Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Himanta Biswa Sarma: “জুবিন গর্গের মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়, এটি খুন”, অসম বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি হিমন্তর

    Himanta Biswa Sarma: “জুবিন গর্গের মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়, এটি খুন”, অসম বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গায়ক জুবিন গর্গের (Zubeen Garg) মৃত্যু কোনও দুর্ঘটনা নয়, এটি একটি খুন।” মঙ্গলবার বিধানসভায় এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে সমুদ্রে ইয়ট ভ্রমণের সময় সাঁতার কাটতে গিয়ে মৃত্যু হয় বছর বাহান্নর গায়ক-সুরকার জুবিনের। প্রথমে তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে বলা হয়েছিল রহস্যজনক দুর্ঘটনা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে উঠে এসেছে আরও গুরুতর তথ্য।

    মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ (Himanta Biswa Sarma)

    বিরোধী দলের আনা স্থগিতাদেশ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলাকালীন বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অসম পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে এটি ছিল একেবারে সোজাসাপ্টা খুন।” তাঁর দাবি, একজন ব্যক্তি সরাসরি জুবিন গর্গকে হত্যা করেছে এবং আরও কয়েকজন এ কাজে তাকে সহায়তা করেছে। তাঁর মতে, এখন চার থেকে পাঁচজনকে এই হত্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হচ্ছে।

    সিট গড়ল রাজ্য সরকার

    উত্তর-পূর্ব ভারত উৎসবে অংশ নিতে সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন গর্গ । তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই অসমজুড়ে ৬০টিরও বেশি অভিযোগ দায়ের হয়। দাবি জানানো হয়, পূর্ণাঙ্গ তদন্তেরও। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার সিট গঠন করে। এর পাশাপাশি, কী ঘটেছিল তা যাচাই করতে গৌহাটি হাইকোর্টের বিচারপতি সৌমিত্র শইকিয়ার নেতৃত্বে এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিশনও গঠন করা হয় (Himanta Biswa Sarma)। সিট তদন্ত শুরু করার কয়েক দিনের মধ্যেই জুবিনের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন, এনইআইএফ সংগঠক শ্যামকানু মহন্ত, গায়কের ম্যানেজার সিদ্ধার্থ শর্মা, তাঁর দুই ব্যান্ড সদস্য শেখর জ্যোতি গোস্বামী ও অমিত প্রভ মহন্ত, এবং তাঁর এক আত্মীয় সন্দীপন গর্গ, যিনি অসম পুলিশের একজন প্রবীণ আধিকারিক (Zubeen Garg)। গ্রেফতার করা হয় তাঁর দুই ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী – নন্দেশ্বর বরা এবং প্রবীন বৈশ্যকেও। কারণ তদন্তকারীরা তাদের ব্যাঙ্কের হিসেব থেকে ১.১ কোটি টাকারও বেশি লেনদেনের তথ্য পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সিট খুব শীঘ্রই একটি চার্জশিট জমা দেবে। গর্গকে হত্যার পেছনের উদ্দেশ্য রাজ্যবাসীকে হতবাক করবে (Himanta Biswa Sarma)।”

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ! ভারতীয় মহিলাকে হেনস্থা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ! ভারতীয় মহিলাকে হেনস্থা, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) চিনের অংশ। এই দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে ড্রাগনের দেশ। তবে শি জিনপিংয়ের দেশের সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে ভারত সাফ জানিয়ে দিয়েছে অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই ছিল, আছে এবং থাকবেও (Shanghai Airport)। তবে ভারত এবং চিনের এই দোটানার মধ্যে পড়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হল অরুণাচল প্রদেশের এই মহিলাকে।

    ১৮ ঘণ্টা আটকে, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের (Arunachal Pradesh)

    আদতে অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা ওই মহিলা বর্তমানে থাকেন ব্রিটেনে। ২১ নভেম্বর সাংহাই পুডং বিমানবন্দরে তাঁকে প্রায় ১৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ। ওই মহিলার নাম প্রেমা ওয়াংজম থংডক। বিমানবন্দরে থাকা কয়েকজন চিনা আধিকারিক দাবি করেন, তাঁর পাসপোর্টটি ভারতীয়। জন্মস্থান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে অরুণাচল প্রদেশের। ওই আধিকারিকরা জানান, এটি অবৈধ। কারণ ওই প্রদেশ চিনের অংশ। খবরটি দ্রুত পৌঁছে যায় ভারতীয় কর্তাদের কানে। সঙ্গে সঙ্গেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তাঁরা। তীব্র প্রতিবাদ জানান চিনা কর্তৃপক্ষের কাছে। সাংহাইয়ে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেটও স্থানীয়ভাবে বিষয়টি উত্থাপন করে এবং প্রেমাকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাহায্য দেয়।

    অরুণাচল প্রদেশের বাসিন্দা

    প্রেমা অরুণাচল প্রদেশের পশ্চিম কামেং জেলার রূপা এলাকার বাসিন্দা। গত ১৪ বছর ধরে কর্মসূত্রে ব্রিটেনে বসবাস করছেন তিনি। ঘটনার দিন লন্ডন থেকে জাপানে যাচ্ছিলেন তিনি (Arunachal Pradesh)। এর মধ্যে সাংহাই পুডং বিমানবন্দরে তিন ঘণ্টার ট্রানজিট ছিল। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ওই মহিলা জানান, নিরাপত্তা তল্লাশির সময় চিনা ইমিগ্রেশনের এক আধিকারিক তাঁকে (Shanghai Airport) আলাদা করে ডেকে নেন। তিনি যখন তাঁকে আটকে রাখার কারণ জানতে চান, তখন ওই আধিকারিক জানান যে তাঁর ভারতীয় পাসপোর্ট ‘অবৈধ’। কারণ অরুণাচল প্রদেশ চিনের অংশ। প্রেমা বলেন, “আমি যখন তাঁদের প্রশ্ন করতে চেষ্টা করলাম এবং জানতে চাইলাম সমস্যাটা কী, তাঁরা বললেন, ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অংশ নয়’। তাঁরা আমায় উপহাস করতে শুরু করল। তাঁরা বলতে লাগল, ‘তোমার চিনা পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা উচিত। তুমি চিনা, ভারতীয় নও’”। তিনি বলেন, “এর আগে আমি কোনও সমস্যা ছাড়াই সাংহাই হয়ে ট্রানজিট করেছি। আমি অনেকক্ষণ আমার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, পারিনি।” ভারতীয় ওই মহিলা বলেন, “লন্ডন থেকে ১২ ঘণ্টা ভ্রমণ করার পর আমায় ১৮ ঘণ্টা বিমানবন্দরে আটকে রাখা হয় (Arunachal Pradesh)। তারা আমার পাসপোর্ট নিয়ে নেয় এবং আমায় বের হতে দেয়নি। আমি খাবারও পাইনি। চিনে গুগল নেই, তাই কোনও তথ্যও পেতে পারছিলাম না। তারা আমায় জাপানে যেতে দিতে অস্বীকার করেছিল। যদিও আমার বৈধ জাপানি ভিসা ছিল। তারা জোর করে বলে যে আমায় হয় ব্রিটেনে ফিরে যেতে হবে, নয়তো ভারতে যেতে হবে।”

