Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Amit Shah: “বিহারে ফের সরকার গড়ছে এনডিএ”, এবার দাবি শাহের

    Amit Shah: “বিহারে ফের সরকার গড়ছে এনডিএ”, এবার দাবি শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিহারে ফের সরকার গড়ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ (NDA)।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ৬ নভেম্বর প্রথম দফার নির্বাচন শেষে এমন প্রত্যয় ঝরে পড়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গলায়ও। এবার একই দাবি করলেন শাহ।

    শাহের দাবি (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “বিহারে ২৪৩টি আসনের মধ্যে ১৬০টিরও বেশি আসন পেয়ে ক্ষমতায় ফিরবে এনডিএ।” শাহ জানান, রাজ্যে অনুপ্রবেশ একটি বড় সমস্যা, বিশেষ করে সীমাঞ্চলগুলিতে, যেখানে ২৪টি আসন রয়েছে। এই অনুপ্রবেশকারীদের আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই নির্মূল করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “অনুপ্রবেশ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। অনুপ্রবেশকারী, তাদের বেআইনি ব্যবসা এবং বেআইনি দখলের কারণে পুরো সীমাঞ্চল এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত। আর এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে এখানকার আইনশৃঙ্খলার ওপর। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী পাঁচ বছরে আমরা অনুপ্রবেশকারীদের তাড়িয়ে দেব। বন্ধ করে দেব তাদের বেআইনি ব্যবসা। একে একে প্রতিটি বেআইনি দখলও সরিয়ে দেব।”

    পঞ্চ পাণ্ডবের জয়!

    তিনি বলেন, “যেভাবে মানুষ আমাদের সমর্থনে উল্লাস প্রকাশ করছেন, তাতে মনে হয় বিহারের মানুষ এনডিএর সঙ্গে, বিজেপির সঙ্গেই রয়েছেন। আমরা ১৬০ আসনের অনেক বেশিই পাব। এনডিএ ন্যূনতম ১৬০ আসন পাবে। আমি এটিকে পঞ্চ পাণ্ডবের লড়াই বলি। কারণ এনডিএর পাঁচ সহযোগী দল হল, জেডিইউ, বিজেপি, এলজেপি (রাম বিলাস), হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা এবং রাষ্ট্রীয় লোক মঞ্চ। সবাই একজোট, কোনও বিবাদ নেই। বুথস্তর থেকে রাজ্যস্তর পর্যন্ত আমরা নরেন্দ্র মোদিজি এবং নীতীশ কুমারজির নেতৃত্বে যৌথ প্রচার চালাচ্ছি (Amit Shah)।”

    প্রথম দফায় ৬৪.৬৬ শতাংশের রেকর্ড ভোটদানের হার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিজেপির এই প্রবীণ নেতা জানান, বিহারের স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর)-এরও এখানে ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, “এসআইআরও ভোটের শতাংশ বাড়ার একটি কারণ। কারণ যে সব ভোট অপচয় হত, যাঁরা মারা গিয়েছেন বা অন্য কোথাও গিয়ে বসবাস করছেন, তাঁদের নামও তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।”

    প্রসঙ্গত, বিহার বিধানসভা নির্বাচন হচ্ছে (NDA) দু’দফায়। মঙ্গলবার হবে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন। এই পর্যায়ে ভোট হবে ১২২টি আসনে। ভোট গণনা হবে শুক্রবার (Amit Shah)।

  • SIR: এসআইআর জুজুর ভয়েই কি রাতারাতি খালি হয়ে গেল গুলশন কলোনি?

    SIR: এসআইআর জুজুর ভয়েই কি রাতারাতি খালি হয়ে গেল গুলশন কলোনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন পাঁচেক আগেও যেখানে লাখ দুয়েক লোকের বসবাস ছিল, এখন সেখানে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে শুধুই বহুতল। কোনওটায় একজন, কোনওটায় বা দু’জনের হাতে বিএলও তুলে দিলেন এনুমারেশন ফর্ম (SIR)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর জুজুতে রাতারাতি ফাঁকা হয়েছে ‘মিনি বাংলাদেশ’ (Bangladeshi) নামে খ্যাত কসবার গুলশন কলোনি। কসবার এই এলাকা প্রায়ই থাকে খবরের শিরোনামে। তবে সেসব খবর কোনও ইতিবাচক কারণে হয়, বরং নেতিবাচক কারণে সংবাদ মাধ্যমে জায়গা করে নেয় গুলশন কলোনি। এই কলোনির জনসংখ্যা কমবেশি ২ লাখ। শহর কলকাতার এই কলোনি অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা। কলোনি লাগোয়া এলাকার বাসিন্দাদের একটা অংশের দাবি, “গুলশন কলোনি যেন মিনি বাংলাদেশ! শুধুই বহিরাগতের ভিড়!”

    গুলি-বোমা-বন্দুকের কান ফাটানো আওয়াজ (SIR)

    এই কলোনিতে নিত্যদিনই লেগে থাকে ক্যাচাইন। সামান্য ঝুট-ঝামেলা হলেই এলাকায় শুরু হয়ে যায় দুষ্কৃতিরাজ। গুলি-বোমা-বন্দুকের কান ফাটানো আওয়াজে এবং ভয়ে ঘরে সেঁধিয়ে যায় কলোনির লোকজন। এহেন একটি কলোনিতেই শনিবার শুরু হল এসআইআর। এই কলোনির প্রায় প্রতিটি বাড়িই ৫ থেকে ৬ তলা। প্রতি ফ্লোরে রয়েছে কমপক্ষে ৪টি করে ফ্ল্যাট। পাড়া রয়েছে অনেকগুলি। এক একটি পাড়া চিহ্নিত হয়েছে ইংরেজি অ্যালফাবেট দিয়ে। এর মধ্যে ৩০৪ নম্বর পার্টে রয়েছে এম, এন, এল এবং পি – এই চারটি পাড়া। একটি বুথে বাড়ি রয়েছে হাজার আড়াই। অথচ বুথের মোট ভোটার (SIR) মাত্র ১ হাজার ৭০০ (Bangladeshi)।

