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) ম্যাচ সেগুলি হল – ক্যান্ডির পাল্লেকেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম ও কলম্বোর সিনহেলসে স্পোর্টস ক্লাব।

    বিশ্বকাপের গ্রুপ বিন্যাস

    প্রতিযোগিতার ২০টি দেশকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে দু’টি করে দল উঠবে সুপার এইট পর্বে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ক্রমতালিকাকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রুপ বিন্যাস করেছে আইসিসি। সেই অনুযায়ী একই গ্রুপে রয়েছে ভারত এবং পাকিস্তান। ক্রমতালিকায় শীর্ষে রয়েছেন সূর্যকুমারেরা। সাত নম্বরে পাকিস্তান। এই দু’দেশের সঙ্গে গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে ক্রমতালিকায় ১৩ নম্বরে থাকা নেদারল্যান্ডস, ১৫ নম্বরে থাকা নামিবিয়া এবং ১৮ নম্বরে থাকা আমেরিকা। ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক শ্রীলঙ্কার গ্রুপে রয়েছে চারটি টেস্ট খেলিয়ে দেশ। ক্রমতালিকায় আট নম্বরে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। তাদের সঙ্গে গ্রুপ ‘বি’-তে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া (২), জিম্বাবোয়ে (১১), আয়ারল্যান্ড (১২) এবং ওমান (২০)। ক্রমতালিকায় তিন নম্বরে থাকা ইংল্যান্ডও সহজ গ্রুপে। তাদের সঙ্গে গ্রুপ ‘সি’-তে রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় (৬), বাংলাদেশ (৯), নেপাল (১৭) এবং ইটালি। যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে আসা ইটালি ক্রমতালিকায় ২৮ নম্বরে রয়েছে। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের রানার্স দক্ষিণ আফ্রিকা এ বার কিছুটা কঠিন গ্রুপে। ক্রমতালিকায় পঞ্চম স্থানে থাকা প্রোটিয়াদের গ্রুপ ‘ডি’-তে খেলতে হবে নিউ জ়িল্যান্ড (৪), আফগানিস্তান (১০), সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (১৬) এবং কানাডার (১৮) সঙ্গে।

    ভারতের খেলা কবে-কোথায়

    গ্রুপ পর্বে ভারতের প্রথম ম্যাচ মুম্বইয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে। সূর্যকুমারদের দ্বিতীয় ম্যাচ দিল্লিতে ১২ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার বিরুদ্ধে। তৃতীয় ম্যাচ কলম্বোয় ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। চতুর্থ ম্যাচ ১৮ ফেব্রুয়ারি আমেদাবাদে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। আগামী বছর ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে ভারত এবং শ্রীলঙ্কায়। আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম দিন হবে ৩টি ম্যাচ। একদিকে মুখোমুখি পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডস, অপর ম্যাচে মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও বাংলাদেশ। আর সেদিনই আমেরিকার বিরুদ্ধে নামবে ভারত।

    ইডেনে বিশ্বকাপ ম্যাচের সূচি:

    ৭ ফেব্রুয়ারি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম বাংলাদেশ
    ৯ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ বনাম ইটালি
    ১৪ ফেব্রুয়ারি, ইংল্যান্ড বনাম বাংলাদেশ
    ১৬ ফেব্রুয়ারি, ইংল্যান্ড বনাম ইটালি
    ১৯ ফেব্রুয়ারি, ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম ইটালি
    ১ মার্চ, সুপার এইটের ম্যাচ
    ৪ মার্চ, প্রথম সেমিফাইনাল (শর্তসাপেক্ষে)

    অন্য খেলা ঠিক থাকলেও সেমিফাইনালটি ইডেনে না-ও হতে পারে। পাকিস্তান শেষ চারে উঠলে তারা প্রথম সেমিফাইনালে খেলবে। সে ক্ষেত্রে ম্যাচটি ইডেনের পরিবর্তে কলম্বোয় হবে। একই ভাবে ৮ মার্চের ফাইনালও আমেদাবাদ থেকে কলম্বোয় সরে যেতে পারে পাকিস্তান খেললে।

  • Delhi Blast: হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর বদলা নিতে চেয়েছিল জঙ্গি-চিকিৎসক উমর নবি! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    Delhi Blast: হিজবুল কমান্ডার বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর বদলা নিতে চেয়েছিল জঙ্গি-চিকিৎসক উমর নবি! প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ১০ বছর আগে কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে খতম হওয়া হিজবুল মুজাহিদিন কমান্ডার বুরহান ওয়ানির সঙ্গে দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডের অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী আত্মঘাতী জঙ্গি-চিকিৎসক উমর-উন-নবি ওরফে উমর মহম্মদের যোগসূত্র উঠে এল। সূত্রের খবর, বিস্ফোরণকাণ্ডে জড়িতদের জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন বুরহান ওয়ানির মৃত্যুর বদলা নিতে চেয়েছিল ফরিদাবাদ ডক্টর্স টেরর মডিউলের অন্যতম সদস্য উমর-উন-নবি। উমর সম্পর্কে এমনই তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।

    বুরহানের মৃত্যুর বদলা নিতেই দিল্লিতে হামলা!