    ওঁদের আচরণ অত্যন্ত অপমানজনক

    প্রেমা বলেন, “ওঁদের আচরণ ছিল অত্যন্ত অপমানজনক এবং সন্দেহজনক, ইমিগ্রেশন স্টাফদের যেমন, তেমনই আচরণ করেছেন এয়ারলাইন স্টাফরাও। আমি সাংহাই এবং বেজিংয়ের ভারতীয় দূতাবাসে ফোন করি। এক ঘণ্টার মধ্যেই (Shanghai Airport) ভারতীয় কর্তারা বিমানবন্দরে এসে আমায় কিছু খাবার দেন। তাঁদের সঙ্গে সমস্যাগুলি নিয়ে কথা বলেন এবং আমায় দেশ থেকে বের হতে সাহায্য করেন। এটি ছিল দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার একটা লড়াই। কিন্তু আমি এখন খুশি যে এখন আমি সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি (Arunachal Pradesh)।”

    ত্রাতার ভূমিকায় ভারতীয় কর্তারা

    জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরে বেশ কয়েক ঘণ্টা আটকে থাকার পর প্রেমা একটি ফোন এবং তাঁর আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের দাবি জানান। শেষ পর্যন্ত তিনি ব্রিটেনে থাকা তাঁর বন্ধুদের ফোন করেন। তাঁরা তাঁকে সাংহাইয়ের ভারতীয় কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করাতে সাহায্য করেন। ভারতীয় কনস্যুলেটের কর্তারা এক ঘণ্টার মধ্যে বিমানবন্দরে পৌঁছন এবং তাঁকে সেই পরিস্থিতি থেকে বের হতে সাহায্য করেন। অরুণাচল প্রদেশের ওই মহিলা বলেন, “আমি কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরে, সেখান থেকে ছ’জন কর্তা এক ঘণ্টার মধ্যেই বিমানবন্দরে এসে আমায় খাবার দেন। তাঁরা চেষ্টা করেছিলেন যেন আমায় জাপানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু চিনা আধিকারিকরা তা কোনওভাবেই মানেনি। তাঁরা জোর করেছিলেন যে আমি যেন শুধু চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের মাধ্যমেই দেশ ছাড়ার টিকিট বুক করি। শেষ পর্যন্ত আমি তাইল্যান্ডে ট্রানজিট-সহ ভারতের ফ্লাইট বুক করি, এবং এখন তাইল্যান্ডেই থেকে কাজ করছি।” প্রেমা বলেন, “অনেক বছর ব্রিটেনে থাকার পরেও আমি আমার ভারতীয় পাসপোর্ট (Shanghai Airport) ছাড়িনি। কারণ আমি আমার দেশকে ভালোবাসি এবং নিজের দেশেই বিদেশি হতে চাই না (Arunachal Pradesh)।”

  • Suvendu Adhikari: পুলিশ সংগঠনকে ভোটের কাজে না-রাখার দাবি, কেন? প্রমাণ-সহ জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পুলিশ সংগঠনকে ভোটের কাজে না-রাখার দাবি, কেন? প্রমাণ-সহ জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের কাজে এ রাজ্যের পুলিশকে রাখা যাবে না! পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির বিরুদ্ধে দেশের মুখ‍্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নির্দিষ্ট তিন পুলিশ আধিকারিকের নাম করে এবং তাঁদের ভাষণের ভিডিয়ো পাঠিয়ে ওই অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। চিঠিতে বিরোধী দলনেতার দাবি, পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির সঙ্গে যুক্ত কাউকে যেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে লাগানো না হয়।

    পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

    মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে দিঘার পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির (Digha Police Welfare Committee) অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ টানেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ করেন, সেই অনুষ্ঠান থেকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রশংসা করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের ভোটের কাজ থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। সম্প্রতি পুলিশকর্মীদের ওই সংগঠনের আয়োজনে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় মহিলা পুলিশকর্মীদের একটি রাজ‍্য স্তরের সম্মেলন হয়েছে। সেই সম্মেলনে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক তথা মুখ‍্যমন্ত্রীর ‘আস্থাভাজন’ হিসেবে পরিচিত শান্তনু সিং বিশ্বাস যে ভাষণ দিয়েছেন, শুভেন্দু মঙ্গলবার তার ভিডিও সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দেখিয়েছেন। বিজিতাশ্ব রাউত নামে এক ইন্সপেক্টর এবং রুহুল আমিন আলি শাহ নামে এক সাব-ইন্সপেক্টরের ভাষণের অংশবিশেষও তিনি দেখান।

    ভিডিয়ো দেশের মুখ‍্য নির্বাচন কমিশনারকে পাঠানো হয়েছে

    শুভেন্দু জানান, ওই ভিডিয়ো দেশের মুখ‍্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালেই ইমেল করে চিঠি ও ভিডিয়ো পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সাংবাদিক বৈঠকে উল্লেখ না করলেও চিঠিতে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্যের নামও। শুভেন্দু দাবি করেছেন, পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটি কোনও ‘রাজনৈতিক সংগঠন’ নয়। সেই কারণেই তারা ‘রাজনৈতিক’ কথা বলতে পারে না। তাঁর কথায়, ‘‘সরকার লিখিত ভাবে এই সংগঠন তৈরি করে দিয়েছিল।’’ পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) ছাড়া অন্য কোনও রাজ্যের পুলিশ এমন আচরণ করে না বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সংযোজন, এ রাজ্যের পুলিশ নিজেদের মর্যাদা, আত্মসম্মান জলাঞ্জলি দিয়ে তৃণমূল সরকারের (TMC Govt) হয়ে এমন কাজ করছেন।