    এসআইআর শুরু গুলশন কলোনিতে

    এদিন এক একটি বহুতলে ঢুকলেন বিএলও। তখনই বের হল ঝুলি থেকে বেড়াল! অতি কষ্টে কোনও একটি ফ্লোরের কোনও একটি ফ্ল্যাটে রয়েছেন একজন ভোটার। নিজের কাছে থাকা তালিকার সঙ্গে নাম মিলিয়ে দেখে নিয়ে তাঁর হাতে তুলে দিলেন এমুনারেশন ফর্ম। সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি গেলেন পাশের বহুতলে। কিন্তু সেখানেও তো খাঁ খাঁ দশা! তাহলে কি এতদিন ধরে গুলশন কলোনিতে বসত করত বহিরাগতরাই? বিএলও ওয়াসিম আক্রম বলেন, “এক তলা থেকে চার তলায় উঠলাম। শুধু একজনের নাম পেয়েছি। আর কেউ নেই। আর পুরো যা আছে, কেউ বলছে বিহার, কেউ বলছে রিপন স্ট্রিটের বাসিন্দা। অন্য জায়গা থেকে এসে এখানে থাকছে, অথচ ভোটার কার্ড নেই (Bangladeshi)।”

    ৯০ শতাংশ বাসিন্দাই এই এলাকার ভোটার নয়

    লাখ দুয়েক জনসংখ্যার এই কলোনিতে ভোটার (SIR) রয়েছেন ২০ হাজারের মতো। যার অর্থ হল, কলোনির ৯০ শতাংশ বাসিন্দাই এই এলাকার ভোটার নয়। প্রশ্ন হল, তারা কারা? কেনই বা ডেরা বেঁধেছে গুলশন কলোনিতে? এদিন বিএলও ওয়াসিম আক্রমের সঙ্গে ছিলেন কেবল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিএলএ ২ মিনাজ শেখ। দাপুটে এই তৃণমূল নেতার দাবি, “গুলশন কলোনির অনেকেই অন্য এলাকার ভোটার। কিন্তু তালিকায় ঠিকানা বদল করেননি।” তাঁর মতে, গুলশন কলোনি সম্পর্কে নেতিবাচক প্রচারই এলাকাটিকে সবার চোখে খাটো করেছে। গুলশন কলোনি এলাকাটি কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত।

    কলোনিতে বহিরাগতদের ভিড়!

    এই কলোনিতে যে বহিরাগতদের ভিড়, মাস দুয়েক আগেই তা ফাঁস করেছিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ। এলাকায় ব্যাপক অশান্তির (SIR) প্রসঙ্গে সজল বলেছিলেন, “ওখানে কলকাতা পুলিশ দিয়ে হবে না। বাংলাদেশ পুলিশকে ডাকতে হবে। গুলশন কলোনি মানে রোহিঙ্গাদের কলোনি। তিন হাজার ভোটার রয়েছে। অথচ এলাকার বাসিন্দা ২ লাখ। এ রকম গুলশন কলোনি রাজ্যের প্রতিটি জেলায় দু-চারটে করে তৈরি হয়েছে। পুরো বেআইনি জগৎ (Bangladeshi)।” সজল যে ঘটনার প্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য করেছিলেন, তা হল গত ১১ সেপ্টেম্বর ভরসন্ধেয় গুলশন কলোনিতে ব্যাপক গোলা-গুলি চলে। হয় বোমাবাজিও। কলোনির অটোস্ট্যান্ডে এসে পর পর গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সূর্য ডোবার পরে এলাকায় আঁধার ঘনাতেই ফের শুরু হয় বোমাবাজি। ওই দিনই মাঝরাতে দুষ্কৃতীরা গিয়ে বোমা ছোড়ে স্থানীয় কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের অনুগামীদের বাড়ি লক্ষ্য করে। সেই ঘটনার ছবি ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়। স্থানীয়দের একাংশের মতে, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই মাঝে মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গুলশন কলোনি। বিরোধীদের অভিযোগ, ওই ঘটনার নেপথ্যে ছিল শাসক দলের বিধায়ক ঘনিষ্ঠ মিনি ফিরোজ ও তাঁর দলবল।

    বিপাকে তৃণমূল!

    প্রসঙ্গত, গুলশন কলোনি এলাকাটি কসবা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত। এই এলাকার (SIR) বিধায়ক তৃণমূলের জাভেদ আহমেদ খান। তিনি তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের মন্ত্রীও। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে সাড়ে ১১ হাজারের কিছু বেশি ভোটে জিতেছিলেন জাভেদ। পরের বিধানসভা নির্বাচনে সেই জাভেদই জয়ী হন ১ লাখ ২০ হাজার ৯৫৭ ভোট পেয়ে। এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন চিকিৎসক ইন্দ্রনীল খাঁ। এসআইআর হওয়ার পর (Bangladeshi) জাভেদের গদি টিকবে কি? আপাতত কোটি টাকার প্রশ্ন সেটাই (SIR)।

  • Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    Parliaments Winter Session: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু ১ ডিসেম্বর থেকে, জানালেন রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliaments Winter Session) শুরু হবে ১ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ওই মাসেরই ১৯ তারিখ পর্যন্ত। শনিবার এই ঘোষণা করেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ওই দিনগুলিতে শীতকালীন অধিবেশনের ডাক দেওয়ার সরকারের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।

    রিজিজুর বক্তব্য (Parliaments Winter Session)