    ২০১৬ সালে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মারা যায় কাশ্মীরি জঙ্গি বুরহান ওয়ানি। এর প্রতিশোধ নিতেই দিল্লির লালকেল্লা চত্বরে গাড়িতে আত্মঘাতী হামলা চালায় ‘জেহাদি চিকিৎসক’ উমর নবি। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, উমর নবি নিজেকে ‘আমির’ বলে প্রচার করত জঙ্গিদের মধ্যে। বলত সে তাদের নেতা। তদন্তে উঠে এসেছে, উমর-উন-নবিকে নিয়োগ করেছিল দিল্লির বিস্ফোরণে ধৃত আর এক জঙ্গি মুজাম্মিল শাকিল। এই মুজাম্মিল শাকিলকে নিয়োগ করেছিল মওলানা ইরাফান আহমেদ।

    ন’টি ভাষায় পারদর্শী ছিল জঙ্গি-চিকিৎসক উমর…

    হরিয়ানার ফরিদাবাদে গড়ে ওঠা ‘হোয়াইট কলার টেরর মডিউল’-এর সদস্যদের সন্ধান পায় পুলিশ। তাদের মধ্যে অন্যতম হল মুজাম্মিল। তাকে জেরা করে দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ড সম্পর্কিত পুলিশ বেশকিছু বিস্ফোরক নথি হাতে পেয়েছে। মুজাম্মিলের থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে যে, উমর ন’টি ভাষায় পারদর্শী ছিল। সবচেয়ে শিক্ষিত এবং চতুর ছিল। মুজাম্মিলের দাবি, উমরের যে ধরনের মেধা তাতে সে খুব সহজেই পরমাণু বিজ্ঞানী হতে পারত। তদন্তকারীদের মুজাম্মিল জানায়, বুদ্ধিমত্তা ও তাঁর দক্ষতার কারণে দলের সকলে উমরকে সমীহ করে চলত। উমর নিজেকে ‘আমির’ (স্বঘোষিত নেতা) বলে সম্বোধন করত। মুজাম্মিলের আরও দাবি, গোটা দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে সে একজন কর্মী মাত্র। তুলনাটা যদি উমর উন নবির সঙ্গে হয় তাহলে সে একেবারে মামুলি লোক। জঙ্গিরা দিল্লি বিস্ফোরণের নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন আমির’।

    উমর-উন-নবির কাছে ছিল একটি বিশেষ সুটকেস!

    দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে ধৃত আর এক জঙ্গি শাহিন সঈদ। তাদের জেরা করেও বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পেরেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, মূল অভিযুক্ত উমর-উন-নবির কাছে ছিল একটি বিশেষ সুটকেস, যেখানে ছিল বোমা তৈরির উপকরণ, রাসায়নিক ও সেগুলি মাপার সরঞ্জাম। বয়ান অনুযায়ী, আল-ফালাহ্ বিশ্ববিদ্যালয়ের (Al-Falah University) চিকিৎসক উমর উন নবি তার ক্যাম্পাসের ঘরেই ছোট আকারে রাসায়নিক পরীক্ষা চালাতেন। সেখানেই তিনি প্রস্তুত করেছিলেন সেই মিশ্রণ, যা পরে আইইডি বানাতে ব্যবহার করা হয়।

    নেল পালিশ রিমুভার, সুগার পাউডার দিয়ে তৈরি বোমা!

    ধৃতেরা পুলিশকে আরও জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের জন্য যে বোমা গাড়িতে করে দিল্লিতে নিয়ে এসেছিল উমর, সেটি অসম্পূর্ণ অবস্থায় ছিল। এই বোমা তৈরি করতে উমর নেল পালিশ রিমুভার, সুগার পাউডার ব্যবহার করেছিল। প্রাথমিক ভাবে ‘টেরর মডিউল’-এর সদস্যেরা চেয়েছিল হরিয়ানায় যে বিস্ফোরক লুকিয়ে রাখা ছিল, সেগুলি জম্মু-কাশ্মীরে স্থানান্তরিত করা হোক। সেখানেই বড়সড় নাশকতার ছক ছিল উমরের। কিন্তু, ফরিদাবাদ টেরর মডিউলের পর্দাফাঁস হতেই প্রায় তিন হাজার বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। এক এক করে গ্রেফতার হয় হোয়াইট কলার টেরর মডিউলের কাণ্ডারীরা। ফলে, সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal)। আগামী ৯ ডিসেম্বর নতুন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তার আগে প্রতিদিনই ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ ভোটার। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১৪ লক্ষ ভোটার বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। প্রতিদিন যে হারে তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ছে, তাতে সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কমিশনও।

    বাদ আরও কয়েক লক্ষ নাম

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআরে সোমবার পর্যন্ত ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার হিসাব ছিল ১০ লক্ষ। ২৪ ঘণ্টা পর তা আরও কিছুটা বেড়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে ওই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার। প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ এনুমারেশন ফর্ম কমিশনের সাইটে আপলোড করছেন বিএলওরা। ফলে প্রতিদিনই নাম বাদ দেওয়ার হিসেব বাড়বে। সব এনুমারেশন ফর্ম জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিনও বলেন, “আমি ৯৫ সাল থেকে ভোটে লড়ছি। আমি বলছি, লিখে রাখুন ১ কোটির উপর নাম বাদ যাবে। যদিও এখানে ১০০ শতাংশ এসআইআর হবে না। তারপরও এক কোটির উপর নাম বাদ যাবে। ১০০ শতাংশ হলে আর একটু বেশি নাম বাদ যেত।”

    বেশি নাম বাদ পড়তে পারে কলকাতাতেই

    গত ৪ নভেম্বর থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলবে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মধ্যে এখনও পর্যন্ত শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়তে পারে উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায়। তার পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিসেবই চূড়ান্ত নয়। যেসব তথ্যের ভিত্তিতে নাম বাদ যাওয়ার প্রাথমিক সংখ্যা মিলছে, সেগুলি হল, মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটার।

LinkedIn
Share