    পুলিশকে ভোটের ডিউটিতে রাখা যাবে না

    পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুভেন্দু সাফ জানান, ওঁদের সরিয়ে নির্বাচন করতে হবে। দলদাস পুলিশকে ভোটের ডিউটিতে রাখা যাবে না। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হয়ে যাবে বলে ধরে নিতে পারি। তখন থেকে শুরু করে ভোট সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির সঙ্গে যুক্ত কেউ যাতে ভোটের কাজের সঙ্গে প্রত‍্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে না থাকে, আমরা তা কমিশনকে নিশ্চিত করতে বলেছি।’’ তাঁর বক্তব্য, কমিশন যাতে এখন থেকেই বিকল্প ব‍্যবস্থার কথা ভেবে নিতে পারে এবং তার প্রস্তুতি নিতে পারে, সে কথা মাথায় রেখে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার তিন মাস আগেই তিনি কমিশনকে ওই বিষয়ে অবহিত করে রাখলেন। শুভেন্দুর কথায়, ‘’কেন্দ্রীয় বাহিনী সব কাজ পারবে না। কিছু কাজ পুলিশকেই করতে হয়। সেই কাজ অন‍্য রাজ‍্য থেকে পুলিশ এনে করাবে নাকি অন‍্য কোনও ব‍্যবস্থা করবে, তা নির্বাচন কমিশন এখন থেকে ভেবে নিক।’’

  • Hayli Gubbi Volcano: ভারতের আকাশেও ছাইমেঘ, বাতিল বহু বিমান! ১২ হাজার বছর পর জাগল ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরি

    Hayli Gubbi Volcano: ভারতের আকাশেও ছাইমেঘ, বাতিল বহু বিমান! ১২ হাজার বছর পর জাগল ইথিওপিয়ার আগ্নেয়গিরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন ধরে ঘুমিয়েই ছিল। গত ১২০০০ বছর আচমকাই জেগে উঠেছে পূর্ব আফ্রিকার আগ্নেয়গিরি। ইথিয়োপিয়ার হায়েলি গুব্বি (Ethiopian Volcanic Ash)আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্নুৎপাত শুরু হয়েছে রবিবার থেকে। সেই ছাইয়ের কুণ্ডলী মেঘের সঙ্গে মিশে লোহিত সাগর পেরিয়ে উড়ে আসছে এশিয়া মহাদেশে। ভারতের রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের আকাশেও কালো মেঘ জমতে শুরু করেছে। আর তার জেরে বিমান পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটছে। একাধিক সংস্থা বিমান বাতিল করেছে আপাতত। দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব প্রায় ৪ হাজার ৫৫০ কিলোমিটার। কিন্তু ইথিওপিয়ার (Haylie Gubbi Volcano) আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাতের জেরে দিল্লিতে বিমান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

    ভারতে প্রবেশ করল ছাই-মেঘ

    গত ১২০০০ বছরে হায়ালি গুব্বিতে কোনও অগ্নুৎপাতের প্রমাণ নেই। রবিবার সকালে (স্থানীয় সময়ে) আচমকাই জেগে ওঠে ইথিয়োপিয়ার এই আগ্নেয়গিরি। জ্বালামুখ থেকে নির্গত ধোঁয়া, ছাই ঢেকে দিয়েছে দেশের আকাশকে। শুধু তাই নয়, লোহিত সাগর পেরিয়ে ইয়েমেন, ওমানের দিকেও এগিয়ে গিয়েছে সেই ধোঁয়া, ছাইয়ের কুণ্ডলী। সালফার ডাইঅক্সাইডমিশ্রিত ঘন ছাইমেঘ (অ্যাশ ক্লাউড) প্রায় ১২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা‌ বেগে উড়তে উড়তে প্রবেশ করেছে ভারতেও। ওই লাভার ছাই দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে সোমবার রাতে ভারতে পৌঁছে যায়। রাত ১১টা নাগাদ উত্তর পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে ভারতের আকাশে ঢুকে যায় ওই ছাইমেঘ। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, রাজস্থানের জয়সলমের-যোধপুর অঞ্চল দিয়ে এই মেঘ প্রবেশ করেছে ভারতে। তার পরে রাজস্থান, হরিয়ানা এবং দিল্লির আকাশে বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এই ‘বিষ-মেঘ’ ছড়িয়ে পড়ে। মেঘ ছড়িয়েছে গুজরাটের কিছু অংশের আকাশেও।

    কোন কোন বিমান পরিষেবা বিঘ্নিত

    এর প্রভাবে বিমান পরিষেবা ধাক্কা খেয়েছে ইতিমধ্যেই। উড়ান সংস্থাগুলির জন্য ইতিমধ্যে সতর্কবার্তা জারি করেছেন ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহন নিয়ামক কর্তৃপক্ষ ডিজিসিএ। ছাইমেঘের জেরে কেরলের কন্নুর থেকে আবুধাবিগামী ইন্ডিগোর ৬ই১৪৩৩ বিমানের যাত্রাপথ বদলে দিতে হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমেদাবাদ বিমানবন্দরে অবতরণ করানো হয়েছে সেটি। ইন্ডিগো পরে জানায়, বিমানটি আমেদাবাদে নিরাপদেই অবতরণ করেছে। যাত্রীদের কন্নুরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রভাবিত হয়েছে আরও বেশ কিছু উড়ান‌ পরিষেবা। কোচি থেকে অন্তত দু’টি আন্তর্জাতিক বিমান বাতিল হয়েছে ছাইমেঘের জেরে। কেএলএম রয়্যাল‌ ডাচ উড়ান‌ সংস্থারও বেশ কিছু বিমান পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে। ব্রিটেনের আমস্টারডাম থেকে দিল্লিমুখী কেএল ৮৭১ এবং বিপরীতমুখী কেএল ৮৭২— দু’টিই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাতিল করা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া, স্পাইসজেট, আকাশ এয়ারের মতো উড়ান সংস্থাগুলিও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। আকাশ উড়ান বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্রভাবিত এলাকাগুলিতে বিমান পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ডিজিসিএ-র সতর্কবার্তা

    উড়ান সংস্থাগুলিকে সতর্ক করে ‌দিয়েছে ডিজিসিএ-ও। আগ্নেয়গিরির ছাইমেঘ প্রভাবিত এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য বলা হয়েছে সব ভারতীয় উড়ান সংস্থাকে। প্রয়োজন অনুসারে যাত্রাপথ বদল এবং বিকল্প পরিকল্পনারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক রুট তৈরি করে, পর্যাপ্ত জ্বালানি নিয়ে উড়ানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনও ভাবে ছাইয়ের সংস্পর্শে এলে সঙ্গে সঙ্গে তা জানাতে বলা হয়েছে, যাতে ইঞ্জিনের অবস্থা জানা যায়। ধোঁয়া বা গন্ধ নিয়েও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিমানবন্দরের কাজকর্মে কোনও রকম বাধাবিঘ্ন সৃষ্টি হলে সঙ্গে সঙ্গে রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে, অ্যাপ্রন বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ডিজিসিএ। সারাক্ষণ নজরদারি চালাতে হবে, নজরদারি চলবে স্যাটেলাইটের মাধ্যমেও।