    এক্স হ্যান্ডেলে রিজিজু লিখেছেন, “ভারতের মাননীয়া রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু সংসদের #শীতকালীন_অধিবেশন ১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত আহ্বান করার সরকারি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন (সংসদীয় কার্যসূচির প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভরশীল)।” তিনি এও বলেন, “আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সহায়ক হবে, এমন একটি গঠনমূলক ও অর্থবহ অধিবেশন প্রত্যাশা করছি।”

    শীতকালীন অধিবেশনের গুরুত্ব

    বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এবারের শীতকালীন অধিবেশন রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। বিতর্কিত বেশ কয়েকটি বিষয় আবারও সংসদের দুই কক্ষে আলোচনার কেন্দ্রে আসতে পারে। অনুমান, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সংশোধন) এবং তথাকথিত ভোট জালিয়াতি ইস্যুতে বিরোধী দল সরকারকে চাপে ফেলতে পারে। এদিকে, শীতকালীন অধিবেশনের স্বল্প সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ লিখেছেন, “ঘোষণা করা হয়েছে যে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন ১ ডিসেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এটি অস্বাভাবিকভাবে দেরিতে এবং সংক্ষিপ্ত রাখা হয়েছে। কার্যদিবস হবে মাত্র ১৫ দিন। এতে কী বার্তা দেওয়া হচ্ছে (Parliaments Winter Session)?”

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর সংসদের বাদল অধিবেশন চলেছিল ২১ জুলাই থেকে ২১ অগাস্ট পর্যন্ত। সেবার কার্যদিবস ছিল ২১টি। ওই অধিবেশনে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। লোকসভায় পেশ হয়েছিল ১৪টি বিল। এর মধ্যে পাশ হয়েছিল ১২টি বিল। এই অধিবেশনে রাজ্যসভায় অনুমোদন হয়েছিল ১৫টি বিল। এই তালিকায় ছিল আয়কর বিল ২০২৫ও (Kiren Rijiju)। পরে অবশ্য এই বিলটি প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। যদিও বিরোধীদের ঘোরতর প্রতিবাদ সত্ত্বেও পাশ হয়েছে লোকসভা অনলাইন গেমিং বিল ২০২৫-এর প্রচার ও নিয়ন্ত্রণ (Parliaments Winter Session)।

  • Ontario Motion: হিন্দু-বিদ্বেষের নিন্দে করে প্রস্তাব পাশ কানাডার শহরে

    Ontario Motion: হিন্দু-বিদ্বেষের নিন্দে করে প্রস্তাব পাশ কানাডার শহরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার কোনও প্রদেশে এই প্রথম হিন্দু-বিদ্বেষের (Anti Hindu) নিন্দে করা হল। অন্টারিও (Ontario Motion) প্রদেশের শহর মিসিসাগায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে ‘মিসিসিগায় হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষ মেনে নেওয়া’ শীর্ষক প্রস্তাব। কানাডায় একে হিন্দু-কানাডিয়ানদের জন্য ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

    সরকারি বিবৃতি (Ontario Motion)

    সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মিসিসাগা সিটি কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণার সব ধরনের প্রকাশ — মৌখিক, শারীরিক, ডিজিটাল বা প্রাতিষ্ঠানিক — এবং হিন্দু ব্যক্তিবিশেষ, সংগঠন বা মন্দির লক্ষ্য করে পরিচালিত যে কোনও বৈষম্যমূলক আচরণের নিন্দা করে।” ভারতে জন্মেছিলেন দিপিকা দামরলা। বর্তমানে তিনি কানাডীয় সিটি কাউন্সিলের সদস্য। তিনিই এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছিলেন। পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “মিসিসাগা সিটি অন্টারিওর প্রথম শহর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দু-বিরোধী বিদ্বেষের ঘটনা মেনে নিল। ওই প্রস্তাব সর্বসম্মত সমর্থনের জন্য মিসিসাগা কাউন্সিলকে ধন্যবাদ এবং সকল বক্তাকে ধন্যবাদ।” এর পরেই দামরলার নয়া পোস্টের কমেন্ট বিভাগে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে ‘অ্যান্টি-ইন্ডিয়া হেট’।

    হিন্দু-বিদ্বেষীদের উপদ্রব

    অবশ্য এই প্রথম নয়, তিনি যখন কানাডায় বাড়তে থাকা হিন্দু-বিদ্বেষীদের উপদ্রব, মন্দির ভাঙচুর ও হয়রানির ঘটনার মাঝে হিন্দুদের জন্য ইতিবাচক খবর শেয়ার করছিলেন, তখনও কিছু লোক তাঁকে লক্ষ্য করে বলেছিল, ‘গো ব্যাক টু ইন্ডিয়া’। এই বিতর্কেরও জবাব দিয়েছিলেন দামরলা। এবারও তিনি সাফ জানিয়ে দেন, এই প্রস্তাব ভারত নিয়ে নয়, বরং কানাডার হিন্দুদের নিয়ে, এবং এর সঙ্গে ভারতীয়দের কোনও সম্পর্কই নেই। এক ইউজার প্রশ্ন তুলেছেন, “আমাদের কেন অ্যান্টি-হিন্দু ঘৃণার জন্য আলাদা প্রস্তাবের প্রয়োজন?” এরও জবাব দিয়েছেন কানাডীয় সিটি কাউন্সিলরের এই সদস্য। তিনি বলেন, “এটি বিশেষ কোনও আইনের ব্যাপার নয়। বিষয়টি হল এই ঘৃণাকে স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করা এবং ঘটনা যে ঘটছে, তা মেনে নেওয়া, যেমন এই পোস্টের কিছু মন্তব্যে দেখা গিয়েছে (Anti Hindu)। আমরা যদি একে নাম না দিই এবং প্রকাশ্যে না বলি, তবে এটি স্বাভাবিক হয়ে যায়, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই স্বাভাবিকীকরণ ইতিমধ্যেই ঘটছে (Ontario Motion)।”

    ‘হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশনে’র মত

    ‘হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশনে’র মতে, কাউন্সিলর জো হর্নেক প্রস্তাবটির সমর্থনে দ্বিতীয় বক্তা হিসেবে ভাষণ দিতে গিয়ে হিন্দু কানাডিয়ানদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। এর ফলে সমস্ত বাসিন্দার ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে মিসিসাগা সিটি কাউন্সিল আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছে যে তারা যেন পিল আঞ্চলিক পুলিশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যৌথভাবে ধর্ম-সংশ্লিষ্ট ঘৃণার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়। এ ক্ষেত্রে মিসিসাগার ইতিবাচক পদক্ষেপ এসেছে ঠিক সেই সময়, যখন আলবার্টার ওয়েনরাইট কানাডার প্রথম পুরসভা হিসেবে হিন্দুফোবিয়াকে একটি উদ্বেগজনক সমস্যা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে (Ontario Motion)।

    ‘কোহনা কানাডা’র বক্তব্য

    “তৃণমূল-স্তরের অধিকার রক্ষার সংগঠন” ‘কোহনা কানাডা’ এই প্রস্তাব পাস হওয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তারা লিখেছে, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কারণ মিসিসাগা দ্বিতীয় কানাডিয়ান শহর যারা এই অবস্থান নিয়েছে এবং তার হিন্দু সংখ্যালঘুদের প্রকাশ্যে আশ্বাস দিয়েছে। এটি বহু বছর ধরে মন্দির ও হিন্দুদের ওপর হিংসা বৃদ্ধির পর এক বিশাল স্বস্তি।” সংগঠনটি এই পদক্ষেপকে বিশেষভাবে প্রশংসা করেছে। প্রশংসা করেছে কাউন্সিলর দামেরলারও। কারণ এই প্রস্তাবটি এসেছে এমন একটা সময় (Anti Hindu), যখন গত বছর প্রায় এই সময়ই হামলা হয়েছিল হিন্দু মন্দিরে, মধ্যযুগীয় কায়দায় অত্যাচার চালানো হয়েছিল ভক্তদের ওপর। ট্যুইট-বার্তায় হিন্দু কানাডিয়ান ফাউন্ডেশন লিখেছে, “হিন্দু কানাডিয়ানদের জন্য এক ঐতিহাসিক জয় – মিসিসাগায় অ্যান্টি-হিন্দু বিদ্বেষের কথা মেনে নেওয়া হল: প্রস্তাব পাস হয়েছে (Ontario Motion)।”

    গণেশের মূর্তি ভাঙচুর

    সংস্থাটি এও উল্লেখ করেছে যে, এই প্রস্তাবটি হিন্দু কানাডিয়ানদের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে স্বীকার করার এবং তাঁদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সাংস্কৃতিক সম্মান পাওয়ার অধিকারকে দৃঢ় করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির প্রতীক। প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘এটি শুধুমাত্র কোনও নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি নৈতিক অবস্থান, একটি প্রকাশ্য ঘোষণা যে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাকে উপেক্ষা করা হবে না বা লঘু করে দেখা হবে না।’ প্রসঙ্গত, কানাডায় ক্রমেই বাড়ছে হিন্দুদের ওপর হিংসার ঘটনা। হিন্দু কাউন্সিল অফ কানাডা জানিয়েছে, গত বছর অগাস্টে হিন্দু দেবতা গণেশের মূর্তি ভাঙচুর করা হয় এবং মিসিসাগার একটি কমিউনিটি (Anti Hindu) হলে হিন্দুবিরোধী মন্তব্য স্প্রে-পেইন্ট করা হয়। গত কয়েক বছরে হিন্দু মন্দির ভাঙচুরের ঘটনাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে (Ontario Motion)।

  • Assam: “রবিবারই শুরু মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান”, ঘোষণা হিমন্তর

    Assam: “রবিবারই শুরু মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান”, ঘোষণা হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ৯ নভেম্বর। এদিন থেকেই ফের শুরু হবে অসমের (Assam) বনভূমিতে বাংলাদেশি মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান (Eviction Drives)। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা স্বয়ং। তিনি বলেন, “কিছু মানুষ জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের মৃত্যুর আবেগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অসমে নেপালের মতো অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল। তাদের ধারণা ছিল, এভাবে সরকারকে চাপের মুখে ফেলে উচ্ছেদ অভিযান থামানো যাবে। কিন্তু দুঃখিত, আমি আপনাদের সেই আশা পূরণ করতে পারিনি। ৯ নভেম্বর থেকে গোয়ালপাড়া জেলার দোহিকোটা সংরক্ষিত বনে ফের শুরু হবে উচ্ছেদ অভিযান।”

    দখলদার উচ্ছেদ অভিযান (Assam)

    জানা গিয়েছে, বনবিভাগ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতায় দোহিকোটা সংরক্ষিত বনে ১ হাজার ১৪৩ বিঘে বনভূমি থেকে দখলদার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে। ৯ নভেম্বরের আগেই বনভূমি খালি করার নির্দেশ দিয়ে ৩০০-রও বেশি বাংলাদেশি মুসলিম পরিবারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর বহু অবৈধ দখলদার বনভূমি ছেড়ে চলে গিয়েছে। দোহিকোটা সংরক্ষিত বনাঞ্চলটি হাতির বাসস্থান হলেও, অবৈধ দখলদারির জেরে ব্যাঘাত ঘটছে হাতির জীবনযাত্রার। তাই গোয়ালপাড়া জেলায় মানুষ–হাতি সংঘাত বাড়ছে দ্রুত।

    অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা

    প্রসঙ্গত, গায়ক জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর অসমে একদল মানুষ অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছিল। গায়কের অকাল প্রয়াণের বিচার দাবি করার নামে ওই গোষ্ঠী রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল। ১৫ অক্টোবর বকসা জেলা জেলের সামনে পুলিশ ও সংবাদ মাধ্যমের ওপর ব্যাপক হামলা হয় (Assam)। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় যানবাহনে (Eviction Drives)। ওই ঘটনায় ২৫ জনেরও বেশি মানুষ জখম হন। পরে জানা যায়, এই হিংসার উসকানি দেওয়া হয়েছিল বেঙ্গালুরু থেকে পরিচালিত একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। ঘটনার পর পুলিশ ১১ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে ৯ জনই মুসলমান, বাকিরাও স্থানীয় নয় (Assam)।

  • HAL-GE Jet Engine Deal: মার্কিন জিই এরোস্পেস থেকে ১১৩টি জেট ইঞ্জিন কিনছে ভারত, ৮ হাজার ৮৭০ কোটির চুক্তি স্বাক্ষর

    HAL-GE Jet Engine Deal: মার্কিন জিই এরোস্পেস থেকে ১১৩টি জেট ইঞ্জিন কিনছে ভারত, ৮ হাজার ৮৭০ কোটির চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে শুল্ক-সংঘাতের আবহের মধ্যে মার্কিন সংস্থার সঙ্গে বিরাট বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি করল ভারত। দেশীয় তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের জন্য ১১৩টি অত্যাধুনিক শক্তিশালী ‘এফ-৪০৪ আইএন২০’ ইঞ্জিন কিনতে প্রায় ৮ হাজার ৮৭০ কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধবিমান উৎপাদনকারী সংস্থা হিন্দুস্থান এরোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল। শুক্রবারই এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

    তেজস জেট উৎপাদনের সমস্যা দূর হবে

    এই চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে ইঞ্জিন পেতে শুরু করবে ভারত। ২০৩২ সালের মধ্যে সবকটি ইঞ্জিন ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হবে। হ্যালের তরফে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির ফলে ভারতের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান উৎপাদনে বিশেষ সুবিধা হবে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ৬২,৩৭০ কোটি টাকায় ৯৭টি ৪.৫ প্রজন্মের হালকা ‘মাল্টি রোল সুপারসনিক’ যুদ্ধবিমান তেজস মার্ক-১এ কেনার চুক্তি করেছিল। ২০২৭-২৮ থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা। ছ’বছরের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে। মার্কিন সংস্থার সঙ্গে এই ইঞ্জিন-চুক্তি তেজস সরবরাহ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন ইঞ্জিন পেলে সময়মতো যুদ্ধবিমান সরবরাহে সমস্যা হবে না বলে হ্যাল সূত্রের খবর।

    ১০ বছরের প্রতিরক্ষা সমঝোতা ভারত-আমেরিকার

    গতমাসের শেষ দিকে, আগামী এক দশকে প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারত ও আমেরিকা। সেখানে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিটার হেগসথের৷ ওই বৈঠকের পর মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের দাবি করেন, ওই চুক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রতিরোধমূলক সক্ষমতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এটি দুই দেশের মধ্যে সমন্বয়, তথ্য বিনিময় ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এর মাধ্যমে। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই স্বাক্ষরিত হল হ্যাল-জিই ইঞ্জিন চুক্তি। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে দশ বছরের জন্য হওয়া এই চুক্তি ভারত ও আমেরিকাকে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার প্রশ্নে আরও কাছাকাছি এনে দিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে৷

  • Rajnath Singh on Nuclear Test: ‘সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করবে ভারত’, দিল্লির পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে রাজনাথ

    Rajnath Singh on Nuclear Test: ‘সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করবে ভারত’, দিল্লির পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি যে, পাকিস্তান থেকে শুরু করে রাশিয়া, চিন এবং উত্তর কোরিয়ার মতো কয়েকটি দেশ গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। এই আবহে আমেরিকাও পারমাণবিক পরীক্ষা শুরু করতে চলেছে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারত এই প্রেক্ষিতে কী করবে, এবার তা স্পষ্ট করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি জানিয়েছেন, অন্য দেশগুলো তাদের মতো করে কাজ করছে, আর ভারত সঠিক সময়ে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেবে। সম্প্রতি এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নানা বিষয় নিয়ে নিজের খোলাখুলি মত জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    পরমাণু পরীক্ষা নিয়ে অকপট রাজনাথ

    পাকিস্তান, আমেরিকা পরমাণু বোমা পরীক্ষা নিয়ে যে জল্পনা শুরু হয়েছে, তা নিয়ে রাজনাথ সিং বলেন, “ওরা যদি করতে চায়, করুক। ভবিষ্যতই বলবে ভারত কী করবে। এই বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। পাকিস্তান হোক বা আমেরিকা — যে যা করছে, করছে। ভারত কখনও ভয় বা চাপে পড়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।” তিনি আরও যোগ করেন, “ভারত যা উপযুক্ত মনে করবে, সেই পদক্ষেপই করবে। আমরা সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করব।” এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, রাশিয়া থেকে শুরু করে চিন ও পাকিস্তান পর্যন্ত অনেক দেশই নীরবে ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে, যা জনসমক্ষে প্রকাশিত নয়।