    জনস্বাস্থ্যে প্রভাব

    আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত লাভার ছাইমিশ্রিত মেঘ দেশবাসীর স্বাস্থ্যের উপর কোনও বিরূপ প্রভাব ফেলবে না বলেই আশ্বস্ত করছেন বিশেষজ্ঞেরা। কারণ, এই ছাইমেঘ উড়ছে ভূপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে। প্রায় ২৫০০০-৪৫০০০ ফুট উচ্চতায় উড়ছে এগুলি। ফলে মানুষের স্বাস্থ্যের উপর এই মেঘ প্রভাব ফেলার সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করছেন তাঁরা। যদিও দিল্লিতে বাতাসের গুণমান আগে থেকেই অত্যন্ত খারাপ পর্যায়ে রয়েছে। সেই বিষয়েও সতর্ক করে দিচ্ছেন‌ বিশেষজ্ঞেরা। রবিবার সকালে ইথিওপিয়ার আফার অঞ্চলে জেগে ওঠে হায়েলি গুব্বি (Hayli Gubbi) আগ্নেয়গিরিটি। সংলগ্ন আফদেরা গ্রাম সঙ্গে সঙ্গেই ধুলোয় ঢেকে যায়। এমনকি অগ্ন্যুৎপাতের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, আশেপাশের এলাকায় ভূমিকম্পও অনুভূত হয় বলে জানা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, জ্বালামুখ থেকে নির্গত ধোঁয়া, ছাই প্রায় ১৪ কিলমিটার উচ্চতা পর্যন্ত আকাশে উঠে যায়।

  • Ram Mandir: অযোধ্যার রাম মন্দিরের শিখরে উড়ল ধর্মধ্বজা, আবেগপ্রবণ প্রধানমন্ত্রী

    Ram Mandir: অযোধ্যার রাম মন্দিরের শিখরে উড়ল ধর্মধ্বজা, আবেগপ্রবণ প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিবাহ পঞ্চমী’র শুভক্ষণে ধ্বজা (Dharma Dhwaj) উড়ল অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) চূড়ায়। এই বিবাহ পঞ্চমীতেই মিলন হয়েছিল শ্রী রাম ও মা সীতার। অভিজিৎ মুহূর্তে সম্পন্ন হয় আচার। ২৫ নভেম্বর, মঙ্গলবার মন্দিরের শিখরে ধ্বজারোহণ সম্পন্ন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আরএসএসের সরকার্যবাহ মোহন ভাগবত। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল এবং হাজার হাজার ভক্ত। এদিন প্রধানমন্ত্রী এবং ভাগবত যখন যৌথভাবে ১৯১ ফুট উঁচু শিখরের ওপর ১০ ফুট উচ্চতা ও ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের সমকোণী ত্রিভুজাকৃতির ধর্ম-ধ্বজা উন্মোচন করলেন, তখনই শঙ্খধ্বনিতে ভরে উঠল চারদিক, হল ঘণ্টাধ্বনিও, অযোধ্যা মুখরিত হল জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে। গেরুয়া রংয়ের এই ধ্বজাটি একাধিক অর্থ বহন করে। এটি দীপ্তিময় সূর্য ভগবান রামের সূর্যবংশীয় বংশধারা এবং তাঁর অটল প্রভাকে নির্দেশ করে, ঋষি কশ্যপের সৃষ্ট হাইব্রিড কোভিদার বৃক্ষ প্রাচীন জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার প্রতীক এবং ওঁ চিহ্ন চিরন্তন আধ্যাত্মিক সত্তা এবং সনাতন ঐতিহ্যের মৌলিক দর্শন তথা রামরাজ্যের চেতনার প্রতিফলন।

    ধর্ম–ধ্বজ উত্তোলন (Ram Mandir)

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ধর্ম–ধ্বজ উত্তোলন শুধু স্থাপত্যগত সমাপ্তির চিহ্ন নয়, বরং এটি ঐক্য, সহনশীলতা ও সভ্যতাগত গৌরবের পুনরুত্থানের উদ্‌যাপনকারী এক সাংস্কৃতিক ঘোষণা। এদিন অনুষ্ঠানের আগে প্রধানমন্ত্রী রামলালার গর্ভগৃহে প্রার্থনা করেন। এরপর তিনি সপ্তমন্দির পরিদর্শন করেন, যেখানে মহর্ষি বশিষ্ঠ, মহর্ষি বিশ্বামিত্র, মহর্ষি অগস্ত্য, মহর্ষি বাল্মীকি, দেবী অহল্যা, নিষাদরাজ গুহ এবং মাতা শবরীকে উৎসর্গীকৃত মন্দিরসগুলি রয়েছে। পরে প্রধানমন্ত্রী নিয়ে যান শেষাবতার মন্দিরে। অযোধ্যার প্রাচীন আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে সম্মান জানাতেই গিয়েছিলেন তিনি। ত্রিবর্ণ পতাকা নাড়ানো ভক্তদের দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে, মন্দিরের দিকে অগ্রসর হওয়া (Dharma Dhwaj) প্রধানমন্ত্রীর রোডশোটি জাতীয় ও আধ্যাত্মিক ঐক্যের এক উজ্জ্বল প্রদর্শনীতে (Ram Mandir) পরিণত হয়।

    অনন্য স্থাপত্যশৈলী

    অযোধ্যার এই রাম মন্দির ভারতের বহুবর্ণের মন্দির-পরম্পরার এক অনন্য স্থাপত্যশৈলী ও প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। এই মন্দিরের নাগরা শৈলীর শিখর উত্তর ভারতের প্রাচীন মন্দির স্থাপত্যের প্রতিনিধিত্ব করে। মন্দিরকে ঘিরে থাকা ৮০০ মিটার দীর্ঘ প্রাচীরে দক্ষিণ ভারতীয় স্থাপত্যের নান্দনিকতা যুক্ত হয়েছে, যা ভারতের সাংস্কৃতিক মিলনকে প্রতিফলিত করে। মন্দিরের দেয়ালে বাল্মীকি রামায়ণের ৮৭টি নিপুণভাবে খোদিত শিলাচিত্র অঙ্কিত রয়েছে। মন্দির প্রাঙ্গণে ৭৯টি ব্রোঞ্জনির্মিত সাংস্কৃতিক দৃশ্য স্থাপন করা হয়েছে, যা ভারতীয় সভ্যতার এক বিস্তৃত মুক্ত-আকাশ গ্যালারি তৈরিতে সাহায্য করে। এই মনোমুগ্ধকর স্থাপত্যশৈলী রাম মন্দিরকে কেবল একটি উপাসনাস্থলেই সীমাবদ্ধ রাখেনি, বরং এটিকে এক জীবন্ত ভারতীয় ঐতিহ্যের জাদুঘরে পরিণত করেছে।