    ট্রাম্পের দাবি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, ৩০ বছরেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্র আবার পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা শুরু করতে পারে। তিনি বলেন, রাশিয়া, চিন, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া যদি পরীক্ষা চালায়, তবে আমেরিকা একা হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। এই কারণে তিনি পেন্টাগনকে অবিলম্বে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘পারমাণবিক সমতা’ বজায় রাখতে পারে। অন্যদিকে, চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং এক বিবৃতিতে বলেন, “চিন সর্বদা শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে চলেছে, পারমাণবিক অস্ত্রের প্রথম ব্যবহার না করার নীতি অনুসরণ করে, আত্মরক্ষামূলক পারমাণবিক কৌশল গ্রহণ করেছে এবং পারমাণবিক পরীক্ষা স্থগিত রাখার অঙ্গীকার পালন করছে।”

    প্রসঙ্গ বাংলাদেশ

    পরমাণু পরীক্ষা ছাড়াও এই সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসকে মুখ সামলে কথা বলার পরামর্শ দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। রাজনাথ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে চায় না নয়াদিল্লি। নিজেদের চিরন্তন রীতি মেনে ভারত সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। কিন্তু ভারত যে কোনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে ভয় পায় না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজনাথ। ওই সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক চাই না। কিন্তু ইউনূস যা বলছেন, তা নিয়ে সতর্ক থাকা উচিত।’ ইউনুসের আমলে বাংলাদেশের একটি অংশে ভারত-বিরোধী বীজ রোপণ করা হয়েছে। যে ভারতের কারণে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, সেই দেশকেই নিয়ে ভুলভাল মন্তব্য করেন ইউনূস, যেটা কাম্য নয়।

  • SIR Form Fill Up: অনলাইনে ঘরে বসেই পূরণ করুন এসআইআর ফর্ম! জেনে নিন স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

    SIR Form Fill Up: অনলাইনে ঘরে বসেই পূরণ করুন এসআইআর ফর্ম! জেনে নিন স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনলাইনে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) আবেদন নেওয়া শুরু করল নির্বাচন কমিশন। কোনও ভোটার বাড়ির বাইরে থাকলে অনলাইনে এনুমারেশন ফর্ম ফিল আপ করতে পারেন। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের ওয়েবসাইটে (https://ceowestbengal.wb.gov.in/) অনলাইন এনুমারেশন ফর্ম মিলছে। কমিশনের অ্যাপ ইসিআইনেট-এ গিয়েও কেউ চাইলে ওই ফর্ম পূরণ করতে পারেন।

    কী ভাবে অনলাইনে ফর্ম পূরণ করবেন?

    প্রথমে ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে। এর পর অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে এপিক নম্বরের সঙ্গে মোবাইল নম্বর অথবা ইমেল আইডি লিঙ্ক থাকতে হবে। এপিক কার্ডের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক না-থাকলে অনলাইনে এসআইআরের ফর্ম পূরণ করা যাবে না। রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে ওটিপি আসবে। সেটি বসিয়ে কমিশনের সাইটে লগইন করতে হবে। এর পরে প্রথমে রাজ্য বেছে নিতে হবে। তার পরে এপিক কার্ড নম্বর বসাতে হবে। এপিক বসানোর পরে তালিকার সঙ্গে নাম না মিললে, বিএলও-এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। নাম না-মিললে আবার মোবাইল নম্বর বসাতে হবে। পুনরায় সেই নম্বরে ওটিপি আসবে। তা বসিয়ে অনলাইনে জমা করতে হবে। এর পরে তিনটি অপশন আসবে। প্রথম, নিজের নাম (শেষ এসএইআরের তালিকায় যেটি রয়েছে সেটি দিতে হবে। দ্বিতীয়, বাবা অথবা মায়ের নাম (শেষ এসএইআরের তালিকায় যেটি রয়েছে সেটি দিতে হবে। তৃতীয় অপশনে থাকবে শেষ এসএইআরের তালিকায় বাবা অথবা মায়ের নাম নেই। এর পর, সেখান থেকে উপযুক্ত অপশনটি নির্বাচন করতে হবে। তার পর ২০০২ সালের বিধানসভা কেন্দ্র, পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর বসাতে হবে। বিএলওদের সামনে বসে অফলাইন মাধ্যমে যে ভাবে ফর্ম পূরণ করতে হত, সে ভাবেই অনলাইনে করতে হবে। সেখানে একটি ছবি লাগবে। ফর্ম জমা দেওয়ার পরে করার আধার কার্ডের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বরে ওটিপি আসবে। সেটি বসানোর পরেই এনুমারেশন ফর্ম জমা করা যাবে।

    স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

    স্টেপ ১: নির্বাচন কমিশনের নয়া ওয়েবসাইট https://ceowestbengal.wb.gov.in-এ যান।
    স্টেপ ২: সাইন আপ করতে পারেন অথবা ফোন নম্বর কিংবা এপিক নম্বর দিয়ে লগ ইন করতে পারেন।
    স্টেপ ৩: ওয়েবসাইটেই পাওয়া যাবে এসআইআর এনুমারেশন অনলাইন ফর্ম।
    স্টেপ ৪: ফর্ম ফিল আপ করার আগে নিজের পাসপোর্ট সাইজের ছবির স্ক্যানড কপি হাতের কাছে রাখুন। পরের স্টেপে সেই ছবির স্ক্যান্ড কপি আপলোড করতে হবে।
    স্টেপ ৫: যে কলামগুলি ফিল আপ করতে হবে সেগুলি হল, জন্মের তারিখ, আধার নম্বর (ঐচ্ছিক), মোবাইল নম্বর, পিতার নাম, পিতার এপিক নম্বর (যদি থাকে),মায়ের নাম, মায়ের এপিক নম্বর (যদি থাকে), বিবাহিত হলে স্বামী বা স্ত্রীর নাম, স্বামী বা স্ত্রীর এপিক নম্বর (যদি থাকে)।
    স্টেপ ৬: সবশেষে সাদা পাতায় সই করে স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
    স্টেপ ৭: এরপর ক্লিক করুন সাবমিটে।
    স্টেপ ৮: ডিক্লেরেশন পেজে একাধিক অপশন রয়েছে। সিলেক্ট করতে হবে যথাযথ অপশন।
    স্টেপ ৯: ২০০২ এর ভোটার তালিকায় নাম থাকলে বা বাবা-মায়ের নাম থাকলে তাঁদের সেই কপি স্ক্রিনশট আপলোড করতে হবে।
    স্টেপ ১০: ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় কারও নামই না থাকলে কমিশনের নির্দেশ করে দেওয়া ১১টির নথির যে কোনও একটি ডকুমেন্টে টিক দিতে হবে।
    স্টেপ ১১: সবশেষে সাবমিট বটনে ক্লিক করুন।