    ধ্বজারোহণ পর্ব

    এদিন বেলা ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ শুক্ষক্ষণে শুরু হয় ধ্বজারোহণ পর্ব। নীচ থেকে ধীরে ধীরে মন্দিরের শিখরে পৌঁছয় ন্যায়ের এই ধ্বজা। এই পুরো পর্বটা প্রধানমন্ত্রী ধ্বজার দিকে তাকিয়েছিলেন আবেগঘন চোখে। ধ্বজারোহণ পর্ব শেষ হতেই হাতজোড় করে নমস্কার করেন প্রধানমন্ত্রী। ধ্বজার উদ্দেশে নিবেদন করেন পুষ্পার্ঘ্য। এর পরেই ভাষণ দেন তিনি (Dharma Dhwaj)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শতাব্দীপ্রাচীন এই ক্ষতে আজ প্রলেপ পড়ল। বহু শতকের যন্ত্রণার অবসান। শতাব্দীর সঙ্কল্প আজ পূর্ণতা পেল। আজ সেই যজ্ঞের সমাপ্তি, যার আগুন জ্বলছিল ৫০০ বছর ধরে। সেই যজ্ঞ এক মুহূর্তের জন্যও বিচ্যুত হয়নি বিশ্বাস থেকে।” তিনি বলেন, “আজ অযোধ্যা শহর ভারতের সাংস্কৃতিক চেতনার আরও এক শীর্ষবিন্দুর সাক্ষী থাকল। আজ সমগ্র ভারত, সমগ্র বিশ্ব, রামনামে (Ram Mandir) আচ্ছন্ন। প্রতিটি রামভক্তের হৃদয়ে রয়েছে অতুলনীয় তৃপ্তি, সীমাহীন কৃতজ্ঞতা, অপরিসীম আনন্দ।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অযোধ্যা তথা ভারত এবার অধ্যাত্মবাদ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মহাসঙ্গম দেখবে।” তিনি বলেন, “প্রাণ যায়ে পর বচন না যায়ে…বার্তাও দেবে এই ধর্মধ্বজ। এই নিশান এই বার্তাও দেবে যে এই সমাজ দাঁড়াবে দরিদ্রদের পাশে।”

    রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা

    প্রসঙ্গত, গত বছর ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছিল অযোধ্যার রাম মন্দিরে। যদিও তখনও মন্দির নির্মাণের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছিল না। প্রায় দু’বছর পর শেষ হয়েছে মন্দির নির্মাণের কাজ। এই বিষয়টি দ্বিতীয় প্রাণপ্রতিষ্ঠা বলেও অভিহিত করেছেন (Dharma Dhwaj) পুরোহিতদের একাংশ। কারণ ধ্বজারোহণের পর মন্দিরে ৪৪টি দরজাই ধর্মীয় আচারের জন্য খুলে দেওয়া হবে (Ram Mandir)।

  • Governor CV Ananda Bose: হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন রাজ্যপালের, শাহের মন্ত্রককে রিপোর্ট দেবেন বোস

    Governor CV Ananda Bose: হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন রাজ্যপালের, শাহের মন্ত্রককে রিপোর্ট দেবেন বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো ভোটার বা আধার কার্ড তৈরি করে ভারতের যে কোনও প্রান্তে থাকলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শন করে এমনটাই জানালেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose)। তিনি জানান, সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের পুশব্যাক এবং বর্তমানে হাকিমপুর সীমান্তের কী অবস্থা তা নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা হবে। শুধু হাকিমপুর নয় মুর্শিদাবাদেও যাবেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল। যে সীমান্তগুলি তিনি ঘুরে দেখবেন, সেখানকার পরিস্থিতি দেখে তৈরি করা হবে রিপোর্ট। এই রিপোর্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে জমা করবেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে রিপোর্ট পাঠাবেন রাজ্যপাল

    রাজ্যে এসআইআর শুরু হতেই সম্প্রতি শিরোনামে আসে হাকিমপুর সীমান্তের চিত্র। প্রচুর মানুষকে ব্যাগ গুছিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্তে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। সংবাদমাধ্যমের সামনে অনেকেই বলেছেন, তাঁরা অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। অনেকেরই কাছেই ভোটার, আধার কার্ড আছে, সরকারি সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন রাজ্যে। এমনকী খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে সেখানে আক্রমণের মুখেও পড়তে হয় সংবাদমাধ্যমকে। এই আবহে সীমান্ত এলাকা পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেন রাজ্যপাল। হাকিমপুরের সীমান্ত চৌকি, বিএসএফ ক্যাম্প, স্থানীয় প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। তবে সেই বৈঠকে অনুপ্রেবশ সংক্ৰান্ত কী কী বিষয় উঠে এসেছে, তা নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি রাজ্যপাল।

    হাকিমপুর সীমান্ত পরিদর্শনে রাজ্যপাল

    হাকিমপুরে একটি সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যপাল বলেন, ‘যাঁরা এই ধরনের ফেক ভোটার কার্ড ব্যবহার করছেন বা অনৈতিক ভাবে ভোটার বা আধার কার্ড বানিয়েছেন, তাঁরা অপরাধী। তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিন রাজ্যপাল হাকিমপুর চেকপোস্টে নেমে ভারতীয় নাগরিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তারপর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের অংশে বিএসএফের তাৎপরতা এবং নজরদারি পরিদর্শনে যান। বিএসএফ সূত্রে খবর, কতজন বাংলাদেশিকে এখনও পর্যন্ত ওপারে পাঠানো হয়েছে, আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে কতটা পুলিশ সাহায্য করছে, কীভাবে বাংলাদেশিরা গিয়ে হোল্ডিং এরিয়ায় কাছে ভিড় করছে, তাদের কতদিনের বসবাস- এই ধরনের একাধিক বিষয় রাজ্যপাল বিএসএফ আধিকারিকদের কাছ থেকে জেনে নেন। রাজ্যপালের (Governor CV Ananda Bose)সফরকে কেন্দ্র করে স্বরূপনগর থানার বিথারী হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হাকিমপুর সীমান্তে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়। ১৪৩ নম্বর ব্যাটালিয়ান বিএসএফের ডিআইজি, সিও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখেন।

  • Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    Suvendu on SIR: ‘‘জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল, এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে’’, রাজ্যে এসআইআর সফল করার ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর নিয়ে ফের একবার রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে (TMC) বিঁধলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর কথায়, তৃণমূল আদতে কোনও দলই নয়। অবৈধ ভোটাররা তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক। জিহাদে মদত দিচ্ছে তৃণমূল। তাই এই দলটাকে ছেড়ে এসেছেন তিনি। মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়ে এমনই দাবি করেন শুভেন্দু (Suvendu on SIR)। একই সঙ্গে রাজ্যবাসীর কাছে এসআইআর সফল করার আহ্বান জানান।

    তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক

    সীমান্তে গত কয়েকদিন ধরে ভিড় দেখা যাচ্ছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের। এসআইআর শুরু হওয়ার পর একে একে অনেকেই বাংলাদেশ ফিরে যাচ্ছেন। সেই আবহে এদিন মন্দিরবাজারের সভা থেকে এসআইআর সফল করার ডাক দেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু (Suvendu on SIR) বলেন, “অবৈধ রেশন কার্ড, অবৈধ ভোটার তালিকায় নাম উঠেছে। কয়েকদিন আগে আমি বলেছিলাম, গর্তে কার্বোলিক অ্যাসিড ঢেলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পিলপিল করে সাপেরা বেরিয়ে আসছে। এই সন্দেশখালিতে দেখুন, শাহজাহান জেলের ভিতরে থেকে…কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নিয়ন্ত্রণে থাকা জেল…মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মাছ-মাংস খেয়ে…ওখান থেকে ফোনে ফোনে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নির্দেশ দিচ্ছেন, বিএলওকে কী ভাষা! আজ, এসআইআর সফল করুন আপনারা। কী হিন্দু, কী ভারতীয় মুসলিম একযোগে এসআইআর সফল করুন। নইলে এরা আমাদের রেশন খাচ্ছে। খাদ্য জিহাদ।” বিজেপি আগে থেকেই দাবি করে আসছে যে, এসআইআর হলে মৃত এবং ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ যাবে যা আদতে তৃণমূল ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে কাজে লাগিয়েছে।

    খাদ্য-জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ

    মথুরাপুরে (Mathurapur) বিজেপির সভায় উপস্থিত হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu on SIR)। সেই সভামঞ্চ থেকেই তিনি বলেন, এক সময় তৃণমূল দলকে ছুড়ে ফেলে এসেছেন তিনি। এটা কোনও দলই নয়! শুভেন্দুর কথায়, ”আমি যদি সেদিন নন্দীগ্রামের মানুষকে নিয়ে লড়াই না করতাম তাহলে দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেতেন। মুখ্যমন্ত্রী হতে হত না।” স্পষ্টত এই মন্তব্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) নিশানা করেছেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং রোহিঙ্গারা ঢুকে ন্যায্যদের রেশন ছিনিয়ে নিচ্ছে। এটাই খাদ্য জিহাদ (Food Jihad)। তারা পরপর জমি দখল করে নিচ্ছে, ল্যান্ড জিহাদ। বিধায়কের বক্তব্য, এইভাবে চলতে থাকলে গোটা রাজ্যটাই (West Bengal) এদের দখলে চলে যাবে। তাই সকলের উচিত, একজোট হয়ে এসআইআর-কে সমর্থন করা এবং তৃণমূল সরকারের অবসান ঘটাতে সাহায্য করা।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাংলায় বাদ অন্তত ১০ লক্ষ নাম! কী বলছে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR in Bengal)-এ আপাতত ১০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে জানাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ যাচ্ছে বলে কমিশনের প্রাথমিক ধারণা। বাদ পড়ার ক্ষেত্রে শতাংশের বিচারে উত্তর কলকাতা এগিয়ে রয়েছে। এসআইআর (SIR) শুরুর পর কমিশন জানিয়েছিল, বর্তমানে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্য়া ৭ কোটি ৬৬ লক্ষের অধিক। ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলছে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল জানান, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে মোট ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম। আর এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষ ৩৩ হাজার ভোটার তাঁদের ফর্ম সংশ্লিষ্ট বুথের বিএলওর কাছে জমা দেননি।

    সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার

    সোমবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল সাংবাদিক বৈঠকে জানান, এখনও পর্যন্ত ৪ কোটি ৫৫ লক্ষ ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর ১০ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের ভিত্তিতে যে দশ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে, তার মধ্যে সাড়ে ৬ লক্ষ মৃত ভোটার। এছাড়া স্থানান্তরিত ভোটারও রয়েছেন। আবার অনেকে এনুমারেশন ফর্ম নেননি। কিংবা নিলেও বিএলও-কে ফর্ম জমা দেননি। উত্তর কলকাতায় ১০ শতাংশ নাম বাদ পড়েছে। কিছুদিন আগে আধার কর্তৃপক্ষ সিইও-কে জানিয়েছিল, রাজ্যের ৩৪ লক্ষ মৃতের আধার নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, প্রতি বছর ভোটার তালিকা আপডেটের জন্য সামারি রিভিশন হয়। সেখানেও অনেক মৃত ভোটারের নাম বাদ পড়েছে।

    মোট কতজন ভোটারের নাম বাদ

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রতি দিনই তথ্য আসছে। আপাতত বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-দের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই হিসেব মিলেছে। তাঁরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে ফর্ম বিলি করতে গিয়ে এই তথ্য পেয়েছেন। সব এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। প্রথমে বুথে বুথে বিএলও-রা ফর্ম বিলি করেছেন। পরে পূরণ করা ফর্ম তাঁরা সংগ্রহ করেছেন। সেই সময় বিএলও-রা তথ্য পেয়েছেন, কাদের কাদের ফর্ম পূরণ না হয়েই ফেরত এল। এই ১০ লক্ষের মধ্যে ৬.৫ লক্ষ মৃত ভোটার রয়েছে। এ ছাড়াও রয়েছেন একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটারও। কমিশন সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহের মধ্যে পুরো তথ্য চলে আসার কথা। তখন এই সংখ্যাটি কত দাঁড়ায় তা দেখার। ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবরের তালিকা থেকে মোট কত নাম বাদ পড়ল তা জানা যাবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পরে। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন।

    ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি

    কমিশন (Election Commission) জানাচ্ছে, ২৪ নভেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজ্যে ৯৯.৭৫ শতাংশ, অর্থাৎ ৭ কোটি ৬৪ লক্ষের বেশি এনুমারেশন ফর্ম বিলি করা হয়েছে। খুবই অল্প সংখ্যক ফর্ম বিতরণ বাকি রয়েছে। পূরণ করা ফর্ম ডিজিটাইজ করা হয়ে গিয়েছে ৪ কোটির বেশি (৫৯.৪ শতাংশ)। এখনও পর্যন্ত ওই কাজ চলছে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল বলেন, ‘‘আমরা ভোটারদের কাছে অনুরোধ করেছি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এনুমারেশন ফর্ম জমা দিন। ৪ ডিসেম্বর শেষ দিন, তার কোনও পরিবর্তন হয়নি।’’ কমিশনের তথ্য বলছে, এখনও প্রায় ২ লক্ষ মানুষের হাতে ফর্ম পৌঁছনো বাকি। মোট ভোটারের ২.৫ শতাংশের ম্যাপিং-ও বাকি রয়েছে। হাতে এখনও এক সপ্তাহের বেশি সময় রয়েছে। দ্রুত কাজ চলছে বলে জানান মুখ্যনির্বাচনী আধিকারিক।

    কোন জেলায় কী রকম কাজ

    কমিশনের (Election Commission) তরফে আরও জানানো হয়েছে, এখনও পর্যন্ত এসআইআরের যা কাজ হয়েছে, তাতে রাজ্যের পাঁচটি জেলা এগিয়ে রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানে ৬৬.৪৭ শতাংশ, আলিপুরদুয়ারে ৬৬.৪১ শতাংশ, উত্তর দিনাজপুরে ৬৫.৪৩ শতাংশ, মালদহে ৬৬.২৩ শতাংশ এবং পূর্ব মেদিনীপুরে ৬৫.২৭ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে ভাল কাজ হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার গোসাবায়। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ১২১ জন বিএলও। ইতিমধ্যেই ১০০ শতাংশ কাজ সেরে ফেলেছেন। বিএলও-দের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গিয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের মুখে। তিনি বলেন, ‘‘বিএলও-রা প্রচুর কাজ করছেন। তাঁরাই এসআইআরের হিরো!’’

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি

    এসআইআর (SIR in Bengal) পর্বে বার বার রাজ্যে  ‘অনুপ্রবেশ’ -এর কথা বলেছে বিজেপি। রবিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ফের দাবি করেছেন, এসআইআর হলে এক কোটি ভোটারের নাম বাদ যাবে। তাতে মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় থাকা এক নামের পাশাপাশি বাদ পড়বেন অনুপ্রবেশকারীরাও।

  • Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    Suvendu Adhikari: বর-বউয়ের বাবা একই! এসআইআর চালু হতেই প্রকাশ্যে জালিয়াতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সম্পর্কে জামাই। অথচ ভোটার কার্ডে তাঁকে দেখানো হয়েছে ছেলে হিসেবে। আর মেয়ের জৈবিক বাবাও তিনি। যার অর্থ দাঁড়ায়, এই (Suvendu Adhikari) পরিবারে বিয়ে হয়েছে ভাই-বোনের মধ্যেই (SIR)। আজ্ঞে না, বাবার নামের জায়গায় শ্বশুরের নাম দিয়ে দিব্যি বানানো হয়েছে ভোটার কার্ড। এসআরএরের গুঁতোয় এমন ঘটনাই প্রকাশ্যে এল।

    শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড (Suvendu Adhikari)

    ঘটনাটি খুলে বলা যাক। রাজ্যে এসআইআর চালু হতেই ভারতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিরা হাকিমপুরের মতো সীমান্ত দিয়ে পিলপিল করে পালাতে শুরু করেছে। এই সময়ই ঝুলি থেকে বের হচ্ছে একের পর এক বেড়াল। তবে শ্বশুরকে বাবা বানিয়ে ভোটার কার্ড বানানোর জালিয়াতির পর্দা ফাঁস করে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারকে নিশানা করে দীর্ঘ একটি পোস্টও করেছেন শুভেন্দু। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘এসআইআরের ধাক্কায় শ্বশুর যখন বাবা’। এর স্বপক্ষে প্রমাণ দিতে ভোটার তালিকার ছবিও দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা একজনই

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ভোটার তালিকায় স্বামীর বাবা আর স্ত্রীয়ের বাবা যে একজনই, এসআইআরের দৌলতে তা-ও দেখতে হচ্ছে। যদিও বঙ্গেশ্বরীর রাজত্বে কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। এসআইআর চালু হওয়ার পরে এ রাজ্যে নিত্য নতুন রঙ্গ তামাশা দেখছে জনগণ। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার রামনগর (Suvendu Adhikari) গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬৫ নম্বর বুথের ভোটার মণিরুজ্জামান মণ্ডল ও আর্জিনা মণ্ডল স্বামী-স্ত্রী। মণিরুজ্জামান ওই বুথেরই তৃণমূল নেতা, আর আর্জিনা আইসিডিএস কর্মী এবং তৃণমূল কর্মী। তাঁদের দু’জনের পিতার নামই মিজানুর মণ্ডল। জানা গিয়েছে, আর্জিনার জন্মদাতা হলেন মিজানুর। ওই বুথটি আবার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি বাসুদেব ঘোষের বুথ। এই বাসুদেবের ছেলেই আবার ওই বুথের বিএলও। মনিরুজ্জামান আবার বাসুদেবের ডানহাত বলে এলাকায় পরিচিত। অভিযোগ উঠেছে, এই বিএলও-ই কারসাজি করে মণিরুজ্জামান ও মিজানুরকে ম্যাপিংয়ে বাবা ও ছেলে হিসেবে দেখিয়েছেন।” তিনি লেখেন, “দিকে দিকে ভাড়া করা বাবা-মায়ের ছড়াছড়ি (SIR)। সঠিকভাবে এসআইআরের কাজ সম্পন্ন হলে এই ধরনের ভুয়ো ভোটার ধরা পড়বে (Suvendu Adhikari), পশ্চিমবঙ্গের জনসংখ্যাও কমে যাবে।”

     

  • BJP: দিল্লির বায়ুদূষণের প্রতিবাদ কর্মসূচির নেপথ্যে শহুরে নকশালরা!