    অযথা আতঙ্কিত হবেন না

    ভোটার তালিকায় (Voter List) কোনও যোগ্য নাগরিক যেন বাদ না যান, আবার অযোগ্য কেউ যাতে ঢুকে না পড়েন— এই লক্ষ্যেই দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হচ্ছে ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (Special Intensive Revision বা SIR)। রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বক্তব্য শুনে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। জেলায় জেলায় এসআইআর ঘোষণার পর আত্মহত্যার অভিযোগও সামনে আসছে। কিন্তু, অযথা আতঙ্কিত না হয়ে কমিশন যে এনুমারেশন ফর্মের ব্যবস্থা করেছে, সেটি ধাপে ধাপে কীভাবে ফিলআপ বা পূরণ করবেন, জেনে নিন। নির্বাচন কমিশন বারবার আশ্বস্ত করলেও এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে ঘুম উড়েছে অনেকেরই। বাড়িতে না থাকলে কীভাবে ফর্ম পূরণ করবেন, তা ভেবেই চিন্তায় ছিলেন অনেকে। অবশেষে প্রযুক্তিগত ত্রুটি সারিয়ে ওয়েবসাইটও খুলে দিয়েছে কমিশন। শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই খুলে দেওয়া হয়েছে সেই ওয়েবসাইট। এসআইআর নিয়ে ভোটারদের মধ্যে হাজার প্রশ্ন। ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় নাম না-থাকলে কী হবে? সেই চিন্তায়ও ভুগছেন অনেকে। যদিও কমিশন জানিয়েছে, চিন্তার কারণ নেই। ২০০২ সালের এসআইআর তালিকায় নিজের নাম বা বাবা-মায়ের নাম থাকলে কোনও নথি দিতে হবে না। তা ছাড়াও ১১টি নথি ব্যতীত নাগরিকত্ব প্রমাণ করার যে কোনও নথি দিলেই তা গ্রাহ্য হবে।

  • Bitter Gourd: হৃদরোগ থেকে ডায়াবেটিস, একাধিক রোগ রুখবে করলা!

    Bitter Gourd: হৃদরোগ থেকে ডায়াবেটিস, একাধিক রোগ রুখবে করলা!

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্বাদ তেতো হলেও শরীরের জন্য খুবই উপকারি। তাই দুপুরের খাবারের শুরু হোক করলা (Bitter Gourd) দিয়েই। এমনটাই জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তরুণ প্রজন্মের একাংশ, হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা কিংবা ডায়াবেটিসের মতো নানান জটিল রোগে (Lifestyle Diseases) ভুগছেন। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, একাধিক জটিল রোগের ঝুঁকি কমাবে এই সব্জি! নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে করলা খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়।

    কোন কোন রোগ করলা মোকাবিলা করতে পারে?

    হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়সিদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ শরীরে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়া। তাঁরা জানাচ্ছেন, অতিরিক্ত তেল মশলা জাতীয় খাবার খাওয়ার জেরে এই ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। করলা শরীরের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত করলা (Bitter Gourd) খেলে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে!

    দেশ জুড়ে বাড়ছে ডায়াবেটিস। স্কুল পড়ুয়া থেকে প্রৌঢ়, সব বয়সীদের মধ্যেই ডায়াবেটিসের প্রকোপ দেখা দিচ্ছে। ডায়াবেটিস শরীরে একাধিক রোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপনের জন্য ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকা জরুরি। আর এই কাজে সাহায্য করে করলার মতো সব্জি। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত করলা খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাঁরা জানাচ্ছেন, করলা (Korola Karela) ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারি। আবার যারা প্রি-ডায়াবেটিক, অর্থাৎ, যাদের ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার বাড়তি ঝুঁকি রয়েছে, তাঁদের নিয়মিত করলা খেলে বিপদ কমবে।

    লিভার সুস্থ রাখতে সাহায্য করে!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়লায় থাকে ডিটক্সিফাইং উপাদান। এই জেরে নিয়মিত করলা (Bitter Gourd) খেলে লিভারের নানান অসুখের ঝুঁকি কমে। লিভার সুস্থ থাকে। হজম শক্তিও বাড়ে। এর পাশপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমে।

    রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায়!

    কয়লায় ভিটামিন সি থাকে। তাই পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়মিত করলা খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। যেকোনও সংক্রামক রোগের ঝুঁকি কমে। আবার সর্দি-কাশির ভোগান্তিও কমবে।

    কিডনিতে পাথর জমার ঝুঁকিও কমায়!