    BJP: দিল্লির বায়ুদূষণের প্রতিবাদ কর্মসূচির নেপথ্যে শহুরে নকশালরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ইন্ডিয়া গেট সি-হেক্সাগনে রাজধানী নয়াদিল্লির বায়ুদূষণ পরিস্থিতির বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিবাদের ঘটনায় দু’টি এফআইআর দায়ের করেছে (BJP) পুলিশ। এফআইআর দায়ের হয়েছে দু’টি পৃথক থানায় (Urban Naxals)। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রথম এফআইআরটি দায়ের হয়েছে কর্তব্য পথ থানায়।  ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে ছ’জন পুরুষ প্রতিবাদকারীকে। দ্বিতীয় এফআইআরটি দায়ের হয়েছে সাংসদ মার্গ থানায়। যেখানে বাকি প্রতিবাদকারীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লি পুলিশ এক বিবৃতিতে আগেই জানিয়েছিল যে গতকাল একদল লোক দিল্লি-ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়নের বায়ুদূষণ নিয়ে ইন্ডিয়া গেটে প্রতিবাদ করেছিল। তারা মাওবাদী কমান্ডার মাদভি হিদমার পোস্টার নিয়ে ঘুরছিল। মাওবাদী এই নেতা সম্প্রতি নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে।

    পুলিশের দাবি (BJP)

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “তারা যখন পথ অবরোধ করার চেষ্টা করছিল, তখন পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তারা পুলিশ কর্মীদের ওপর পেপার স্প্রে ছোড়ে। পুলিশকে আক্রমণও করার চেষ্টা করে। এখন পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছে।”  যে ২২ জন প্রতিবাদীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে বেশ কিছু শিক্ষার্থীও রয়েছেন। যদিও তাঁরা গ্রেফতার করা হয়েছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ আগেই জানিয়েছিল যে বিক্ষোভকারীদের বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও তারা সরে যায়নি। জনতাকে আটকাতে যে লোহার ব্যারিকেড বসানো হয়েছিল, সেগুলিও পার হওয়ার চেষ্টা করেছিল প্রতিবাদীরা।

    নকশাল নেতার পোস্টার কেন

    রবিবারের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নকশাল নেতা মদভি হিদমার পোস্টার কেন নিয়েছিল বিক্ষোভকারীরা, তা স্পষ্ট নয়। তবে বিজেপি নেতা সৈয়দ শাহনওয়াজ হুসেনের দাবি (BJP), প্রতিবাদের নামে বিক্ষোভকারীরা আসলে (Urban Naxals) নরেন্দ্র মোদি সরকারকে নিশানা করার ছুতো খুঁজছিল। তিনি বলেন, “দিল্লিতে গতকাল যে বিক্ষোভ হয়েছে, তার জন্য দূষণ ছিল কেবল একটি অজুহাত। তাদের আসল লক্ষ্য ছিল হিদমার এনকাউন্টার নিয়ে সরকারকে আক্রমণ করা। এরা ‘আরবান নকশাল’, ছদ্মবেশে আসে, এরা ‘প্রটেস্ট জীবী’, যেভাবে হিদমার সমর্থনে স্লোগান উঠেছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই দেশে যারা নকশাল ও সন্ত্রাসীদের সমর্থনে আওয়াজ তোলে, তাদের কোনওভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

    “বিশুদ্ধ বাতাস বিক্ষোভ”

    রবিবারের এই ঘটনার মাত্র কয়েক দিন আগেই, ৯ নভেম্বর ইন্ডিয়া গেটে হয়েছিল “বিশুদ্ধ বাতাস বিক্ষোভ”। তখনও অনেক বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছিল। তারা রাজধানীতে “বায়ু জরুরি অবস্থা” মোকাবিলায় অবিলম্বে সরকারি হস্তক্ষেপ ও কড়া নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছিলেন (BJP)। ফি বার শীতকালে ঘন বিষাক্ত কুয়াশায় ঢেকে থাকে দিল্লির আকাশ। যার জেরে কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করেছেন। দিল্লির বেশির ভাগ এলাকার একিউআই ৩০০ থেকে ৪০০-এর মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। কয়েকটি এলাকায় তো আবার ৪০০–র সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে (Urban Naxals) একিউআই। সেই কারণে ওই এলাকাগুলি ‘গুরুতর’ শ্রেণিতে পৌঁছে গিয়েছে।

    অমিত মালব্যর দাবি

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যর দাবি, প্রতিবাদীদের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের বামপন্থী সংগঠনগুলির নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “গত এক দশক ধরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এক আরবান নকশাল, এবং শহরটি বছর বছর দমবন্ধ পরিস্থিতির মধ্যে থাকলেও বিশুদ্ধ বাতাসের দাবিতে বড় কোনও আন্দোলন দেখা যায়নি।” তিনি আরও লেখেন, “কিন্তু বিজেপি দিল্লিতে ক্ষমতায় আসার সঙ্গে সঙ্গেই হঠাৎ করে ‘অ্যাক্টিভিস্টরা’ দূষণের নামে প্রতিবাদ শুরু করেছে। স্পষ্টতই এসব প্রতিবাদ পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগের জন্য নয়, বরং একটি প্রতিক্রিয়াশীল কমিউনিস্ট অ্যাজেন্ডা দ্বারা পরিচালিত।” একই ধরনের মন্তব্য করেছেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক তরুণ চুঘও। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করা (Urban Naxals) সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু আরবান নকশাল এবং বামপন্থী, ভারত-বিরোধী শক্তিগুলি বিদেশি টুলকিটের মাধ্যমে দেশে ঘৃণা ছড়ানোর ষড়যন্ত্র করছে। নকশাল, মাওবাদী বা সন্ত্রাসবাদী, তারা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, তাদের নিরপরাধ মানুষ হত্যা-নির্ভর মতাদর্শ নির্মূল করতেই হবে (BJP)।”

    বিপদের নাম শহুরে নকশাল

    প্রসঙ্গত, শহুরে নকশালরা যে উন্নয়ন বিরোধী, তা ঢের আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর দাবি, এঁদের পেছনে থাকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সমর্থনও। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, গুজরাটে নর্মদা নদীর ওপর নির্মিত সর্দার সরোবর বাঁধ প্রকল্প দীর্ঘকাল ধরে আটকে রেখেছিলেন শহুরে নকশালরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন উন্নয়ন বিরোধী কিছু মানুষও। তাঁর তোপ, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ (Urban Naxals) থেকে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে ভারতের উন্নয়নে বাধা দেন শহুরে নকশালরা (BJP)।

LinkedIn
Share