    কিডনিতে পাথর জমার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ছে। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, অসময়ে খাওয়ার অভ্যাস, ঠিকমতো বিশ্রাম না নেওয়া, পর্যাপ্ত জল না খাওয়া, বারবার হজমের সমস্যা ও নানান অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের (Lifestyle Diseases) অভ্যাসের জেরেই কিডনিতে পাথর জমার মতো রোগ দেখা দিচ্ছে। আর কিডনিতে একবার পাথর জমলে, বারবার পাথর তৈরির ঝুঁকিও থাকে। নিয়মিত করলা খেলে এই ঝুঁকি কমে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়লায় থাকা নানান উপাদান কিডনিতে বারবার পাথর তৈরি হতে বাধা দেয়। কিডনি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

    পুষ্টিবিদদের একাংশের পরামর্শ, নিয়মিত ভাতের আগে করলা (Bitter Gourd) খাওয়া যায়। করলার তরকারি বা অন্য পদ তৈরি করে নিয়মিত খেলে শরীরের উপকার হয়। করলা সব বয়সের মানুষের জন্য সমান উপকারি।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • PM Modi In Bhutan: আগামী সপ্তাহেই ভুটান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী! রেল সংযোগ, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিশদ ভাবনা

    PM Modi In Bhutan: আগামী সপ্তাহেই ভুটান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী! রেল সংযোগ, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিশদ ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দিনের সরকারি সফরে ভুটান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In Bhutan)। আগামী সপ্তাহে ভুটানের বর্তমান রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের পিতা প্রাক্তন রাজা জিগমে সিংয়ে ওয়াংচুকের ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষে ভুটানে যাওয়ার কথা রয়েছে মোদির। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরসূচি ঘোষণা করা হয়নি, তবু সূত্রমতে, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হবে জ্বালানি সহযোগিতা ও আঞ্চলিক সংযোগ আরও দৃঢ় করা। আগামী ১১ ও ১২ নভেম্বর ভুটান সফরে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর। ২০১৪ সালের পর এটি হবে তাঁর চতুর্থ ভুটান সফর।

    জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন

    সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী মোদি ভুটান (Bharat-Bhutan Relation) সফরের সময় সেখানকার পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন এবং সেখানকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন। ভুটানের সংবাদ মাধ্যম কুয়েনসেলের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রাক্তন রাজার ৭০তম জন্মদিন উদযাপনের সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি সেখানে পুনাতসাংছু-দ্বিতীয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধনও করবেন বলেও জানা গিয়েছে। ২০২৫ সালের শুরু থেকে চালু হওয়া এই প্রকল্প ভুটানের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ করবে এবং ভারতের কাছে বিদ্যুৎ রফতানিতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

    ভারত–ভুটান রেল সংযোগ প্রকল্পের অগ্রগতি

    প্রধানমন্ত্রী মোদি সফরের সময় ভারত–ভুটান রেল সংযোগ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। ভারত-ভুটান দুটি রেলপথের মধ্যে রয়েছে— আসামের কোকরাঝাড় থেকে দক্ষিণ ভুটানের গ্যালেফু পর্যন্ত ৬৯ কিমি লাইন এবং পশ্চিমবঙ্গের বানারহাট থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ভুটানের সামতসে পর্যন্ত ২০ কিমি লাইন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঘোষিত এই দুই প্রকল্প সীমান্তপারের যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কোকরাঝাড়–গ্যালেফু প্রকল্প, যার ব্যয় প্রায় ₹৩,৪৫৬ কোটি, এতে থাকবে ৬টি স্টেশন, ২টি গুরুত্বপূর্ণ সেতু, ২৯টি বড় ও ৬৫টি ছোট সেতু, ২টি পণ্যবাহী টার্মিনাল, ১টি উড়ালপুল এবং ৩৯টি আন্ডারপাস। নির্মাণের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে চার বছর। অন্যদিকে বানারহাট–সামতসে প্রকল্পের ব্যয় ₹৫৭৭ কোটি, যেখানে থাকবে ২টি স্টেশন, ১টি বড় সেতু, ২৪টি ছোট সেতু, ১টি ওভারপাস এবং ৩৭টি আন্ডারপাস। এটি তিন বছরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা।

    পারস্পরিক সংযোগকে আরও গভীর করবে

    বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, এই প্রকল্পগুলো ভারত ও ভুটানের পারস্পরিক সংযোগকে আরও গভীর করবে। তিনি বলেন, “গ্যালেফু হলো ‘গ্যালেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু, যা ভুটানের রাজা স্বপ্নদর্শীভাবে পরিকল্পনা করেছেন। ভারত এই প্রকল্পে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। আসামের সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলবে।” সামতসে রেল প্রকল্প সম্পর্কে মিশ্রি আরও জানান, এই শহরটি শিল্পকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হচ্ছে এবং এখান থেকে ডোলোমাইট, ফেরো-সিলিকন, কোয়ার্টজাইট ও পাথরচিপস ভারতের বাজারে রফতানি করা হতে পারে।

    ভারত-ভুটান সম্পর্কের বিকাশের উপর গুরুত্ব

    সোমবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে ভারত-ভুটান সম্পর্কের বিকাশের উপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘ভারত-ভুটানের সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে উঠেছে হাজার বছর আগে, যা এখনও আমরা উপভোগ করছি। কারণ ভারতের অনেক আধ্যাত্মিক গুরু ভুটানে বা কখনও কখনও হিমালয়ের অন্যান্য অংশে ভ্রমণ করেছেন। অনেকে ভুটানে বাড়িও বানিয়েছেন।’ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে আরও বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির সহযোগিতায়, ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিকে বজ্রযান অনুশীলনের কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তরিত করা হতে পারে। আগামী দিনে মোদির সহযোগিতায় গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিকে একটি বজ্রযান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে যথেষ্ট সদিচ্ছা রয়েছে এবং এই অংশগ্রহণ থেকে উপকৃত হয়েছে ভুটান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী থেকে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আমাদের রাজাদের এবং বর্তমান রাজার সম্পর্কও অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ।’

     

     

     

     

     

     

LinkedIn
Share